Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যবহার একবার, দূষণ লাগাতার 
রঞ্জন সেন

সিঙ্গল-ইউজ-প্লাস্টিক (এসইউপি) বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক এখন দেশের পরিবেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে লালকেল্লা থেকে লড়াইয়ের ডাক দিতে হচ্ছে। নানা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্বেও এই প্লাস্টিককে কিছুতেই কব্জা করা যাচ্ছে না। নানা ধরণের নেশার জিনিসের পাউচ কিংবা দোকান বাজার থেকে যাতে বোঝাই করে আমরা নানা জিনিস নিয়ে আসি সেই ফিনফিনে পাতলা প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশের পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। শুধু ক্যারিব্যাগই নয়, বোতল, জলের গেলাস, খাওয়ার প্লেট ইত্যাদি নানা অবতারে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। প্রয়োজন মিটলেই আমরা তা অবহেলায় ফেলে ফেলে দিই। সামান্য প্লাস্টিক এরপরে হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর। হাওয়া ও জলের ডানায় ভর দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে যত্রতত্র। হয়ে ওঠে এই মুহূর্তে পরিবেশ দূষণের বড় কারণ। তুচ্ছ এই প্লাস্টিক সামগ্রীটিকে বাগে আনতে বাদ সাধছে আমাদের বদভ্যাস, আমাদের সচেতনতার অভাব, হয়ে উঠছে পরিবেশ দূষণের একটা বড় কারণ।
শহর-গ্রাম-মফস্বলের বর্জ্যের সিংহভাগই এখন এই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের দখলে। এবং তা পরিমাণে এতটাই বেশি যে সেটা বর্জ্যের সামগ্রিক চরিত্রটাই বদলে দিচ্ছে। আমাদের চলতি সাফাই ব্যবস্থা ও নিকাশি পদ্ধতি কোনকিছুর সঙ্গেই না মিশতে চাওয়া ও দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়া এই ধরণের বর্জ্যগুলির সমস্যার মোকাবিলা করতে পারছে না। কারণ আমাদের প্লাস্টিক বর্জ্যের বেশিরভাগই হল পলিব্যাগ ও পান-গুটখা, বিড়ি, পান মশলা এবং খাবার দাবারের মাল্টিলেয়ারড পাউচ। এই সামগ্রীগুলির বেশিরভাগই পলিএথিলিন বা লো ডেনসিটি পলিএথিলিন। এগুলি মূলত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকেই আসে। আমাদের দেশের প্লাস্টিক বর্জ্যের ৬৬ শতাংশই এসব জিনিস। এই বর্জ্যের সমস্যা থেকে বাঁচার কোন উপায় এখনও আমরা বার করতে পারিনি। অনেক রাজ্য প্লাস্টিক বন্ধ করার ফরমান দিয়েছে কিন্তু তবুও বহাল তবিয়তে রয়েছে ক্যারিব্যাগ, তাই সমস্যাও রয়েছে।
এমনিতেই আমাদের দেশের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা জড় হওয়া জঞ্জালের পরিমাণের তুলনায় দুর্বল। নাগরিক বদভ্যাস তা আরও ব্যাপকতর করে তুলেছে। একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। কয়েকবছর আগে রাজ্যের অনেক পুর এলাকাতেই রাস্তায় জঞ্জাল না ফেলা এবং প্লাস্টিক বর্জ্যগুলিকে আলাদা করার জন্য পরিবার পিছু দুটো করে বাকেট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কোন কাজে লাগেনি। কেউ তাতে রাখছেন চাল, কেউ রাখছেন জল, কেউবা ময়লা জামাকাপড়। ড্রেন, পুকুর, নিকাশি পাইপ, জলের নালা, মাঠ ময়দান সবকিছুতে দখল কায়েম করার পর একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ঢুকে পড়ছে ভূগর্ভে। নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা শক্তি। নিজেদের অসচেতনতার বলি হচ্ছি আমরা নিজেরাই।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এই অবস্থার মোকাবিলার ব্যাপারে একটা রোডম্যাপ তৈরি করেছে। তা কীভাবে কার্যকর করা যায় তা নিয়ে বেশ কয়েকটা বৈঠকও হয়ে গেছে কিন্তু কোন সমাধান সূত্র মেলেনি। গ্রাম-শহরে ছড়িয়ে থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষ ও শিল্প এই গোত্রের প্লাস্টিকের একটা বড় অংশ। একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, ট্রেনে রাস্তায় পাড়ার বাজারে নানা সাইজের পাতলা প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগে বিক্রি হচ্ছে সবজি ফল ফুল মাছ পুরি তেলেভাজা। পাড়ার মুদির দোকান থেকে জিনিস আনতে সেই ক্যারিব্যাগই ভরসা। মদের ঠেক থেকে ফুটপাথের হোটেল সর্বত্র প্লাস্টিকের বোতল গেলাস প্লেটের রমরমা। কাজেই সমাজের সবস্তরের মানুষদের এধরণের প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করার কর্মসূচির আওতায় না আনলে এই সমস্যা মিটবে না। আবার সব দায়িত্ব কিন্তু এগুলো যারা বাধ্য হয়ে ব্যবহার করছেন তাদের নয়, ইন্ডাস্ট্রি এবং সরকারকে বিকল্প প্যাকেজিং এর ব্যবস্থা করার কথা ভাবতেই হবে।
এই সমস্যা শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের। সারা বিশ্বের ৪৭ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্যই মূলত মাল্টিলেয়ারড পাউচ। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের সমস্যা সবচেয়ে বেশি আমাদের এই এশিয়াতে। এমনিতেই সব প্লাস্টিক বর্জ্যগুলির মাত্র ৯ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়। ১২ শতাংশ প্লাস্টিক জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং ৭৯ শতাংশ মাটিতে মেশে। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা, সংশোধন করা বা নতুন চেহারা দেওয়া কোনটাই এখানে তেমনভাবে হয়না। হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় এতই কম যে সেটার ওপর নির্ভর করে কোন পরিকল্পনা করা যায় না।
২০০৯ সালে হিমাচল প্রদেশ থেকে শুরু হয়েছিল প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার অভিযান। এ বছরের গোড়ায় দেশের ২৯টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার জন্য আইন তৈরি করেছে। রাজধানীতে তো দু’বছর আগে থেকেই শুধু প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগই নয়, প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। খুব সামান্য হলেও আগের তুলনায় কমেছে মানুষের প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রবণতা। প্রস্তুতকর্তাদের ওপর ব্যবহারের পর এগুলো সংগ্রহ করা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার দায়ও চাপানো হচ্ছে। কিন্তু এত কিছু করার পরও প্রায় ‘আত্মার’ মতোই অজর-অমর-অক্ষয় এসইউপি সামগ্রীগুলিকে নিয়ে আমাদের সমস্যা মেটেনি।
তার একটা বড় কারণ হল আমাদের জনসংখ্যা। এমনিতে মাথাপিছু হিসেবে আমাদের দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার খুব একটা বেশি নয়, বছরে মাত্র ১১ কিলো। আমেরিকাসহ বহু উন্নত দেশের তুলনায় তা অনেক কম। কিন্তু বাদ সেধেছে জনসংখ্যা। এই ১৩৫ কোটি জনসংখ্যার দেশে বর্জ্যের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রতিদিন ২৫ হাজার ৯৪০টন। ওজনে যা এশিয়ার ৯০০০ হাতির ওজনের সমান। বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব এবং মানুষের সচেতনতার অভাব সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে। দেশের শহরতলিতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য।
দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা যায়না। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার সমস্যাও রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হল ধাপা ও শহরের অন্যান্য জায়গা থেকে পুরসভা ছাড়াও যারা বর্জ্য সংগ্রহ করেন তারা পাতলা ক্যারিব্যাগ ও পাউচ সংগ্রহ করার ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখান না। কারণ এর বিক্রয় মূল্য কম তাছাড়া পাতলা পাউচ ও ক্যারিব্যাগগুলি হাওয়াতে চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে যায় বলে এগুলি সংগ্রহ করাটাও একটা সমস্যা। দেশে সব থেকে বেশি প্লাস্টিক জমে দিল্লি ও কলকাতায়। দুটো শহরেই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার রোখার সত্যিই একটা বড় সমস্যা। এগুলোকে চালু রাখার জন্য একশ্রেণীর ব্যবসায়ী মহলও সমান সক্রিয়। কারণ প্যাকেজিংয়ের খরচ কম, মুনাফাও বেশি।
কাজেই রণে বনে জলে জঙ্গলে সর্বত্র বিরাজ করছে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক। সস্তা নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিং ছাড়া এর থেকে মুক্তির কোন পথ নেই। এগুলির বিপদ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ মোটেই সচেতন নন। আইন করে এর ব্যবহার বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। অন্য রাজ্যের কথা জানি না, বাংলায় কিন্তু সাবেক আমলের সেই চটের থলি পাতলা ক্যারিব্যাগের একটা চমৎকার বিকল্প হতে পারে। চটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়লে বাংলার চটকলগুলোও চাঙ্গা হবে। আমরা ভাবতে পারি পুরনো আমলে যাতে করে মিষ্টির দোকান থেকে কচুরি, শিঙাড়া, মিষ্টি কিনে আনার জন্য শালপাতার ঠোঙা কিংবা মাটির ভাঁড়ের ব্যবহার আবার বেশি করে চালু করার কথা। দুটোই প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চেনা ছকের বাইরে বেরিয়ে একটু অন্যরকমভাবে ভাবলেই সমাধান মিলবে। এই ভাবনাটা আমাদের পরিবেশের দূষণ মুক্তি এবং নিজেদের স্বাস্থ্যের কারণেই খুব জরুরি, নইলে প্লাস্টিকের স্তূপে ডুবে যাব আমরা। তুচ্ছ ভেবে যে প্লাস্টিকগুলিকে হাওয়ার উড়িয়ে দিয়েছি সেটাই এখন আমাদের শ্বাসরোধ করতে আসছে। শুধু ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার কথা বললে কোনও কাজ হবে না। বলতে হবে পরিবেশবান্ধব নির্ভরযোগ্য বিকল্পের কথা, দেখতে হবে তার দাম যেন মানুষের আয়ত্তের মধ্যে থাকে। না-হলে তা ব্যবহারে কেউ উৎসাহী হবেন না। পাট, মাটির পাত্র ও ভাঁড়, শালপাতা, কলাপাতা, কচুরিপানার মত প্রাকৃতিক সম্পদনির্ভর পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিংয়ের কথা না-ভাবলে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে লড়াই নেহাত কথার কথাই থেকে যাবে।  
03rd  September, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

মাদ্রিদ ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমণের মাত্রা কমিয়ে এনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উচ্চ প্রশংসিত হল ভারত। মঙ্গলবার মাদ্রিদে জলবায়ু সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন সিওপি-২৫’-এ ‘ক্লাইমেক্স চেঞ্জ পারফরমেন্স ইনডেক্স (সিসিপিআই) প্রকাশিত হয়। ...

গুয়াংঝৌ, ১০ ডিসেম্বর: বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ব্যাডমিন্টনে সোনা জেতার পর ফর্ম হারিয়েছেন পিভি সিন্ধু। বছরের শেষ টুর্নামেন্ট ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালে খেতাব ধরে রাখাই লক্ষ্য গোপীচাঁদের এই ছাত্রীর। ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালে বিশ্বের প্রথম আটজন খেলার সুযোগ পেয়েছেন। সিন্ধুর এখন র‌্যাঙ্কিং ১৫।  ...

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: মঙ্গলবার সকালে চীনা মাঞ্জায় গলা কেটে খড়্গপুর শহরে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। তার নাম মহম্মদ সাদেক(১৫)। বাড়ি পাঁচবেড়িয়া কাজি মহল্লায়। সে সাউথ সাইড হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পরীক্ষায় খারাপ ফল, ৬ পড়ুয়ার মুখে কালি  
বয়স কতোই বা হবে। এরমধ্যেই অধরা সাফল্যের শাস্তি পেয়ে গেল ...বিশদ

09:00:00 AM

শিলিগুড়িতে ট্রেনের ধাক্কায় ২টি হাতির মৃত্যু 
বুধবার ভোর ৫টা নাগাদ শিলিগুড়ি মহকুমার খড়িবাড়ি ব্লকের দূতগেট সংলগ্ন ...বিশদ

08:57:28 AM

 জলের আয়রন দূর করার নয়া প্রযুক্তি
জলের আয়রন দূর করতে এক ধরনের আয়রন রিম্যুভাল ফিল্টার বানিয়েছে ...বিশদ

08:50:00 AM

 নরেন্দ্র মোদির গোল্ডেন ট্যুইট!
 ‘সোনার ট্যুইট’! প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ট্যুইটকে এই তকমাই দিল ...বিশদ

08:46:42 AM

 আজ পার্শ্বশিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী
আজ, বুধবার পার্শ্বশিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ...বিশদ

08:25:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ...বিশদ

08:20:51 AM