Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৫, ১০, ২০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে
পি চিদম্বরম

রাজ্যসভায় ২০১৯-২০ বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় বলেছিলাম, ‘‘যদি জিডিপির স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হয় তবে প্রতি ছ’বছরে জিডিপির আকারটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর বৃদ্ধির হারটা যদি নমিনাল ১১ শতাংশ হয় তবে জিডিপি দ্বিগুণ হতে সময় নেবে সাত বছর।’’ আমি অর্থমন্ত্রীকে জোর দিতে বলেছিলাম যে শুধু ২০২৪-২৫ সালে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি অর্জনেই থেমে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিলে হবে না; তাঁকে আরও দেখিয়েছিলাম যে এর ফলে অর্থনীতির আকারটা প্রথম ছয়-সাত বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের হয়ে যাবে এবং তার পরবর্তী ছয়-সাত বছরে সেটা হয়ে যাবে ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমি কোনও বিদ্রুপ করতে চাইনি। লক্ষ্যটা স্বচ্ছ বটে (এবং, ওই মাইলফলক ছুঁতে পারলে আমরা সত্যিই সুখী হব) কিন্তু আহামরি নয়। কেন একথা বলছি?
সহজ অঙ্ক
গত দশ বছরে ভারতের অর্থনীতির নমিনাল গ্রোথ ছিল বছরে গড়পড়তা ১২ শতাংশ। মনে রাখতে হবে যে এটা কিন্তু ‘নমিনাল’ বৃদ্ধি। আপনি যদি অঙ্ক কষেন এবং ১০০ সংখ্যাকে বছরে একবার করে ১১ অথবা ১২ শতাংশ দিয়ে গুণ করেন তবে আপনি নীচের সারণিটা পাবেন:

অবশ্য মার্কিন ডলারে পরিমাপ করার জন্য বিনিময় হারটা যুক্তিসংগতভাবে সুস্থির থাকতে হবে। যদি ভারতীয় মুদ্রা এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারটি ৭০-৭৫ টাকার মধ্যে থাকে, তবে যে ভারতীয় অর্থনীতি ২০১৮-১৯ সালে ২.৭৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে ছিল সেটা ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে উন্নীত হয়ে যাবে। অর্থনীতির আকার ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যটি স্থির করার সময় অর্থনৈতিক সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছিল যে ভারতীয় মুদ্রামান ডলার প্রতি ৭৫ টাকা পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। কিন্তু সেখানেই কেন থেমে যাওয়া?
ভারতের অর্থনীতির সাইজটা ১৯৯১ সালে ৩২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছিল। সেটা ২০০৩-০৪ সালে দ্বিগুণ হয়ে গেল। সেটারও দ্বিগুণ হয়ে গেল ২০০৮-০৯ সালে। এবং, পরবর্তী দ্বিগুণ সাইজ পাওয়া গেল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আর সেটা দাঁড়াল ২.৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতেও, প্রতি ছয় অথবা সাত বছরে জিডিপি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। প্রতিটি মাইলফলক একটি সন্তুষ্টির বিষয় নিঃসন্দেহে কিন্তু কোনও আহামরি লাভ হয়েছে বলে ভাবা ঠিক হবে না।
কিছু গুরুতর প্রশ্ন
আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি হল:
১. নমিনাল গ্রোথের হারটা ১১ বা ১২ শতাংশ থেকে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে ১৪ শতাংশে আমরা নিয়ে যাব (যখন ভারত দুই সংখ্যার ১০ জিডিপি বৃদ্ধির হার অর্জনে সক্ষম হবে )?
২. গড় ভারতীয়ের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারটা কেমন হবে?
৩. সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ এবং সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশের মধ্যেকার বৈষম্যটি আরও চওড়া হবে না কি কমে আসবে?
আমরা চাই এই প্রশ্নগুলির উত্তর এবং নমিনাল বৃদ্ধির নিম্নহার, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির নিম্নহার ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের নেপথ্য কারণগুলি দূর করার উপযোগী নীতি নেওয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, ম্যাক্রো-ইকনমিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার দাবিটি অর্থমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেন এবং জানালেন না অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন কী।
এসব প্রশ্নের কিছু উত্তর ইকনমিক সার্ভে ২০১৮-১৯ থেকে পাওয়া যেতে পারে। প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার (সিইএ) মতে, বৃদ্ধির উচ্চহারের চাবিকাঠিটি হল আরও বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ (গ্রেটার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট)। কিছুদিন আগে তাঁর কণ্ঠে এটাই পুনরাবৃত্ত হয়েছিল যে শুধু দেশের অভ্যন্তরের সম্পদ বিনিয়োগটাই যথেষ্ট হবে না। এখানেই বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব।
সম্পদের সন্ধানে
দেশীয় সম্পদের অপ্রতুলতা নিয়ে উদ্বেগের যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখিয়েছেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। শুধুমাত্র কর রাজস্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উদ্বৃত্ত থেকেই সরকারি বিনিয়োগ বা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। এগুলির ভিতরে লক্ষ্যমাত্রা অনু্যায়ী কর রাজস্ব আদায়ের সমস্যা আছে। বিশেষভাবে ২০১৮-১৯ গিয়েছে একটি খারাপ বছর। তা সত্ত্বেও সরকার ২০১৯-২০ সালে কর রাজস্ব আদায়ের জন্য আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে এগনোরই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার উদ্বেগের যাথার্থ্য নীচের সারণিতে পাওয়া যাবে:
যদি অতি প্রত্যাশার কর রাজস্ব সংগ্রহ না-হয় তবে সরকারের মোট রাজস্ব এবং তৎসহ মূলধনী ব্যয় চাপে পড়ে যায়—যেটা ২০১৮-১৯ সালেই ঘটেছে—সরকার কর রাজস্ব বাবদ ‘লস’ করেছে ১,৬৭,৪৫৫ কোটি টাকা এবং সরকারের মূলধনী ব্যয়টাও স্বাভাবিক কারণে ধাক্কা খেয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য যথার্থ। বড় মাপের বিনিয়োগ নেই, ২০১৯-২০ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হার হয়ে যাবে ৭ শতাংশ। জিডিপির মুদ্রাস্ফীতি-পুনর্বিন্যস্ত বৃদ্ধির (ইনফ্লেশন-অ্যাডজাস্টেড গ্রোথ) হারটি ৭ বা ৮ শতাংশ সম্পর্কে সরকারি নথিপত্রে অস্পষ্টতা এই কারণেই।
22nd  July, 2019
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
একনজরে
মুম্বই, ২৪ জানুয়ারি (পিটিআই): বিধানসভা নির্বাচনের সময় মহারাষ্ট্রের অবিজেপি নেতাদের ফোন ট্যাপ করা হয়েছিল। সরকারি পরিকাঠামোর অপব্যবহার করে এই কাজ করেছিল তৎকালীন বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার এমনই অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্রের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। এই কাণ্ডে তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।  ...

সংবাদদাতা, কান্দি: বৃহস্পতিবার রাতে খবর পেয়ে বড়ঞা থানার শ্রীরামপুর গ্রাম থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম সাদ্দাম শেখ। ওই গ্রামেই তার বাড়ি।   ...

দাভোস, ২৪ জানুয়ারি: ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দাভোসের ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরের শুরুতেই ফের বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মালিক সংগঠনের নেতারা। একাধিক সংগঠন এ নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে। কয়েকটি সংগঠন আবার আরও এগিয়ে পরিবহণ দপ্তরে চিঠিও দিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদ্মভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনহর পারিক্কর, ব্যবসায়ী আনন্দ মহিন্দ্রা ও ভেনু শ্রীনিবাসন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস সি জমির এবং জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাফ্ফর হোসেন বেগ 

09:18:00 PM

পদ্মবিভৃষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি, সুষমা স্বরা, জর্জ ফার্ণান্ডেজ, বক্সার মেরি কম, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জগন্নাথ 

09:13:36 PM

 পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কঙ্গনা রানউত, একতা কাপুর, আদনান সামি এবং করণ জোহর

09:07:04 PM

ম্যাচ চলাকালনে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
জোহানেসবার্গ টেস্ট চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অপরাধে ইংল্যান্ডের খেলোয়ার বেন ...বিশদ

08:05:55 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

06:32:00 PM

আলিপুরদুয়ারে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার ২ 

03:32:34 PM