Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

স্টেট নয়, শুধুই রিয়াল এস্টেট
পি চিদম্বরম

জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে প্রায়ই লিখি কিন্তু আজকেরটা অন্যরকম। জম্মু ও কাশ্মীর আর আগের জম্মু ও কাশ্মীর নেই। এটা আর রাজ্য নয়। এটাকে বিভক্ত করা হয়েছে। এখন দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর। ভারতের সংবিধানে কোনও রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্তরে নামিয়ে আনার ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
৫ ও ৬ আগস্ট, ২০১৯ সরকার তিনটি জিনিসের জন্য সংসদের অনুমোদনলাভে সফল হল:
১. ধারা ৩৭০ প্রত্যাহার এবং প্রতিস্থাপন: ৩৭০ ধারার অনুচ্ছেদ (১) এনে এবং ৩৭০ ধারার অনুচ্ছেদ (৩) সংশোধনের মাধ্যমে ৩৭০ ধারাটা বাতিল করা হল। এটা একটা মারাত্মক ত্রুটি হল কি না কিংবা অতি-চালাক আইনি কৌশল হল কি না, সেটা কেবল সময় এবং আদালত বলবে। আমাদের মতো মরণশীল মানুষ এটাকে সাংবিধানিক মহড়া হিসেবে বর্ণনা করতে পারি—যেটা বিখ্যাত বিভঙ্গবিনোদক (কনটরশনিস্ট) সোফি ডসির কৃৎকৌশলের সঙ্গে তুলনীয়। কেবলমাত্র একটি অনুচ্ছেদযুক্ত নতুন ৩৭০ ধারাটি আর কোনও বিশেষ ব্যবস্থার নির্দেশ করে না, এটার দ্বারা সমগ্র সংবিধানটি জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য প্রযোজ্য হল।
২. জম্মু ও কাশ্মীর বিভাগ এবং দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির প্রস্তাবে সংসদের অভিমত গ্রহণ: যে গণপরিষদে (কনস্টিট্যুয়েন্ট অ্যাসেমব্লি) অভিমত ব্যক্ত করার অধিকার ন্যস্ত হয়েছিল সেটাই রচনা করেছিল জম্মু ও কাশ্মীর সংবিধানের খসড়া। বিস্ময়করভাবে, এক খোঁচায়, সেই গণপরিষদটা হয়ে গেল জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা (অ্যাসেমব্লি) এবং তারপর সংসদ (পার্লামেন্ট)! সুতরাং, সংসদ প্রস্তাব (রেজোল্যুশন) পাশ করেছিল সংসদের অভিমত নেওয়ার পর। আমার মনে হয়, এর ভেতরে কোনও অতিলৌকিক নীতি কাজ করেছে যেটা মরণশীলদের উপলব্ধির বাইরে।
৩. জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের পুনর্গঠন এবং দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সৃষ্টি: একটি রাজ্য ভেঙে দুটি রাজ্যগঠনের পুরনো দৃষ্টান্ত অনুসরণের ভণিতা করেছে জম্মু ও কাশ্মীর (পুনর্গঠন) বিল, ২০১৯, অথচ বিলটি একটি রাজ্য ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সৃষ্টি করেছে। স্বভাবতই, সরকার পক্ষ অন্যভাবে ভাবেনি; তবে বিস্মিত হয়েছি রাজ্যে রাজ্যে শাসক এআইএডিএমকে, বিজেডি, জেডি(ইউ), টিআরএস, আপ এবং ওয়াইএসআরসিপি প্রভৃতি আঞ্চলিক দলগুলির ভূমিকায়—তারাও এর ভেতর কোনও অসংগতি দেখেনি। তৃণমূল কংগ্রেস কক্ষত্যাগ করেছিল।
একটা বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত
এই দৃষ্টান্ত অনুসৃত হলে দার্জিলিংকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেটে নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ে দেওয়াটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। নিয়মরক্ষার ব্যাপারটা হবে যে, রাজ্য বিধানসভাকে তার অভিমত জানাতে বলা হবে অথবা রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হবে এবং বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হবে। আর সেসব বাসনা মনে লম্ফঝম্প করছে সেগুলো হল—ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলা, ওড়িশার কেবিকে জেলাগুলি (কালাহান্ডি-বলাঙ্গির-কোরাপুট), মণিপুরের পার্বত্য জেলাগুলি এবং অসমের বোড়োল্যান্ড।
আইনি প্রশ্নের চেয়ে রাজনৈতিক প্রশ্নগুলিই অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। জম্মু ও কাশ্মীরের ব্যাপারটা ৬ আগস্ট চূড়ান্ত করা হল। তার আগে কিংবা এই প্রক্রিয়া চলাকালে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও আলোচনাই করেনি। উল্লেখ্য করা যায় যে, ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভা ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। এই বিষয়ে মূল ধারার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে কিংবা তাদের নেতাদের সঙ্গে—যাঁদের মধ্যে ওই রাজ্যের চার চারজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন—সরকার কোনও আলোচনা করেনি। সরকার হুরিয়ত কনফারেন্সের সঙ্গে কোনও কথা বলেনি, কারণ মোদি সরকার এই সংগঠনের স্বীকৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে অথবা তাদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেছে। বলা বাহুল্য যে, সরকার মানুষের মতামত নেয়নি, এমনকী মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেও নয়। সরকার তার এই ভূমিকাকে নির্বাচনী ইস্তাহারে বিজেপির প্রতিশ্রুতিপূরণ হিসেবে দেখাচ্ছে। সেটা আংশিক সত্য মাত্র। ৩৭০ ধারা খারিজ করাটা বিজেপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, সত্য, কিন্তু এও সত্য যে, জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করার প্রতিশ্রুতি বিজেপি কখনও দেয়নি। এমনকী যদি লাদাখটাকে কেটে নিয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করাও হতো, তবুও জম্মু ও কাশ্মীরের বাদবাকি অংশটিকে রাজ্য হিসেবেই রেখে দেওয়া যেত। সেটা কেন করা হল না—এই একটি গভীর প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই।
মানুষ উপেক্ষিত হল বটে, কিন্তু জিতবে
সরকারের অস্বাভাবিক পদক্ষেপের সাফল্য অথবা ব্যর্থতা কাশ্মীর উপত্যকার ৭০ লক্ষাধিক মানুষের দ্বারাই নির্ধারিত হবে—সরকারের মোতায়েন করা কয়েক হাজার বাহিনীর দ্বারা তা হবে না। সরকারের এই পদক্ষেপ নিয়ে উপত্যকার মানুষ কীভাবে তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানাবেন?
ক) ৩৭০ ধারা খারিজের ঘটনাটি সাংবিধানিক নিশ্চয়তা লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং সেইসঙ্গে গণ্য হবে জওহরলাল নেহরু, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল (যাঁকে সহায়তা করেছিলেন এন গোপালস্বামী আয়েঙ্গার এবং ভি পি মেনন), বাবাসাহেব আম্বেদকর এবং অন্যসকল সংবিধানপ্রণেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিভঙ্গ হিসেবেও।
খ) বাজপেয়িজির একটি স্মরণীয় উক্তি এই—‘‘কাশ্মীর সমস্যার সমাধান রয়েছে ইনসানিয়াত, জামহুরিয়াত ও কাশ্মীরিয়াত-এর ভেতরে।’’ তাই কেন্দ্রীয় সরকারের কাশ্মীর বিষয়ক পদক্ষেপটিকে মানুষ বাজপেয়িজির এই উক্তিকেই অস্বীকার হিসেবে দেখবে।
গ) লাদাখকে আলাদা করে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (লেহ এটা চেয়েছিল, কিন্তু কার্গিল বিরোধিতা করেছিল) গঠনের পদক্ষেপটি—জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের মানুষকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের প্রচেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে।
ঘ) জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সৃষ্টির পদক্ষেপটি উপত্যকার মানুষের অপমান এবং তাঁদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনপ্রণয়নের (লেজিসলেটিভ) অধিকার খর্ব করার প্রচেষ্টা হিসেবে গণ্য হবে।
আমার কাছে এটাই স্পষ্ট হয়েছে যে বিজেপির দৃষ্টিতে কাশ্মীর উপত্যকা হল স্রেফ একটা ভূসম্পত্তি (রিয়াল এস্টেট) এবং তার ৭০ লক্ষ নাগরিক নয়। বিজেপির দৃষ্টিতে ইতিহাস, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং কাশ্মীরিদের সংগ্রাম অপ্রাসঙ্গিক। হাজার হাজার কাশ্মীরি যখন হিংসা এবং বিচ্ছিন্নতার বিরোধিতা করছেন তখন তাঁদেরকে বিক্ষোভের জায়গায় কিংবা পাথরছোঁড়াদের দলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অধিক স্বশাসনের দাবিতে তাঁরা একসারিতে উঠে দাঁড়িয়েছিলেন। পরের সারিতে ছিল জঙ্গিরা এবং তাদের পক্ষে সদ্য নিযুক্ত বন্দুক হাতে যুবকরা। ভগবান না করুন, যদি প্রথম সারির হাজার হাজার মানুষ দ্বিতীয় সারিতে গিয়ে যোগ দেয়—তবে সেটাই হবে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিণাম! বিজেপি টের পেয়ে যাবে যে ‘রিয়াল এস্টেট’ মোটেই সস্তা দরের কিছু নয়।
12th  August, 2019
‘বর্তমান’কে স্নেহের আঁচলে ঢেকে রেখেছিলেন আমাদের সবার শুভাদি
হিমাংশু সিংহ

২০০৮ সালের ১৯ জুন ‘বর্তমান’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ বরুণ সেনগুপ্ত আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এক লহমায় মনে হয়েছিল, যেন মাথার উপর থেকে বিশাল ছাদটা সরে গেল। বরুণবাবু ছিলেন পোড় খাওয়া অকুতোভয় এক বলিষ্ঠ সাংবাদিক, যিনি সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে নিজের জীবনও বাজি রাখার অসামান্য ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।  
বিশদ

22nd  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন 

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন।  বিশদ

21st  October, 2019
তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে।   বিশদ

21st  October, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা শহরের রাজ আমলের মদন মোহন বাড়ির দিঘিরপাড় দখল করার অভিযোগ উঠছে পুরসভার বিরুদ্ধে। কোচবিহারের মদন মোহন বাড়ির দেবোত্তর ট্রাস্টের অধীনে থাকা এই দিঘিটি রয়েছে পুরসভার অতিথি নিবাসের পাশেই।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রোপা ২০১৯ কার্যকর হতে চলল। কিন্তু মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদে যোগ দিয়েও ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত অনেকে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতায় ফের চালু হল ‘সোনি সেন্টার’। গোলপার্কে গড়িয়াহাট রোডের উপর ওই শো-রুমটি এক হাজার বর্গফুটেরও বেশি জায়গা জুড়ে খোলা হয়েছে, যেখানে সোনির ...

অভিজিৎ চৌধুরী, চন্দননগর, বিএনএ: শুধু দর্শনীয় প্রতিমা বা মণ্ডপের থিম নয়, জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জনের শোভাযাত্রার প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ আসন ছিনিয়ে নিতেও জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে চন্দননগরে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭০৭— ব্রিটেনের প্রথম পার্লামেন্টে অধিবেশন শুরু হল
১৯১৭—অক্টোবর বিপ্লবের ডাক দিলেন লেনিন
১৯২৯—নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে মহামন্দার সূচনা
১৯৪৪—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ: হাঙ্গেরি প্রবেশ করল সোভিয়েতের লাল ফৌজ
২০০২—মস্কোর থিয়েটারে হানা দিয়ে প্রায় ৭০০ দর্শককে পণবন্দি করল চেচেন জঙ্গিরা
২০১২—সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১২ টাকা ৭১.৮২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৪৫ টাকা ৯৩.৭৬ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৬ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৮৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৯৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৪৮/৪৩ রাত্রি ১/৯। অশ্লেষা ২৩/৫২ দিবা ৩/১৩। সূ উ ৫/৩৯/৫৭, অ ৫/২/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১১ গতে ৭/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৩ গতে ১১/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৪ গতে ৬/৪৪ মধ্যে পুনঃ ৮/২৪ গতে ৩/৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১ গতে ৪/৬ মধ্যে। 
৫ কার্তিক ১৪২৬, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৮/৩৫/৩১ রাত্রি ৯/৬/৫৪। অশ্লেষা ১৬/২৮/৪০ দিবা ১২/১৬/১০, সূ উ ৫/৪০/৪২, অ ৫/৩/৩২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৩ মধ্যে ও ৭/১৮ গতে ৮/২ মধ্যে ও ১০/১৪ গতে ১২/২৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৬/৩৫ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/১৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২২/২ গতে ১২/৪৭/২২ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩১/২২ গতে ৯/৫৬/২২ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩১/২২ গতে ৪/৬/২ মধ্যে। 
২৩ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৩১ অক্টোবর ভারতে আসছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল 

03:48:10 PM

লালগড়ে পারিবারিক বিবাদের জেরে যুবক খুন 
জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে গুলি করে ও গলার নলি কেটে ...বিশদ

02:15:39 PM

ডুয়ার্সে বেড়াতে গিয়ে মৃত্যু বারাসতের প্রৌঢ়ের 
ডুয়ার্স বেড়াতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক পর্যটকের। ...বিশদ

02:12:42 PM

কার্শিয়াংয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক শুরু 

02:07:00 PM

খিদিরপুরে ৬২০ কেজি শব্দবাজি সহ ধৃত ২ 

01:22:54 PM

কল সেন্টার খুলে প্রতারণার অভিযোগ, ধৃত ৫ 
ভুয়ো কল সেন্টার খুলে বিদেশিদের প্রতারণার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করল ...বিশদ

01:03:35 PM