Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা লোপ করে মোদি-শাহ জুটি এক অর্থে মাস্টার্স স্ট্রোক দেওয়ার পর একমাস অতিক্রান্ত। অথচ বিতর্কের পারদ নামার লক্ষণ এখনও পর্যন্ত নেই। কেউ বলছেন এটা একতরফা। আবার কেউ আরও কড়া সুরে এটাও বলছেন যে, কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীণ উপনিবেশ। সর্বোচ্চ আদালতে কড়া নাড়া থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায় প্রতিদিনই কাশ্মীর নিয়ে ঝড় তোলা কোনও না কোনও প্রতিবেদন আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি। এই উদ্বেগের প্রধান কারণ অবশ্যই ভারতের প্রধান শত্রু—পাকিস্তানের দিক থেকে ধেয়ে আসা একের পর এক উস্কানিমূলক বাচনিক শক্তিশেল; তার কথায় আমরা পরে আসব, তবু কেবল সেটাই নয়, বরং চীনা ড্রাগনের কপালেও চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে ভারতের এই সাংবিধানিক পরিবর্তন। বস্তুত দক্ষিণ এশিয়ার ভৌগোলিক মানচিত্রে চীন যখন তার অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করতে উদ্‌গ্রীব, তখন ভারতের এই পদক্ষেপে চীনের ইমপেরিয়াল মনোভাব যেন একটা মোক্ষম ধাক্কা খেয়েছে।
সেই ইগোর আঘাত থেকে চীনের দিক থেকে ধেয়ে এসেছে তিনটি প্রতিক্রিয়া: (১) চীন মনে করছে এই পরিবর্তনের ফলে তার ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হয়েছে, বিশেষত সংখ্যাগুরু বৌদ্ধধর্মাবলম্বী সন্নিবিষ্ট লাদাখ-কে ভারত নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করায় চীনের কাছে মনে হয়েছে ভারতের এই চাল তিব্বত ইস্যুকে ইন্ধন জোগাবে। অথচ খুঁটিয়ে দেখলে আমরা দেখব ভারত স্বাধীনতার পর থেকে তিব্বত নিয়ে যতটা ভেবেছে, তার বিন্দুমাত্র চিন্তাও সে লাদাখ-নীতি প্রণয়নে ব্যয় করেনি। যদি তাই হতো তাহলে পূর্ব লাদাখের বিস্তৃত ক্ষেত্র, এমনকী যা কৈলাসের মানস সরোবর পর্যন্ত সম্প্রসারিত, তাকে নিয়ে এখনকার মতো ভারতকে নতুন করে চিন্তা করতে হতো না। (২) ভারত-পাক বিবাদে চীন খানিকটা বড়দার মতো উভয়পক্ষকে সংযত হতে বলেছে। (৩) এখানেও না থেমে চীন ভারতের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদেও নালিশ ঠুকেছে।
অবশ্য এসব কিছুকে উপচে ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে আরও তিনটি কড়া আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া। প্রথমেই বলা যেতে পারে ইরানের কথা। ইরানের কথা আসতেই ভারতের প্রাচীন সভ্যতার সঙ্গে এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক যোগসূত্রের প্রসঙ্গটি এসে পড়ে। আবার ভারত বরাবরই তার অপরিশোধিত তেল আমদানির সিংহভাগই ইরানের থেকে করে আসছে। এই ভারত-ইরান বাণিজ্যিক বোঝাপড়া এতটাই উভয় পক্ষের বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে যে, ভারতীয় মুদ্রায় তেলের দাম নিতে ইরান রাজি হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানকে বাইপাস করে আফগানিস্তানে পৌঁছানোর ভারতীয় নকশার বড় সহায় ইরানের চাবাহার বন্দর-শহর। তাছাড়া গত জুলাই মাসে হরমুজ স্ট্রেটে ইরান যখন একটি ব্রিটিশ তৈল জাহাজকে আটক করে, যা নিয়ে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা ইরান কর্তৃক মার্কিন নজরদারি ড্রোনকে গুলি করে ভূপতিত করার বিতর্কে নতুন ইন্ধন জোগায়, সেই অবস্থাতেও ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে রিয়াধ নয়জন ভারতীয় নাবিককে মুক্তি দিয়েছিল। এহেন ইরানের কাছে যেটা প্রত্যাশিত ছিল না, সেই অনভিপ্রেত বার্তাই ধেয়ে আসে যখন ভারত ৩৭০ ধারা লোপ করে। খোমেইনির ইরান ভারতের পদক্ষেপে উষ্মা ব্যক্ত করতে দ্বিধা করেনি।
দ্বিতীয়ত, ভারতের পদক্ষেপকে সমালোচনা করতে দেখা গিয়েছে এরদোগানের তুর্কিকে। তুর্কি কেবল ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অনন্য স্থান অধিকার করেই নয়, বরং ইসলামিক রাষ্ট্রগুলির মধ্যেও তার বিশেষ প্রভাব রয়েছে।
তৃতীয়ত, ভারতের দিক থেকে বিশেষ মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছিল মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া। দক্ষিণ এশিয়ায়, বিশেষত আফগানিস্তানে তালিবানের উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে যখন মার্কিন বিদেশনীতি মুখ থুবড়ে পড়ছে, তখন খানিকটা ইমরানের পাকিস্তানকে তোয়াজ করতেই ট্রাম্প কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। ভারতের দিক থেকে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া ঘটে ট্রাম্পের ২৩ জুলাইয়ের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যখন আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলা হয় মোদির কথাতেই তিনি এমন প্রস্তাব দিয়েছেন। ফলে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে হঠাৎ এতটাই পারদ চড়তে শুরু করেছিল যে, কেবল সামরিক আঁট-দরাজে আর কাজ হচ্ছিল না। সংবিধান সংশোধনের রাজনৈতিক ভাবনার সূত্রপাত সেখান থেকেই।
কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে যেটা উচিত ছিল তা হল ভারতের নমনীয় শক্তির ব্যবহার তথা কূটনৈতিক কাঠামোর মাধ্যমে এই পদক্ষেপের সমর্থনে পোক্ত জমি তৈরি করা। ৩৭০ ধারার মতো এত বড় মাপের পদক্ষেপ গ্রহণের পূর্ব মুহূর্তে ভারত আমেরিকা, রাশিয়ার মতো বৃহৎ শক্তিগুলিকে অবহিত করলেও ভারতের উচিত ছিল আরও গুছিয়ে ‘হোমওয়ার্ক’ করা। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখলাম এই অসময়ে ভারতের ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ হিসেবে অবতীর্ণ হলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। দোভাল যখন কাশ্মীরে, তখন জয়শঙ্কর কূটনৈতিক দৌত্যের জোয়াল কাঁধে নিয়ে হাজির চীনে। তাতেও যে চিঁড়ে ভেজেনি, তার প্রমাণ মিলল যখন রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হোক—চীনের এমন প্রস্তাবে বেশ বিব্রতভাবেই, যদিও মুখে হাসি নিয়ে, কাশ্মীর প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান অত্যন্ত ঋজুতার সঙ্গে ব্যাখ্যা করলেন ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি সৈয়দ আকবরউদ্দিন।
বস্তুত একটা সময় মনে হয়েছিল সরকার কতটা এই নার্ভের উপর চাপ নিতে প্রস্তুত? কারণ কাশ্মীরকে ঘিরে কেবল উপত্যকার রাজনীতিই যে আবর্তিত হয়েছে—এমনটা নয়, বরং গত সাত দশকে কাশ্মীর নীতি যেভাবে কেন্দ্র-রাজ্য পারস্পরিক দোষারোপের ও রাজনীতির পাশা খেলার একটা মুখ্য ঘুঁটি হয়ে উঠেছিল, তাতে করে কাশ্মীরবাসীর উন্নয়ন তো দূর অস্ত, বরং ‘দশচক্রে ভগবান ভূতের’ মতো অবস্থা হয়েছিল। পরিস্থিতি যে হাতের বাইরে চলে যাচ্ছিল তা বোঝা গিয়েছিল পুলওয়ামায় ভারতীয় সেনা কনভয়ের উপর জঙ্গি-হামলার ঘটনার মধ্য দিয়ে। আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি যতটাই দুর্বল হয়ে পড়ছিল, ততই আমরা দেখছিলাম কাশ্মীরের যে ভাবাবেগ তাকে কাজে লাগিয়ে সেখানে ইসলামিক ক্যালিফেট গড়ে তোলার ভয়ঙ্কর অপচেষ্টা। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের মোক্ষম চালের মাধ্যমে যখন ৩৭০ ধারা রদ হল, তখন অচিরে বোঝাই গিয়েছিল যে সঙ্কট কাটিয়ে অচিরে উপত্যকায় নতুন সূর্যোদয় হবে। কিন্তু বাহ্যিক পরিস্থিতিকে খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য মনে হয় না এতটা জোরালো পরিকল্পিত আয়োজন আমাদের ছিল। এর কারণ:
প্রথমত, আমরা বারবার আমেরিকাকে বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি যে, দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানকে ভারতের সঙ্গে এক আসনে বসানো চলে না।
দ্বিতীয়ত, ভারতের এই পদক্ষেপের ঠিক পরে পরেই পাকিস্তানের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়, যার মধ্যে ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বাতিল করা থেকে ভারতীয় কনভয়ের বহিষ্কার, সমঝোতা এক্সপ্রেস, বাস-সার্ভিস বাতিলের মতো একতরফা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের হিড়িক আমরা লক্ষ করি। এখানেও না থেমে পাকিস্তান তার ঘনীভূত অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে ভারতের বিরুদ্ধে পুনরায় জঙ্গি আক্রমণের হুমকি দিতে থাকে। কাশ্মীরের ভাবাবেগকে কাজে লাগিয়ে পাঞ্জাব সীমান্তে কর্তারপুর করিডরকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত করার চরম হুঁশিয়ারিও দিতে থাকে।
তৃতীয়ত, পরিস্থিতি যথেষ্ট উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শেষ অবধি আসরে নামতে দেখা গেল প্রবীণ রাজনাথ সিংকে। মঞ্চে অবতীর্ণ হয়েই তিনি কূটনৈতিক ভঙ্গিমায় এমন বার্তাও দিলেন যে, ভারত প্রয়োজনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে তার স্ব-ঘোষিত 'No First use doctrine' থেকে সরে আসতে পারে।
চতুর্থত, উপমহাদেশের রাজনীতিতে কাশ্মীর ইস্যুর মহিমা মালুম হল যখন আমরা দেখলাম ভারতের এ-স্যাট উৎক্ষেপণ ও চন্দ্রযান-২ অভিযান পাবলিক ডোমেনে আলোচনার মধ্যে যে বৌদ্ধিক ঝোঁক সম্প্রতি নিয়ে এসেছিল, তার রং পুরো পাল্টে গেল। পুনরায় আমরা যেন একটা নিরাপত্তা সঙ্কটের মধ্যে বাস করছি এমন হবসীয় বাতাবরণ প্রকাণ্ড পর্দার মতো আমাদের অর্থনীতির স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা যা বাণিজ্যিক ভ্যালু চেনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত—এইসব বিষয়গুলোকে মুহূর্তে যেন অন্তরালে ঠেলে দিল। বলা বেশ কঠিন ভারতীয় কূটনীতি সেই মেঘাচ্ছন্ন আকাশে কতটা আলোর দিশা দেখাতে পারবে।
 লেখক অধিকর্তা, অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়
14th  September, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...

বিএনএ, মেদিনীপুর: শনিবার মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার সদর ব্লকের খাঙ্গারডিহি এলাকায় বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনায় দু’পক্ষের ছ’জন কর্মী সমর্থক জখম হন।  ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: প্রথম ম্যাচে এটিকের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ী কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি 

09:37:34 PM

আইএসএল: কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি ২ - এটিকে ১ (বিরতি) 

08:29:36 PM

কোচবিহারের দিনহাটার নারায়ণগঞ্জে ৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার 

06:16:00 PM

করণদিঘিতে ব্যবসায়ী খুনে ৫ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র 

05:47:32 PM

শ্রীরামপুরে লকেটের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে 
সংকল্প যাত্রায় অংশগ্রহণের পথে শ্রীরামপুরের বটতলায় লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি আটকানোর ...বিশদ

04:32:00 PM

রাঁচি টেস্ট: কম লাইটের জন্য খেলা বন্ধ, দঃ আফ্রিকা ৯/২ (প্রথম ইনিংস) 

04:19:41 PM