Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে। কেউ কেউ আবার মোটা টাকার আশায় ওদের সঙ্গী হয়ে খুনোখুনি সন্ত্রাসে শামিল পর্যন্ত হয়ে পড়ছে! এদের বুঝিয়ে লাভ নেই। পেটের টান যে বড় টান। অভাব মেটান, পড়াশুনা, চাকরিবাকরির সুযোগসুবিধে বাড়িয়ে দিন— আপসে সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। জঙ্গিরা বর্ডার পেরবার সাহস পাবে না। আর পেরলেও সহজে লুকোবার জায়গা পাবে না। ফলে সন্ত্রাস ছড়ানোও তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। তখন আমরাও একটু ভালোভাবে বাঁচতে পারব, আপনাদের শ্রীনগরও তার হারানো শ্রী ফিরে পাবে। কয়েক বছর আগে শ্রীনগরের পামপোরে তাঁর বাড়িতে বসে কথাগুলো বলেছিলেন ওয়ানিসাব, গুলাম নবি ওয়ানি— তৎকালীন জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের পদস্থ অফিসার। এই শহরেই তাঁর সঙ্গে আলাপ এবং কয়েকবছর আগে তাঁর সোৎসাহ প্ররোচনায় কাশ্মীর বেড়াতে গিয়ে এই সজ্জন সুদর্শন দীর্ঘদেহী সর্বদা হাসিমুখ কাশ্মীরি মানুষটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গভীরতর হয়েছিল অনিবার্যভাবেই। সেই সুবাদে তাঁর বাড়িতে আমার নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে দেখেছিলাম কাশ্মীরি অতিথিপরায়ণতা কত আন্তরিক, কত সুন্দর, কত প্রীতিপ্রদ হতে পারে। পরিবারের শিশু থেকে প্রবীণ সকলের সঙ্গে মিলেমিশে আড্ডা দিতে দিতে (যেন কতকালের চেনা) কাশ্মীরি চা ‘কাওয়া’ থেকে টা থেকে বাড়িতে তৈরি অপূর্ব স্বাদ মেইন কোর্স— আজও ভুলতে পারিনি। সেদিন ওয়ানিসাবের বাড়ি থেকে হোটেলে ফেরার পথে মোগল বাদশাহের মতো আমারও মনে হয়েছিল, এই ধরাধামে স্বর্গ যদি কোথাও থাকে তো সে এইখানে, এইখানে, এইখানে।
আমরা যখন কাশ্মীরে তখন উপত্যকার সন্ত্রাসে একটু যেন ভাটার টান ধরেছিল। ফলে, পর্যটক ভিড় খুব বেশি না হলেও ছিল এবং বন্ধ হোটেল দোকানপাট হাউসবোটগুলোর একাংশও উদ্বেগ সংশয় কাটিয়ে জেগে ওঠার চেষ্টা করছিল। জঙ্গি দাপটে দিশেহারা প্রায় স্তব্ধ বিভ্রান্ত ত্রস্ত কাশ্মীরি জনজীবনে প্রাত্যহিকের স্বাভাবিক ছন্দও ফিরে এসেছিল অনেকটাই। কিন্তু, আমরা ফিরে আসার পরপরই ফের শুরু হয়ে গিয়েছিল জঙ্গি তাণ্ডব। বেশ মনে আছে তিনি এবং তাঁর পরিবারের খোঁজ নিতে যখনই ফোন করেছি তখনই ওয়ানিসাবের গলায় একটা জড়তার আভাস পেয়েছি। মুখে হয়তো তিনি বলেছেন, না না— চিন্তা করবেন না। আমরা ভালো আছি। পামপোরেতে গোলমাল নেই। অন্য জায়গায় হয়েছে— আমরা এখানে ঠিকঠাকই আছি। আপনাকে তো বলেইছি— এসব ততদিন যাবে না, যতদিন না...! ফোন কেটে গেছে লাইন বিভ্রাটে নাকি এক কথা বলার ক্লান্তি এড়াতে তিনিই সরে গেছেন বুঝতে পারিনি। আবার কখনও ফোনেই কিছুটা বিষণ্ণ শুনিয়েছে তাঁর কণ্ঠ— আমরা তো বন্দি, ভারতে থেকেও আমরা তো পুরোপুরি ভারতের নই! তাই আমাদের বিপদ আমাদের অসুবিধে আর পাঁচজনের চেয়ে অনেক বেশি।
মানে!? আপনারা তো ভারতের বিশেষ-অঞ্চল, বিশেষ সুবিধেভোগী! ওয়ানিসাব হেসেছেন— থ্রি সেভেন্টির কথা বলছেন? ৩৭০ ধারা? ওটাই তো একধরনের বন্ডেজ। গরিব মানুষজন সস্তায় চাল-ডাল কিছু পায় ব্যাস। আর কী? কিন্তু, লাস্ট সাড়ে ছয় দশকে এখানে উন্নয়ন কী হল, গরিব কাশ্মীরিদের জীবনমানে কতটা পরিবর্তন হল ওই ৩৭০ দিয়ে একটু খোঁজ করতে বলুন না আপনাদের জার্নালিস্টদের। কথাটার অন্তর্নিহিত ব্যঙ্গ বুঝতে অসুবিধে হয়নি। বরং, তাঁর কথায় মনে পড়ল শ্রীনগরের রেস্তরাঁর সেই বসিরের মন্তব্য, ওই ৩৭০টায় আমাদের পায়ের বেড়ি হয়ে আছে। হ্যাঁ, ওই ভাঙিয়ে কেউ কেউ আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছে সন্দেহ নেই, তবে আম পাবলিকের ওতে কোনও ফায়দা হয়নি। ফায়দা হয়েছে কটা পরিবারের। এই পরিবারগুলো শুরু থেকে এই ভ্যালিটাকে জমিদারি হিসেবে দেখেছে আর মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য ভাঙিয়ে রাজনীতি করে গেছে। এমনকী, এদের এক-আধজন প্রকারান্তরে সীমান্ত সন্ত্রাসেও পরোক্ষ মদত জুগিয়েছে আর উপত্যকায় অস্থিরতা তৈরি হলে তাকে সামনে রেখে গদি গুছিয়েছে। এদেরই একজনের মেয়েকে বাঁচাতে মারাত্মক জঙ্গিকে ছেড়ে দিতে হয়েছে— এমনও তো দেখেছি আমরা। দেখিনি? কাশ্মীরিদের এই কব্জা থেকে মুক্তি নেই। এবং এখানেই না থেমে সেদিন ওই বসির এবং তাঁর বন্ধুরা যা বলেছিলেন তার সারমর্ম মিলে গিয়েছিল ওয়ানিসাবের বক্তব্যের সঙ্গে। তাঁরাও বলছিলেন— যে যাই বলুক, এই ৩৭০টা আমাদের চারপাশে একটা বেরিয়ার, বাধার বেড়া দিয়ে রেখেছে। এটাকে হটিয়ে গোটা ভারতের সঙ্গে একাত্ম হতে না পারলে আমাদের মুক্তি নেই।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এবার কি সেই বহু প্রত্যাশিত মুক্তির আলো দেখা দিল ভূস্বর্গে? সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার সাত দশক পরে সত্যিই কি ভূস্বর্গের মুক্তি ঘটল? বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতবর্ষের মূল স্রোতে এসে মিশল ৭৩ বছর ‘বিশেষ সুবিধাভোগী’ হয়ে কার্যত বহুজনার ঈর্ষানজরে একঘরে আমাদের শ্রীনগর, কাশ্মীর, আমাদের স্বপ্নের সৌন্দর্যলোক? সেই অপরূপের রাজ্যে মানুষজন কি এবার সত্যিই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিষেবা, জীবন-জীবিকায় আধুনিক উন্নয়ন-উন্নতির সুযোগ-সুবিধা পাবেন, কাশ্মীরি তরুণ-তরুণী পাবেন মনমতো চাকরিবাকরি? এবার কি শান্তি ফিরবে ভূস্বর্গে, বন্ধ হবে সীমান্তপারের হানাদারদের সন্ত্রাস, হত্যালীলা? আরও আরও বহু অনিবার্য প্রশ্নও উঠে আসছে আগস্টের শুরুতে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ঘোষণার পর। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে পৃথক করে দুটি স্বতন্ত্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা এবং সেই সঙ্গে এই অঞ্চলে ৩৭০ ধারার বিশেষ সুবিধা রদের ঘোষণায় অনিবার্যভাবে দেশজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি বিরোধীদের অনেকেই, বিশেষত সিপিএম ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর হয়েছে। তাদের তালে তাল মিলিয়েছেন অনেকেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব পেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। কিন্তু ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তে গোটা দেশের সাধারণ মহল তেমন বিরূপতা দেখাল কি? এই মহানগরীর পথঘাট অফিসকাছারি আড্ডা কিন্তু দেখায়নি। খুচখাচ বিতর্ক-তর্ক বেধেছে বটে, তবে শেষপর্যন্ত এক দেশ এক পতাকা এক আইন তত্ত্বকে সরাসরি খারিজ করার মতো জোরালো যুক্তি খুঁজে পায়নি কলকাতা। তবে গেরুয়া শিবির এই সিদ্ধান্তের মধ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সাকার হওয়ার যে কথা বলছে তাতে বঙ্গবাসীজনের অনেকেই হয়তো শামিল হচ্ছেন না। নাই হতে পারেন। কিন্তু, আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি— নরেন্দ্র মোদিজির সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে চিহ্নিত করতে কিন্তু তাঁদেরও বাধছে না!
আসলে এখানে একটা সেন্টিমেন্ট একটা জাতীয়তাবাদী আবেগও হয়তো কাজ করছে। স্বাধীন ভারতে আসমুদ্রহিমাচল তেরঙা ছাড়া কেন বিশেষ একটি রাজ্যের জন্য বিশেষ পতাকা থাকবে— আবেগের মূল কথা এটাই। ৩৭০ ধারা রদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর এই কথাটা অনেকের মুখে শুনেছি। কথাটাকে যুক্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় কি? অনেকে এদিক সেদিক সোশ্যাল মিডিয়া খবরের কাগজ ইত্যাদি ঘেঁটে পড়ে এখন কাশ্মীর বিশেষজ্ঞ— তাঁরা উপত্যকায় জমি-বাড়ি কেনা ব্যবসাপাতি করায় এতদিনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরব। অসভ্যতাও চলছে ভূস্বর্গের মানুষজন মহিলা পুরুষদের নিয়ে। নির্বোধ মূঢ় বিকৃতরুচি ছাড়া কে আর কাশ্মীরের তরুণীদের নিয়ে ওইসব ইতর চিন্তা প্রকাশ করতে পারে! এইসব পচা পাঁক নিয়ে আলোচনা যত কম করা যায় ততই ভালো। দুর্ভাগ্য এই যে, যে পদ্মদলের উদ্‌঩যোগে এমন ঐতিহাসিক একটা দৃষ্টান্ত তৈরি হল সেই দলেরই এক অপোগণ্ড বিধায়কের নাম ওই ইতরভাষণে যুক্ত হয়ে গেছে! আমরা নিশ্চিত দেশ রাজ্যের সাধারণ রুচিমান মানুষ চাইছেন, উন্নাওকাণ্ডের পাষণ্ডটাকে যেমন কড়া নজরে দেখেছেন দেশের শাসক এবং চরম শাস্তির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছেন— ভূস্বর্গের তরুণীদের নিয়ে কদর্য মন্তব্য করা ওই লোকটার জন্যও একই পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। কারণ, জাতীয় সংহতি যেখানে লক্ষ্য সেখানে এমন মন্তব্য যে তার পরিপন্থী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকে হয়তো বলবেন, কোথাকার কোন অখ্যাত একটা লোক একটা বিধায়ক— তার বর্বর কথা উপেক্ষা করাই ঠিক। হয়তো ঠিক। কিন্তু, ঘোষিত উদ্দেশ্য যেখানে মহৎ, সারা ভারত এক হয়ে একাকার হয়ে এক পতাকাতলে থাকার মতো গরিমাময় সনাতন ঐতিহ্যের দিকে আমাদের টানছে সেখানে এক মন দুধে এক ফোঁটা চোনার মতো ওইসব কিড়েমাকোরে কেন থাকবে?
এরা জানে বিগত শতকের নব্বই দশকের প্রায় গোড়া থেকে কী অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে জম্মুর ক্যাম্পে দিনের পর দিন বছরের পর বছর কাটিয়েছেন কাটাচ্ছেন কাশ্মীরের লাখ লাখ পণ্ডিত পরিবার! এঁরাও তো কাশ্মীরি। আজও যাঁরা ভূস্বর্গের বাসিন্দাদের নিয়ে অসভ্য মশকরা করছেন তাঁরা একটু খোঁজখবর নিন। হুমকি নির্দেশে রাতারাতি সেদিন ঘর ছাড়তে হয়েছিল তাঁদের। সহায় সম্বলহীন সেই মানুষজনেদের জায়গা হয়েছিল জম্মুর খোলা মাঠে, অস্থায়ী ছাউনিতে। তাঁদের অনেকেই ছিলেন সম্পন্ন গৃহস্থ। হঠাৎ করে অমন অস্বচ্ছ অস্বাস্থ্যকর যাপনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কী যন্ত্রণা হয়েছিল তাঁদের, তা তখন ওই আশ্রয় শিবিরগুলোয় বসবাসকারীদের সঙ্গে কথা বলেই হাড়ে হাড়ে বুঝেছিলাম। অপরাধ কী ছিল তাঁদের? জানি না। যেটুকু জেনেছিলাম তার উল্লেখও আজ নিষ্প্রয়োজন। তাছাড়া, সেইসময় থেকে আজ অবধি আমরা কেউ কি জানতে চেয়েছি ওঁরা কেমন আছেন? জানতে চাইনি কোনওদিন, খোঁজও রাখিনি। তাই নামটা ভুলে গেছি সেই উচ্চশিক্ষার্থী (যতদূর মনে পড়ছে মেডিক্যাল ছাত্রী) তরুণীর যিনি ১৯৯৩ সালের শেষ ডিসেম্বরের কোনও এক বিকেলে ভেজা চোখ আকাশে রেখে শুধু বলেছিলেন, বলতে পারেন কবে ফিরব আমরা আমাদের বাড়ি? এখানে এই বেআব্রু নোংরায় কি থাকা যায় বলুন? বলতে পারিনি। আজ এত বছর পরে তিনি কোথায় জানি না। তাঁদের শ্রীনগরের বাড়িতে শেষপর্যন্ত ফিরতে পেরেছেন কি না তাও জানি না। হয়তো খুব ভালো একজন ডাক্তার হয়ে দেশের অন্য কোথাও অন্য কোনওখানে তিনি এখন রোগীর সেবায় রত।
কিন্তু যেখানেই থাকুন চাইলে এবার স্বাধীনতার ৭৩তম উৎসবটা তিনি মুক্ত ভূস্বর্গে ওয়ানিসাব কি বসিরের পরিবারের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে মানাতেই পারেন। ভারত সরকার ৩৭০ সরিয়ে যে বার্তাটি দিয়েছে তাতে এই আশ্বাস পরিষ্কার। ধর্মনিরপেক্ষ সংহতিকামী ভারতে স্বাধীনতা দিবসে এমন তোফা—এও কি নজিরবিহীন নয়?
15th  August, 2019
অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
একনজরে
সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজেরও এবার পরীক্ষা হবে ‘গবেষণাগারে’! এমনই পরিকল্পনা নিল পঞ্চায়েত দপ্তর। লক্ষ্য মূলত দু’টি। এক, অসাধু ঠিকাদার কিংবা নির্মাণকারী সংস্থার ফাঁকিবাজি রুখে কাজের গুণগতমান বজায় রাখা।   ...

নয়াদিল্লি: করোনা আবহে দেশজুড়ে অনলাইনে লেনদেন অনেকটাই বেড়েছে। প্রযুক্তিগত এই সুবিধার মোড়কে অনেক সময়ই আর্থিক প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্টের সময় দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে আবেদন জানালেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল।   ...

রোচেস্টার: ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব। নিউ ইয়র্ক শহরের রোচেস্টারে এক পার্টিতে এই গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। পুলিস জানিয়েছে, শনিবার ভোরের এই ঘটনায় দু’জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম হন ১৪ জন।  ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কালচিনির ডিমা চা বাগানের বিচ লাইন থেকে শনিবার সকালে বনকর্মীরা একটি অজগর উদ্ধার করেন। এদিন সকালে বাগানের জমিতে প্রায় আট ফুট লম্বা অজগরটিকে দেখে শ্রমিকরা বনদপ্তরের নিমাতি রেঞ্জে খবর দেয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮: চিত্রপরিচালক মহেশ ভাটের জন্ম
২০০৪: চিত্রপরিচালক সলিল দত্তের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া ০/২৮ প্রাতঃ ৫/৩৯ পরে চতুর্থী ৫২/২৮ রাত্রি ২/২৮। স্বাতীনক্ষত্র ৪৩/২৯ রাত্রি ১০/৫২। সূর্যোদয় ৫/২৮/১৮, সূর্যাস্ত ৫/৩১/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৫৫ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/১ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
৩ আশ্বিন ১৪২৭, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, তৃতীয়া দিবা ১০/২। চিত্রানক্ষত্র দিবা ৬/১৫ পরে স্বাতীনক্ষত্র শেষরাত্রি ৪/৩৫। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪১ গতে ৪/২৮ মধ্যে। বারবেলা ১০/০ গতে ১/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫১ গতে ২/২৯ মধ্যে।  
মোসলেম: ২ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা পজিটিভ আরও ৩,১৭৭ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৭৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

08:18:20 PM

আইপিএল: দিল্লি ৬ ওভারে ২৩/৩ 

08:08:47 PM

আইপিএল: টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত পাঞ্জাবের 

07:13:06 PM

১২, ১৩ ও ১৪ অক্টোবর রাজ্যে ট্রাক ধর্মঘট 

05:37:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?  
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

04:45:13 PM

উত্তরপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৫,৮০৯ জন, মৃত ৯৪ 

04:32:47 PM