Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ছোটদের বড় করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

‘শিশুর মন কী পথে চলে, কীভাবে কাজ করে, সে সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞান নিতান্তই অল্প। মনোবিদগণ বয়স্ক ব্যক্তির মন লইয়া যতটা নাড়াচাড়া করিয়াছেন, তাহার তুলনায় শিশুর মন সম্বন্ধে তাঁহারা বিশেষ কিছু করেন নাই। ইহার একটা কারণও আছে। বয়স্ক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করিলেই সে বলিতে পারে— তাহার মনে কি ভাব উঠিতেছে, কোন পথে তাহার মন চলিতেছে।’
এটি গিরীন্দ্রশেখর বসুর একটি প্রবন্ধের সূচনাংশ। প্রবন্ধটির নাম ‘শিশুর মন’। গিরীন্দ্রশেখর ছিলেন বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী। বিশ্বখ্যাত মনোবিদ ফ্রয়েডের সঙ্গেও তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল। পরস্পরের মধ্যে নিয়মিত পত্র-বিনিময় হতো। ফ্রয়েড গিরীন্দ্রশেখরের মনোভাবনার মান্যতা দিয়েছিলেন। শুধু বড়দের নয়, ‘শিশুর মন’-ও জানতেন তিনি। রাজশেখর বসুর ভ্রাতা গিরীন্দ্রশেখর ছোটদের কথা ভেবে একটিই বই লিখেছিলেন। ‘লাল-কালো’ বইটি আমাদের শিশুসাহিত্যের চিরায়ত সম্পদ।
গিরীন্দ্রশেখরের খেদোক্তির বাস্তব সত্যতা রয়েছে। সত্যিই তো শিশুদের, শুধু শিশুই বা বলি কেন, সামগ্রিকভাবে ছোটদের মনের অন্দরমহলের খবরাখবর ঠিকঠাক রাখি না আমরা। ছোটদের বুঝি না। বোঝার চেষ্টাও করি না। নিজের শৈশব-বাল্যর সঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হই। ব্যর্থ হওয়াই তো স্বাভাবিক! সময় দ্রুত বদলে যাচ্ছে এই এলোমেলো, বিভ্রান্ত সময় মনের গভীরে গোপনে ছাপ ফেলছে। ছোটদের দিগ্‌ভ্রান্ত-বিভ্রান্ত করছে। সময়ের শিকার আমাদের সন্তানসন্ততিরাও হচ্ছে। সে সব নিয়ে আমরা সেভাবে ভাবিত নই, বরং তাদের ভুলভাল পথে চালিত করছি। বানাতে চাইছি নিজেদের ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র। নিজে যা পারিনি, তার বাস্তবায়ন ঘটাবে সন্তান। গর্বে আমার বুক ফুলে উঠবে। আত্মীয়স্বজনকে জানাব হোয়াটসঅ্যাপে, সর্বসাধারণকে ফেসবুকে। যা-তা বাবা নই, যা-তা মা নই,—তা প্রমাণ করার জন্য আমরা এখন কম-বেশি মরিয়া।
সব সন্তান তো এভাবে ইচ্ছাপূরণের যন্ত্র হয়ে উঠতে পারে না। অসাফল্য প্রবল মনোযন্ত্রণার কারণ হয়ে ওঠে। তাদের কাছে অসহ্য হয়ে ওঠে বাবা-মা’র মানসিক উৎপীড়ন। বুক-ফোলানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলে প্রায়শই তারা কাণ্ডজ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। ব্যর্থতা সাময়িক, অদূরেই রয়েছে সাফল্যের হাতছানি। এসব বলে উজ্জীবিত না করে আমরা আমাদের সন্তান-সন্ততিদের হতাশার অন্ধকারে নিমজ্জিত করি।
আমরা আমাদের সন্তানদের উপর বুঝে, না বুঝে কী ভয়ঙ্কর চাপই না সৃষ্টি করি! আমার আদরের ‘বাছা’ আমারই মতন রক্ত-মাংসের মানুষ, রোবট নয়। সঙ্গত কারণেই বুদ্ধাঙ্কে, ধারণ-ক্ষমতায় তারতম্য থাকতে পারে, ফলে আরেকজনের দৃষ্টান্ত দেখিয়ে তাকে ভর্ৎসনার কোনও মানে হয় না।
এই চাপাচাপিতে প্রিয় সন্তানের প্রাণ যে ওষ্ঠাগত, তা আমাদের বোধগম্য হয় না! এখন আর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ঢল নেই। বেসরকারি কলেজ অনেক হয়েছে। দোয়াত আছে কালি নাইয়ের মতো কলেজ আছে ছাত্র নেই। ছেলেমেয়েকে এখন আর অনেকেই ইঞ্জিনিয়ার বানাতে চান না, অনেকেরই লক্ষ্য ডাক্তারি। যেন-তেন-প্রকারেণ ডাক্তার বানাতেই হবে। সরকারিতে না হল তো কুছ পরোয়া নেই, বেসরকারি কলেজ তো আছে। রাজ্যে না হলে বহিঃরাজ্যে, বহিঃরাষ্ট্রে যেতেও দ্বিধা নেই, এমনকী নেপাল-বাংলাদেশেও। হয়তো সেখানে ‘ডাক্তার’ বানাবার ‘কল’ আছে, সেই কলে অর্থ জোরে কৌশলে আমরা ডাক্তার বানিয়ে আনছি। ডাক্তার হলেই দেদার অর্থ ‘বাছা’র স্বর্গসুখ না হলেও সর্বসুখ তো বটেই। বাবা-মা’র এমনতরো ইচ্ছে পূরণ করতে গিয়ে সন্তানসন্ততিদের কী অবস্থা হচ্ছে—সে খবর আর কে রাখে!
ডাক্তার তৈরির এই খেলা তো কৈশোরের তারুণ্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। সেই শৈশব থেকেই সীমাহীন চাপ সহ্য করতে হয়। এই চাপ, চাপাচাপি একসময় অসহনীয় হয়ে ওঠে। আশপাশে যত মাঠ ছিল, সব কবেই লোপাট হয়ে গেছে। পেল্লায় ফ্ল্যাট উঠেছে। খেলার মাঠ তো নেই-ই, আর খেলার তেমন ফুরসতই বা কোথায়! পেট-ফোলা ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যেতে হয়। স্কুলে হাজার কসরত, বইভারে প্রায় কুঁড়ো হয়ে ফিরতে না ফিরতেই ছোটো কোচিং। যত বিষয়, তত মাস্টারমশাই। এ-কোচিং সে-কোচিং করে পড়ারই সময় পায় না, এরপর আবার মেটাতে হয় বাবার বায়নাক্কা, মা’র আবদার। ছবি আঁকায়, আবৃত্তিতে বা গানে হয়ে উঠতে হয় পারঙ্গম। সেখানেও প্রতিযোগিতা, ফার্স্ট হয়ে পদকটদক নিশ্চিত করার জন্য চলে বাড়তি মেহনত। গল্পের বই পড়ার অবকাশই নেই। ফলে ‘চাঁদের পাহাড়’-এর শঙ্করের সঙ্গে আফ্রিকায়, ‘ভোম্বল সর্দার’-এর ভোম্বলের সঙ্গে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে পরিভ্রমণ হয় না। বই-পড়া নেই মানে তার কল্পনাশক্তি তৈরি হচ্ছে না। যন্ত্রের মতো জীবনে অনুভূতি উপলব্ধিও হারাতে বসেছে। কেমন যেন নিস্তরঙ্গ। জীবন থেকে আনন্দ অদৃশ্য, লোপ পেয়েছে বিস্ময়ও। চারপাশে এখন শুধুই ‘অদ্ভুত আঁধার’, গ্রাস করছে বিষণ্ণতা। আগামী দিনে যারা হবে দেশের কর্ণধার, তাদের বিপন্নতা আমাদের এখনও সেভাবে ভাবাচ্ছে না।
উচ্চাকাঙ্ক্ষা বাড়তে বাড়তে এখন আকাশ ছুঁয়েছে। বাড়ানোর পেছনে আর কেউ নয়, আমরা, মানে অভিভাবককুল। উচ্চাশা, স্বপ্ন—এসব ছাড়া জীবন হয় না। জীবনের অগ্রগতি হয় না। যদি তা বাড়াবাড়ি রকমের হয়ে যায়, তবে তো অবসাদ আসবেই। সেই অবসাদ-অন্ধকারে তাজা কিশোর-প্রাণও তলিয়ে যাচ্ছে, এমনকী চিরতরে হারিয়েও যাচ্ছে। কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা এখন ভয়ঙ্কররকম বেড়েছে। খুব সম্প্রতি কলকাতার নামী বেসরকারি স্কুলের এক ছাত্রী যেভাবে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে, তা বড়ই বেদনার। নিজেকে এভাবে শেষ করে সে বোধহয় আমাদের বোঝাতে চেয়েছে, সন্তানের প্রকৃত হিতাকাঙ্ক্ষী হয়েও আমরা তার হিতাহিত বুঝি না। তাই এভাবে ফুল ফোটার আগেই ঝরে পড়ে, মৃত্যু হয় যাবতীয় সম্ভাবনার। ওই মেয়েটি আকস্মিক ওপথে যায়নি। মাঝেমাঝেই পরম প্রিয়জনকে এভাবেই কেউ কেউ চরম শিক্ষা দিয়ে যায়। তবু আমাদের বোধোদয় হয় না। একের পর এক দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে।
কেরিয়ার গড়া নিয়ে উৎকণ্ঠা যেমন আছে, তেমনই আছে উদ্বেগ। পরীক্ষা-বৈতরিণী পার হলেও মন-পসন্দ চাকরি যে রাজ্যে নিশ্চিত, তা নয়। ডাক্তার হতে পারলে না হয় স্বাধীন ব্যবসায়
পসার জমানো যাবে! মানুষের অসুখবিসুখের তো আর শেষ নেই! তাই মরীচিকার পেছনেই ছেলেমেয়েরা ধাবমান। দৌড়তে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ছে, রক্তাক্ত হচ্ছে।
আমাদের দেশে বড় মানুষের, কৃতী মানুষের অভাব নেই। তাঁরা কেউই এমন চাপের মুখোমুখি দাঁড়াননি। তাঁদের বেড়ে ওঠা, জীবনের লক্ষ্য কখনওই এমন একমুখী ছিল না। তাঁরা আনন্দের সঙ্গে বেড়ে উঠেছিলেন। ছড়িয়ে পড়েছিলেন জীবনের নানা ক্ষেত্রে, সৃজনে মননে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া, বড় হওয়া নানাভাবেই হতে পারে। গেয়ে, লিখে, এঁকে, এমনকী খেলেও। সুপ্ত থাকা প্রতিভার স্ফুরণ ঘটলে এখন অবশ্য অভিভাবককুল হা-রে-রে-রে করে ওঠেন। উৎসাহ নয়, প্রায়শই জোটে ভর্ৎসনা। ‘কী সর্বনাশ, গোল্লায় গেল’—এই বলে সোৎসাহে মড়াকান্নাও জুড়ে দেন কেউ কেউ।
আগের দিনে পরিবারের একজন উৎসাহিত না করলে অন্য পাঁচজন করত। পরিবারগুলো ছিল বড়সড়, একান্নবর্তী। মিলমিশের অভাব ছিল না। স্নেহ-ভালোবাসা সহমর্মিতা ছিল অফুরান।
একান্নবর্তী পরিবারে কবেই ভাঙন ধরেছে। স্নেহময় ঠাকুরদার, স্নেহময়ী ঠাকুরমার এখন দুর্গতির শেষ নেই। একচিলতে ফ্ল্যাট বাড়িতে সম্পর্কের টানাপোড়েনে খিটিরমিটিরে ছোট শিশুটি বালকত্ব পেরিয়ে কোনওরকমে কৈশোরে পৌঁছয়। পৌঁছনোর সেই পথটি প্রায়শই মসৃণ থাকে না। ফলে অনেক অভিজ্ঞতাই তার কাছে সুখকর হয়ে ওঠে না। এসব বেড়ে ওঠার দিনগুলোকে ধ্বস্ত করে।
ডাক্তারিটাক্তারি না হলে নিদেনপক্ষে এখন সায়েন্স পড়তেই হবে। সায়েন্স না পড়লে জীবন ষোলোআনাই মাটি, মূর্খবৎ এমন ভাবনা এখন অনেককেই পেয়ে বসেছে। আর্টস পড়ে পড়ানোর চাকরি তো হাতের পাঁচ, ডব্লুবিসিএস দিয়ে এ-ক্যাটাগরিতে সফল হয়ে সম্মানজনক চাকরি তো হাতের মুঠোয়। সায়েন্সে ভালোমেয়েদের গিজগিজে ভিড়। আর্টসে ভিড়ভাট্টা তেমন প্রকট নয়, ফলে ‘ভালো’রা গেলে সাফল্য প্রায় অনিবার্য হয়ে ওঠে। এসব নিয়ে বাবা-মা’রা ভাবুন। নতুন করে ভাবুন। ভাবনায় কত ভ্রান্তি আছে, তা নিজেরাই আবিষ্কার করুন।
সব থেকে ভালো হয়, যদি আপনার ‘বাছা’কে নিজের মতো বেড়ে উঠতে দেন। আনন্দে বেড়ে উঠুক। আলো চিনিয়ে দিন, অন্ধকার চিনিয়ে দিন। লক্ষ রাখুন, ঠিকঠাক এগচ্ছে কি না! সামনে পিছনে কত ফাঁদ, চোরাবালি। আপনিই ঈশ্বর, ওকে
রক্ষা করুন। ছোটদের ‘বড়’ করতে হলে আগে শুধরাতে হবে নিজেকে। দয়া করে ওর উপর
মাতব্বরি করবেন না, হ্যাঁ আমরা মাতব্বরিই করি। পারলে সারাক্ষণই বড়ত্ব ফলাই। নিজেকে শুধরানোর সময় এসেছে।
20th  July, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
একনজরে
জীবানন্দ বসু, কলকাতা: ভোট যে বড় বালাই। তাই বছর ঘুরতে না ঘুরতেই নীতি, আদর্শ বা পরিকল্পনাকে আপাতত শিকেয় তুলে নিজেদের অবস্থান নিয়ে কার্যত ‘ডিগবাজি’ খেল ...

সংবাদদাতা, আরামবাগ: বিভিন্ন দাবিতে শনিবার আরামবাগে মিছিল করে সিপিএম। সিপিএমের-১ ও ২ নম্বর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এদিন একটি পথসভাও হয়। আরামবাগের ধামসা বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে পথসভা ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়। হাওড়া: এবার আর ব্লক অফিসে নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরে জেলা প্রশাসনের সমস্ত বিভাগকে নিয়ে গিয়ে বৈঠক করতে হবে জেলাশাসকদের। বছরে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত তিন থেকে চারবার যাতে এই বৈঠক করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ...

ইন্দোর, ১৬ নভেম্বর: ইনিংস জয়ের হ্যাটট্রিক করে ফেলল ‘টিম ইন্ডিয়া’। গত সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট ইনিংসের ব্যবধানে জিতেছিল কোহলি বাহিনী। সাফল্য ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন, জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

12:07:51 PM

হিমাচলের মাণ্ডিতে গাড়ি দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু 

11:25:00 AM

কসবায় বাইক দুর্ঘটনায় আরোহীর মৃত্যু, জখম আরও ১ 

10:27:59 AM

বিশাখাপত্তনমে গাড়ি দুর্ঘটনা, মৃত ১, জখম ৪ 

10:27:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল

আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:23:00 AM

আজ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা

09:39:00 AM