Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্বাধীনতা ৭৩ এবং ভূস্বর্গের মুক্তি
মেরুনীল দাশগুপ্ত

গরিবি যতদিন না যাবে ততদিন এই উপত্যকায় শান্তি আসবে না। কারণ, কাশ্মীরি মানুষের গরিবিই ওদের একটা বড় হাতিয়ার। গরিব মানুষজনের অনেকেই ক’টা টাকার লোভে পড়ে সীমান্তর ওপার থেকে আসা লোকজনকে আশ্রয় দিয়ে, লুকিয়ে রেখে, খাবারদাবারের ব্যবস্থা করে ভ্যালির বিপদ বাড়িয়ে তুলছে। কেউ কেউ আবার মোটা টাকার আশায় ওদের সঙ্গী হয়ে খুনোখুনি সন্ত্রাসে শামিল পর্যন্ত হয়ে পড়ছে! এদের বুঝিয়ে লাভ নেই। পেটের টান যে বড় টান। অভাব মেটান, পড়াশুনা, চাকরিবাকরির সুযোগসুবিধে বাড়িয়ে দিন— আপসে সব ঠান্ডা হয়ে যাবে। জঙ্গিরা বর্ডার পেরবার সাহস পাবে না। আর পেরলেও সহজে লুকোবার জায়গা পাবে না। ফলে সন্ত্রাস ছড়ানোও তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। তখন আমরাও একটু ভালোভাবে বাঁচতে পারব, আপনাদের শ্রীনগরও তার হারানো শ্রী ফিরে পাবে। কয়েক বছর আগে শ্রীনগরের পামপোরে তাঁর বাড়িতে বসে কথাগুলো বলেছিলেন ওয়ানিসাব, গুলাম নবি ওয়ানি— তৎকালীন জম্মু ও কাশ্মীর সরকারের পদস্থ অফিসার। এই শহরেই তাঁর সঙ্গে আলাপ এবং কয়েকবছর আগে তাঁর সোৎসাহ প্ররোচনায় কাশ্মীর বেড়াতে গিয়ে এই সজ্জন সুদর্শন দীর্ঘদেহী সর্বদা হাসিমুখ কাশ্মীরি মানুষটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গভীরতর হয়েছিল অনিবার্যভাবেই। সেই সুবাদে তাঁর বাড়িতে আমার নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে দেখেছিলাম কাশ্মীরি অতিথিপরায়ণতা কত আন্তরিক, কত সুন্দর, কত প্রীতিপ্রদ হতে পারে। পরিবারের শিশু থেকে প্রবীণ সকলের সঙ্গে মিলেমিশে আড্ডা দিতে দিতে (যেন কতকালের চেনা) কাশ্মীরি চা ‘কাওয়া’ থেকে টা থেকে বাড়িতে তৈরি অপূর্ব স্বাদ মেইন কোর্স— আজও ভুলতে পারিনি। সেদিন ওয়ানিসাবের বাড়ি থেকে হোটেলে ফেরার পথে মোগল বাদশাহের মতো আমারও মনে হয়েছিল, এই ধরাধামে স্বর্গ যদি কোথাও থাকে তো সে এইখানে, এইখানে, এইখানে।
আমরা যখন কাশ্মীরে তখন উপত্যকার সন্ত্রাসে একটু যেন ভাটার টান ধরেছিল। ফলে, পর্যটক ভিড় খুব বেশি না হলেও ছিল এবং বন্ধ হোটেল দোকানপাট হাউসবোটগুলোর একাংশও উদ্বেগ সংশয় কাটিয়ে জেগে ওঠার চেষ্টা করছিল। জঙ্গি দাপটে দিশেহারা প্রায় স্তব্ধ বিভ্রান্ত ত্রস্ত কাশ্মীরি জনজীবনে প্রাত্যহিকের স্বাভাবিক ছন্দও ফিরে এসেছিল অনেকটাই। কিন্তু, আমরা ফিরে আসার পরপরই ফের শুরু হয়ে গিয়েছিল জঙ্গি তাণ্ডব। বেশ মনে আছে তিনি এবং তাঁর পরিবারের খোঁজ নিতে যখনই ফোন করেছি তখনই ওয়ানিসাবের গলায় একটা জড়তার আভাস পেয়েছি। মুখে হয়তো তিনি বলেছেন, না না— চিন্তা করবেন না। আমরা ভালো আছি। পামপোরেতে গোলমাল নেই। অন্য জায়গায় হয়েছে— আমরা এখানে ঠিকঠাকই আছি। আপনাকে তো বলেইছি— এসব ততদিন যাবে না, যতদিন না...! ফোন কেটে গেছে লাইন বিভ্রাটে নাকি এক কথা বলার ক্লান্তি এড়াতে তিনিই সরে গেছেন বুঝতে পারিনি। আবার কখনও ফোনেই কিছুটা বিষণ্ণ শুনিয়েছে তাঁর কণ্ঠ— আমরা তো বন্দি, ভারতে থেকেও আমরা তো পুরোপুরি ভারতের নই! তাই আমাদের বিপদ আমাদের অসুবিধে আর পাঁচজনের চেয়ে অনেক বেশি।
মানে!? আপনারা তো ভারতের বিশেষ-অঞ্চল, বিশেষ সুবিধেভোগী! ওয়ানিসাব হেসেছেন— থ্রি সেভেন্টির কথা বলছেন? ৩৭০ ধারা? ওটাই তো একধরনের বন্ডেজ। গরিব মানুষজন সস্তায় চাল-ডাল কিছু পায় ব্যাস। আর কী? কিন্তু, লাস্ট সাড়ে ছয় দশকে এখানে উন্নয়ন কী হল, গরিব কাশ্মীরিদের জীবনমানে কতটা পরিবর্তন হল ওই ৩৭০ দিয়ে একটু খোঁজ করতে বলুন না আপনাদের জার্নালিস্টদের। কথাটার অন্তর্নিহিত ব্যঙ্গ বুঝতে অসুবিধে হয়নি। বরং, তাঁর কথায় মনে পড়ল শ্রীনগরের রেস্তরাঁর সেই বসিরের মন্তব্য, ওই ৩৭০টায় আমাদের পায়ের বেড়ি হয়ে আছে। হ্যাঁ, ওই ভাঙিয়ে কেউ কেউ আরাম আয়েশে দিন কাটাচ্ছে সন্দেহ নেই, তবে আম পাবলিকের ওতে কোনও ফায়দা হয়নি। ফায়দা হয়েছে কটা পরিবারের। এই পরিবারগুলো শুরু থেকে এই ভ্যালিটাকে জমিদারি হিসেবে দেখেছে আর মানুষের দুঃখ-দারিদ্র্য ভাঙিয়ে রাজনীতি করে গেছে। এমনকী, এদের এক-আধজন প্রকারান্তরে সীমান্ত সন্ত্রাসেও পরোক্ষ মদত জুগিয়েছে আর উপত্যকায় অস্থিরতা তৈরি হলে তাকে সামনে রেখে গদি গুছিয়েছে। এদেরই একজনের মেয়েকে বাঁচাতে মারাত্মক জঙ্গিকে ছেড়ে দিতে হয়েছে— এমনও তো দেখেছি আমরা। দেখিনি? কাশ্মীরিদের এই কব্জা থেকে মুক্তি নেই। এবং এখানেই না থেমে সেদিন ওই বসির এবং তাঁর বন্ধুরা যা বলেছিলেন তার সারমর্ম মিলে গিয়েছিল ওয়ানিসাবের বক্তব্যের সঙ্গে। তাঁরাও বলছিলেন— যে যাই বলুক, এই ৩৭০টা আমাদের চারপাশে একটা বেরিয়ার, বাধার বেড়া দিয়ে রেখেছে। এটাকে হটিয়ে গোটা ভারতের সঙ্গে একাত্ম হতে না পারলে আমাদের মুক্তি নেই।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এবার কি সেই বহু প্রত্যাশিত মুক্তির আলো দেখা দিল ভূস্বর্গে? সংবিধানের ৩৭০ ধারা রদের সিদ্ধান্তে স্বাধীনতার সাত দশক পরে সত্যিই কি ভূস্বর্গের মুক্তি ঘটল? বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ভারতবর্ষের মূল স্রোতে এসে মিশল ৭৩ বছর ‘বিশেষ সুবিধাভোগী’ হয়ে কার্যত বহুজনার ঈর্ষানজরে একঘরে আমাদের শ্রীনগর, কাশ্মীর, আমাদের স্বপ্নের সৌন্দর্যলোক? সেই অপরূপের রাজ্যে মানুষজন কি এবার সত্যিই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিষেবা, জীবন-জীবিকায় আধুনিক উন্নয়ন-উন্নতির সুযোগ-সুবিধা পাবেন, কাশ্মীরি তরুণ-তরুণী পাবেন মনমতো চাকরিবাকরি? এবার কি শান্তি ফিরবে ভূস্বর্গে, বন্ধ হবে সীমান্তপারের হানাদারদের সন্ত্রাস, হত্যালীলা? আরও আরও বহু অনিবার্য প্রশ্নও উঠে আসছে আগস্টের শুরুতে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের ঘোষণার পর। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে পৃথক করে দুটি স্বতন্ত্র কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা এবং সেই সঙ্গে এই অঞ্চলে ৩৭০ ধারার বিশেষ সুবিধা রদের ঘোষণায় অনিবার্যভাবে দেশজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি বিরোধীদের অনেকেই, বিশেষত সিপিএম ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর হয়েছে। তাদের তালে তাল মিলিয়েছেন অনেকেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব পেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে। কিন্তু ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তে গোটা দেশের সাধারণ মহল তেমন বিরূপতা দেখাল কি? এই মহানগরীর পথঘাট অফিসকাছারি আড্ডা কিন্তু দেখায়নি। খুচখাচ বিতর্ক-তর্ক বেধেছে বটে, তবে শেষপর্যন্ত এক দেশ এক পতাকা এক আইন তত্ত্বকে সরাসরি খারিজ করার মতো জোরালো যুক্তি খুঁজে পায়নি কলকাতা। তবে গেরুয়া শিবির এই সিদ্ধান্তের মধ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন সাকার হওয়ার যে কথা বলছে তাতে বঙ্গবাসীজনের অনেকেই হয়তো শামিল হচ্ছেন না। নাই হতে পারেন। কিন্তু, আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি— নরেন্দ্র মোদিজির সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে চিহ্নিত করতে কিন্তু তাঁদেরও বাধছে না!
আসলে এখানে একটা সেন্টিমেন্ট একটা জাতীয়তাবাদী আবেগও হয়তো কাজ করছে। স্বাধীন ভারতে আসমুদ্রহিমাচল তেরঙা ছাড়া কেন বিশেষ একটি রাজ্যের জন্য বিশেষ পতাকা থাকবে— আবেগের মূল কথা এটাই। ৩৭০ ধারা রদের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর এই কথাটা অনেকের মুখে শুনেছি। কথাটাকে যুক্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া যায় কি? অনেকে এদিক সেদিক সোশ্যাল মিডিয়া খবরের কাগজ ইত্যাদি ঘেঁটে পড়ে এখন কাশ্মীর বিশেষজ্ঞ— তাঁরা উপত্যকায় জমি-বাড়ি কেনা ব্যবসাপাতি করায় এতদিনের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে সরব। অসভ্যতাও চলছে ভূস্বর্গের মানুষজন মহিলা পুরুষদের নিয়ে। নির্বোধ মূঢ় বিকৃতরুচি ছাড়া কে আর কাশ্মীরের তরুণীদের নিয়ে ওইসব ইতর চিন্তা প্রকাশ করতে পারে! এইসব পচা পাঁক নিয়ে আলোচনা যত কম করা যায় ততই ভালো। দুর্ভাগ্য এই যে, যে পদ্মদলের উদ্‌঩যোগে এমন ঐতিহাসিক একটা দৃষ্টান্ত তৈরি হল সেই দলেরই এক অপোগণ্ড বিধায়কের নাম ওই ইতরভাষণে যুক্ত হয়ে গেছে! আমরা নিশ্চিত দেশ রাজ্যের সাধারণ রুচিমান মানুষ চাইছেন, উন্নাওকাণ্ডের পাষণ্ডটাকে যেমন কড়া নজরে দেখেছেন দেশের শাসক এবং চরম শাস্তির ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছেন— ভূস্বর্গের তরুণীদের নিয়ে কদর্য মন্তব্য করা ওই লোকটার জন্যও একই পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। কারণ, জাতীয় সংহতি যেখানে লক্ষ্য সেখানে এমন মন্তব্য যে তার পরিপন্থী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকে হয়তো বলবেন, কোথাকার কোন অখ্যাত একটা লোক একটা বিধায়ক— তার বর্বর কথা উপেক্ষা করাই ঠিক। হয়তো ঠিক। কিন্তু, ঘোষিত উদ্দেশ্য যেখানে মহৎ, সারা ভারত এক হয়ে একাকার হয়ে এক পতাকাতলে থাকার মতো গরিমাময় সনাতন ঐতিহ্যের দিকে আমাদের টানছে সেখানে এক মন দুধে এক ফোঁটা চোনার মতো ওইসব কিড়েমাকোরে কেন থাকবে?
এরা জানে বিগত শতকের নব্বই দশকের প্রায় গোড়া থেকে কী অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে জম্মুর ক্যাম্পে দিনের পর দিন বছরের পর বছর কাটিয়েছেন কাটাচ্ছেন কাশ্মীরের লাখ লাখ পণ্ডিত পরিবার! এঁরাও তো কাশ্মীরি। আজও যাঁরা ভূস্বর্গের বাসিন্দাদের নিয়ে অসভ্য মশকরা করছেন তাঁরা একটু খোঁজখবর নিন। হুমকি নির্দেশে রাতারাতি সেদিন ঘর ছাড়তে হয়েছিল তাঁদের। সহায় সম্বলহীন সেই মানুষজনেদের জায়গা হয়েছিল জম্মুর খোলা মাঠে, অস্থায়ী ছাউনিতে। তাঁদের অনেকেই ছিলেন সম্পন্ন গৃহস্থ। হঠাৎ করে অমন অস্বচ্ছ অস্বাস্থ্যকর যাপনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে কী যন্ত্রণা হয়েছিল তাঁদের, তা তখন ওই আশ্রয় শিবিরগুলোয় বসবাসকারীদের সঙ্গে কথা বলেই হাড়ে হাড়ে বুঝেছিলাম। অপরাধ কী ছিল তাঁদের? জানি না। যেটুকু জেনেছিলাম তার উল্লেখও আজ নিষ্প্রয়োজন। তাছাড়া, সেইসময় থেকে আজ অবধি আমরা কেউ কি জানতে চেয়েছি ওঁরা কেমন আছেন? জানতে চাইনি কোনওদিন, খোঁজও রাখিনি। তাই নামটা ভুলে গেছি সেই উচ্চশিক্ষার্থী (যতদূর মনে পড়ছে মেডিক্যাল ছাত্রী) তরুণীর যিনি ১৯৯৩ সালের শেষ ডিসেম্বরের কোনও এক বিকেলে ভেজা চোখ আকাশে রেখে শুধু বলেছিলেন, বলতে পারেন কবে ফিরব আমরা আমাদের বাড়ি? এখানে এই বেআব্রু নোংরায় কি থাকা যায় বলুন? বলতে পারিনি। আজ এত বছর পরে তিনি কোথায় জানি না। তাঁদের শ্রীনগরের বাড়িতে শেষপর্যন্ত ফিরতে পেরেছেন কি না তাও জানি না। হয়তো খুব ভালো একজন ডাক্তার হয়ে দেশের অন্য কোথাও অন্য কোনওখানে তিনি এখন রোগীর সেবায় রত।
কিন্তু যেখানেই থাকুন চাইলে এবার স্বাধীনতার ৭৩তম উৎসবটা তিনি মুক্ত ভূস্বর্গে ওয়ানিসাব কি বসিরের পরিবারের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে মানাতেই পারেন। ভারত সরকার ৩৭০ সরিয়ে যে বার্তাটি দিয়েছে তাতে এই আশ্বাস পরিষ্কার। ধর্মনিরপেক্ষ সংহতিকামী ভারতে স্বাধীনতা দিবসে এমন তোফা—এও কি নজিরবিহীন নয়?
15th  August, 2019
‘বর্তমান’কে স্নেহের আঁচলে ঢেকে রেখেছিলেন আমাদের সবার শুভাদি
হিমাংশু সিংহ

২০০৮ সালের ১৯ জুন ‘বর্তমান’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্ত আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এক লহমায় মনে হয়েছিল, যেন মাথার উপর থেকে বিশাল ছাদটা সরে গেল। বরুণবাবু ছিলেন পোড় খাওয়া অকুতোভয় এক বলিষ্ঠ সাংবাদিক, যিনি সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে নিজের জীবনও বাজি রাখার অসামান্য ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।  
বিশদ

22nd  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন 

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন।  বিশদ

21st  October, 2019
তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে।   বিশদ

21st  October, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় ফের চালু হল ‘সোনি সেন্টার’। গোলপার্কে গড়িয়াহাট রোডের উপর ওই শো-রুমটি এক হাজার বর্গফুটেরও বেশি জায়গা জুড়ে খোলা হয়েছে, যেখানে সোনির ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা শহরের রাজ আমলের মদন মোহন বাড়ির দিঘিরপাড় দখল করার অভিযোগ উঠছে পুরসভার বিরুদ্ধে। কোচবিহারের মদন মোহন বাড়ির দেবোত্তর ট্রাস্টের অধীনে থাকা এই দিঘিটি রয়েছে পুরসভার অতিথি নিবাসের পাশেই।  ...

অভিজিৎ চৌধুরী, চন্দননগর, বিএনএ: শুধু দর্শনীয় প্রতিমা বা মণ্ডপের থিম নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রার প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ আসন ছিনিয়ে নিতেও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে চন্দননগরে। ...

প্রাগ, ২২ অক্টোবর: মরশুমের প্রারম্ভিক পর্বে যথেষ্ট নড়বড়ে ছিল বার্সেলোনা। কিন্তু সময় এগনোর সঙ্গেসঙ্গে চেনা ছন্দ খুঁজে পেয়েছে আর্নেস্তো ভালভার্দের দল। চোট সারিয়ে মেসি দলে ফেরার পর বাকিদের মনোবল স্বাভাবিকভাবেই তুঙ্গে। গত পাঁচটি ম্যাচে জয় পাওয়ার পর আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় থেকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭০৭— ব্রিটেনের প্রথম পার্লামেন্টে অধিবেশন শুরু হল
১৯১৭—অক্টোবর বিপ্লবের ডাক দিলেন লেনিন
১৯২৯—নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে মহামন্দার সূচনা
১৯৪৪—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: হাঙ্গেরি প্রবেশ করল সোভিয়েতের লাল ফৌজ
২০০২—মস্কোর থিয়েটারে হানা দিয়ে প্রায় ৭০০ দর্শককে পণবন্দি করল চেচেন জঙ্গিরা
২০১২—সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১২ টাকা ৭১.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৪৫ টাকা ৯৩.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৬ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৪৮/৪৩ রাত্রি ১/৯। অশ্লেষা ২৩/৫২ দিবা ৩/১৩। সূ উ ৫/৩৯/৫৭, অ ৫/২/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ৭/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১১/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৬/৪৪ মধ্যে পুনঃ ৮/২৪ গতে ৩/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে। 
৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৮/৩৫/৩১ রাত্রি ৯/৬/৫৪। অশ্লেষা ১৬/২৮/৪০ দিবা ১২/১৬/১০, সূ উ ৫/৪০/৪২, অ ৫/৩/৩২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৮ গতে ৮/২ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৫ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/১৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২২/২ গতে ১২/৪৭/২২ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩১/২২ গতে ৯/৫৬/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১/২২ গতে ৪/৬/২ মধ্যে। 
২৩ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কার্শিয়াংয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক শুরু 

02:07:00 PM

খিদিরপুরে ৬২০ কেজি শব্দবাজি সহ ধৃত ২ 

01:22:54 PM

কল সেন্টার খুলে প্রতারণার অভিযোগ, ধৃত ৫ 
ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশিদের প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল ...বিশদ

01:03:35 PM

কালীপুজোয় বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় ফানুস ওড়ানোয় নিষেধাজ্ঞা 
কালীপুজোর সময় বিমানবন্দর সংলগ্ন নারায়ণপুর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকায় ফানুস ওড়ানো ...বিশদ

12:24:50 PM

বিসিসিআই সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় 

11:38:59 AM

মালদহে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যুবতীর মৃত্যু 
পুরাতন মালদহের নারায়ণপুর মালিগ্রামে গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে এক যুবতীর মৃত্যু ...বিশদ

11:28:15 AM