Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি। আতঙ্কের আবহ তৈরি করা—আপনার পিছনে কিন্তু মশাই গোয়েন্দা ঘুরছে। দু’টো চোখ সবসময় আটকে রয়েছে আপনার গায়ে। ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কিছু করছেন না তো?
তেমন কিছু হলেই কিন্তু হাতকড়া এসে লেগে যাবে। জানতেও পারবেন না। পুলিস রাষ্ট্র। মতপ্রকাশের তো বটেই, ভাবনারও স্বাধীনতা যেখানে নেই। ইউএপিএ সংশোধনী বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ঘাড়ে কিন্তু এই আতঙ্কই চেপে বসেছে... তাহলে কি পান থেকে চুন খসলেই সন্ত্রাসবাদী তকমা লাগিয়ে দেবে? কাশ্মীরি মেয়েদের কীভাবে বিয়ে করা যাবে, সেই প্রশ্ন যদি আপাতত মার্কেটে এক নম্বরে থাকে, তাহলে এই প্রশ্নও খুব কাছাকাছি থাকবে। বিল পাশের ম্যারাথন অধিবেশনে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার পাঠ আচমকা চুকে যাওয়ার ঘটনায় নিঃসন্দেহে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। আর ইউএপিএ সংশোধনীর ফলে দেশের মধ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় স্পষ্ট বলেছেন, ‘এমন অনেকে আছে যারা সন্ত্রাসবাদী লেখালেখি কিংবা সন্ত্রাসের তত্ত্ব যুব সম্প্রদায়ের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়। বন্দুকের নলে সন্ত্রাসবাদী তৈরি হয় না। জঙ্গিবাদের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রোপাগান্ডায়। যেগুলো কিছু মানুষ ছড়ায়।’
সংসদে দাঁড়িয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের সংশোধনী আনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকিছু শব্দ ব্যবহার করলেন, যার ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা সংবিধানে বা কোনও আইনের বইতে নেই। টেররিস্ট লিটারেচার, প্রোপাগান্ডা। এর মানে যেভাবে খুশি দাঁড় করানো যায়... শাসক দলের সুবিধার্থে। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি এমন কোনও কাগজপত্র থাকে, যা বৈপ্লবিক বা সরকার বিরোধী (অবশ্যই পুরোটা শাসক দলের মনে হওয়ার উপর নির্ভর করছে), তাহলে আপনি গ্রেপ্তার হতেই পারেন এবং আপনকে সন্ত্রাসবাদী বলে পুলিস বা এনআইএ ঘোষণাও করে দিতে পারে। তারপর কী হবে?
সবচেয়ে বড় ধাপ্পাটা হল, একজন ব্যক্তিবিশেষকে জঙ্গি ঘোষণা করার পর আইনগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাঁর কী ধরনের সাজা হবে, তার বিস্তারিত কিন্তু সংশোধনীতে বলা নেই। শুধু বলা রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির নাম চতুর্থ শিডিউলে যুক্ত করা হবে। অর্থাৎ সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি ‘জঙ্গি’ নামে ভূষিত হবেন। এবার যাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করা হল, তিনি কী করবেন? অভিযোগ মেনে নিয়ে হাত-গুটিয়ে বসে থাকবেন? কিছুটা তাই। কারণ আদালতে
গিয়ে সুরাহার খুব একটা সুযোগ তাঁর থাকবে না। তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গিপনার যে বিজ্ঞপ্তিটি জারি হবে, খুব বেশি হলে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়ে দেওয়া একটি রিভিউ কমিটির কাছে গিয়ে সেটি খারিজ করার জন্য তিনি দরবার করতে পারবেন। সেই কমিটি যদি মনে করে, পর্যালোচনার আদেশ দেবে। সব ঠিক থাকলে বেশ কয়েক মাস বা বছর সমাজে একঘরে হয়ে, না
চাওয়া সত্ত্বেও জঙ্গি সেজে থাকার পর মুক্তি মিলবে। ততদিনে অবশ্য জীবন মোটামুটি খরচের খাতায়।
ভালো যুক্তি দেখিয়েছে কেন্দ্র—অনেক জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেওয়ার পরও দেখা যায়, সেই গোষ্ঠীর মূল জঙ্গিটি অন্য একটি সংগঠন খুলে নতুন করে সন্ত্রাসবাদ ছড়ায়। যেহেতু সেই নয়া জঙ্গি সংগঠনটি নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত নয়, ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। নতুন আইনে যেহেতু কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য না হলেও ব্যক্তিবিশেষকে ইউএপিএ আইনে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা যাবে, তাই আর অসুবিধা হবে না। খুব শিগগিরই ভারত হাফিজ সইদ, মাসুদ আজহারদের জঙ্গি হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে দেবে।
একটা বিষয় নিয়ে সংশয় নেই যে, গত তিন দশকে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে ভারতকে। মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা, ট্রেনে বিস্ফোরণ, হায়দরাবাদ... তালিকা শুধু দীর্ঘতর হয়েছে। আর ছিল কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তানের সরাসরি প্ররোচনায় সেখানকার ছেলেমেয়েদের জঙ্গি-খাতায় নাম লেখানো। ধর্মের নামে যেভাবে পাকিস্তান তথা তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতকে আঁচড়ে কামড়ে গিয়েছে, তার ফল ভোগ করেছি আমরা। সাধারণ মানুষ। বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে ধর্মের অজুহাতে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার যদি এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, যা এই আতঙ্ক থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত করতে পারে, তার থেকে ভালো কিছু হয় না! কিন্তু সত্যিই কি তা হল?
যুক্তির নামে শব্দ সাজাতে আর আপত্তি কোথায়? ইউএপিএ অর্থাৎ ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট ১৯৬৭’তেও কিন্তু এই ধরনের লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচুর সুযোগ ছিল। এই আইনের ৩৫তম ধারায় বলা আছে, আইন যদি মনে করে কোনও সংগঠন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তাহলে সেই সংগঠনটিকে জঙ্গিগোষ্ঠীর তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতেই পারে। সেই নামটি প্রথম শিডিউলে যুক্ত হবে। এখনও পর্যন্ত এই শিডিউলে ৩৩টি গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। এবং কোনও ব্যক্তি যদি এই ৩৩টি সংগঠনের মধ্যে একটিরও সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সদস্য, সমর্থক বা অর্থের জোগানদারের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ১৯৬৭’র ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর ধারার বলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে এবং সেই ব্যক্তিকে জঙ্গি ঘোষণাও করা যাবে।
তাহলে এই সংশোধনীর প্রয়োজনটা কোথায় ছিল? প্রথমত, এনআইএকে বিপুল শক্তি দেওয়া। এবং দ্বিতীয়ত, বিরোধীদের চাঁদমারির আওতায় নিয়ে আসা। অন্তত বিরোধী দলগুলির মাথায় এই উদ্বেগই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিরোধী মাত্রই সরকারের নিয়ম-নীতির বিরুদ্ধে মতামত থাকবে। আর তেমন কিছু মতামত প্রকাশ করলেই যদি গায়ে জঙ্গি তকমা সেঁটে দেওয়া হয়, তার ফল কিন্তু সুদূরপ্রসারী! অথচ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্র বা আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে কেন্দ্রের শাসক দলের কাছে সন্ত্রাসবাদী ভাবনা, সেই মত যদি কোনও বিরোধী দলের নেতা বা নেত্রী প্রকাশ করেন, তাহলে তাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করে একঘরে করে দেওয়াটাও অস্বাভাবিক হবে না। এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন তথাকথিত ‘আরবান মাওয়িস্ট’ গোত্রের লোকজন। এই নামকরণটিও শাসক দলের। অর্থাৎ, এই ধরনের লোকজন কট্টর বামপন্থায় বিশ্বাসী বা এই মতের পক্ষে লেখালেখি করেন। অসংশোধিত ইউএপিএ’র মাধ্যমে এঁদের সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করতে গত কয়েক বছরে কেন্দ্রকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। দিনের পর দিন গৃহবন্দি করে রাখা বা গ্রেপ্তারের পর যখন আদালতে মামলা উঠেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রায় গিয়েছে অভিযুক্তদের পক্ষে। কেরল সরকার বনাম রানিফ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে এক ব্যক্তির নাম জুড়ে গিয়েছে বলেই তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করা যায় না। যদি না সেই ব্যক্তি সরাসরি কোনও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এমনকী অন্য একটি মামলায় মাওবাদী নথি রাখার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া তো বটেই, তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছিল কেরল হাইকোর্ট।
কিন্তু নতুন আইনে কোনও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সব ক্ষেত্রে জঙ্গি বলে চালিয়ে দেওয়াটা খুব সহজ হয়ে যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে অবশ্য আজ শুধু বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায় চাপিয়ে লাভ নেই। কারণ, এই আইন সব শাসক দলের কাছেই ব্রহ্মাস্ত্র হতে চলেছে। যে দল সরকারে থাকবে, সে-ই কিন্তু একে নিজের ইচ্ছেমতো কাজে লাগাবে। এবং হয়তো তা হবে মূলত বিরোধীদের উপর। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আজও সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের তেমন একটা সুযোগ নেই। মানুষ নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধিকে। সেই ব্যক্তি যদি বিরোধী কোনও দলের হন তাহলে আইনসভার অন্দরে বা বাইরে শাসক দলের বিরুদ্ধমত প্রকাশ করতেই পারেন। তাঁর দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের বা তাঁর ভোটারের বক্তব্য সরকারের সামনে তুলে ধরা। ইউএপিএ সংশোধনীর পর তা কি খোলাখুলিভাবে সম্ভব হবে? বিরোধী আসনে বসা সেই জনপ্রতিনিধি এখন ভাবতেই পারেন, যত কম বলা যায় ততই ভালো। বলতে গেলে যদি সরকার জঙ্গি ঘোষণা করে দেয়!
কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য দাবি করেছে, এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে না। কিন্তু সেই গ্যারান্টি কে দিচ্ছে? টাডা আইনের ক্ষেত্রেও তো তৎকালীন সরকার গ্যারান্টি দিয়েছিল। আসলে কিন্তু বহু সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে তার জন্য সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এক্ষেত্রেও তা হবে না তো? সংবিধানের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে সাধারণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হয়ে আত্মপ্রকাশ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইউএপিএ’র সংশোধনীতে। হয়তো তেমন কিছুই হবে না। কিন্তু সুযোগ তো রয়েছে! তাই উদ্বিগ্ন মানুষ। আতঙ্কে বিরোধীরা। কেন্দ্রের শাসকদল এখন চাইলেই ‘বিগ ব্রাদার’ হয়ে নজরদারি চালাবে দেশবাসীর উপর। বিরুদ্ধমতের উপর। অতএব মুখে কুলুপই শ্রেষ্ঠ উপায়। 
13th  August, 2019
বাঙালির প্রাণ বাঙালির মন
বাঙালির ঘরে যত ভাইবোন
সমৃদ্ধ দত্ত

এই প্রথম একটি ভোট হচ্ছে বাঙালি জাতির আত্মসম্মানের ভোট। বাঙালি সত্ত্বার জয়-পরাজয়ের ভোট! বাঙালির আবেগের ভোট। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষে এবার এসেছে বাঙালির চেতনা ও স্বাধীনতা রক্ষার ভোট! বিশদ

স্বাধীন ভারতে সবথেকে
কলঙ্কিত নির্বাচন
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপির বাংলা জয়ের লক্ষ্যের পিছনে রয়েছে নিধন-বাসনা। উড়েছে বস্তা বস্তা বেহিসেবি টাকা। বিজেপির আসল লক্ষ্য বাঙালির অস্মিতা নিধন, বাঙালির ভাষা নিধন, বাঙালির সংস্কৃতি নিধন, বাঙালির ঐক্য নিধন। বাঙালিকে হিরো থেকে জিরো করে দাসানুদাসে পরিণত করা। কিন্তু তা বোধহয় সম্ভব হল না। শোনা যাচ্ছে জননির্ঘোষ, ‘ঘর সামলাও চৌ...কি...দা...র।’ বিশদ

14th  April, 2021
শীতলকুচি ট্রেলার হলে পুরো সিনেমাটা কী? 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফেলুদা সোফায় বসে বাটিটা মোড়ক থেকে খুলে টেবিলের উপর রেখে বলল, ‘এটার একটা বিশেষত্ব আছে।’
‘কী বিশেষত্ব?’
‘জীবনে এই প্রথম একটা বাটি দেখলাম যেটাকে সোনার পাথরবাটি বললে খুব ভুল বলা হয় না।’
জয়সলমিরের মানুষ বাংলা সম্পর্কে প্রথম যে শব্দবন্ধটি শেখে, সেটি একটি নাম—সত্যজিৎ রায়। ‘সোনার পাথরে’ তৈরি বাটি-ঘটি বিক্রির খুব সাধারণ দোকানে গিয়েও দেখেছি, সত্যজিৎ রায়ের ছবি টাঙানো। 
বিশদ

13th  April, 2021
ফিরে এল রাফালের ভূত
পি চিদম্বরম 

স্মৃতি ক্ষণস্থায়ী। সাধারণ মানুষের পক্ষে রোজকার বেঁচে থাকা একটা চ্যালেঞ্জ। দেশ এবং দেশের প্রশাসনের বৃহত্তর চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে তারা সচেতন। কিন্তু তারা সেসব নিয়ে দীর্ঘকাল ভাবতে পারে না। 
বিশদ

12th  April, 2021
বাংলার মহিলাদের জীবনে
এই ভোট কেন গুরুত্বপূর্ণ
হিমাংশু সিংহ

ইতিমধ্যেই যে ক’দফা ভোট হয়েছে তাতে অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে উঠে এসেছে মহিলাদের লম্বা লাইন। যা আশা জাগিয়েই শুধু ক্ষান্ত হয়নি, প্রমাণ করেছে প্রত্যয়ী মুখে বর্গীর হানাদারি রুখতে বঙ্গ নারী কতটা অকুতোভয়। আসলে এই শক্তি তাঁরা পাচ্ছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেই।
  বিশদ

11th  April, 2021
আক্রান্ত প্রার্থীরা: বঙ্গ
রাজনীতিতে ‘অশনি সঙ্কেত’
তন্ময় মল্লিক

ভোটের দফা যত গড়াচ্ছে রাজনৈতিক মারামারি, প্রার্থীদের উপর হামলা ততই বাড়ছে। নেতাদের ‘জয়লাভে’র দাবিকে সত্যি ধরে নিয়ে অনেকেই ‘বদলা’ নেওয়ার মহড়া শুরু করে দিয়েছে। নন্দীগ্রাম কার্যত বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। রাজ্যের জন্য এ-এক ‘অশনি সঙ্কেত’।
  বিশদ

10th  April, 2021
মতুয়াদের সামনে ‘গাজর’
ঝুলিয়ে লাভ নেই! 
মৃণালকান্তি দাস

অসমের গল্পটা নিশ্চিত এতদিনে বাংলার মতুয়া সম্প্রদায়ের কাছে জলের মতো পরিষ্কার। কী সেই গল্প? নাগরিকত্ব আইন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৬ সালে অসম দখল করেছিল বিজেপি। আর পাঁচ বছর পর, বিধানসভা ভোটের মুখে জানা গেল, টাকা শেষ। অতএব ঝাঁপ বন্ধ এনআরসি দপ্তরের।  
বিশদ

09th  April, 2021
সোনার বাংলা গড়বে না
বেচে দেবে, প্রশ্ন সেটাই
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

যে সরকার নিজেই তার সমস্ত সংস্থা বিক্রি করে দিতে উঠে পরে লেগেছে সেই সরকার ভবিষ্যতে চাকরিবাকরি বা পরিষেবা দেবে কী দিয়ে? মানুষকেই তার নিজের যোগ্যতায় রোজগার করার পথ খুঁজে নিতে হবে। সরকার কিছু দেবে না, উল্টে সরকারের সব সম্পদ বেচে দেবে। এটাই হল মোদি সরকার বা বিজেপির সরকার চালানোর আসল দর্শন! বিশদ

08th  April, 2021
পুরনো হিসেব পরে, এখন
শুধুই বাংলা ও বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টক্কর নিতে পারেন একজনই। তিনি আর কেউ নন বাংলার বাঘিনী। তাই আমরা ঠিক করেছি, তাঁর উপর আর রাগ পুষে রাখা নয়। পুরনো হিসেব পরে হবে। আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার পক্ষে আমরা। বিশদ

07th  April, 2021
প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তব:
সুদের হার কিন্তু কমবেই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার হলে ‘ডবল বেনিফিট’ আদৌ হবে কি না জানা নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সাঁড়াশির ডবল চাপে মানুষ ব্যতিব্যস্ত হবে—সেটা নিশ্চিত। যেমন হচ্ছে ত্রিপুরায়। যেমন হচ্ছে অসমে। প্রতিশ্রুতি আমরা আজ শুনছি... তখন স্মৃতি রোমন্থন করব। বিশদ

06th  April, 2021
মোদি-ভাবনা ও তার পরিণাম
পি চিদম্বরম 

আগামিকাল, মঙ্গলবার শেষ হবে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরির ভোটগ্রহণ। পশ্চিমবঙ্গের আংশিক ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। বাংলায় বাকি থাকছে আর পাঁচ দফার ভোটগ্রহণ। অসম এবং পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভালো প্রভাব রয়েছে। বাকি তিনটি জায়গাতেও পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবির। 
বিশদ

05th  April, 2021
নন্দীগ্রামে জিতবে বাংলাই
হিমাংশু সিংহ

আচ্ছা, নন্দীগ্রামে কে জিতবে বলুন তো? বাজারের মাছওয়ালা থেকে ধোপদুরস্ত বহুতলের বাবু, গত বৃহস্পতিবার টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোট যত এগিয়েছে এই একটা প্রশ্নেই ঘুরপাক খেয়েছে বাঙালি সমাজ। যত উত্তেজনা ছড়িয়েছে বাঙালির রক্তচাপ ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। বিশদ

04th  April, 2021
একনজরে
বি টি রোড, কাশীনাথ দত্ত রোড, গোপাললাল ঠাকুর রোড ঘুরে অক্ষয় মুখার্জি রোড। রাস্তার দু’দিক বরাবর পতপত করে উড়ছে ঘাসফুল, পদ্মফুল আর হাত-কাস্তের পতাকা। দেওয়ালে ...

এবার হাই ভোল্টেজ নির্বাচন। বাংলা কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। একুশের ভোট প্রতি মুহূর্তে ‘নাটকীয় মোড়’ নিচ্ছে। ৮০ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁদের বয়স ...

উত্তর মালদহে একইদিনে নরেন্দ্র মোদি ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও তৃণমূল উভয় শিবিরে সাজো সাজো রব। আগামী বৃহস্পতিবার ওই দুই হেভিওয়েট সভা ...

প্রত্যাশা মতোই উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার অ্যানফিল্ডে কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি পর্বে লিভারপুলের বিরুদ্ধে তাদের ম্যাচ শেষ হল গোলশূন্যভাবে। চোট-আঘাতের কারণে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রেম-প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় যুক্ত হওয়া যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব কণ্ঠ দিবস
১৮৫০:  মাদাম তুসো জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাতা ম্যারি তুসোর মৃত্যু
১৮৫৩: প্রথম ট্রেন চলল সাবেক বোম্বাইয়ের ভিক্টোরিয়া থেকে থানে পর্যন্ত
১৮৬৭: উড়োজাহাজের আবিষ্কারক উইলবার রাইটের জন্ম
১৮৮৯: অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিনের জন্ম
১৯১৬ - রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন
১৯৫১: লেখক অদ্বৈত মল্লবর্মণের মৃত্যু
১৯৬৬: শিল্পী নন্দলাল বসুর মৃত্যু
১৯৭৮: অভিনেত্রী লারা দত্তর জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৪ টাকা ৭৬.১৬ টাকা
পাউন্ড ১০১.৯৫ টাকা ১০৫.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৮.৫৮ টাকা ৯১.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৭,৫০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৫,০৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৫,৭৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ বৈশাখ ১৪২৮, শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১। চতুর্থী ৩১/৫৬ সন্ধ্যা ৬/৬। রোহিণী নক্ষত্র ৪৫/৪৮ রাত্রি ১১/৪০। সূর্যোদয় ৫/১৯/৩৮, সূর্যাস্ত ৫/৫৩/২৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/১৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৪ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে। পুনঃ ৩/৪৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২৮ গতে ১১/৩৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৫ গতে ১০/১০ মধ্যে। 
২ বৈশাখ ১৪২৮, শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১। চতুর্থী দিবা ৩/২। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ৮/৫৫। সূর্যোদয় ৫/২০, সূর্যাস্ত ৫/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৮ মধ্যে ও ৭/৪০ গতে ১০/১৬ মধ্যে ও ১২/৫২ গতে ২/৩৪ মধ্যে ও ৪/১৮ গতে ৫/৫৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩০ মধ্যে ৮/৫৮ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ১০/২৭ গতে ১১/১১ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/১৯ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৭ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৬ গতে ১০/১২ মধ্যে। 
৩ রমজান।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মার্কিন মুলুকে ফেডএক্স দফতরের সামনে বন্দুকবাজের হামলায় মৃত কমপক্ষে ৮
ফের বন্দুকবাজের হামলা। এ বার রক্তাক্ত হল আমেরিকার ইন্ডিয়ানাপোলিস। বৃহস্পতিবার ...বিশদ

02:39:00 PM

করোনা মোকাবিলায় রবিবার লকডাউন উত্তরপ্রদেশে, মাস্ক না পড়লে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
দেশজুড়ে বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে বড় সিদ্ধান্ত নিল ...বিশদ

02:27:05 PM

 বাগদার জনসভায় বক্তব্য রাখছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

02:20:02 PM

বালিগঞ্জের বেদীভবনে নির্বাচন কমিশনের ডাকে সর্বদলীয় বৈঠক শুরু হল

02:11:17 PM

করোনার কারণে আগামী ১৫মে পর্যন্ত বন্ধ ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, যাদুঘর

02:07:03 PM

বাংলায় মেরুদণ্ড ভাঙার ক্ষমতা বিজেপির নেই : মমতা

01:59:33 PM