Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বনে থাকে বাঘ 
অতনু বিশ্বাস

ছেলেবেলায় ‘সহজ পাঠ’-এ পড়েছিলাম ‘বনে থাকে বাঘ’। যদিও এই পাঠটা যে খুব সহজ আর স্বাভাবিক নাও হতে পারে, অর্থাৎ বনে বাঘ নাও থাকতে পারে, সেটা বুঝতে বেশ বড় হতে হল। ছোটবেলায় অবশ্য মনে বদ্ধমূল ধারণা ছিল, বন-জঙ্গল গিজগিজ করে বাঘে। শিশু বয়সে অন্যান্য বেশ কিছু গল্প শুনে বা পড়ে বাঘের অপ্রতুলতা সম্পর্কে কোনও সন্দেহ হবার কারণ ঘটেনি। যেমন, উপেন্দ্রকিশোরের গল্পে তো বাঘের ছড়াছড়ি। বহুবার ভেবেছি, ‘টুনটুনির বই’য়ের নাম ‘বাঘের বই’ দিলেও চলত। সেখানে বাঘ আর শিয়াল, চড়াই আর বাঘ, দুষ্টু বাঘ, বোকা বাঘ, বাঘ-বর, আরও কত কী! তবে সিংহের মামা ভোম্বলদাস গণ্ডা দশেক বাঘ মেরেছে শুনে মনে হয়েছিল, বেচারা বাঘেরা কোথায় যাবে তাহলে। বাঘ কি তাহলে শেষ হয়ে যাবে নাকি? আর একটু বড় হয়ে যখন জিম করবেটের শিকারের গল্পগুলি পড়ছি, তখন বাঘগুলিকে আর একটু ভয়ঙ্কর মনে হয়েছে, এই যা। তবে তাদের অস্তিত্বের সঙ্কটের কোনও কারণ আছে বলে তখনও মনে হয়নি এতটুকু।
বাস্তবে কিন্তু তখনই ভোম্বলদাসদের কর্মকাণ্ডের ফলশ্রুতি পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল। সঙ্গে আরও কারণ আছে অবশ্যই। আমরা অতটা ঠাহর করতে পারিনি, এই যা। বাঘের জনসংখ্যায় (বাঘ-সংখ্যায়) টান ধরে গিয়েছে তখনই। পৃথিবী জুড়েই। আসলে ‘পৃথিবী জুড়ে’ কথাটা তো এক্ষেত্রে গৌরবে বহুবচন। এক বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঘের বাসভূমি তো আমাদের ভারতবর্ষের জঙ্গলগুলি। গত শতকের সাতের দশকের গোড়াতেই পৃথিবীতে বাঘের সংখ্যা কমে যায় বিপজ্জনক ভাবে। মনে আছে, হরতকী গ্রামের বাঘা বাইন জঙ্গলে গিয়ে বাঘের ভয় পায়, কিন্তু দেখা পায় না বাঘের। ওই যে উপেন্দ্রকিশোর লিখেছেন, ‘বাঘে খাবে দূরে থাক, সে বনে বাঘ-ভালুক কিছু নেই।’১৯৭৩ সালেই ভারত সরকার শুরু করে ‘প্রোজেক্ট টাইগার’। অনেকটা যেন 'বাঘ বাঁচাও' প্রকল্প। যেন আগে থেকে সাবধান হওয়া যাতে এমন দিন না আসে যে, উপেন্দ্রকিশোরের গল্পের বাঘগুলি সম্পর্কে আমাদের বলতে হয়, “হ্যাঁ, বাঘ নামে এক প্রাণী এক সময় ছিল পৃথিবীতে...”।
কিন্তু ২০১০ সাল নাগাদ দেখা গেল যে, গোটা পৃথিবীতে বাঘ মাত্র ৩,২০০টি। পরিবেশের বদল, খাদ্যে টান, বাঘেদের বাসস্থান ধ্বংস এবং নির্বিচারে বেআইনি বাঘ শিকার, এসবের মিলিত ফলশ্রুতিতে। সে বছর ভারত-সহ পৃথিবীর ১৩টি বাঘ-সমৃদ্ধ দেশ বৈঠকে বসে রাশিয়ায়। সেন্ট পিটার্সবার্গে। পরিকল্পনা হয় বাঘের সংখ্যা বাড়ানোর। লক্ষ্য পরিষ্কার। ২০২২-এর মধ্যে দেশগুলি যাতে দ্বিগুণ করতে পারে নিজ নিজ দেশের বাঘের সংখ্যা। ভারত কিন্তু, অন্তত, সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছে এর মধ্যেই, ২০১৮-র হিসেবে।
২০১৮-র চতুর্থ বাঘ-শুমারি অনুসারে এদেশে এক বছর বয়সের ঊর্ধ্বে থাকা বাঘের সংখ্যা ২,৯৬৭। চার বছর পরে পরে হয় এই বাঘ গোনার কর্মকাণ্ড। ২০০৬-এর বাঘ-শুমারিতে এদেশে বাঘ ছিল ১,৪১১টি, ২০১০-এ তা দাঁড়ায় ১,৭০৬টিতে, আর ২০১৪ সালের তৃতীয় বাঘ-শুমারিতে বাঘের সংখ্যা ছিল ২,২২৬টি। তাই, এটা পরিষ্কার যে, বাঘের অনুকূল বাসস্থান, খাদ্য ইত্যাদির সংরক্ষণ করা এবং ভোম্বলদাসদের আটকাতে ভারত মোটামুটিভাবে বেশ সফল এই সময়কালে। পৃথিবীর মোট বাঘের সংখ্যা এখন মোটামুটি ৩,৯০০-র মতো। তাই ২০১৮-র হিসেব অনুসারে পৃথিবীর ৭৭ শতাংশ বাঘই এখন ভারতে। তাই ভারতে বাঘ সংখ্যায় বাড়লেও, অন্যান্য জায়গায় মোটের উপর বাঘের সংখ্যা যে কমে এসেছে এই সময়ের মধ্যে, সেটাও পরিষ্কার।
এবারের বাঘ-শুমারির হিসেব অনুসারে কোনও বাঘ নেই উত্তরবঙ্গের বক্সার ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রে। এনিয়ে বিস্তর হইচই আর আলোচনা চলছে মিডিয়াতে। বিশেষ করে বাংলার মিডিয়াতে। তবে, সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যার হিসেবটা একবার দেখা যেতে পারে। ২০১০-এর শুমারিতে ভারতের সুন্দরবন অঞ্চলে বাঘের সংখ্যা ছিল ৭০। গত ২০১৪-তে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬, আর এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৮-তে। তাই একটু একটু করে উজ্জ্বল হলুদ হয়ে উঠছে আমাদের সুন্দরবন।
বাঘ গোনার কাজটা কিন্তু মানুষ গোনার চাইতে ঢের কঠিন। বাঘেরা ঘুরে বেড়াবে ঘন জঙ্গলে। গভীর জঙ্গলের গভীরতম অংশে সমীক্ষা করতে যাবে কে? কীভাবে? এমনিতে জঙ্গলের বাঘকে খুঁজে পাওয়াই মুশকিল। তার উপর খুঁজে পেতে তাকে পাশে বসিয়ে মানুষের আদমশুমারির মতো প্রশ্ন করে ফর্ম ভর্তি করার মতো উপেন্দ্রকিশোরীয় গল্প তো বাস্তবে সম্ভব নয় একেবারে। বাঘগুলিকে লাইনে দাঁড় করিয়েও পটাপট গুনে ফেলা সম্ভব নয়। তাই বাঘ গোনাটা হয় একেবারে অন্যভাবে।
আসলে গোনা যায় বা দেখা যায় কিছু সংখ্যক বাঘ, আর সেই সঙ্গে অনুমান করা হয় না দেখা বাঘের সংখ্যা। যোগ করা হয় এই দুটো সংখ্যাকে। ২০১৪-তে যেমন দেখা আর অনুমান করা বাঘ যথাক্রমে মোট সংখ্যার ৭০ আর ৩০ শতাংশ। ২০১৮-তে দেখে গোনা বাঘের সংখ্যা কিন্তু অনেক বেশি। দেখা বা অন্য কোনও সূত্রে খোঁজ পাওয়া বাঘ এবার ৮৩ শতাংশ। কিন্তু বাঘের খোঁজ পাবার পদ্ধতিটাও বদলাচ্ছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
প্রায় বছর পনেরো আগে কলকাতার ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটে আমার কয়েকজন সহকর্মী বাঘের পায়ের ছাপ থেকে সুন্দরবনের বাঘ গোনার জন্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক প্রোজেক্টে এক সফটওয়্যার তৈরি নিয়ে কাজ করেছিল। এমনিতে বাঘের পায়ের ছাপ একেবারেই আলাদা আলাদা। ধরা যাক, সেটাই বাঘের স্বাক্ষর। পায়ের ছাপ বলতে চারটে করে আঙুল, আর প্যাডের ছাপ। বাঘ বদলালে বদলে যাবে এই বিভিন্ন আঙুল আর প্যাডের দূরত্বগুলি। বাঘের পায়ের ছাপের প্লাস্টারের ছাঁচগুলি থেকে অনুমান করা হয়েছে বাঘের সংখ্যা, রাশিবিজ্ঞানের তত্ত্বের প্রয়োগ করে। আর সেই সঙ্গে রাশিবিজ্ঞানের সাহায্যেই অনুমান করা হয় ছাপ পাওয়া যায় নি এমন বাঘের সংখ্যা।
সময় বদলেছে। বদলেছে বাঘ গোনার প্রযুক্তিও। ২০১৮-তে বাঘ গুনতে চষে ফেলা হয়েছে দেশের ৩ লক্ষ ৮১ হাজার বর্গ কিলোমিটার জঙ্গল। জঙ্গলের মধ্যে যাওয়া হয়েছে ৫ লক্ষ ২৩ হাজার কিলোমিটার ফুট। দেশের ১৪১টি অঞ্চলের প্রায় ২৭ হাজার জায়গাকে আনা হয়েছে ক্যামেরার আওতায়। তোলা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ ছবি, যার মধ্যে বাঘের ছবি প্রায় ৭৭ হাজার, আর চিতার ছবি প্রায় ৫২ হাজার। এর সঙ্গে যোগ করা হয়েছে আরও নানা ধরনের তথ্য—গাছপালা, অন্যান্য জন্তু-জানোয়ার ইত্যাদি ইত্যাদি। এ এক বিপুল তথ্য। এইসব তথ্য সংগ্রহে অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি। প্রায় ৪৪ হাজার কর্মকর্তা আর ৫৫ জন জীববিদ্যা-বিশারদের একযোগে মোট ৬ লক্ষ মানব-দিবসের ফল এবারের এই বাঘ-শুমারি। এই বিপুল তথ্যকে বিশ্লেষণ করে পাওয়া গিয়েছে ২,৪৬১টি বাঘের খোঁজ। বাকি শ’পাঁচেক বাঘ অনুমান করা হয়েছে অন্যান্য তথ্যের উপর নির্ভর করে রাশিবিজ্ঞানের ব্যবহারে।
দেখা যাচ্ছে, বাঘ সংরক্ষণে বেশ ভালোই কাজ করছে ভারত। তাই, মোটের উপর বলা চলে, এদেশের বনে বাঘ আছে। এবং তারা বাড়িয়ে চলেছে তাদের সংখ্যা। বছরে ৬ শতাংশ হারে। তবে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়। দেশের নানা প্রান্তের জঙ্গলের মধ্যে বাঘের বেঁচে থাকার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, এবং সেই সঙ্গে ভোম্বলদাসদের হাত থেকে তাদের রক্ষা করা খুব সহজ নয়। চার ভাগের এক ভাগ বাঘই মারা যায় চোরা-শিকারের ফলে। গোটা পৃথিবীর মধ্যে বাঘের প্রধান বাসভূমি আমাদের এই দেশ, আর তাই আমাদের দায়িত্ব অবশ্যই খানিক বেশি। যাই হোক, আপাতত আমরা বেশ গর্বের সঙ্গেই বলতে পারি যে, আমাদের বনে জঙ্গলে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’, এবং বেশ ভালোভাবেই।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
13th  August, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

 নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): নাগাদের জন্য আলাদা পতাকা এবং সংবিধানের দাবি খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে চলা শান্তি প্রক্রিয়াতেও সরকার ইতি টানতে চাইছে। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: প্রথম ম্যাচে এটিকের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ী কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি 

09:37:34 PM

আইএসএল: কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি ২ - এটিকে ১ (বিরতি) 

08:29:36 PM

কোচবিহারের দিনহাটার নারায়ণগঞ্জে ৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার 

06:16:00 PM

করণদিঘিতে ব্যবসায়ী খুনে ৫ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র 

05:47:32 PM

শ্রীরামপুরে লকেটের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে 
সংকল্প যাত্রায় অংশগ্রহণের পথে শ্রীরামপুরের বটতলায় লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি আটকানোর ...বিশদ

04:32:00 PM

রাঁচি টেস্ট: কম লাইটের জন্য খেলা বন্ধ, দঃ আফ্রিকা ৯/২ (প্রথম ইনিংস) 

04:19:41 PM