Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আত্মশক্তি ও আমরা
সমৃদ্ধ দত্ত

বীরভূমের এক গ্রামবাসী শান্তিনিকেতনে এসে সি এফ অ্যান্ড্রুজের হাতে চিঠি পাঠিয়েছেন মহাত্মা গান্ধীকে। ১৯৩৬ সালের ডিসেম্বর মাসে। সেই চিঠিতে তিনি প্রশ্ন করেছেন, আপনার মতে একটি আদর্শ গ্রাম কাকে বলে? আর আজকের এই সামাজিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোনও একটি সাধারণ গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলাই বা কীভাবে সম্ভব? ১৯৩৭ সালের হরিজন পত্রিকার ৯ জানুয়ারি সংখ্যায় গান্ধীজি সেই চিঠির উল্লেখ করে লিখছেন, একটি আদর্শ গ্রামের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল সবার আগে সেটির নিকাশি ব্যবস্থা আর পরিচ্ছন্নতা। এমন কুটির নির্মাণ করা যেটিতে যথেষ্ট আলোবাতাস আসে। সেই কুটিরের সামনে অথবা পিছনে জমি থাকে এবং সেই জমিতে প্রয়োজনীয় সব্জি বা ফল গ্রামবাসীরা নিজেরাই উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মেটাতে পারেন। আদর্শ গ্রামে থাকা সরকারি একটি কমন প্রার্থনা স্থল, যেখানে সকলেই এসে প্রার্থনা করতে পারবেন। একটি সমবায় ডেয়ারি, একটি প্রাথমিক ও সেকেণ্ডারি স্কুল। নিজের খাদ্য নিজেরা উৎপন্ন করার পাশাপাশি সেগুলি বিক্রয়ের ব্যবস্থাও থাকবে। আর থাকবে খাদি সেন্টার। যাতে বাইরে শহরে গিয়ে কোনও পরিধান কিনতেই না হয়।
এসব থাকলে যেটা হবে তা হল সর্বদা সরকারের উপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। আমার কাছে সবথেকে আদর্শ হল গ্রামবাসীরা যদি নিজেদের ভালোর জন্য পারস্পরিক সহায়তায় নিজেরাই জোট বাঁধে। ভেদাভেদ ভুলে কী করলে গোটা গ্রামের উন্নতি ও মঙ্গল হবে, সেটা উপলব্ধি করে নিজেরাই পরিশ্রম করলে দেখা যাবে উন্নতির আলো। গান্ধীজির ওই বার্তার ৮২ বছর পর আমাদের রাজনৈতিক দল কিংবা সরকার এরকম কোনও আদর্শ গ্রাম কি উপহার দিতে পেরেছে? গান্ধীজি এই নিবন্ধের শেষে লিখেছিলেন, সবথেকে হতাশার বিষয় হল মানুষের অগ্রবর্তী হয়ে কিছু করার প্রতি অনীহা। শহুরে গবেষক, রং বে-রং দলীয় সমর্থক, রিসার্চ স্কলার, নেতানেত্রীর ভক্ত এবং দিনভর সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশোদ্ধার করা জাতি নয়, গান্ধীজির এসব বার্তার প্রকৃত অনুসরণকারী ভারতের অসংখ্য গ্রামের নিরক্ষর মানুষের দল। আমরা যখন তিন তালাক থেকে ৩৭০ নং নিয়ে প্রচুর মাতামাতি করছি তখন রাজস্থানের প্রত্যন্ত কয়েকটি গ্রামে একটি বিপ্লব চলছে।
২০১২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ৬টি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন হীরা। রাজস্থানের বাঁশওয়াড়া জেলার সেওয়ানা গ্রামের হীরার সন্তানেরা প্রত্যেকেই কন্যা। বাঁশওয়াড়ার এইসব গ্রামের সবথেকে দুঃখজনক একটা প্রবণতা হল এখানে ৩৫ থেকে ৪০ বছর বয়স হওয়ার পরই গৃহবধূরা বৃদ্ধা হয়ে যান, মানসিক রোগীর লক্ষণ দেখা যায় এবং আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। কেউ সফল হন। কেউ হন না। স্থায়ী কোনও অসুস্থতায় ঘরের বাইরের খাটিয়ায় বাকি জীবন কেটে যায় শয্যাশায়ী হয়ে। যাই হোক। হীরার পরপর পাঁচটি কন্যাসন্তানের পর যখন গত ডিসেম্বর মাসে ষষ্ঠ সন্তান প্রসব হল, তখন তাঁকে বলা হয়নি কী সন্তান হয়েছে। তিনি কয়েকবার প্রশ্নও করেন। কিন্তু কারও কাছে জবাব না পেয়ে যখন শুনলেন শাশুড়ির কণ্ঠে উচ্চস্বরে কান্না, তখন বুঝলেন এবারও কন্যা। তিনিও কাঁদতে লাগলেন। স্বামীও। প্রতিটি সন্তানের পরই পাশের গ্রামের এক সাধুর কাছে যাওয়া হয়। তিনি পরবর্তী সন্তানধারণের সম্ভাবনা জানার পর একটি মন্ত্রঃপূত নারকেল দিয়ে থাকেন। সেটা ফাটিয়ে খেতে হয় নির্দিষ্ট দিনে।
সেই সাধু অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়েছেন। বলেছেন, হীরা তুই তোর মায়ের থেকেও বেশি অভিশপ্ত। তোকে মনে হয় কিছু করা যাবে না। হীরার মায়ের চার মেয়ে। সুতরাং হীরার মাকে হীরা হারিয়ে দিয়েছে। এই কাহিনীগুলি এখানেই সমাপ্ত হয়ে যায় অথবা চলতে থাকে। কিন্তু রাজস্থানের ওয়াকা গ্রামের ক্লাস এইট পাশ কল্পনা নামের এক রাওয়াল জাতির মেয়ে অন্যরকম ভাবলো। বাড়ি থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে তিনটি মাটির কলসি মাথায় নিয়ে জল আনার সময় কুয়োর অদূরে বসে কাঁদছিল হীরা। তাঁকে সান্তনা দিচ্ছিলেন আরও কয়েকজন নারী, যাঁদের প্রত্যেকের কন্যাসন্তান হওয়ায় উপেক্ষা আর অত্যাচারই জোটে। এই মহিলাদের বলা হয় কৃষিমজুরি করে মেয়ের বিয়ের টাকা জমানো শুরু করতে। কারণ যে মা কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছে তাঁরই দায় সেই মেয়ের বিয়েতে খরচ করার। এভাবে পরিশ্রম, স্বল্প পুষ্টি, প্রতি বছর সন্তান গর্ভে ধারণ করা, পুত্রসন্তান জন্ম না দেওয়ার কারণে বদনাম এবং তারপর ডিপ্রেশন। এই চক্রে গ্রামের পর গ্রাম বধূরা অসুস্থ অথবা মানসিক রোগগ্রস্থ হয়ে যান। এই নারীরা সারাবছর কৃষি কিংবা ১০০ দিনের কাজে অমানুষিক পরিশ্রম করেন এবং প্রতি বছর নতুন করে গর্ভবতীও হন। কল্পনা এই মেয়েদের কাঁদতে দেখে একটি শপথ নিয়েছিল। ২৫ জন গ্রাম্য মহিলা একটি কুয়োর পাশে দাঁড়িয়ে গঠন করলেন ‘তাজো পরিবার’ নামক কর্মসূচি।
সেই থেকে এই মহিলারা সময় করে গ্রামে গ্রামে ঘুরছেন আর বিভিন্ন পরিবারের স্বামী শাশুড়িদের বোঝাচ্ছেন কেন কন্যা ও পুত্রসন্তানের মধ্যে বিভেদ না করে মেয়েদের সমানভাবে শিক্ষা দিলে কতটা লাভ। আর এভাবে পাঁচটি ছটি সাতটি সন্তানের জন্ম না দিয়ে একটি বা দুটিতেই সীমাবদ্ধ রাখলে সুখী সংসার হবে। সেই তাজো পরিবার কর্মসূচিকে আটকানোর বহু চেষ্টা হয়। বহু অত্যাচার হয় এঁদের উপর। কিন্তু পিছু না হটে এই গ্রাম্য মহিলারা শক্তি সঞ্চয় করেই চলেছেন। সরকারের দ্বারস্থ না হয়েই এঁরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে। তাঁরা দেখলেন একটি করে নতুন গ্রামে যাচ্ছেন, আর সেই গ্রামের দু তিনজন মেয়ে যোগ দিচ্ছেন এগিয়ে এসে। সম্প্রতি এঁদের একটি বৈঠকে জানতে চাওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের নানারকম সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁদের কী অভিমত? এইট পাশ কল্পনা ‘তাজো পরিবার’ কর্মসূচির প্রধান। তিনি হেসে বলেছেন, আমরা কেউ জানি না...জানার সময় নেই আসলে...এটা জানি আমাদের কাজ আমাদেরই করতে হবে।
ওড়িশার কোরাপুটের ৭১ বছর বয়সি কমলা পূজারি প্রতিদিন ভোরে উঠে স্নান করে উঠোনে পুজো সেরে আগের রাতের জলে ভেজানো ভাত খেয়ে বেরিয়ে পড়েন। এরপর হাঁটা। কমলার চোখ রাস্তায় থাকে না। থাকে রাস্তার পাশের ক্ষেতে, গ্রাম্য বাড়ির অঙ্গনে কিংবা একটুকরো রান্নাঘর সংলগ্ন বাগানে। রাসায়নিক আর পেস্টিসাইড ব্যবহার করে করে ভারতের গ্রামে গ্রামে ধান কিংবা অন্য ফসলের বহু বৈচিত্র্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কমলা পূজারির কাজ হল যখন যেখানে যে ফসল দেখলেন সেটারই বীজ জোগাড় করে নিলেন। আর সেটা জমিয়ে ফেললেন। এভাবে বীজ জমাচ্ছেন কমলা পূজারি। একটি থেকে দুটি বীজ। তিনটি থেকে কুড়িটা বীজ। কমলা পূজারির বাড়িতে হাজার হাজার বোতলে বীজ রাখা আছে। গ্রামে গ্রামে যাচ্ছেন আর বিরল প্রজাতির বীজ দিয়ে চাষিদের বলেন পেস্টিসাইড আর কেমিকেল ব্যবহার করলে সব বীজ একদিন নষ্ট হবে। শুধুই বীজ কিনতে হবে বড়লোক ব্যবসায়ী কোম্পানির থেকে। কমলা পূজারি হাঁটছেন এখনও। বীজ সংগ্রহ করতে। নেমে পড়ছেন কাদামাঠে, নেমে পড়ছেন অর্ধেক জলমগ্ন পুকুরে। কমলা পূজারি হেঁটে চলেছেন। ভারতের নিজস্ব বীজ বাঁচাতে। আজ গোটা ভারত থেকে বিদেশ থেকে বিজ্ঞানীরা আসেন কোরাপুটের গ্রামে। কমলা পূজারির কাছে বীজ দেখতে। কমলা পূজারির মাটির বাড়িতে এক অভিনব সম্ভার। ভারতের বীজব্যাঙ্ক! কমলা পূজারি কারও উপর ভরসা করে বসে নেই। তিনি নিজের কাজ নিজে করছেন।
ভারতের অর্থনীতি একটা সময় সবথেকে বেশি নির্ভরশীল ছিল কৃষির উপর। সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়ে সেই অর্থনীতি এখন নির্ভর করে ইণ্ডাস্ট্রি আর সার্ভিস সেক্টরের উপর। ভারতের জনসংখ্যার বিপুল অংশ একসময় গ্রামে থাকত। সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভারতের জনসংখ্যা ক্রমেই এখন শহরমুখী। কেন? কারণ গ্রামীণ অর্থনীতি প্রায় ধ্বংসের কিনারায় উপনীত হয়েছে। ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ফর এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট একটি সমীক্ষা করেছে। সেটির নাম অল ইন্ডিয়া রুরাল ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন।
সেই সার্ভেতে দেখা যাচ্ছে ভারতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ পরিবারের সংখ্যা ২২ কোটি। আর এই ২২ কোটি পরিবারের মধ্যে আয়ের ক্ষেত্রে কৃষির সঙ্গে সংযোগ রয়েছে এরকম পরিবার ১০ কোটি। বাকি ১২ কোটি পরিবার কৃষির সঙ্গে যুক্তই নয়। আর ওই সার্ভে অনুযায়ী গ্রামীণ পরিবারের মাসিক গড় আয় ৮০৫৯ টাকা। এর মধ্যে গড়ে ৩৫০৪ টাকাই আসে দিনমজুরি থেকে। ১৯০৬ টাকা গড় আয় হয় সরকার কিংবা বেসরকারি কোনও কাজ থেকে। আর মাত্র ১৮৩২ টাকা গড় আয় কৃষি থেকে। সুতরাং কৃষি থেকে আয় কমছে। গ্রাম থেকে মানুষ চলে যাচ্ছে সেমি আরবান শহরে। ভারতের গ্রামীণ চরিত্র বদলে যাচ্ছে। আর এই কারণেই আমাদের সরকার বেসিক বিষয়গুলি নিয়ে আর ভাবিত নয়। কৃষি উন্নয়নের একটা প্লাস্টিক প্লাস্টিক উন্নয়নের ভাবমূর্তি প্রকাশ করা হয় সাবসিডি বা সহায়ক মূল্য দিয়ে। যা সমস্যার সমাধান নয়। কারণ ভারতের কৃষিকে আসলে কিনে নিচ্ছে তাবৎ কর্পোরেট। ভারতজুড়ে ক্যাশ ক্রপ আর কর্পোরেট ফার্মিং চলছে। জলের সাপ্লাই কিনে নিয়েছে কর্পোরেট। নদী, পাহাড়, অরণ্যের অধিকার চলে যাচ্ছে মাল্টিন্যাশনালের কাছে। তামিলনাড়ুর থুটুকোড়ি জেলায় একটি বিখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল সংস্থার ইউনিটের বিষবর্জ্য গোটা জেলার বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে সমস্ত ভূগর্ভস্থ জল ও মাটির উর্বরতা দূষিত করে দিয়েছিল। গ্রামবাসীদের বিশুদ্ধ পানীয় জল আনতে যেতে হয় ৫ কিলোমিটার দূরে। কিন্তু আবার নতুন করে কপার ইউনিট করার অনুমতিও পেয়েছে সেই সংস্থা। প্রতিবাদে ২০ হাজার গ্রামবাসী দিনের পর দিন অবস্থানে বসেছিল জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে। আবেদন ছিল ওই কপার কারখানা যেন না হয়। তাহলে চাষবাস বন্ধ হয়ে যাবে। পরিবর্তে গুলি চালায় পুলিস। ১৪ জন মারা যান।
সেই সংস্থাটি কত দামে জল পেয়েছে? ১০ টাকায় ১ হাজার লিটার। গ্রামবাসীকে কত দামে জল কিনতে হয়েছে? ১০ টাকার ২৫ লিটার। গ্রামবাসীরা ফেসবুকে প্রতিবাদ করেননি। রাস্তায় নেমেছেন, গুলি খেয়েছেন। আমরা কি একদিনও আলোচনা করেছি? এই মুহূর্তে ১৬টি রাজ্যের ১০ লক্ষ আদিবাসী যে আন্দোলনটি করছে নিজেদের ভিটেমাটি ও জঙ্গল বাঁচাতে আমরা কি আদৌ সেটা নিয়ে চিন্তিত? কেউ জানি না কোথায় কী কর্মসূচি চলছে কোল ভিল গোন্দ আদিবাসীদের? আমরা নিজেদের চারপাশে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করি না। ক্ষুদ্র গণ্ডিতে কোনও সমস্যা সমাধানে নিজেরা একটা কিছু করার শপথ নিয়ে অগ্রসরও হই না।
আমরা অনেক দূরের কাশ্মীর, অযোধ্যা, বালাকোট নিয়ে ভয়ানক উদ্বিগ্ন। কিন্তু কেন? রাষ্ট্রশক্তি ওটাই চায়। নিজেদের দৈনন্দিন সমস্যা ভুলে দূরের আলোছায়া মেশা ঘটনা নিয়ে যাতে জনগণ মেতে থাকে। রবীন্দ্রনাথ পল্লীপ্রকৃতি গ্রন্থে লিখেছিলেন, ‘‘বিধাতা তো তেত্রিশ কোটির ভার আমাদের হাতে দেননি? তিনি শুধু একটি প্রশ্ন করেন, ‘তুমি কী করছ?’ যে কার্যক্ষেত্র তোমার, সেখানে তুমি নিজেকে সত্য করেছো কিনা?’’ রাজস্থানের কল্পনা, কোরাপুটের কমলা পূজারিরা সেটাই করছেন। আমরা নয়!
23rd  August, 2019
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে বিস্ময়করভাবে ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি ঋদ্ধিমান সাহার। বাংলার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানটির বাদ পড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ...

বাংলা নিউজ এজেন্সি: শুক্রবার বীরভূম জেলাজুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। শান্তিনিকেতনের অনুষ্ঠানে বিশ্বভারতীর উপাচার্ষ বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে।  ...

ওয়াশিংটন, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘খারাপ আচরণে’র পর এবার ‘জোর আঘাত’ মন্তব্য। ভারতে পা দেওয়ার আগে বাণিজ্য ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ বজায় রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...

জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট বাঁধলেও দুর্বল সংগঠনের জেরে প্রার্থী মেলাই দায়। আসন্ন পুরভোটের মুখেও সাংগঠনিক সঙ্কটের গ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি কংগ্রেস ও বাম শিবির। জোট অথবা একক লড়াই, বিশেষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না দুই তরফের নেতারাই।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল হবে।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দ্দশী ৩২/১৮ রাত্রি ৭/৩। শ্রবণা ১২/৫৮ দিবা ১১/১৯। সূ উ ৬/৮/৯, অ ৫/৩২/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, চতুর্দ্দশী ৩১/৮/৪২ রাত্রি ৬/৩৮/৫১। শ্রবণা ১৩/৩/৪১ দিবা ১১/২৪/৫০। সূ উ ৬/১১/২২, অ ৫/৩১/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১২ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬/২২ মধ্যে ও ৪/৬/২৪ গতে ৫/৩১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৬/২৩ গতে ৬/১০/৩৪ মধ্যে। 
২৭ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়ির বালাসন এলাকায় চিতা বাঘের আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা 

02:10:59 PM

কোচবিহারে পথ দুর্ঘটনায় জখম ১০ 
কোচবিহারের বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ি ফেরার ...বিশদ

01:48:00 PM

জয়নগরে স্কুলের গেটে ট্রাকের ধাক্কায় জখম প্রহরী 

01:02:00 PM

বারুইপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 
বারুইপুরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী কিশোরী। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:01:00 PM

কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

12:57:00 PM

উলুবেড়িয়ায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টাল গ্যাস ট্যাঙ্কার, ব্যাহত যান চলাচল 

12:39:00 PM