Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

আজ ২১ জুলাই। তৃণমূলের শহিদ দিবস। ১৯৯৩ সালের একুশে জুলাই কলকাতার রাজপথে যে ১৩ জন যুবকর্মী বাম-পুলিসের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন আজ তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা-তর্পণের দিন। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সেইসঙ্গে তাঁর পরবর্তী কর্মসূচি বা ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কেও সমাবেশে উপস্থিত দলীয় কর্মী-সমর্থক জনতাকে প্রয়োজন মতো অবহিত করেন। বলা বাহুল্য, ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতি বছর এই ২১ জুলাই সমাবেশের বহর আড়ম্বর যেমন বেড়েছে, তেমনি তাতে মানুষের যোগদানের পরিমাণও বেড়েছে। বলতে কী গত বছর অবধি ২১ জুলাইয়ের এই সমাবেশ নিয়ে তৃণমূলীদের মধ্যে একটা আলাদা আবেগ বেশ ভালোমতোই লক্ষ করা গেছে। দলের আর পাঁচটা সমাবেশের চেয়ে এই ২১ জুলাই সমাবেশটাকে তৃণমূলনেত্রী মমতা তো বটেই, তাঁর দলের নেতা-মন্ত্রী থেকে নিচুতলার সাধারণ কর্মীরাও যে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তা জনপ্লাবনে ভেসে যাওয়া কলকাতা মহানগরীর ২১ জুলাইগুলি প্রতি বছরই প্রমাণ করে গিয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করছেন রাজ্য রাজনীতির পর্যবেক্ষকেরা। বরং, তাঁদের কারও কারও মতে, লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজ্য রাজনীতির নয়া প্রেক্ষাপট এবারের একুশে জুলাইয়ের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা-তর্পণের পাশাপাশি এবার এই সমাবেশ থেকে একুশের আসন্ন মহাযুদ্ধজয়ের লক্ষ্যে শপথ গর্জনও শোনা যেতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের এই ভাবনা যে খুব অমূলক নয় তা বলাই বাহুল্য। লোকসভা ভোটে ১৮ আসনের ধাক্কা খাওয়ার পর তৃণমূলের এটাই প্রথম বড় সমাবেশ। শুধু তাই নয়, আগেই বলেছি, এই সমাবেশের সঙ্গে শহিদ স্মৃতির একটা বিশেষ আবেগ জড়িত। সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম সরকারের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েই দলের ১৩ জন কর্মী-সমর্থক প্রাণ হারিয়েছিলেন—এই সত্যটি ঘুরেফিরে ফিরে আসে এই সমাবেশের আবহে। ফলে, সমবেত কর্মী সমর্থকদের লড়াই মানসিকতায় সংকল্পের একটা বাড়তি মাত্রাও যোগ হয়। তার উপর দলনেত্রী মমতার উপস্থিতি এবং বক্তব্যে সেই সংকল্পের জোর যে আরও বেড়ে যায় তাতেই বা আশ্চর্য কী? এই দিক থেকে দেখলে এবারের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিগত বছরগুলির তুলনায় যে অনেকটাই বেশি—তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবং সেই কথা মাথায় রেখে তৃণমূলও প্রচার সভা-সমিতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে—সে তো দেখাই যাচ্ছে। কিন্তু, এই সমস্ত উদ্যোগ আয়োজনের মাঝে এটাও সত্য—সমাবেশ নিয়ে আয়োজক ও সমর্থক মহলে সংশয়ের কিছু কাঁটাও ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে খোঁচা দিয়ে চলেছে। এবারের সভায় ভিড়ের বহর বজায় থাকবে তো? গতবারের রেকর্ড ভেঙে শহিদ সমাবেশ উপচে পড়বে তো? আসলে প্রশ্ন একটাই—বয়ানটাই যা দুরকম। এরই পাশাপাশি আরও একটি বিষয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এখন কৌতূহল চরমে—আর তা হল—এবার কী বার্তা দেবেন দলনেত্রী? তবে, এই কৌতূহল কেবল তৃণমূল শিবিরেই সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে আসমুদ্রহিমাচল। বলতে কী, আজ ২১ জুলাই সমাবেশে মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক গোটা বাংলাই।
কারণ, লোকসভা ভোট পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব প্রতিপত্তি অক্ষুণ্ণ অটুট থাকলেও পরিস্থিতির বিচারে অনেকেই বলছেন, এখন আর তৃণমূল একচ্ছত্র এক নয়, বিজেপির গেরুয়া বাহিনীও সমান তালে তাল ঠুকছে। বিগত ভোটের ১৮ আসন এ রাজ্যে বিজেপির জোরালো প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক কাজটি সেরে দিয়েছিল। অতঃপর কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রবলভাবে ফিরে আসার সুবাদে রাজ্য বিজেপির জোশ আরও বেড়েছে। ২০২১ সালে বিধানসভা জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছে পদ্ম শিবির। সেই সুবাদে বহুদিনই শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক ও পেশি ক্ষমতা প্রদর্শনের প্রক্রিয়া। ভোটের আগে-পরের সংঘাত সংঘর্ষে একসময় যেমন তৃণমূল-সিপিএমের নাম উঠে আসত, এখন উঠে আসছে তৃণমূল-বিজেপির নাম। খুন, পাল্টা খুন, মারদাঙ্গা, বাড়িঘর জ্বালানো, মিছিল, পাল্টা মিছিল, হুমকি শাসানির পাল্টা—সবই চলছে অকাতরে! সকলেই জানেন, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছিল নৈহাটি ভাটপাড়া শিল্পাঞ্চলে। সেখানে এখনও তুষের আগুনের মতো জ্বলছে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আগুন। এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারেনি সাধারণ জনজীবন, সবসময়ই একটা ভয় আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে স্থানীয় সাধারণ জনতাকে।
শুধু তাই নয়, মুকুল রায়ের উদ্যোগে তৃণমূল ভাঙিয়ে রাজ্যের শাসকদলের নেতানেত্রী কাউন্সিলার চেয়ারম্যান অভিনেতা অভিনেত্রীদের বিজেপি শিবিরে শামিল করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতেও খানিকটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে শাসক শিবিরে। আবার তার মধ্যেই যখন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কদিন বাদেই ঘরে ফিরছেন কাউন্সিলার বা অন্যরা তখন নিঃসন্দেহে অস্বস্তি অনেকটা উবে গিয়ে তৃণমূলের মনোবল পাচ্ছে বাড়তি অক্সিজেন। দলবদলুদের এই আসা-যাওয়া নিয়েও দুপক্ষের তরজা, দাবি, পাল্টা দাবি অবশ্য অব্যাহত। পরিস্থিতি দেখে আমার এক সুরসিক বন্ধুর মন্তব্য, আরে বাবা, কোনদিকে থাকলে ভবিষ্যতে ‘ফায়দা’ বেশি সেই হিসেব যারা গুলিয়ে ফেলছে তারাই অমন খাবি খাচ্ছে, গেরুয়া না সবুজ, ঘাসফুল না পদ্মফুল—ভুগছে দোটানায়! হয়তো তাই। কারণ, রাজনৈতিক আদর্শের টানে দলবদল চলছে—এমনটা বোধহয় কেউই বিশ্বাস করেন না!
কিন্তু সে যাই হোক, সবমিলিয়ে রাজ্য রাজনীতির পরিসরে উত্তেজনা যে বেশ টানটান তা স্বীকার করছেন সকলেই। তৃণমূল-বিজেপির শক্তিক্ষমতার দ্বন্দ্বটা এখনও সমানে সমানে বলা না গেলেও যে প্রায় তুল্যমূল্য এবং বিগত ভোটে পদ্ম শিবিরের ভোটপ্রাপ্তি যে শাসককে যথেষ্ট চিন্তায় ফেলেছে তা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই বলছেন। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের নিযুক্তি এবং তৃণমূলের পরবর্তী ভোট প্রস্তুতিতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকাকে পর্যবেক্ষকেরা তাঁদের বক্তব্যের যুক্তি হিসেবে খাড়া করছেন। যতদূর খবর সমবেত মানুষজনের মনের খবর নিতে আজ সমাবেশেও সক্রিয় থাকছেন প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর টিম। তবে, প্রশান্ত কিশোর কেবল বিজেপি ঠেকাতে এসেছেন—এমন ভাবনা কি একেবারে একমাত্রিক হয়ে যায় না! এমনকী হতে পারে না যে ভবিষ্যতের জন্য দলীয় ভিত অধিকতর মজবুত করতে এবং বাংলার জনমন দখলে রাখতে কী করা উচিত, কী করা উচিত নয়, কী বলা উচিত, কী বলা উচিত নয় সেসব ভালো করে বুঝে নিতেই টিচার প্রশান্তর শরণাপন্ন হয়েছে তৃণমূল! সংগঠনশক্তি অটুট এবং ক্রমবর্ধমান রাখতে পারলে বিজেপি কেন ভবিষ্যতে কোনও রাজনৈতিক আক্রমণই দলীয় আত্মপ্রত্যয়ে চট করে চিড় ধরাতে পারবে না, কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংশয়ও তৈরি করতে পারবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক নিয়োগ—হতে পারে না?
অবশ্যই হতে পারে। এবং সেদিক থেকে আজকের সমাবেশ প্রশান্ত কিশোরেরও পরীক্ষা বটে। কিন্তু, আজ বাংলার মানুষের যাবতীয় কৌতূহল কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতার বার্তার ওপর। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলায় তিনি কোন পথ দেখান, দলবদলু বা যাঁরা দল-বদল নিয়ে উভয় সঙ্কটে ভুগছেন বা যাঁরা দলে বসে বসেই অলক্ষ্যে সিঁদ কাটছেন তাঁদের ক্ষেত্রে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার কী দাওয়াই দেন, সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বিষয়েই বা কী বলেন এবং সর্বোপরি এবারের সমাবেশের মূল স্লোগান—মেশিন ফেলে ব্যালট ভোটে ফেরার জন্যই বা তিনি কতটা সোচ্চার হোন—সব কিছু নিয়েই আজ মানুষের জিজ্ঞাসা কৌতূহল তুঙ্গে। কারণটা খুবই সহজ—দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিজেপি।
আসন্ন পূজার মরশুমে মা দুর্গার সঙ্গে ভক্ত শ্রীরামচন্দ্রও এবার নাকি সমান খাতির যত্ন পুজো ভক্তি পাবেন—শোনা যাচ্ছে এমনই। তারপর কলকাতা সমেত রাজ্যের পুরসভাগুলোর ভোট
এবং পরিশেষে ২০২১ বিধানসভা। কানাঘুষোয় এমনও শোনা যাচ্ছে, বিধানসভা ভোট এগিয়ে
আনাও হতে পারে।
অতএব ঘর গুছনোর সময় আর খুব বেশি বাকি নেই। বিজেপির ১৮ সিটের ক্ষত মুছে জবরদস্ত লড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে তাই এখন থেকেই কোমর কষে নামতে হবে—এমন ইঙ্গিত নেতাকর্মী সমর্থক মহলে ইতিমধ্যেই দিয়েছেন মমতা। সেই ইঙ্গিতের সূত্র ধরে কি আরও কোনও নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট বার্তা শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে আজ দেবেন তিনি? উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং খামতি দূর করতে কোনও নতুন নিদান? পে-কমিশন? এনআরসি? কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে তোপ? তৃণমূলের সাধারণ মহল তো বটেই, রাজ্যের আমজনতাও আজ নিশ্চিতভাবেই তাঁদের এমন যাবতীয় জিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজতে শহিদ দিবসের ওই মঞ্চের দিকে চেয়ে থাকবেন। এখন দেখার, মমতার বার্তায় দিনের শেষে কার জিজ্ঞাসা কতটা উত্তর পায়, বিশেষ করে বিজেপির অগ্রগতি ঠেকাতে সিপিএম কংগ্রেসের মতো বিরোধীদের সঙ্গে তৃণমূলের রাজনৈতিক সমীকরণে কোনও নূতন পথের আভাস মেলে কি না!
21st  July, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা ক্রীড়াঙ্গণে অস্থায়ীভাবে ক্রিকেট পিচ করা হল। শহরের ক্রিকেট খেলোয়াড়দের সুবিধার জন্যই অস্থায়ীভাবে এই পিচ করেছে শিলিগুড়ি মহকুমা ক্রীড়া পরিষদ। স্টেডিয়াম থেকে ক্রিকেট খেলা চাঁদমনির মাঠে স্থানান্তর করার পর অনেক অসুবিধায় পড়তে হয় শিলিগুড়ি ক্রিকেট খেলোয়াড়দের।   ...

বিএনএ, আসানসোল: ডিসেম্বরের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও দুর্গাপুর ব্যারেজ সহ চিত্তরঞ্জনের নানা ঝিল ও মাইথন জলাধারে পরিযায়ী পাখির দল ভিড় জমাতে শুরু করেছে। বেশ কয়েক বছর আগে পরিযায়ী পাখির আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও ফের তাদের সংখ্যা বাড়ছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

04:00:00 PM

ক্যাব ইস্যুতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ব্যাপক বিক্ষোভ এলাকাবাসীদের 

03:34:21 PM