Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস কলাম থেকেই
খবরের কেন্দ্রে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাড়ি
মৃণালকান্তি দাস

১৮৯৬ সাল। উইলিয়াম ‘ফ্যাটি’ প্রাইস ওয়াশিংটন ইভিনিং স্টার পত্রিকায় কাজ করার একটা সুযোগ খুঁজছিলেন। পত্রিকার সিটি এডিটর হ্যারি গডউইন প্রাইসকে স্থায়ী চাকরি দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে পাঠালেন একটি সংবাদ তৈরি করার জন্য। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড। হোয়াইট হাউসের কঠোর নিরাপত্তা পেরিয়ে প্রেসিডেন্টের নাগাল পাওয়া তো অসম্ভব। আর প্রেসিডেন্টের হাঁড়ির খবর জানা চাট্টিখানি কথা নয়। এর আগে প্রাইস সাউথ ক্যারোলিনার একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় সম্পাদকের কাজ করার সময় খবর তৈরি করার জন্য প্রায়ই শহরের ভিতরে চলা দু’টি ট্রেনের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতেন, তাঁদের সাক্ষাৎকার নিতেন। প্রাইস ঠিক করলেন একই কৌশল তিনি হোয়াইট হাউসেও অবলম্বন করবেন। বিশাল ভুঁড়ি নিয়ে প্রাইস তখন হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্টের দর্শনার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে, নিয়মিত প্রশ্ন করতে শুরু করলেন। ফলে অল্পদিনেই তিনি যথেষ্ট তথ্য সংগ্রহ করে ফেললেন এবং চাকরিটাও জুটে গেল। হোয়াইট হাউস থেকে যেসব তথ্য তিনি সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন, সেসব তথ্য সহযোগে তিনি ‘অ্যাট দ্য হোয়াইট হাউস’ শিরোনামে একটা কলাম লেখা শুরু করলেন। ব্যাস, ঘটনাটি খুব শীঘ্রই অন্য সংবাদসংস্থাগুলোর নজরে এসে গেল। আর দ্রুতই হোয়াইট হাউস হয়ে উঠল একটি নিউজ বিট।
কিন্তু একেবারে শুরু থেকেই হোয়াইট হাউসের অফিসঘর গুলোতে ঢুকতে পারেননি সাংবাদিকরা। তাঁরা মূলত হোয়াইট হাউসের ভিতরে ইতস্তত ঘোরাফেরা করে সংবাদ সংগ্রহ করতেন। রুজভেল্টের সময়, ১৯০০ সালের দিকে সাংবাদিকরা প্রথম প্রেসিডেন্টের বাসভবনে প্রবেশ করে সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ পান। অনেকেই বলেন, প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট একদিন খেয়াল করেন সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে বৃষ্টিতে ভিজে নিউজের সোর্স খুঁজছেন। তারপরই রুজভেল্ট সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসের ভিতর অফিস তৈরি করার অনুমতি দেন। ওই সময় সাংবাদিকদের মাত্র একটি টেবিলের সামনে বসে কাজ করতে হতো, তাদের আলাদা কোনও অফিস বা ঘর ছিল না। প্রেসিডেন্টের সেক্রেটারির অফিসের বাইরে টেবিলটা বসানো ছিল। সেক্রেটারি নিয়মিত রিপোর্টারদের ব্রিফ করতেন। পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের নিজস্ব সংবাদ ঘর বরাদ্দ করা হয় হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ে। যা এখনও পর্যন্ত ‘হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’-এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে কাজকর্ম পরিচালনা করছে।
মূলত তিনটি কারণে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকরা স্থায়ীভাবে খবর সংগ্রহের কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন। হোয়াইট হাউসে যখন সাংবাদিকরা প্রথম প্রবেশ করার সুযোগ পেলেন, তখন থেকেই খবরের আশায় সবসময় সাংবাদিকদের ভিড় লেগেই থাকত সেখানে। তাঁরা নিয়মিত বিভিন্ন ইভেন্টের খবর পরিবেশন করতেন। এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে সাংবাদিকরা নিয়ম করে উপস্থিত থাকতেন। ফলে, হোয়াইট হাউসের কর্তারা তাঁদের চারপাশে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অভ্যস্ত হয়ে যান। ধীরে ধীরে সাংবাদিকতার দুনিয়া প্রশস্ত হয়। সংবাদের বাণিজ্যিকীকরণ শুরু হয়। হোয়াইট হাউস নিয়ে পাঠকদের আগ্রহ দিনে দিনে বৃদ্ধি পায়। তাঁদের সেই চাহিদা মেটাতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের স্থায়িত্বকরণের দিকটিও অপরিহার্য হয়ে পড়ে। মার্কিন জনগণ তাঁদের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ও তার প্রয়োগের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন হয়ে ওঠেন। ফলে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাঁরা থাকেন, তাঁদের কাছে জনগণের প্রতিনিধিত্বের দায়িত্বটা সাংবাদিকদের কাঁধে এসে পড়ে।
‘হোয়াইট হাউস প্রেস কোর’ হচ্ছে প্রায় ২৫০ জন সাংবাদিকের একটি দল, যাঁদের মূল কাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর আমলাদের কর্মকাণ্ড ও নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো। এই দলে পত্রিকা, ইলেকট্রনিক, রেডিও ও টেলিভিশনের সাংবাদিকদের পাশাপাশি রয়েছেন বিভিন্ন সংবাদসংস্থার নিয়োজিত ফটোগ্রাফার ও ভিডিওগ্রাফার। এই সাংবাদিকরা হোয়াইট হাউসের ভিতরের খবর যেমন সংগ্রহ ও সরবরাহ করেন, তেমনই আবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সব জায়গায় সফর করেন। আর প্রেসিডেন্টের হাঁড়ির খবর জানা ও জানানোর জন্যই গুচ্ছের পয়সা খরচ করে এসব সাংবাদিকদের নিয়োগ করে মিডিয়া হাউসগুলো। সাংবাদিকরা যে অঞ্চলে কাজ করেন বা যে বিষয় নিয়ে কাজ করেন, তাকে তাঁর বিট বলা হয়। যাঁরা রাজনৈতিক খবরাখবর সরবরাহ করেন, তাঁদের বিটকে বলা হয় পলিটিক্যাল বিট। হোয়াইট হাউসের সাংবাদিক প্রতিনিধিরাও পলিটিক্যাল বিট রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন, তবে বাকি সব পলিটিক্যাল রিপোর্টারের চেয়ে তাঁদের স্থান যথেষ্ট উচ্চমার্গীয়। কারণ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশের পরিচালনা কেন্দ্র ও তার পরিচালকদের পাশে থেকে কাজ করা মোটেই কোনও ছোটখাট ব্যাপার নয়। হোয়াইট হাউসের সাংবাদিকরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তাঁর প্রশাসনের খুব কাছে থাকার সুযোগ পান। হোয়াইট হাউসে কাজ করা নিয়ে একবার একজন সাংবাদিক মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমরা এমন একটা শহরে কাজ করি, যেখানে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে পারাটাই সবকিছু। হোয়াইট হাউসে কাজ করার জন্য অনেক সাংবাদিক ফুটবল মাঠের সমান আকৃতির ব্যক্তিগত অফিস ছেড়ে দিয়ে ওয়েস্ট উইংয়ে একটা ভাগ করা ছোট ঘরে কাজ করতেও দ্বিধা করেন না।’
হোয়াইট হাউসের বর্তমান সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্টের যতটা কাছে ঘেঁষতে পারেন, শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৯০০ সালের দিকে তার চেয়েও বেশি কাছাকাছি যেতে পারতেন। ওইসময় এমনও হতো যে সাংবাদিকরা প্রেসিডেন্টের অফিস রুমে গিয়ে তাঁর টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে প্রেসিডেন্টকে নিরবচ্ছিন্ন প্রশ্নবাণে জর্জরিত করতেন। এই ধরনের সাক্ষাৎকারে কোনও পরিকল্পনা বা স্ক্রিপ্ট থাকত না। ফলে অনেকসময় দেখা যেত একেবারে ভিতরের খবরও বের করে ফেলেছেন সাংবাদিকেরা। এই সাংবাদিকরাই ইতিহাসের একটি অংশ লিপিবদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসন ও সাংবাদিক, দু’পক্ষের সম্পর্ক বেশ করুণ। এখন আর সাংবাদিকেরা প্রেসিডেন্টকে কড়া প্রশ্ন করতে পারেন না। আর প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারির পক্ষ থেকেও খুব কম তথ্য পান তাঁরা। সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের সরাসরি সম্পর্ক অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রিত। বর্ষীয়ান সাংবাদিক সাইমুর হার্শ হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি এর আগে কখনও হোয়াইট হাউস প্রেস কোরকে এত দুর্বল অবস্থায় দেখিনি। অনেক সময় মনে হয়, খবর সংগ্রহের চেয়ে সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউস ডিনারের প্রতি আগ্রহ বেশি।’
নিক্সন, বুশ, ওবামা থেকে শুরু করে হালের ট্রাম্প, প্রত্যেকেই সাংবাদিকদের তথ্য অধিকারের ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করেছেন। নিক্সন সাংবাদিকের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, কারণ তাঁরা প্রেসিডেন্টকে নিয়ে বেশ কড়া নিউজ করেছিলেন। বুশ তাঁর বিশেষ ক্ষমতাবলে সাংবাদিকদের তথ্যাধিকার হরণ করেছিলেন। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তো চেয়ারে বসার পর রিপোর্টারদের প্রেস রুম থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছিলেন। ট্রাম্পের কাছে সাংবাদিকরা পৃথিবীর ‘অসৎ মানুষ’ বলে বিবেচিত। ট্রাম্প প্রশাসন মিডিয়াকে অঘোষিত বিরোধী দল হিসেবে বিবেচনা করে। তবে এখনও পর্যন্ত মিডিয়াকে হোয়াইট হাউস থেকে বের করে দেওয়ার ধৃষ্টতা কোনও প্রেসিডেন্টই দেখাননি।
23rd  August, 2019
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে বিস্ময়করভাবে ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি ঋদ্ধিমান সাহার। বাংলার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানটির বাদ পড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ...

নাগপুর, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর শাখা গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করল। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ভীম আর্মি রেশিমবাগ ময়দানে শর্তসাপেক্ষে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করতে পারবে বলে জানিয়ে দিল কোর্ট। সুনীল শুক্রে এবং মাধব জমদার দ্বারা গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহ থেকেই ফের টানেল কাটার কাজ শুরু করবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ। দ্বিতীয় বোরিং মেশিন দিয়ে সামগ্রিকভাবে বাকি থাকা টানেল কাটার কাজ আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা।  ...

ওয়াশিংটন, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘খারাপ আচরণে’র পর এবার ‘জোর আঘাত’ মন্তব্য। ভারতে পা দেওয়ার আগে বাণিজ্য ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ বজায় রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল হবে।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দ্দশী ৩২/১৮ রাত্রি ৭/৩। শ্রবণা ১২/৫৮ দিবা ১১/১৯। সূ উ ৬/৮/৯, অ ৫/৩২/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, চতুর্দ্দশী ৩১/৮/৪২ রাত্রি ৬/৩৮/৫১। শ্রবণা ১৩/৩/৪১ দিবা ১১/২৪/৫০। সূ উ ৬/১১/২২, অ ৫/৩১/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১২ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬/২২ মধ্যে ও ৪/৬/২৪ গতে ৫/৩১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৬/২৩ গতে ৬/১০/৩৪ মধ্যে। 
২৭ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়ির বালাসন এলাকায় চিতা বাঘের আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা 

02:10:59 PM

কোচবিহারে পথ দুর্ঘটনায় জখম ১০ 
কোচবিহারের বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ি ফেরার ...বিশদ

01:48:00 PM

জয়নগরে স্কুলের গেটে ট্রাকের ধাক্কায় জখম প্রহরী 

01:02:00 PM

বারুইপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 
বারুইপুরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী কিশোরী। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:01:00 PM

কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

12:57:00 PM

উলুবেড়িয়ায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টাল গ্যাস ট্যাঙ্কার, ব্যাহত যান চলাচল 

12:39:00 PM