Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু। পঞ্চায়েতের কেষ্টবিষ্টুদের হম্বিতম্বি, কাটমানি, বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল নিয়েই যত ক্ষোভ। মোদ্দা কথা, ফুল ফুটুক বা না ফুটুক, আজ ‘নন্দ ঘোষ’ পঞ্চায়েত। পঞ্চয়েতের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ভোটে হারজিতের চাবিকাঠি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা না থাকলে পরাজয় যেমন নিশ্চিত, তেমনি ধাক্কা খায় উন্নয়ন। আর স্বচ্ছতা থাকলে, ভালো কাজ করলে ভোটবাক্স উপচে পড়ে। তবে, পঞ্চায়েতে স্বচ্ছতার প্রাথমিক শর্ত, মানুষের অবাধ ভোট। চমকে ধমকে বিনা ভোটে মসনদ দখল বন্ধ হওয়া খুবই দরকার। তার জন্য প্রয়োজন হলে হোক আইন সংশোধন।
নিরঙ্কুশ ক্ষমতা চরম দুর্নীতির জন্ম দেয়। ঊনবিংশ শতাব্দীতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে জন্ম নেওয়া এই প্রবাদ আজও একইভাবে খেটে যায়। বরং ভোগবাদী সমাজ ব্যবস্থায় তা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। গ্রামোন্নয়নের কোটি কোটি টাকা পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের মাধ্যমে খরচ হয়। তাকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে মধুভাণ্ড। সেই মধুভাণ্ডের নাগাল পেতে মরিয়া হয়ে উঠছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছাতার তলায় বেড়ে ওঠা মাস্তান বাহিনী। পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদহ সহ অধিকাংশ জেলায় বহু চোর, ডাকাত সরাসরি পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় ঢুকে গিয়েছে। ক্ষমতা দখল মানেই কোটি কোটি টাকা খরচের লাইসেন্স হাতে পেয়ে যাওয়া। প্রত্যেকটি পঞ্চায়েতেই বছরে গড়ে আড়াই থেকে তিন কোটি টাকার কাজ হয়। দুষ্কৃতীদের একটা বড় অংশ ঠিকাদারি ও পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের একটা লাভ হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, রাস্তাঘাটে ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি বেশ কম। টাকা রোজগারের জন্য তাদের আর কষ্ট করে রাতে বের হতে হয় না। বাম জামানায় বাঁকুড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরের সংযোগস্থলে আশ্রয় নেওয়া কয়েকটি ডাকাত বাহিনী বিস্তীর্ণ এলাকার ভোট নিয়ন্ত্রণ করত। রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর তাদের একটা বড় অংশ তৃণমূলের হয়ে ছড়ি ঘোরাচ্ছিল। এখন তাদের অনেকেই জাতীয় পতাকার উপর দিকে থাকা রংয়ের দিকেই ঝুঁকতে শুরু করেছে। বলাবাহুল্য, ক্ষমতা দখলের জন্য প্রায় সব দলই মাস্তানদের মদত দেয়। কেউ ঘোমটার আড়ালে খ্যামটা নাচে, কেউ নাচে ঘোমটা ছাড়াই। তবে, সব সময়ই অ্যাডভান্টেজে শাসক দল। কংগ্রেস জমানায় পঞ্চায়েত থাকলেও নির্বাচন হতো না। মূলত শাসক দলের পছন্দের গণ্যমান্যরা পঞ্চায়েতের কর্তা হতেন। তখন অবশ্য এখনকার মতো পঞ্চায়েতের মাধ্যমে এত উন্নয়নের কাজও হতো না। পঞ্চায়েতের প্রতিনিধিদের ভূমিকা ছিল মূলত প্রতিবেশীদের মধ্যে গণ্ডগোলের মীমাংসা করা, আর রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তীতে প্রধান অতিথি হওয়া।
বামফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পরের বছর অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত গঠন হয়েছিল। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের মোড়কে গ্রামে গ্রামে মধ্যবিত্তদের মধ্যে প্রভাব বিস্তারই ছিল সিপিএমের আসল উদ্দেশ্য। সিপিএম পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে অত্যন্ত কৌশলে দলের সংগঠন বৃদ্ধির কাছে লাগাতে পেরেছিল। তখন পঞ্চায়েতের মাধ্যমে আহামরি উন্নয়ন কিছু না হলেও বিরোধীদের দুরমুশের কাজটা হতো নিখুঁতভাবে। ’৭৮ সাল থেকে ’৯৮ সাল পর্যন্ত রাজ্যের অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি এবং সমস্ত জেলা পরিষদ ছিল সিপিএম তথা বামফ্রন্টের দখলে। রায়তি জমিতে লাল ঝান্ডা পুঁতে দিয়ে খাস ঘোষণা, কথায় কথায় খেতমজুর বয়কট, পুকুরে বিষ ঢেলে ভাতে মারা, সামাজিক বয়কটের অস্ত্রে বিরোধীদের মেরুদণ্ড তখন লাউডগার চেয়েও পলকা।
তবে বাম জমানায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটজয়ের শুরুয়াতটা হয়েছিল ছাত্র রাজনীতির হাত ধরে। আশির দশকের প্রথমদিকে সম্ভবত দমদমের মতিঝিল কলেজে এসএফআই প্রথম বিনা ‘বাধা’য় ছাত্র সংসদ দখল করেছিল। তারপর কলেজে কলেজে শুরু হয়েছিল ‘জোর যার মুলুক তার’ থিওরি। এসএফআইয়ের সেই সব নেতা যখন সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত হলেন তখন তাঁরাই চালু করলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল। ‘নো রিক্স, ফুল গেন’ থিওরি বেশ মনে ধরেছিল রাজ্য নেতাদেরও। তাই কেউ প্রতিবাদ করেননি, উল্টে উৎসাহ জুগিয়ে গিয়েছেন।
’৯৮ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরই প্রথম সিপিএম কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল। উপদ্রুত এলাকায় বোমা, গুলির লড়াই তো ছিলই। তবে, সেবার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিপিএমের ঝুলি থেকে বেরিয়েছিল ব্রহ্মাস্ত্র ‘সাদা থান’। কমরেডদের কাছে খুব জনপ্রিয় হয়েছিল ‘সাদা থান’-এর থিওরি। কারণ কথায় কথায় ‘সাঁইবাড়ি বানিয়ে ছাড়ব’ হুমকিটা বস্তাপচা হয়ে গিয়েছিল। বিরোধীরা সেভাবে খাচ্ছিল না। তবে, ‘সাদা থান’-এর হুমকিতে বিরোধী পরিবারের অন্দরমহলে বয়ে গিয়েছিল সন্ত্রাসের হিমেল স্রোত। অকাল বৈধব্যের আশঙ্কায় বাড়ির মহিলারাই তাঁদের স্বামীকে সিপিএম বিরোধিতা থেকে বিরত রাখার মরিয়া চেষ্টা চালাতেন। তাতেই একের পর এক পঞ্চায়েত বিনা লড়াইয়ে সিপিএমের ঝুলিতে গিয়ে জমা হতো।
হাজার হাজার আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতলেও সিপিএম নেতারা কিন্তু হরিনাম জপার মতো মুখে বলতেন, ‘নির্বাচন গণতন্ত্রের শ্রেষ্ঠ উৎসব’। নির্বাচন আমরাও চাই। কিন্তু, বিরোধীরা না প্রার্থী দিলে আমরা কী করব?
২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও একই সুর শোনা গিয়েছে অধিকাংশ জেলার তৃণমূলের নেতাদের গলায়। তৃণমূলের বহু নেতাকেই বলতে শোনা গিয়েছে, এত উন্নয়ন হয়েছে যে বিরোধীরা প্রার্থী পাচ্ছে না। তাই নাকি তাঁরা একের পর এক পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, এমনকী জেলা পরিষদ বিনা ভোটে জিতেছেন।
আসলে, সব শাসকের ভাষা, ভাবনা ও সুর একই হয়। তবে, এব্যাপারে বিজেপির ভাষা এবং সুর কিঞ্চিৎ কড়া এবং চড়া। ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতা দখলের পর সে রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে শতকরা ৮৫ ভাগ আসনেই বিনা ভোটে জয়ী হয়ে গেল। অবশ্য তা নিয়ে ত্রিপুরার কোনও ‘বিপ্লবী’ সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত দৌড়াননি। আসলে বিনা ভোটে জেতাটা একটা ভয়ঙ্কর নেশা। মাদকের নেশার চেয়েও ভয়ঙ্কর। নেশায় বাধা দিলে তাণ্ডব অনিবার্য। এই নেশার কবলে পড়লে ণত্ব-ষত্ব জ্ঞানও লোপ পায়।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী মানে, তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীহীন। অর্থাৎ মানেটা এই রকম, তিনি এতটাই কাজের ও এত গুণের অধিকারী যে সকলেই তাঁর নেতৃত্ব স্বীকার করে নিয়েছেন। কিন্তু বাস্তব কি সে কথা বলে?
খোঁজ নিলে দেখা যাবে, এরাজ্যে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে যাঁরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন তাঁদের বেশিরভাগই এলাকায় সব চেয়ে বেশি অপছন্দের মানুষ। বরং বলা ভালো, ভোট হলে হেরে যাবে বুঝেই সন্ত্রাস করে পঞ্চায়েত কব্জা করেছেন। আর সেটা করতে গিয়েই শাসক দল যুগে যুগে নিজের কবর নিজেই খুঁড়েছে।
এরাজ্যে সিপিএম যেহেতু রাজনৈতিক চর্চার বহু যোজন দূরে অবস্থান করছে, তাই ‘খাঁড়ার ঘা’ দেওয়ার চেয়ে বর্তমান শাসক দলের কাজের নমুনা উত্থাপনই প্রাসঙ্গিক। ২০১৮ সালে বাঁকুড়া জেলায় ২৫০৫টি গ্রাম সভার আসনের মধ্যে ১৫৯৩টি আসনে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়। এর মধ্যে বিষ্ণুপুর মহকুমার কোনও আসনেই ভোট হয়নি। সমস্ত আসনই তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতে। কিন্তু, লোকসভা ভোটে এই বিষ্ণপুরেই তৃণমূল গোহারা হারল। হারল বাঁকুড়াও।
বাঁকুড়া জেলার ওন্দার রামসাগর বিজেপির দীর্ঘদিনের শক্ত ঘাঁটি। ২০১৩ সালেও রামসাগর পঞ্চায়েতটি বিজেপি জিতেছিল। কিন্তু, এবার সেই পঞ্চায়েতের ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টিই তৃণমূল বিনা ভোটে ছিনিয়ে নিল। মাত্র দু’টিতে ভোট হল। সেই দু’টি আসনেই জিতল বিজেপি। এলাকার মানুষ প্রমাণ করে দিলেন, বিরোধীদের প্রার্থী দিতে না পারার দাবিটা কতটা অন্তঃসারশূন্য।
এখানে একটা কথা না বললে বোধহয় সত্যের অপলাপ হবে, বিগত আট বছরে গ্রাম বাংলায় রাস্তাঘাট, পানীয় জল, আলো সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো উন্নয়ন হয়েছে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সর্বস্তরে পরিষেবা দেওয়ার অনন্য নজির তৈরি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ যদি ঠিকঠাক ভোট দিতে পারত, তাহলে হয়তো অধিকাংশ জায়গায় শাসক দলই জয়ী হতো। কারণ তখনও বিরোধীদের সেভাবে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু, পঞ্চায়েতের মধুভাণ্ডের নাগাল পেতে শাসক দলের মাদার ও যুবর আত্মঘাতী লড়াই এরাজ্যে বিজেপিকে পায়ের তলায় মাটি দিয়েছে। লাঠির দাপটে তৃণমূলের যোগ্যদের প্রার্থী হওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। বঞ্চিতরা নির্দল হয়ে ভোটে দাঁড়ালে তাঁদের জয় নিশ্চিত বুঝেই লেঠেল বাহিনী দাঁড়াতে দেয়নি। তৃণমূলের সেই সেই বঞ্চিতরাই লোকসভা ভোটে তলে তলে বিজেপিকে সমর্থন করেছে। তার জেরেই বহু জায়গায় বিজেপির পায়ের তলার মাটি এখন পাথরের মতো শক্ত।
বিনা ভোটে জয়লাভ মানে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল। পঞ্চায়েত যখন থেকে মধুভাণ্ড, তখন থেকেই শাসক দল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিততে মরিয়া। অথচ এই বিনা ভোটে ক্ষমতা দখল শাসক দলকে শক্তিশালী করে না, বরং ভিতর থেকে ফোঁপরা করে দেয়। বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েতে বাসা বাঁধে দুর্নীতি। দলের মধ্যে যাতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস না পায়, তার জন্য কুখ্যাত কয়লা মাফিয়াকে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেয় নেতা। চোখের সামনে অন্যায়, দুর্নীতি দেখেও মানুষ ভয়ে চুপ করে থাকতে বাধ্য হয়।
তাই বিরোধীদের প্রার্থী না পাওয়ার অজুহাত দিয়ে পঞ্চায়েতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার প্রহসন অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার। তার জন্য প্রয়োজনে আইন সংশোধন করা হোক। মেয়াদ উত্তীর্ণ পুরসভার কাজ যেভাবে প্রশাসক করেন, একইভাবে কোথাও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার পরিস্থিতি হলে সেখানকার উন্নয়নের দায়িত্ব বিডিওকে দেওয়ার আইন হোক। এই নিয়ম চালু করলেই কেউ বিনা ভোটে জেতার কথা ভাববেও না। সব রাজনৈতিক নেতাই গণতন্ত্রের কথা বলেন। কিন্তু, গণতন্ত্র শুধু মুখের বুলি নয়, গণতন্ত্র এক মহান ভাবনা। গণতন্ত্র ধর্মের মতোই পবিত্র। তাকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। আর সেই কর্তব্য পালনের প্রথম পদক্ষেপ হবে বিনা ভোটে পঞ্চায়েত দখলের রাস্তা বন্ধ করা।
07th  September, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি ২ - এটিকে ১ (বিরতি) 

08:29:36 PM

কোচবিহারের দিনহাটার নারায়ণগঞ্জে ৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার 

06:16:00 PM

করণদিঘিতে ব্যবসায়ী খুনে ৫ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র 

05:47:32 PM

শ্রীরামপুরে লকেটের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে 
সংকল্প যাত্রায় অংশগ্রহণের পথে শ্রীরামপুরের বটতলায় লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি আটকানোর ...বিশদ

04:32:00 PM

রাঁচি টেস্ট: কম লাইটের জন্য খেলা বন্ধ, দঃ আফ্রিকা ৯/২ (প্রথম ইনিংস) 

04:19:41 PM

কাটোয়ায় বউদিকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা দেওরের
বউদিকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগ পিসতুতো দেওরের বিরুদ্ধে। প্রেমের সম্পর্কের ...বিশদ

04:03:00 PM