Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

৫, ১০, ২০ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির পথে
পি চিদম্বরম

রাজ্যসভায় ২০১৯-২০ বাজেট নিয়ে বক্তব্য রাখার সময় বলেছিলাম, ‘‘যদি জিডিপির স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার ১২ শতাংশ হয় তবে প্রতি ছ’বছরে জিডিপির আকারটা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। আর বৃদ্ধির হারটা যদি নমিনাল ১১ শতাংশ হয় তবে জিডিপি দ্বিগুণ হতে সময় নেবে সাত বছর।’’ আমি অর্থমন্ত্রীকে জোর দিতে বলেছিলাম যে শুধু ২০২৪-২৫ সালে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি অর্জনেই থেমে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিলে হবে না; তাঁকে আরও দেখিয়েছিলাম যে এর ফলে অর্থনীতির আকারটা প্রথম ছয়-সাত বছরে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের হয়ে যাবে এবং তার পরবর্তী ছয়-সাত বছরে সেটা হয়ে যাবে ২০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের।
৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমি কোনও বিদ্রুপ করতে চাইনি। লক্ষ্যটা স্বচ্ছ বটে (এবং, ওই মাইলফলক ছুঁতে পারলে আমরা সত্যিই সুখী হব) কিন্তু আহামরি নয়। কেন একথা বলছি?
সহজ অঙ্ক
গত দশ বছরে ভারতের অর্থনীতির নমিনাল গ্রোথ ছিল বছরে গড়পড়তা ১২ শতাংশ। মনে রাখতে হবে যে এটা কিন্তু ‘নমিনাল’ বৃদ্ধি। আপনি যদি অঙ্ক কষেন এবং ১০০ সংখ্যাকে বছরে একবার করে ১১ অথবা ১২ শতাংশ দিয়ে গুণ করেন তবে আপনি নীচের সারণিটা পাবেন:

অবশ্য মার্কিন ডলারে পরিমাপ করার জন্য বিনিময় হারটা যুক্তিসংগতভাবে সুস্থির থাকতে হবে। যদি ভারতীয় মুদ্রা এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারটি ৭০-৭৫ টাকার মধ্যে থাকে, তবে যে ভারতীয় অর্থনীতি ২০১৮-১৯ সালে ২.৭৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে ছিল সেটা ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার স্তরে উন্নীত হয়ে যাবে। অর্থনীতির আকার ২০২৪-২৫ সালের ভিতরে ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যটি স্থির করার সময় অর্থনৈতিক সমীক্ষায় অনুমান করা হয়েছিল যে ভারতীয় মুদ্রামান ডলার প্রতি ৭৫ টাকা পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। কিন্তু সেখানেই কেন থেমে যাওয়া?
ভারতের অর্থনীতির সাইজটা ১৯৯১ সালে ৩২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ছিল। সেটা ২০০৩-০৪ সালে দ্বিগুণ হয়ে গেল। সেটারও দ্বিগুণ হয়ে গেল ২০০৮-০৯ সালে। এবং, পরবর্তী দ্বিগুণ সাইজ পাওয়া গেল ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে আর সেটা দাঁড়াল ২.৪৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতেও, প্রতি ছয় অথবা সাত বছরে জিডিপি দ্বিগুণ হয়ে যাবে। প্রতিটি মাইলফলক একটি সন্তুষ্টির বিষয় নিঃসন্দেহে কিন্তু কোনও আহামরি লাভ হয়েছে বলে ভাবা ঠিক হবে না।
কিছু গুরুতর প্রশ্ন
আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলি হল:
১. নমিনাল গ্রোথের হারটা ১১ বা ১২ শতাংশ থেকে কীভাবে দ্রুততার সঙ্গে ১৪ শতাংশে আমরা নিয়ে যাব (যখন ভারত দুই সংখ্যার ১০ জিডিপি বৃদ্ধির হার অর্জনে সক্ষম হবে )?
২. গড় ভারতীয়ের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারটা কেমন হবে?
৩. সবচেয়ে দরিদ্র ১০ শতাংশ এবং সবচেয়ে ধনী ১০ শতাংশের মধ্যেকার বৈষম্যটি আরও চওড়া হবে না কি কমে আসবে?
আমরা চাই এই প্রশ্নগুলির উত্তর এবং নমিনাল বৃদ্ধির নিম্নহার, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির নিম্নহার ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের নেপথ্য কারণগুলি দূর করার উপযোগী নীতি নেওয়া হোক। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল, ম্যাক্রো-ইকনমিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার দাবিটি অর্থমন্ত্রী এড়িয়ে গেলেন এবং জানালেন না অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তাঁর মূল্যায়ন কী।
এসব প্রশ্নের কিছু উত্তর ইকনমিক সার্ভে ২০১৮-১৯ থেকে পাওয়া যেতে পারে। প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার (সিইএ) মতে, বৃদ্ধির উচ্চহারের চাবিকাঠিটি হল আরও বেশি বেসরকারি বিনিয়োগ (গ্রেটার প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট)। কিছুদিন আগে তাঁর কণ্ঠে এটাই পুনরাবৃত্ত হয়েছিল যে শুধু দেশের অভ্যন্তরের সম্পদ বিনিয়োগটাই যথেষ্ট হবে না। এখানেই বিদেশি বিনিয়োগের গুরুত্ব।
সম্পদের সন্ধানে
দেশীয় সম্পদের অপ্রতুলতা নিয়ে উদ্বেগের যুক্তিগ্রাহ্য কারণ দেখিয়েছেন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। শুধুমাত্র কর রাজস্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উদ্বৃত্ত থেকেই সরকারি বিনিয়োগ বা পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট পাওয়া সম্ভব। এগুলির ভিতরে লক্ষ্যমাত্রা অনু্যায়ী কর রাজস্ব আদায়ের সমস্যা আছে। বিশেষভাবে ২০১৮-১৯ গিয়েছে একটি খারাপ বছর। তা সত্ত্বেও সরকার ২০১৯-২০ সালে কর রাজস্ব আদায়ের জন্য আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে এগনোরই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার উদ্বেগের যাথার্থ্য নীচের সারণিতে পাওয়া যাবে:
যদি অতি প্রত্যাশার কর রাজস্ব সংগ্রহ না-হয় তবে সরকারের মোট রাজস্ব এবং তৎসহ মূলধনী ব্যয় চাপে পড়ে যায়—যেটা ২০১৮-১৯ সালেই ঘটেছে—সরকার কর রাজস্ব বাবদ ‘লস’ করেছে ১,৬৭,৪৫৫ কোটি টাকা এবং সরকারের মূলধনী ব্যয়টাও স্বাভাবিক কারণে ধাক্কা খেয়েছে।
প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টার বক্তব্য যথার্থ। বড় মাপের বিনিয়োগ নেই, ২০১৯-২০ সালে জিডিপি বৃদ্ধির হার হয়ে যাবে ৭ শতাংশ। জিডিপির মুদ্রাস্ফীতি-পুনর্বিন্যস্ত বৃদ্ধির (ইনফ্লেশন-অ্যাডজাস্টেড গ্রোথ) হারটি ৭ বা ৮ শতাংশ সম্পর্কে সরকারি নথিপত্রে অস্পষ্টতা এই কারণেই।
22nd  July, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

04:00:00 PM

ক্যাব ইস্যুতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ব্যাপক বিক্ষোভ এলাকাবাসীদের 

03:34:21 PM