Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পরিবারতান্ত্রিক সঙ্কট 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ছবিটা খুব পরিচিত। নিজের দলের বিরুদ্ধেই ধর্নায় বসেছেন ইন্দিরা গান্ধী। ভাঙতে চলেছে কংগ্রেস। আর তার নেপথ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার সংঘাত। একদিকে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা। অন্যদিকে কামরাজ, মোরারজি দেশাই, তৎকালীন কংগ্রেস সভাপতি নিজলিঙ্গাপ্পা। ইন্দিরার উত্থান থেকে যে চাপা টেনশন তৈরি হয়েছিল, সেই চাপানউতোরের আগুনে ঘি ছড়ানোর কাজটা করেছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ইন্দিরার পছন্দ ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি। অন্যদিকে কংগ্রেস চালানেওয়ালা, অর্থাৎ কামরাজ, নিজলিঙ্গাপ্পা, মোরারজি দেশাইদের প্রার্থী স্পিকার সঞ্জীব রেড্ডি। ইন্দিরা গান্ধী কখনওই চাননি সঞ্জীব রেড্ডি রাষ্ট্রপতি হোন। কারণ, সঞ্জীব রেড্ডি কংগ্রেস সভাপতি থাকার সময় থেকেই তাঁর সঙ্গে ইন্দিরার বরফ শীতল সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হওয়ার সময় সঞ্জীব নেহরু-কন্যাকে দাঁড় করানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রবল আপত্তিও তুলেছিলেন। আসলে সঞ্জীব রেড্ডি মনে করতেন, জওহরলাল নেহরুর মেয়ে হওয়ার সুবাদে ইন্দিরা অযাচিতভাবে তাঁর উপর খবরদারি করেন। এমন এক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রজেক্ট করতে কখনওই চাননি ইন্দিরা। কিন্তু দলীয় চাপ এমন জায়গায় গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী বাধ্য হয়েছিলেন সঞ্জীব রেড্ডির পক্ষে বিবৃতি জারি করতে। যদিও তলে তলে তিনি সমর্থন জুগিয়েছিলেন ভি ভি গিরিকে। শেষমেশ হয়েছিলও তাই। ইন্দিরার কলকাঠির জোরে হার স্বীকার করতে হয়েছিল সঞ্জীব রেড্ডিকে। আর সঙ্গে সঙ্গেই কংগ্রেসের অন্দরে ক্ষমতা প্রদর্শনের ইগোটা বেরিয়ে এল প্রকাশ্যে। আক্রমণ চলল খুল্লামখুল্লা। নিজলিঙ্গাপ্পার সভাপতিত্বে ইন্দিরা গান্ধীকে দল থেকে বহিষ্কার করল কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি। ইন্দিরার অনুগামী কংগ্রেসিরাও পাল্টা সভা ডেকে দাবি তুললেন, আমাদের সঙ্গে অধিকাংশ আছেন। তাই আমরাই আসল কংগ্রেস। মানলেন না মোরারজি, কামরাজরা। সংসদীয় পার্টির নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রীকে। দু’ভাগ হয়ে গেল কংগ্রেস। আদি কংগ্রেস এবং ইন্দিরা কংগ্রেস।
সেটা ছিল কংগ্রেসের আশাতীত এক সঙ্কট-মুহূর্ত। ভারতের শতাব্দীপ্রাচীন এই রাজনৈতিক দলটিতে তখনও তাও একজন সভাপতি ছিল। কিন্তু আজ যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কংগ্রেস যাচ্ছে, তা অবশ্যই নজিরবিহীন। ইস্তফা দিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ওয়ার্কিং কমিটিকে তিনি জানিয়েছেন, আমার বদলি কাউকে খুঁজে বের করুন। দল অবশ্য প্রথমে দাবি করেছিল, সভাপতির ইস্তফা গ্রহণ করা হবে না। তাতে অবশ্য গোঁ ছাড়েননি রাহুল। লোকসভা নির্বাচনে শোচনীয় ফলাফলের দায় কাঁধে নিয়ে তিনি দায়িত্ব ছেড়েছেন। এবং সেটাও সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ এক পাতা লিখে।
প্রথমে আসা যাক ওই খোলা চিঠি প্রসঙ্গে। রাহুল গান্ধী লিখেছেন, বিজেপি বা একটি নির্দিষ্ট কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই ছিল না। তিনি এবং তাঁর দল যুদ্ধে নেমেছিলেন রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত মেশিনারির বিরুদ্ধে। যেখানে বিরোধীদের কোমর ভাঙতে সর্বোতভাবে সরকারি মেশিনারিকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তিনি পাশাপাশি দায়ী করেছেন নির্বাচন কমিশনকে। প্রশ্ন তুলেছেন কমিশনের নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা নিয়ে। এখানে বেশ কিছু প্রশ্ন আসে। বিজেপির বিরুদ্ধে না হলে রাহুল গান্ধীর লড়াই কার বিরুদ্ধে ছিল? তিনি বলেছেন, ভারতকে নরেন্দ্র মোদি যেভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন, সেই ধারণার বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই। গণতন্ত্রকে মোদি যেভাবে করায়ত্ত করছেন, দেশে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরি করছেন, কংগ্রেসের লড়াই ছিল সেই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে। কংগ্রেস যা মানে না। তাহলে ইন্দিরা গান্ধী ভারতে যে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন, তা কি অন্য কোনও দলের প্রতিনিধি হিসেবে? কংগ্রেসের নয়? বছরের পর বছর কংগ্রেস তথা অন্য শাসক দল সরকারি মেশিনারি ব্যবহার করে ভোটে যে সব সুবিধা নিয়ে এসেছে, সেটা তাহলে কী? একটা কথা মনে রাখা খুব প্রয়োজন। নির্বাচনে অল্পবিস্তর সুবিধা সব শাসক দলই নিয়ে থাকে। কিন্তু তা কখনওই নির্ণায়ক হতে পারে না। রিগিং করে মার্জিনাল কিছু আসনের ভাগ্য ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ৩৫৩টি আসন দখল করা যায় না। আর বাকি রইল নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন। ভোটে দলীয় ব্যর্থতার জন্য কমিশনকে দায়ী করার অর্থই হল সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করা। যদি সরকারি মেশিনারি কাজে লাগিয়েই বিজেপি জয়ের ধারা বজায় রাখত, তাহলে কয়েক মাস আগে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস গেরুয়া শিবিরকে এমন ঝটকা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারত না। সেই সময় তো ইভিএম বা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি? বা একটা সময় যখন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা কংগ্রেসি নেতা-মন্ত্রীদের গাড়িতে ঘুরতেন, সেই সময়ের প্রসঙ্গও তো টানা হয়নি! রাহুল গান্ধী বা কংগ্রেসের কেন এটা মেনে নিতে অসুবিধা হচ্ছে যে, নরেন্দ্র মোদির প্রতিপক্ষ হিসেবে সোনিয়া-তনয় মোটেই ধোপে টিকতে পারেননি। লোকসভা ভোট প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের। এই দু’জনের মধ্যে একজনকে যদি বেছে নেওয়ার দায়িত্ব ভোটারকে দেওয়া হয়, তাহলে নিঃসন্দেহে মোদি এগিয়ে যাবেন। কংগ্রেস তথা বিরোধীদের আশা-ভরসা ছিল প্রতিষ্ঠানবিরোধী ভোট। মোদির মিসঅ্যাডভেঞ্চারমূলক সংস্কারের বিরুদ্ধে মানুষ যদি ভোট দেন। যদিও তা হয়নি। এবং তারপর থেকেই রাহুল গান্ধী দায় স্বীকার করে পালাতে পারলে বাঁচেন। তিনি যে আগে আঁচ পাননি, সেই দাবিও করা যায় না! কারণ, অতটাই নিশ্চিত হলে রাহুল আমেথির পাশাপাশি ওয়ানাড় থেকেও প্রার্থী হতেন না। স্মৃতি ইরানির কাছে আমেথিতে পর্যুদস্ত হয়েছেন রাহুল। আর সার্বিক বিপর্যয়ের পর দায়িত্ব থেকে ছুটি চাইছেন তিনি। এমন একটা সময়ে, যখন কংগ্রেসের একজন সত্যিকারের নেতা প্রয়োজন। যিনি দলকে এই ভরাডুবির পর তুলে ধরতে পারবেন।
অর্থাৎ এই ঘটনার পর অদ্ভুত একটা সঙ্কট তৈরি হয়েছে দলে। ওয়ার্কিং কমিটি থাকলেও যেহেতু কংগ্রেসে সভাপতি বলে এখন কেউ নেই, অনেক কিছুই এই জাঁতাকলে আটকে গিয়েছে। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, সোমেন মিত্ররা পদত্যাগ করার ইচ্ছে জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু কাকে উদ্দেশ করে? সভাপতি? তাঁর চেয়ারই তো ফাঁকা! তাহলে সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করবে কে? ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক যতদিন না বসছে, ততদিন রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখেই বিভিন্ন প্রদেশ কমিটি গঠন কিংবা নিয়োগ চালিয়ে যাচ্ছে কংগ্রেস। অবশ্যই তার প্রধান কারণ হল, উত্তরসূরির খোঁজ নেই। সোনিয়া গান্ধী অসুস্থতার জন্য আর দায়িত্ব নেবেন না। প্রিয়াঙ্কা উত্তরপ্রদেশে ভরাডুবির পর দায়িত্ব থেকে পালাতে পারলে বাঁচেন। আর তাই রাহুল গান্ধী নিজে বলছেন গান্ধী পরিবারের বাইরে কাউকে কংগ্রেস সভাপতি করার কথা। অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদি কিছুটা হলেও উল্লসিত হতে পারেন, কংগ্রেস পরিবারতন্ত্রের হাত থেকে বেরচ্ছে। রাহুল গান্ধী বলেছেন, রীতিমতো নির্বাচন করে যেন সভাপতি ঠিক করা হয়। কেমন নির্বাচন? যেমন ১৯৩৮ সালে হরিপুরা কংগ্রেসে হয়েছিল?
এখানেও কিন্তু একটা প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। সেই সময় মহাত্মা গান্ধী নিজেকে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছিলেন। মন দিয়েছিলেন হরিজনদের উন্নতি সাধনে। আর কংগ্রেস ভাগ হয়ে গিয়েছিল নেহরুপন্থী এবং সুভাষপন্থীতে। জওহরলাল নেহরু রক্ষণশীল এবং সুভাষচন্দ্র বসু কট্টরপন্থী। কিন্তু সুভাষচন্দ্র বসু তাঁর জনপ্রিয়তায় ভর করেই কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। আর তারপরই সরাসরি ব্রিটিশ রাজত্বের বিরুদ্ধে আক্রমণে নেমে পড়েন। ব্রিটেন যেভাবে ভারতকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যে টেনে আনছিল, সুভাষ ছিলেন তার ঘোর বিরোধী। তিনি চেয়েছিলেন, ব্রিটেনে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হয়েছে, তার সুযোগ নিতে। সেই কারণে ভারতকে স্বাধীনতা দেওয়ার ব্যাপারে ব্রিটেনকে ছ’মাসের চূড়ান্ত সময়সীমা দিয়ে তিনি একটি রেজল্যুশন পাশ করিয়েছিলেন। যা গান্ধীজির পছন্দ হয়নি। এরপর ছিল ত্রিপুরি কংগ্রেস। সেখানে গান্ধীজি সুভাষ বসুর বিরুদ্ধে পট্টভি সীতারামাইয়াকে প্রার্থী দাঁড় করান। তার আগে গান্ধীজি অবশ্য জওহরলাল এবং মৌলানা আবুল কালাম আজাদকে সভাপতি পদের নির্বাচনে প্রার্থী হতে বলেছিলেন। দু’জনেই গান্ধীজির সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। এতকিছু সত্ত্বেও সুভাষেরই জয় হয়। কিন্তু তারপরই গান্ধীজি বিবৃতি দেন, এই হার পট্টভি সীতারামাইয়ার নয়। এই পরাজয় তাঁর নিজের। এমনকী নিজের লোক দিয়ে যাতে সুভাষ বসু ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করেন, সেই পরামর্শও দেন গান্ধীজি। কংগ্রেস দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়।
সুভাষ সভাপতি হয়তো হয়েছিলেন, কিন্তু সেই অর্থে তাঁর ক্ষমতা ছিল না। প্রবল সমালোচনা সহ্য করে যখন অসুস্থ সুভাষকে স্ট্রেচারে চেপে ত্রিপুরি অধিবেশনে আসতে হয়েছিল, তখন পাশ থেকে মন্তব্য ভেসে আসে... ‘বগলের নীচে পেঁয়াজ রেখে জ্বর বাধাননি তো?’ খুব বেশিদিন আর সভাপতি থাকেননি সুভাষ। পদত্যাগ করেছিলেন। বা ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন।
গান্ধী-নেহরু পরিবারের বাইরের কেউ আজ যদি সভাপতি হন, তাহলে তাঁর অবস্থা সুভাষ বসুর মতো হবে না তো? এটাই হল লাখ টাকার প্রশ্ন। ইতিহাস বলছে, কংগ্রেসের যে সভাপতি গান্ধী-নেহরু পরিবারের ঘনিষ্ঠ নন, দলে তাঁর ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ অনায়াস হয়নি। বরং তাঁকে সরাসরি ‘যুদ্ধে’ অবতীর্ণ হতে হয়েছে। এবার প্রশ্ন হল, ‘পরিবারের’ বাইরে থেকে আসা সভাপতিকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিলেই কি কংগ্রেস তার হৃত গৌরব ফিরে পাবে?
মোরারজি দেশাই, নিজলিঙ্গাপ্পা, কামরাজকে হার স্বীকার করতে হয়েছিল ইন্দিরা কংগ্রেসের কাছে। ইন্দিরা গান্ধী যে দাপট নিয়ে একের পর এক নির্বাচনে জয় পেয়েছিলেন, তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছিল আদি কংগ্রেসকে। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ‘সিন্ডিকেটের’ আদি কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ১০ শতাংশ ভোট। আর ১৬টি আসন। সেখানে ইন্দিরা কংগ্রেসের দখলে ৩৫২টি আসন এবং ৪৪ শতাংশ ভোট। ’৭৭ সালের নির্বাচনে আদি কংগ্রেসের ভোট শতাংশ অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বছর তিনেকের মধ্যেই ইন্দিরা কংগ্রেস হয়ে উঠেছিল ‘আসল’ কংগ্রেস। এর দু’টি অর্থ। প্রথমত, কংগ্রেস নয়, নেহরু-গান্ধী পরিবারে আস্থা রেখেছিলেন ভোটাররা। এবং দ্বিতীয়ত, কংগ্রেসের যাঁরা পূর্ণ কর্মী এবং সমর্থক, তাঁরাও নেতৃত্বে এমন কাউকে চেয়েছিলেন, যাঁর ক্যারিশমায় মানুষ ভোটবাক্সে নিজেদের মতামত উজাড় করে দেবে। নয়ের দশকে যে সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে দল যাচ্ছিল, সোনিয়া গান্ধী দায়িত্ব নেওয়ার পরই কিন্তু ধীরে ধীরে তার থেকে বেরিয়ে আসতে শুরু করে কংগ্রেস। ধীরে ধীরে কেন? বিদেশিনী সহ আরও বহু ইস্যুতে সেই মুহূর্তে বিদ্ধ ছিলেন সোনিয়া। তাঁকেও এই দেশের রাজনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সবকিছু গুছিয়ে নিতে হয়েছে। সেই সময়টুকু নিয়েছিলেন সোনিয়া। তারপর অটলবিহারী বাজপেয়ির বিজেপি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে ক্ষমতায় এসেছিল ইউপিএ। ২০০৪ সালে। তখন কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ছিল ১৪৫। শরিকদের ম্যানেজ করে ১০ বছর শাসন করেছিল কংগ্রেস।
নরেন্দ্র মোদি বিলক্ষণ জানেন, কংগ্রেসের জিয়নকাঠি লুকিয়ে আছে ওই পরিবারেরই অন্দরে। কাজেই যদি কংগ্রেস-মুক্ত ভারত গঠন করতে হয়, তাহলে সবার আগে শেষ করতে হবে ‘পরিবার’কে। রাহুল গান্ধী নিজেকে নেতৃত্বের সেই স্তরে নিয়ে যেতে পারেননি। মোদি তাই গুরুত্ব দিচ্ছেন নরসিমহা রাও, মনমোহন সিংদের। আজ বাদে কাল যদি মনমোহন সিংকে তিনি ভারতরত্নের জন্য মনোনীত করেন, তাহলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। অর্থাৎ শতাব্দীপ্রাচীন দলের ভিতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা। কংগ্রেস কিন্তু এরপরও নেতা খুঁজবে সেই পরিবারের মধ্যে থেকেই। এবং কোনওদিন হয়তো ঘুরেও দাঁড়াবে। কারণ, কংগ্রেস কোনও সাদামাটা রাজনৈতিক দল নয়। কংগ্রেস একটা ব্র্যান্ড। যার কোনও বিজ্ঞাপনের প্রয়োজন আজও নেই। 
16th  July, 2019
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
একনজরে
দাভোস, ২৪ জানুয়ারি: ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় গণতন্ত্রকে ‘ধ্বংসের মুখে’ ঠেলে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার দাভোসের ওয়ার্ল্ড ইকনমিক ফোরাম-এর মঞ্চ থেকে ...

অকল্যান্ড, ২৪ জানুয়ারি: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে একদিনের সিরিজ জেতার পর ভারতের আত্মবিশ্বাস যে অনেকটাই বেড়েছে তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজের প্রথম ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বছরের শুরুতেই ফের বাস ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন মালিক সংগঠনের নেতারা। একাধিক সংগঠন এ নিয়ে ইতিমধ্যেই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছে। কয়েকটি সংগঠন আবার আরও এগিয়ে পরিবহণ দপ্তরে চিঠিও দিয়েছে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎপাদন কম থাকায় দাম বাড়ছে হু হু করে। সেকারণেই কুমোরটুলিতে শোলার বদলে সরস্বতী প্রতিমার সাজে ব্যবহার বাড়ছে জরির অলঙ্কারের। মৃৎশিল্পীদের কথায়, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যে যদি প্রতিমা শোলার অলঙ্কারে সাজাতে হয়, তাহলে ঢাকের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসাসূত্রে উপার্জন বৃদ্ধি। বিদ্যায় মানসিক চঞ্চলতা বাধার কারণ হতে পারে। গুরুজনদের শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় ভোটদাতা দিবস
১৮৫০: অভিনেতা অর্ধেন্দু শেখর মুস্তাফির জন্ম
১৮৫৬: সমাজসেবক ও লেখক অশ্বিনীকুমার দত্তের জন্ম
১৮৭৪: ইংরেজ লেখক সামারসেট মমের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৭১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৬২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,২০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫৫/২৪ রাত্রি ৪/৩২। শ্রবণা ৫৫/৩৩ রাত্রি ৪/৩৬। সূ উ ৬/২২/৭, অ ৫/১৫/৩১, অমৃতযোগ দিবা ১০/০ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ১০/৩০ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ২/০ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩৭ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৪/৪৪ গতে উদয়াবধি। 
১০ মাঘ ১৪২৬, ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, প্রতিপদ ৫২/৪৫/৪২ রাত্রি ৩/৩১/৩১। শ্রবণা ৫৪/৮/১ শেষরাত্রি ৪/৪/২৬। সূ উ ৬/২৫/১৪, অ ৫/১৪/৮, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৮ গতে ১২/৫৭ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৫৮ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ১/৫৮ মধ্যে ও ২/৫০ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/২১ মধ্যে ও ৩/৫৪/২ গতে ৫/১৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৪/১ মধ্যে ও ৪/৪৬/২০ গতে ৬/২৪/৫৫ মধ্যে। 
২৯ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
পদ্মভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনহর পারিক্কর, ব্যবসায়ী আনন্দ মহিন্দ্রা ও ভেনু শ্রীনিবাসন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস সি জমির এবং জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাফ্ফর হোসেন বেগ 

09:18:00 PM

পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি, স্বরাজ, জর্জ ফার্ণান্ডেজ, বক্সার মেরি কম, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জগন্নাথ 

09:13:00 PM

 পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কঙ্গনা রানউত, একতা কাপুর, আদনান সামি এবং করণ জোহর

09:07:04 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
জোহানেসবার্গ টেস্ট চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অপরাধে ইংল্যান্ডের খেলোয়ার বেন ...বিশদ

08:05:00 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

06:32:00 PM

আলিপুরদুয়ারে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ সহ গ্রেপ্তার ২ 

03:32:34 PM