Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শান্তির চর্চা জরুরি। এ থেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইংল্যান্ডের ওয়েলশ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল। কালক্রমে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল। রাশিয়া সমেত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চা শুরু হয়েছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর।
২০১৯ হল বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উদ্ভবের শতবর্ষ। একশো বছর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের চর্চায় বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কতটুকু অগ্রগতি ঘটেছে? আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে? আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ভারতের গতিপথ বারবার কেন পরিবর্তিত হয়েছে? বিশ্বায়নের যুগে ভারতের বিদেশনীতির মূল লক্ষ্যগুলি কী কী? কেন্দ্রের মোদি সরকার ভারতকে আন্তর্জাতিক স্তরে মজবুত আসনে বসাতে কী ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে? এই সমস্ত প্রশ্নকে মাথায় রেখে জ্ঞানচর্চার বিষয় হিসাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষ উদ্‌যাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান। যেমন আন্তর্জাতিক সেমিনার করছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, সহযোগিতায় বেঙ্গল ইনস্টিটিউট অফ পলিটিক্যাল স্টাডিজ। দেশ-বিদেশ থেকে শতাধিক গবেষক, অধ্যাপক মিলে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক চর্চার শতবর্ষ উদ্‌যাপন করছে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা রাষ্ট্রনায়কদের বাধ্য করেছিল যুদ্ধ পরিহার করে নতুন করে শান্তির পথ খুঁজতে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসনের আদর্শবাদী চিন্তাভাবনাকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘লিগ অফ নেশন’। যদিও সংস্থাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছিল। আমাদের দেশ তখন পরাধীন। ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতের পররাষ্ট্র সম্পর্কিত চিন্তা-ভাবনা যে কয়েকজন জাতীয়তাবাদী নেতার মধ্যে লক্ষ করা গিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু। কংগ্রেসের বিভিন্ন অধিবেশনগুলিতে নেহরুর উদ্যোগে বিশ্ব-রাজনীতি বিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করতে দেখা গেছে। উড্রো উইলসনের ন্যায় নেহরুও ছিলেন আদর্শবাদী। বিশ্বশান্তি কামনায় আদর্শগত ভাবনার দ্বারা তাঁর সিদ্ধান্ত বারবার পরিচালিত হয়েছে।
আদর্শবাদী নেতা হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তিস্থাপনের লক্ষ্যে ভারতের বিশ্বনীতিকে পরিচালনায় পাশাপাশি নেহরু ভারতের স্বাধীন অবস্থান বজায় রাখতে সর্বদাই সচেষ্ট ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উদ্ভূত আন্তর্জাতিক কাঠামো নেহরুকে জোট-নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে প্রভাবিত করেছিল বলা যায়। তবে, আন্তর্জাতিক তৎকালীন কাঠামোগত উপাদানের পাশাপাশি নেহরুর নিজস্ব ভাবনা-চিন্তাও ভারতের বিদেশনীতি নির্মাণে কার্যকরী ভূমিকা নিয়েছিল। কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থানে নেহরুর নিজস্ব চিন্তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। পাকিস্তানের হানাদারদের অধিকৃত কাশ্মীর থেকে না-সরিয়ে রাষ্ট্রসংঘে চলে যাওয়া আদতেও উচিত ছিল কি না তা আজ বিতর্কের বিষয় নয়। আজ সংখ্যাধিক্য ভারতীয় ভাবনায় কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর ভাবনা ভারতের জাতি গঠনে প্রধান অন্তরায় ছিল বলে প্রকাশ পাচ্ছে। সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সংসদে বিতর্কেও বার বার কাশ্মীর নিয়ে নেহরুর অবস্থান এমপি-রা (মূলত অকংগ্রেসি) সমালোচনা করেছেন। বিশ্বশান্তির প্রবক্তা হিসাবে চীন সমেত প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পঞ্চশীল নীতির মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধনে বিদেশনীতিকে পরিচালিত করতে চেয়েছিলেন নেহরু। সেইসময় সংখ্যায় কম হলেও কেউ কেউ নেহরুর আদর্শবাদী বিদেশনীতির সমালোচনা করে ভারতকে বাস্তববাদের মাটিতে দাঁড় করিয়ে সামরিক শক্তি অর্জনের উপর জোর দেওয়ার কথা বারবার স্মরণ করেছিলেন। যদিও নেহরু সেই সময় বাস্তববাদীদের ভাবনাকে এক প্রকার উপেক্ষা করেছিলেন বলা যায়।
১৯৫০-এর দশকে নেহরুর প্রণীত বিদেশনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসে ১৯৬২ সালে চীনের আক্রমণ এবং ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানের আক্রমণের মধ্য দিয়ে। ১৯৬২-এর যুদ্ধে চীনের একতরফা সামরিক আগ্রাসন নেহরুর অনুসৃত ভারতের বিদেশনীতির দুর্বলতাগুলিকে সামনে এনেছিল। ১৯৬২-র যুদ্ধ ছিল ভারতের বিদেশনীতিতে ‘জল বিভাজিকা’। এই প্রথম ভারতের বিদেশনীতিতে আদর্শবাদী ভাবনার পরিবর্তে বাস্তববাদী ভাবনার প্রভাব স্পষ্ট লক্ষ করা গিয়েছে।
ভারতীয় রাজনীতি থেকে নেহরুর বিদায়ের পর প্রথমে লালবাহাদুর শাস্ত্রীর ‘জয় জওয়ান জয় কিষাণ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে এবং পরে ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৭১-এর যুদ্ধে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ভূমিকা, সিকিমের ভারত সংযুক্তিকরণ, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে শান্তিস্থাপনে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্রমবর্ধমান ভূমিকা পরিলক্ষিত হয়েছিল। আদর্শবাদী ভাবনা থেকে সরে এসে ইন্দিরাজি ভারত-সোভিয়েত বিশেষ কৌশলগত সম্পর্ক, সামরিক ক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগ এবং পোখরানে পরমাণু বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে ভারতের বিদেশনীতিকে দৃঢ় বাস্তববাদের মাটিতে দাঁড় করিয়েছিলেন। নেহরুর জোট-নিরপেক্ষ নীতি ইন্দিরাজি অনুসরণ করলেও বাস্তববাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের বিদেশনীতিকে পরিচালনা করতে গিয়ে সোভিয়েত দেশের সঙ্গে সামরিক, আর্থিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করেছিলেন। ৭০-৮০ দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিদেশনীতি বহুলাংশেই সোভিয়েতমুখী ছিল।
৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে চলে আসা ঠান্ডাযুদ্ধের অবসান ঘটে। পাশাপাশি বিশ্ব-রাজনীতিতে মার্কিন প্রভুত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। হঠাৎ করে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে ভারতের বিদেশনীতির নীতি নির্ধারণকারীগণ কিছু সময়কালের জন্য দিশাহীন হয়ে পড়েছিলেন। কারণ, ওই পর্যায় পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সমেত ভারতের সামরিক রসদ জোগানে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সোভিয়েত ইউনিয়ন ছিল ভারতের প্রধান ভরসাকেন্দ্র। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়লে এক মেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব-ব্যবস্থায় ভারতের বিদেশনীতি কোন পথে পরিচালিত হবে সে বিষয়ে একাধিক মত উঠে এসেছিল। তবে একই সময়ে বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে আমাদের দেশে শুরু হয়েছিল উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণের উদ্যোগ।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বাস্তবসম্মত বিদেশনীতির দিশা দেওয়া ছিল ৯০-এর দশকে নীতিনির্ধারণকারীদের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিবর্তনগুলিকে মাথায় রেখে একটি বহুমুখী বিদেশনীতির অভিমুখ প্রস্তুত করা হয়েছিল। সোভিয়েত পতনের ফলে ভারতীয় বাণিজ্যে বিরাট ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। সেটা পূরণ করতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির সঙ্গে ‘পুবে তাকাও নীতি’ নেওয়া হয়েছিল। বহুমুখী বিদেশনীতির অভিমুখ হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্কের উপর জোর দেওয়া ঠিকই, একইসঙ্গে ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের উত্তরসূরি রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ক জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করতে হয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দ্রকুমার গুজরালের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলি সম্পর্কে ‘গুজরাল ডকট্রিন’ এবং পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ির ‘সম্প্রসারিত প্রতিবেশী নীতি’র কথা। ভারতের বহুমাত্রিক বিদেশনীতিতে রাষ্ট্রপুঞ্জের ভূমিকাকে সবসময় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তেমনি উদ্ভূত আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলিকেও। যেমন সন্ত্রাসবাদ, পরিবেশ সংরক্ষণ, মানবাধিকার প্রভৃতি। এগুলি বরং অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে।
বিশ্বায়ন, উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণের হাত ধরে ভারত আজ চতুর্থ বৃহত্ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। ৮০-র দশকে ভারতের অর্থনীতি যেখানে ছিল ফ্রান্সের অর্থনীতির চারভাগের একভাগ, ভারত আজ অর্থনীতির মানদণ্ডে ফ্রান্সকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। উৎপাদিত শিল্পের নিরিখে ভারতের স্থান নবম, মেধার বিচারে তৃতীয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত পৃথিবীর গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলির কাছে ভারত আজ সমীহ আদায় করে নিতে পেরেছে। জি-সেভেন থেকে শুরু করে পৃথিবীর সমস্ত বড় আর্থিক গোষ্ঠীগুলিতে ভারত আজ অন্তর্ভুক্ত। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হওয়ার উল্লেখযোগ্য দাবিদার আজ ভারত। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, আশিয়ান, মুসলিম রাষ্ট্রগুলির বিভিন্ন সংগঠন সমেত আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার প্রায় সমস্ত আর্থিক সংগঠন ভারতকে নানাভাবে তাদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এশিয়ায় ভারতের অবস্থানটি চীনের প্রেক্ষিতেই বিচার করা হচ্ছে। ভারতের বিপুল বাজার পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তের অর্থনৈতিক ভূমিকা পালনকারীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সামরিক ক্ষেত্রে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসাবে বিশ্ব-রাজনীতিতে ভারত আজ স্বতন্ত্র মর্যাদা পাচ্ছে। প্রযুক্তিগত বিকাশে চন্দ্রযান-২-এর মতন অভিযান আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ভারত সমীহ আদায় করে নিতে পেরেছে। এরই ফলস্বরূপ সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যুতে শত চেষ্টা করেও পাকিস্তান চীন ছাড়া অন্য কোনও দেশের সমর্থন ভারতের বিরুদ্ধে আদায় করতে পারেনি। কাশ্মীর ইস্যুতে আজ কেবল রাশিয়া ফ্রান্স নয়, ইংল্যান্ড আমেরিকাও ভারতের সঙ্গে রয়েছে। এমনকী উল্লেখযোগ্য ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিও পাকিস্তানের পক্ষ নেয়নি। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের যে গ্রহণযোগ্যতা শতগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার আজকের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশনীতিকে চারটি লক্ষ্য অর্জনের জন্য পরিচালিত করছে। এগুলি হল: (ক) আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণের স্বাধীনতা বজায় রাখা; (খ) ভারতের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা; (গ) জাতিগঠন প্রক্রিয়ার অঙ্গ হিসাবে বিদেশনীতিকে পরিচালিত করা এবং (ঘ) বিশ্বের অগ্রগণ্য দেশগুলির সমান মর্যাদা ও অধিকারের স্বীকৃতি সুনিশ্চিত করা। পরাধীন ভারতে নেহরুর যে আদর্শবাদী চিন্তার উপর ভারতের বিদেশনীতি একদিন গড়ে উঠেছিল, আজ সেটা দৃঢ় বাস্তববাদী ভাবনার উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একশো বছর চর্চাকালের মধ্যে আমরা লক্ষ করছি—একদা যে-ভারত একটি প্রান্তিক রাষ্ট্রমাত্র ছিল, সেটাই আজ আন্তর্জাতিক আঙিনায় উঠে এসেছে প্রথম দশটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের মধ্যে একটি হিসেবে। এই সাফল্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বইকি। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পরবর্তী ৫০ বছরে ভারতের লড়াইটা চলবে প্রথম স্থান অর্জনের জন্য। প্রত্যাশা থাকল আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ১৫০ বছর পূর্তির চর্চায় ভারতই থাকবে কেন্দ্রবিন্দুতে।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
09th  September, 2019
ব্যাঙ্কের রাহুমুক্তি কবে? তাকিয়ে দেশের মানুষ
মৃণালকান্তি দাস

 সাম্প্রতিক কালে দেশের বিভিন্ন ব্যাঙ্কে একের পর এক প্রতারণার অভিযোগ সামনে আসার পরে অস্বস্তি বেড়েছে মোদি সরকারের। সেই অস্বস্তি আরও কয়েক দফা বাড়িয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের বার্ষিক রিপোর্ট জানিয়েছে, গত অর্থবর্ষে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে প্রতারণা-জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে আরও অনেকখানি। প্রায় ১৫ শতাংশ। শুধু তাই নয়, প্রতারণা সবচেয়ে বেশি হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতেই। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৯৫,৭০০ কোটি টাকার বেশি প্রতারণা হয়েছে। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতারণার ঘটনা ছুঁয়েছে ৫,৭৪৩টি। সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন খোদ অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যেখানে তার আগের বছর ২,৮৮৫টি ঘটনায় নয়ছয়ের অঙ্ক ছিল ৩৮,২৬০ কোটি। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, কেন্দ্র বার বার নজরদারিতে জোর দেওয়ার কথা বললেও, প্রতারণা এতখানি বাড়ছে কী করে? কে বা কারা করছে এই প্রতারণা?
বিশদ

তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন: মিলবে লোকসভা-উত্তর রাজ্য-রাজনীতির মতিগতি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যে প্রথম তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণ আগামী ২৫ নভেম্বর,ফলাফল ২৮ নভেম্বর। খড়্গপুর সদর করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফল থেকে বিবাদমান রাজ্য-রাজনীতির একাধিক প্রশ্নের উত্তর মিলতে পারে। বিশদ

21st  November, 2019
ভারত-মার্কিন সহযোগিতাই ঠেকাতে পারবে
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বিপদ 
কেনেথ আই জাস্টার

কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, সামান্য একটি ছাতাপড়া ‘মেলন’ জাতীয় ফলের ভিতর লুকিয়ে রয়েছে অগণিত মানুষের জিয়নকাঠি? হ্যাঁ, পেনিসিলিন—এটাই হল সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক।   বিশদ

20th  November, 2019
শিবসেনা ও একটি পরম্পরার অপমৃত্যু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিবাজি পার্কের জনসভায় তির-ধনুকটা নামিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে গিয়েও থমকে গেলেন বাল থ্যাকারে। শব্দবাজির দাপট কানের যাবতীয় সহ্যক্ষমতা অতিক্রম করছে। সঙ্গে চিৎকার... উল্লাস। অপেক্ষা করছেন শিবসেনা ‘প্রমুখ’। তির-ধনুক তাঁর দলের প্রতীক। পৌরুষের প্রতীক। তিনি নিজেও তাই। ১৯৯৫ সালের বিধানসভা ভোটের শেষ পর্বের প্রচার।  
বিশদ

19th  November, 2019
প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
বিশদ

18th  November, 2019
একটি কাল্পনিক স্মরণসভা
সন্দীপন বিশ্বাস

সাদা কাপড়ে মোড়া মঞ্চজুড়ে সারি সারি চেয়ার-টেবিল। টেবিলের উপরে ফুলদানিতে সাদা ফুল। মঞ্চের একপাশে বড় একটি ছবি। তাতে সাদা মালা দেওয়া। শোকস্তব্ধ পরিবেশ। আজ এখানে প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশনের স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সমাজের গণ্যমান্য সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনেকেই এসেছেন।  
বিশদ

18th  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

17th  November, 2019
ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
একনজরে
অভিজিৎ চক্রবর্তী, পূর্বস্থলী, সংবাদদাতা: মন্তেশ্বরের দেনুড় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী নকশি কাঁথা এবার ভিন রাজ্যে বিপণনের জন্য উদ্যোগী হল ব্লক প্রশাসন। সম্প্রতি, দিল্লির একটি মার্কেটিং সংস্থার এজেন্ট দেনুড়ের মৌসা, গালাতুন, ধেনুয়া গ্রামে এসে গৃহবধূদের হাতের তৈরি নকশি কাঁথা দেখেন।  ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি ব্লকের খাগড়াবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প শুরু হল।   ...

 নয়াদিল্লি, ২১ নভেম্বর (পিটিআই): আইএনএক্স মিডিয়া অর্থ তছরুপ মামলায় ২২ ও ২৩ নভেম্বর দু’দিন চিদম্বরমকে তিহার জেলেই জেরা করবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ইডির এক আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এমনটাই অনুমতি দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। ...

বিএনএ, বাঁকুড়া: বুধবার রাতে বাঁকুড়া থানার মৌলাডাঙায় তালা ভেঙে পরপর দু’টি মন্দির থেকে লক্ষাধিক টাকার সোনা ও রুপোর গয়না চুরি গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় শুভ ফল। ব্যবসায় শুভ। প্রেম-ভালোবাসায় মনোমালিন্য। মেজাজ বর্জন করা উচিত। শেয়ার বা ফাটকায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৪ -রবার্ট ক্লাইভের মৃত্যু
১৮৫৬ - বিধবা বিবাহ আইনের প্রেক্ষাপটে ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয় যে, বিধবা বিবাহ করলে বরকে এক হাজার টাকা নগদ পুরস্কার দেওয়া হবে
১৮৭৭ - টমাস আলফা এডিসন গ্রামোফোন যন্ত্র আবিস্কার করেন
১৯৩৯: রাজনীতিক মুলায়ম সিং যাদবের জন্ম
১৯৬৩: টেক্সাসে খুন হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। হামলায় গুরুতর আহত হন টেস্কাসের গভর্নর জন কোনালি’ও। সন্দেহভাজন লি হার্ভে অসওয়াল্ডকে ধরা হল দু’দিন পর পুলিসি হেপাজতে তাকে গুলি করে হত্যা করে জ্যাক রুবি।
১৯৬৭: টেনিস তারকা বরিস বেকারের জন্ম
১৯৭০: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মারভান আত্তাপাত্তুর জন্ম
১৯৮৬: ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে বক্সিংয়ের ইতিহাসে তরুণতম হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হলেন মাইক টাইসন
১৯৮৬: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবন্ধী অ্যাথলিট অস্কার পিস্টোরিয়াসের জন্ম
১৯৮৭ - সুরকার ও সঙ্গীতশিল্পী হেমাঙ্গ বিশ্বাসের মৃত্যু
১৯৯৫: প্রকাশিত হল কম্পিউটার ইমেজ দিয়ে তৈরি প্রথম ফিচারধর্মী ছবি ‘টয় স্টোরি’
২০০৩: বাগদাদে ডি এইচ এল এক্সপ্রেস নামক পণ্যবাহী বিমানে ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে আঘাত হানে জঙ্গিরা। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই হামলায় বিমানটির বাঁদিকে পাখা ক্ষতিগ্রস্তগ্রস্ত হয়। জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয় সেটি





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.২৪ টাকা ৭৩.৪১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭২ টাকা ৯৫.১০ টাকা
ইউরো ৭৭.৭১ টাকা ৮১.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৬৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ৭/৪০ দিবা ৯/২। উত্তরফাল্গুনী ২৬/৪৯ অপঃ ৪/৪১। সূ উ ৫/৫৭/২৪, অ ৪/৪৭/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ মধ্যে পুনঃ ৭/২৪ গতে ৯/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪০ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ৩/২০ মধ্যে পুনঃ ৪/১৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৪০ গতে ১১/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫ গতে ৯/৪৪ মধ্যে।
৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, দশমী ২/১৯/৪১ দিবা ৫/৫৬/১৯ পরে একাদশী ৫৬/২৭/৪২ শেষরাত্রি ৪/৩৪/৪১। উত্তরফাল্গুনী ২৩/৫৫/৪৯ দিবা ৩/৩৩/৫৬, সূ উ ৫/৫৯/৩৬, অ ৪/৪৭/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে ও ৭/৩৫ গতে ৯/৪২ মধ্যে ও ১১/৫৩ গতে ২/৪৩ মধ্যে ও ৩/২৩ গতে ৪/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৫ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ৩/২৯ মধ্যে ও ৪/২৩ গতে ৫/৫৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪১/৩৪ গতে ১০/২/৩৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/২/৩৩ গতে ১১/২৩/৩২ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫/৩১ গতে ৯/৪৪/৩২ মধ্যে।
২৪ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৭৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

21-11-2019 - 03:56:31 PM

চোর সন্দেহে গণপিটুনি, মৃত ২ 
কোচবিহারের পাইটকাপাড়া গ্রামে চোর সন্দেহে দুই ব্যক্তিকে গণপিটুনির অভিযোগ। বুধবার ...বিশদ

21-11-2019 - 03:24:52 PM

রায়গঞ্জের মারাইকুড়া গ্রামে চোর সন্দেহে ৪ জনকে গণপিটুনি গ্রামবাসীদের 

21-11-2019 - 03:22:00 PM

হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী যুবক 
হুগলির পাণ্ডুয়াতে প্রেমিকাকে খুন করে আত্মঘাতী হলেন এক যুবক। বৃহস্পতিবার ...বিশদ

21-11-2019 - 02:43:32 PM

চারদিনের জেলা সফর শেষে কলকাতায় ফিরলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

21-11-2019 - 02:39:00 PM

ডুয়ার্সে প্যাঙ্গোলিন সহ ধৃত ৫ 
পাচারের আগেই প্যাঙ্গোলিন উদ্ধার করল বৈকন্ঠপুর বনবিভাগের উত্তরবঙ্গের স্পেশাল ফোর্স। ...বিশদ

21-11-2019 - 02:26:05 PM