Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

শেষের সেদিন কি আর খুব দূরে নয়?!
সাম্প্রতিককালে বিশ্বজুড়ে প্রকৃতির নজিরবিহীন খামখেয়াল, মানুষের লোভের আগুনে সবুজের নির্বিচার মৃত্যু এবং বহু বহু বছর ধরে সীমাহীন অপচয়ের ফলে ফুরিয়ে আসা পানীয় জলের ভাঁড়ার আমাদের মনে আজ এই ভয়ঙ্কর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। কিন্তু, আশ্চর্যের ব্যাপার হল এটাই যে, এখনও ওই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েও আমাদের অধিকাংশই নির্বিকার, হেলদোলহীন। ভয় ভাবনা যা কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে মুষ্টিমেয় সচেতনজন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য সমর্থকদের মধ্যে। বাদবাকিরা যেমন চলছিলেন তেমনই চলছেন! বছরের পর বছর যা করে আসছিলেন তাই করছেন! কোথাও তাঁদের উদ্যোগে, কোথাও পরোক্ষ সমর্থনে আবার কোথাও তাঁদের নির্মম উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে নানান অছিলায় (কোথাও রাস্তা চওড়া করার নামে, কোথাও জনবসতি গড়ার জন্য, কোথাও সেগুন মেহগনির মতো মহামূল্য গাছ বেচে টাকা কামানোর উদ্দেশ্যে বা অন্য কোনও কারণে) চলছে বৃক্ষ নিধন গাছ চুরি, চলছে পানীয় জলের ব্যাপক অপচয়, কল-কারখানার যাবতীয় দূষিত বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি গঙ্গার মতো নদীতে ফেলে জল-দূষণের মারাত্মক খেলা—চলছে আরও অনেক কিছুই, যা আখেরে নষ্ট করছে পরিবেশের ভারসাম্য, জীব-বৈচিত্র্য এবং আমাদের বাঁচার রসদগুলোকে ক্রমশ নিয়ে চলেছে তলানির দিকে! প্রতিকারহীন শক্তের এই অপরাধে ক্রমশ ক্রমশ আমাদের অস্তিত্ব সংকট ঘনীভূত হচ্ছে, আমরা জেনে, না-জেনে সেই ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছি, যেখানে এক ঢোক জল কি এক টান অক্সিজেনের জন্য আমাদের এমন মূল্য চোকাতে হবে যা জোগানোর সামর্থ্য খুব কম জনেরই থাকবে! বিশেষজ্ঞদের অনেকের মত তেমনই।
আজকের এই ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারযুগে কেউ এসব জানেন না এমন নয়। এসবের জন্য আমাদের বিপদ কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে সেটা বোঝেন না এমনও নয়। চিত্তাকর্ষক বিজ্ঞাপন শর্ট-ফিল্ম, পোস্টার-ব্যানার সভাসমিতি আলোচনাচক্র মিছিল ভোরের কাগজ টিভি চ্যানেল অহোরাত্র ২৪ ঘণ্টা সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সংকটের অশনিবার্তা আমাদের চোখকানের ভিতর দিয়ে মরমে বিঁধে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু, তাতে কার, ক’জনার পরান আকুল হচ্ছে, ভয় পাচ্ছেন কজন! এভাবে চলতে থাকলে যে কিছু বছরের মধ্যে ‘দ্য ডে আফটার টুমরো’ ছবির সেই অচিন্ত্য প্রাকৃতিক ধ্বংস-প্রলয় আমাদের এই বাস্তব সভ্যতার বুকে নেমে আসতে পারে এবং সেদিন ধনী-দরিদ্র শাসক-শোষিত বুদ্ধিজীবী-বুদ্ধিহীন নেতামন্ত্রী পাবলিক-মাস্তান সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল-বিজেপি ছোটলোক-ভদ্দরলোক কেউ রেহাই পাবে না—সে কথাই বা ভাবছেন ক’জন! বরং, একশ্রেণীর মানুষ (তাদের সংখ্যা খুব কম নয়) কোথাও চটজলদি মুনাফার লোভে আবার কোথাও নিছক উদাসীন থেকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে প্রকৃতির এই সর্বনাশ! যশোর রোড, বিটি রোড কি ভিআইপি রোডের মতো রাস্তাগুলো মাত্র কয়েক বছর আগেও কী সুন্দর সবুজে ঢাকা ছিল! শতাব্দীপ্রাচীন গাছগুলো যশোর রোড বিটি রোডের দু’পাশ থেকে উপুড় হয়ে এসে প্রখর গরম দিনেও ছায়ার মায়ায় ঢেকে রাখত পথ। ভিআইপি রোডের দু’পাশের নয়ানজুলিগুলো আশপাশের এলাকার উপচানো বর্ষার জল যেমন বয়ে নিয়ে যেত, তেমনি চোখ জুড়নো সৌন্দর্যের একটা আলাদা মাত্রাও যোগ করত সেই পথে।
আজ কোথায় সেসব! উল্টে কাগজে মাঝেমধ্যেই তো দেখছি কাতারে কাতারে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে যশোর রোড, বিটি রোড বা অন্যত্র! এমনকী রাজ্যে সবুজের অন্যতম পীঠস্থান জঙ্গলমহলেও! শুনলাম সেখানে নাকি পুলিস লাইন তৈরির অজুহাতে বন কেটে সাফ করা হচ্ছে! এমনকী নতুন গাছের চারাবাগানও রেহাই পাচ্ছে না! দার্জিলিং পাহাড় তরাই-ডুয়ার্সের অবস্থাও তথৈবচ। সেসব জায়গাতেও আগাছা পরগাছা কিন্তু গুন্ডামস্তান চোরাকারবারি আর মোটামাথা ধান্দাবাজ ব্যবসায়ী গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে! বাধা দিতে গিয়ে হেনস্তা হচ্ছেন পরিবেশকর্মীরা! এমনও শুনেছি, বেশি বাধা দিতে গেলে নাকি নলিকাটা বডি মিলবে ডুয়ার্সের বনবাদাড়ে বা দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে! শুধু পাহাড় ডুয়ার্স কেন হোটেল রিসর্ট দখলদারি প্রোমোটারির ঠেলায় সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ, দিঘা মন্দারমণি শঙ্করপুরের সাগরপ্রকৃতি পূর্ব কলকাতা সহ রাজ্যের দক্ষিণাংশের বিস্তীর্ণ জলাভূমির মতো সম্পদও তো আজ বিপন্নপ্রায়। সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হয়ে গেলে সমুদ্রের লোনা জল কতদূর ঢুকে আসবে, বনের বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গলের কী দশা হবে, এমনকী এই কলকাতা মহানগরীর কী হাল হবে ভাবছেন কেউ? ভাবলে ওই এলাকায় আইনকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিরেট মূঢ়ের মতো যথেচ্ছ কাতারে কাতারে হোটেল রেস্তরাঁ রিসর্ট গজিয়ে তোলে কেউ!
খোদ কলকাতাতেই দেখুন না—পানীয় জলের ব্যবহারটা কেমন। আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে শোনা, উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে দু’জনে মিলে নাকি দিনে দু/আড়াই হাজার লিটারেরও বেশি জল খরচ করে! যে রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মুখ্যমন্ত্রী পরিবেশ বাঁচাতে, পানীয় জলের অপচয় ঠেকাতে মিছিল করে পথে নামেন, যে মহানগরীতে পুরসভা পানীয় জলের পাশাপাশি গঙ্গার অপরিশোধিত জল নষ্ট রুখতেও ট্যাপকলের মুখে চাবি লাগাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা দেখাচ্ছে, সেই নগরীতে বসে বাড়ি গাড়ি ধুতে কাপড় কাচতে বা স্নানে যথেচ্ছ জল নষ্ট করতে দ্বিধা করছে না নির্বোধ পাবলিকের একাংশ—ভাবা যায়! বলছি না, জল বাঁচাতে লোকে স্নান বাথরুম কাপড় কাচা বন্ধ করে দিন। মোটেই না। কিন্তু, তাই বলে জনপ্রতি হিসেবে হাজার, দেড় হাজার লিটার কি মানা যায়! এমন পরিবারের সংখ্যা উত্তর দক্ষিণ পুব পশ্চিম সাধারণ বাড়ি হোক কি হাই রাইজ—কম নয়। আর এই জাতীয় নির্বিবেক কেবল কলকাতাতেই থাকে এমনও না, সারা রাজ্যেই আছে। এদের সহবত শেখানো সচেতন করা পুরসভা কি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কটা লোকের পক্ষে আদৌ কি সম্ভব? অসম্ভব। ঘরে কর্পোরেশনের অঢেল জল আসছে—অতএব ফেলো ঢালো ছড়াও—মন যত চায়! এই হল মানসিকতা। আর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বললে ক’মাস আগেও শুনতে হয়েছে, আহা, একটু জলই তো ব্যবহার করছে। কর্পোরেশনের ট্যাক্স দিচ্ছে—ওটুকু করবে না? ও আর এমন কী? সত্যিই তো ‘এমন কী’-টা যে কী ভয়ানক—সেটা বুঝলে তো মিটেই যেত। কিন্তু, বুঝছে না। বোঝার চেষ্টাও খুব বেশি লোকের মধ্যে এখনও খুব আছে বলে মনে হচ্ছে না। এত কথা এত বক্তৃতা এত মিছিলমিটিং প্রচারের পরও এই বুঝতে না পারা বা না চাওয়াটা যে কার্যত এক মারাত্মক আত্মঘাতী প্রবণতা আজও সেই বোধোদয়টা হল না আমাদের অধিকাংশের—এটা সত্যিই বিস্ময়কর!
অথচ, আমাজনে আগুন নিয়ে আমাদের সে কী উদ্বেগ আশঙ্কা! চারদিকে যেন একটা গেল গেল রব উঠে গেল! পথেঘাটে আলাপে আলোচনায় সর্বত্র আমাজন। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জার ফেসবুকের মতো যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাগজে খবরে টিভি চ্যানেলে নানান ভিডিও মৃত পশুদের বিকৃত ছবি সহযোগে যেন ‘আমাজন নেভাও পৃথিবী বাঁচাও’ মার্কা আন্দোলনই শুরু হয়ে গেল। আমাজনে দাবানল প্রাকৃতিক না ম্যান-মেড তাই নিয়ে জল্পনার জিলিপিলিও চালু হয়ে গেল জোরকদমে। এবং ক্রমশ পাল্লা ভারী হয়ে উঠল ম্যান-মেডের পক্ষে! যেহেতু আগুনে দগ্ধ আমাজনের বেশিটাই ব্রাজিলে, ফলে সে দেশের প্রেসিডেন্ট উঠলেন জনতার কাঠগড়ায়। এর মধ্যেই মেরু-বরফের গলন বৃদ্ধি ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ বিশ্ব পরিবেশ সংক্রান্ত আশঙ্কা চিন্তার আলোচনা আসরে দুর্ভাবনায় বাড়তি মাত্রা যোগ করে দিল। আমাজনে আগুনের খবর পাওয়ার পর সে দুর্ভাবনা বঙ্গ জীবনের অঙ্গে অঙ্গে যে বিপুল ঢেউ তুলেছিল এখন তার রেশ খানিকটা স্তিমিত। এখন পুজোর মাতন উঠতে শুরু করেছে যে—আর্থিক মন্দা কেনাকাটায় ভাটা বৃষ্টির ভ্রুকুটি বাজেট সংকোচ রোজকার বাজারের চড়াভাব এসব কাটিয়ে শেষ অবধি বাঙালির পুজোর জাঁক এবার কতটা থাকবে, পুজো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পলিটিক্স কতটা জমবে, ছুটিতে বেড়ানোরই বা কী হবে আনন্দের আয়োজনে কোথায় কতটা টান পড়তে পারে—তাই নিয়ে এখন সরগরম হচ্ছে কলকাতা থেকে মফস্‌সল থেকে গাঁ-গঞ্জ।
ফলে, সঙ্গত কারণেই আর আমাজনের আগুন টিআরপি ধরে রাখতে পারছে না। কারণ, একটু ভালোভাবে লক্ষ করলেই দেখা যাবে আমাজনের জ্বলন্ত বৃষ্টি-অরণ্যের দৃশ্যাবলি ও ভয়াবহতা নিয়ে পাবলিকের সাম্প্রতিক আবেগ উৎকণ্ঠার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল এক ধরনের বিনোদন প্রবণতা! ভয়ের সিনেমা দেখার অনুভূতি! মিম এবং ভিডিওগুলো নিয়ে পথঘাটের প্রতিক্রিয়ায় অন্তত আমার তেমনটাই মনে হয়েছে। আর বলতে কী, আমাজনের আগুনের ভয়াবহতা ও অনিবার্য ফলশ্রুতি যদি আমরা সত্যিই হৃদয়ঙ্গম করতে পারতাম যদি বোঝার চেষ্টা করতাম প্লাস্টিক বিপদ, পৃথিবীর তাপবৃদ্ধি, মেরুপ্রদেশের বরফ গলনে আমাদের নিত্যদিনের অপকর্মগুলোর ভূমিকা—তাহলে এভাবে নির্বিচার সবুজ ধ্বংস বা জল অপচয় জলাভূমি ভরাট ইত্যাদি নষ্টামি করতে পারতাম কি! এই আত্মঘাতী প্রবণতা যে আমাদের মতো বিশ্বের নানা প্রান্তকেও গ্রাস করেছে—আমাজনের আগুন তার সাম্প্রতিকতম এবং নিষ্ঠুরতম দৃষ্টান্ত হতেই পারে। আর সেদিকে চেয়ে মনে হতেই পারে—তাহলে মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে! উত্তরটা বাহুল্য। আজ শুধু অপেক্ষা সচেতনতার অপেক্ষা সংশোধনের। এবং সেই অপেক্ষার অবসান কবে ঘটবে বা আদৌ ঘটবে কি না তা বলবে সময়। ততদিন শেষের সেদিনের লক্ষ্যে আমাজনের আগুন জ্বলেই যাবে—নান্যঃ পন্থা!
05th  September, 2019
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: শনিবার নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে বসে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিল নবদ্বীপ এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের ছাত্রী স্মৃতি নন্দী। ব্লাইন্ড স্কুলের হোস্টেল সুপার সুরেন্দ্রকুমার চক্রবর্তী বলেন, বুধবার রাতে স্মৃতি অসুস্থ হয়ে নবদ্বীপ স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। ...

 ওয়াশিংটন, ২২ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): নিজের ভূখণ্ডে থাকা জঙ্গি ও চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামলেই একমাত্র ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারবে পাকিস্তান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভারত সফরের আগে সন্ত্রাস ইস্যুতে এভাবেই ইসলামাবাদের উপর চাপ বাড়াল আমেরিকা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ)-এর টাকা নিয়ে অনিয়ম আটকাতে পুরো ব্যবস্থাটিকে অনলাইনে এইচআরএমএস পোর্টালে নিয়ে আসা হচ্ছে। অতীতে জিপিএফ নিয়ে সরকারি অফিসে একাধিক অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়েছে। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: শনিবার থেকে রায়গঞ্জের আব্দুলঘাটা ফরেস্টে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে দু’দিনের প্রকৃতি পাঠ শিবির শুরু হয়েছে। রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চার থেকে ১৪ বছর বয়সের ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই শিবির শুরু হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) অমাবস্যা ৩৭/১৭ রাত্রি ৯/২। ধনিষ্ঠা ১৮/৫৮ দিবা ১/৪৩। সূ উ ৬/৭/২৩, অ ৫/৩৩/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ গতে ৯/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ২/৫৮ মধ্যে। 
১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, অমাবস্যা ৩৪/৪২/৪০ রাত্রি ৮/৩/৩৭। ধনিষ্ঠা ১৭/৩৭/৪৩ দিবা ১/১৩/৩৮। সূ উ ৬/১০/৩৩, অ ৫/৩১/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ গতে ৯/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ১১/৫১/১৬ গতে ১/১৬/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৬/৫ গতে ৩/০/৫৪ মধ্যে। 
২৮ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়ির বালাসন এলাকায় চিতা বাঘের আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা 

22-02-2020 - 02:10:59 PM

কোচবিহারে পথ দুর্ঘটনায় জখম ১০ 
কোচবিহারের বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ি ফেরার ...বিশদ

22-02-2020 - 01:48:00 PM

জয়নগরে স্কুলের গেটে ট্রাকের ধাক্কায় জখম প্রহরী 

22-02-2020 - 01:02:00 PM

বারুইপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 
বারুইপুরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী কিশোরী। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

22-02-2020 - 01:01:00 PM

কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

22-02-2020 - 12:57:00 PM

উলুবেড়িয়ায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টাল গ্যাস ট্যাঙ্কার, ব্যাহত যান চলাচল 

22-02-2020 - 12:39:00 PM