Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

সামনের মাসে এই তারিখে দশমী, পুজো শেষ। মা দুর্গাকে গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে শুরু হয়ে যাবে আমাদের বছরভরের প্রতীক্ষা! আর মহামায়ার আরাধনায় মুখর উদ্বেল চার দিনের মহানন্দের রেশ প্রাণে নিয়ে ফের কাজের স্রোতে ফিরে আসতে শুরু করবে কলকাতা সমেত গোটা বঙ্গের মানুষজন। অবশ্য, শহর-মহানগর অফিস-কাছারি স্কুল-কলেজ দোকান-বাজার স্বাভাবিক চেনা ছন্দে ফিরতে লক্ষ্মীপুজো কালীপুজো ভাইফোঁটা পার হয়ে যাবে। পথেঘাটে সর্বত্র আলাপ-আলোচনায় ফিরে ফিরে আসবে সদ্যশেষ উৎসবের রিভিউ, উৎসব ফুরনো মন খারাপের কথা। প্রতিবছর এমনটাই হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না—এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। কিন্তু, এবার পুজোর এই মাসখানেক আগে ঘরে-বাইরে যেভাবে ছোট-বড় নানান বিপর্যয় ও বিপদ সংকেত দেখা দিচ্ছে তাতে আমবাঙালির চিন্তা যে উত্তরোত্তর বাড়ছে তাতে সন্দেহ কী? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে কদিন আগে বউবাজারে যে বিপর্যয় ঘটে গেল তাতে ভুক্তভোগীরা এবারের পুজোয় কতটুকু আনন্দ করতে পারবেন তা নিয়ে অনেকের মতো আমাদেরও যথেষ্ট সংশয় আছে।
তার কারণ, মধ্য কলকাতায় দশক দশক নিশ্চিন্তে নিরাপদে কাটানো মানুষগুলো ওই বিপর্যয়ে রাতারাতি কেবল ঘরছাড়াই হননি—খুইয়েছেন তাঁদের বহুমূল্য অমূল্য ঘরগেরস্তালির জিনিসপত্র, দলিলদস্তাবেজ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, প্রাণাধিক প্রিয় পোষ্য পাখিপক্ষী গৃহপালিত—সর্বস্ব! মাত্র এক মাসে এমন সর্বস্ব হারানোর যন্ত্রণা ভোলা সহজ নয়—সম্ভবও না। অতএব ধরেই নেওয়া যায় এবারের পুজোর আনন্দ বউবাজারের ওই হতভাগ্য মানুষজনকে ছুঁয়ে গেলেও তাতে সাড়ম্বরে সাড়া দেওয়া তাঁদের অধিকাংশের পক্ষেই পুরোপুরি সম্ভব হবে না। এ কথা ঠিক, ঘটনা ঘটার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক তৎপরতা ও উদ্যোগের ফলে বউবাজারের ভেঙে পড়া বা হেলে-ফেটে বিপজ্জনক বাসের অযোগ্য বাড়িগুলোতে লুঠেরারা দাঁতনখ বসাতে পারেনি। তাঁর পুলিস প্রশাসন উদ্ধারযোগ্য সামগ্রী সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। তবে, দুর্গা পিথুরি লেন ও সংলগ্ন এলাকায় যে বাড়িগুলো ভেঙে পড়ে ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে তার থেকে নথি ও জিনিসপত্র উদ্ধার তো খুব সোজা না। জানি না, সেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া জিনিসগুলো কীভাবে উদ্ধার হবে, আদৌ উদ্ধার করা যাবে কি না! না গেলে কত মানুষের যে কত অসুবিধে হবে তা আন্দাজ করা কঠিন নয়।
তবে কি দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাপে মেট্রো রেল হতভাগ্য পরিবার-পিছু আপাতত পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে স্বীকৃত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর তহবিল থেকে একই পরিমাণ টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। অর্থাৎ দশ লক্ষ। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়ির বদলে বাড়ি, দোকানের বদলে দোকান পাবেন অনতিবিলম্বেই। আর কী-ই বা করতে পারেন কর্তৃপক্ষ!
কিন্তু, মুশকিলটা হল—ওই বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা যা হারিয়েছেন ওই ত্রাণের টাকা কি নতুন বাড়ি-দোকান যে তার সবটা ফিরিয়ে দিতে পারবে না, তা বলাই বাহুল্য। কারণ, দীর্ঘদিন সে মালিক হয়েই হোক কি ভাড়াটিয়া একটা বাড়িতে সংসার পেতে আত্মীয়পরিজন সমেত ভালোমন্দ আলো-অন্ধকার আনন্দ-দুঃখ সব নিয়ে বসবাস করলে সেই বাড়িঘরের প্রতি বাসিন্দাদের একটা মায়া পড়ে যায়। কোনও কারণে একঝটকায় সে মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে গেলে তার যন্ত্রণা যে কত মর্মান্তিক হতে পারে তা বউবাজারের মতো ঘটনায় রাতারাতি বাস্তুচ্যুতরাই কেবল উপলব্ধি করতে পারেন। টিভিতে দেখা ভুক্তভোগী মহিলার বুকফাটা কান্না যে সেই যন্ত্রণারই বহিঃপ্রকাশ তা কি বলার অপেক্ষা রাখে!
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে পুজো-দশেরার মুখে দেশজুড়েও তো নানা বিপর্যয়ের ছবি ও খবর উঠে আসছে কাগজে মিডিয়ায়! মারুতি কোম্পানির মতো দারুণ সংস্থাও নাকি সঙ্কটে! গাড়ি বিক্রি এমন তলানিতে যে দু’দিন প্রোডাকশন বন্ধ রাখার মতো প্রায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা! শুধু তাই নয়, কর্মী সংকোচনের কথাও নাকি উঠছে! দেশে আর্থিক মন্দার ছায়া পড়ছে দেখে রেল, বিএসএনএলের মতো সরকারি সংস্থার সঙ্গে বেসরকারি বহু সংস্থাও নাকি ছাঁটাইয়ের পথ নিতে বাধ্য হচ্ছে! অপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোর ব্রাঞ্চের সংখ্যা কমানো হচ্ছে, একাধিক ব্যাঙ্ককে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে একসঙ্গে। অবশ্য, দেশের অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন—এর জন্য ব্যাঙ্কে কোনও কর্মী ছাঁটাই হবে না। ব্যাঙ্ক পরিষেবা আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে, চলতি মন্দার বাজারে এই আশ্বাসও কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে তা নিয়ে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞমহলের কোনও কোনও অংশেই নাকি সংশয় আছে! বাড়ি বাজারেও কেনাবেচায় ভাটার টান। নানান লোভনীয় অফারেও নাকি মন গলছে না ক্রেতার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা নেই মানুষের হাতে, মন গললেই বা কী হবে? এসব নিয়ে কিছুদিন আগেই আলোচনা হয়েছে। তাই বিশদে যাচ্ছি না। বলতে চাইছি এটুকুই যে, বউবাজারে বিপর্যয়ে যেমন কিছু মানুষের পুজোর আনন্দ মাটি হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে, তেমনি দেশ জুড়ে আর্থিকক্ষেত্রে চলতি অস্বস্তি মন্দাভাব বাদবাকিদেরও পুজো উদ্‌যাপন নিয়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে।
সবচেয়ে বড় কথা সপ্তাহ দুয়েক আগে পুজোর বাজার নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম এর মধ্যেই তার চাপ বাস্তবে স্পষ্ট! চড় চড় করে দৈনন্দিন আনাজপাতি থেকে মাছ-মাংস সব কিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে! সব স঩ব্জিই প্রায় ৪০/৫০-এর কোঠা ছাপিয়ে ৬০/৭০-এ উঠে গেছে। পেঁয়াজ ৬০ থেকে একটু নামলেও আলু ১৪/২০-তে স্থির। মাছের বাজারে সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদে সবেরই কেজি পাঁচশো ছাড়িয়ে! মুরগির মাংসের দাম বাড়তে বাড়তে কেজি দুশো টাকা ছাড়াতে বসেছে। আদা এবং রসুনও রীতিমতো মহার্ঘ! মোটামুটি চালের দর ৩৫/৪০ টাকার নীচে নামছে না! ডাল তেল মশলার দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে! তাহলে মানুষ খাবে কী? দৈনন্দিনের দাবি মেটাতেই তো সাধারণ মানুষের পকেট প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আসন্ন উৎসবের দিনগুলোতে আনন্দ ভোগের টাকা আসবে কোথা থেকে! এই কথা ভেবেই এখন একরকম দিশেহারা গ্রামশহর, এমনকী মহানগরের সাধারণ মধ্যবিত্ত, গরিবজন।
আগেই লিখেছি, এই জন্যই হয়তো পুজোর বাজার এবার এখনও বেশ ফাঁকা ফাঁকা। কেনাকাটায় এখনও সেই হইহই ভাবটাই জাগেনি! বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বোনাস এক্সগ্রাসিয়ার বাড়তি টাকা হয়তো পুজোর মুখে বাজারের মুখে হাসি ফোটাতে পারবে, পুজো বাজারের সেই চিরচেনা গমগমে ভাবটাও দেখা যাবে।
সে যাক না যাক, একথা মানতেই হবে এবার পুজোর মুখে নানাবিধ বিপর্যয় ঘরে-বাইরে মানুষকে যথেষ্ট বিব্রত করে রেখেছে। পুজোর উদ্যোক্তাদের একাংশের মধ্যেও নানা কারণে এই বিব্রত ভাব ছড়িয়েছে। তবে আমাদের বিশ্বাস এবারও শেষঅবধি পুজোর বাজারে মানুষের ঢল নামবে, যথাযথ আড়ম্বর সহযোগে মা দুর্গার পুজো হবে, আনন্দের বান ডাকবে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় এবং অভাব-অভিযোগ ভুলে বাংলার মানুষ সংবৎসরের সেই মহোৎসবে শামিল হবেন। কিন্তু, বউবাজারে যাঁরা আচমকা গৃহহীন হলেন, সর্বস্ব হারালেন তাঁদের কী হবে? তাঁরা কতটা শামিল হতে পারবেন আসন্ন শারদোৎসবের আনন্দযজ্ঞে? জানি না। কিন্তু একটা কথা অনেকেই বলছেন, মেট্রো রেল সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় আর একটু সতর্ক হলে বিপর্যয় এমন ভয়াবহ আকার নিত না! আমরা বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার নই, কেউ তাই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আমাদের পক্ষে অসমীচীন। তবে, মিডিয়া কাগজে সংবাদ পড়ে শুনে, বিশেষজ্ঞদের অভিমত জেনে মনে হয়েছে—একটা গাফিলতি কোথাও না কোথাও ছিলই। আসলে এই ধরনের বিপদ যখন আসে ভুল বা গাফিলতির ছিদ্রপথেই আসে।
কিন্তু, পাশাপাশি এটাও সত্যি যে, যে কোনও বিপর্যয়ই মানুষ তার শক্তি সাহস মনোবল দিয়ে সামলে নেয় শেষ পর্যন্ত। এবং সময় তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সেই বিপর্যয়ের ক্ষত, তা সে যত বড়ই হোক ধীরে ধীরে ঢেকেও দেয়। বউবাজারের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হবে বলে মনে হয় না। পুজোর এখনও তো মাসখানেক বাকি। ততদিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যক্তিগত উদ্যোগ, তাঁর প্রশাসনের সক্রিয়তা, সহায়তা, মেট্রো রেলের তৎপরতা এবং সর্বোপরি সময়ের অসাধারণ শুশ্রূষায় আজকের সব হারানো মানুষগুলোর বুকের পাষাণভার হয়তো কিছুটা লাঘব হবে, হয়তো মহাপুজোর আনন্দটান বউবাজার বিপর্যয়ের ব্যথা-কষ্ট আরও খানিকটা ভুলিয়ে দেবে এবং তখন হয়তো হাজার লাখ উৎসবমুখর জনতার ভিড়ে ওঁরাও মিশে যাবেন। হয়তো বলছি বটে, তবে বিগত দিনে বহুবার তো এমন বিপর্যয়ের মুখে তুড়ি মেরে জিতে গেছে বাংলার মানুষের পুজোর আবেগ, উৎসবপ্রীতি। এবারই বা তার ব্যতিক্রম হবে কেন!
08th  September, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর, বিএনএ: গত পাঁচ বছরে কৃষ্ণনগরের পকসো আদালতে প্রায় ৫০০ মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে ‘প্রিভেনশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সসেস’ বা পকসো আইন চালু হয়েছে। কৃষ্ণনগরে এই বিশেষ আদালত চালু হয়েছে ২০১৪ সালে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM