Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যবহার একবার, দূষণ লাগাতার 
রঞ্জন সেন

সিঙ্গল-ইউজ-প্লাস্টিক (এসইউপি) বা একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক এখন দেশের পরিবেশের সামনে সবচেয়ে বড় বিপদ। খোদ প্রধানমন্ত্রীকে এর বিরুদ্ধে লালকেল্লা থেকে লড়াইয়ের ডাক দিতে হচ্ছে। নানা সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্বেও এই প্লাস্টিককে কিছুতেই কব্জা করা যাচ্ছে না। নানা ধরণের নেশার জিনিসের পাউচ কিংবা দোকান বাজার থেকে যাতে বোঝাই করে আমরা নানা জিনিস নিয়ে আসি সেই ফিনফিনে পাতলা প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে পরিবেশের পক্ষে সবচেয়ে বড় বিপদ। শুধু ক্যারিব্যাগই নয়, বোতল, জলের গেলাস, খাওয়ার প্লেট ইত্যাদি নানা অবতারে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। প্রয়োজন মিটলেই আমরা তা অবহেলায় ফেলে ফেলে দিই। সামান্য প্লাস্টিক এরপরে হয়ে ওঠে ভয়ঙ্কর। হাওয়া ও জলের ডানায় ভর দিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে যত্রতত্র। হয়ে ওঠে এই মুহূর্তে পরিবেশ দূষণের বড় কারণ। তুচ্ছ এই প্লাস্টিক সামগ্রীটিকে বাগে আনতে বাদ সাধছে আমাদের বদভ্যাস, আমাদের সচেতনতার অভাব, হয়ে উঠছে পরিবেশ দূষণের একটা বড় কারণ।
শহর-গ্রাম-মফস্বলের বর্জ্যের সিংহভাগই এখন এই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের দখলে। এবং তা পরিমাণে এতটাই বেশি যে সেটা বর্জ্যের সামগ্রিক চরিত্রটাই বদলে দিচ্ছে। আমাদের চলতি সাফাই ব্যবস্থা ও নিকাশি পদ্ধতি কোনকিছুর সঙ্গেই না মিশতে চাওয়া ও দ্রুত ছড়িয়ে যাওয়া এই ধরণের বর্জ্যগুলির সমস্যার মোকাবিলা করতে পারছে না। কারণ আমাদের প্লাস্টিক বর্জ্যের বেশিরভাগই হল পলিব্যাগ ও পান-গুটখা, বিড়ি, পান মশলা এবং খাবার দাবারের মাল্টিলেয়ারড পাউচ। এই সামগ্রীগুলির বেশিরভাগই পলিএথিলিন বা লো ডেনসিটি পলিএথিলিন। এগুলি মূলত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকেই আসে। আমাদের দেশের প্লাস্টিক বর্জ্যের ৬৬ শতাংশই এসব জিনিস। এই বর্জ্যের সমস্যা থেকে বাঁচার কোন উপায় এখনও আমরা বার করতে পারিনি। অনেক রাজ্য প্লাস্টিক বন্ধ করার ফরমান দিয়েছে কিন্তু তবুও বহাল তবিয়তে রয়েছে ক্যারিব্যাগ, তাই সমস্যাও রয়েছে।
এমনিতেই আমাদের দেশের বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা জড় হওয়া জঞ্জালের পরিমাণের তুলনায় দুর্বল। নাগরিক বদভ্যাস তা আরও ব্যাপকতর করে তুলেছে। একটা উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। কয়েকবছর আগে রাজ্যের অনেক পুর এলাকাতেই রাস্তায় জঞ্জাল না ফেলা এবং প্লাস্টিক বর্জ্যগুলিকে আলাদা করার জন্য পরিবার পিছু দুটো করে বাকেট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা কোন কাজে লাগেনি। কেউ তাতে রাখছেন চাল, কেউ রাখছেন জল, কেউবা ময়লা জামাকাপড়। ড্রেন, পুকুর, নিকাশি পাইপ, জলের নালা, মাঠ ময়দান সবকিছুতে দখল কায়েম করার পর একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক ঢুকে পড়ছে ভূগর্ভে। নষ্ট হচ্ছে জমির উর্বরতা শক্তি। নিজেদের অসচেতনতার বলি হচ্ছি আমরা নিজেরাই।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ এই অবস্থার মোকাবিলার ব্যাপারে একটা রোডম্যাপ তৈরি করেছে। তা কীভাবে কার্যকর করা যায় তা নিয়ে বেশ কয়েকটা বৈঠকও হয়ে গেছে কিন্তু কোন সমাধান সূত্র মেলেনি। গ্রাম-শহরে ছড়িয়ে থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষ ও শিল্প এই গোত্রের প্লাস্টিকের একটা বড় অংশ। একটু লক্ষ করলেই দেখা যাবে, ট্রেনে রাস্তায় পাড়ার বাজারে নানা সাইজের পাতলা প্লাস্টিক ক্যারিব্যাগে বিক্রি হচ্ছে সবজি ফল ফুল মাছ পুরি তেলেভাজা। পাড়ার মুদির দোকান থেকে জিনিস আনতে সেই ক্যারিব্যাগই ভরসা। মদের ঠেক থেকে ফুটপাথের হোটেল সর্বত্র প্লাস্টিকের বোতল গেলাস প্লেটের রমরমা। কাজেই সমাজের সবস্তরের মানুষদের এধরণের প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার বন্ধ করার কর্মসূচির আওতায় না আনলে এই সমস্যা মিটবে না। আবার সব দায়িত্ব কিন্তু এগুলো যারা বাধ্য হয়ে ব্যবহার করছেন তাদের নয়, ইন্ডাস্ট্রি এবং সরকারকে বিকল্প প্যাকেজিং এর ব্যবস্থা করার কথা ভাবতেই হবে।
এই সমস্যা শুধু আমাদের দেশের নয়, গোটা বিশ্বের। সারা বিশ্বের ৪৭ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্যই মূলত মাল্টিলেয়ারড পাউচ। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের সমস্যা সবচেয়ে বেশি আমাদের এই এশিয়াতে। এমনিতেই সব প্লাস্টিক বর্জ্যগুলির মাত্র ৯ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা যায়। ১২ শতাংশ প্লাস্টিক জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং ৭৯ শতাংশ মাটিতে মেশে। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলা, সংশোধন করা বা নতুন চেহারা দেওয়া কোনটাই এখানে তেমনভাবে হয়না। হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় এতই কম যে সেটার ওপর নির্ভর করে কোন পরিকল্পনা করা যায় না।
২০০৯ সালে হিমাচল প্রদেশ থেকে শুরু হয়েছিল প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার অভিযান। এ বছরের গোড়ায় দেশের ২৯টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে প্রায় অর্ধেকই ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার জন্য আইন তৈরি করেছে। রাজধানীতে তো দু’বছর আগে থেকেই শুধু প্লাস্টিকের ক্যারিব্যাগই নয়, প্লাস্টিকের কাপ, প্লেট সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। খুব সামান্য হলেও আগের তুলনায় কমেছে মানুষের প্লাস্টিক ব্যবহারের প্রবণতা। প্রস্তুতকর্তাদের ওপর ব্যবহারের পর এগুলো সংগ্রহ করা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার দায়ও চাপানো হচ্ছে। কিন্তু এত কিছু করার পরও প্রায় ‘আত্মার’ মতোই অজর-অমর-অক্ষয় এসইউপি সামগ্রীগুলিকে নিয়ে আমাদের সমস্যা মেটেনি।
তার একটা বড় কারণ হল আমাদের জনসংখ্যা। এমনিতে মাথাপিছু হিসেবে আমাদের দেশে প্লাস্টিকের ব্যবহার খুব একটা বেশি নয়, বছরে মাত্র ১১ কিলো। আমেরিকাসহ বহু উন্নত দেশের তুলনায় তা অনেক কম। কিন্তু বাদ সেধেছে জনসংখ্যা। এই ১৩৫ কোটি জনসংখ্যার দেশে বর্জ্যের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রতিদিন ২৫ হাজার ৯৪০টন। ওজনে যা এশিয়ার ৯০০০ হাতির ওজনের সমান। বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাব এবং মানুষের সচেতনতার অভাব সমস্যা আরও বাড়াচ্ছে। দেশের শহরতলিতে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন প্লাস্টিক বর্জ্য।
দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা যায়না। সেগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার সমস্যাও রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা হল ধাপা ও শহরের অন্যান্য জায়গা থেকে পুরসভা ছাড়াও যারা বর্জ্য সংগ্রহ করেন তারা পাতলা ক্যারিব্যাগ ও পাউচ সংগ্রহ করার ব্যাপারে কোন আগ্রহ দেখান না। কারণ এর বিক্রয় মূল্য কম তাছাড়া পাতলা পাউচ ও ক্যারিব্যাগগুলি হাওয়াতে চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে যায় বলে এগুলি সংগ্রহ করাটাও একটা সমস্যা। দেশে সব থেকে বেশি প্লাস্টিক জমে দিল্লি ও কলকাতায়। দুটো শহরেই একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের ব্যবহার রোখার সত্যিই একটা বড় সমস্যা। এগুলোকে চালু রাখার জন্য একশ্রেণীর ব্যবসায়ী মহলও সমান সক্রিয়। কারণ প্যাকেজিংয়ের খরচ কম, মুনাফাও বেশি।
কাজেই রণে বনে জলে জঙ্গলে সর্বত্র বিরাজ করছে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক। সস্তা নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিং ছাড়া এর থেকে মুক্তির কোন পথ নেই। এগুলির বিপদ সম্পর্কে সাধারণ মানুষ মোটেই সচেতন নন। আইন করে এর ব্যবহার বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। অন্য রাজ্যের কথা জানি না, বাংলায় কিন্তু সাবেক আমলের সেই চটের থলি পাতলা ক্যারিব্যাগের একটা চমৎকার বিকল্প হতে পারে। চটের ব্যাগের ব্যবহার বাড়লে বাংলার চটকলগুলোও চাঙ্গা হবে। আমরা ভাবতে পারি পুরনো আমলে যাতে করে মিষ্টির দোকান থেকে কচুরি, শিঙাড়া, মিষ্টি কিনে আনার জন্য শালপাতার ঠোঙা কিংবা মাটির ভাঁড়ের ব্যবহার আবার বেশি করে চালু করার কথা। দুটোই প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে।
চেনা ছকের বাইরে বেরিয়ে একটু অন্যরকমভাবে ভাবলেই সমাধান মিলবে। এই ভাবনাটা আমাদের পরিবেশের দূষণ মুক্তি এবং নিজেদের স্বাস্থ্যের কারণেই খুব জরুরি, নইলে প্লাস্টিকের স্তূপে ডুবে যাব আমরা। তুচ্ছ ভেবে যে প্লাস্টিকগুলিকে হাওয়ার উড়িয়ে দিয়েছি সেটাই এখন আমাদের শ্বাসরোধ করতে আসছে। শুধু ক্যারিব্যাগ বন্ধ করার কথা বললে কোনও কাজ হবে না। বলতে হবে পরিবেশবান্ধব নির্ভরযোগ্য বিকল্পের কথা, দেখতে হবে তার দাম যেন মানুষের আয়ত্তের মধ্যে থাকে। না-হলে তা ব্যবহারে কেউ উৎসাহী হবেন না। পাট, মাটির পাত্র ও ভাঁড়, শালপাতা, কলাপাতা, কচুরিপানার মত প্রাকৃতিক সম্পদনির্ভর পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্যাকেজিংয়ের কথা না-ভাবলে একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে লড়াই নেহাত কথার কথাই থেকে যাবে।  
03rd  September, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ৩০ মে: ইসলাম ভীতি ও বিদ্বেষের অজুহাতে ভারতকে কলঙ্কিত করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত বিরোধী দল পাকানোর তালে ছিল ইসলামাবাদ। ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...

নয়াদিল্লি, ৩০ মে: গতবছর বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে ভারতীয় দলের বিদায়ের পরেই মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আইপিএলে কামব্যাক করার থাকলেও তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় করোনার জন্য।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ১,১৪৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২,৩৩৩ 

06:59:00 PM

জলপাইগুড়িতে ৩২ লক্ষ টাকার বেআইনি মদ উদ্ধার 
অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে বিপুল পরিমাণ ...বিশদ

06:46:00 PM

মাধ্যমিক: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খাতা জমা দেওয়ার হুঁশিয়ারি পর্ষদের 
এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা জমা না দেওয়া পরীক্ষাকদের চরম হুঁশিয়ারি ...বিশদ

06:45:35 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ২৯৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩,২২১ 

06:24:26 PM

একদিনে নয়াদিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত ১২৯৫
গত ২৪ ঘণ্টায় নয়াদিল্লিতে নতুন করে ১ হাজার ২৯৫ জনের ...বিশদ

06:23:44 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩৭১  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭১ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

06:14:38 PM