Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যবহার একবার, দূষণ লাগাতার 
রঞ্জন সেন

সিঙ্গল-ইউজ-প্লাস্টিক (এসইউপি) বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক এখন দেশের পরিবেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে লালকেল্লা থেকে লড়াইয়ের ডাক দিতে হচ্ছে। নানা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্বেও এই প্লাস্টিককে কিছুতেই কব্জা করা যাচ্ছে না। নানা ধরণের নেশার জিনিসের পাউচ কিংবা দোকান বাজার থেকে যাতে বোঝাই করে আমরা নানা জিনিস নিয়ে আসি সেই ফিনফিনে পাতলা প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশের পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। শুধু ক্যারিব্যাগই নয়, বোতল, জলের গেলাস, খাওয়ার প্লেট ইত্যাদি নানা অবতারে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। প্রয়োজন মিটলেই আমরা তা অবহেলায় ফেলে ফেলে দিই। সামান্য প্লাস্টিক এরপরে হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর। হাওয়া ও জলের ডানায় ভর দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে যত্রতত্র। হয়ে ওঠে এই মুহূর্তে পরিবেশ দূষণের বড় কারণ। তুচ্ছ এই প্লাস্টিক সামগ্রীটিকে বাগে আনতে বাদ সাধছে আমাদের বদভ্যাস, আমাদের সচেতনতার অভাব, হয়ে উঠছে পরিবেশ দূষণের একটা বড় কারণ।
শহর-গ্রাম-মফস্বলের বর্জ্যের সিংহভাগই এখন এই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের দখলে। এবং তা পরিমাণে এতটাই বেশি যে সেটা বর্জ্যের সামগ্রিক চরিত্রটাই বদলে দিচ্ছে। আমাদের চলতি সাফাই ব্যবস্থা ও নিকাশি পদ্ধতি কোনকিছুর সঙ্গেই না মিশতে চাওয়া ও দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়া এই ধরণের বর্জ্যগুলির সমস্যার মোকাবিলা করতে পারছে না। কারণ আমাদের প্লাস্টিক বর্জ্যের বেশিরভাগই হল পলিব্যাগ ও পান-গুটখা, বিড়ি, পান মশলা এবং খাবার দাবারের মাল্টিলেয়ারড পাউচ। এই সামগ্রীগুলির বেশিরভাগই পলিএথিলিন বা লো ডেনসিটি পলিএথিলিন। এগুলি মূলত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকেই আসে। আমাদের দেশের প্লাস্টিক বর্জ্যের ৬৬ শতাংশই এসব জিনিস। এই বর্জ্যের সমস্যা থেকে বাঁচার কোন উপায় এখনও আমরা বার করতে পারিনি। অনেক রাজ্য প্লাস্টিক বন্ধ করার ফরমান দিয়েছে কিন্তু তবুও বহাল তবিয়তে রয়েছে ক্যারিব্যাগ, তাই সমস্যাও রয়েছে।
এমনিতেই আমাদের দেশের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা জড় হওয়া জঞ্জালের পরিমাণের তুলনায় দুর্বল। নাগরিক বদভ্যাস তা আরও ব্যাপকতর করে তুলেছে। একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। কয়েকবছর আগে রাজ্যের অনেক পুর এলাকাতেই রাস্তায় জঞ্জাল না ফেলা এবং প্লাস্টিক বর্জ্যগুলিকে আলাদা করার জন্য পরিবার পিছু দুটো করে বাকেট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কোন কাজে লাগেনি। কেউ তাতে রাখছেন চাল, কেউ রাখছেন জল, কেউবা ময়লা জামাকাপড়। ড্রেন, পুকুর, নিকাশি পাইপ, জলের নালা, মাঠ ময়দান সবকিছুতে দখল কায়েম করার পর একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ঢুকে পড়ছে ভূগর্ভে। নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা শক্তি। নিজেদের অসচেতনতার বলি হচ্ছি আমরা নিজেরাই।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এই অবস্থার মোকাবিলার ব্যাপারে একটা রোডম্যাপ তৈরি করেছে। তা কীভাবে কার্যকর করা যায় তা নিয়ে বেশ কয়েকটা বৈঠকও হয়ে গেছে কিন্তু কোন সমাধান সূত্র মেলেনি। গ্রাম-শহরে ছড়িয়ে থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষ ও শিল্প এই গোত্রের প্লাস্টিকের একটা বড় অংশ। একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, ট্রেনে রাস্তায় পাড়ার বাজারে নানা সাইজের পাতলা প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগে বিক্রি হচ্ছে সবজি ফল ফুল মাছ পুরি তেলেভাজা। পাড়ার মুদির দোকান থেকে জিনিস আনতে সেই ক্যারিব্যাগই ভরসা। মদের ঠেক থেকে ফুটপাথের হোটেল সর্বত্র প্লাস্টিকের বোতল গেলাস প্লেটের রমরমা। কাজেই সমাজের সবস্তরের মানুষদের এধরণের প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করার কর্মসূচির আওতায় না আনলে এই সমস্যা মিটবে না। আবার সব দায়িত্ব কিন্তু এগুলো যারা বাধ্য হয়ে ব্যবহার করছেন তাদের নয়, ইন্ডাস্ট্রি এবং সরকারকে বিকল্প প্যাকেজিং এর ব্যবস্থা করার কথা ভাবতেই হবে।
এই সমস্যা শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের। সারা বিশ্বের ৪৭ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্যই মূলত মাল্টিলেয়ারড পাউচ। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের সমস্যা সবচেয়ে বেশি আমাদের এই এশিয়াতে। এমনিতেই সব প্লাস্টিক বর্জ্যগুলির মাত্র ৯ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়। ১২ শতাংশ প্লাস্টিক জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং ৭৯ শতাংশ মাটিতে মেশে। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা, সংশোধন করা বা নতুন চেহারা দেওয়া কোনটাই এখানে তেমনভাবে হয়না। হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় এতই কম যে সেটার ওপর নির্ভর করে কোন পরিকল্পনা করা যায় না।
২০০৯ সালে হিমাচল প্রদেশ থেকে শুরু হয়েছিল প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার অভিযান। এ বছরের গোড়ায় দেশের ২৯টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার জন্য আইন তৈরি করেছে। রাজধানীতে তো দু’বছর আগে থেকেই শুধু প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগই নয়, প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। খুব সামান্য হলেও আগের তুলনায় কমেছে মানুষের প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রবণতা। প্রস্তুতকর্তাদের ওপর ব্যবহারের পর এগুলো সংগ্রহ করা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার দায়ও চাপানো হচ্ছে। কিন্তু এত কিছু করার পরও প্রায় ‘আত্মার’ মতোই অজর-অমর-অক্ষয় এসইউপি সামগ্রীগুলিকে নিয়ে আমাদের সমস্যা মেটেনি।
তার একটা বড় কারণ হল আমাদের জনসংখ্যা। এমনিতে মাথাপিছু হিসেবে আমাদের দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার খুব একটা বেশি নয়, বছরে মাত্র ১১ কিলো। আমেরিকাসহ বহু উন্নত দেশের তুলনায় তা অনেক কম। কিন্তু বাদ সেধেছে জনসংখ্যা। এই ১৩৫ কোটি জনসংখ্যার দেশে বর্জ্যের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রতিদিন ২৫ হাজার ৯৪০টন। ওজনে যা এশিয়ার ৯০০০ হাতির ওজনের সমান। বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব এবং মানুষের সচেতনতার অভাব সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে। দেশের শহরতলিতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য।
দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা যায়না। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার সমস্যাও রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হল ধাপা ও শহরের অন্যান্য জায়গা থেকে পুরসভা ছাড়াও যারা বর্জ্য সংগ্রহ করেন তারা পাতলা ক্যারিব্যাগ ও পাউচ সংগ্রহ করার ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখান না। কারণ এর বিক্রয় মূল্য কম তাছাড়া পাতলা পাউচ ও ক্যারিব্যাগগুলি হাওয়াতে চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে যায় বলে এগুলি সংগ্রহ করাটাও একটা সমস্যা। দেশে সব থেকে বেশি প্লাস্টিক জমে দিল্লি ও কলকাতায়। দুটো শহরেই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার রোখার সত্যিই একটা বড় সমস্যা। এগুলোকে চালু রাখার জন্য একশ্রেণীর ব্যবসায়ী মহলও সমান সক্রিয়। কারণ প্যাকেজিংয়ের খরচ কম, মুনাফাও বেশি।
কাজেই রণে বনে জলে জঙ্গলে সর্বত্র বিরাজ করছে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক। সস্তা নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিং ছাড়া এর থেকে মুক্তির কোন পথ নেই। এগুলির বিপদ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ মোটেই সচেতন নন। আইন করে এর ব্যবহার বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। অন্য রাজ্যের কথা জানি না, বাংলায় কিন্তু সাবেক আমলের সেই চটের থলি পাতলা ক্যারিব্যাগের একটা চমৎকার বিকল্প হতে পারে। চটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়লে বাংলার চটকলগুলোও চাঙ্গা হবে। আমরা ভাবতে পারি পুরনো আমলে যাতে করে মিষ্টির দোকান থেকে কচুরি, শিঙাড়া, মিষ্টি কিনে আনার জন্য শালপাতার ঠোঙা কিংবা মাটির ভাঁড়ের ব্যবহার আবার বেশি করে চালু করার কথা। দুটোই প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চেনা ছকের বাইরে বেরিয়ে একটু অন্যরকমভাবে ভাবলেই সমাধান মিলবে। এই ভাবনাটা আমাদের পরিবেশের দূষণ মুক্তি এবং নিজেদের স্বাস্থ্যের কারণেই খুব জরুরি, নইলে প্লাস্টিকের স্তূপে ডুবে যাব আমরা। তুচ্ছ ভেবে যে প্লাস্টিকগুলিকে হাওয়ার উড়িয়ে দিয়েছি সেটাই এখন আমাদের শ্বাসরোধ করতে আসছে। শুধু ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার কথা বললে কোনও কাজ হবে না। বলতে হবে পরিবেশবান্ধব নির্ভরযোগ্য বিকল্পের কথা, দেখতে হবে তার দাম যেন মানুষের আয়ত্তের মধ্যে থাকে। না-হলে তা ব্যবহারে কেউ উৎসাহী হবেন না। পাট, মাটির পাত্র ও ভাঁড়, শালপাতা, কলাপাতা, কচুরিপানার মত প্রাকৃতিক সম্পদনির্ভর পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিংয়ের কথা না-ভাবলে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে লড়াই নেহাত কথার কথাই থেকে যাবে।  
03rd  September, 2019
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
একনজরে
অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমিপুজো অনুষ্ঠানের রং লাগল সুদূর আমেরিকাতেও। সেখানকার ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা রামমন্দিরের একটি ডিজিটাল ছবি নিয়ে ট্যাবলো সাজিয়ে রীতিমতো শহর পরিক্রমা করলেন। ...

মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা। সঙ্গে থাকা-খাওয়া ফ্রি। তবে, এই কাজের যোগ্যতার মাপকাঠি একটু অন্যরকম। শুধুমাত্র করোনা জয়ী হলেই মিলবে সুযোগ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বিপুল। তাই এমন অফার পেয়ে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন পড়ে যাওয়ার ...

অযোধ্যার রেশ এসে পড়ল রাজারহাটের নারায়ণপুরে। রামপুজোর প্রস্তুতি ঘিরে অশান্তির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। ...

ভিসা ও অন্যান্য নথির মেয়াদ ফুরনোয় সৌদি আরবে এখন জেলবন্দি রয়েছেন প্রায় ৪৫০ জন ভারতীয়। তার মধ্যে অনেকেই এই বাংলার আদি বাসিন্দা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

হিরোশিমা দিবস
১৮৬৫ - চার্লি চ্যাপলিনের মা তথা ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী হান্নাহ চ্যাপলিনের জন্ম
১৮৮১- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক ফ্লেমিংয়ের জন্ম
১৯০৫- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রকাশ করলেন বন্দে মাতরম পত্রিকা
১৯০৬ - বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় বন্দে মাতরম্ (সংবাদপত্র) প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৪ - কলকাতা থেকে দৈনিক বসুমতী প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২৫ - বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫-হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলল আমেরিকা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪৬ টাকা ৯৯.৮৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া ৪৭/৩৪ রাত্রি ১২/১৫। শতভিষানক্ষত্র ১৫/১১ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৫/১৩/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪৮ গতে ৩/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ১১/২। শতভিষানক্ষত্র দিবা ১১/২১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ১০/২৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৯ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/৬ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুর্শিদাবাদে রিভলবার দেখিয়ে পেট্রল ভরে গ্রেপ্তার ১
মুর্শিদাবাদে রিভলবার দেখিয়ে বাইকে পেট্রল ভরে গ্রেপ্তার হল এক দুষ্কৃতী। ...বিশদ

01:25:39 PM

করোনা: আপনার জেলার হাল কী, জানুন... 
রাজ্যে নতুন করে আরও ২,৮১৬ জনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাস। ...বিশদ

12:26:35 PM

রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিতই:আরবিআই
রেপো রেট (৪%)ও রিভার্স রেপো রেট (৩.৩%)অপরিবর্তিতই রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ...বিশদ

12:13:21 PM

ট্রাম্পের ভিডিও ডিলিট করল ফেসবুক-ট্যুইটার
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ভিডিও পোস্ট তাঁর পেজ থেকে ...বিশদ

12:02:14 PM

শঙ্করপুরে সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত গ্রাম 
নিম্নচাপ ও প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে যাচ্ছে শঙ্করপুরের সমুদ্রবাঁধ। জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ...বিশদ

11:49:17 AM

দঃ২৪ পরগনায় কমল কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা
দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কমল কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা। এতদিন ৭৯টি জোন ...বিশদ

10:35:20 AM