Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি। আতঙ্কের আবহ তৈরি করা—আপনার পিছনে কিন্তু মশাই গোয়েন্দা ঘুরছে। দু’টো চোখ সবসময় আটকে রয়েছে আপনার গায়ে। ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কিছু করছেন না তো?
তেমন কিছু হলেই কিন্তু হাতকড়া এসে লেগে যাবে। জানতেও পারবেন না। পুলিস রাষ্ট্র। মতপ্রকাশের তো বটেই, ভাবনারও স্বাধীনতা যেখানে নেই। ইউএপিএ সংশোধনী বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ঘাড়ে কিন্তু এই আতঙ্কই চেপে বসেছে... তাহলে কি পান থেকে চুন খসলেই সন্ত্রাসবাদী তকমা লাগিয়ে দেবে? কাশ্মীরি মেয়েদের কীভাবে বিয়ে করা যাবে, সেই প্রশ্ন যদি আপাতত মার্কেটে এক নম্বরে থাকে, তাহলে এই প্রশ্নও খুব কাছাকাছি থাকবে। বিল পাশের ম্যারাথন অধিবেশনে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার পাঠ আচমকা চুকে যাওয়ার ঘটনায় নিঃসন্দেহে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। আর ইউএপিএ সংশোধনীর ফলে দেশের মধ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় স্পষ্ট বলেছেন, ‘এমন অনেকে আছে যারা সন্ত্রাসবাদী লেখালেখি কিংবা সন্ত্রাসের তত্ত্ব যুব সম্প্রদায়ের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়। বন্দুকের নলে সন্ত্রাসবাদী তৈরি হয় না। জঙ্গিবাদের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রোপাগান্ডায়। যেগুলো কিছু মানুষ ছড়ায়।’
সংসদে দাঁড়িয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের সংশোধনী আনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকিছু শব্দ ব্যবহার করলেন, যার ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা সংবিধানে বা কোনও আইনের বইতে নেই। টেররিস্ট লিটারেচার, প্রোপাগান্ডা। এর মানে যেভাবে খুশি দাঁড় করানো যায়... শাসক দলের সুবিধার্থে। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি এমন কোনও কাগজপত্র থাকে, যা বৈপ্লবিক বা সরকার বিরোধী (অবশ্যই পুরোটা শাসক দলের মনে হওয়ার উপর নির্ভর করছে), তাহলে আপনি গ্রেপ্তার হতেই পারেন এবং আপনকে সন্ত্রাসবাদী বলে পুলিস বা এনআইএ ঘোষণাও করে দিতে পারে। তারপর কী হবে?
সবচেয়ে বড় ধাপ্পাটা হল, একজন ব্যক্তিবিশেষকে জঙ্গি ঘোষণা করার পর আইনগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাঁর কী ধরনের সাজা হবে, তার বিস্তারিত কিন্তু সংশোধনীতে বলা নেই। শুধু বলা রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির নাম চতুর্থ শিডিউলে যুক্ত করা হবে। অর্থাৎ সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি ‘জঙ্গি’ নামে ভূষিত হবেন। এবার যাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করা হল, তিনি কী করবেন? অভিযোগ মেনে নিয়ে হাত-গুটিয়ে বসে থাকবেন? কিছুটা তাই। কারণ আদালতে
গিয়ে সুরাহার খুব একটা সুযোগ তাঁর থাকবে না। তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গিপনার যে বিজ্ঞপ্তিটি জারি হবে, খুব বেশি হলে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়ে দেওয়া একটি রিভিউ কমিটির কাছে গিয়ে সেটি খারিজ করার জন্য তিনি দরবার করতে পারবেন। সেই কমিটি যদি মনে করে, পর্যালোচনার আদেশ দেবে। সব ঠিক থাকলে বেশ কয়েক মাস বা বছর সমাজে একঘরে হয়ে, না
চাওয়া সত্ত্বেও জঙ্গি সেজে থাকার পর মুক্তি মিলবে। ততদিনে অবশ্য জীবন মোটামুটি খরচের খাতায়।
ভালো যুক্তি দেখিয়েছে কেন্দ্র—অনেক জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেওয়ার পরও দেখা যায়, সেই গোষ্ঠীর মূল জঙ্গিটি অন্য একটি সংগঠন খুলে নতুন করে সন্ত্রাসবাদ ছড়ায়। যেহেতু সেই নয়া জঙ্গি সংগঠনটি নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত নয়, ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। নতুন আইনে যেহেতু কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য না হলেও ব্যক্তিবিশেষকে ইউএপিএ আইনে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা যাবে, তাই আর অসুবিধা হবে না। খুব শিগগিরই ভারত হাফিজ সইদ, মাসুদ আজহারদের জঙ্গি হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে দেবে।
একটা বিষয় নিয়ে সংশয় নেই যে, গত তিন দশকে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে ভারতকে। মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা, ট্রেনে বিস্ফোরণ, হায়দরাবাদ... তালিকা শুধু দীর্ঘতর হয়েছে। আর ছিল কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তানের সরাসরি প্ররোচনায় সেখানকার ছেলেমেয়েদের জঙ্গি-খাতায় নাম লেখানো। ধর্মের নামে যেভাবে পাকিস্তান তথা তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতকে আঁচড়ে কামড়ে গিয়েছে, তার ফল ভোগ করেছি আমরা। সাধারণ মানুষ। বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে ধর্মের অজুহাতে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার যদি এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, যা এই আতঙ্ক থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত করতে পারে, তার থেকে ভালো কিছু হয় না! কিন্তু সত্যিই কি তা হল?
যুক্তির নামে শব্দ সাজাতে আর আপত্তি কোথায়? ইউএপিএ অর্থাৎ ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট ১৯৬৭’তেও কিন্তু এই ধরনের লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচুর সুযোগ ছিল। এই আইনের ৩৫তম ধারায় বলা আছে, আইন যদি মনে করে কোনও সংগঠন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তাহলে সেই সংগঠনটিকে জঙ্গিগোষ্ঠীর তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতেই পারে। সেই নামটি প্রথম শিডিউলে যুক্ত হবে। এখনও পর্যন্ত এই শিডিউলে ৩৩টি গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। এবং কোনও ব্যক্তি যদি এই ৩৩টি সংগঠনের মধ্যে একটিরও সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সদস্য, সমর্থক বা অর্থের জোগানদারের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ১৯৬৭’র ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর ধারার বলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে এবং সেই ব্যক্তিকে জঙ্গি ঘোষণাও করা যাবে।
তাহলে এই সংশোধনীর প্রয়োজনটা কোথায় ছিল? প্রথমত, এনআইএকে বিপুল শক্তি দেওয়া। এবং দ্বিতীয়ত, বিরোধীদের চাঁদমারির আওতায় নিয়ে আসা। অন্তত বিরোধী দলগুলির মাথায় এই উদ্বেগই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিরোধী মাত্রই সরকারের নিয়ম-নীতির বিরুদ্ধে মতামত থাকবে। আর তেমন কিছু মতামত প্রকাশ করলেই যদি গায়ে জঙ্গি তকমা সেঁটে দেওয়া হয়, তার ফল কিন্তু সুদূরপ্রসারী! অথচ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্র বা আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে কেন্দ্রের শাসক দলের কাছে সন্ত্রাসবাদী ভাবনা, সেই মত যদি কোনও বিরোধী দলের নেতা বা নেত্রী প্রকাশ করেন, তাহলে তাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করে একঘরে করে দেওয়াটাও অস্বাভাবিক হবে না। এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন তথাকথিত ‘আরবান মাওয়িস্ট’ গোত্রের লোকজন। এই নামকরণটিও শাসক দলের। অর্থাৎ, এই ধরনের লোকজন কট্টর বামপন্থায় বিশ্বাসী বা এই মতের পক্ষে লেখালেখি করেন। অসংশোধিত ইউএপিএ’র মাধ্যমে এঁদের সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করতে গত কয়েক বছরে কেন্দ্রকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। দিনের পর দিন গৃহবন্দি করে রাখা বা গ্রেপ্তারের পর যখন আদালতে মামলা উঠেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রায় গিয়েছে অভিযুক্তদের পক্ষে। কেরল সরকার বনাম রানিফ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে এক ব্যক্তির নাম জুড়ে গিয়েছে বলেই তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করা যায় না। যদি না সেই ব্যক্তি সরাসরি কোনও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এমনকী অন্য একটি মামলায় মাওবাদী নথি রাখার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া তো বটেই, তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছিল কেরল হাইকোর্ট।
কিন্তু নতুন আইনে কোনও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সব ক্ষেত্রে জঙ্গি বলে চালিয়ে দেওয়াটা খুব সহজ হয়ে যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে অবশ্য আজ শুধু বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায় চাপিয়ে লাভ নেই। কারণ, এই আইন সব শাসক দলের কাছেই ব্রহ্মাস্ত্র হতে চলেছে। যে দল সরকারে থাকবে, সে-ই কিন্তু একে নিজের ইচ্ছেমতো কাজে লাগাবে। এবং হয়তো তা হবে মূলত বিরোধীদের উপর। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আজও সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের তেমন একটা সুযোগ নেই। মানুষ নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধিকে। সেই ব্যক্তি যদি বিরোধী কোনও দলের হন তাহলে আইনসভার অন্দরে বা বাইরে শাসক দলের বিরুদ্ধমত প্রকাশ করতেই পারেন। তাঁর দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের বা তাঁর ভোটারের বক্তব্য সরকারের সামনে তুলে ধরা। ইউএপিএ সংশোধনীর পর তা কি খোলাখুলিভাবে সম্ভব হবে? বিরোধী আসনে বসা সেই জনপ্রতিনিধি এখন ভাবতেই পারেন, যত কম বলা যায় ততই ভালো। বলতে গেলে যদি সরকার জঙ্গি ঘোষণা করে দেয়!
কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য দাবি করেছে, এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে না। কিন্তু সেই গ্যারান্টি কে দিচ্ছে? টাডা আইনের ক্ষেত্রেও তো তৎকালীন সরকার গ্যারান্টি দিয়েছিল। আসলে কিন্তু বহু সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে তার জন্য সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এক্ষেত্রেও তা হবে না তো? সংবিধানের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে সাধারণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হয়ে আত্মপ্রকাশ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইউএপিএ’র সংশোধনীতে। হয়তো তেমন কিছুই হবে না। কিন্তু সুযোগ তো রয়েছে! তাই উদ্বিগ্ন মানুষ। আতঙ্কে বিরোধীরা। কেন্দ্রের শাসকদল এখন চাইলেই ‘বিগ ব্রাদার’ হয়ে নজরদারি চালাবে দেশবাসীর উপর। বিরুদ্ধমতের উপর। অতএব মুখে কুলুপই শ্রেষ্ঠ উপায়। 
13th  August, 2019
মোদি বনাম দিদি ও অন্য লড়াইগুলি
পি চিদম্বরম

ভারতীয় মিডিয়া সবে জাগতে শুরু করেছে। মানুষ তার ক্রোধের বহিঃপ্রকাশের জন্য প্রতিটা নির্বাচনকে হাতিয়ার করছে। দৃষ্টান্ত, উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত ভোট। ২০২১ সাল—আরও একটি নষ্ট বছরের জন্য মনোবল ফেরানোর জন্য যখন চেষ্টা করছি, ঠিক তখনই আশঙ্কায় কেঁপে উঠছি আগামী দু’টি বছরের কথা ভেবে—২০২২, ২০২৩ সালও নষ্ট হবে না তো! বিশদ

বাংলা থেকেই কি মোদির শেষের শুরু
হিমাংশু সিংহ

মুসলিম ও হিন্দু দু’তরফেই বাংলায় প্রত্যাখাত হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। উল্টে নাক উঁচু বাম প্রগতিশীল সমাজও বিজেপিকে ঠেকাতে খোলা মনে মমতার নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন। মেরুকরণের বিষ ব্যুমেরাং হয়ে বিধ্বস্ত করেছে গেরুয়া দলকেই। প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, মিথ্যার দ্বারা মহৎ কাজ হয় না। বিশদ

09th  May, 2021
স্বৈরাচারী কলুষিত প্রশাসনকে
হুঁশিয়ার করলেন রবীন্দ্রনাথ
জয়ন্ত কুশারী

রবীন্দ্রনাথই অন্যতম মহামানব যিনি ভাবীকালের পৃথিবীকে তাঁর অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে চিনতে পেরেছিলেন। এটা অনস্বীকার্য যে বিবাদ বিদীর্ণ দেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের বৈষম্য, অর্থনৈতিক স্তরবিন্যাসের বৈচিত্র্য, প্রগতির বিভিন্ন মানকে স্বীকার করে নিয়েও সামগ্রিক ক্রমোন্নতির পথ থেকে বিচ্যুত হননি। বিশদ

09th  May, 2021
সাধু সাবধান, ভাবিয়া করিও কাজ
তন্ময় মল্লিক

‘বদল হবে, বদলাও হবে’। নির্বাচনের আগে দিলীপ ঘোষ থেকে সায়ন্তন বসুদের এটাই ছিল জনপ্রিয়তম স্লোগান। ‘বদলা নেওয়ার’ হুমকির পাশাপাশি চোখা চোখা ডায়ালগের ফুলঝুরি ফুটত। প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে পারেননি অনুব্রত মণ্ডলও। ‘ডাটিয়ে পগার পার করে দেব’ বলার পর অনুব্রতবাবু ‘খেলা হবে’তেই আটকে ছিলেন। বিশদ

08th  May, 2021
করোনা ঠেকাতে প্রতিরক্ষা
মন্ত্রকের উদ্যোগ
রাজনাথ সিং  

মহামারীর বর্তমান পরিস্থিতি ভারত মোকাবিলা করছে ঐক্যবদ্ধভাবে। সশস্ত্র বাহিনী দেশকে জয়ী করতে নানান উদ্যোগ নিয়েছে। বাহিনীর সদস্যদের রয়েছে অদম্য মনোভাব। যে-কোনও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার মানসিকতায় তাঁরা পূর্ণ। বিশদ

08th  May, 2021
গণদেবতার আশীর্বাদ
মৃণালকান্তি দাস

শেষ বিচারে বঙ্গসমাজ বিজেপির আইডেনটিটি পলিটিকস তত্ত্বকে আমল দেয়নি। বাঙালিয়ানা বিসর্জন দিয়ে বিজেপির হিন্দু-হিন্দি-হিন্দুস্তান মার্কা ভারতীয়ত্বকে আপন করে নিতে চায়নি। বহুত্ববাদ, বৈচিত্র্য ও বিবিধকে আঁকড়ে ধরে একদর্শী মতবাদকে তফাতে ঠেলেছে। দিনের শেষে এই রাজনৈতিক সংঘাত তাই রূপ নিয়েছে এক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে।
বিশদ

07th  May, 2021
প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

ভোট পর্ব মিটতে না মিটতে করোনা রোধে আঁটসাঁট বিধিনিষেধ। মাত্র এক দেড় মাসের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী ভোট পরিচালনায় রাজ্যব্যাপী সর্বত্র করোনা ছড়িয়ে গেছে। এমন অভিযোগ উঠে এসেছে কেবলমাত্র রাজনৈতিক দলের মধ্য থেকে নয়, খোদ মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকেও। বিশদ

06th  May, 2021
রাজধর্ম পালনের শপথ
হারাধন চৌধুরী

কোভিড পরিস্থিতি আপনারা দায়িত্ব নিয়ে যদি এতটা খারাপ না করে ফেলতেন, তাহলে অবশ্যই বলতাম, মোদি-শাহ-নাড্ডা বাংলায় আসুন। আজই সুযোগ। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতার শপথের হ্যাটট্রিক। দেখে যান রাজধর্ম পালনের শপথ কীভাবে নিতে হয়। বিশদ

05th  May, 2021
মোদি হাওয়া নেই... ছিলও না 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

বাঁদরের হাতে লোডেড রিভলভার ধরিয়ে দিলে কী হয়? উত্তরের জন্য কোনও পুরস্কার নেই। কিন্তু যে ব্যক্তি এই মহান কর্মটি করে, তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। নিশ্চিতভাবে তার মাথার ব্যামো আছে। আমাদের আর্থ-সামাজিক কাঠামোটাও কতকটা তেমন। 
বিশদ

04th  May, 2021
বাংলার আবেগের
অপর নাম আজ মমতা
হিমাংশু সিংহ

নরেন্দ্র মোদির আজকের এই পরাজয় তাই শুধু বাংলাতে পা রাখতে না পারার লজ্জা নয়, এক ৬৫ বছরের মহিলাকে ক্রমাগত ‘দিদি ও দিদি’ ও ‘জয় শ্রীরাম’ গালাগালি নিক্ষেপ করারও মধুর বদলা।  বাংলা ও বাঙালি আজ মমতাময়। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কট থেকে  চরম বিপর্যয়
পি চিদম্বরম

আপনি এই নিবন্ধ যখন পড়ছেন ততক্ষণে ১৮-৪৪ বছর বয়সিদের করোনা ভ্যাকসিন দেওয়ার মতো বিরাট কর্মসূচিটা দেশে চালু হয়ে গিয়েছে। কিছু রাজ্য আগ্রহের সঙ্গে এবং কিছু রাজ্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও এতে শামিল হয়েছে। অন্যদিকে, ততক্ষণে শেষ হয়ে গিয়েছে ভোটগণনার মতো আর একটা ইভেন্ট এবং ফলাফল বেরিয়ে গিয়েছে। বিশদ

03rd  May, 2021
সঙ্কটকালে করোনাই
হোক প্রধান প্রতিপক্ষ
তন্ময় মল্লিক

করোনা আবহে দ্রুত বদলে যাচ্ছে সব কিছুই। বদলে যাচ্ছে মানুষের চাহিদাও। সোনাদানা, গাড়ি বাড়ির চেয়েও বহু মানুষের কাছে মূল্যবান অক্সিজেন সিলিন্ডার। এই পরিস্থিতিতে বদল দরকার রাজনৈতিক নেতাদেরও। তাঁদের ভাবনার। কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি নয়, সঙ্কটকালে করোনাই হোক প্রধান প্রতিপক্ষ। বিশদ

01st  May, 2021
একনজরে
সঙ্কটেও স্বমহিমায় গেরুয়া শিবির। করোনা নিরাময়ে ফের গোমূত্র তত্ত্বেই ফিরে এল বিজেপি। সকালে খালি পেটে গোমূত্র খেলে করোনা প্রতিরোধ ‘নিশ্চিত’। এমনই দাবি করলেন উত্তপ্রদেশের বাইরিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। শুধু মন্তব্য করেই থেমে থাকেননি তিনি। ...

কোচবিহারের মহারাজা জিতেন্দ্রনারায়ণ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ‘টেলি কনসালটেন্সি’ চালু হল। বিভিন্ন বিভাগের মোট ৪০ জন চিকিৎসক সপ্তাহের সাতদিন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ২৪ ঘণ্টা এই পরিষেবা দেবেন। জেলার যেকোনও প্রান্তের মানুষ করোনা সংক্রান্ত যেকোনও বিষয়ে এখানে ফোন করে পরামর্শ নিতে পারবেন। ...

ভালো যাচ্ছে না ব্রিটেনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক। তারমধ্যেই মাথা চাড়া দিল নতুন বিতর্ক। রানি এলিজাবেথের এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ আনল দু’টি সংবাদ মাধ্যম- সানডে টাইমস ও চ্যানেল ফোর। ...

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই ঘোষণা করেছেন, এবার মানুষের বাড়িতে সরাসরি রেশনের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। দিল্লি কেজরিওয়াল সরকারও একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সেই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু আপত্তি তোলা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তির সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কারও শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যা শিক্ষায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫২৬ - পানিপথের যুদ্ধ জয় করে মোগল সম্রাট বাবর আগ্রায় প্রবেশ করেন
১৬১২ - মুঘল সম্রাট শাহজাহানের সাথে মুমতাজের বিয়ে হয়
১৮২৪ - লন্ডনে জাতীয় গ্যালারি জনগণের জন্য খুলে দেওয়া হয়
১৮৫৭: দেশজুড়ে শুরু হল সিপাহী বিদ্রোহ
১৮৬৩ - সাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীর জন্ম
১৮৮২: ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ গুরুসদয় দত্তের জন্ম
১৯০৫: সঙ্গীতশিল্পী পঙ্কজ মল্লিকের জন্ম
১৯৬২ - স্বাধীনতা সংগ্রামী অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্যের মৃত্যু
১৯৮৩ - বিশিষ্ট রসায়ন বিজ্ঞানী জ্ঞানেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়র মৃত্যু
১৯৮৫ - রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও লেখক প্রমথনাথ বিশীর মৃত্যু
১৯৯৪ - দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নেলসন ম্যান্ডেলা।
২০০২: কবি কায়ফি আজমির মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৭৯ টাকা ৭৪.৫০ টাকা
পাউন্ড ১০০.৬৭ টাকা ১০৪.১৯ টাকা
ইউরো ৮৭.২৮ টাকা ৯০.৪৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
08th  May, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,২৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৯৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭০,৫৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭০,৬৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  May, 2021

দিন পঞ্জিকা

২৬ বৈশাখ ১৪২৮, সোমবার, ১০ মে ২০২১। চতুর্দ্দশী ৪২/১৩ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্বিনী নক্ষত্র ৩৮/২৬ রাত্রি ৮/২৫। সূর্যোদয় ৫/২/৪৭, সূর্যাস্ত ৬/৩/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে পুনঃ ১০/১৬ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৮/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১/১১ গতে ২/৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/২৭ গতে ৫/১০ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪৮ গতে ৪/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৩৩ মধ্যে। 
২৬ বৈশাখ ১৪২৮, সোমবার, ১০ মে ২০২১। চতুর্দ্দশী রাত্রি ৯/৩৭। অশ্বিনী নক্ষত্র রাত্রি ৮/২৮। সূর্যোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৬ মধ্যে ও ১০/১৫ গতে ১২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫১ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১১/১২ গতে ২/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/২৮ গতে ৫/১৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/১৮ মধ্যে ও ২/৪৯ গতে ৪/২৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। 
২৭ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনায় প্রয়াত রাজ্যসভার সাংসদ পদ্মবিভূষন রঘুনাথ মহাপাত্র

09-05-2021 - 08:25:59 PM

কাল তৃতীয় তৃণমূল সরকারের মন্ত্রীদের শপথ, জেনে নিন কে কে আছেন তালিকায়
তৃতীয়বারের জন্য সরকার গঠন করে, সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করল ...বিশদ

09-05-2021 - 06:38:32 PM

করোনার পরিস্থিতিতে স্থগিত হয়ে গেল মালদ্বীপে আয়োজিত এএফসি কাপ

09-05-2021 - 05:51:40 PM

আগামীকাল  নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা
আগামীকাল সোমবার নির্বাচিত হবে বিজেপির বিরোধী দলনেতা। সকাল ১১টায় সব ...বিশদ

09-05-2021 - 04:58:00 PM

মাতৃ দিবসে বিশেষ শ্রদ্ধা গুগল ডুডলের
আজ, ৯ মে পালিত হচ্ছে মাতৃভাষা দিবস। আজকের এই দিনটি ...বিশদ

09-05-2021 - 04:54:00 PM

করোনা আক্রান্ত তসলিমা নাসরিন
এবার করোনাতে আক্রান্ত হলেন লেখিকা তসলিমা নাসরিন। নিজেই ট্যুইট করে সেই ...বিশদ

09-05-2021 - 04:25:18 PM