Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি। আতঙ্কের আবহ তৈরি করা—আপনার পিছনে কিন্তু মশাই গোয়েন্দা ঘুরছে। দু’টো চোখ সবসময় আটকে রয়েছে আপনার গায়ে। ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কিছু করছেন না তো?
তেমন কিছু হলেই কিন্তু হাতকড়া এসে লেগে যাবে। জানতেও পারবেন না। পুলিস রাষ্ট্র। মতপ্রকাশের তো বটেই, ভাবনারও স্বাধীনতা যেখানে নেই। ইউএপিএ সংশোধনী বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ঘাড়ে কিন্তু এই আতঙ্কই চেপে বসেছে... তাহলে কি পান থেকে চুন খসলেই সন্ত্রাসবাদী তকমা লাগিয়ে দেবে? কাশ্মীরি মেয়েদের কীভাবে বিয়ে করা যাবে, সেই প্রশ্ন যদি আপাতত মার্কেটে এক নম্বরে থাকে, তাহলে এই প্রশ্নও খুব কাছাকাছি থাকবে। বিল পাশের ম্যারাথন অধিবেশনে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার পাঠ আচমকা চুকে যাওয়ার ঘটনায় নিঃসন্দেহে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। আর ইউএপিএ সংশোধনীর ফলে দেশের মধ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় স্পষ্ট বলেছেন, ‘এমন অনেকে আছে যারা সন্ত্রাসবাদী লেখালেখি কিংবা সন্ত্রাসের তত্ত্ব যুব সম্প্রদায়ের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়। বন্দুকের নলে সন্ত্রাসবাদী তৈরি হয় না। জঙ্গিবাদের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রোপাগান্ডায়। যেগুলো কিছু মানুষ ছড়ায়।’
সংসদে দাঁড়িয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের সংশোধনী আনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকিছু শব্দ ব্যবহার করলেন, যার ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা সংবিধানে বা কোনও আইনের বইতে নেই। টেররিস্ট লিটারেচার, প্রোপাগান্ডা। এর মানে যেভাবে খুশি দাঁড় করানো যায়... শাসক দলের সুবিধার্থে। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি এমন কোনও কাগজপত্র থাকে, যা বৈপ্লবিক বা সরকার বিরোধী (অবশ্যই পুরোটা শাসক দলের মনে হওয়ার উপর নির্ভর করছে), তাহলে আপনি গ্রেপ্তার হতেই পারেন এবং আপনকে সন্ত্রাসবাদী বলে পুলিস বা এনআইএ ঘোষণাও করে দিতে পারে। তারপর কী হবে?
সবচেয়ে বড় ধাপ্পাটা হল, একজন ব্যক্তিবিশেষকে জঙ্গি ঘোষণা করার পর আইনগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাঁর কী ধরনের সাজা হবে, তার বিস্তারিত কিন্তু সংশোধনীতে বলা নেই। শুধু বলা রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির নাম চতুর্থ শিডিউলে যুক্ত করা হবে। অর্থাৎ সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি ‘জঙ্গি’ নামে ভূষিত হবেন। এবার যাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করা হল, তিনি কী করবেন? অভিযোগ মেনে নিয়ে হাত-গুটিয়ে বসে থাকবেন? কিছুটা তাই। কারণ আদালতে
গিয়ে সুরাহার খুব একটা সুযোগ তাঁর থাকবে না। তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গিপনার যে বিজ্ঞপ্তিটি জারি হবে, খুব বেশি হলে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়ে দেওয়া একটি রিভিউ কমিটির কাছে গিয়ে সেটি খারিজ করার জন্য তিনি দরবার করতে পারবেন। সেই কমিটি যদি মনে করে, পর্যালোচনার আদেশ দেবে। সব ঠিক থাকলে বেশ কয়েক মাস বা বছর সমাজে একঘরে হয়ে, না
চাওয়া সত্ত্বেও জঙ্গি সেজে থাকার পর মুক্তি মিলবে। ততদিনে অবশ্য জীবন মোটামুটি খরচের খাতায়।
ভালো যুক্তি দেখিয়েছে কেন্দ্র—অনেক জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেওয়ার পরও দেখা যায়, সেই গোষ্ঠীর মূল জঙ্গিটি অন্য একটি সংগঠন খুলে নতুন করে সন্ত্রাসবাদ ছড়ায়। যেহেতু সেই নয়া জঙ্গি সংগঠনটি নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত নয়, ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। নতুন আইনে যেহেতু কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য না হলেও ব্যক্তিবিশেষকে ইউএপিএ আইনে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা যাবে, তাই আর অসুবিধা হবে না। খুব শিগগিরই ভারত হাফিজ সইদ, মাসুদ আজহারদের জঙ্গি হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে দেবে।
একটা বিষয় নিয়ে সংশয় নেই যে, গত তিন দশকে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে ভারতকে। মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা, ট্রেনে বিস্ফোরণ, হায়দরাবাদ... তালিকা শুধু দীর্ঘতর হয়েছে। আর ছিল কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তানের সরাসরি প্ররোচনায় সেখানকার ছেলেমেয়েদের জঙ্গি-খাতায় নাম লেখানো। ধর্মের নামে যেভাবে পাকিস্তান তথা তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতকে আঁচড়ে কামড়ে গিয়েছে, তার ফল ভোগ করেছি আমরা। সাধারণ মানুষ। বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে ধর্মের অজুহাতে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার যদি এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, যা এই আতঙ্ক থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত করতে পারে, তার থেকে ভালো কিছু হয় না! কিন্তু সত্যিই কি তা হল?
যুক্তির নামে শব্দ সাজাতে আর আপত্তি কোথায়? ইউএপিএ অর্থাৎ ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট ১৯৬৭’তেও কিন্তু এই ধরনের লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচুর সুযোগ ছিল। এই আইনের ৩৫তম ধারায় বলা আছে, আইন যদি মনে করে কোনও সংগঠন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তাহলে সেই সংগঠনটিকে জঙ্গিগোষ্ঠীর তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতেই পারে। সেই নামটি প্রথম শিডিউলে যুক্ত হবে। এখনও পর্যন্ত এই শিডিউলে ৩৩টি গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। এবং কোনও ব্যক্তি যদি এই ৩৩টি সংগঠনের মধ্যে একটিরও সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সদস্য, সমর্থক বা অর্থের জোগানদারের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ১৯৬৭’র ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর ধারার বলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে এবং সেই ব্যক্তিকে জঙ্গি ঘোষণাও করা যাবে।
তাহলে এই সংশোধনীর প্রয়োজনটা কোথায় ছিল? প্রথমত, এনআইএকে বিপুল শক্তি দেওয়া। এবং দ্বিতীয়ত, বিরোধীদের চাঁদমারির আওতায় নিয়ে আসা। অন্তত বিরোধী দলগুলির মাথায় এই উদ্বেগই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিরোধী মাত্রই সরকারের নিয়ম-নীতির বিরুদ্ধে মতামত থাকবে। আর তেমন কিছু মতামত প্রকাশ করলেই যদি গায়ে জঙ্গি তকমা সেঁটে দেওয়া হয়, তার ফল কিন্তু সুদূরপ্রসারী! অথচ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্র বা আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে কেন্দ্রের শাসক দলের কাছে সন্ত্রাসবাদী ভাবনা, সেই মত যদি কোনও বিরোধী দলের নেতা বা নেত্রী প্রকাশ করেন, তাহলে তাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করে একঘরে করে দেওয়াটাও অস্বাভাবিক হবে না। এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন তথাকথিত ‘আরবান মাওয়িস্ট’ গোত্রের লোকজন। এই নামকরণটিও শাসক দলের। অর্থাৎ, এই ধরনের লোকজন কট্টর বামপন্থায় বিশ্বাসী বা এই মতের পক্ষে লেখালেখি করেন। অসংশোধিত ইউএপিএ’র মাধ্যমে এঁদের সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করতে গত কয়েক বছরে কেন্দ্রকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। দিনের পর দিন গৃহবন্দি করে রাখা বা গ্রেপ্তারের পর যখন আদালতে মামলা উঠেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রায় গিয়েছে অভিযুক্তদের পক্ষে। কেরল সরকার বনাম রানিফ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে এক ব্যক্তির নাম জুড়ে গিয়েছে বলেই তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করা যায় না। যদি না সেই ব্যক্তি সরাসরি কোনও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এমনকী অন্য একটি মামলায় মাওবাদী নথি রাখার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া তো বটেই, তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছিল কেরল হাইকোর্ট।
কিন্তু নতুন আইনে কোনও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সব ক্ষেত্রে জঙ্গি বলে চালিয়ে দেওয়াটা খুব সহজ হয়ে যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে অবশ্য আজ শুধু বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায় চাপিয়ে লাভ নেই। কারণ, এই আইন সব শাসক দলের কাছেই ব্রহ্মাস্ত্র হতে চলেছে। যে দল সরকারে থাকবে, সে-ই কিন্তু একে নিজের ইচ্ছেমতো কাজে লাগাবে। এবং হয়তো তা হবে মূলত বিরোধীদের উপর। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আজও সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের তেমন একটা সুযোগ নেই। মানুষ নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধিকে। সেই ব্যক্তি যদি বিরোধী কোনও দলের হন তাহলে আইনসভার অন্দরে বা বাইরে শাসক দলের বিরুদ্ধমত প্রকাশ করতেই পারেন। তাঁর দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের বা তাঁর ভোটারের বক্তব্য সরকারের সামনে তুলে ধরা। ইউএপিএ সংশোধনীর পর তা কি খোলাখুলিভাবে সম্ভব হবে? বিরোধী আসনে বসা সেই জনপ্রতিনিধি এখন ভাবতেই পারেন, যত কম বলা যায় ততই ভালো। বলতে গেলে যদি সরকার জঙ্গি ঘোষণা করে দেয়!
কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য দাবি করেছে, এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে না। কিন্তু সেই গ্যারান্টি কে দিচ্ছে? টাডা আইনের ক্ষেত্রেও তো তৎকালীন সরকার গ্যারান্টি দিয়েছিল। আসলে কিন্তু বহু সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে তার জন্য সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এক্ষেত্রেও তা হবে না তো? সংবিধানের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে সাধারণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হয়ে আত্মপ্রকাশ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইউএপিএ’র সংশোধনীতে। হয়তো তেমন কিছুই হবে না। কিন্তু সুযোগ তো রয়েছে! তাই উদ্বিগ্ন মানুষ। আতঙ্কে বিরোধীরা। কেন্দ্রের শাসকদল এখন চাইলেই ‘বিগ ব্রাদার’ হয়ে নজরদারি চালাবে দেশবাসীর উপর। বিরুদ্ধমতের উপর। অতএব মুখে কুলুপই শ্রেষ্ঠ উপায়। 
13th  August, 2019
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
একনজরে
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে একাধিকবার বর্ণবৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। গ্যালারি থেকে কখনও শুনতে হয়েছে ‘ব্রাউন মাঙ্কি’, কখনও বা ‘গ্রাব’ গোছের গালমন্দ। তবু লক্ষ্যভ্রষ্ট হননি মহম্মদ সিরাজ। ...

শনিবার অসমে জমির পাট্টা বিলির সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক লক্ষের বেশি ভূমিহীনকে পাট্টা দেওয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে অসম সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনেওয়াল জানিয়েছেন, ‘দশকের পর দশক ধরে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে বেঁচে রয়েছেন বহু মানুষ। ...

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে আত্মঘাতী হামলায় প্রাণ হারালেন কমপক্ষে ২৮ জন। জখম ৭৩ জন। বৃহস্পতিবার বাগদাদের ব্যস্ততম তায়ারান স্কোয়ারে পুরনো জামাকাপড়ের বাজারে পরপর এই হামলা চালানো ...

তড়িঘড়ি করে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগের ইন্টারভিউ নিতে গিয়ে বিতর্কে জড়াল কর্তৃপক্ষ। ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রার্থীদের ডেকেও মাত্র একদিনের মাথায় পিছিয়ে এল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে আগ্রহ বাড়বে। তবে তা বাস্তবায়িত হওয়াতে সমস্যা আছে। লৌহ ও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৮৯৭ - কবি, লেখক সঙ্গীতশিল্পী তথা সুরকার দিলীপকুমার রায়ের জন্ম
১৯০০ - টেলিপ্রিন্টার ও মাইক্রোফেনের উদ্ভাবক ডেভিট এ্যাডওয়ার্ড হিউজ।
১৯০১: রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯২৭ - প্রথমবারের মতো বেতারে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী প্রচার।
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১২ টাকা ৭৩.৮৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.১২ টাকা ১০১.৫৯ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৪ টাকা ৯০.১৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,৩০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৭২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৮ মাঘ ১৪২৭, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি ২০২১, নবমী ৩০/১৮ রাত্রি ৬/৩০। ভরণী নক্ষত্র ৩০/৪৪ রাত্রি ৬/৪০। সূর্যোদয় ৬/২২/৩৩, সূর্যাস্ত ৫/১৩/৫১।  অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ২/১৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৯ গতে ১১/২১ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১১/৪৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩১ গতে ১০/১০ মধ্যে। 
৮ মাঘ ১৪২৭, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারি ২০২১, নবমী রাত্রি ৫/৫৪। ভরণী নক্ষত্র রাত্রি ৬/৩৯। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ও ৮/৩১ গতে ১০/৪৪ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/১৭ মধ্যে ও ৩/৫৭ গতে ৫/১৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪৩ গতে ৪/৩৪ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/৩৪ গতে ১১/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৯/৮ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৩১ গতে ১০/১০ মধ্যে। 
৮ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এক লাখ টাকার জাল নোট সহ গ্রেপ্তার ১ 
শুক্রবার এক লাখ টাকার জাল নোট সহ কলকাতা পুলিসের এসটিএফ-এর ...বিশদ

03:21:24 PM

তৃণমূলে যোগ বিজেপি নেতা নিউটন মজুমদারের
শুক্রবার তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপি নেতা নিউটন মজুমদার। তিনি ২০১৬ ...বিশদ

02:33:35 PM

দেশে মোট করোনা টিকাকরণ ১০,৪৩,৫৩৪
আজ সকাল পর্যন্ত দেশে মোট ১০ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৩৪ ...বিশদ

02:14:22 PM

মহারাষ্ট্রে গ্যাস থেকে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ ৭
শুক্রবার মহারাষ্ট্রের রায়গড়ে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হলেন ৭ জন। একটি গাছের ...বিশদ

01:46:47 PM

তৃণমূলে যোগ দিলেন অভিনেতা সৌরভ দাস

01:33:47 PM

রাজ্যের ৫ সীমান্তবর্তী জেলায় ভোটার সংখ্যার সর্বোচ্চ বৃদ্ধি
নতুন ভোটারের সংখ্যা সর্বোচ্চ বৃদ্ধি পেল রাজ্যের বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে। ...বিশদ

01:11:00 PM