Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে!
মেরুনীল দাশগুপ্ত

শেষের সেদিন কি আর খুব দূরে নয়?!
সাম্প্রতিককালে বিশ্বজুড়ে প্রকৃতির নজিরবিহীন খামখেয়াল, মানুষের লোভের আগুনে সবুজের নির্বিচার মৃত্যু এবং বহু বহু বছর ধরে সীমাহীন অপচয়ের ফলে ফুরিয়ে আসা পানীয় জলের ভাঁড়ার আমাদের মনে আজ এই ভয়ঙ্কর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। কিন্তু, আশ্চর্যের ব্যাপার হল এটাই যে, এখনও ওই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েও আমাদের অধিকাংশই নির্বিকার, হেলদোলহীন। ভয় ভাবনা যা কিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে মুষ্টিমেয় সচেতনজন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্য সমর্থকদের মধ্যে। বাদবাকিরা যেমন চলছিলেন তেমনই চলছেন! বছরের পর বছর যা করে আসছিলেন তাই করছেন! কোথাও তাঁদের উদ্যোগে, কোথাও পরোক্ষ সমর্থনে আবার কোথাও তাঁদের নির্মম উদাসীনতার সুযোগ নিয়ে নানান অছিলায় (কোথাও রাস্তা চওড়া করার নামে, কোথাও জনবসতি গড়ার জন্য, কোথাও সেগুন মেহগনির মতো মহামূল্য গাছ বেচে টাকা কামানোর উদ্দেশ্যে বা অন্য কোনও কারণে) চলছে বৃক্ষ নিধন গাছ চুরি, চলছে পানীয় জলের ব্যাপক অপচয়, কল-কারখানার যাবতীয় দূষিত বিষাক্ত বর্জ্য সরাসরি গঙ্গার মতো নদীতে ফেলে জল-দূষণের মারাত্মক খেলা—চলছে আরও অনেক কিছুই, যা আখেরে নষ্ট করছে পরিবেশের ভারসাম্য, জীব-বৈচিত্র্য এবং আমাদের বাঁচার রসদগুলোকে ক্রমশ নিয়ে চলেছে তলানির দিকে! প্রতিকারহীন শক্তের এই অপরাধে ক্রমশ ক্রমশ আমাদের অস্তিত্ব সংকট ঘনীভূত হচ্ছে, আমরা জেনে, না-জেনে সেই ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগিয়ে চলেছি, যেখানে এক ঢোক জল কি এক টান অক্সিজেনের জন্য আমাদের এমন মূল্য চোকাতে হবে যা জোগানোর সামর্থ্য খুব কম জনেরই থাকবে! বিশেষজ্ঞদের অনেকের মত তেমনই।
আজকের এই ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারযুগে কেউ এসব জানেন না এমন নয়। এসবের জন্য আমাদের বিপদ কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে সেটা বোঝেন না এমনও নয়। চিত্তাকর্ষক বিজ্ঞাপন শর্ট-ফিল্ম, পোস্টার-ব্যানার সভাসমিতি আলোচনাচক্র মিছিল ভোরের কাগজ টিভি চ্যানেল অহোরাত্র ২৪ ঘণ্টা সম্ভাব্য প্রাকৃতিক সংকটের অশনিবার্তা আমাদের চোখকানের ভিতর দিয়ে মরমে বিঁধে দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু, তাতে কার, ক’জনার পরান আকুল হচ্ছে, ভয় পাচ্ছেন কজন! এভাবে চলতে থাকলে যে কিছু বছরের মধ্যে ‘দ্য ডে আফটার টুমরো’ ছবির সেই অচিন্ত্য প্রাকৃতিক ধ্বংস-প্রলয় আমাদের এই বাস্তব সভ্যতার বুকে নেমে আসতে পারে এবং সেদিন ধনী-দরিদ্র শাসক-শোষিত বুদ্ধিজীবী-বুদ্ধিহীন নেতামন্ত্রী পাবলিক-মাস্তান সিপিএম-কংগ্রেস-তৃণমূল-বিজেপি ছোটলোক-ভদ্দরলোক কেউ রেহাই পাবে না—সে কথাই বা ভাবছেন ক’জন! বরং, একশ্রেণীর মানুষ (তাদের সংখ্যা খুব কম নয়) কোথাও চটজলদি মুনাফার লোভে আবার কোথাও নিছক উদাসীন থেকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে প্রকৃতির এই সর্বনাশ! যশোর রোড, বিটি রোড কি ভিআইপি রোডের মতো রাস্তাগুলো মাত্র কয়েক বছর আগেও কী সুন্দর সবুজে ঢাকা ছিল! শতাব্দীপ্রাচীন গাছগুলো যশোর রোড বিটি রোডের দু’পাশ থেকে উপুড় হয়ে এসে প্রখর গরম দিনেও ছায়ার মায়ায় ঢেকে রাখত পথ। ভিআইপি রোডের দু’পাশের নয়ানজুলিগুলো আশপাশের এলাকার উপচানো বর্ষার জল যেমন বয়ে নিয়ে যেত, তেমনি চোখ জুড়নো সৌন্দর্যের একটা আলাদা মাত্রাও যোগ করত সেই পথে।
আজ কোথায় সেসব! উল্টে কাগজে মাঝেমধ্যেই তো দেখছি কাতারে কাতারে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে যশোর রোড, বিটি রোড বা অন্যত্র! এমনকী রাজ্যে সবুজের অন্যতম পীঠস্থান জঙ্গলমহলেও! শুনলাম সেখানে নাকি পুলিস লাইন তৈরির অজুহাতে বন কেটে সাফ করা হচ্ছে! এমনকী নতুন গাছের চারাবাগানও রেহাই পাচ্ছে না! দার্জিলিং পাহাড় তরাই-ডুয়ার্সের অবস্থাও তথৈবচ। সেসব জায়গাতেও আগাছা পরগাছা কিন্তু গুন্ডামস্তান চোরাকারবারি আর মোটামাথা ধান্দাবাজ ব্যবসায়ী গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে! বাধা দিতে গিয়ে হেনস্তা হচ্ছেন পরিবেশকর্মীরা! এমনও শুনেছি, বেশি বাধা দিতে গেলে নাকি নলিকাটা বডি মিলবে ডুয়ার্সের বনবাদাড়ে বা দুর্গম পাহাড়ি জঙ্গলে! শুধু পাহাড় ডুয়ার্স কেন হোটেল রিসর্ট দখলদারি প্রোমোটারির ঠেলায় সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ, দিঘা মন্দারমণি শঙ্করপুরের সাগরপ্রকৃতি পূর্ব কলকাতা সহ রাজ্যের দক্ষিণাংশের বিস্তীর্ণ জলাভূমির মতো সম্পদও তো আজ বিপন্নপ্রায়। সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ ধ্বংস হয়ে গেলে সমুদ্রের লোনা জল কতদূর ঢুকে আসবে, বনের বিখ্যাত রয়্যাল বেঙ্গলের কী দশা হবে, এমনকী এই কলকাতা মহানগরীর কী হাল হবে ভাবছেন কেউ? ভাবলে ওই এলাকায় আইনকানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিরেট মূঢ়ের মতো যথেচ্ছ কাতারে কাতারে হোটেল রেস্তরাঁ রিসর্ট গজিয়ে তোলে কেউ!
খোদ কলকাতাতেই দেখুন না—পানীয় জলের ব্যবহারটা কেমন। আমার পরিচিত এক বন্ধুর কাছে শোনা, উত্তর কলকাতার একটি বাড়িতে দু’জনে মিলে নাকি দিনে দু/আড়াই হাজার লিটারেরও বেশি জল খরচ করে! যে রাজ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো মুখ্যমন্ত্রী পরিবেশ বাঁচাতে, পানীয় জলের অপচয় ঠেকাতে মিছিল করে পথে নামেন, যে মহানগরীতে পুরসভা পানীয় জলের পাশাপাশি গঙ্গার অপরিশোধিত জল নষ্ট রুখতেও ট্যাপকলের মুখে চাবি লাগাতে যুদ্ধকালীন তৎপরতা দেখাচ্ছে, সেই নগরীতে বসে বাড়ি গাড়ি ধুতে কাপড় কাচতে বা স্নানে যথেচ্ছ জল নষ্ট করতে দ্বিধা করছে না নির্বোধ পাবলিকের একাংশ—ভাবা যায়! বলছি না, জল বাঁচাতে লোকে স্নান বাথরুম কাপড় কাচা বন্ধ করে দিন। মোটেই না। কিন্তু, তাই বলে জনপ্রতি হিসেবে হাজার, দেড় হাজার লিটার কি মানা যায়! এমন পরিবারের সংখ্যা উত্তর দক্ষিণ পুব পশ্চিম সাধারণ বাড়ি হোক কি হাই রাইজ—কম নয়। আর এই জাতীয় নির্বিবেক কেবল কলকাতাতেই থাকে এমনও না, সারা রাজ্যেই আছে। এদের সহবত শেখানো সচেতন করা পুরসভা কি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কটা লোকের পক্ষে আদৌ কি সম্ভব? অসম্ভব। ঘরে কর্পোরেশনের অঢেল জল আসছে—অতএব ফেলো ঢালো ছড়াও—মন যত চায়! এই হল মানসিকতা। আর স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে বললে ক’মাস আগেও শুনতে হয়েছে, আহা, একটু জলই তো ব্যবহার করছে। কর্পোরেশনের ট্যাক্স দিচ্ছে—ওটুকু করবে না? ও আর এমন কী? সত্যিই তো ‘এমন কী’-টা যে কী ভয়ানক—সেটা বুঝলে তো মিটেই যেত। কিন্তু, বুঝছে না। বোঝার চেষ্টাও খুব বেশি লোকের মধ্যে এখনও খুব আছে বলে মনে হচ্ছে না। এত কথা এত বক্তৃতা এত মিছিলমিটিং প্রচারের পরও এই বুঝতে না পারা বা না চাওয়াটা যে কার্যত এক মারাত্মক আত্মঘাতী প্রবণতা আজও সেই বোধোদয়টা হল না আমাদের অধিকাংশের—এটা সত্যিই বিস্ময়কর!
অথচ, আমাজনে আগুন নিয়ে আমাদের সে কী উদ্বেগ আশঙ্কা! চারদিকে যেন একটা গেল গেল রব উঠে গেল! পথেঘাটে আলাপে আলোচনায় সর্বত্র আমাজন। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেঞ্জার ফেসবুকের মতো যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় কাগজে খবরে টিভি চ্যানেলে নানান ভিডিও মৃত পশুদের বিকৃত ছবি সহযোগে যেন ‘আমাজন নেভাও পৃথিবী বাঁচাও’ মার্কা আন্দোলনই শুরু হয়ে গেল। আমাজনে দাবানল প্রাকৃতিক না ম্যান-মেড তাই নিয়ে জল্পনার জিলিপিলিও চালু হয়ে গেল জোরকদমে। এবং ক্রমশ পাল্লা ভারী হয়ে উঠল ম্যান-মেডের পক্ষে! যেহেতু আগুনে দগ্ধ আমাজনের বেশিটাই ব্রাজিলে, ফলে সে দেশের প্রেসিডেন্ট উঠলেন জনতার কাঠগড়ায়। এর মধ্যেই মেরু-বরফের গলন বৃদ্ধি ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ বিশ্ব পরিবেশ সংক্রান্ত আশঙ্কা চিন্তার আলোচনা আসরে দুর্ভাবনায় বাড়তি মাত্রা যোগ করে দিল। আমাজনে আগুনের খবর পাওয়ার পর সে দুর্ভাবনা বঙ্গ জীবনের অঙ্গে অঙ্গে যে বিপুল ঢেউ তুলেছিল এখন তার রেশ খানিকটা স্তিমিত। এখন পুজোর মাতন উঠতে শুরু করেছে যে—আর্থিক মন্দা কেনাকাটায় ভাটা বৃষ্টির ভ্রুকুটি বাজেট সংকোচ রোজকার বাজারের চড়াভাব এসব কাটিয়ে শেষ অবধি বাঙালির পুজোর জাঁক এবার কতটা থাকবে, পুজো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পলিটিক্স কতটা জমবে, ছুটিতে বেড়ানোরই বা কী হবে আনন্দের আয়োজনে কোথায় কতটা টান পড়তে পারে—তাই নিয়ে এখন সরগরম হচ্ছে কলকাতা থেকে মফস্‌সল থেকে গাঁ-গঞ্জ।
ফলে, সঙ্গত কারণেই আর আমাজনের আগুন টিআরপি ধরে রাখতে পারছে না। কারণ, একটু ভালোভাবে লক্ষ করলেই দেখা যাবে আমাজনের জ্বলন্ত বৃষ্টি-অরণ্যের দৃশ্যাবলি ও ভয়াবহতা নিয়ে পাবলিকের সাম্প্রতিক আবেগ উৎকণ্ঠার একটা বড় অংশ জুড়ে ছিল এক ধরনের বিনোদন প্রবণতা! ভয়ের সিনেমা দেখার অনুভূতি! মিম এবং ভিডিওগুলো নিয়ে পথঘাটের প্রতিক্রিয়ায় অন্তত আমার তেমনটাই মনে হয়েছে। আর বলতে কী, আমাজনের আগুনের ভয়াবহতা ও অনিবার্য ফলশ্রুতি যদি আমরা সত্যিই হৃদয়ঙ্গম করতে পারতাম যদি বোঝার চেষ্টা করতাম প্লাস্টিক বিপদ, পৃথিবীর তাপবৃদ্ধি, মেরুপ্রদেশের বরফ গলনে আমাদের নিত্যদিনের অপকর্মগুলোর ভূমিকা—তাহলে এভাবে নির্বিচার সবুজ ধ্বংস বা জল অপচয় জলাভূমি ভরাট ইত্যাদি নষ্টামি করতে পারতাম কি! এই আত্মঘাতী প্রবণতা যে আমাদের মতো বিশ্বের নানা প্রান্তকেও গ্রাস করেছে—আমাজনের আগুন তার সাম্প্রতিকতম এবং নিষ্ঠুরতম দৃষ্টান্ত হতেই পারে। আর সেদিকে চেয়ে মনে হতেই পারে—তাহলে মানুষই কি মানুষের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে দাঁড়াচ্ছে! উত্তরটা বাহুল্য। আজ শুধু অপেক্ষা সচেতনতার অপেক্ষা সংশোধনের। এবং সেই অপেক্ষার অবসান কবে ঘটবে বা আদৌ ঘটবে কি না তা বলবে সময়। ততদিন শেষের সেদিনের লক্ষ্যে আমাজনের আগুন জ্বলেই যাবে—নান্যঃ পন্থা!
05th  September, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
নয়াদিল্লি, ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে সংসদের বাইরে আরও সরব কংগ্রেস। দলের দুই অন্যতম প্রধান মুখ রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সোশ্যাল সাইটে এই বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন। তাঁদের দু’জনের মতে, গণতন্ত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে কেন্দ্র।   ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

মাদ্রিদ ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমণের মাত্রা কমিয়ে এনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উচ্চ প্রশংসিত হল ভারত। মঙ্গলবার মাদ্রিদে জলবায়ু সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন সিওপি-২৫’-এ ‘ক্লাইমেক্স চেঞ্জ পারফরমেন্স ইনডেক্স (সিসিপিআই) প্রকাশিত হয়। ...

মঙ্গল ঘোষ, গাজোল, সংবাদদাতা: দেশলাইয়ের বিভিন্ন মার্কা ও কাঠি দিয়ে নানা শিল্পকর্ম করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ইংলিশবাজার শহরের বাসিন্দা সুবীর কুমার সাহা। কখনও আর্ট পেপারে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রীর
‘বুড়োদের থেকে পরামর্শ নেওয়া ভালো।’ মঙ্গলবার, বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে এই ...বিশদ

09:40:00 AM

 মুম্বই মেলে অত্যাধুনিক রেক
যাত্রীদের সফর আরও সুরক্ষিত এবং অধিক স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত করতে হাওড়া-মুম্বই সিএসএমটি-হাওড়া ...বিশদ

09:30:00 AM

শীতের আমেজ উধাও !
শীতে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা আরও কমল। আরব সাগরের গভীর ...বিশদ

09:13:54 AM

পরীক্ষায় খারাপ ফল, ৬ পড়ুয়ার মুখে কালি  
বয়স কতোই বা হবে। এরমধ্যেই অধরা সাফল্যের শাস্তি পেয়ে গেল ...বিশদ

09:00:00 AM

শিলিগুড়িতে ট্রেনের ধাক্কায় ২টি হাতির মৃত্যু 
বুধবার ভোর ৫টা নাগাদ শিলিগুড়ি মহকুমার খড়িবাড়ি ব্লকের দূতগেট সংলগ্ন ...বিশদ

08:57:28 AM

 জলের আয়রন দূর করার নয়া প্রযুক্তি
জলের আয়রন দূর করতে এক ধরনের আয়রন রিম্যুভাল ফিল্টার বানিয়েছে ...বিশদ

08:50:00 AM