Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

সামনের মাসে এই তারিখে দশমী, পুজো শেষ। মা দুর্গাকে গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে শুরু হয়ে যাবে আমাদের বছরভরের প্রতীক্ষা! আর মহামায়ার আরাধনায় মুখর উদ্বেল চার দিনের মহানন্দের রেশ প্রাণে নিয়ে ফের কাজের স্রোতে ফিরে আসতে শুরু করবে কলকাতা সমেত গোটা বঙ্গের মানুষজন। অবশ্য, শহর-মহানগর অফিস-কাছারি স্কুল-কলেজ দোকান-বাজার স্বাভাবিক চেনা ছন্দে ফিরতে লক্ষ্মীপুজো কালীপুজো ভাইফোঁটা পার হয়ে যাবে। পথেঘাটে সর্বত্র আলাপ-আলোচনায় ফিরে ফিরে আসবে সদ্যশেষ উৎসবের রিভিউ, উৎসব ফুরনো মন খারাপের কথা। প্রতিবছর এমনটাই হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না—এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। কিন্তু, এবার পুজোর এই মাসখানেক আগে ঘরে-বাইরে যেভাবে ছোট-বড় নানান বিপর্যয় ও বিপদ সংকেত দেখা দিচ্ছে তাতে আমবাঙালির চিন্তা যে উত্তরোত্তর বাড়ছে তাতে সন্দেহ কী? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে কদিন আগে বউবাজারে যে বিপর্যয় ঘটে গেল তাতে ভুক্তভোগীরা এবারের পুজোয় কতটুকু আনন্দ করতে পারবেন তা নিয়ে অনেকের মতো আমাদেরও যথেষ্ট সংশয় আছে।
তার কারণ, মধ্য কলকাতায় দশক দশক নিশ্চিন্তে নিরাপদে কাটানো মানুষগুলো ওই বিপর্যয়ে রাতারাতি কেবল ঘরছাড়াই হননি—খুইয়েছেন তাঁদের বহুমূল্য অমূল্য ঘরগেরস্তালির জিনিসপত্র, দলিলদস্তাবেজ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, প্রাণাধিক প্রিয় পোষ্য পাখিপক্ষী গৃহপালিত—সর্বস্ব! মাত্র এক মাসে এমন সর্বস্ব হারানোর যন্ত্রণা ভোলা সহজ নয়—সম্ভবও না। অতএব ধরেই নেওয়া যায় এবারের পুজোর আনন্দ বউবাজারের ওই হতভাগ্য মানুষজনকে ছুঁয়ে গেলেও তাতে সাড়ম্বরে সাড়া দেওয়া তাঁদের অধিকাংশের পক্ষেই পুরোপুরি সম্ভব হবে না। এ কথা ঠিক, ঘটনা ঘটার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক তৎপরতা ও উদ্যোগের ফলে বউবাজারের ভেঙে পড়া বা হেলে-ফেটে বিপজ্জনক বাসের অযোগ্য বাড়িগুলোতে লুঠেরারা দাঁতনখ বসাতে পারেনি। তাঁর পুলিস প্রশাসন উদ্ধারযোগ্য সামগ্রী সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। তবে, দুর্গা পিথুরি লেন ও সংলগ্ন এলাকায় যে বাড়িগুলো ভেঙে পড়ে ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে তার থেকে নথি ও জিনিসপত্র উদ্ধার তো খুব সোজা না। জানি না, সেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া জিনিসগুলো কীভাবে উদ্ধার হবে, আদৌ উদ্ধার করা যাবে কি না! না গেলে কত মানুষের যে কত অসুবিধে হবে তা আন্দাজ করা কঠিন নয়।
তবে কি দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাপে মেট্রো রেল হতভাগ্য পরিবার-পিছু আপাতত পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে স্বীকৃত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর তহবিল থেকে একই পরিমাণ টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। অর্থাৎ দশ লক্ষ। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়ির বদলে বাড়ি, দোকানের বদলে দোকান পাবেন অনতিবিলম্বেই। আর কী-ই বা করতে পারেন কর্তৃপক্ষ!
কিন্তু, মুশকিলটা হল—ওই বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা যা হারিয়েছেন ওই ত্রাণের টাকা কি নতুন বাড়ি-দোকান যে তার সবটা ফিরিয়ে দিতে পারবে না, তা বলাই বাহুল্য। কারণ, দীর্ঘদিন সে মালিক হয়েই হোক কি ভাড়াটিয়া একটা বাড়িতে সংসার পেতে আত্মীয়পরিজন সমেত ভালোমন্দ আলো-অন্ধকার আনন্দ-দুঃখ সব নিয়ে বসবাস করলে সেই বাড়িঘরের প্রতি বাসিন্দাদের একটা মায়া পড়ে যায়। কোনও কারণে একঝটকায় সে মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে গেলে তার যন্ত্রণা যে কত মর্মান্তিক হতে পারে তা বউবাজারের মতো ঘটনায় রাতারাতি বাস্তুচ্যুতরাই কেবল উপলব্ধি করতে পারেন। টিভিতে দেখা ভুক্তভোগী মহিলার বুকফাটা কান্না যে সেই যন্ত্রণারই বহিঃপ্রকাশ তা কি বলার অপেক্ষা রাখে!
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে পুজো-দশেরার মুখে দেশজুড়েও তো নানা বিপর্যয়ের ছবি ও খবর উঠে আসছে কাগজে মিডিয়ায়! মারুতি কোম্পানির মতো দারুণ সংস্থাও নাকি সঙ্কটে! গাড়ি বিক্রি এমন তলানিতে যে দু’দিন প্রোডাকশন বন্ধ রাখার মতো প্রায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা! শুধু তাই নয়, কর্মী সংকোচনের কথাও নাকি উঠছে! দেশে আর্থিক মন্দার ছায়া পড়ছে দেখে রেল, বিএসএনএলের মতো সরকারি সংস্থার সঙ্গে বেসরকারি বহু সংস্থাও নাকি ছাঁটাইয়ের পথ নিতে বাধ্য হচ্ছে! অপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোর ব্রাঞ্চের সংখ্যা কমানো হচ্ছে, একাধিক ব্যাঙ্ককে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে একসঙ্গে। অবশ্য, দেশের অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন—এর জন্য ব্যাঙ্কে কোনও কর্মী ছাঁটাই হবে না। ব্যাঙ্ক পরিষেবা আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে, চলতি মন্দার বাজারে এই আশ্বাসও কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে তা নিয়ে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞমহলের কোনও কোনও অংশেই নাকি সংশয় আছে! বাড়ি বাজারেও কেনাবেচায় ভাটার টান। নানান লোভনীয় অফারেও নাকি মন গলছে না ক্রেতার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা নেই মানুষের হাতে, মন গললেই বা কী হবে? এসব নিয়ে কিছুদিন আগেই আলোচনা হয়েছে। তাই বিশদে যাচ্ছি না। বলতে চাইছি এটুকুই যে, বউবাজারে বিপর্যয়ে যেমন কিছু মানুষের পুজোর আনন্দ মাটি হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে, তেমনি দেশ জুড়ে আর্থিকক্ষেত্রে চলতি অস্বস্তি মন্দাভাব বাদবাকিদেরও পুজো উদ্‌যাপন নিয়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে।
সবচেয়ে বড় কথা সপ্তাহ দুয়েক আগে পুজোর বাজার নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম এর মধ্যেই তার চাপ বাস্তবে স্পষ্ট! চড় চড় করে দৈনন্দিন আনাজপাতি থেকে মাছ-মাংস সব কিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে! সব স঩ব্জিই প্রায় ৪০/৫০-এর কোঠা ছাপিয়ে ৬০/৭০-এ উঠে গেছে। পেঁয়াজ ৬০ থেকে একটু নামলেও আলু ১৪/২০-তে স্থির। মাছের বাজারে সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদে সবেরই কেজি পাঁচশো ছাড়িয়ে! মুরগির মাংসের দাম বাড়তে বাড়তে কেজি দুশো টাকা ছাড়াতে বসেছে। আদা এবং রসুনও রীতিমতো মহার্ঘ! মোটামুটি চালের দর ৩৫/৪০ টাকার নীচে নামছে না! ডাল তেল মশলার দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে! তাহলে মানুষ খাবে কী? দৈনন্দিনের দাবি মেটাতেই তো সাধারণ মানুষের পকেট প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আসন্ন উৎসবের দিনগুলোতে আনন্দ ভোগের টাকা আসবে কোথা থেকে! এই কথা ভেবেই এখন একরকম দিশেহারা গ্রামশহর, এমনকী মহানগরের সাধারণ মধ্যবিত্ত, গরিবজন।
আগেই লিখেছি, এই জন্যই হয়তো পুজোর বাজার এবার এখনও বেশ ফাঁকা ফাঁকা। কেনাকাটায় এখনও সেই হইহই ভাবটাই জাগেনি! বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বোনাস এক্সগ্রাসিয়ার বাড়তি টাকা হয়তো পুজোর মুখে বাজারের মুখে হাসি ফোটাতে পারবে, পুজো বাজারের সেই চিরচেনা গমগমে ভাবটাও দেখা যাবে।
সে যাক না যাক, একথা মানতেই হবে এবার পুজোর মুখে নানাবিধ বিপর্যয় ঘরে-বাইরে মানুষকে যথেষ্ট বিব্রত করে রেখেছে। পুজোর উদ্যোক্তাদের একাংশের মধ্যেও নানা কারণে এই বিব্রত ভাব ছড়িয়েছে। তবে আমাদের বিশ্বাস এবারও শেষঅবধি পুজোর বাজারে মানুষের ঢল নামবে, যথাযথ আড়ম্বর সহযোগে মা দুর্গার পুজো হবে, আনন্দের বান ডাকবে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় এবং অভাব-অভিযোগ ভুলে বাংলার মানুষ সংবৎসরের সেই মহোৎসবে শামিল হবেন। কিন্তু, বউবাজারে যাঁরা আচমকা গৃহহীন হলেন, সর্বস্ব হারালেন তাঁদের কী হবে? তাঁরা কতটা শামিল হতে পারবেন আসন্ন শারদোৎসবের আনন্দযজ্ঞে? জানি না। কিন্তু একটা কথা অনেকেই বলছেন, মেট্রো রেল সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় আর একটু সতর্ক হলে বিপর্যয় এমন ভয়াবহ আকার নিত না! আমরা বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার নই, কেউ তাই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আমাদের পক্ষে অসমীচীন। তবে, মিডিয়া কাগজে সংবাদ পড়ে শুনে, বিশেষজ্ঞদের অভিমত জেনে মনে হয়েছে—একটা গাফিলতি কোথাও না কোথাও ছিলই। আসলে এই ধরনের বিপদ যখন আসে ভুল বা গাফিলতির ছিদ্রপথেই আসে।
কিন্তু, পাশাপাশি এটাও সত্যি যে, যে কোনও বিপর্যয়ই মানুষ তার শক্তি সাহস মনোবল দিয়ে সামলে নেয় শেষ পর্যন্ত। এবং সময় তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সেই বিপর্যয়ের ক্ষত, তা সে যত বড়ই হোক ধীরে ধীরে ঢেকেও দেয়। বউবাজারের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হবে বলে মনে হয় না। পুজোর এখনও তো মাসখানেক বাকি। ততদিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যক্তিগত উদ্যোগ, তাঁর প্রশাসনের সক্রিয়তা, সহায়তা, মেট্রো রেলের তৎপরতা এবং সর্বোপরি সময়ের অসাধারণ শুশ্রূষায় আজকের সব হারানো মানুষগুলোর বুকের পাষাণভার হয়তো কিছুটা লাঘব হবে, হয়তো মহাপুজোর আনন্দটান বউবাজার বিপর্যয়ের ব্যথা-কষ্ট আরও খানিকটা ভুলিয়ে দেবে এবং তখন হয়তো হাজার লাখ উৎসবমুখর জনতার ভিড়ে ওঁরাও মিশে যাবেন। হয়তো বলছি বটে, তবে বিগত দিনে বহুবার তো এমন বিপর্যয়ের মুখে তুড়ি মেরে জিতে গেছে বাংলার মানুষের পুজোর আবেগ, উৎসবপ্রীতি। এবারই বা তার ব্যতিক্রম হবে কেন!
08th  September, 2019
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্লারিকাল পদ এবং প্রায় সাত বছর পর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হবে। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য এই প্রথম একটি বাইরের এজেন্সিকে দায়িত্ব দিল ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

 করাচি, ১৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): পাকিস্তানের করাচিতে রহস্যময় বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৪ জনের। গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে করাচির প্রশাসন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশজুড়ে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দ্বিতীয় ভাগ শুরু করার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা 

04:10:17 PM

নিউটাউনে শিশুকন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগ
বছর তিনেকের এক শিশুকন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল এক ...বিশদ

04:01:00 PM

নিউটাউনে বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে
নিউটাউনে বধূকে আত্নহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শাশুড়ির ...বিশদ

03:45:00 PM

মাধ্যমিক: চাঁচলে প্রশ্ন ফাঁস করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পরীক্ষার্থী 
মোবাইলের মাধ্যমে ছবি তুলে প্রশ্ন ফাঁস করতে গিয়ে ধরা পড়ল ...বিশদ

03:14:30 PM

মালদহে টিকটকের মাধ্যমে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 
হোয়াটসঅ্যাপের পর এবার টিকটকের মাধ্যমে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

03:10:22 PM

মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া ব্যবস্থা। প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও ফের মাধ্যমিকের প্রশ্ন ...বিশদ

01:49:16 PM