Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ওয়াল স্ট্রিটের ‘নেকড়ে’-র গল্প!
মৃণালকান্তি দাস

ওয়াশিংটনের অপরিচিত কোনও এক পথে হাঁটতে হাঁটতে গল্পটা শুনিয়েছিলেন এমিলি ব্রাউন। গল্প বলতে, এক অপরাধীর ঘুরে দাঁড়ানোর কাহিনী। জর্ডন বেলফোর্টের গল্প। যিনি জীবনে অপরাধের নেশায় পড়ে সবকিছু হারিয়েছিলেন। কে এই জর্ডন বেলফোর্ট, জানেন? যাঁর জীবন কাহিনী শুনলে মনে হবে, এ এই মার্কিন মুলুকেই সম্ভব!
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তখন ভোর ৪ টে। নিউ ইয়র্কের মতো পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত নগরীতে তখন অধিকাংশ মানুষ ঘুমে কাতর। কিন্তু আপনি যদি জর্ডন বেলফোর্ট নামে এক পাগলাটে শেয়ার দালালের সেক্রেটারি হয়ে থাকেন, তাহলে ঘুমের কথা বেমালুম ভুলে যান। ঠিক ৪ টে বাজতেই কর্কশ কণ্ঠে বেজে ওঠে টেলিফোন। বেচারা সেক্রেটারি ঘুম থেকে উঠে রিসিভার কানে নিয়ে বললেন, ‘হ্যালো।’ ফোনের অপরপাশ থেকে তখন বেশ হাঁপিয়ে ওঠা কণ্ঠে ‘হ্যালো’ বলে উঠলেন তাঁর বস জর্ডন বেলফোর্ট। ‘জর্ডন? এখন তো ভোর ৪ টে? কী প্রয়োজনে ফোন করেছ?’ জর্ডন কিছু সময় নিলেন নিজেকে গুছিয়ে নিতে। এরপর যা বললেন, তা শুনে তাঁর সেক্রেটারি বাদে যে কারও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত। জর্ডন তখন একটি বাণিজ্যিক সফরে অতলান্তিকের ওপারে লন্ডনে ছিলেন। লন্ডনে নিয়ে আসা কুয়েলুডস (মাদক) একদম ফুরিয়ে গিয়েছে। তাই এই মুহূর্তে তাঁকে জরুরি ভিত্তিতে কুয়েলুডস পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য ফোন। যেমন মালিক, তেমন তাঁর সেক্রেটারি। এই ঘটনা একদম নতুন নয় তাঁর কাছে। আধ ঘণ্টার মধ্যে জর্ডনের ব্যক্তিগত কনকর্ড বিমানে করে লন্ডনের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দিলেন কুয়েলুডস। জর্ডনের জন্য সবই সম্ভব!
নিজেকে ওয়াল স্ট্রিটের নেকড়ে ভাবা এই শেয়ার দালাল তাঁর জীবনে আরও অদ্ভুত অদ্ভুত সব কাজ করেছেন। একবার তো তিনি নেশা করার পর এক চোখ বন্ধ রেখে হেলিকপ্টার চালিয়ে নিজের বাড়ির উঠনে অবতরণ করেছিলেন। তিনি নাকি সবকিছু ‘দ্বিগুণ’ দেখছিলেন। তাই বুদ্ধি খাটিয়ে এক চোখ দিয়েই পাইলট হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন! ফোর্বস ম্যাগাজিনের মতে, জর্ডন ছিলেন রবিন হুডের বিকৃত সংস্করণ। যিনি কি না ধনীদের থেকে অর্থ চুরি করে নিজের কোষাগারে ভরতেন। ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’ খ্যাত এই জর্ডন বেলফোর্ট ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা প্রতারক।
৯ জুলাই, ১৯৬২। নিউ ইয়র্কের কুইন্সে জন্ম। বাবা পেশায় ছিলেন একজন হিসাবরক্ষক। স্থানীয় স্কুল থেকে পাশ করে জর্ডন সিদ্ধান্ত নিলেন একজন ডেন্টিস্ট হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবেন। এই উদ্দেশ্যে বাল্টিমোরের ডেন্টাল কলেজে ভর্তি হলেন। কিন্তু কেন যেন বেশিদিন সেখানে মন বসলো না তাঁর। ডেন্টাল কলেজের পড়া শেষ না করে তিনি নতুন করে ভর্তি হলেন আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে। এখান থেকে জীববিজ্ঞান বিভাগ থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনার পালা শেষ, এবার জীবিকা অর্জনের পালা শুরু। কিন্তু জর্ডনের নিজেকে কোনও বিজ্ঞানী বা শিক্ষক হিসেবে দেখতে পছন্দ নয়। তাই ডিগ্রি সরিয়ে রেখে তিনি ব্যবসায় নামলেন। শুরুতে সামুদ্রিক খাবার নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেন। জর্ডনের এই যাত্রায় প্রথম সঙ্গী হিসেবে পেলেন বন্ধু কেনি গ্রিন ওরফে ব্লকহ্যাডকে। বয়স তখন তার মাত্র ১৮। ব্যবসা করার ইচ্ছে বোধহয় জর্ডনের সহজাত গুণ। কারণ, দ্রুত তাঁর কোম্পানি লাভের মুখ দেখা শুরু করল। তবে অভিজ্ঞতা না থাকায় বেশিদিন এই লাভ ধরে রাখতে পারেননি। তাই এক বছর পরে তাঁর কোম্পানি বন্ধ করে দিতে হয়। ব্যবসায় সাময়িকভাবে ব্যর্থ হলেও থেমে যাননি জর্ডন। অনেক ভেবে চিন্তে ঠিক করলেন, খাবারের ব্যবসা আর করবেন না। এবার নতুন যাত্রা শুরু করা যাক। আর তার এই নতুন যাত্রার গন্তব্যস্থল ছিল বিশ্বের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। ওয়াল স্ট্রিট। ১৯৮৭ সালে জর্ডন শেয়ারের দালাল হিসেবে কাজ করা শুরু করেন। কয়েকদিনের মধ্যে শেয়ার বাজারের আদ্যোপান্ত জেনে নেন জর্ডন। ওয়াল স্ট্রিটে আসার দু’বছরের মাথায় জর্ডন বেলফোর্ট নিজের উদ্যোগে একটি শেয়ার বিনিয়োগকেন্দ্র খুলে বসেন। নিজের হাতে গড়া এই ছোট কোম্পানির নাম দেন ‘স্ট্রেটন ওকমন্ট’।
নতুন কোম্পানিতে ধীরে ধীরে লোকবল নিয়োগ করতে থাকেন জর্ডন। তাঁর প্রধান সহযোগী ডেনি পরুশকে সঙ্গে নিয়ে শুরু করেন শেয়ার বেচা-কেনার যজ্ঞ। স্ট্রেটন ওকমন্টের প্রধান লক্ষ্য ছিল ‘পাম্প অ্যান্ড ডাম্প’ পদ্ধতি অনুসরণ করে রাতারাতি অঢেল অর্থের মালিক বনে যাওয়া। এই পদ্ধতি অনুযায়ী জর্ডনরা প্রথমে ক্রেতা নির্বাচন করতেন। এমন একজনকে ক্রেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হতো, যে জর্ডনদের শেয়ারের ফাঁকি ধরতে পারবে না। এরপর শুরু হতো দালালদের কেরামতি। ক্রেতাকে নানাভাবে মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে বেশ কম মূল্যের শেয়ারকে চড়া দামে কিনতে বাধ্য করতো তারা। এভাবে কম পুঁজিতে অতি মাত্রায় লাভ করতে থাকে স্ট্রেটন ওকমন্ট। আর রাতারাতি ধনকুবের বনে যান জর্ডন বেলফোর্ট। সকলের মুখে মুখে তখন বেলফোর্টের নাম। অনেকে তাকে ‘উলফ’ হিসেবে ডাকা শুরু করল। জর্ডন বনে গেলেন ওয়াল স্ট্রিটের এক ‘উলফ’।
জর্ডন তাঁর সহকর্মীদের একটি মন্ত্র বাতলে দেন, ‘ক্রেতা শেয়ার কিনবে, না হয় মরে যাবে। কিন্তু কোনওভাবেই এর আগে ফোন কেটে দেওয়া যাবে না।’ জর্ডন একবার নিউ ইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছিলেন, ‘ধনী হওয়া খুব সহজ, যদি নিয়ম নীতি না মেনে ধনী হতে চাও।’ জর্ডন বেলফোর্ট তাঁর কোম্পানিতে এমন কাউকে নিয়োগ করতেন না, যাঁরা ইতিমধ্যে দালাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর পছন্দের প্রার্থী ছিল মাধ্যমিক স্তরের ডিপ্লোমাধারী কিংবা উৎসাহী তরুণরা, যাঁরা প্রচুর অর্থ উপার্জনের স্বপ্ন দেখতেন। স্ট্রেটন ওকমন্ট শেয়ার বাজারীদের মধ্যে একটি কাল্টে রূপান্তরিত হল। স্ট্রেটনিরা কাজ করতো মোষের মতো, আবার পার্টি করার সময় এদের উদযাপনের মাত্রা বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে যেত। অর্থ উপার্জন করলেই হয় না, এর জন্য খরচ করা জানতে হয়। এ কথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন জর্ডন বেলফোর্ট। শেয়ার দালালিতে উপার্জন করা লক্ষ লক্ষ ডলার তিনি বেপরোয়াভাবে খরচ করতে থাকেন। ম্যানহ্যাটনে আকাশচুম্বী অট্টালিকা গড়লেন জর্ডন। কিন্তু তাতেও মন ভরলো না। তাই নিউ ইয়র্কের লং দ্বীপে একটি প্রকাণ্ড প্রাসাদ কিনে ফেললেন। সাগরে ভেসে আনন্দ করার জন্য কেনা হল ২৫৬ ফুট দীর্ঘ প্রমোদতরী। একটি ফেরারি টেস্টারোসা এবং হ্যাম্পটনের একটি বিলাসবহুল বাড়ি ছিল জর্ডনের অস্থায়ী খেলনার মতো। পছন্দ না হলে সোজা বদলে ফেলতেন সবকিছু। লক্ষ লক্ষ ডলারের আসবাবপত্র দিয়ে তাঁর আবাসস্থল সাজানো হয়েছিল, যা দেখলে চোখ ফেরানো যেত না।
বাড়ি, গাড়ি, প্রমোদতরী ছাড়াও জর্ডনের টাকা ওড়ানোর আরও একটি সংস্থান ছিল। আর তা হচ্ছে মাদক। মারিজুয়ানা, কোকেন, গাঁজা, কুয়েলুডস এগুলো ছিল জর্ডনের নিত্যদিনের সঙ্গী। কাজের ফাঁকে কিংবা কাজের শেষে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কিংবা একাকী রুমে মাদক নিয়ে মত্ত হতেন জর্ডন। জর্ডন আত্মজীবনীতে তাঁর অধঃপতনের জন্য মাদককে দায়ী করেছেন। প্রায়ই মাদক সেবনের পর জর্ডন গাড়ি চালাতেন, বিমানে চড়তেন। এমনকী একবার মাদকাসক্ত অবস্থায় নিজের স্ত্রী নাদিনকে লাথি পর্যন্ত মেরেছিলেন। নাদিন ছিলেন জর্ডনের দ্বিতীয় স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী ডেনিসের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর তিনি মডেল নাদিনকে বিয়ে করেছিলেন। জর্ডন মহিলা, মাদক, পার্টি নিয়ে মেতে থাকলেও নাদিন কিছু বলতেন না। কিন্তু জর্ডন যেদিন তাঁকে লাথি মেরেছিলেন, সেদিন তিনি জর্ডনকে ছেড়ে চলে যান। নাদিন শেষ পর্যন্ত এক উকিলকে বিয়ে করে ক্যালিফোর্নিয়া চলে যান। জর্ডনের দুই সন্তান নাদিনের সঙ্গে চলে যায়।
জর্ডন বেলফোর্টের প্রতারণার কথা মার্কিন নিরাপত্তা ও বিনিময় কমিশনের কানে পৌঁছায়। ১৯৯২ সালে তারা জর্ডনের বিরুদ্ধে গুরুতর প্রতারণার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। তখন জর্ডনের পিছনে লেগে গিয়েছে এফবিআইও। এফবিআই এজেন্ট কোলম্যান জর্ডন বেলফোর্টের প্রতিটি পদক্ষেপে নজরদারি চালাতে থাকেন। উন্মুক্ত নেকড়ে জর্ডনের আনন্দের দিন যেন শেষ হয়ে আসে। মরার উপর খাড়ার ঘা হিসেবে জর্ডনের এক বন্ধু সুইজারল্যান্ডে অর্থ পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে। জর্ডন একের পর এক দুঃসংবাদে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তিনি এতটাই অস্থির হয়ে যান যে, একবার কুয়েলুডস সেবন করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরেন। বাড়ি ফেরার পর নাদিন যখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘জর্ডন, তোমার গাড়ি এরকম ভেঙে আছে কেন?’ তখন জর্ডন বুঝতে পারলেন, নেশার ঘোরে গাড়ি চালাতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনার মুখে পড়েছেন। এই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় জর্ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আদালতে শুনানির পর জর্ডন বেলফোর্টকে ওয়াল স্ট্রিটে শেয়ার বিক্রি করার উপর আজীবন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। স্ট্রেটন ওকমন্ট কোম্পানিকে বেশ বড় অঙ্কের জরিমানাও গুণতে হয়েছিল। জর্ডনের বিপদের মুখে ১৯৯৬ সালে কোম্পানিটি বন্ধ হয়ে যায়। আদালত কোম্পানিকে অবৈধভাবে আত্মসাৎ করা ক্রেতাদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। একের পর এক অভিযোগ প্রমাণিত হতে থাকলে, ১৯৯৯ সালে জর্ডন বেলফোর্ট আদালতে নিজেকে দোষী দাবি করেন। ২০০৩ সালে জর্ডনকে ৪ বছর কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। জেল খাটা ছাড়াও মোট ১১০ মিলিয়ন ডলার অর্থ জরিমানা করা হয়। দীর্ঘ চার বছর জেলে থাকার শাস্তি জর্ডনের মতো বিলাসিতায় কাটানো মানুষের জন্য মারাত্মক কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এজেন্ট কোলম্যান এবং তৎকালীন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জুয়েল কোয়েন এক শর্তের বিনিময়ে নেকড়ে জর্ডনের শাস্তি কমিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলেন। সেটি হচ্ছে, জর্ডনকে এবার ওয়াল স্ট্রিটের ‘র‍্যাট’ বা ইঁদুর হতে হবে। ফাঁস করে দিতে হবে শেয়ার বাজারের অন্যান্য প্রতারক এবং অপরাধীদের নাম। ধরিয়ে দিতে হবে অর্থ জোগান দেওয়া এবং পাচারের পিছনের মূল হোতাদের।
শুরুতেই জর্ডন তাঁর নিজের হিসাবরক্ষককে ধরিয়ে দেন। এরপর একে একে ১০০ জনের মতো প্রতারক ধরিয়ে দিতে সাহায্য করেন তিনি। মার্কিন সরকারের প্রতি সহযোগিতার পুরষ্কার হিসেবে জর্ডন বেলফোর্টকে ৪ বছরের বদলে মাত্র ২২ মাস কারাবরণের পর মুক্তি দেওয়া হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি একবারও মাদক সেবন করেননি, যা তাঁর দেহকে মাদকাসক্ত থেকে দূরে রাখতে পরবর্তী জীবনে সাহায্য করেছে। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এককালের ওয়াল স্ট্রিট নেকড়ে ঠিক করলেন, এবার মানুষের মতো বাঁচবেন। কিন্তু জর্ডন তাঁর অতীতকে ভুলে যেতে চান না। বরং অতীতের জর্ডন, ভবিষ্যতের জর্ডনের জন্য শিক্ষা ও নিদর্শন হিসেবে থাকুক, সেটা ছিল তাঁর সংকল্প। তাই অতীত জর্ডনকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি লেখালেখি শুরু করলেন। নিজের আত্মজীবনী ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’। প্রকাশনার প্রথম বছরে বইটি নিউ ইয়র্ক বেস্ট সেলার হিসেবে নির্বাচিত হয়। সকলের মুখে মুখে তখন জর্ডন বেলফোর্টের নাম। তাঁর এই রোমাঞ্চকর জীবনকে সিনেমায় রূপ দিতে এগিয়ে আসেন বিখ্যাত পরিচালক মার্টিন স্করসেসে। তাঁর প্রিয় অভিনেতা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও’র জাদুকরি অভিনয়ে চিত্রায়িত হয় ‘উলফ’ জর্ডনের গল্প। ২০১৩ সালে হলিউডে মুক্তি পায় সিনেমা ‘দ্য উলফ অব ওয়াল স্ট্রিট’।
নয়া জীবনের জর্ডন আর আগের মতো ধনী নেই। কিন্তু তিনি এক সম্পূর্ণ ভিন্ন জীবনের সূচনা করেন। জর্ডন তাঁর জীবনের গল্প নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৭টি সেমিনারের আয়োজন করেন। ব্যবসাপ্রেমী জর্ডন মোট ৫০টি বাণিজ্যিক সংস্থা এবং কোম্পানির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন।
নামকরা ম্যাগাজিন এবং পত্রিকাগুলোতে জর্ডনের কলাম ছাপা হতে থাকে। এদের মধ্যে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’, ‘দ্য লস এঞ্জেলস টাইমস’, ‘দ্য হেরাল্ড ট্রিবিউন’, ‘ফোর্বস’, ‘বিজনেস উইক’-এর মতো নামকরা ম্যাগাজিন তো আছেই। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভিন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে উঠেছেন জর্ডন বেলফোর্ট। তার আগামীর পথ কোনদিকে, তা জানা নেই। তবে তাঁর এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পটা ক্রিস্টাল আমেরিকানদের জীবনের শিক্ষা তো বটেই। হাসতে হাসতে বলেছিলেন এমিলি ব্রাউন।
17th  August, 2019
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
একনজরে
বিএনএ, তমলুক: বুধবার রাতে মেচেদায় ৪১নম্বর জাতীয় সড়কের ওভারব্রিজ এলাকায় ভাঙড়ের এক শিক্ষককে উদ্ধার করল কোলাঘাট থানার পুলিস। ওই শিক্ষকের দাবি, ওইদিনই বিকেল ৩টে নাগাদ ভাঙড় থানার কুলটি কলোনির বাড়ি থেকে তিনি বের হন। তখন তাঁর কাছে চার লক্ষ টাকা ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: টানা একমাস ধরে শীতের প্রকোপে কোচবিহার জেলাজুড়ে কুয়াশার দাপট অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে গভীর রাত থেকে সকাল ৮টা, ৯টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় গ্রামগঞ্জের ফাঁকা এলাকা ঢেকে থাকছে। এতে দৃশ্যমানতা কমে আসছে।  ...

সংবাদদাতা, কুমারগ্রাম: স্টেট গেমস বক্সিংয়ে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার কলকাতায় রওনা হন আলিপুরদুয়ারের দুই বক্সার। বেঙ্গল অ্যামেচার বক্সিং ফেডারেশনের পরিচালনায় আগামী ২৫ এবং ২৬ জানুয়ারি সল্টলেকের স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার হলঘরে বক্সিং প্রতিযোগিতাটি হবে। ...

নয়াদিল্লি, ২৩ জানুয়ারি: সিএএ-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত জেএনইউ এবং জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের হুমকি দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঠাৎ জেদ বা রাগের বশে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়াই শ্রেয়। প্রেম-প্রীতির যোগ বর্তমান। প্রীতির বন্ধন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪১ টাকা ৭২.১১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৬ টাকা ৯৫.২৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৫২ টাকা ৮০.৪৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

৯ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, অমাবস্যা ৫২/৪ রাত্রি ৩/১২। উত্তরাষা‌ঢ়া ৫০/৫৯ রাত্রি ২/৪৬। সূ উ ৬/২২/১৯, অ ৫/১৪/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/২০ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৭ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১১/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩১ গতে ১০/১০ মধ্যে।
৯ মাঘ ১৪২৬, ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, অমাবস্যা ৫০/২১/৪৫ রাত্রি ২/৩৪/১৫। উত্তরাষাঢ়া ৫০/২৫/০ রাত্রি ২/৩৫/৩৩। সূ উ ৬/২৫/৩৩, অ ৫/১৩/২১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ৮/৩১ গতে ১০/৪৪ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/১৭ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যেও ৩/৪৩ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৮/৩১ গতে ১১/৪৯/২৭ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৩১/২৪ গতে ১০/১০/২৫ মধ্যে।
 ২৮ জমাদিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ব্লকগুলিতে মানববন্ধন কর্মসূচি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী 
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

06:32:00 PM

২২৬ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:16:17 PM

প্রথম টি-২০: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতল ভারত 

03:48:28 PM

বিধাননগর পুরসভায় অভিযান বিজেপির
 

ডেঙ্গু রোধে খাল পরিষ্কার, বেআইনি পার্কিং বন্ধ সহ একাধিক দাবিতে ...বিশদ

03:39:00 PM

প্রথম টি-২০: ভারত ১৫১/৪ (১৫ ওভার) 

03:31:02 PM

প্রথম টি-২০: ভারত ১৪২/৩ (১৩ ওভার)
 

03:20:26 PM