Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রক্ষক আইন যেন ভক্ষক না হয়
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

ভিক্টরি ম্যানসনে ঢুকলেন উইনস্টন স্মিথ। বহুতলে ঢুকেই নজরে আসবে দো’তলা সমান আখাম্বা ছবিটা। শুধু একটা মুখ। নীচে ক্যাপশন করা, বিগ ব্রাদার কিন্তু তোমাকে দেখছে। জর্জ অরওয়েলের কালজয়ী উপন্যাস ১৯৮৪-এর শুরুতেই উল্লেখ এই ছবির। আর এই নভেলের সারমর্মও লুকিয়ে এই ছবিতে—বিগ ব্রাদার দেখছে, তাই সাবধান। সাবধান হও সবাই... সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সাফাইকর্মী, বেসরকারি চাকুরে... মোদ্দা কথা নারী-পুরুষ নির্বিশেষে। সবসময় নজরদারি। আতঙ্কের আবহ তৈরি করা—আপনার পিছনে কিন্তু মশাই গোয়েন্দা ঘুরছে। দু’টো চোখ সবসময় আটকে রয়েছে আপনার গায়ে। ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কিছু করছেন না তো?
তেমন কিছু হলেই কিন্তু হাতকড়া এসে লেগে যাবে। জানতেও পারবেন না। পুলিস রাষ্ট্র। মতপ্রকাশের তো বটেই, ভাবনারও স্বাধীনতা যেখানে নেই। ইউএপিএ সংশোধনী বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ঘাড়ে কিন্তু এই আতঙ্কই চেপে বসেছে... তাহলে কি পান থেকে চুন খসলেই সন্ত্রাসবাদী তকমা লাগিয়ে দেবে? কাশ্মীরি মেয়েদের কীভাবে বিয়ে করা যাবে, সেই প্রশ্ন যদি আপাতত মার্কেটে এক নম্বরে থাকে, তাহলে এই প্রশ্নও খুব কাছাকাছি থাকবে। বিল পাশের ম্যারাথন অধিবেশনে জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার পাঠ আচমকা চুকে যাওয়ার ঘটনায় নিঃসন্দেহে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। আর ইউএপিএ সংশোধনীর ফলে দেশের মধ্যে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যসভায় স্পষ্ট বলেছেন, ‘এমন অনেকে আছে যারা সন্ত্রাসবাদী লেখালেখি কিংবা সন্ত্রাসের তত্ত্ব যুব সম্প্রদায়ের মাথায় ঢুকিয়ে দেয়। বন্দুকের নলে সন্ত্রাসবাদী তৈরি হয় না। জঙ্গিবাদের শিকড় লুকিয়ে আছে প্রোপাগান্ডায়। যেগুলো কিছু মানুষ ছড়ায়।’
সংসদে দাঁড়িয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিলের সংশোধনী আনার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকিছু শব্দ ব্যবহার করলেন, যার ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা সংবিধানে বা কোনও আইনের বইতে নেই। টেররিস্ট লিটারেচার, প্রোপাগান্ডা। এর মানে যেভাবে খুশি দাঁড় করানো যায়... শাসক দলের সুবিধার্থে। অর্থাৎ আপনার কাছে যদি এমন কোনও কাগজপত্র থাকে, যা বৈপ্লবিক বা সরকার বিরোধী (অবশ্যই পুরোটা শাসক দলের মনে হওয়ার উপর নির্ভর করছে), তাহলে আপনি গ্রেপ্তার হতেই পারেন এবং আপনকে সন্ত্রাসবাদী বলে পুলিস বা এনআইএ ঘোষণাও করে দিতে পারে। তারপর কী হবে?
সবচেয়ে বড় ধাপ্পাটা হল, একজন ব্যক্তিবিশেষকে জঙ্গি ঘোষণা করার পর আইনগতভাবে তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তাঁর কী ধরনের সাজা হবে, তার বিস্তারিত কিন্তু সংশোধনীতে বলা নেই। শুধু বলা রয়েছে, এসব ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির নাম চতুর্থ শিডিউলে যুক্ত করা হবে। অর্থাৎ সেই মুহূর্ত থেকেই তিনি ‘জঙ্গি’ নামে ভূষিত হবেন। এবার যাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করা হল, তিনি কী করবেন? অভিযোগ মেনে নিয়ে হাত-গুটিয়ে বসে থাকবেন? কিছুটা তাই। কারণ আদালতে
গিয়ে সুরাহার খুব একটা সুযোগ তাঁর থাকবে না। তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গিপনার যে বিজ্ঞপ্তিটি জারি হবে, খুব বেশি হলে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়ে দেওয়া একটি রিভিউ কমিটির কাছে গিয়ে সেটি খারিজ করার জন্য তিনি দরবার করতে পারবেন। সেই কমিটি যদি মনে করে, পর্যালোচনার আদেশ দেবে। সব ঠিক থাকলে বেশ কয়েক মাস বা বছর সমাজে একঘরে হয়ে, না
চাওয়া সত্ত্বেও জঙ্গি সেজে থাকার পর মুক্তি মিলবে। ততদিনে অবশ্য জীবন মোটামুটি খরচের খাতায়।
ভালো যুক্তি দেখিয়েছে কেন্দ্র—অনেক জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে দেওয়ার পরও দেখা যায়, সেই গোষ্ঠীর মূল জঙ্গিটি অন্য একটি সংগঠন খুলে নতুন করে সন্ত্রাসবাদ ছড়ায়। যেহেতু সেই নয়া জঙ্গি সংগঠনটি নিষিদ্ধ তালিকাভুক্ত নয়, ব্যক্তিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। নতুন আইনে যেহেতু কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠনের সদস্য না হলেও ব্যক্তিবিশেষকে ইউএপিএ আইনে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা যাবে, তাই আর অসুবিধা হবে না। খুব শিগগিরই ভারত হাফিজ সইদ, মাসুদ আজহারদের জঙ্গি হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করে দেবে।
একটা বিষয় নিয়ে সংশয় নেই যে, গত তিন দশকে জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে ভারতকে। মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা, ট্রেনে বিস্ফোরণ, হায়দরাবাদ... তালিকা শুধু দীর্ঘতর হয়েছে। আর ছিল কাশ্মীর উপত্যকায় পাকিস্তানের সরাসরি প্ররোচনায় সেখানকার ছেলেমেয়েদের জঙ্গি-খাতায় নাম লেখানো। ধর্মের নামে যেভাবে পাকিস্তান তথা তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলো ভারতকে আঁচড়ে কামড়ে গিয়েছে, তার ফল ভোগ করেছি আমরা। সাধারণ মানুষ। বহু নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে ধর্মের অজুহাতে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার যদি এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, যা এই আতঙ্ক থেকে ভারতবাসীকে মুক্ত করতে পারে, তার থেকে ভালো কিছু হয় না! কিন্তু সত্যিই কি তা হল?
যুক্তির নামে শব্দ সাজাতে আর আপত্তি কোথায়? ইউএপিএ অর্থাৎ ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ প্রিভেনশন অ্যাক্ট ১৯৬৭’তেও কিন্তু এই ধরনের লোকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রচুর সুযোগ ছিল। এই আইনের ৩৫তম ধারায় বলা আছে, আইন যদি মনে করে কোনও সংগঠন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তাহলে সেই সংগঠনটিকে জঙ্গিগোষ্ঠীর তকমা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতেই পারে। সেই নামটি প্রথম শিডিউলে যুক্ত হবে। এখনও পর্যন্ত এই শিডিউলে ৩৩টি গোষ্ঠীর নাম রয়েছে। এবং কোনও ব্যক্তি যদি এই ৩৩টি সংগঠনের মধ্যে একটিরও সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সদস্য, সমর্থক বা অর্থের জোগানদারের বিরুদ্ধে ইউএপিএ ১৯৬৭’র ৩৮, ৩৯ এবং ৪০ নম্বর ধারার বলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে এবং সেই ব্যক্তিকে জঙ্গি ঘোষণাও করা যাবে।
তাহলে এই সংশোধনীর প্রয়োজনটা কোথায় ছিল? প্রথমত, এনআইএকে বিপুল শক্তি দেওয়া। এবং দ্বিতীয়ত, বিরোধীদের চাঁদমারির আওতায় নিয়ে আসা। অন্তত বিরোধী দলগুলির মাথায় এই উদ্বেগই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিরোধী মাত্রই সরকারের নিয়ম-নীতির বিরুদ্ধে মতামত থাকবে। আর তেমন কিছু মতামত প্রকাশ করলেই যদি গায়ে জঙ্গি তকমা সেঁটে দেওয়া হয়, তার ফল কিন্তু সুদূরপ্রসারী! অথচ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আমাদের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের মধ্যে পড়ে। রাষ্ট্র বা আরও নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে কেন্দ্রের শাসক দলের কাছে সন্ত্রাসবাদী ভাবনা, সেই মত যদি কোনও বিরোধী দলের নেতা বা নেত্রী প্রকাশ করেন, তাহলে তাঁকে জঙ্গি ঘোষণা করে একঘরে করে দেওয়াটাও অস্বাভাবিক হবে না। এবং এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন তথাকথিত ‘আরবান মাওয়িস্ট’ গোত্রের লোকজন। এই নামকরণটিও শাসক দলের। অর্থাৎ, এই ধরনের লোকজন কট্টর বামপন্থায় বিশ্বাসী বা এই মতের পক্ষে লেখালেখি করেন। অসংশোধিত ইউএপিএ’র মাধ্যমে এঁদের সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করতে গত কয়েক বছরে কেন্দ্রকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। দিনের পর দিন গৃহবন্দি করে রাখা বা গ্রেপ্তারের পর যখন আদালতে মামলা উঠেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রায় গিয়েছে অভিযুক্তদের পক্ষে। কেরল সরকার বনাম রানিফ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে এক ব্যক্তির নাম জুড়ে গিয়েছে বলেই তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করা যায় না। যদি না সেই ব্যক্তি সরাসরি কোনও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এমনকী অন্য একটি মামলায় মাওবাদী নথি রাখার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া তো বটেই, তাঁকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশও দিয়েছিল কেরল হাইকোর্ট।
কিন্তু নতুন আইনে কোনও আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই শুধুমাত্র বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সব ক্ষেত্রে জঙ্গি বলে চালিয়ে দেওয়াটা খুব সহজ হয়ে যেতে চলেছে। এ ব্যাপারে অবশ্য আজ শুধু বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের উপর দায় চাপিয়ে লাভ নেই। কারণ, এই আইন সব শাসক দলের কাছেই ব্রহ্মাস্ত্র হতে চলেছে। যে দল সরকারে থাকবে, সে-ই কিন্তু একে নিজের ইচ্ছেমতো কাজে লাগাবে। এবং হয়তো তা হবে মূলত বিরোধীদের উপর। সোশ্যাল মিডিয়া ছাড়া আজও সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের তেমন একটা সুযোগ নেই। মানুষ নির্বাচিত করে জনপ্রতিনিধিকে। সেই ব্যক্তি যদি বিরোধী কোনও দলের হন তাহলে আইনসভার অন্দরে বা বাইরে শাসক দলের বিরুদ্ধমত প্রকাশ করতেই পারেন। তাঁর দায়িত্ব, সাধারণ মানুষের বা তাঁর ভোটারের বক্তব্য সরকারের সামনে তুলে ধরা। ইউএপিএ সংশোধনীর পর তা কি খোলাখুলিভাবে সম্ভব হবে? বিরোধী আসনে বসা সেই জনপ্রতিনিধি এখন ভাবতেই পারেন, যত কম বলা যায় ততই ভালো। বলতে গেলে যদি সরকার জঙ্গি ঘোষণা করে দেয়!
কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য দাবি করেছে, এই আইনের অপপ্রয়োগ হবে না। কিন্তু সেই গ্যারান্টি কে দিচ্ছে? টাডা আইনের ক্ষেত্রেও তো তৎকালীন সরকার গ্যারান্টি দিয়েছিল। আসলে কিন্তু বহু সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে তার জন্য সাজা ভোগ করতে হয়েছে। এক্ষেত্রেও তা হবে না তো? সংবিধানের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রশ্নচিহ্নের মুখে ফেলে সাধারণের বিরুদ্ধে হাতিয়ার হয়ে আত্মপ্রকাশ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ইউএপিএ’র সংশোধনীতে। হয়তো তেমন কিছুই হবে না। কিন্তু সুযোগ তো রয়েছে! তাই উদ্বিগ্ন মানুষ। আতঙ্কে বিরোধীরা। কেন্দ্রের শাসকদল এখন চাইলেই ‘বিগ ব্রাদার’ হয়ে নজরদারি চালাবে দেশবাসীর উপর। বিরুদ্ধমতের উপর। অতএব মুখে কুলুপই শ্রেষ্ঠ উপায়। 
13th  August, 2019
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
একনজরে
করোনা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের কাজ নিয়মিত দেখভাল করার জন্য আলাদা করে একজন পূর্ণমন্ত্রীর দাবি করল বিরোধী বাম ও কংগ্রেসের জোট শিবির।   ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: প্রতি বছর এই সময় নাওয়া খাওয়ার ফুরসত মেলে না। মহাজনের আর দোকানদারদের তাড়ায় অস্থির হতে হতো। কথা রাখতে রাতদিন বুনতে হতো শাড়ি। মাকুর ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর।  ...

লকডাউনের জন্য প্রায় তিন মাস নিকাশিনালা থেকে পলি তোলার কাজ করা যায়নি। বৃষ্টির জন্য তা ফের বন্ধ হলে হাওড়াবাসীর সমস্যা বাড়তে পারে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। গুপ্তশত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের জন্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৫ - বৃটিশ ভারতে কর কর্মকর্তা মহারাজা নন্দকুমারের মৃত্যু
১৯৩০ -মার্কিন নভোচারী তথা প্রথম মানুষ, যিনি চাঁদে অবতরণ করেন নীল আর্মস্ট্রংয়ের জন্ম
১৯৩১: অভিনেত্রী গীতা দে’র জন্ম
১৯৬২: অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মৃত্যু
১৯৬৯: প্রাক্তন ক্রিকেটার বেঙ্কটেশ প্রসাদের জন্ম
১৯৭৪: অভিনেত্রী কাজলের জন্ম
২০০০: ক্রিকেটার লালা অমরনাথের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩৮ টাকা ৭৬.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৬৯ টাকা ১০০.০৭ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৫ টাকা ৯০.১৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া ৪৪/৩ রাত্রি ১০/৫১। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১০/৪২ দিবা ৯/৩০। সূর্যোদয় ৫/১৩/২৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ২/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৫৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৯ গতে ১০/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র দিবা ৯/৪০। সূর্যোদয় ৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৬ ও ১১/৪৩ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে।
১৪ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যায় ভূমিপুজো অনুষ্ঠান মঞ্চে কী বললেন মোদি
আজ গোটা দেশ রামময়। পাশাপাশি এখন গোটা বিশ্বে শোনা যাচ্ছে ...বিশদ

02:14:14 PM

রুপোর প্রধান শিলা সহ মোট ৯টি শিলার পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী 

01:13:04 PM

ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান সমাপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

01:07:44 PM

সুশান্ত মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের সুপারিশ গ্রহণ করল কেন্দ্র 
বিহার সরকারের সুপারিশ মেনে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্য ...বিশদ

12:18:32 PM

অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান
অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ...বিশদ

12:18:00 PM

অযোধ্যায় হনুমানগড়িতে পুজো দেওয়ার পর রামলালা দর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

12:08:00 PM