Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শান্তির চর্চা জরুরি। এ থেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইংল্যান্ডের ওয়েলশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল। কালক্রমে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল। রাশিয়া সমেত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর।
২০১৯ হল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উদ্ভবের শতবর্ষ। একশো বছর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চায় বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কতটুকু অগ্রগতি ঘটেছে? আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের গতিপথ বারবার কেন পরিবর্তিত হয়েছে? বিশ্বায়নের যুগে ভারতের বিদেশনীতির মূল লক্ষ্যগুলি কী কী? কেন্দ্রের মোদি সরকার ভারতকে আন্তর্জাতিক স্তরে মজবুত আসনে বসাতে কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে? এই সমস্ত প্রশ্নকে মাথায় রেখে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান। যেমন আন্তর্জাতিক সেমিনার করছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সহযোগিতায় বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অফ পলিটিক্যাল স্টাডিজ। দেশ-বিদেশ থেকে শতাধিক গবেষক, অধ্যাপক মিলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক চর্চার শতবর্ষ উদ্‌যাপন করছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রাষ্ট্রনায়কদের বাধ্য করেছিল যুদ্ধ পরিহার করে নতুন করে শান্তির পথ খুঁজতে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের আদর্শবাদী চিন্তাভাবনাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘লিগ অফ নেশন’। যদিও সংস্থাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল। আমাদের দেশ তখন পরাধীন। ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতের পররাষ্ট্র সম্পর্কিত চিন্তা-ভাবনা যে কয়েকজন জাতীয়তাবাদী নেতার মধ্যে লক্ষ করা গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। কংগ্রেসের বিভিন্ন অধিবেশনগুলিতে নেহরুর উদ্যোগে বিশ্ব-রাজনীতি বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করতে দেখা গেছে। উড্রো উইলসনের ন্যায় নেহরুও ছিলেন আদর্শবাদী। বিশ্বশান্তি কামনায় আদর্শগত ভাবনার দ্বারা তাঁর সিদ্ধান্ত বারবার পরিচালিত হয়েছে।
আদর্শবাদী নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তিস্থাপনের লক্ষ্যে ভারতের বিশ্বনীতিকে পরিচালনায় পাশাপাশি নেহরু ভারতের স্বাধীন অবস্থান বজায় রাখতে সর্বদাই সচেষ্ট ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উদ্ভূত আন্তর্জাতিক কাঠামো নেহরুকে জোট-নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে প্রভাবিত করেছিল বলা যায়। তবে, আন্তর্জাতিক তৎকালীন কাঠামোগত উপাদানের পাশাপাশি নেহরুর নিজস্ব ভাবনা-চিন্তাও ভারতের বিদেশনীতি নির্মাণে কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছিল। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থানে নেহরুর নিজস্ব চিন্তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। পাকিস্তানের হানাদারদের অধিকৃত কাশ্মীর থেকে না-সরিয়ে রাষ্ট্রসংঘে চলে যাওয়া আদতেও উচিত ছিল কি না তা আজ বিতর্কের বিষয় নয়। আজ সংখ্যাধিক্য ভারতীয় ভাবনায় কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর ভাবনা ভারতের জাতি গঠনে প্রধান অন্তরায় ছিল বলে প্রকাশ পাচ্ছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সংসদে বিতর্কেও বার বার কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর অবস্থান এমপি-রা (মূলত অকংগ্রেসি) সমালোচনা করেছেন। বিশ্বশান্তির প্রবক্তা হিসাবে চীন সমেত প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পঞ্চশীল নীতির মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনে বিদেশনীতিকে পরিচালিত করতে চেয়েছিলেন নেহরু। সেইসময় সংখ্যায় কম হলেও কেউ কেউ নেহরুর আদর্শবাদী বিদেশনীতির সমালোচনা করে ভারতকে বাস্তববাদের মাটিতে দাঁড় করিয়ে সামরিক শক্তি অর্জনের উপর জোর দেওয়ার কথা বারবার স্মরণ করেছিলেন। যদিও নেহরু সেই সময় বাস্তববাদীদের ভাবনাকে এক প্রকার উপেক্ষা করেছিলেন বলা যায়।
১৯৫০-এর দশকে নেহরুর প্রণীত বিদেশনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসে ১৯৬২ সালে চীনের আক্রমণ এবং ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের আক্রমণের মধ্য দিয়ে। ১৯৬২-এর যুদ্ধে চীনের একতরফা সামরিক আগ্রাসন নেহরুর অনুসৃত ভারতের বিদেশনীতির দুর্বলতাগুলিকে সামনে এনেছিল। ১৯৬২-র যুদ্ধ ছিল ভারতের বিদেশনীতিতে ‘জল বিভাজিকা’। এই প্রথম ভারতের বিদেশনীতিতে আদর্শবাদী ভাবনার পরিবর্তে বাস্তববাদী ভাবনার প্রভাব স্পষ্ট লক্ষ করা গিয়েছে।
ভারতীয় রাজনীতি থেকে নেহরুর বিদায়ের পর প্রথমে লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান জয় কিষাণ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে এবং পরে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৭১-এর যুদ্ধে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ভূমিকা, সিকিমের ভারত সংযুক্তিকরণ, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তিস্থাপনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান ভূমিকা পরিলক্ষিত হয়েছিল। আদর্শবাদী ভাবনা থেকে সরে এসে ইন্দিরাজি ভারত-সোভিয়েত বিশেষ কৌশলগত সম্পর্ক, সামরিক ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ এবং পোখরানে পরমাণু বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ভারতের বিদেশনীতিকে দৃঢ় বাস্তববাদের মাটিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। নেহরুর জোট-নিরপেক্ষ নীতি ইন্দিরাজি অনুসরণ করলেও বাস্তববাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের বিদেশনীতিকে পরিচালনা করতে গিয়ে সোভিয়েত দেশের সঙ্গে সামরিক, আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করেছিলেন। ৭০-৮০ দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিদেশনীতি বহুলাংশেই সোভিয়েতমুখী ছিল।
৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে চলে আসা ঠান্ডাযুদ্ধের অবসান ঘটে। পাশাপাশি বিশ্ব-রাজনীতিতে মার্কিন প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। হঠাৎ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে ভারতের বিদেশনীতির নীতি নির্ধারণকারীগণ কিছু সময়কালের জন্য দিশাহীন হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, ওই পর্যায় পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমেত ভারতের সামরিক রসদ জোগানে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল ভারতের প্রধান ভরসাকেন্দ্র। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়লে এক মেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব-ব্যবস্থায় ভারতের বিদেশনীতি কোন পথে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে একাধিক মত উঠে এসেছিল। তবে একই সময়ে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে আমাদের দেশে শুরু হয়েছিল উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণের উদ্যোগ।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বাস্তবসম্মত বিদেশনীতির দিশা দেওয়া ছিল ৯০-এর দশকে নীতিনির্ধারণকারীদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিবর্তনগুলিকে মাথায় রেখে একটি বহুমুখী বিদেশনীতির অভিমুখ প্রস্তুত করা হয়েছিল। সোভিয়েত পতনের ফলে ভারতীয় বাণিজ্যে বিরাট ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। সেটা পূরণ করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ‘পুবে তাকাও নীতি’ নেওয়া হয়েছিল। বহুমুখী বিদেশনীতির অভিমুখ হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের উপর জোর দেওয়া ঠিকই, একইসঙ্গে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতে হয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি সম্পর্কে ‘গুজরাল ডকট্রিন’ এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির ‘সম্প্রসারিত প্রতিবেশী নীতি’র কথা। ভারতের বহুমাত্রিক বিদেশনীতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের ভূমিকাকে সবসময় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তেমনি উদ্ভূত আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলিকেও। যেমন সন্ত্রাসবাদ, পরিবেশ সংরক্ষণ, মানবাধিকার প্রভৃতি। এগুলি বরং অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।
বিশ্বায়ন, উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণের হাত ধরে ভারত আজ চতুর্থ বৃহত্ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। ৮০-র দশকে ভারতের অর্থনীতি যেখানে ছিল ফ্রান্সের অর্থনীতির চারভাগের একভাগ, ভারত আজ অর্থনীতির মানদণ্ডে ফ্রান্সকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। উৎপাদিত শিল্পের নিরিখে ভারতের স্থান নবম, মেধার বিচারে তৃতীয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির কাছে ভারত আজ সমীহ আদায় করে নিতে পেরেছে। জি-সেভেন থেকে শুরু করে পৃথিবীর সমস্ত বড় আর্থিক গোষ্ঠীগুলিতে ভারত আজ অন্তর্ভুক্ত। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হওয়ার উল্লেখযোগ্য দাবিদার আজ ভারত। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, আশিয়ান, মুসলিম রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন সংগঠন সমেত আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার প্রায় সমস্ত আর্থিক সংগঠন ভারতকে নানাভাবে তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এশিয়ায় ভারতের অবস্থানটি চীনের প্রেক্ষিতেই বিচার করা হচ্ছে। ভারতের বিপুল বাজার পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তের অর্থনৈতিক ভূমিকা পালনকারীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সামরিক ক্ষেত্রে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্ব-রাজনীতিতে ভারত আজ স্বতন্ত্র মর্যাদা পাচ্ছে। প্রযুক্তিগত বিকাশে চন্দ্রযান-২-এর মতন অভিযান আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ভারত সমীহ আদায় করে নিতে পেরেছে। এরই ফলস্বরূপ সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যুতে শত চেষ্টা করেও পাকিস্তান চীন ছাড়া অন্য কোনও দেশের সমর্থন ভারতের বিরুদ্ধে আদায় করতে পারেনি। কাশ্মীর ইস্যুতে আজ কেবল রাশিয়া ফ্রান্স নয়, ইংল্যান্ড আমেরিকাও ভারতের সঙ্গে রয়েছে। এমনকী উল্লেখযোগ্য ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিও পাকিস্তানের পক্ষ নেয়নি। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের যে গ্রহণযোগ্যতা শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার আজকের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশনীতিকে চারটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিচালিত করছে। এগুলি হল: (ক) আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণের স্বাধীনতা বজায় রাখা; (খ) ভারতের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা; (গ) জাতিগঠন প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে বিদেশনীতিকে পরিচালিত করা এবং (ঘ) বিশ্বের অগ্রগণ্য দেশগুলির সমান মর্যাদা ও অধিকারের স্বীকৃতি সুনিশ্চিত করা। পরাধীন ভারতে নেহরুর যে আদর্শবাদী চিন্তার উপর ভারতের বিদেশনীতি একদিন গড়ে উঠেছিল, আজ সেটা দৃঢ় বাস্তববাদী ভাবনার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একশো বছর চর্চাকালের মধ্যে আমরা লক্ষ করছি—একদা যে-ভারত একটি প্রান্তিক রাষ্ট্রমাত্র ছিল, সেটাই আজ আন্তর্জাতিক আঙিনায় উঠে এসেছে প্রথম দশটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মধ্যে একটি হিসেবে। এই সাফল্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বইকি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরবর্তী ৫০ বছরে ভারতের লড়াইটা চলবে প্রথম স্থান অর্জনের জন্য। প্রত্যাশা থাকল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ১৫০ বছর পূর্তির চর্চায় ভারতই থাকবে কেন্দ্রবিন্দুতে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
09th  September, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
নয়ন ভুলানো এলে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এবার সব কিছুর পরও কোথায় যেন একটা কিন্তুর কাঁটা ফুটছে, ফুটেই চলেছে! ফলে, জমজমাট পুজোর মজার আবহটা যেন এখনও ঠিক জমাট বাঁধতেই পারছে না। কী সেই কাঁটা? এনআরসি? বাজারদর? কাজ হারানো? মাসের পর মাস বেতনবিহীনতা, অভাব? দেশ জুড়ে হাজার হাজার লাখ লাখের কাজ হারানোর আতঙ্ক? —তালিকা শেষ হবার নয়। ক’দিন আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যের পুজো উদ্বোধনে এসে ফের একবার এনআরসি লাগু করার সন্দেশ দিয়ে গেলেন। উদ্বাস্তু নয় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই যে খড়্গহস্ত হবে এনআরসি সেটা অমিতজিরা বোঝানোর পরও বঙ্গজনের আতঙ্ক যে কাটছে না!  
বিশদ

03rd  October, 2019
মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন অনুসরণীয়
মোহন ভাগবত

ভারতের আধুনিক ইতিহাস তথা স্বাধীন ভারতের উত্থানের কাহিনীতে যেসব মহান ব্যক্তির নাম চিরকালের জন্য লেখা হয়ে আছে, যা সেই সনাতন কাল থেকে চলে আসা ভারতের ঐতিহাসিক গাথার এক একটি অধ্যায় হয়ে যাবে, পূজ্য মহাত্মা গান্ধীর নাম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ভারতবর্ষ আধ্যাত্মিক দেশ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিতেই তার উত্থান হবে।  
বিশদ

02nd  October, 2019
দুর্গাপুজোর আঙিনায় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ 

বঙ্গাব্দ ১২৭৭। রানি রাসমণি নেই। পরিবারের কর্তা জামাতা মথুরমোহন বিশ্বাস। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এসেছেন জানবাজারে দুর্গাপুজো উপলক্ষে। ঠাকুরের উপস্থিতিতে সেই বাড়ি তখন আনন্দস্রোতে প্রবাহিত হয়ে আনন্দধামে পরিণত।   বিশদ

01st  October, 2019
একনজরে
 সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: পড়াশোনা চলাকালীন পড়ুয়াদের হাতে-কলমে কাজ শেখার জন্য ইন্টার্নশিপ বাধ্যতামূলক করেছে এআইসিটিই। তবে দেখা যাচ্ছে, নিজেদের উপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে আগ্রহ কম পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের। অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল অব টেকনিক্যাল এডুকেশনের এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। ...

বিএনএ, সিউড়ি: বিজেপি নেতা ধ্রুব সাহা ও অতনু চট্টোপাধ্যায়কে ফের সিউড়ি আদালতে তোলা হল। পুরনো মামলায় তাঁরা মাসখানেক ধরে সংশোধনাগারেই ছিলেন। এদিন তাঁদের ফের সিউড়ি আদালতে তোলা হয়।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃদ্ধাকে বিমার টাকা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিস। সোমবার সন্ধ্যায় সেক্টর ফাইভের ডিএন ব্লকের একটি অফিস থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: মঙ্গলবার দুপুরে সূতি থানার সাজুরমোড়ে একটি বেসরকারি স্কুলের উদ্বোধনে আসেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক তথা হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহম্মদ আজহারউদ্দিন। আজাহার বলেন, ওঁর যথেষ্ট যোগ্যতা রয়েছে। আশা করি সৌরভ ভারতীয় ক্রিকেটকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবেন।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যায় ভালো ফল হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে সুযোগ আসবে। কোনও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব খাদ্য দিবস
১৯০৫: বঙ্গভঙ্গ হয়
১৯২৩: দি ওয়াল্ট ডিজনি সংস্থা প্রতিষ্ঠা হয়
১৯২৭: নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান সাহিত্যিক, চিত্রকর, ভাস্কর এবং নাট্যকার গুন্টার গ্রাসের জন্ম
১৯৪৮: অভিনেত্রী হেমা মালিনীর জন্ম
১৯৫১: রাওয়ালপিন্ডিতে খুন হন পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলি খান
১৯৬৪: প্রথম পরমাণু বিস্ফোরণ ঘটাল চীন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৬ টাকা ৭২.১৬ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৩২ টাকা ৯১.৬১ টাকা
ইউরো ৭৭.১৯ টাকা ৮০.১৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৯,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৭,১৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৭২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দ্বিতীয়া ০/২১ প্রাতঃ ৫/৪৫। ভরণী ২১/৫১ দিবা ২/২১। সূ উ ৫/৩৬/৫৪, অ ৫/৭/৫৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৩ মধ্যে পুনঃ ৭/৯ গতে ৭/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১২/৩২ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৯ গতে ৬/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৮/২৯ গতে ৩/৭ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২৩ গতে ১২/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০ গতে ৪/৪ মধ্যে।
২৮ আশ্বিন ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, তৃতীয়া ৫৯/১০/৩৯ শেষরাত্রি ৫/১৭/৩৫। ভরণী ২১/৩৭/১৬ দিবা ২/১৬/১৩, সূ উ ৫/৩৭/১৯, অ ৫/৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩০ মধ্যে ও ৭/১৫ গতে ৭/৫৯ মধ্যে ও ১০/১৩ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৭ গতে ৬/৪৮ মধ্যে ও ৮/২১ গতে ৩/১১ মধ্যে, বারবেলা ১১/২৩/১৯ গতে ১২/৪৯/৪৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩০/১৯ গতে ৯/৫৬/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩০/১৯ গতে ৪/৩/৪৯ মধ্যে।
১৬ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, বুধবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:25:27 AM

ওড়িশার মালকানগিরিতে ১৫০ কেজি নিষিদ্ধ মাদক সহ গ্রেপ্তার ২ 

10:20:00 AM

  বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করা নিয়ে মায়াবতীর কড়া সমালোচনায় সরব বিজেপি
সঠিক সময়ে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছিলেন মায়াবতী। মহারাষ্ট্রে নির্বাচনী ...বিশদ

09:57:06 AM

আলিপুরের সৌজন্য ভবনে আজ মন্ত্রিসভার বৈঠক
আজ, বুধবার রাজ্য সরকারের অতিথিশালা আলিপুরের ‘সৌজন্য ভবন’-এ রাজ্য মন্ত্রিসভার ...বিশদ

09:56:13 AM

সংখ্যালঘু মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ কোচিং রাজ্যের
প্রতিযোগিতামূলক সরকারি চাকরির প্রস্তুতিতে মেধাবী সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ...বিশদ

09:43:20 AM

অনন্তনাগে পুলিস-জঙ্গি গুলির লড়াই 

09:32:00 AM