Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৫, ১০, ২০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে
পি চিদম্বরম

রাজ্যসভায় ২০১৯-২০ বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় বলেছিলাম, ‘‘যদি জিডিপির স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হয় তবে প্রতি ছ’বছরে জিডিপির আকারটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর বৃদ্ধির হারটা যদি নমিনাল ১১ শতাংশ হয় তবে জিডিপি দ্বিগুণ হতে সময় নেবে সাত বছর।’’ আমি অর্থমন্ত্রীকে জোর দিতে বলেছিলাম যে শুধু ২০২৪-২৫ সালে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি অর্জনেই থেমে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিলে হবে না; তাঁকে আরও দেখিয়েছিলাম যে এর ফলে অর্থনীতির আকারটা প্রথম ছয়-সাত বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের হয়ে যাবে এবং তার পরবর্তী ছয়-সাত বছরে সেটা হয়ে যাবে ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমি কোনও বিদ্রুপ করতে চাইনি। লক্ষ্যটা স্বচ্ছ বটে (এবং, ওই মাইলফলক ছুঁতে পারলে আমরা সত্যিই সুখী হব) কিন্তু আহামরি নয়। কেন একথা বলছি?
সহজ অঙ্ক
গত দশ বছরে ভারতের অর্থনীতির নমিনাল গ্রোথ ছিল বছরে গড়পড়তা ১২ শতাংশ। মনে রাখতে হবে যে এটা কিন্তু ‘নমিনাল’ বৃদ্ধি। আপনি যদি অঙ্ক কষেন এবং ১০০ সংখ্যাকে বছরে একবার করে ১১ অথবা ১২ শতাংশ দিয়ে গুণ করেন তবে আপনি নীচের সারণিটা পাবেন:

অবশ্য মার্কিন ডলারে পরিমাপ করার জন্য বিনিময় হারটা যুক্তিসংগতভাবে সুস্থির থাকতে হবে। যদি ভারতীয় মুদ্রা এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারটি ৭০-৭৫ টাকার মধ্যে থাকে, তবে যে ভারতীয় অর্থনীতি ২০১৮-১৯ সালে ২.৭৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে ছিল সেটা ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে উন্নীত হয়ে যাবে। অর্থনীতির আকার ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যটি স্থির করার সময় অর্থনৈতিক সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছিল যে ভারতীয় মুদ্রামান ডলার প্রতি ৭৫ টাকা পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। কিন্তু সেখানেই কেন থেমে যাওয়া?
ভারতের অর্থনীতির সাইজটা ১৯৯১ সালে ৩২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছিল। সেটা ২০০৩-০৪ সালে দ্বিগুণ হয়ে গেল। সেটারও দ্বিগুণ হয়ে গেল ২০০৮-০৯ সালে। এবং, পরবর্তী দ্বিগুণ সাইজ পাওয়া গেল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আর সেটা দাঁড়াল ২.৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতেও, প্রতি ছয় অথবা সাত বছরে জিডিপি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। প্রতিটি মাইলফলক একটি সন্তুষ্টির বিষয় নিঃসন্দেহে কিন্তু কোনও আহামরি লাভ হয়েছে বলে ভাবা ঠিক হবে না।
কিছু গুরুতর প্রশ্ন
আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি হল:
১. নমিনাল গ্রোথের হারটা ১১ বা ১২ শতাংশ থেকে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে ১৪ শতাংশে আমরা নিয়ে যাব (যখন ভারত দুই সংখ্যার ১০ জিডিপি বৃদ্ধির হার অর্জনে সক্ষম হবে )?
২. গড় ভারতীয়ের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারটা কেমন হবে?
৩. সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ এবং সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশের মধ্যেকার বৈষম্যটি আরও চওড়া হবে না কি কমে আসবে?
আমরা চাই এই প্রশ্নগুলির উত্তর এবং নমিনাল বৃদ্ধির নিম্নহার, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির নিম্নহার ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের নেপথ্য কারণগুলি দূর করার উপযোগী নীতি নেওয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, ম্যাক্রো-ইকনমিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার দাবিটি অর্থমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেন এবং জানালেন না অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন কী।
এসব প্রশ্নের কিছু উত্তর ইকনমিক সার্ভে ২০১৮-১৯ থেকে পাওয়া যেতে পারে। প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার (সিইএ) মতে, বৃদ্ধির উচ্চহারের চাবিকাঠিটি হল আরও বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ (গ্রেটার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট)। কিছুদিন আগে তাঁর কণ্ঠে এটাই পুনরাবৃত্ত হয়েছিল যে শুধু দেশের অভ্যন্তরের সম্পদ বিনিয়োগটাই যথেষ্ট হবে না। এখানেই বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব।
সম্পদের সন্ধানে
দেশীয় সম্পদের অপ্রতুলতা নিয়ে উদ্বেগের যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখিয়েছেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। শুধুমাত্র কর রাজস্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উদ্বৃত্ত থেকেই সরকারি বিনিয়োগ বা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। এগুলির ভিতরে লক্ষ্যমাত্রা অনু্যায়ী কর রাজস্ব আদায়ের সমস্যা আছে। বিশেষভাবে ২০১৮-১৯ গিয়েছে একটি খারাপ বছর। তা সত্ত্বেও সরকার ২০১৯-২০ সালে কর রাজস্ব আদায়ের জন্য আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে এগনোরই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার উদ্বেগের যাথার্থ্য নীচের সারণিতে পাওয়া যাবে:
যদি অতি প্রত্যাশার কর রাজস্ব সংগ্রহ না-হয় তবে সরকারের মোট রাজস্ব এবং তৎসহ মূলধনী ব্যয় চাপে পড়ে যায়—যেটা ২০১৮-১৯ সালেই ঘটেছে—সরকার কর রাজস্ব বাবদ ‘লস’ করেছে ১,৬৭,৪৫৫ কোটি টাকা এবং সরকারের মূলধনী ব্যয়টাও স্বাভাবিক কারণে ধাক্কা খেয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য যথার্থ। বড় মাপের বিনিয়োগ নেই, ২০১৯-২০ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হার হয়ে যাবে ৭ শতাংশ। জিডিপির মুদ্রাস্ফীতি-পুনর্বিন্যস্ত বৃদ্ধির (ইনফ্লেশন-অ্যাডজাস্টেড গ্রোথ) হারটি ৭ বা ৮ শতাংশ সম্পর্কে সরকারি নথিপত্রে অস্পষ্টতা এই কারণেই।
22nd  July, 2019
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল। আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।  
বিশদ

13th  January, 2020
স্বামী বিবেকানন্দের দৃষ্টিতে মানুষের কথা বলাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম
হিমাংশু সিংহ

আজ ১২ জানুয়ারি। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। তারকাখচিত বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহামানবের জন্মদিনের তালিকা কম দীর্ঘ নয়। তার মধ্যেও তিন শ্রেষ্ঠ ভারতসন্তানের জন্মদিনের মাহাত্ম্য শতবর্ষ পরেও প্রতিবছরই গোটা জাতিকে আবেগে শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমজন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।  
বিশদ

12th  January, 2020
সরকারি প্রকল্প বনাম ভোট মেরুকরণ
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির ভোট মেরুকরণের রাজনীতি মোকাবিলার একমাত্র হাতিয়ার সামাজিক প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা বাড়ানো। সে কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ফিডব্যাক বলছে, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলা আবাস যোজনায় ঘরের চাহিদা প্রচুর।
বিশদ

11th  January, 2020
একনজরে
ইসলামাবাদ, ১৮ জানুয়ারি (পিটিআই): মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন রাষ্ট্রপ্রধান পারভেজ মোশারফের আবেদন ফিরিয়ে দিল পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, আগে মোশারফকে আত্মসমর্পণ করতে হবে, তারপর আদালত তাঁর কোনও আবেদন শুনবে। ...

অরূপ বিশ্বাস: আমার বাবা বরিশালের মানুষ। মামার বাড়িও বরিশালে। তাই শরীরে খাঁটি বাঙালের রক্তই বইছে। কিন্তু আমি মোহন বাগানের সমর্থক। শুনে চমকে ওঠার কিছু নেই। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিনেমা তৈরি করতে আগ্রহীদের জন্য সুখবর। এবার বিনামূল্যে ফিল্মমেকিং শেখাবে রামোজি ফাউন্ডেশন। হায়দরাবাদের রামোজি ফিল্ম সিটিতে এই কোর্সের সুযোগ দিচ্ছে সংস্থার রামোজি অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন। ৩ মাসের এই ফ্রি কোর্সে মূলত চারটি বিষয় শেখানো হবে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারের কাছ থেকে ধান নিয়ে ভানিয়ে চাল না দেওয়ায় রাজ্যের বেশ কয়েকটি রাইস মিলের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলছে। কয়েকজন রাইস মিল মালিক এই অভিযোগে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। অভিযুক্ত রাইস মিলগুলিকে ফৌজদারি মামলা থেকে বেরিয়ে আসার শেষ সুযোগ দিচ্ছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বেশি বন্ধু-বান্ধব রাখা ঠিক হবে না। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য আসবে। বিবাহযোগ আছে। কর্ম পরিবেশ পরিবর্তন হতে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: সঙ্গীতশিল্পী কে এল সায়গলের মৃত্যু
১৯৭২: ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির জন্ম
১৯৯৬: রাজনীতিক ও অভিনেতা এন টি রামারাওয়ের মৃত্যু
২০০৩: কবি হরিবংশ রাই বচ্চনের মৃত্যু
২০১৮ – বিশিষ্ট বাঙালি সাংবাদিক ও কার্টুনিস্ট চন্ডী লাহিড়ীর মৃত্যু

18th  January, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৪ মাঘ ১৪২৬, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, দশমী ৫১/১১ রাত্রি ২/৫২। বিশাখা ৪৩/১৫ রাত্রি ১১/৪১। সূ উ ৬/২৩/১, অ ৫/১১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে ৯/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। বারবেলা ১০/৩৬ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
৪ মাঘ ১৪২৬, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, নবমী ১/২৯/১৮ প্রাতঃ ৭/১/৩৬ পরে দশমী ৫৭/৪/৫ শেষরাত্রি ৫/১৫/৩১। বিশাখা ৪৯/৫১/৯ রাত্রি ২/২২/২১। সূ উ ৬/২৫/৫৩, অ ৫/১০/৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪৭/৫৮ গতে ১/৮/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/২৭/২৭ গতে ৩/৬/৫৫ মধ্যে। 
মোসলেম: ২৩ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে জিতল

09:12:25 PM

ভারত ২৩৫/২ (৪২ ওভার) , টার্গেট ২৮৭ 

08:40:48 PM

ভারত ১৩৮/১ (২৭ ওভার) , টার্গেট ২৮৭ 

07:39:39 PM

কলকাতা ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলকে ২-১ গোলে হারাল মোহন বাগান 

07:36:41 PM

বড় ম্যাচের বিরতিতে মোগন বাগান ১ ইস্টবেঙ্গল ০ 

06:02:43 PM

ভারতকে ২৮৭ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

05:21:19 PM