Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জন্ম এবং মৃত্যুর দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি অকস্মাৎ আমার একটি বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। এই উপলক্ষে জগতে সকলের চেয়ে পরিচিত যে মৃত্যু তার সঙ্গে আর-একবার নূতন পরিচয় হল। জগৎটা গায়ের চামড়ার মতো আঁকড়ে ধরেছিল, মাঝখানে কোনো ফাঁক ছিল না। মৃত্যু যখন প্রত্যক্ষ হল তখন সেই জগৎটা যেন কিছু দূরে চলে গেল, আমার সঙ্গে আর যেন সে অত্যন্ত সংলগ্ন হয়ে রইল না।
——— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাম্প্রতিক পাতাল রেলের দুর্ঘটনা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে শহর কলকাতাকে। আমাদের আত্মবিশ্বাসকে একেবারে কাঁপিয়ে দিয়েছে এই ঘটনা। দুর্ঘটনায় মৃত্যু আসে বারবার, সময়ের সঙ্গে তা সয়েও যায়। মানুষটাকে মনে থেকে যায় খুব কাছের কিছু আত্মীয়-স্বজনের। বাকিদের কাছে বিষয়টা প্রতিদিন দাঁত মাজার মত। সকালের চোখ বোলানো সংবাদপত্র, কিংবা বিকেলের সিরিয়ালের ফাঁকে চটজলদি খবরের চ্যানেল। এর মাঝেই জাল দিয়ে দুভাগ করা ছোট্ট টেবিলে পিংপং বলের মত জীবন আর মৃত্যুর খবর। নিজের গায়ে ছ্যাঁকা না লাগলে পুরোটাই অন্য জগতের, টেবিলের অন্য পাশটার। একটু তলিয়ে ভাবলে কিন্তু বিশ্বজুড়ে দুর্ঘটনায় কত মানুষ মারা যাচ্ছেন সে সংখ্যা চমকে ওঠার মত। এ দুনিয়ায় প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মারা যান তিন হাজারের বেশি মানুষ, আর তাদের অর্ধেকের বয়েস সাধারণভাবে ১৫ থেকে ৪৪ এর মধ্যে। শুধু আমাদের দেশেই প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা চারশোর মত। সোজা হিসেবে নিজেকে আপনি প্রতিদিন মরতে দেখছেন না, অথবা নিজে মরার কথা ভাবছেন না একেবারেই। কিন্তু এদেশে প্রত্যেকটি দিন কমবেশি চারশো বাড়িতে কান্নার রোল। অন্তর্জাল খুঁজে যা তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তাতে মার্কিন দেশে প্রতিদিন পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা একশোর কিছুটা বেশি। অঙ্কের তাতে অসুবিধে নেই, কারণ সহজ অনুপাত কষলেই বোঝা যায় ভারতের জনসংখ্যা মার্কিন দেশের থেকে যতটা বেশি তাতে ভারতে বেশি লোক মরার সম্ভাবনা বাড়বেই। আর্থসামাজিক প্রেক্ষিত আলোচনা করলে সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় যোগ হবে। যেখানে খুব সহজেই অনুসিদ্ধান্তে আসা যাবে যে গরিব মানুষের জীবনের দাম কম। ঠিক সেই কারণেই বিহার বা উত্তরপ্রদেশে এনসেফেলাইটিসে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা সহজেই একশো ছাড়িয়ে যায়, যেমনটা ইউরোপ বা আমেরিকায় বছর বছর ঘটে না।
একথা তো মানতেই হবে যে মৃত্যুর সবথেকে বড় কারণ জন্ম। আপাতত বিজ্ঞানের যা অবস্থা তাতে জন্মালে মরতেই হবে। হয়তো বছর পঁচিশ পরে এমন সময় আসবে যখন যন্ত্রপাতি বসিয়ে অমর হওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে, তবে তার খরচ সাধারণ মানুষের নাগালে থাকবে না। অল্প কজন মানুষ সেই সুযোগ পাবেন। ঠিক যেমন কর্কট রোগ থাবা বসালে মার্কিন দেশে গিয়ে অনেক ভালো চিকিৎসা করানো যায়, জীবন লম্বা হয় অনেকটা। কিন্তু আমাদের দেশে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগেরই সঠিক চিকিৎসা করানোর, কিংবা বলা ভালো চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগই নেই। মার্কিন দেশ তাই স্বপ্নের চলচ্ছবিতে ঘুরঘুর করে। তবে জীবন বিজ্ঞানের প্রাথমিক স্তরের বিদ্যায় আপাতত এটুকু সহজবোধ্য যে নিজে কেঁদে ভূমিষ্ঠ হলে ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার সঙ্গে খোদাই হয়ে যায়। তার পরের কোনও একটা সময় কেউ কাঁদুক বা না কাঁদুক, নশ্বর দেহ ত্যাগ করে পটল খেতে কাগতাড়ুয়া হতেই হবে। বিষয়টায় সবথেকে মুশকিল হল, জন্ম আর মৃত্যু কোনওটাই মানুষের নিজের হাতে নেই। ভাটপাড়ায় গুলিবিদ্ধ ফুচকাওয়ালা তাই পুতিনের ছেলে না হওয়ার জন্যে বিধাতাকে দোষ দিতেই পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়ি না থাকায় ভিড় মেট্রোয় কিংবা বনগাঁ লোকালে ফেরিওয়ালার মৃত্যু শেখায় পূর্ণ সংখ্যা থেকে ভগ্নাংশের অঙ্ক। সমান্তরাল লোহারেখার সারির মাঝে চাঁদের আলোয় চিকচিক করে সস্তার বয়াম-ভাঙা হিরের টুকরো। সঙ্গে মণিমুক্তো লাল-নীল-সবুজ টাকায় দুটো আর গুণ ভুল করা দুটাকায় পাঁচটা চিনির মণ্ড। কাঁধে ঝোলা-বওয়া “চুষতে থাকুন” তখন আর কখনও না ফেরা হলুদ পাখি। গ্রুপ থিয়েটারের আঁতলামোর ফাঁকে নন্দন চত্বরে বেখাপ্পা হাওয়ায় যদৃচ্ছ উড়ে বেড়ায় পথ হারানো লিটল ম্যাগাজিনের পাতা। যেগুলো ছেঁড়ে নি, যাদের ছেঁড়া হয়েছে ঝালমুড়িকে আস্তানা দেওয়ার জন্যে। সে পাতায় ভাসা মৃত্যুর গন্ধ মাখা দীর্ঘ কবিতার ছুটি নেই কোনও।
আসলে মৃত্যু তো বাড়বেই। এখনই এই গ্রহের জনসংখ্যা সাতশো কোটি। গত এগারোই জুলাই গেল বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। নামী হোটেলে নৈশভোজের আসরে নড়েচড়ে বসলেন বিশেষজ্ঞরা। জানা গেল দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দরিদ্র পরিবারের সন্তানসন্ততির সংখ্যা চার থেকে পাঁচ। পাকিস্তানে এ সমস্যা প্রচণ্ড। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে গুরুগম্ভীর ইংরেজি আলোচনায় গাঢ় অক্ষরে লেখা হল একই অবস্থা নাকি বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ বা কাশ্মীরে। এ সমস্ত তথ্য অর্থনীতির পক্ষে ভীষণ বিপদের। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে বিত্তশালীদের কমসংখ্যক ছেলেমেয়ে এবং নিম্নবিত্তদের বৃহৎ পরিবার অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সামগ্রিক অসাম্যকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দেবে। উন্নত দেশে রাস্তা দিয়ে মানুষ হাঁটলে অনেক দূরে দাঁড়িয়ে যায় চলমান যানবাহন। কলকাতার রাজপথে যিশু হেঁটে বেড়ায় অবলীলায়, বাস, ট্রাম, ট্যাক্সির সঙ্গী হয়ে। মানুষ বাড়লে, এবং বিশেষ ভাবে নিম্নবিত্ত মানুষের সংখ্যা দ্রুতহারে বাড়তে থাকলে জীবনের দাম কমা ভাগের অঙ্কের মতই বাস্তব। সেজন্যে তো ব্যবস্থা নেবে সরকার। কাছের ভারতবর্ষই হোক কিংবা সুদূর সুদান, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ সরকারের দায়িত্ব। সমর্থ সরকার সেই দায়িত্ব নেবে, জনপ্রিয়তা কমলেও। আর ভবিষ্যতের দায় যদি না থাকে তাহলে যেমন চলছে তেমনটাই চলুক। বিশ্বের জনসংখ্যা যতদিনে হাজার কোটি ছোঁবে, তার আগেই চীনকে হারিয়ে আমরা পৌঁছব প্রথম স্থানে। সঙ্গে থাকবে আশেপাশের অনুন্নত দেশের মানুষের চাপও। রাজনীতির কচকচিতে মিলেমিশে একাকার হবে শরণার্থী আর অনুপ্রবেশকারী।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যাকে যে মানচিত্রের দেশভাঙা রেখা দিয়ে সমাধান করা যাবে না সে বোধটুকুই এখনও আত্মস্থ হয়নি বিশ্বের সেরা রাষ্ট্রনায়কদের। তবে মৃত্যুর বাস্তবতা এবং নিশ্চয়তার সঙ্গে মনুষ্যত্বকে গুলিয়ে ফেললে খুব ভুল হবে। রাস্তায় ভিড়, পরিষেবা অপ্রতুল, পরিকাঠামো ঝরঝরে এসব কথা বলে মৃত্যুকে যৌক্তিক করার চেষ্টা বড়ই অমানবিক। যে মানুষটি আত্মহত্যা করেন, তার মৃত্যুকেও সম্মান জানানোর দায় থাকে এই সমাজের। মুহূর্তের অসতর্কতায় কেউ দুর্ঘটনায় মারা গেলে রাজনীতি হবে সেটাই স্বাভাবিক। কারণ রাজনীতির কারবারিদের এক বড় মূলধন মৃত্যু।
তা বলে প্রয়াত সেই মানুষটিকে অসতর্কতার
জন্যে দুষলে পৌরুষত্ব দেখানো যেতে পারে, কিন্তু সেক্ষেত্রে মননশীলতার মাথা মাছের বাজারে সস্তায় বিক্রি হবে।
সেই প্রেক্ষিতেই টেলিভিশনে দৈনন্দিন মৃত্যু দেখে সাধারণ মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেলে মুশকিল। সরকারি হাসপাতালে কোনও এক রাতজাগা চিকিৎসক স্বপ্ন খুঁজে পান এক হতদরিদ্র শিশুর জীবন বাঁচানোর উল্লাসে। বাংলাদেশের এক জাহাজ ভর্তি মাল্লা আনন্দে গর্জন করে ওঠেন চারদিন সমুদ্রে ভাসা এ বঙ্গের এক জীবন্ত মাঝিকে উদ্ধার করে। রাস্তার মাঝে চিৎ হয়ে দিবানিদ্রায় মগ্ন বমি-মাখা মদ্যপকে মাথায় জল ঢেলে ফুটপাথে তুলে দেয় কোনও অজানা বন্ধু। তাই কার দায়, কোনও রাজনীতি, নামী বেসরকারি হাসপাতালে কার ভুলে প্রসূতির মৃত্যু, মেট্রো রেলের কামরার ভেতর আর বাইরে ভাগ হওয়ার অসহায়তা, এসব মেনে নিয়েও কাজ করুক সামান্য সহমর্মিতা। একটু শিউড়ে উঠে ভাবা যাক অন্যের এই মৃত্যুটা নিজেরও হতে পারত। আর সেটা যে হয় নি সেখান থেকেই আর একবার জন্মাক প্রতিদিনকার জীবন। মৃত্যু থেকে মুখ ফিরিয়ে নয়, তাকে সামনা-সামনি রুখে দিয়ে—“জগৎটাকে গায়ের চামড়ার মত আঁকড়ে ধরে”।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
20th  July, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

04:00:00 PM

ক্যাব ইস্যুতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ব্যাপক বিক্ষোভ এলাকাবাসীদের 

03:34:21 PM