Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

সামনের মাসে এই তারিখে দশমী, পুজো শেষ। মা দুর্গাকে গঙ্গায় বিসর্জন দিয়ে শুরু হয়ে যাবে আমাদের বছরভরের প্রতীক্ষা! আর মহামায়ার আরাধনায় মুখর উদ্বেল চার দিনের মহানন্দের রেশ প্রাণে নিয়ে ফের কাজের স্রোতে ফিরে আসতে শুরু করবে কলকাতা সমেত গোটা বঙ্গের মানুষজন। অবশ্য, শহর-মহানগর অফিস-কাছারি স্কুল-কলেজ দোকান-বাজার স্বাভাবিক চেনা ছন্দে ফিরতে লক্ষ্মীপুজো কালীপুজো ভাইফোঁটা পার হয়ে যাবে। পথেঘাটে সর্বত্র আলাপ-আলোচনায় ফিরে ফিরে আসবে সদ্যশেষ উৎসবের রিভিউ, উৎসব ফুরনো মন খারাপের কথা। প্রতিবছর এমনটাই হয়, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না—এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। কিন্তু, এবার পুজোর এই মাসখানেক আগে ঘরে-বাইরে যেভাবে ছোট-বড় নানান বিপর্যয় ও বিপদ সংকেত দেখা দিচ্ছে তাতে আমবাঙালির চিন্তা যে উত্তরোত্তর বাড়ছে তাতে সন্দেহ কী? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে কদিন আগে বউবাজারে যে বিপর্যয় ঘটে গেল তাতে ভুক্তভোগীরা এবারের পুজোয় কতটুকু আনন্দ করতে পারবেন তা নিয়ে অনেকের মতো আমাদেরও যথেষ্ট সংশয় আছে।
তার কারণ, মধ্য কলকাতায় দশক দশক নিশ্চিন্তে নিরাপদে কাটানো মানুষগুলো ওই বিপর্যয়ে রাতারাতি কেবল ঘরছাড়াই হননি—খুইয়েছেন তাঁদের বহুমূল্য অমূল্য ঘরগেরস্তালির জিনিসপত্র, দলিলদস্তাবেজ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, প্রাণাধিক প্রিয় পোষ্য পাখিপক্ষী গৃহপালিত—সর্বস্ব! মাত্র এক মাসে এমন সর্বস্ব হারানোর যন্ত্রণা ভোলা সহজ নয়—সম্ভবও না। অতএব ধরেই নেওয়া যায় এবারের পুজোর আনন্দ বউবাজারের ওই হতভাগ্য মানুষজনকে ছুঁয়ে গেলেও তাতে সাড়ম্বরে সাড়া দেওয়া তাঁদের অধিকাংশের পক্ষেই পুরোপুরি সম্ভব হবে না। এ কথা ঠিক, ঘটনা ঘটার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক তৎপরতা ও উদ্যোগের ফলে বউবাজারের ভেঙে পড়া বা হেলে-ফেটে বিপজ্জনক বাসের অযোগ্য বাড়িগুলোতে লুঠেরারা দাঁতনখ বসাতে পারেনি। তাঁর পুলিস প্রশাসন উদ্ধারযোগ্য সামগ্রী সংশ্লিষ্ট বাসিন্দাদের হাতে তুলে দেওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। তবে, দুর্গা পিথুরি লেন ও সংলগ্ন এলাকায় যে বাড়িগুলো ভেঙে পড়ে ধ্বংসস্তূপের চেহারা নিয়েছে তার থেকে নথি ও জিনিসপত্র উদ্ধার তো খুব সোজা না। জানি না, সেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া জিনিসগুলো কীভাবে উদ্ধার হবে, আদৌ উদ্ধার করা যাবে কি না! না গেলে কত মানুষের যে কত অসুবিধে হবে তা আন্দাজ করা কঠিন নয়।
তবে কি দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাপে মেট্রো রেল হতভাগ্য পরিবার-পিছু আপাতত পাঁচ লক্ষ টাকা দিতে স্বীকৃত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও তাঁর তহবিল থেকে একই পরিমাণ টাকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। অর্থাৎ দশ লক্ষ। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা জানিয়ে দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তরা বাড়ির বদলে বাড়ি, দোকানের বদলে দোকান পাবেন অনতিবিলম্বেই। আর কী-ই বা করতে পারেন কর্তৃপক্ষ!
কিন্তু, মুশকিলটা হল—ওই বাস্তুচ্যুত বাসিন্দারা যা হারিয়েছেন ওই ত্রাণের টাকা কি নতুন বাড়ি-দোকান যে তার সবটা ফিরিয়ে দিতে পারবে না, তা বলাই বাহুল্য। কারণ, দীর্ঘদিন সে মালিক হয়েই হোক কি ভাড়াটিয়া একটা বাড়িতে সংসার পেতে আত্মীয়পরিজন সমেত ভালোমন্দ আলো-অন্ধকার আনন্দ-দুঃখ সব নিয়ে বসবাস করলে সেই বাড়িঘরের প্রতি বাসিন্দাদের একটা মায়া পড়ে যায়। কোনও কারণে একঝটকায় সে মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে গেলে তার যন্ত্রণা যে কত মর্মান্তিক হতে পারে তা বউবাজারের মতো ঘটনায় রাতারাতি বাস্তুচ্যুতরাই কেবল উপলব্ধি করতে পারেন। টিভিতে দেখা ভুক্তভোগী মহিলার বুকফাটা কান্না যে সেই যন্ত্রণারই বহিঃপ্রকাশ তা কি বলার অপেক্ষা রাখে!
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে পুজো-দশেরার মুখে দেশজুড়েও তো নানা বিপর্যয়ের ছবি ও খবর উঠে আসছে কাগজে মিডিয়ায়! মারুতি কোম্পানির মতো দারুণ সংস্থাও নাকি সঙ্কটে! গাড়ি বিক্রি এমন তলানিতে যে দু’দিন প্রোডাকশন বন্ধ রাখার মতো প্রায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা! শুধু তাই নয়, কর্মী সংকোচনের কথাও নাকি উঠছে! দেশে আর্থিক মন্দার ছায়া পড়ছে দেখে রেল, বিএসএনএলের মতো সরকারি সংস্থার সঙ্গে বেসরকারি বহু সংস্থাও নাকি ছাঁটাইয়ের পথ নিতে বাধ্য হচ্ছে! অপ্রয়োজনীয় বিবেচনায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলোর ব্রাঞ্চের সংখ্যা কমানো হচ্ছে, একাধিক ব্যাঙ্ককে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে একসঙ্গে। অবশ্য, দেশের অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন—এর জন্য ব্যাঙ্কে কোনও কর্মী ছাঁটাই হবে না। ব্যাঙ্ক পরিষেবা আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে, চলতি মন্দার বাজারে এই আশ্বাসও কতটা ফলপ্রসূ হচ্ছে তা নিয়ে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞমহলের কোনও কোনও অংশেই নাকি সংশয় আছে! বাড়ি বাজারেও কেনাবেচায় ভাটার টান। নানান লোভনীয় অফারেও নাকি মন গলছে না ক্রেতার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা নেই মানুষের হাতে, মন গললেই বা কী হবে? এসব নিয়ে কিছুদিন আগেই আলোচনা হয়েছে। তাই বিশদে যাচ্ছি না। বলতে চাইছি এটুকুই যে, বউবাজারে বিপর্যয়ে যেমন কিছু মানুষের পুজোর আনন্দ মাটি হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়েছে, তেমনি দেশ জুড়ে আর্থিকক্ষেত্রে চলতি অস্বস্তি মন্দাভাব বাদবাকিদেরও পুজো উদ্‌যাপন নিয়ে চিন্তা বাড়াচ্ছে।
সবচেয়ে বড় কথা সপ্তাহ দুয়েক আগে পুজোর বাজার নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম এর মধ্যেই তার চাপ বাস্তবে স্পষ্ট! চড় চড় করে দৈনন্দিন আনাজপাতি থেকে মাছ-মাংস সব কিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে! সব স঩ব্জিই প্রায় ৪০/৫০-এর কোঠা ছাপিয়ে ৬০/৭০-এ উঠে গেছে। পেঁয়াজ ৬০ থেকে একটু নামলেও আলু ১৪/২০-তে স্থির। মাছের বাজারে সামান্য কিছু ব্যতিক্রম বাদে সবেরই কেজি পাঁচশো ছাড়িয়ে! মুরগির মাংসের দাম বাড়তে বাড়তে কেজি দুশো টাকা ছাড়াতে বসেছে। আদা এবং রসুনও রীতিমতো মহার্ঘ! মোটামুটি চালের দর ৩৫/৪০ টাকার নীচে নামছে না! ডাল তেল মশলার দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে! তাহলে মানুষ খাবে কী? দৈনন্দিনের দাবি মেটাতেই তো সাধারণ মানুষের পকেট প্রায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আসন্ন উৎসবের দিনগুলোতে আনন্দ ভোগের টাকা আসবে কোথা থেকে! এই কথা ভেবেই এখন একরকম দিশেহারা গ্রামশহর, এমনকী মহানগরের সাধারণ মধ্যবিত্ত, গরিবজন।
আগেই লিখেছি, এই জন্যই হয়তো পুজোর বাজার এবার এখনও বেশ ফাঁকা ফাঁকা। কেনাকাটায় এখনও সেই হইহই ভাবটাই জাগেনি! বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বোনাস এক্সগ্রাসিয়ার বাড়তি টাকা হয়তো পুজোর মুখে বাজারের মুখে হাসি ফোটাতে পারবে, পুজো বাজারের সেই চিরচেনা গমগমে ভাবটাও দেখা যাবে।
সে যাক না যাক, একথা মানতেই হবে এবার পুজোর মুখে নানাবিধ বিপর্যয় ঘরে-বাইরে মানুষকে যথেষ্ট বিব্রত করে রেখেছে। পুজোর উদ্যোক্তাদের একাংশের মধ্যেও নানা কারণে এই বিব্রত ভাব ছড়িয়েছে। তবে আমাদের বিশ্বাস এবারও শেষঅবধি পুজোর বাজারে মানুষের ঢল নামবে, যথাযথ আড়ম্বর সহযোগে মা দুর্গার পুজো হবে, আনন্দের বান ডাকবে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় এবং অভাব-অভিযোগ ভুলে বাংলার মানুষ সংবৎসরের সেই মহোৎসবে শামিল হবেন। কিন্তু, বউবাজারে যাঁরা আচমকা গৃহহীন হলেন, সর্বস্ব হারালেন তাঁদের কী হবে? তাঁরা কতটা শামিল হতে পারবেন আসন্ন শারদোৎসবের আনন্দযজ্ঞে? জানি না। কিন্তু একটা কথা অনেকেই বলছেন, মেট্রো রেল সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় আর একটু সতর্ক হলে বিপর্যয় এমন ভয়াবহ আকার নিত না! আমরা বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার নই, কেউ তাই নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আমাদের পক্ষে অসমীচীন। তবে, মিডিয়া কাগজে সংবাদ পড়ে শুনে, বিশেষজ্ঞদের অভিমত জেনে মনে হয়েছে—একটা গাফিলতি কোথাও না কোথাও ছিলই। আসলে এই ধরনের বিপদ যখন আসে ভুল বা গাফিলতির ছিদ্রপথেই আসে।
কিন্তু, পাশাপাশি এটাও সত্যি যে, যে কোনও বিপর্যয়ই মানুষ তার শক্তি সাহস মনোবল দিয়ে সামলে নেয় শেষ পর্যন্ত। এবং সময় তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে সেই বিপর্যয়ের ক্ষত, তা সে যত বড়ই হোক ধীরে ধীরে ঢেকেও দেয়। বউবাজারের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হবে বলে মনে হয় না। পুজোর এখনও তো মাসখানেক বাকি। ততদিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ব্যক্তিগত উদ্যোগ, তাঁর প্রশাসনের সক্রিয়তা, সহায়তা, মেট্রো রেলের তৎপরতা এবং সর্বোপরি সময়ের অসাধারণ শুশ্রূষায় আজকের সব হারানো মানুষগুলোর বুকের পাষাণভার হয়তো কিছুটা লাঘব হবে, হয়তো মহাপুজোর আনন্দটান বউবাজার বিপর্যয়ের ব্যথা-কষ্ট আরও খানিকটা ভুলিয়ে দেবে এবং তখন হয়তো হাজার লাখ উৎসবমুখর জনতার ভিড়ে ওঁরাও মিশে যাবেন। হয়তো বলছি বটে, তবে বিগত দিনে বহুবার তো এমন বিপর্যয়ের মুখে তুড়ি মেরে জিতে গেছে বাংলার মানুষের পুজোর আবেগ, উৎসবপ্রীতি। এবারই বা তার ব্যতিক্রম হবে কেন!
08th  September, 2019
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য এমবিবিএস, বিডিএস, আয়ুষ, নার্সিং সহ বিভিন্ন চিকিৎসা পাঠ্যক্রমের বহু ছাত্রছাত্রীর পরবর্তী বছরে প্রোমোশন হয়নি। মার্কশিটও পাননি। ফলে বৃত্তিও আটকে গিয়েছে।   ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM