Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে। বিদ্যাশিক্ষা আমাদের সেই জ্ঞানের সঙ্গে পরিচিত করায়। আমাদের বুদ্ধি মন ইত্যাদিকে গড়ে তোলার সঙ্গে নানা ব্যবহারিক বিদ্যার জ্ঞান মানুষকে জীবিকা নির্বাহ করার উপযোগীও করে তোলে। প্রত্যেক দেশ তার প্রাকৃতিক ও সামাজিক পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অধিবাসীদের সামগ্রিক বিকাশের লক্ষ্যে নিজেদের শিক্ষানীতি স্থির করে।
শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড বলা হয়। তাই দেশের শিক্ষানীতি অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে স্থির করতে হয়, যাতে জাতির সেই মেরুদণ্ড সবল ও ঋজু হয়। ভারতের মতো বহু ভাষাভাষীর দেশে, এক দেহে লীন হয়ে যাওয়া বহুজাতির দেশে সবার উপযোগী ও জনপ্রিয় এক শিক্ষানীতি স্থির করা অতি কঠিন ব্যাপার। শিক্ষার বিষয় নির্বাচনে তেমন জটিলতা না থাকলেও শিক্ষার মাধ্যম হিসাবে ভাষা নির্বাচনে সর্বভারতীয় শিক্ষানীতি বারবার নানা বাধার সম্মুখীন হয়ে আসছে। এই বিশ্বায়নের যুগে কীভাবে শিক্ষা পেয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা নিজেদের অস্মিতা রক্ষা করে, নিজেদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটিয়ে বিশ্বের সঙ্গে একাত্ম হয়ে উঠতে পারবে তা স্থির করা এক দুরূহ ব্যাপার।
ভাষা মানুষকে যুক্ত করে, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’-এর পথে প্রেরিত করে। পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটের পরিবর্তনের সঙ্গে মাতৃভাষা ছাড়া অন্য সব ভাষারই গুরুত্বের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে। যেমন শিক্ষিত ভারতীয়রা আর ফারসি পড়ে না। ভারতে ইংরেজির দাপট থাকলেও ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের দেশগুলিতে বা রাশিয়া, চীনসহ মধ্য এশিয়ায় ইংরেজির তেমন দাপট নেই। কথোপকথনের জন্য ভাষার ব্যবধান দূর করতে বর্তমানে নানা প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছে। ভারতে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এখনও আমরা ইংরেজির দ্বারস্থ হই, তাই মাধ্যমিক পর্যায়ে এখনও ছাত্রছাত্রীদের এমনভাবে ইংরেজি শেখানো দরকার যাতে তারা উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় ইংরেজিতে শেখার অসুবিধায় মাঝপথে পড়া ছেড়ে না দেয় বা হীনম্মন্যতায় ভুগে আত্মহত্যা না করে। ইংরেজি শিক্ষা কোন পর্যায়ে রাখা হবে তা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে স্থির করা দরকার। রবীন্দ্রনাথ লিখে গেছেন ইংরেজি কাজের ভাষা, ‘ভাবের ভাষা নয়’। তাঁর মতে সেই কাজের ভাষা বাল্যাবস্থায় শিখতে গিয়ে ‘শিশুরা সব কূল হারায়’। না হয় তাদের ‘প্রকৃতির সত্যরাজ্যে প্রবেশ করিবার অবকাশ’, না হয় তাদের ‘সাহিত্যের কল্পনা রাজ্যে প্রবেশ করার ক্ষমতা’। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন ‘বাঙালির ভাব ইংরেজের ভাষায় তেমন জীবন্তরূপে প্রকাশিত হয় না’। তার ধারণায় ভাষা শিক্ষার সঙ্গে ভাব যুক্ত হলে সমস্ত জীবনযাত্রাই নিয়মিত হতে পারে। সেই সঙ্গে বাংলা পাঠ্যগ্রন্থের মান সম্পর্কে বলেছেন ‘অনভিজ্ঞ ম্যাকমিলান কোম্পানির রচিত, অতি সংকীর্ণ, অতি দরিদ্র এবং বিকৃত বাংলা পাঠ্যগ্রন্থ পড়িয়া বাঙালি ছেলেকে মানুষ হইতে হইবে... যাহাতে নিরপেক্ষ উদার জ্ঞানচর্চা পলিটিক্যাল প্রয়োজন সিদ্ধির কাছে খণ্ডিত হইয়া যায়।’ উদ্ধৃত রবীন্দ্রনাথের সবকটি উপলব্ধিই এখনও সমভাবে সত্য।
বিদ্যালয়ে প্রাথমিক পর্যায়কে রাখা উচিত প্রধানত মাতৃভাষার ভিত তৈরি করার জন্য। এই পর্যায়ে ইংরেজি অক্ষর পরিচয়, বহু ব্যবহৃত কিছু শব্দের অর্থ জানা ও ছড়ার মাধ্যমে বাক্য গঠনের জ্ঞান হলেই যথেষ্ট। প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষার পাঠ্য এমন হওয়া উচিত যা ছাত্রছাত্রীরা আগ্রহ নিয়ে আনন্দের সঙ্গে পড়বে। ‘পলিটিক্যাল প্রয়োজন সিদ্ধির’ ব্যাপারটি যেন সেখানে কখনওই না আসে। মাতৃভাষার সঙ্গে মানুষের নাড়ির যোগ থাকে। সেই যোগকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করে তাকে বলিষ্ঠ করার শিক্ষার উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। এ প্রসঙ্গে আবার রবীন্দ্রনাথের শরণ নিলাম। তিনি লিখছেন বিদ্যার্থীরা যদি আনন্দের সঙ্গে কোনও কিছু পাঠ করে তবে তাঁদের ‘পড়িবার শক্তি অলক্ষিতভাবে বৃদ্ধি পাইতে থাকে; গ্রহণশক্তি, ধারণশক্তি, চিন্তাশক্তি বেশ সহজে এবং স্বাভাবিক নিয়মে বললাভ করে।’ রবীন্দ্রনাথের এই পর্যবেক্ষণ এক চিরকালীন সত্য।
প্রাচীন গুরুকুল, চতুষ্পাঠী ও টোলের শিক্ষাব্যবস্থাকে সরিয়ে রেখে বাংলায় আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পথিকৃৎ ছিলেন পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়। এক অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী সেই মানুষটি মাত্র উনিশ বছর বয়সেই বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেছিলেন। একুশ বছর বয়সে তিনি ফোর্ট উইলিয়ামে হেড পণ্ডিতের পদে নিযুক্ত হন। তিনি বুঝতেন এবং সর্বত্র বলতেন সংস্কৃতের মাধ্যমেই ভারতীয়রা দেশের ঐতিহ্য, জাতিতত্ত্ব, ভাষাতত্ত্ব ও প্রাচীন ইতিহাস নির্ভুলভাবে জানতে পারবে। আমার দেশ সম্বন্ধে অন্যের লেখা পড়ে সঠিক জ্ঞান হয় না। সংস্কৃত কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন তিনি সেই কলেজে প্রবেশাধিকার কেবলমাত্র উচ্চবর্ণের জন্য সংরক্ষিত না রেখে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন। সংস্কৃত ভাষার গুরুত্ব আধুনিক বিশ্বের অন্যত্রও পণ্ডিতেরা স্বীকার করেন। পৃথিবীর সকল ভাষার মধ্যে সংস্কৃত সর্বাধিক কম্প্যুটার ফ্রেন্ডলি বা সংগণক বান্ধব ভাষা হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তাঁদের মতে একমাত্র এই ভাষার সাহায্যে মূল শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধ রেখে অসংখ্য নতুন শব্দের সৃষ্টি করা সম্ভব।
ভারতে প্রায় সমস্ত ভাষারই মূল প্রোথিত রয়েছে সংস্কৃতে। শুধু তাই নয়, সংস্কৃতের সঙ্গে সম্বন্ধিত ভাষা হল গ্রিক, ল্যাটিন, আবেস্তীয় ও প্রাচীন পারসিক ভাষাও। বিন্ধ্য পর্বতের উত্তরে ও দক্ষিণে সমগ্র ভারতকে একাত্ম করতে সক্ষম অন্য কোনও ভাষা নয়—শুধুমাত্র সংস্কৃত। বলা হয় দাক্ষিণাত্যের সঙ্গে উত্তর ভারতের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের জনক ছিলেন মহামুনি অগস্ত্য। তাঁর দ্বারাই তাম্রপর্ণী নদীর তীরে তামিল ভাষার বিকাশ হয়। আধুনিক তামিল ভাষা দু’হাজার বছরেরও বেশি প্রাচীন। শুধু দ্রাবিড় গোষ্ঠীরই নয়, অধুনা বিকশিত সব ভারতীয় ভাষার মধ্যে তামিলই সর্বপ্রাচীন এক সমৃদ্ধ ভাষা। অধুনা ধ্বনিগত বৈশিষ্ট্যের জন্য দ্রাবিড় গোষ্ঠীর ভাষাগুলিতে সংস্কৃত ও অন্যান্য প্রাকৃত ভাষাগুলির উপস্থিতি পরিচিতি লাগে না। তারা নিজেরাও অনেক সময়ে সংস্কৃত মূলের সঙ্গে নিজেদের যোগ বুঝতে পারে না। সংস্কৃত ভাষা সমগ্র ভারতকে একাত্ম করতে সক্ষম এ কথা বুঝেছিলেন আমাদের সংবিধানের রচয়িতা বাবাসাহেব আম্বেদকরও। তিনি বলেছিলেন ভারতের রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত সংস্কৃত। সংস্কৃত শিক্ষার ব্যাপারে আমাদের শিক্ষানীতির নির্ধারকদের সজাগ থাকা প্রয়োজন। মাধ্যমিক পর্যায়ে সংস্কৃত সারা দেশে অবশ্যপাঠ্য হওয়া উচিত। এতৎ সঙ্গে দ্রাবিড় অস্মিতাকে উত্তর ভারতে মান্যতা দিয়ে দক্ষিণ ভারতে হিন্দির স্বীকৃতির পথও প্রশস্ত করা প্রয়োজন।
বর্তমানের প্রেক্ষিতে সর্বভারতীয় যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে হিন্দির প্রতিষ্ঠাকে অস্বীকার করা যায় না। সংস্কৃত শেখার সময়েই দেবনাগরী লিপির সঙ্গে পরিচয় হয়ে যায়। হিন্দিতে বার্তালাপের জন্য বিশেষ প্রয়াসের প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। নানা মাধ্যমের সাহায্যে ভারতের সর্বত্র, এমনকী ঘোর হিন্দি বিরোধী রাজ্য যেমন তামিলনাড়ু বা মণিপুরেও লোকে হিন্দিতে কথা বলতে শিখে যায়। হিন্দি জোর করে চাপিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। হিন্দি বুঝতে, পড়তে (সংস্কৃতের দৌলতে) বা বলতে অসুবিধা না থাকলেই রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হয়ে যায়। তার সঙ্গে হিন্দি সাহিত্যের পরিচয় থাকলে আরও ভালো। হিন্দি সাহিত্যের সর্বাধিক ঋদ্ধ ও কালজয়ী অংশ রয়েছে মধ্যযুগের কবিদের রচনায়। পাঠক্রমের কোনও একটা পর্যায়ে ছাত্রছাত্রীদের সেই রচনাগুলির সঙ্গে পরিচয় হওয়া উচিত। বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত একটি রচনায় জানতে পারি ফোর্ট উইলিয়ামে অধ্যাপনা করার সময়ে তিনি যত্নসহকারে হিন্দি ও ইংরেজি শিখেছিলেন।
রবীন্দ্রনাথের উদাহরণ দিয়েই আরও একটি সর্বকালীন সত্যের কথা বলি। তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কারজয়ী, কলিকাতা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট উপাধিপ্রাপ্ত। কিন্তু তিনি স্কুলের প্রথাগত পাঠ সম্পূর্ণ করতে পারেননি। তিনি পাঠে অমনোযোগী ছিলেন না বা তাঁর ধীশক্তিরও অভাব ছিল না। স্কুলের প্রতি তাঁর বিরাগের কারণ হিসাবে নিজের নানা রচনায় কখনও শিক্ষক, কখনও পাঠ্যপুস্তক আবার কখনও বা প্রতিষ্ঠানকে নিজের বিদ্যালয় বিমুখতার কারণ হিসাবে লিখেছেন। ছাত্রের মনোযোগকে ধরে রাখার জন্য শিক্ষকের ভূমিকা অসীম। বিদ্যালয়গুলি যেন ছাত্রদের মনে বিরাগ ও বিরক্তি উৎপাদন না করে সে ব্যাপারটিও গুরুত্বপূর্ণ। সর্বোপরি পাঠ্যবিষয় নির্বাচনের গুরুত্ব অসীম। নির্বাচকেরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য মাতৃভাষা, সংস্কৃত, ইংরেজি ও হিন্দির মধ্যে কোন ভাষা কোন পর্যায়ে পড়ানো হবে তা স্থির করবেন ঠিকই কিন্তু কোনও স্তরেই যেন পাঠ্যবিষয়গুলি পলিটিক্যাল ডামাডোলে নষ্ট না হয়ে যায়। বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষেই যেন শিক্ষকেরা নিঃশেষে বিদ্যা দান করেন, অসম্পূর্ণভাবে দেওয়া বিদ্যা প্রাইভেট টিউশনের ক্লাসের জন্য তুলে না রাখেন। কোথাও যেন অসম্পূর্ণভাবে বিদ্যাদানের কারণে শিক্ষা অসম্পূর্ণ না থাকে।
 লেখিকা যোগমায়া দেবী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা
09th  September, 2019
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

অভিমন্যু মাহাত, বারাকপুর, বিএনএ: বারাকপুর লোকসভা এলাকার ৮টি পুরসভায় ভোট নিয়ে দোলাচলে শাসকদলের নেতারা। তাই ওইসব এলাকায় পুরভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে হচ্ছে না। একটু ঢিমে তালে চলছেন নেতারা। সূত্রের খবর, পুরভোট নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বারাকপুর কর্পোরেশনের নোটিফিকেশন হয়ে যাবে।  ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্লারিকাল পদ এবং প্রায় সাত বছর পর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হবে। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য এই প্রথম একটি বাইরের এজেন্সিকে দায়িত্ব দিল ...

থানে, ১৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): মহারাষ্ট্রের কল্যাণ ডোম্বিভালি পুরসভার এক বরিষ্ঠ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আর তার ভিত্তিতে সোমবার দুর্নীতি দমন শাখার পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বালাসাহেব যাদব পেশায় পুরসভার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাপস পালের শেষকৃত্য কাল 
আগামীকাল প্রয়াত অভিনেতা তথা প্রাক্তন এমপি তাপস পালের শেষকৃত্য সম্পন্ন ...বিশদ

18-02-2020 - 03:48:59 PM

এপ্রিল মাসে রাজ্যের ১০২টি পুরসভায় নির্বাচন 
অবশেষে রাজ্যে পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়ে গেল। এপ্রিল মাসে রাজ্যের ...বিশদ

18-02-2020 - 03:39:08 PM

মালদহে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়াল মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র! 
ইন্টারনেট বন্ধ করেও রোখা গেল না প্রশ্ন ফাঁস! মাধ্যমিক শুরু ...বিশদ

18-02-2020 - 01:49:00 PM

কুঁদঘাটে মাকে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে 
রাগের মাথায় মাকে ঘুসি মেরে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে। আজ ...বিশদ

18-02-2020 - 12:57:00 PM

প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ 
প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ...বিশদ

18-02-2020 - 12:56:00 PM

আরামবাগে দুর্ঘটনার কবলে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় সাইকেল থেকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে ...বিশদ

18-02-2020 - 12:39:00 PM