Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তখন ভোর ৪ টে। নিউ ইয়র্কের মতো পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত নগরীতে তখন অধিকাংশ মানুষ ঘুমে কাতর। কিন্তু আপনি যদি জর্ডন বেলফোর্ট নামে এক পাগলাটে শেয়ার দালালের সেক্রেটারি হয়ে থাকেন, তাহলে ঘুমের কথা বেমালুম ভুলে যান। ঠিক ৪ টে বাজতেই কর্কশ কণ্ঠে বেজে ওঠে টেলিফোন। বেচারা সেক্রেটারি ঘুম থেকে উঠে রিসিভার কানে নিয়ে বললেন, ‘হ্যালো।’ ফোনের অপরপাশ থেকে তখন বেশ হাঁপিয়ে ওঠা কণ্ঠে ‘হ্যালো’ বলে উঠলেন তাঁর বস জর্ডন বেলফোর্ট। ‘জর্ডন? এখন তো ভোর ৪ টে? কী প্রয়োজনে ফোন করেছ?’ জর্ডন কিছু সময় নিলেন নিজেকে গুছিয়ে নিতে। এরপর যা বললেন, তা শুনে তাঁর সেক্রেটারি বাদে যে কারও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত। জর্ডন তখন একটি বাণিজ্যিক সফরে অতলান্তিকের ওপারে লন্ডনে ছিলেন। লন্ডনে নিয়ে আসা কুয়েলুডস (মাদক) একদম ফুরিয়ে গিয়েছে। তাই এই মুহূর্তে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে কুয়েলুডস পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য ফোন। যেমন মালিক, তেমন তাঁর সেক্রেটারি। এই ঘটনা একদম নতুন নয় তাঁর কাছে। আধ ঘণ্টার মধ্যে জর্ডনের ব্যক্তিগত কনকর্ড বিমানে করে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন কুয়েলুডস। জর্ডনের জন্য সবই সম্ভব!
নিজেকে ওয়াল স্ট্রিটের নেকড়ে ভাবা এই শেয়ার দালাল তাঁর জীবনে আরও অদ্ভুত অদ্ভুত সব কাজ করেছেন। একবার তো তিনি নেশা করার পর এক চোখ বন্ধ রেখে হেলিকপ্টার চালিয়ে নিজের বাড়ির উঠনে অবতরণ করেছিলেন। তিনি নাকি সবকিছু ‘দ্বিগুণ’ দেখছিলেন। তাই বুদ্ধি খাটিয়ে এক চোখ দিয়েই পাইলট হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন! ফোর্বস ম্যাগাজিনের মতে, জর্ডন ছিলেন রবিন হুডের বিকৃত সংস্করণ। যিনি কি না ধনীদের থেকে অর্থ চুরি করে নিজের কোষাগারে ভরতেন। ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’ খ্যাত এই জর্ডন বেলফোর্ট ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা প্রতারক।
৯ জুলাই, ১৯৬২। নিউ ইয়র্কের কুইন্সে জন্ম। বাবা পেশায় ছিলেন একজন হিসাবরক্ষক। স্থানীয় স্কুল থেকে পাশ করে জর্ডন সিদ্ধান্ত নিলেন একজন ডেন্টিস্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবেন। এই উদ্দেশ্যে বাল্টিমোরের ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হলেন। কিন্তু কেন যেন বেশিদিন সেখানে মন বসলো না তাঁর। ডেন্টাল কলেজের পড়া শেষ না করে তিনি নতুন করে ভর্তি হলেন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখান থেকে জীববিজ্ঞান বিভাগ থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনার পালা শেষ, এবার জীবিকা অর্জনের পালা শুরু। কিন্তু জর্ডনের নিজেকে কোনও বিজ্ঞানী বা শিক্ষক হিসেবে দেখতে পছন্দ নয়। তাই ডিগ্রি সরিয়ে রেখে তিনি ব্যবসায় নামলেন। শুরুতে সামুদ্রিক খাবার নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন। জর্ডনের এই যাত্রায় প্রথম সঙ্গী হিসেবে পেলেন বন্ধু কেনি গ্রিন ওরফে ব্লকহ্যাডকে। বয়স তখন তার মাত্র ১৮। ব্যবসা করার ইচ্ছে বোধহয় জর্ডনের সহজাত গুণ। কারণ, দ্রুত তাঁর কোম্পানি লাভের মুখ দেখা শুরু করল। তবে অভিজ্ঞতা না থাকায় বেশিদিন এই লাভ ধরে রাখতে পারেননি। তাই এক বছর পরে তাঁর কোম্পানি বন্ধ করে দিতে হয়। ব্যবসায় সাময়িকভাবে ব্যর্থ হলেও থেমে যাননি জর্ডন। অনেক ভেবে চিন্তে ঠিক করলেন, খাবারের ব্যবসা আর করবেন না। এবার নতুন যাত্রা শুরু করা যাক। আর তার এই নতুন যাত্রার গন্তব্যস্থল ছিল বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। ওয়াল স্ট্রিট। ১৯৮৭ সালে জর্ডন শেয়ারের দালাল হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। কয়েকদিনের মধ্যে শেয়ার বাজারের আদ্যোপান্ত জেনে নেন জর্ডন। ওয়াল স্ট্রিটে আসার দু’বছরের মাথায় জর্ডন বেলফোর্ট নিজের উদ্যোগে একটি শেয়ার বিনিয়োগকেন্দ্র খুলে বসেন। নিজের হাতে গড়া এই ছোট কোম্পানির নাম দেন ‘স্ট্রেটন ওকমন্ট’।
নতুন কোম্পানিতে ধীরে ধীরে লোকবল নিয়োগ করতে থাকেন জর্ডন। তাঁর প্রধান সহযোগী ডেনি পরুশকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন শেয়ার বেচা-কেনার যজ্ঞ। স্ট্রেটন ওকমন্টের প্রধান লক্ষ্য ছিল ‘পাম্প অ্যান্ড ডাম্প’ পদ্ধতি অনুসরণ করে রাতারাতি অঢেল অর্থের মালিক বনে যাওয়া। এই পদ্ধতি অনুযায়ী জর্ডনরা প্রথমে ক্রেতা নির্বাচন করতেন। এমন একজনকে ক্রেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হতো, যে জর্ডনদের শেয়ারের ফাঁকি ধরতে পারবে না। এরপর শুরু হতো দালালদের কেরামতি। ক্রেতাকে নানাভাবে মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে বেশ কম মূল্যের শেয়ারকে চড়া দামে কিনতে বাধ্য করতো তারা। এভাবে কম পুঁজিতে অতি মাত্রায় লাভ করতে থাকে স্ট্রেটন ওকমন্ট। আর রাতারাতি ধনকুবের বনে যান জর্ডন বেলফোর্ট। সকলের মুখে মুখে তখন বেলফোর্টের নাম। অনেকে তাকে ‘উলফ’ হিসেবে ডাকা শুরু করল। জর্ডন বনে গেলেন ওয়াল স্ট্রিটের এক ‘উলফ’।
জর্ডন তাঁর সহকর্মীদের একটি মন্ত্র বাতলে দেন, ‘ক্রেতা শেয়ার কিনবে, না হয় মরে যাবে। কিন্তু কোনওভাবেই এর আগে ফোন কেটে দেওয়া যাবে না।’ জর্ডন একবার নিউ ইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছিলেন, ‘ধনী হওয়া খুব সহজ, যদি নিয়ম নীতি না মেনে ধনী হতে চাও।’ জর্ডন বেলফোর্ট তাঁর কোম্পানিতে এমন কাউকে নিয়োগ করতেন না, যাঁরা ইতিমধ্যে দালাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর পছন্দের প্রার্থী ছিল মাধ্যমিক স্তরের ডিপ্লোমাধারী কিংবা উৎসাহী তরুণরা, যাঁরা প্রচুর অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখতেন। স্ট্রেটন ওকমন্ট শেয়ার বাজারীদের মধ্যে একটি কাল্টে রূপান্তরিত হল। স্ট্রেটনিরা কাজ করতো মোষের মতো, আবার পার্টি করার সময় এদের উদযাপনের মাত্রা বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে যেত। অর্থ উপার্জন করলেই হয় না, এর জন্য খরচ করা জানতে হয়। এ কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন জর্ডন বেলফোর্ট। শেয়ার দালালিতে উপার্জন করা লক্ষ লক্ষ ডলার তিনি বেপরোয়াভাবে খরচ করতে থাকেন। ম্যানহ্যাটনে আকাশচুম্বী অট্টালিকা গড়লেন জর্ডন। কিন্তু তাতেও মন ভরলো না। তাই নিউ ইয়র্কের লং দ্বীপে একটি প্রকাণ্ড প্রাসাদ কিনে ফেললেন। সাগরে ভেসে আনন্দ করার জন্য কেনা হল ২৫৬ ফুট দীর্ঘ প্রমোদতরী। একটি ফেরারি টেস্টারোসা এবং হ্যাম্পটনের একটি বিলাসবহুল বাড়ি ছিল জর্ডনের অস্থায়ী খেলনার মতো। পছন্দ না হলে সোজা বদলে ফেলতেন সবকিছু। লক্ষ লক্ষ ডলারের আসবাবপত্র দিয়ে তাঁর আবাসস্থল সাজানো হয়েছিল, যা দেখলে চোখ ফেরানো যেত না।
বাড়ি, গাড়ি, প্রমোদতরী ছাড়াও জর্ডনের টাকা ওড়ানোর আরও একটি সংস্থান ছিল। আর তা হচ্ছে মাদক। মারিজুয়ানা, কোকেন, গাঁজা, কুয়েলুডস এগুলো ছিল জর্ডনের নিত্যদিনের সঙ্গী। কাজের ফাঁকে কিংবা কাজের শেষে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কিংবা একাকী রুমে মাদক নিয়ে মত্ত হতেন জর্ডন। জর্ডন আত্মজীবনীতে তাঁর অধঃপতনের জন্য মাদককে দায়ী করেছেন। প্রায়ই মাদক সেবনের পর জর্ডন গাড়ি চালাতেন, বিমানে চড়তেন। এমনকী একবার মাদকাসক্ত অবস্থায় নিজের স্ত্রী নাদিনকে লাথি পর্যন্ত মেরেছিলেন। নাদিন ছিলেন জর্ডনের দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী ডেনিসের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তিনি মডেল নাদিনকে বিয়ে করেছিলেন। জর্ডন মহিলা, মাদক, পার্টি নিয়ে মেতে থাকলেও নাদিন কিছু বলতেন না। কিন্তু জর্ডন যেদিন তাঁকে লাথি মেরেছিলেন, সেদিন তিনি জর্ডনকে ছেড়ে চলে যান। নাদিন শেষ পর্যন্ত এক উকিলকে বিয়ে করে ক্যালিফোর্নিয়া চলে যান। জর্ডনের দুই সন্তান নাদিনের সঙ্গে চলে যায়।
জর্ডন বেলফোর্টের প্রতারণার কথা মার্কিন নিরাপত্তা ও বিনিময় কমিশনের কানে পৌঁছায়। ১৯৯২ সালে তারা জর্ডনের বিরুদ্ধে গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। তখন জর্ডনের পিছনে লেগে গিয়েছে এফবিআইও। এফবিআই এজেন্ট কোলম্যান জর্ডন বেলফোর্টের প্রতিটি পদক্ষেপে নজরদারি চালাতে থাকেন। উন্মুক্ত নেকড়ে জর্ডনের আনন্দের দিন যেন শেষ হয়ে আসে। মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে জর্ডনের এক বন্ধু সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে। জর্ডন একের পর এক দুঃসংবাদে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তিনি এতটাই অস্থির হয়ে যান যে, একবার কুয়েলুডস সেবন করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফেরার পর নাদিন যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘জর্ডন, তোমার গাড়ি এরকম ভেঙে আছে কেন?’ তখন জর্ডন বুঝতে পারলেন, নেশার ঘোরে গাড়ি চালাতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন। এই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় জর্ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদালতে শুনানির পর জর্ডন বেলফোর্টকে ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বিক্রি করার উপর আজীবন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। স্ট্রেটন ওকমন্ট কোম্পানিকে বেশ বড় অঙ্কের জরিমানাও গুণতে হয়েছিল। জর্ডনের বিপদের মুখে ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যায়। আদালত কোম্পানিকে অবৈধভাবে আত্মসাৎ করা ক্রেতাদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। একের পর এক অভিযোগ প্রমাণিত হতে থাকলে, ১৯৯৯ সালে জর্ডন বেলফোর্ট আদালতে নিজেকে দোষী দাবি করেন। ২০০৩ সালে জর্ডনকে ৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জেল খাটা ছাড়াও মোট ১১০ মিলিয়ন ডলার অর্থ জরিমানা করা হয়। দীর্ঘ চার বছর জেলে থাকার শাস্তি জর্ডনের মতো বিলাসিতায় কাটানো মানুষের জন্য মারাত্মক কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এজেন্ট কোলম্যান এবং তৎকালীন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জুয়েল কোয়েন এক শর্তের বিনিময়ে নেকড়ে জর্ডনের শাস্তি কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন। সেটি হচ্ছে, জর্ডনকে এবার ওয়াল স্ট্রিটের ‘র‍্যাট’ বা ইঁদুর হতে হবে। ফাঁস করে দিতে হবে শেয়ার বাজারের অন্যান্য প্রতারক এবং অপরাধীদের নাম। ধরিয়ে দিতে হবে অর্থ জোগান দেওয়া এবং পাচারের পিছনের মূল হোতাদের।
শুরুতেই জর্ডন তাঁর নিজের হিসাবরক্ষককে ধরিয়ে দেন। এরপর একে একে ১০০ জনের মতো প্রতারক ধরিয়ে দিতে সাহায্য করেন তিনি। মার্কিন সরকারের প্রতি সহযোগিতার পুরষ্কার হিসেবে জর্ডন বেলফোর্টকে ৪ বছরের বদলে মাত্র ২২ মাস কারাবরণের পর মুক্তি দেওয়া হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি একবারও মাদক সেবন করেননি, যা তাঁর দেহকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে পরবর্তী জীবনে সাহায্য করেছে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এককালের ওয়াল স্ট্রিট নেকড়ে ঠিক করলেন, এবার মানুষের মতো বাঁচবেন। কিন্তু জর্ডন তাঁর অতীতকে ভুলে যেতে চান না। বরং অতীতের জর্ডন, ভবিষ্যতের জর্ডনের জন্য শিক্ষা ও নিদর্শন হিসেবে থাকুক, সেটা ছিল তাঁর সংকল্প। তাই অতীত জর্ডনকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি লেখালেখি শুরু করলেন। নিজের আত্মজীবনী ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’। প্রকাশনার প্রথম বছরে বইটি নিউ ইয়র্ক বেস্ট সেলার হিসেবে নির্বাচিত হয়। সকলের মুখে মুখে তখন জর্ডন বেলফোর্টের নাম। তাঁর এই রোমাঞ্চকর জীবনকে সিনেমায় রূপ দিতে এগিয়ে আসেন বিখ্যাত পরিচালক মার্টিন স্করসেসে। তাঁর প্রিয় অভিনেতা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও’র জাদুকরি অভিনয়ে চিত্রায়িত হয় ‘উলফ’ জর্ডনের গল্প। ২০১৩ সালে হলিউডে মুক্তি পায় সিনেমা ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’।
নয়া জীবনের জর্ডন আর আগের মতো ধনী নেই। কিন্তু তিনি এক সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনের সূচনা করেন। জর্ডন তাঁর জীবনের গল্প নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৭টি সেমিনারের আয়োজন করেন। ব্যবসাপ্রেমী জর্ডন মোট ৫০টি বাণিজ্যিক সংস্থা এবং কোম্পানির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
নামকরা ম্যাগাজিন এবং পত্রিকাগুলোতে জর্ডনের কলাম ছাপা হতে থাকে। এদের মধ্যে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’, ‘দ্য লস এঞ্জেলস টাইমস’, ‘দ্য হেরাল্ড ট্রিবিউন’, ‘ফোর্বস’, ‘বিজনেস উইক’-এর মতো নামকরা ম্যাগাজিন তো আছেই। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভিন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেছেন জর্ডন বেলফোর্ট। তার আগামীর পথ কোনদিকে, তা জানা নেই। তবে তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটা ক্রিস্টাল আমেরিকানদের জীবনের শিক্ষা তো বটেই। হাসতে হাসতে বলেছিলেন এমিলি ব্রাউন।
17th  August, 2019
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠনকে স্বীকৃতি দিতে নারাজ উপাচার্য। তাঁর এই ভূমিকার প্রতিবাদ জানিয়েছে অধ্যাপক সংগঠন অ্যাবুটা। এই মর্মে তারা উপাচার্যকে প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছে। ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্লারিকাল পদ এবং প্রায় সাত বছর পর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হবে। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য এই প্রথম একটি বাইরের এজেন্সিকে দায়িত্ব দিল ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

অভিমন্যু মাহাত, বারাকপুর, বিএনএ: বারাকপুর লোকসভা এলাকার ৮টি পুরসভায় ভোট নিয়ে দোলাচলে শাসকদলের নেতারা। তাই ওইসব এলাকায় পুরভোটের প্রস্তুতি জোরকদমে হচ্ছে না। একটু ঢিমে তালে চলছেন নেতারা। সূত্রের খবর, পুরভোট নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই বারাকপুর কর্পোরেশনের নোটিফিকেশন হয়ে যাবে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দেশজুড়ে স্বচ্ছ ভারত অভিযানের দ্বিতীয় ভাগ শুরু করার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা 

04:10:17 PM

নিউটাউনে শিশুকন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগ
বছর তিনেকের এক শিশুকন্যাকে নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল এক ...বিশদ

04:01:00 PM

নিউটাউনে বধূকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে
নিউটাউনে বধূকে আত্নহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ উঠল স্বামী ও শাশুড়ির ...বিশদ

03:45:00 PM

মাধ্যমিক: চাঁচলে প্রশ্ন ফাঁস করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল পরীক্ষার্থী 
মোবাইলের মাধ্যমে ছবি তুলে প্রশ্ন ফাঁস করতে গিয়ে ধরা পড়ল ...বিশদ

03:14:30 PM

মালদহে টিকটকের মাধ্যমে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 
হোয়াটসঅ্যাপের পর এবার টিকটকের মাধ্যমে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠল। ...বিশদ

03:10:22 PM

মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া ব্যবস্থা। প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও ফের মাধ্যমিকের প্রশ্ন ...বিশদ

01:49:16 PM