Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জম্মু-কাশ্মীর: উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত
রবিশঙ্কর প্রসাদ
 

জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের কল্যাণে সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে, ৭০ বছরের পুরনো একটা সমস্যার নতুন সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ৭০ দিনেরও কম সময়ে সমাধান হল। এই কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাহস ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ইচ্ছাশক্তিকে প্রশংসা করা উচিত।
ভারতের সংবিধানে একটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে ৩৭০ ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। ৩৭০ ধারার মতো কোনও সাময়িক ব্যবস্থা ছাড়াই ৫৬০টির বেশি রাজন্যশাসিত রাজ্য ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। রাজন্যশাসিত এইসব রাজ্যে বিভিন্ন ঐতিহ্যশালী সম্প্রদায় বাস করত। কিন্তু ৩৭০ ধারার মতন কোনও বিশেষ ব্যবস্থা আমাদের সংবিধানপ্রণেতারা তাদের জন্য করেননি। কারণ, আমাদের সংবিধানপ্রণেতারা ছিলেন জ্ঞানী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। এখানে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। তা হল জম্মু-কাশ্মীর ছাড়া বাকি ৫৬০টির বেশি রাজন্যশাসিত রাজ্যের ভারতভুক্তির কাজটি করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। আর ওই রাজ্যগুলি আজ ভারতের অংশ বলে গর্বিত। জম্মু-কাশ্মীরের ভারতভুক্তির বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছিলেন জওহরলাল নেহরু। সর্দার প্যাটেল সেই সময় ছিলেন উপপ্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই রাজন্যশাসিত রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির বিষয়টি নিয়ে কাজ করছিলেন। ফলে, নেহরুর এই ভূমিকায় তিনি বিব্রতই হয়েছিলেন।
জম্মু-কাশ্মীরের সমস্যাটি ৭০ বছরের বেশি থেকে গেল। এই সমস্যায় ৪২হাজার মানুষের প্রাণ গেল। বন্দুকের নলের মুখে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উদ্বাস্তু হতে হল। তথাকথিত ওই বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত-বিরোধী শক্তিগুলি উৎসাহ পেল। কেন্দ্রের কংগ্রেস সরকার ১১ বছর শেখ আবদুল্লাকে কারাবন্দি করে রেখেছিল। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত উপত্যকায় বছরে গড়ে ২০০ দিন কারফিউ থাকত। অতীত বিচার করলে নেহরুজির মানসিক যোগের ফলশ্রুতিতে জম্মু-কাশ্মীরের বিষয়ে বিষণ্ণ এই চিত্রই ফুটে ওঠে।
স্বাধীনতার ৭৩ বছর পরে আমরা অবশ্যই সবথেকে যুক্তিসঙ্গত প্রশ্নটি করব, তা হল এই ৩৭০ ধারায় কারা লাভবান হলেন? জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ তো নিশ্চিতভাবেই হননি। পাহাড়ি, শিয়া সম্প্রদায়, গুজ্জর, বাক্কারওয়ালস, গাড্ডি, অন্যান্য তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্তরা এবং লাদাখ ও কার্গিলের অধিবাসীরা এই ধারার থেকে কোনোভাবেই উপকৃত হননি।
সরকারের ভ্রান্ত সিদ্ধান্তের জন্য জম্মু-কাশ্মীরের জনগণ সমস্যার মধ্যে ছিলেন। নতুন দিল্লি ভাবত, যদি জম্মু-কাশ্মীরের কয়েকটি পরিবারকে তুষ্ট রাখা যায় তাহলে ওই পরিবারগুলি রাজ্যের সব সমস্যা দূর করে ফেলবে। এই কয়েকটি পরিবার ৩৭০ ধারা ব্যবহার করে তাঁদের কুক্ষিগত ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার চেষ্টা করেছে, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে। আর যখনই দায়বদ্ধতার প্রশ্ন উঠেছে, তখনই তাঁরা ৩৭০ ধারার আশ্রয় নিয়েছেন। আমলা এবং রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির আশ্রয় নিলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবার জন্য দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন রয়েছে। অথচ ওই আইন জম্মু-কাশ্মীরের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। যেমন ছিল না শিক্ষার অধিকার আইন, বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ আইন, তথ্যের সুরক্ষা আইন, হাত দিয়ে ময়লা সাফাই প্রতিরোধ আইন। এগুলির আজ কীভাবে বিচার করা হবে? রাজ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্যও ৩৭০ ধারা একটি বাধা ছিল। মানুষের
এখনও মনে আছে, দীর্ঘ সময় পরে অটল বিহারী বাজপেয়ি প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় সেখানে একটি সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছিল।
যাঁরা আজ ৩৭০ ধারার বিপক্ষে কথা বলছেন, আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা, সেনা আধিকারিক উম্মের ফয়াজ, রাইফেলম্যান ঔরঙ্গজেবের মতন বহু সাহসী কাশ্মীরি মুসলমানকে যখন নৃশংসভাবে জঙ্গিরা হত্যা করেছিল, সেইসময় নীরব ছিলেন।
৩৭০ ধারার অপব্যবহার করে রাজ্যের প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদের থেকে কীভাবে কয়েকটি পরিবার লাভবান হতো, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায় জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগমোহনের লেখা বই ‘মাই ফ্রোজেন টারবুলেন্স’ থেকে। ওই সম্পদের অপব্যবহারের ফলে রাজ্যের রাজস্বের ক্ষতি হয়েছে। ওই অর্থ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেত।
আমাদের ভুলে গেলে চলবে না জম্মু-কাশ্মীরের আইন পরিষদ ১৯৫৬ সালে রাজ্যের জন্য সংবিধান প্রণয়ন করেছিল। সেখানে তৃতীয় অনুচ্ছেদের দ্বিতীয় ধারায় লেখা ছিল “জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য এখন এবং ভবিষ্যতেও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।“ ১৪৭ নম্বর অনুচ্ছেদের তৃতীয় ধারায় উল্লেখ ছিল ওই (জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য এখন এবং ভবিষ্যতেও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ) ধারাটির পরিবর্তনে কোনও আইন বা সংশোধনী রাজ্য বিধানসভার কোনও কক্ষে আনা যাবে না। যখন জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের আইন পরিষদ একটি সংবিধান প্রণয়ন করে, যেখানে স্পষ্ট উল্লেখ আছে—যে-কোনও অবস্থাতেই জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য এখন এবং ভবিষ্যতেও ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ—এই ব্যবস্থার কোনও পরিবর্তন ঘটানো যাবে না, তখন তো ৩৭০ ধারারই আর প্রাসঙ্গিকতা থাকে না।
৩৭০ ধারা ছিল পুরোপুরি একটি সাময়িক বন্দোবস্ত। প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবেই পর্যবেক্ষণ করেছেন যে যাঁরা এটিকে সমর্থন করেন, তাঁদের এটিকে স্থায়ী করার সাহসও ছিল না। এটা খুবই জরুরি যে, যখন আইন পরিষদ সংবিধানকে কার্যকর করেছিল, সেই সংবিধান অনুযায়ী ১৪৭ ধারার সংশোধনের কাজ করতে পারে রাজ্য বিধানসভা। এই প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির বিজ্ঞপ্তি মোতাবেক ৩৭০-এর (৩) ধারা অনুযায়ী আইন পরিষদ বিবেচিত হবে রাজ্য বিধানসভা হিসেবে। যেহেতু রাজ্যে এখন রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে, তাই ভারতের সংবিধানের ৩৫৬-র ১-এর বি উপধারা অনুসারে সংসদেরই সংবিধানসম্মতভাবে সেই সংশোধনের ক্ষমতা রয়েছে।
সংসদে উভয় কক্ষে বিতর্কের সময় জম্মু-কাশ্মীরের সব অঞ্চলের বক্তব্য শোনা গিয়েছিল। এই প্রসঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে, বিজেপি ভারতের জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হবে। আর বিজেপি বিপুলভাবে মানুষের সমর্থন পেয়েছে। আলোচনার সময় অনেকে বলেছেন, উত্তর পূর্বাঞ্চল ও উপজাতি এলাকার জন্য ৩৭০-এর মতো যে ধারাগুলি রয়েছে সেগুলিও বাতিল করা উচিত। কিন্তু, এই যুক্তি এখানে প্রযোজ্য নয়। ৩৭১ ধারার এ থেকে জে পর্যন্ত উপধারাগুলি সংবিধান অনুযায়ী বিশেষ সংস্থান। এগুলি সাময়িক বন্দোবস্ত নয়। তাই সেগুলি থাকবে। নতুন নতুন রাজ্য গঠনের সময় নির্দিষ্ট অঞ্চল বা নির্দিষ্ট জনজাতির উন্নয়নের জন্য এই বিশেষ সংস্থানগুলি করা হয়েছিল। এগুলি স্থায়ীভাবে করা হয়েছে।
কাশ্মীর উপত্যকার অনেক মুসলমান তরুণী যখন রাজ্যের বাইরের কাউকে বিয়ে করেছেন, তখন তাঁরা তাঁদের সব অধিকার হারিয়েছেন। সম্প্রতি আমার সঙ্গে সর্বভারতীয় কৃত্যকে কর্মরত এক তরুণী আধিকারিকের দেখা হয়েছিল। তিনি জম্মুর মেয়ে এবং হিন্দু। তিনি জানান, অন্য রাজ্যের বাসিন্দা এক সরকারি আধিকারিককে বিয়ে করায় তিনি জম্মু-কাশ্মীরের সব অধিকার হারিয়েছেন। অশ্রুসিক্ত অবস্থায় সেই আধিকারিক নরেন্দ্র মোদির প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, ৩৭০ ধারা বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রতি সুবিচার করেছেন।
সরকারের উন্নয়নমুখী উদ্যোগের ফলে আজ শ্রীনগর, সোপোর, বাদ্গাম, ভারেরওয়া এবং জম্মুতে বিপিও সংস্থাগুলি দপ্তর খুলেছে। রাজ্যজুড়ে ৩১৫৮টি ‘কমন সার্ভিস সেন্টার’ কাজ করছে। এর ফলে নাগরিকরা সেখান থেকে নানা ডিজিটাল পরিষেবা পাচ্ছেন। যখনই আমার তাঁদের সঙ্গে দেখা হয়, আমি তাঁদের চোখে আশার আলো দেখি। এইসব যুবক-যুবতী জানিয়েছেন, আরও সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তাঁদের আরও সুযোগ-সুবিধা পাওয়া উচিত।
নিশ্চিতভাবেই জম্মু-কাশ্মীরের জন্য উন্নয়ন ও অন্তর্ভুক্তির নতুন প্রভাত সূচিত হয়েছে। এর ফলে যাঁরা অবহেলিত ও বঞ্চিত হয়েছিলেন, তাঁরা এখন নানা সুযোগ-সুবিধে পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই জঙ্গিবাদ ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদতদাতারা এতে অখুশি, কিন্তু এই ভারতে তাঁদের কোনও ঠাঁই হবে না।
 লেখক ভারতের আইন ও বিচার, যোগাযোগ এবং বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী 
20th  August, 2019
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
বাংলা নিউজ এজেন্সি: শুক্রবার বীরভূম জেলাজুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়। শান্তিনিকেতনের অনুষ্ঠানে বিশ্বভারতীর উপাচার্ষ বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে।  ...

জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট বাঁধলেও দুর্বল সংগঠনের জেরে প্রার্থী মেলাই দায়। আসন্ন পুরভোটের মুখেও সাংগঠনিক সঙ্কটের গ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি কংগ্রেস ও বাম শিবির। জোট অথবা একক লড়াই, বিশেষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না দুই তরফের নেতারাই।  ...

নাগপুর, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর শাখা গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করল। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ভীম আর্মি রেশিমবাগ ময়দানে শর্তসাপেক্ষে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করতে পারবে বলে জানিয়ে দিল কোর্ট। সুনীল শুক্রে এবং মাধব জমদার দ্বারা গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই ...

ওয়াশিংটন, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘খারাপ আচরণে’র পর এবার ‘জোর আঘাত’ মন্তব্য। ভারতে পা দেওয়ার আগে বাণিজ্য ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ বজায় রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল হবে।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দ্দশী ৩২/১৮ রাত্রি ৭/৩। শ্রবণা ১২/৫৮ দিবা ১১/১৯। সূ উ ৬/৮/৯, অ ৫/৩২/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, চতুর্দ্দশী ৩১/৮/৪২ রাত্রি ৬/৩৮/৫১। শ্রবণা ১৩/৩/৪১ দিবা ১১/২৪/৫০। সূ উ ৬/১১/২২, অ ৫/৩১/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১২ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬/২২ মধ্যে ও ৪/৬/২৪ গতে ৫/৩১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৬/২৩ গতে ৬/১০/৩৪ মধ্যে। 
২৭ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ময়নাগুড়ির বালাসন এলাকায় চিতা বাঘের আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে বনদপ্তরের কর্মীরা 

02:10:59 PM

কোচবিহারে পথ দুর্ঘটনায় জখম ১০ 
কোচবিহারের বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিবের মাথায় জল ঢেলে বাড়ি ফেরার ...বিশদ

01:48:00 PM

জয়নগরে স্কুলের গেটে ট্রাকের ধাক্কায় জখম প্রহরী 

01:02:00 PM

বারুইপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 
বারুইপুরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী কিশোরী। গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটে ...বিশদ

01:01:00 PM

কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

12:57:00 PM

উলুবেড়িয়ায় ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে উল্টাল গ্যাস ট্যাঙ্কার, ব্যাহত যান চলাচল 

12:39:00 PM