Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

২১ জুলাই সমাবেশ: মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক বাংলা
শুভা দত্ত

আজ ২১ জুলাই। তৃণমূলের শহিদ দিবস। ১৯৯৩ সালের একুশে জুলাই কলকাতার রাজপথে যে ১৩ জন যুবকর্মী বাম-পুলিসের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন আজ তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা-তর্পণের দিন। ওই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে প্রতিবছর মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই দিনটিতে বড়সড় সমাবেশের আয়োজন করে তাঁর প্রয়াত সহযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। সেইসঙ্গে তাঁর পরবর্তী কর্মসূচি বা ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা সম্পর্কেও সমাবেশে উপস্থিত দলীয় কর্মী-সমর্থক জনতাকে প্রয়োজন মতো অবহিত করেন। বলা বাহুল্য, ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতি বছর এই ২১ জুলাই সমাবেশের বহর আড়ম্বর যেমন বেড়েছে, তেমনি তাতে মানুষের যোগদানের পরিমাণও বেড়েছে। বলতে কী গত বছর অবধি ২১ জুলাইয়ের এই সমাবেশ নিয়ে তৃণমূলীদের মধ্যে একটা আলাদা আবেগ বেশ ভালোমতোই লক্ষ করা গেছে। দলের আর পাঁচটা সমাবেশের চেয়ে এই ২১ জুলাই সমাবেশটাকে তৃণমূলনেত্রী মমতা তো বটেই, তাঁর দলের নেতা-মন্ত্রী থেকে নিচুতলার সাধারণ কর্মীরাও যে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন তা জনপ্লাবনে ভেসে যাওয়া কলকাতা মহানগরীর ২১ জুলাইগুলি প্রতি বছরই প্রমাণ করে গিয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মনে করছেন রাজ্য রাজনীতির পর্যবেক্ষকেরা। বরং, তাঁদের কারও কারও মতে, লোকসভা ভোট পরবর্তী রাজ্য রাজনীতির নয়া প্রেক্ষাপট এবারের একুশে জুলাইয়ের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহুলাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা-তর্পণের পাশাপাশি এবার এই সমাবেশ থেকে একুশের আসন্ন মহাযুদ্ধজয়ের লক্ষ্যে শপথ গর্জনও শোনা যেতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের এই ভাবনা যে খুব অমূলক নয় তা বলাই বাহুল্য। লোকসভা ভোটে ১৮ আসনের ধাক্কা খাওয়ার পর তৃণমূলের এটাই প্রথম বড় সমাবেশ। শুধু তাই নয়, আগেই বলেছি, এই সমাবেশের সঙ্গে শহিদ স্মৃতির একটা বিশেষ আবেগ জড়িত। সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম সরকারের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েই দলের ১৩ জন কর্মী-সমর্থক প্রাণ হারিয়েছিলেন—এই সত্যটি ঘুরেফিরে ফিরে আসে এই সমাবেশের আবহে। ফলে, সমবেত কর্মী সমর্থকদের লড়াই মানসিকতায় সংকল্পের একটা বাড়তি মাত্রাও যোগ হয়। তার উপর দলনেত্রী মমতার উপস্থিতি এবং বক্তব্যে সেই সংকল্পের জোর যে আরও বেড়ে যায় তাতেই বা আশ্চর্য কী? এই দিক থেকে দেখলে এবারের ২১ জুলাইয়ের সমাবেশের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিগত বছরগুলির তুলনায় যে অনেকটাই বেশি—তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এবং সেই কথা মাথায় রেখে তৃণমূলও প্রচার সভা-সমিতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে—সে তো দেখাই যাচ্ছে। কিন্তু, এই সমস্ত উদ্যোগ আয়োজনের মাঝে এটাও সত্য—সমাবেশ নিয়ে আয়োজক ও সমর্থক মহলে সংশয়ের কিছু কাঁটাও ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে খোঁচা দিয়ে চলেছে। এবারের সভায় ভিড়ের বহর বজায় থাকবে তো? গতবারের রেকর্ড ভেঙে শহিদ সমাবেশ উপচে পড়বে তো? আসলে প্রশ্ন একটাই—বয়ানটাই যা দুরকম। এরই পাশাপাশি আরও একটি বিষয়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মী সমর্থকদের মধ্যে এখন কৌতূহল চরমে—আর তা হল—এবার কী বার্তা দেবেন দলনেত্রী? তবে, এই কৌতূহল কেবল তৃণমূল শিবিরেই সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে আসমুদ্রহিমাচল। বলতে কী, আজ ২১ জুলাই সমাবেশে মমতা কী বার্তা দেন জানতে উৎসুক গোটা বাংলাই।
কারণ, লোকসভা ভোট পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রভাব প্রতিপত্তি অক্ষুণ্ণ অটুট থাকলেও পরিস্থিতির বিচারে অনেকেই বলছেন, এখন আর তৃণমূল একচ্ছত্র এক নয়, বিজেপির গেরুয়া বাহিনীও সমান তালে তাল ঠুকছে। বিগত ভোটের ১৮ আসন এ রাজ্যে বিজেপির জোরালো প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক কাজটি সেরে দিয়েছিল। অতঃপর কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের প্রবলভাবে ফিরে আসার সুবাদে রাজ্য বিজেপির জোশ আরও বেড়েছে। ২০২১ সালে বিধানসভা জয়ের স্বপ্নও দেখতে শুরু করেছে পদ্ম শিবির। সেই সুবাদে বহুদিনই শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক ও পেশি ক্ষমতা প্রদর্শনের প্রক্রিয়া। ভোটের আগে-পরের সংঘাত সংঘর্ষে একসময় যেমন তৃণমূল-সিপিএমের নাম উঠে আসত, এখন উঠে আসছে তৃণমূল-বিজেপির নাম। খুন, পাল্টা খুন, মারদাঙ্গা, বাড়িঘর জ্বালানো, মিছিল, পাল্টা মিছিল, হুমকি শাসানির পাল্টা—সবই চলছে অকাতরে! সকলেই জানেন, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছেছিল নৈহাটি ভাটপাড়া শিল্পাঞ্চলে। সেখানে এখনও তুষের আগুনের মতো জ্বলছে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আগুন। এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারেনি সাধারণ জনজীবন, সবসময়ই একটা ভয় আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে স্থানীয় সাধারণ জনতাকে।
শুধু তাই নয়, মুকুল রায়ের উদ্যোগে তৃণমূল ভাঙিয়ে রাজ্যের শাসকদলের নেতানেত্রী কাউন্সিলার চেয়ারম্যান অভিনেতা অভিনেত্রীদের বিজেপি শিবিরে শামিল করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তাতেও খানিকটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে শাসক শিবিরে। আবার তার মধ্যেই যখন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কদিন বাদেই ঘরে ফিরছেন কাউন্সিলার বা অন্যরা তখন নিঃসন্দেহে অস্বস্তি অনেকটা উবে গিয়ে তৃণমূলের মনোবল পাচ্ছে বাড়তি অক্সিজেন। দলবদলুদের এই আসা-যাওয়া নিয়েও দুপক্ষের তরজা, দাবি, পাল্টা দাবি অবশ্য অব্যাহত। পরিস্থিতি দেখে আমার এক সুরসিক বন্ধুর মন্তব্য, আরে বাবা, কোনদিকে থাকলে ভবিষ্যতে ‘ফায়দা’ বেশি সেই হিসেব যারা গুলিয়ে ফেলছে তারাই অমন খাবি খাচ্ছে, গেরুয়া না সবুজ, ঘাসফুল না পদ্মফুল—ভুগছে দোটানায়! হয়তো তাই। কারণ, রাজনৈতিক আদর্শের টানে দলবদল চলছে—এমনটা বোধহয় কেউই বিশ্বাস করেন না!
কিন্তু সে যাই হোক, সবমিলিয়ে রাজ্য রাজনীতির পরিসরে উত্তেজনা যে বেশ টানটান তা স্বীকার করছেন সকলেই। তৃণমূল-বিজেপির শক্তিক্ষমতার দ্বন্দ্বটা এখনও সমানে সমানে বলা না গেলেও যে প্রায় তুল্যমূল্য এবং বিগত ভোটে পদ্ম শিবিরের ভোটপ্রাপ্তি যে শাসককে যথেষ্ট চিন্তায় ফেলেছে তা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনেকেই বলছেন। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ প্রশান্ত কিশোরের নিযুক্তি এবং তৃণমূলের পরবর্তী ভোট প্রস্তুতিতে তাঁর সক্রিয় ভূমিকাকে পর্যবেক্ষকেরা তাঁদের বক্তব্যের যুক্তি হিসেবে খাড়া করছেন। যতদূর খবর সমবেত মানুষজনের মনের খবর নিতে আজ সমাবেশেও সক্রিয় থাকছেন প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর টিম। তবে, প্রশান্ত কিশোর কেবল বিজেপি ঠেকাতে এসেছেন—এমন ভাবনা কি একেবারে একমাত্রিক হয়ে যায় না! এমনকী হতে পারে না যে ভবিষ্যতের জন্য দলীয় ভিত অধিকতর মজবুত করতে এবং বাংলার জনমন দখলে রাখতে কী করা উচিত, কী করা উচিত নয়, কী বলা উচিত, কী বলা উচিত নয় সেসব ভালো করে বুঝে নিতেই টিচার প্রশান্তর শরণাপন্ন হয়েছে তৃণমূল! সংগঠনশক্তি অটুট এবং ক্রমবর্ধমান রাখতে পারলে বিজেপি কেন ভবিষ্যতে কোনও রাজনৈতিক আক্রমণই দলীয় আত্মপ্রত্যয়ে চট করে চিড় ধরাতে পারবে না, কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংশয়ও তৈরি করতে পারবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক নিয়োগ—হতে পারে না?
অবশ্যই হতে পারে। এবং সেদিক থেকে আজকের সমাবেশ প্রশান্ত কিশোরেরও পরীক্ষা বটে। কিন্তু, আজ বাংলার মানুষের যাবতীয় কৌতূহল কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতার বার্তার ওপর। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির মোকাবিলায় তিনি কোন পথ দেখান, দলবদলু বা যাঁরা দল-বদল নিয়ে উভয় সঙ্কটে ভুগছেন বা যাঁরা দলে বসে বসেই অলক্ষ্যে সিঁদ কাটছেন তাঁদের ক্ষেত্রে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার কী দাওয়াই দেন, সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বিষয়েই বা কী বলেন এবং সর্বোপরি এবারের সমাবেশের মূল স্লোগান—মেশিন ফেলে ব্যালট ভোটে ফেরার জন্যই বা তিনি কতটা সোচ্চার হোন—সব কিছু নিয়েই আজ মানুষের জিজ্ঞাসা কৌতূহল তুঙ্গে। কারণটা খুবই সহজ—দুয়ারে কড়া নাড়ছে বিজেপি।
আসন্ন পূজার মরশুমে মা দুর্গার সঙ্গে ভক্ত শ্রীরামচন্দ্রও এবার নাকি সমান খাতির যত্ন পুজো ভক্তি পাবেন—শোনা যাচ্ছে এমনই। তারপর কলকাতা সমেত রাজ্যের পুরসভাগুলোর ভোট
এবং পরিশেষে ২০২১ বিধানসভা। কানাঘুষোয় এমনও শোনা যাচ্ছে, বিধানসভা ভোট এগিয়ে
আনাও হতে পারে।
অতএব ঘর গুছনোর সময় আর খুব বেশি বাকি নেই। বিজেপির ১৮ সিটের ক্ষত মুছে জবরদস্ত লড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে তাই এখন থেকেই কোমর কষে নামতে হবে—এমন ইঙ্গিত নেতাকর্মী সমর্থক মহলে ইতিমধ্যেই দিয়েছেন মমতা। সেই ইঙ্গিতের সূত্র ধরে কি আরও কোনও নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট বার্তা শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে আজ দেবেন তিনি? উত্তরবঙ্গ এবং উত্তর ২৪ পরগনায় দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এবং খামতি দূর করতে কোনও নতুন নিদান? পে-কমিশন? এনআরসি? কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে তোপ? তৃণমূলের সাধারণ মহল তো বটেই, রাজ্যের আমজনতাও আজ নিশ্চিতভাবেই তাঁদের এমন যাবতীয় জিজ্ঞাসার উত্তর খুঁজতে শহিদ দিবসের ওই মঞ্চের দিকে চেয়ে থাকবেন। এখন দেখার, মমতার বার্তায় দিনের শেষে কার জিজ্ঞাসা কতটা উত্তর পায়, বিশেষ করে বিজেপির অগ্রগতি ঠেকাতে সিপিএম কংগ্রেসের মতো বিরোধীদের সঙ্গে তৃণমূলের রাজনৈতিক সমীকরণে কোনও নূতন পথের আভাস মেলে কি না!
21st  July, 2019
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
একনজরে
দাভোস, ২৪ জানুয়ারি: ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দাভোসের ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ...

মুম্বই, ২৪ জানুয়ারি (পিটিআই): বিধানসভা নির্বাচনের সময় মহারাষ্ট্রের অবিজেপি নেতাদের ফোন ট্যাপ করা হয়েছিল। সরকারি পরিকাঠামোর অপব্যবহার করে এই কাজ করেছিল তৎকালীন বিজেপি সরকার। বৃহস্পতিবার এমনই অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্রের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। এই কাণ্ডে তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে।  ...

অকল্যান্ড, ২৪ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে একদিনের সিরিজ জেতার পর ভারতের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়েছে তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের প্রথম ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: সংঘাতের আবহেই কি আগামীকাল রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হতে চলেছেন? সাংবিধানিক রীতি ও সৌজন্যের কারণেই কি তাঁদের দু’জনকে কাল পাশাপাশি দেখা যাবে? ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদ্মভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনহর পারিক্কর, ব্যবসায়ী আনন্দ মহিন্দ্রা ও ভেনু শ্রীনিবাসন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস সি জমির এবং জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাফ্ফর হোসেন বেগ 

09:18:00 PM

পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি, স্বরাজ, জর্জ ফার্ণান্ডেজ, বক্সার মেরি কম, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জগন্নাথ 

09:13:00 PM

 পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কঙ্গনা রানউত, একতা কাপুর, আদনান সামি এবং করণ জোহর

09:07:04 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
জোহানেসবার্গ টেস্ট চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অপরাধে ইংল্যান্ডের খেলোয়ার বেন ...বিশদ

08:05:00 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

06:32:00 PM

আলিপুরদুয়ারে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার ২ 

03:32:34 PM