Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগছে কেন?
শুভা দত্ত

প্রশ্নটা আজ দেশের সর্বস্তরে। পথে-ঘাটে অফিসে আড্ডায় যেখানেই চলতি রাজনীতি নিয়ে তর্ক-বিতর্কের উদয় হচ্ছে সেখানেই প্রশ্নটা যেন অনিবার্যভাবে এসে পড়ছে! কংগ্রেসের হলটা কী! রাহুল গান্ধী না বলে দিতেই আর সভাপতি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না কংগ্রেসে! গান্ধী ফ্যামিলি ছাড়া কংগ্রেস সভাপতি খুঁজে পাচ্ছে না— এ তো বড় অদ্ভুত ব্যাপার! কংগ্রেসের জন্মের পর থেকে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরের দেশ রাজনীতির কত দিকপালই তো জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন অলঙ্কৃত করেছেন—উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, দাদাভাই নৌরজি, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষচন্দ্র, অ্যানি বেসান্ত, চিত্তরঞ্জন, সরোজিনী নাইডু, বল্লভভাই প্যাটেল, কামরাজ, জগজীবন রাম—কত নাম বলব। নিশ্চয়ই এই তালিকায় নেহরু থেকে ইন্দিরা, রাজীব, সোনিয়া হয়ে রাহুল—গান্ধী পরিবারের সদস্যরাও ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তো তাঁর মর্মান্তিক প্রয়াণের সময়ও সভাপতি পদেই বৃত ছিলেন। আর রাহুল তো মাত্র কয়েক মাস আগেও জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে লোকসভা ভোট লড়েছেন।
কিন্তু, এবারের লোকসভা ভোটের ফলে কংগ্রেসের গুরুতর বিপর্যয়ের পর তার দায় নিয়ে সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধী সরে দাঁড়ানোর পর কংগ্রেসের অন্দরে এক অভূতপূর্ব নেতৃত্বহীনতা দেখা দিল! কংগ্রেসের নবীন, প্রবীণ, প্রৌঢ় কোনও শীর্ষ নেতা-নেত্রীই সভাপতি হতে আগ্রহী নন! সকলেই দফায় দফায় রাহুলজিকে অনুরোধ, উপরোধ করে চলেছেন—আপনি ফিরে আসুন পদে, আপনার নেতৃত্বে দল নরেন্দ্র মোদিজির গেরুয়া ব্রিগেডের বিরুদ্ধে লড়াই করবে জান বাজি রেখে—দেশ ও দশের স্বার্থে আগামী দিনের ভারতে ফের একবার কংগ্রেসের তেরঙ্গাকে স্বমহিমায় সগৌরবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংগ্রামে সভাপতি হিসেবে আপনি নেতৃত্ব দিন—সভাপতি তথা নেতা হিসেবে আপনাকে ছাড়া এই মুহূর্তে কোনও বিকল্প নেই আমাদের ইত্যাদি প্রভৃতি কত কী! হরেক নেতার হরেক দাবি, হরেক প্রার্থনা। কিন্তু, রাহুল গান্ধী অনড়। তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন—সভাপতি পদে তিনি আর ফিরছেন না। অবশ্যই এখানে ‘আপাতত’ কথাটা যোগ করে নিতে হবে। কারণ, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু হয় না।
কিন্তু, যেটা লক্ষণীয়, রাহুল না করে দেওয়ার পর গত তিন মাস যাবৎ খালি পড়ে থাকল জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতির আসন! গোটা দেশ থেকে একজন সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কংগ্রেসে! সংসদে বাংলার অধীর চৌধুরীকে নেতা করে সোনিয়া, রাহুল সামাল দিলেন বটে কিন্তু ‘হাইকমান্ডে’র পাশের চেয়ারটি খালিই রইল দিনের পর দিন। তো, কংগ্রেসের মতো এমন একটা বিরাট ঐতিহ্যশালী দলের শীর্ষস্তরে এমন নেতৃত্বহীনতা দেখলে প্রশ্ন তো উঠবেই—উঠেছেও। কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী সমর্থক নেতা-নেত্রী থেকে কংগ্রেস-বিরোধী শিবির মায় দেশের আমজনতা সর্বত্র জিজ্ঞাসা একটাই—রাহুল সরে দাঁড়াতেই কংগ্রেস এমন নেতৃত্বহীনতায় ভুগতে শুরু করল কেন? গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে কি আজ একজনও নেই যিনি আপন রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে শক্ত হাতে কংগ্রেসের হাল ধরতে পারেন, হতে পারেন উমেশচন্দ্র, সুরেন্দ্রনাথ, প্যাটেল, নেতাজি, চিত্তরঞ্জন প্রমুখের মতো চিরস্মরণীয় মহারথীদের আধুনিক উত্তরসূরি!?
সত্যি বলতে কি, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের কেন্দ্রীয় উদ্যোগের পর প্রশ্নটা যেন আরও জোরালো হয়ে উঠেছে। তার অবশ্য সুনির্দিষ্ট কারণও আছে। কারণটা হল, ভারতের সংসদে এত বড় একটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটে গেল, কাশ্মীরের জনগণ ৩৭০ ধারা রদের সঙ্গে সঙ্গে এতদিন পাওয়া বিশেষ সুযোগ-সুবিধা হারাল, এই রদ প্রক্রিয়ায় নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক রীতিনীতি না মানার অভিযোগ উঠল, দেশের রাজনৈতিক মহল থেকে জনতার দৈনন্দিন জীবন—সর্বত্র এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় তোলপাড় চলছে অথচ, দেশের অন্যতম প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের তথাকথিত হাইকমান্ড বা মাস কয়েকের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর তরফে তেমন কোনও সাড়া-শব্দ নেই! বরং ঘটনার দিন সংসদে কংগ্রেসের পক্ষে অধীর চৌধুরীর বক্তব্য শাসক বিজেপি তথা মোদি, অমিত শাহ জুটিকে সন্তুষ্ট করতে পারুক না পারুক সনিয়া-রাহুলের পক্ষে প্রীতিকর হয়নি বলেই খবর!
অন্যদিকে দেখা গেল—কংগ্রেসের তরুণ-প্রবীণ ব্রিগেডের কয়েকজন নেতার মন্তব্যেও ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে সেই মিশ্র-ভাবনার প্রকাশ ঘটেছে! গত বুধবার রাতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পর্যন্ত ৩৭০ নিয়ে গরিষ্ঠ জনমতের পক্ষ নেওয়ার জন্য সওয়াল ওঠে বলে খবর! বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ সেই সূত্রে মোদিজি, অমিত শাহের ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত সমর্থনের কথা বলেন। অবশ্য, রাহুল গান্ধী সেই ভাবনা সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা লড়াইয়ের কথা বলেন। চিদম্বরম, আহমেদ প্যাটেলের মতো প্রবীণ এবং প্রিয়াঙ্কার মতো নবীন নেতা-নেত্রীর সমর্থনে রাহুলের যুক্তিই কমিটি বৈঠকে শেষ পর্যন্ত মান্যতা পায়। কিন্তু, ৩৭০ বাতিল নিয়ে কংগ্রেসের অন্দরের মতপার্থক্যটি তাতে কতটা আড়াল করা গিয়েছে তা নিয়ে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞমহলে যথেষ্ট সংশয় ছড়িয়েছে।
তার প্রমাণও মিলেছে। জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে দল যে দ্বিধার ভাবটা কাটিয়ে উঠতে পারেনি—গত বৃহস্পতিবার সংসদে অধীর চৌধুরী ও গুলাম নবি আজাদের বিতর্কিত মন্তব্য এবং পরবর্তীতে কংগ্রেস নেতা কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্রের বক্তব্য তার প্রমাণ। গুলাম নবি বলে দিলেন, কাশ্মীরের মানুষজনকে টাকা দিয়ে কেনা যায় আর অধীর কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থাকে ‘কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে’র সঙ্গে তুলনা করে বিতর্ক বাধালেন। অন্যদিকে কর্ণ সিং ও তাঁর পুত্র বিক্রমাদিত্য মোদি-শাহের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তকে ভূস্বর্গে নতুন যুগের সূচনা বলে অস্বস্তিতে ফেললেন দলকে! শুধু তাই নয়, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার মতো আরও কেউ কেউ এমনভাবে কেন্দ্রের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে দাঁড়িয়ে—বর্তমান ক্ষেত্রে জাতীয় কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভূমিকা কেবল ধোঁয়াশাচ্ছন্নই করে তোলেননি, পরন্তু সোনিয়া-রাহুল-প্রিয়াঙ্কা ঘোষিত বিরোধিতার নীতির গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। ফলে, শাসক পদ্মদলের ৩৭০ রদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে দলের লাইন কী হবে তা নিয়ে রীতিমতো ধন্দে পড়ে গেছেন কংগ্রেসের উপর থেকে নিচুতলার প্রায় সকলেই। এবং প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় ও প্রভাবশালী দল কংগ্রেসের অন্দর-বাহিরের এই দ্বিধা দোলাচল, রাজনৈতিক নীতি নির্ধারণে এই মতপার্থক্যে সঙ্গত কারণেই বিশেষ স্বস্তিতে পদ্ম শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। কংগ্রেসের এই টালমাটাল কাটতে কাটতে জম্মু-কাশ্মীর-লাদাখের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে, দেশের নানা প্রান্তে ৩৭০ ধারা রদ নিয়ে প্রতিবাদের যেটুকু ঢেউ-তরঙ্গ উঠেছে তাও মিলিয়ে যাবে, তখন এ নিয়ে আন্দোলনে নামা কংগ্রেসের পক্ষে খুব সুবিধেজনক হবে না—এমনই ধারণা শাসক বিজেপি’র। অন্তত তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকে তেমনই বলছেন।
কিন্তু, এত বড় একটা দলে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে এত বিপরীত মত আসছে কেন? তাহলে কি দলের শীর্ষস্তরে সোনিয়া-রাহুলের মানে গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব শিথিল হতে শুরু করেছে, ‘হাইকমান্ডে’র সার্বজনিক মান্যতায় টান পড়ছে? দলে গান্ধী পরিবারের বাইরের প্রভাব বাড়ছে? তাই যদি, তবে তিন মাসে গান্ধী ফ্যামিলির বাইরে থেকে একজন যোগ্য সভাপতি খুঁজে পাওয়া গেল না কেন? তাহলে কি প্রকৃত অর্থেই যোগ্য বলিষ্ঠ নেতৃত্বের খরা দেখা দিয়েছে স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জাতীয় কংগ্রেসে? অন্যগুলো নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও শেষ প্রশ্নটিতে দেখা যাচ্ছে অনেকেই সহমত। ইন্দিরার আমল থেকেই কংগ্রেস পুরোপুরিভাবে গান্ধী পরিবার নির্ভর। সীতারাম কেশরী বা নরসীমা রাওয়ের মতো যাঁরা সভাপতি হয়েছেন তাঁরা কার্যত গান্ধী পরিবারের নির্দেশ-নীতিকে শিরোধার্য করেই কাজ চালিয়েছেন। ফলে সভাপতির চেয়ারে যে-ই থাকুন গান্ধী পরিবারের কর্তৃত্ব ও শাসনই বহাল থেকেছে কংগ্রেসে—নিন্দুকেরা তেমনটাই বলেন। শনিবার এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনও সভাপতি ঠিক হয়নি কংগ্রেসে। ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হচ্ছে। কুমারী শৈলজা মল্লিকার্জুন খাড়গে, মুকুল ওয়াসনিক, বেণুগোপালের মতো কিছু নাম উড়ছে বাতাসে।
শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে সেটা রাজনীতির ভাগ্যদেবতা জানেন। আমরা কেবল অতীত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটুকুই অনুমান করতে পারি—সভাপতি পদে যিনিই মনোনীত হোন—তিনি গান্ধী পরিবারের বিশেষ প্রীতিভাজন হবেন। কিন্তু, আপন রাজনৈতিক দক্ষতা কৌশলে আজকের এই দিশেহারা জাতীয় কংগ্রেসকে তিনি কতটা দিশা দিতে পারবেন, জাতীয় রাজনীতিতে তার হৃত মহিমা কতটা ফেরাতে পারবেন তা বলবে সময়। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই মনে করেন, সময়ের সেই পরীক্ষায় নয়া সভাপতির সাফল্যই নেতৃত্বহীনতার চলতি দুর্বলতা থেকে কংগ্রেসকে রেহাই দিতে পারে। না হলে ফের গান্ধী রাহুলেরই দ্বারস্থ হতে হবে কংগ্রেসকে। কংগ্রেসে গান্ধী-পরিবার নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার স্বপ্ন যাঁরা দেখেন তাঁদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। নান্য পন্থা।
11th  August, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কালীপুজোয় আলোয় ভাসবে রাজারহাট। বেশ কয়েকটি ক্লাবের উদ্যোগে এখানে দশকের পর দশক চোখ ধাঁধানো মণ্ডপ তৈরি হয়। এবার সেই রেশের পারদকে আরও চড়িয়ে রাজারহাট-নিউটাউনের কালীপুজোয় থিমের চমক দর্শকদের মন ভরাবে। ক্লাবগুলি থিমের উদ্ভাবনীতে একে অপরকে টেক্কা দিতে ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...

 নয়াদিল্লি, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): নাগাদের জন্য আলাদা পতাকা এবং সংবিধানের দাবি খারিজ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে দশকের পর দশক ধরে চলা শান্তি প্রক্রিয়াতেও সরকার ইতি টানতে চাইছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: প্রথম ম্যাচে এটিকের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে জয়ী কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি 

09:37:34 PM

আইএসএল: কেরালা ব্লাস্টার্স এফসি ২ - এটিকে ১ (বিরতি) 

08:29:36 PM

কোচবিহারের দিনহাটার নারায়ণগঞ্জে ৭১ কেজি গাঁজা উদ্ধার 

06:16:00 PM

করণদিঘিতে ব্যবসায়ী খুনে ৫ অভিযুক্ত গ্রেপ্তার, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র 

05:47:32 PM

শ্রীরামপুরে লকেটের গাড়ি আটকানোর অভিযোগ কংগ্রেসের বিরুদ্ধে 
সংকল্প যাত্রায় অংশগ্রহণের পথে শ্রীরামপুরের বটতলায় লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি আটকানোর ...বিশদ

04:32:00 PM

রাঁচি টেস্ট: কম লাইটের জন্য খেলা বন্ধ, দঃ আফ্রিকা ৯/২ (প্রথম ইনিংস) 

04:19:41 PM