Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

‘শিশুর মন কী পথে চলে, কীভাবে কাজ করে, সে সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান নিতান্তই অল্প। মনোবিদগণ বয়স্ক ব্যক্তির মন লইয়া যতটা নাড়াচাড়া করিয়াছেন, তাহার তুলনায় শিশুর মন সম্বন্ধে তাঁহারা বিশেষ কিছু করেন নাই। ইহার একটা কারণও আছে। বয়স্ক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিলেই সে বলিতে পারে— তাহার মনে কি ভাব উঠিতেছে, কোন পথে তাহার মন চলিতেছে।’
এটি গিরীন্দ্রশেখর বসুর একটি প্রবন্ধের সূচনাংশ। প্রবন্ধটির নাম ‘শিশুর মন’। গিরীন্দ্রশেখর ছিলেন বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী। বিশ্বখ্যাত মনোবিদ ফ্রয়েডের সঙ্গেও তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল। পরস্পরের মধ্যে নিয়মিত পত্র-বিনিময় হতো। ফ্রয়েড গিরীন্দ্রশেখরের মনোভাবনার মান্যতা দিয়েছিলেন। শুধু বড়দের নয়, ‘শিশুর মন’-ও জানতেন তিনি। রাজশেখর বসুর ভ্রাতা গিরীন্দ্রশেখর ছোটদের কথা ভেবে একটিই বই লিখেছিলেন। ‘লাল-কালো’ বইটি আমাদের শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ।
গিরীন্দ্রশেখরের খেদোক্তির বাস্তব সত্যতা রয়েছে। সত্যিই তো শিশুদের, শুধু শিশুই বা বলি কেন, সামগ্রিকভাবে ছোটদের মনের অন্দরমহলের খবরাখবর ঠিকঠাক রাখি না আমরা। ছোটদের বুঝি না। বোঝার চেষ্টাও করি না। নিজের শৈশব-বাল্যর সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। ব্যর্থ হওয়াই তো স্বাভাবিক! সময় দ্রুত বদলে যাচ্ছে এই এলোমেলো, বিভ্রান্ত সময় মনের গভীরে গোপনে ছাপ ফেলছে। ছোটদের দিগ্‌ভ্রান্ত-বিভ্রান্ত করছে। সময়ের শিকার আমাদের সন্তানসন্ততিরাও হচ্ছে। সে সব নিয়ে আমরা সেভাবে ভাবিত নই, বরং তাদের ভুলভাল পথে চালিত করছি। বানাতে চাইছি নিজেদের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র। নিজে যা পারিনি, তার বাস্তবায়ন ঘটাবে সন্তান। গর্বে আমার বুক ফুলে উঠবে। আত্মীয়স্বজনকে জানাব হোয়াটসঅ্যাপে, সর্বসাধারণকে ফেসবুকে। যা-তা বাবা নই, যা-তা মা নই,—তা প্রমাণ করার জন্য আমরা এখন কম-বেশি মরিয়া।
সব সন্তান তো এভাবে ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে উঠতে পারে না। অসাফল্য প্রবল মনোযন্ত্রণার কারণ হয়ে ওঠে। তাদের কাছে অসহ্য হয়ে ওঠে বাবা-মা’র মানসিক উৎপীড়ন। বুক-ফোলানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে প্রায়শই তারা কাণ্ডজ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। ব্যর্থতা সাময়িক, অদূরেই রয়েছে সাফল্যের হাতছানি। এসব বলে উজ্জীবিত না করে আমরা আমাদের সন্তান-সন্ততিদের হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত করি।
আমরা আমাদের সন্তানদের উপর বুঝে, না বুঝে কী ভয়ঙ্কর চাপই না সৃষ্টি করি! আমার আদরের ‘বাছা’ আমারই মতন রক্ত-মাংসের মানুষ, রোবট নয়। সঙ্গত কারণেই বুদ্ধাঙ্কে, ধারণ-ক্ষমতায় তারতম্য থাকতে পারে, ফলে আরেকজনের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে তাকে ভর্ৎসনার কোনও মানে হয় না।
এই চাপাচাপিতে প্রিয় সন্তানের প্রাণ যে ওষ্ঠাগত, তা আমাদের বোধগম্য হয় না! এখন আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ঢল নেই। বেসরকারি কলেজ অনেক হয়েছে। দোয়াত আছে কালি নাইয়ের মতো কলেজ আছে ছাত্র নেই। ছেলেমেয়েকে এখন আর অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চান না, অনেকেরই লক্ষ্য ডাক্তারি। যেন-তেন-প্রকারেণ ডাক্তার বানাতেই হবে। সরকারিতে না হল তো কুছ পরোয়া নেই, বেসরকারি কলেজ তো আছে। রাজ্যে না হলে বহিঃরাজ্যে, বহিঃরাষ্ট্রে যেতেও দ্বিধা নেই, এমনকী নেপাল-বাংলাদেশেও। হয়তো সেখানে ‘ডাক্তার’ বানাবার ‘কল’ আছে, সেই কলে অর্থ জোরে কৌশলে আমরা ডাক্তার বানিয়ে আনছি। ডাক্তার হলেই দেদার অর্থ ‘বাছা’র স্বর্গসুখ না হলেও সর্বসুখ তো বটেই। বাবা-মা’র এমনতরো ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে সন্তানসন্ততিদের কী অবস্থা হচ্ছে—সে খবর আর কে রাখে!
ডাক্তার তৈরির এই খেলা তো কৈশোরের তারুণ্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। সেই শৈশব থেকেই সীমাহীন চাপ সহ্য করতে হয়। এই চাপ, চাপাচাপি একসময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। আশপাশে যত মাঠ ছিল, সব কবেই লোপাট হয়ে গেছে। পেল্লায় ফ্ল্যাট উঠেছে। খেলার মাঠ তো নেই-ই, আর খেলার তেমন ফুরসতই বা কোথায়! পেট-ফোলা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। স্কুলে হাজার কসরত, বইভারে প্রায় কুঁড়ো হয়ে ফিরতে না ফিরতেই ছোটো কোচিং। যত বিষয়, তত মাস্টারমশাই। এ-কোচিং সে-কোচিং করে পড়ারই সময় পায় না, এরপর আবার মেটাতে হয় বাবার বায়নাক্কা, মা’র আবদার। ছবি আঁকায়, আবৃত্তিতে বা গানে হয়ে উঠতে হয় পারঙ্গম। সেখানেও প্রতিযোগিতা, ফার্স্ট হয়ে পদকটদক নিশ্চিত করার জন্য চলে বাড়তি মেহনত। গল্পের বই পড়ার অবকাশই নেই। ফলে ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্করের সঙ্গে আফ্রিকায়, ‘ভোম্বল সর্দার’-এর ভোম্বলের সঙ্গে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পরিভ্রমণ হয় না। বই-পড়া নেই মানে তার কল্পনাশক্তি তৈরি হচ্ছে না। যন্ত্রের মতো জীবনে অনুভূতি উপলব্ধিও হারাতে বসেছে। কেমন যেন নিস্তরঙ্গ। জীবন থেকে আনন্দ অদৃশ্য, লোপ পেয়েছে বিস্ময়ও। চারপাশে এখন শুধুই ‘অদ্ভুত আঁধার’, গ্রাস করছে বিষণ্ণতা। আগামী দিনে যারা হবে দেশের কর্ণধার, তাদের বিপন্নতা আমাদের এখনও সেভাবে ভাবাচ্ছে না।
উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়তে বাড়তে এখন আকাশ ছুঁয়েছে। বাড়ানোর পেছনে আর কেউ নয়, আমরা, মানে অভিভাবককুল। উচ্চাশা, স্বপ্ন—এসব ছাড়া জীবন হয় না। জীবনের অগ্রগতি হয় না। যদি তা বাড়াবাড়ি রকমের হয়ে যায়, তবে তো অবসাদ আসবেই। সেই অবসাদ-অন্ধকারে তাজা কিশোর-প্রাণও তলিয়ে যাচ্ছে, এমনকী চিরতরে হারিয়েও যাচ্ছে। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা এখন ভয়ঙ্কররকম বেড়েছে। খুব সম্প্রতি কলকাতার নামী বেসরকারি স্কুলের এক ছাত্রী যেভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে, তা বড়ই বেদনার। নিজেকে এভাবে শেষ করে সে বোধহয় আমাদের বোঝাতে চেয়েছে, সন্তানের প্রকৃত হিতাকাঙ্ক্ষী হয়েও আমরা তার হিতাহিত বুঝি না। তাই এভাবে ফুল ফোটার আগেই ঝরে পড়ে, মৃত্যু হয় যাবতীয় সম্ভাবনার। ওই মেয়েটি আকস্মিক ওপথে যায়নি। মাঝেমাঝেই পরম প্রিয়জনকে এভাবেই কেউ কেউ চরম শিক্ষা দিয়ে যায়। তবু আমাদের বোধোদয় হয় না। একের পর এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে।
কেরিয়ার গড়া নিয়ে উৎকণ্ঠা যেমন আছে, তেমনই আছে উদ্বেগ। পরীক্ষা-বৈতরিণী পার হলেও মন-পসন্দ চাকরি যে রাজ্যে নিশ্চিত, তা নয়। ডাক্তার হতে পারলে না হয় স্বাধীন ব্যবসায়
পসার জমানো যাবে! মানুষের অসুখবিসুখের তো আর শেষ নেই! তাই মরীচিকার পেছনেই ছেলেমেয়েরা ধাবমান। দৌড়তে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ছে, রক্তাক্ত হচ্ছে।
আমাদের দেশে বড় মানুষের, কৃতী মানুষের অভাব নেই। তাঁরা কেউই এমন চাপের মুখোমুখি দাঁড়াননি। তাঁদের বেড়ে ওঠা, জীবনের লক্ষ্য কখনওই এমন একমুখী ছিল না। তাঁরা আনন্দের সঙ্গে বেড়ে উঠেছিলেন। ছড়িয়ে পড়েছিলেন জীবনের নানা ক্ষেত্রে, সৃজনে মননে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বড় হওয়া নানাভাবেই হতে পারে। গেয়ে, লিখে, এঁকে, এমনকী খেলেও। সুপ্ত থাকা প্রতিভার স্ফুরণ ঘটলে এখন অবশ্য অভিভাবককুল হা-রে-রে-রে করে ওঠেন। উৎসাহ নয়, প্রায়শই জোটে ভর্ৎসনা। ‘কী সর্বনাশ, গোল্লায় গেল’—এই বলে সোৎসাহে মড়াকান্নাও জুড়ে দেন কেউ কেউ।
আগের দিনে পরিবারের একজন উৎসাহিত না করলে অন্য পাঁচজন করত। পরিবারগুলো ছিল বড়সড়, একান্নবর্তী। মিলমিশের অভাব ছিল না। স্নেহ-ভালোবাসা সহমর্মিতা ছিল অফুরান।
একান্নবর্তী পরিবারে কবেই ভাঙন ধরেছে। স্নেহময় ঠাকুরদার, স্নেহময়ী ঠাকুরমার এখন দুর্গতির শেষ নেই। একচিলতে ফ্ল্যাট বাড়িতে সম্পর্কের টানাপোড়েনে খিটিরমিটিরে ছোট শিশুটি বালকত্ব পেরিয়ে কোনওরকমে কৈশোরে পৌঁছয়। পৌঁছনোর সেই পথটি প্রায়শই মসৃণ থাকে না। ফলে অনেক অভিজ্ঞতাই তার কাছে সুখকর হয়ে ওঠে না। এসব বেড়ে ওঠার দিনগুলোকে ধ্বস্ত করে।
ডাক্তারিটাক্তারি না হলে নিদেনপক্ষে এখন সায়েন্স পড়তেই হবে। সায়েন্স না পড়লে জীবন ষোলোআনাই মাটি, মূর্খবৎ এমন ভাবনা এখন অনেককেই পেয়ে বসেছে। আর্টস পড়ে পড়ানোর চাকরি তো হাতের পাঁচ, ডব্লুবিসিএস দিয়ে এ-ক্যাটাগরিতে সফল হয়ে সম্মানজনক চাকরি তো হাতের মুঠোয়। সায়েন্সে ভালোমেয়েদের গিজগিজে ভিড়। আর্টসে ভিড়ভাট্টা তেমন প্রকট নয়, ফলে ‘ভালো’রা গেলে সাফল্য প্রায় অনিবার্য হয়ে ওঠে। এসব নিয়ে বাবা-মা’রা ভাবুন। নতুন করে ভাবুন। ভাবনায় কত ভ্রান্তি আছে, তা নিজেরাই আবিষ্কার করুন।
সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে
রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর
মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি। পারলে সারাক্ষণই বড়ত্ব ফলাই। নিজেকে শুধরানোর সময় এসেছে।
20th  July, 2019
বিপাকে কেন্দ্র, তাই দেশে গুজরাতি মডেলের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ চালানোর চেষ্টা চলছে
সন্দীপন বিশ্বাস

ইংরেজদের ‘ডিভাইড অ্যাড রুল’ নীতি থেকে জন্ম নিয়েছিল একটা দেশ। তার নাম পাকিস্তান। মাউন্টব্যাটেনদের সেই নীতি সাম্প্রদায়িক ঘৃণার যে পরিবেশ তৈরি করে গিয়েছিল, আজও আমাদের তার থেকে যেন মুক্তি নেই। এই নীতিটা নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
বিশদ

ভারতের আত্মা বিক্ষত
পি চিদম্বরম

মুখোশ সরে গিয়েছে, বেরিয়ে পড়েছে ধারালো নখের থাবা। হিন্দুরাষ্ট্র নির্মাণের কর্মসূচি গতি পাচ্ছে। এই প্রজেক্টের ইঞ্জিন হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চাকার নাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এটার উপর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে নকশাটা যে তৈরি করেছে বা যে ইঞ্জিনিয়ার, সেই আরএসএস।  
বিশদ

রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে
আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ হোক
হিমাংশু সিংহ

 শনিবার যখন এই লেখা লিখছি তখনও চারদিক থেকে গণ্ডগোল, অবরোধ, আগুন লাগানোর খবর আসছে। নাগরিক বিল নিয়ে এককথায় রাজ্য উত্তাল। কিন্তু এই অশান্তি কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাই মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন মেনে হাঙ্গামায় প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ হোক।
বিশদ

15th  December, 2019
এনআরসি দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

পরিবর্তনই জীবনের বৈশিষ্ট্য। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সবকিছুই। কিন্তু পরিবর্তনের এই ধারায় সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে রাজনীতির অভিমুখ ও উপাদান। একটা সময় রাজনীতিতে সাফল্য লাভের প্রধান উপাদান ছিল উন্নয়ন। এখন রাজনীতিতে সাফল্য লাভের উপাদান জবরদস্ত ইস্যু। ইস্যু তৈরি করতে পারলেই কেল্লা ফতে। 
বিশদ

14th  December, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

13th  December, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
একনজরে
নাগরিকত্ব আইন-২০১৯। যা নিয়ে এই মুহূর্তে দেশসহ গোটা রাজ্য উত্তাল। রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি তো সব সময়ই শোনা যায়। কিন্তু, কী ভাবছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ! সরাসরি তাঁদের মুখেই শোনা যাক। আজ হুগলি জেলার প্রতিক্রিয়া।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যবিত্তের ‘নিজের বাড়ির’ স্বপ্ন পূরণে গৃহঋণ মেলার আয়োজন করেছিল ইডেন রিয়েলটি গ্রুপ। সংস্থার সোলারিস সিটি শ্রীরামপুর এবং জোকা প্রকল্পে গত ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর এই ‘ফ্লেক্সি হোম লোন মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। ...

সায়ন্ত ভট্টাচার্য, কলকাতা: শিয়রে কলকাতা পুরভোট। জনসংযোগে গুরুত্ব দিতে দলের কাউন্সিলারদের আরও বেশি করে সক্রিয় হতে নির্দেশ দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও দলের কাউন্সিলারদের ঝাঁপিয়ে পড়তে নির্দেশ দিয়েছেন।   ...

সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: লাভপুরের কাজিপাড়া গ্রামে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির জন্য পুরনো বাড়ি ভেঙে ফেলা হচ্ছিল। সেই বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হল ছোট ছেলের। মৃতের নাম রোজ শেখ(৮)।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বাড়তি অর্থ পাওয়ার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭০: জার্মান সুরকার লুদভিগ ভ্যান বেটোভেনের জন্ম
১৯১৭: কল্পবিজ্ঞান লেখক আর্থার সি ক্লার্কের জন্ম
১৯২১: হুগলি নদীর নীচ দিয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু করল সিইএসসি
১৯৭১: বাংলাদেশে ভারতীয় বাহিনীর কাছে পাক সেনার আত্মসমর্পণ। জন্ম স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের
২০১২: দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল দেশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৪৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
15th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী ৫৩/৩৭ দিবা ৩/৪০। অশ্লেষা ৫১/২৫ রাত্রি ২/৪৭। সূ উ ৬/১৩/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩ গতে ১১/১১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৩/৩৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫২ মধ্যে পুনঃ ২/১১ গতে ৩/৩১ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫১ গতে ১১/৩১ মধ্যে। 
২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ১/২৭/৫৩ প্রাতঃ ৬/৫০/১৯ পরে পঞ্চমী ৫৬/৩৮/৫ শেষরাত্রি ৪/৫৪/২৪। অশ্লেষা ৫৫/৪৫/৩৮ শেষরাত্রি ৪/৩৩/২৫, সূ উ ৬/১৫/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ৯/১১ গতে ১১/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ২/৪৭ গতে ৩/৪০ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৪/৩৬ গতে ৮/৫৪/২ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫২/২১ গতে ১১/৩২/৫৫ মধ্যে। 
১৮ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১২০৪১ আপ হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি জংশন শতাব্দী এক্সপ্রেস আজ বাতিল থাকবে 

08:53:56 AM

নির্ভয়ার দোষীদের ফাঁসি দিতে চাই, রক্ত দিয়ে চিঠি লিখে আমিত শাহকে আবেদন শ্যুটারের 
দিল্লিতে নির্ভয়াকাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে সাতটি বছর। দোষীদের মৃত্যুদণ্ডের সাজা ...বিশদ

08:45:00 AM

আজ থেকে প্রতিবাদ মিছিল শুরু মমতার 
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরোধিতায় এবার সরাসরি জনতার দরবারে পৌঁছে যেতে ...বিশদ

08:35:03 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে 
১৭৭০: জার্মান সুরকার লুদভিগ ভ্যান বেটোভেনের জন্ম১৯১৭: কল্পবিজ্ঞান লেখক আর্থার ...বিশদ

08:27:28 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: বাড়তি অর্থ পাওয়ার যোগ আছে। বৃষ: সন্তানের কর্ম ও বিবাহ ক্ষেত্রে ...বিশদ

08:21:07 AM

প্রথম একদিনের ম্যাচ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে জিতল 

15-12-2019 - 09:55:39 PM