Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন তালাক: এক কুপ্রথার অবসান
অমিত শাহ

কিছু দিন ইতিহাসে বিশিষ্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। ভারতের সংসদের ইতিবৃত্তে ৩০ জুলাই, ২০১৯ তেমনই একটি দিন। সংসদের উচ্চকক্ষে ঐতিহাসিক তিন তালাক বিলের জায়গা করে নেওয়াটা নিছক একটি নতুন আইনপ্রণয়ন নয়। এটি একটি ঐতিহাসিক ভুলের সংশোধনের বিষয়। এটি মুসলিম নারীদের সম্মান ও মর্যাদার পুনরুদ্ধারের বিষয়। এটি লিঙ্গসমতা প্রতিষ্ঠার বিষয়।
এই বিলটির উত্থাপন দেখিয়ে দিল বিরোধীদের প্রতিরোধ সত্ত্বেও মোদি সরকার দ্রুত সমাজ সংস্কারের অঙ্গীকার রক্ষায় কতটা আন্তরিক। এটা সেই সমস্ত মুসলিম নারীর জন্য একটি বিধিবদ্ধ রক্ষাকবচ হয়ে উঠল যাঁরা একটি চূড়ান্ত অন্যায় প্রথার নীরব শিকার হচ্ছিলেন।
বিলটিকে রাজ্যসভায় জায়গা করে দেওয়ার বৃত্তান্ত এবং একইসঙ্গে সংসদের বাইরেটাও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত রেখে গিয়েছে। প্রথমত পরিষ্কার হল যে ভারতে নারীদের সামাজিক মর্যাদা, সম্মান ও সম্ভ্রম দিতে নরেন্দ্র মোদির সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা রয়েছে। সমানভাবে প্রকট হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস দলের দ্বিচারিতামূলক মতলবটি, যারা বরাবর সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে এসেছে, নারীর আত্মমর্যাদার কথা না-ভেবে তাদের নিদারুণ বৈষম্যের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত করেছে।
আর একটি উল্লেখযোগ্য দিক লক্ষ করা গিয়েছে যে তাদের তাঁবের দলগুলিকে বাগে আনার ব্যাপারে কংগ্রেসের ক্ষমতা আজ ক্রমহ্রাসমান। যখন কোনও একটি সরকার জনগণের ও সমাজের কল্যাণে ব্রতী থাকে, যেমনটা নরেন্দ্র মোদির সরকার রয়েছে, তখন অন্যদলগুলির পক্ষে তাতে সমর্থন দেওয়াটাই শুধু স্বাভাবিক।
তিন তালাক বিল এনডিএ-বহির্ভূত দলগুলির যে সমর্থন পেয়েছে তা স্বাগত। সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আমাদের আরও আবেদন, ভারতকে একটি জাতি এবং সমাজ হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বাধাস্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলিতে তারা রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে আসুক এবং দলাদলি ভুলে সমর্থন দিক।
ভারতের সাম্প্রতিক ইতিহাস প্রিজমের মাধ্যমে তিন তালাকে কংগ্রেস দলের ভূমিকার বিশ্লেষণটি গুরুত্বপূর্ণ। তিন দশক আগে লোকসভায় কংগ্রেসের চারশোর বেশি এমপি ছিলেন, তাদের কাছে সুবর্ণ সুযোগ ছিল শাহবানু মামলাটিকে হাতিয়ার করে মুসলিম নারীদের প্রতি ঐতিহাসিক অন্যায়ের প্রতিকার করে ফেলার। ১৯৮৫ সালে সুপ্রিম কোর্ট তিন তালাকের শিকার শাহবানুর পক্ষে রায় দিয়েছিল, তাঁর জন্য প্রতি মাসে ৫০০ টাকা ভাতার সংস্থান করেছিল এবং বলেছিল যে তাদের রায়টি শরিয়া বা ইসলামি আইন মোতাবেক। যাই হোক, এটা কার্যকর করার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সেদিন আত্মসমর্পণ করেছিল—মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের প্রতিনিধিদের চাপের কাছে এবং ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির লালসার কাছে, এবং আদালতের রায় নস্যাৎ করে দেওয়ার জন্য একটি আইনও প্রণয়ন করেছিল তারা।
কংগ্রেস সরকারের এই আত্মসমর্পণ আহত করেছিল বামপন্থী আইনজ্ঞ তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ভি আর কৃষ্ণ আয়ারকে। কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী আরিফ মহম্মদ খান আদালতের সিদ্ধান্তটিকে ‘সঠিক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন এবং সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তিনি ইস্তফাও দিয়েছিলেন। আরিফ মহম্মদ খানকে রাজীব গান্ধী বুঝিয়েছিলেন যে সুপ্রিম কোর্টের এই প্রগতিশীল রায়টিকে তিনি কার্যকর করবেন। ইস্যুটিকে সেই থেকে বছরের পর বছর ঠান্ডাঘরে ফেলে রাখা হয়েছিল, নরেন্দ্র মোদির সরকার যখন সেটাকে সামনে আনল, তখনও কংগ্রেসের বিদ্বেষপূর্ণ দোলাচলে কোনও পরিবর্তন দেখা গেল না। তিরিশ বছর আগে কংগ্রেসের যে ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ এবং বিভাজনের রাজনীতি ছিল, সেটা স্পষ্ট হয়েছিল যখন রাজীব গান্ধীর ভুলটি নিয়ে অস্বস্তি এড়ানোর কৌশল তারা করেছিল। প্রতিবন্ধকতার নীতিতে অন্তরের চেহারাটি প্রতিফলিত হয়েছিল, যা তোষণ আর ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি চিরস্থায়ী করে। তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন এই ধরনের রাজনীতির উপর এক বিরাট আঘাত।
এই বিল ভারতের তথাকথিত উদারপন্থীদের পুরো বেআব্রু করে দিয়েছে। এই সমস্ত ‘উদারপন্থীদের’ মধ্যে যাঁরা লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে স্বঘোষিত ‘চ্যাম্পিয়ন’ তাঁরা লক্ষণীয়ভাবে নীরব অথবা যে বিলটি মুসলিম নারীদের ক্ষমতায়নের চেষ্টা করছে তার বিরোধিতার চাতুরিতে নিয়োজিত হয়েছেন। এই দ্বিচারিতা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই স্বঘোষিত উদারপন্থীরা মানবিক মূল্যবোধের পূজারি না-হয়ে, নিছক সংকীর্ণ দলীয় রাজনীতির ক্রীড়নক।
উল্লেখ করার মতো বিষয় এই যে, এই ধরনের একটি আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা কী—এই প্রশ্ন যাঁরা তুলছেন তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন যে—২০১৭ সালের জানুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট এই প্রথা বাতিল করে দেওয়ার পরেও কয়েকশো নারী তিন তালাকের শিকার হয়েছেন বলে খবর আছে। এই ঔদ্ধত্যের কারণেই একটি কঠোর আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে, যা দিয়ে অন্যায় প্রথাটি রুখে দেওয়া সম্ভব হবে। আইনটি ইসলাম-বিরুদ্ধ নয়—এটাকে সমর্থন করে পাকিস্তান, ইরান, ইরাক ও সিরিয়াসহ ১৯টি দেশ এবং তারা তাৎক্ষণিক মৌখিক বিবাহবিচ্ছেদ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
আমাদের বোঝা দরকার যে, তিন তালাকের বিরুদ্ধে যে মহিলারা দীর্ঘ লড়াইটা করেছেন তাঁদের কারও মধ্যে কোনোরকম রাজনৈতিক অভিসন্ধি ছিল না। নিজেদের জীবনে নেমে আসা অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইতে এই অসীম সাহসী মহিলারা ছিলেন সাধারণ। এই অন্যায় প্রথার শেষ দেখে ছাড়ার প্রতিজ্ঞা নিয়েছিলেন তাঁরা এবং শেষমেশ দেশের সর্বোচ্চ আদালতে জয়লাভ করেছেন। আমাদের সরকার তিন তালাক আইন প্রণয়ন করে তাঁদের সংগ্রামের পিছনে বিধিবদ্ধ সমর্থন জোগাল। যাই হোক, আইনপ্রণেতা এবং রাজনৈতিক দলগুলির অবশ্যকর্তব্য হল এই ধরনের লড়াইকে সমর্থন জোগানো এবং সঠিক দিশা দেখানো।
শুধুমাত্র মুসলিম সমাজের জন্য প্রযোজ্য আইনপ্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিরোধী পক্ষ যে বিতর্কটি তুলেছে তা ভিত্তিহীন। অন্যসকল গোষ্ঠীর ভেতরে বদ্ধমূল অনেক প্রথার সংস্কারের লক্ষ্য নিয়েও স্বাধীন ভারত আইন তৈরি করতে দেখেছে। হিন্দু বিবাহ আইন, খ্রিস্টান বিবাহ আইন, এবং বাল্যবিবাহ ও পণপ্রথা নিষিদ্ধকরণের আইনগুলি হল সামাজিক প্রথার সংস্কারে হস্তক্ষেপের দৃষ্টান্ত।
যাঁরা সুবিধাবাদী, সংকীর্ণ রাজনীতির বিতর্কে মগ্ন তাঁরা এগুলি মানতে অস্বীকার করছেন। তিন তালাককে ফৌজদারি অপরাধ করা নিয়ে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছেন আর কিছু সত্য যে—হিন্দু সমাজের অনেক প্রথাকেও ক্রিমিনাল অফেন্স বা ফৌজদারি অপরাধ গণ্য করা হয় এবং সেসবের জন্য কঠোর শাস্তির বিধানই রয়েছে।
তিন তালাক নিষিদ্ধকরণের আইন তৈরি করার জন্য নরেন্দ্র মোদির সরকারের কৃতিত্ব প্রাপ্য। এখন আমি নিশ্চিত যে মোদিজি একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবে ইতিহাসে উজ্জ্বল স্থান করে নেবেন—তাঁর আসন নির্দিষ্ট হবে রাজা রামমোহন রায় এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পঙ্‌঩ক্তিতে, যাঁরা অসংখ্য নারীর কল্যাণে লড়েছিলেন এবং ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন।
06th  August, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, খড়্গপুর: মঙ্গলবার সকালে চীনা মাঞ্জায় গলা কেটে খড়্গপুর শহরে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। তার নাম মহম্মদ সাদেক(১৫)। বাড়ি পাঁচবেড়িয়া কাজি মহল্লায়। সে সাউথ সাইড হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত।  ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

মঙ্গল ঘোষ, গাজোল, সংবাদদাতা: দেশলাইয়ের বিভিন্ন মার্কা ও কাঠি দিয়ে নানা শিল্পকর্ম করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ইংলিশবাজার শহরের বাসিন্দা সুবীর কুমার সাহা। কখনও আর্ট পেপারে ...

মাদ্রিদ ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমণের মাত্রা কমিয়ে এনে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উচ্চ প্রশংসিত হল ভারত। মঙ্গলবার মাদ্রিদে জলবায়ু সংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন সিওপি-২৫’-এ ‘ক্লাইমেক্স চেঞ্জ পারফরমেন্স ইনডেক্স (সিসিপিআই) প্রকাশিত হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নাগরিকত্ব বিল: অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি অসমে, পুড়ল বাসও
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদের জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে অসমে। ...বিশদ

05:59:14 PM

নাগরিকত্ব বিল: শহরে প্রতিলিপি পুড়িয়ে প্রতিবাদ কংয়ের
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রতিবাদে পথে নামল প্রদেশ কংগ্রেস। আজ বিকালে ...বিশদ

05:43:21 PM

 ত্রিপুরা ও অসমে মোতায়েন হল সেনা
নাগরিকত্ব বিল নিয়ে প্রতিবাদের মোকাবিলা করতে সেনা মোতায়েন করা হল ...বিশদ

05:33:48 PM

ফুলেশ্বরে বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর 
রোগীকে অন্যত্র রেফার করা নিয়ে উত্তেজনা ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ...বিশদ

04:47:59 PM

পর্ণশ্রীতে বাড়ি থেকে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার 

03:54:51 PM

শ্রীহরিকোটা থেকে রিস্যাট-২বিআরআই১ কৃত্রিম উপগ্রহর সফল উৎক্ষেপণ করল ইসরো 

03:49:00 PM