Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নিস্তেজ অর্থনীতির সত্যটা সরকার ভুলে যাচ্ছে 
পি চিদম্বরম

রাষ্ট্রপতি ভবন হল সরকারের ক্ষমতার আসনের প্রতীক। এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে সংসদ ভবন, প্রধানমন্ত্রীর অফিস (পিএমও), নর্থ ব্লক ও সাউথ ব্লক—মানে স্বরাষ্ট্র, অর্থ, প্রতিরক্ষা ও বিদেশ-এর মতো উচ্চ মন্ত্রকগুলি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনটিও এক কিলো মিটার ব্যাসার্ধের ভিতর; তেমনি
রয়েছে উপরাষ্ট্রপতি, লোকসভার অধ্যক্ষ, প্রতিরক্ষার তিন বিভাগীয় প্রধান এবং বেশিরভাগ সংসদ সদস্যের ভবনগুলি।
বহু কথাবার্তা
এই ক্ষমতার বৃত্তে কথাবার্তা বলতে এখন কী? কথাবার্তার বিষয়গুলো হল: জম্মু ও কাশ্মীরের অঙ্গচ্ছেদ, সংসদের উভয় কক্ষে বিতর্কিত বিলগুলির জায়গা করে দেওয়া, আঞ্চলিক শাসক দলগুলির আত্মসমর্পণ, নরেন্দ্র মোদির আধিপত্য, কংগ্রেস দলের নেতৃত্বের সমস্যার কষ্টসাধ্য সমাধান, এবং সুষমা স্বরাজের দুঃখজনক বিদায়। সোজা কথায়, অর্থনীতি বাদে সবকিছুরই চর্চা জারি আছে।
এই ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে মোটামুটি ৫০ কিলোমিটার পেরিয়ে যেদিকেই যাওয়া যাক, প্রতিটি গ্রামে এবং নগরের দরিদ্র জনপদগুলিতে আলোচনাটা একেবারে অন্য। তাদের কথাবার্তার সারাৎসার হল অর্থনীতি—সকলের প্রকৃত মজুরি বা প্রকৃত আয়পত্তর কমে যাচ্ছে অথবা থমকে গিয়েছে। তাদের আলোচনায় উঠে আসছে কর্মীসঙ্কোচন আর ছাঁটাইয়ের কথা। বৃথা কাজের সন্ধানের আক্ষেপ শোনা যাচ্ছে। বন্যা অথবা খরায় বিপর্যয় এবং মৃত্যু প্রসঙ্গ নিয়ে চর্চা কানে আসছে। আলোচনা চলছে জল ও বিদ্যুতের সঙ্কট কতটা বিপন্ন করে তুলছে তাদের। বৈষম্যে-নির্দয় পৃথিবীতে বেঁচেবর্তে থাকার সংগ্রামের কথাই তারা বলে চলেছে।
প্রায় সাড়ে এগারোশো কিলো মিটার দূরে মুম্বই।
এই মহানগরীতেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, সেবি, স্টক এক্সচেঞ্জ এবং বহু প্রথম সারির কোম্পানি ও ব্যাঙ্কের কর্পোরেট হেড কোয়ার্টার্স। তাই এখানে একমাত্র চর্চার বিষয়টি
হল অর্থ অথবা অর্থসঙ্কট। আলোচনা চলছে বিএসই এবং এনএসই সূচকের ভয়ঙ্কর ধস, ভারতীয় মুদ্রামানের অবনমন, লগ্নিকারীদের বন্ডের উপর প্রদেয় অর্থের ভাগ বেড়ে চলা, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কগুলির বিপুল লোকসান, অনমনীয় কর ব্যবস্থা (এবং সেটার কঠোর প্রয়োগ নীতি), ফরেন পোর্টফোলিও ইনভেস্টমেন্ট (এফপিআই) সরে যাওয়া এবং ক্যাফে কফি
ডে-র প্রমোটার ভি জি সিদ্ধার্থের আত্মহত্যা নিয়ে।
বেপরোয়া সরকার
আমার মতে, একটা সরকার যদি যত্নশীল হয় তবে শ্রমজীবী এবং গরিব মানুষের কথাবার্তাগুলোকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে সে। শ্রমজীবী মানুষজন অন্যসকল উদ্বেগের বিষয়ের শরিক হতে পারে, এমনকী ভোটও দিতে পারে পপুলার পারসেপশনের উপর ভিত্তি করে, কিন্তু তাদের চাওয়া-পাওয়ার বিষয় একটাই—অর্থনীতি। দুর্ভাগ্যের হল, এই সরকারের কাছে অর্থনীতিটা মনে হয় সবচেয়ে কম ভাবনাচিন্তার বিষয়, ‘অপারেশন জম্মু ও কাশ্মীর’-এর পর বিজয়প্রদর্শনের আদিখ্যেতা এই সরকার আড়াল করতে পারবে না।
অর্থনীতির একটি স্ন্যাপশট রাখছি:
(১) জিডিপি বৃদ্ধির হারের অবনমন অব্যাহত। সারা বছরের ৬.৮ শতাংশ এবং ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষের শেষ ত্রৈমাসিকের ৫.৮ শতাংশের পর ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিক খুব একটা আশাব্যঞ্জক ঠেকছে না। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যরা পুরো ২০১৯-২০ সালের জন্য পূর্বাভাস নরম সুরে রেখে বলেছে যে জিডিপি বৃদ্ধির হারটা ৬.৯ শতাংশ হতে পারে। অএতব, যদি প্রথম ত্রৈমাসিক আর একবার ৫.৮ শতাংশ বৃদ্ধি দিতে পারে তবে আমরা ভাগ্যবান বলে মনে করব।
(২) কোর সেক্টরের বৃদ্ধি ৫০ মাসের ভিতর সবচেয়ে কম হয়েছে—০.২ শতাংশ। সমস্ত ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রে ক্যাপাসিটি ইউটিলাইজেশনের ছবিটা গড়পড়তা—৭০ শতাংশের নীচে।
(৩) এই মুহূর্তে এশিয়ার সবচেয়ে খারাপ পারফর্মিং কারেন্সির নাম রুপি বা ভারতীয় মুদ্রা। আগস্ট মাসে মার্কিন ডলারের সাপেক্ষে রুপির পতনের হার ৩.৪ শতাংশ।
(৪) গত জুন (২০১৯) ত্রৈমাসিকের শেষে নতুন প্রকল্পে (বেসরকারি এবং সরকারি উভয় ক্ষেত্র মিলিয়ে) বিনিয়োগ ঘোষণাটি ছিল গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন—৭১,৩৩৭ কোটি টাকা। ওই ত্রৈমাসিকে সম্পূর্ণ-হওয়া প্রকল্পগুলির মোট মূল্য ৫ বছরের ভিতরে সর্বনিম্ন—৬৯,৪৯৪ কোটি টাকা। রেলে পণ্যমাশুল (কয়লা, সিমেন্ট, পেট্রলিয়াম, সার, লোহা প্রভৃতি পরিবহণ) বাবদ আয় ২০১৯ সালের এপ্রিল-জুনে ২.৭ শতাংশ বেড়েছে বটে, কিন্তু পূর্ববর্তী বছরের একই সময়কালের (৬.৪ শতাংশ) থেকে তা অনেকটাই কমে গিয়েছে।
(৫) এপ্রিল-জুলাই, ২০১৯ সময়কালে রপ্তানি (পণ্য এবং পরিষেবা) ৩.১৩ শতাংশ বেড়েছে বটে, পূর্ববর্তী বছরের একই সময়কালের তুলনায় আমদানি কমেছে ০.৪৫ শতাংশ—যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মন্দা নির্দেশ করে।
(৬) কনজাম্পশন বা উপভোগ এত কম অতীতে কখনও দেখা যায়নি। ২০১৯-২০ সালের প্রথম ত্রৈমাসিকে বিক্রি হ্রাস পেয়েছিল গাড়িতে ২৩.৩ শতাংশ, মোটরবাইকে ১১.৭ শতাংশ, বাণিজ্যিক গাড়িতে ৯.৫ শতাংশ এবং ট্রাক্টরে ১৪.১ শতাংশ। পরিস্থিতি জুলাই মাসে আরও খারাপ হয়েছে। শিল্প সমিতিগুলির (সিয়াম এবং ফাডা) অভিযোগ, ২,৩০,০০০ মানুষ কাজ হারিয়েছে এবং ২৮৬টি ডিলারশিপ কমে গিয়েছে। নির্মাণ শিল্পের অবস্থাও ভয়ঙ্কর—২০১৯ সালের মার্চের শেষের খবর, ১২ লক্ষ ৮০ হাজার ফ্ল্যাট অবিক্রীত রয়ে গিয়েছে।
(৭) ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস (এফএমসিজি) উপভোগের চিত্রটাও আশাব্যঞ্জক নয়। হিন্দুস্থান লিভার, ডাবর, ব্রিটানিয়া ইন্ডাস্ট্রিজ, এশিয়ান পেইন্টস প্রভৃতি যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে বিক্রিবাটা বৃদ্ধির বহর (ভলিউম গ্রোথ রেট) পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেক হয়েছে কিংবা তার চেয়েও কমে গিয়েছে।
(৮) জুলাই মাসে পাইকারি মূল্যসূচক (ডব্লুপিআই) বেড়ে হয়েছিল ১.০৮ শতাংশ। সূচকের ভিতরে, ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রের মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে ০.৩৪ শতাংশ হয়েছিল। এসব মোটেই ভালো লক্ষণ নয়, এসব চাহিদা হ্রাসের শঙ্কা।
(৯) প্রথম ত্রৈমাসিকে (২০১৯-২০) কেন্দ্রীয় সরকারের মোট কর রাজস্ব (গ্রস ট্যাক্স রেভিনিউ) বেড়েছে মাত্র ১.৪ শতাংশ, অথচ পূর্ববর্তী বছরে একই সময়কালে এটা বেড়েছিল ২২.১ শতাংশ। এই পরিস্থিতি এটাই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে কর্পোরেট এবং ব্যক্তি রোজগেরে উভয়েরই আয় কমেছে। সুতরাং খরচাপাতিতেও টান পড়েছে তাদের।
পরিকল্পনা কোথায়?
বৃদ্ধির চার চালকের মন্ত্র-এর কাছে আমরা ফিরি: সরকারি ব্যয়, বেসরকারি বিনিয়োগ, বেসরকারি উপভোগ এবং রপ্তানি। স্পষ্টত, ইঞ্জিনগুলির একটিও চাঙ্গা হচ্ছে না এবং বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হচ্ছে না। এটা
অনেক বার বলা হয়েছে এবং মান্য অর্থনীতিবিদগণ
সহ অনেকেই বলেছেন। কিন্তু, সরকার সে-কথায় কর্ণপাত করতে কিংবা সে-কথা বুঝতে কিংবা সেইমতো পদক্ষেপ করতে ইচ্ছুক নয়। অর্থনীতি হল এমন
একটি ক্ষেত্র, যেখানে পেশিপ্রদর্শনের দেশাত্মবোধ কোনও কাজে আসবে না। পক্ষান্তরে, এটা
অর্থনীতিকে গোল্লায় পাঠানোর কাজটিই করতে পারে। 
19th  August, 2019
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ২৩ জানুয়ারি: এই প্রথম কোনও ভারতীয় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। পেশায় নার্স ওই মহিলা বর্তমানে সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তিনি কেরলের বাসিন্দা। ...

বিএনএ, আসানসোল: আসানসোল মহকুমায় ই-রিকশর জন্য এক তৃতীয়াংশ মহিলা আবেদন জানিয়েছেন। তাই এবার জেলা সদরে পরিবহণের অন্যতম মাধ্যম হতে চলা ই-রিকশর চাবিকাঠি রমণীদের হাতে যাবে কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে বিপরীত যুক্তিও রয়েছে, অনেকের দাবি, লোন পাওয়ার ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: স্টেট গেমস বক্সিংয়ে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার কলকাতায় রওনা হন আলিপুরদুয়ারের দুই বক্সার। বেঙ্গল অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের পরিচালনায় আগামী ২৫ এবং ২৬ জানুয়ারি সল্টলেকের স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার হলঘরে বক্সিং প্রতিযোগিতাটি হবে। ...

বিএনএ, তমলুক: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হলে দেশজুড়ে এত বৈষম্য আজ থাকত না। দেশের ৯৮ ভাগ পুঁজি মাত্র দু’শতাংশ মানুষের হাতে। আর মধ্যবিত্ত, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াই শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪১ টাকা ৭২.১১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৬ টাকা ৯৫.২৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৫২ টাকা ৮০.৪৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, অমাবস্যা ৫২/৪ রাত্রি ৩/১২। উত্তরাষা‌ঢ়া ৫০/৫৯ রাত্রি ২/৪৬। সূ উ ৬/২২/১৯, অ ৫/১৪/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/২০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১১/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩১ গতে ১০/১০ মধ্যে।
৯ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, অমাবস্যা ৫০/২১/৪৫ রাত্রি ২/৩৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া ৫০/২৫/০ রাত্রি ২/৩৫/৩৩। সূ উ ৬/২৫/৩৩, অ ৫/১৩/২১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ৮/৩১ গতে ১০/৪৪ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/১৭ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যেও ৩/৪৩ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৮/৩১ গতে ১১/৪৯/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩১/২৪ গতে ১০/১০/২৫ মধ্যে।
 ২৮ জমাদিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ব্লকগুলিতে মানববন্ধন কর্মসূচি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

06:32:00 PM

২২৬ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:16:17 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতল ভারত 

03:48:28 PM

বিধাননগর পুরসভায় অভিযান বিজেপির
 

ডেঙ্গু রোধে খাল পরিষ্কার, বেআইনি পার্কিং বন্ধ সহ একাধিক দাবিতে ...বিশদ

03:39:00 PM

প্রথম টি-২০: ভারত ১৫১/৪ (১৫ ওভার) 

03:31:02 PM

প্রথম টি-২০: ভারত ১৪২/৩ (১৩ ওভার)
 

03:20:26 PM