Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

একটু ভাবুন
শুভা দত্ত

বেগুন আশি টাকা! তাও গুণমানে ট্যারাবেঁকা। সবুজ বিন দেড়শো টাকা! বাদবাকি সব্জি ৪০-৫০-৬০! ডাল তেল মশলার কথা তো বাদই দিলাম। গত শনিবার বাজেটের খবর বেরতে না বেরতেই বাজারে ফের যেন নতুন করে আগুন লেগে গিয়েছিল। এমনিতে বহুদিনই রোজকার বাজার অগ্নিশর্মা হয়ে আছে। কেন্দ্রীয় বাজেট যেন তাতে আর একপ্রস্থ ঘৃতাহুতি দিয়ে গেল! দামের আগুনও উঠল লকলকিয়ে। আর সেই আগুনের তাপে চল্লিশের বেগুন আশি! সব সব্জি এক ধাক্কায় কেজিতে পাঁচ/দশ টাকা ঊর্ধ্বমুখী! পরিচিত জনেদের কাছে এমন খবর পেয়ে অবশ্য খুব একটা অস্বাভাবিক লাগেনি। এই দেশে এমনটাই ট্র্যাডিশন। বাজেটের ভালোমন্দ, তাতে কী আছে না আছে, তাতে সত্যিই কতটা দাম বাড়তে পারে বা বাড়বে বা আদৌ বাড়বে কি না—ওসব দেখে বুঝে নেওয়ার দরকার নেই। টিভিতে বলেছে কাগজে লিখেছে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, তাতে লরি-গাড়ির ভাড়া বাড়ার সম্ভাবনা—ব্যাস! হয়ে গেল। ধপাধপ রাতারাতি চড়িয়ে দাও আনাজপাতি থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম, যেখানে যেমন পার। অতঃপর, আমজনতার নিত্যদিনের বাজারে ফড়েদের দাপাদাপি শুরু এবং তার অনিবার্য পরিণতিতে সবের দাম এক লাফে অনেকটা দূর! আর্থিকভাবে দুর্বল দিন আনি-দিন খাই থেকে সাধারণ মধ্যবিত্ত—সকলের টাইট অবস্থা আর একটু টাইট। আর তাই নিয়ে পথে-ঘাটে আড্ডায় আসরে অফিসে কাছারিতে ক্ষোভ বিতর্ক বিরক্তির ছড়াছড়ি, অভিযোগ অনুযোগের গতানুগতিক সাতকাহন। বছরের পর বছর এমনটাই তো দেখে আসছি, শুনে আসছি আমরা— আসছি না?
আমাদের রাজ্যটাও তো এই দেশের বাইরে নয়। অতএব এখানেও বাজেট প্রকাশ পাওয়া মাত্র এমনটা হবে—এতে আশ্চর্য কী? এমনটা হলে তাকে অস্বাভাবিকই বা ভাবি কী করে! তার চেয়েও বড় কথা, কেবল আনাজপাতির দরদামই তো নয়, বাজেটকে শিখণ্ডী করে সর্বস্তরেই পাওনা আদায়ের রেট বাড়ানোর একটা প্রয়াস প্রক্রিয়াও যে শুরু হয়ে যায় সেটাই বা কে না জানে? এই তো, বাজেটের পর কদিন যেতে না যেতেই বাস-ট্যাক্সির ভাড়ায় এক লপ্তে ২৫ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি উঠে এল! পণ্য পরিবহণের লরি গাড়িও যে এই দাবির বাইরে থাকবে না তা বলাই বাহুল্য! আর এই দাবিতে নিত্যদিনের বাজার যদি আর একপ্রস্থ চড়ে বসে তাতেও কি আমরা খুব অবাক হব? কেন চড়ল দাম—প্রশ্ন করলে বাঁধা বুলি তো আছেই, লরি-গাড়ির ভাড়া বাড়ছে, পাইকারি মাল আনা-নেওয়ায় খরচ বাড়ছে—দাম বাড়বে না? হয়ে গেল। অন্যদিকে গাড়িওয়ালারা বলবেন, দেখেননি, বাজেটে পেট্রল ডিজেলের উপর কেমন সেস বসিয়ে দিয়েছে দিল্লি। এমনিতেই তো রোজ ডিজেল পেট্রলের দাম কমা-বাড়া হচ্ছে। এবার বাজেটের পর তো পাকাপাকিভাবে ওই জ্বালানির দাম অনেকটাই বেড়ে যাবে, আমাদের চলবে কী করে? ভাড়া না বাড়ালে গাড়ি বন্ধ করে দিতে হবে। গাড়ি চালিয়ে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটেও যদি পেটে ভাত না জোটে তবে খাটবে কে?
হক কথা। ঠিকই তো—পণ্য পরিবহণই হোক, কি যাত্রী পরিবহণ—সংশ্লিষ্ট কর্মীদের তা সে তিনি ড্রাইভার-কন্ডাকটারই হোন কি তাঁদের সহযোগী, সকলকেই যে উদয়অস্ত কঠোর পরিশ্রম করে পেটের ভাত জোগাড় করতে হয়—তাতে সন্দেহ কী? তাঁরা তাঁদের আয় বাড়ানোর দাবি করতেই পারেন। কিন্তু কথা হল, বাজেট লাগুই হল না কেবল প্রস্তাব পেশ হল আর অমনি চারদিকে দাম বাড়ানোর হাঁক কেন! শুধু কি তাই? বাজেট পেশ হতে না হতেই দাম চড়ে যাচ্ছে—এটাই বা কেমন কথা! আমরা বলছি না যে বাজেটে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহণ খরচ বা জিনিসপত্রের দাম বাড়বে না, নিশ্চয়ই বাড়বে। তাই বলে এমন রাতারাতি কেন? আজ কে না বোঝেন যে আগের দিনের চল্লিশ টাকা কেজির বেগুন পরের রাতে কোন গুণে আশি টাকা হয়। পুজো উৎসবের সময় বা কোনও একটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কি একটু বৃষ্টি-বাদলা হলেই কোন গুণে মাছ, সব্জি থেকে যাবতীয়ের দাম অমন ধাঁ করে চড়ে যায়? জানেন, বহুজনাই জানেন—সে দাম বাজেটে বাড়ে না, বাড়ে ফড়ে-দালালের কারসাজিতে। চটজলদি মুনাফার লোভে এখন দেশ-রাজ্যের বাজারগুলোতে এই ফড়েদের উৎপাত মাত্রাছাড়া—তেমনটাই বলেন তথ্যভিজ্ঞজনেরা।
এই ফড়েরা সারাক্ষণ সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। পুজো-পার্বণ, ঝড়-বৃষ্টি দুর্যোগের মতো বাজেটও এদের কাছে একটা সুযোগ। এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর একাধিকবার এই ফড়েদের উৎপাত কমানোর চেষ্টা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাময়িকভাবে তাতে কিছু কাজও হয়েছিল। তবে ধূর্ত সুযোগ-সন্ধানী, ফড়ে-দালাল বাহিনীকে যে পুরোপুরি কব্জা করা যায়নি তার প্রমাণ মাঝেমধ্যেই মিলেছে, মেলে। এই যেমন এবার বাজেট প্রকাশ মাত্রেই বাজার যে ধক করে অনেকটা চড়ে গেল, মূল্যবৃদ্ধির আঁচ লাগল আমজনতার মুখে—তার জন্য বাজেট যত না দায়ী তার চেয়ে ঢের বেশিগুণ দায়ী ওই ফড়ে-দালালেরা। বাজারের ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে তথ্যভিজ্ঞ সকলেই বলছেন সেকথা। একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এবারের বাজেটে জ্বালানি তেলের উপর নতুন করে সেস বসায় সব কিছুর দাম বাড়ার সম্ভাবনা প্রবল। মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে সিপিএমের সূর্যকান্ত মিশ্র বা কংগ্রেসের অধীর চৌধুরীর মতো বিরোধী নেতা-নেত্রীরা সেই আশঙ্কার কথা তুলে ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম পূর্ণ সময়ের মহিলা অর্থমন্ত্রী বাজেটের ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ নরেন্দ্র মোদিজির দ্বিতীয় সরকারের প্রথম বাজেটকে ‘পুঁজির পৌষমাস’ বলে কটাক্ষও করেছে। এবং সেটাও স্বাভাবিক। বিরোধী শিবির চিরকাল এভাবেই কেন্দ্রীয় কি রাজ্য বাজেটের নেতিবাচক দিকগুলো জনতার সামনে তুলে ধরেন, বাজেট প্রস্তাব রূপায়িত হলে মানুষের কোথায় কতটা চাপ পড়বে তার আগাম আভাস দেন।
কিন্তু, বাজেটের কারণে মূল্যবৃদ্ধির আগেই যদি বাজার চড়ে যায়—তাহলে কী বলা যাবে!? সত্যি বলতে কী, বাজেট প্রস্তাব পেশ হতে না হতেই কলকাতার বাজারে দাম বৃদ্ধির বহর শুনে অস্বাভাবিক না লাগলেও এই ধন্দটা কিন্তু মনে জেগেছে—কে বাড়ায় দাম! মজুতদারি, মুনাফাবাজি, ফাটকার মতো শব্দগুলো ষাট-সত্তর-আশির দশকের মতো আজকাল আর অত শোনা যায় না ঠিকই, কিন্তু তাদের অস্তিত্ব যে আজও বহাল সেটা কিন্তু বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে বাজারের চেহারা চরিত্র থেকে বেশ ভালোই মালুম পাওয়া যায়। পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়ীদের দাপটে ভেজাল আর লোক ঠকানোও যে এখনও প্রায় অবাধে চলেছে তাতেও কোনও সন্দেহ নেই। বাজারে দোকানে ওজন কম দেওয়া, নকল নিম্নমানের জিনিস বেশি দামে গছিয়ে দেওয়া ইত্যাদি তো এখন এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী দোকানদারের ক্ষেত্রে রেওয়াজই হয়ে গেছে। কিন্তু, তাই বলে জীবনদায়ী ওষুধ! আমাদের রাজ্যে ওষুধ এমন হারে ভেজাল হচ্ছে যে, সিএজি অব্দি নাকি তাঁদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন! খবরেই পড়লাম। যারা এসব করছে তারা কি মানুষ! মানুষের জীবনের কোনও মূল্যই যাদের কাছে নেই, সামান্য কটা টাকার জন্য যারা এমন জঘন্য ব্যবসা করতে পারে তাদের মানুষ বলা যায়! পৃথিবীর কঠিনতম শাস্তিও কি এদের অপরাধের উপযুক্ত হয়?! শুধু এরা কেন, যারা ওই জাল ওষুধপত্র রোগী বা তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দিচ্ছে তাদের অপরাধও কি কম? কিন্তু, আশ্চর্যের ব্যাপার হল, এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড চলছে অথচ কারবারিরা কেউ ধরা পড়ছে না! ড্রাগ কন্ট্রোল বলে যে দপ্তরটি আছে তারও বিশেষ হেলদোল আছে বলে মনে হচ্ছে না! অথচ, এই ভেজাল ওষুধ সরকারি হাসপাতালে ঢুকে রোগীর জীবন সংকটাপন্ন করে তুললে আর একটা এনআরএস কাণ্ড ঘটে যেতেই পারে! মুনাফাবাজরা তো সঙ্গত কারণেই সেই বিপদের কথা ভাববে না, কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বাদবাকিরা?
শুক্রবার জল সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে জনসচেতনতা গড়তে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহানগরীর পথে নেমেছিলেন। নিঃসন্দেহে সময়োচিত উদ্যোগ। এর পাশাপাশি বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সবুজায়নের সুফল বোঝানোর চেষ্টাও চালাচ্ছে। অবিলম্বে লাখ লাখ গাছ লাগিয়ে পৃথিবীর সবুজের অভাব পূরণ না করলে যে মানব সভ্যতা আগামী এক দশকের মধ্যেই ঘোরতর বিপদে পড়বে সেই বার্তা দিচ্ছে। কিন্তু, তাতে ফল কতটা হচ্ছে তা
নিয়ে সন্দেহ এখনও যথেষ্ট। কারণ, রাজ্যের
নানা জায়গায় এখনও নির্বিচারে গাছ কাটা চলছে, তার ছবি ও খবর বেরচ্ছে। আর কোনওরকম তর্কে না গিয়ে চোখ বুজেই বলে দেওয়া যায়, বিশ্বের চারদিক
থেকে পানীয় জল নিয়ে গুরুতর অশনিসংকেত আসার পরও আমাদের এই কলকাতা শহরে তো বটেই, গোটা রাজ্যেই প্রতিদিন বিশাল পরিমাণ জল অপচয় হয়। আপাতত বেশির ভাগ জায়গায় জলের জোগান স্বাভাবিক আছে বলে সেটা গায়ে লাগছে না। তাই এখনও আসন্ন মহাবিপদের কথাটা ভাবছেন খুব সামান্যজনই। বাদবাকিরা এখনও নির্বিকার, ভয়ডরহীন—দু’জনের সংসারে আড়াই-তিন
হাজার লিটার শেষ করে দিচ্ছে দিনে, বাড়ি গাড়ি ধোয়া চালাচ্ছে কর্পোরেশনের পানীয় জলে! আহাম্মক
আর কাকে বলে। অন্যদিকে মুনাফাবাজেরা এখনও ভেজাল ওষুধ ছড়িয়ে, বৃষ্টি-ঝড় বাজেটের মতো কিছু পেলেই বাজারে আগুন লাগিয়ে আখের গোছাচ্ছে! এবং এই দুয়ের সাঁড়াশি আক্রমণে নাজেহাল
বিপর্যস্ত সংকটাপন্ন হচ্ছে সাধারণ গরিব মধ্যবিত্তের দৈনন্দিন যাপন। কিন্তু, যেদিন চেন্নাইয়ের মতো
এই মহানগরীর জলতৃষ্ণা মেটাতেও ট্রেন-
ট্যাঙ্কার আনতে হবে—সেদিন আজকের অপচয়
এই সবুজ নিধন প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়াবে না তো?
একটু ভাবুন।
14th  July, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
বিএনএ, আসানসোল: ডিসেম্বরের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও দুর্গাপুর ব্যারেজ সহ চিত্তরঞ্জনের নানা ঝিল ও মাইথন জলাধারে পরিযায়ী পাখির দল ভিড় জমাতে শুরু করেছে। বেশ কয়েক বছর আগে পরিযায়ী পাখির আগমন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলেও ফের তাদের সংখ্যা বাড়ছে।   ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে বিপর্যয়ের পর উত্তর দিনাজপুরে বিজেপির ঘুরে দাঁড়ানোটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। একদিকে সাংগঠনিক দুর্বলতা, দলীয় অন্তর্দ্বন্দ্ব, লোকসভা নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের সমর্থন কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা হারিয়ে ফেলায় কার্যত দিশেহারা গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্ব।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যান্তোনিও গুতেইরেস চান, কোনও দেশের সরকারই যেন বিভেদমূলক আইন কার্যকর না করে। তবে, ভারতের লোকসভায় পাশ হওয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সম্পর্কে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

04:00:00 PM

ক্যাব ইস্যুতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে ব্যাপক বিক্ষোভ এলাকাবাসীদের 

03:34:21 PM