Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

আজ দুনিয়ার সব শক্তির থেকে অনেক বেশি পাওয়ারফুল রাজনীতি। তাই যখন কোনও দুর্বল বিরোধীরও শাসক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই তাকে ঘিরে ভন ভন করে মৌমাছির দল। তবে, রাজনৈতিক মৌমাছির চরিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো। এরা মধু সংগ্রহ করে না, মধুর লোভেই ঘুরে বেড়ায়। ঘুরপাক খায় খাওয়ার লোভে। লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য, এদের কখনও উদর পূর্তি হয় না। কারও কারও নজরে, এরাই রাজনীতির ‘বেনোজল’। আবার বেনোজল জলাশয় বদলাতে বদলাতে সমুদ্রে গিয়ে পড়লেই হয়ে যায় নোনাজল। নোনাজল পেটে গেলে বমি অথবা বদহজম, আর চাষের জমিতে ঢুকলে ফসল নষ্ট। বেনোজল শব্দটার মধ্যে কেমন যেন একটা শ্লেষ লুকিয়ে রয়েছে। শ্লেষ বা ব্যঙ্গ যাই বলা হোক না কেন, বেনোজলের গুরুত্ব অস্বীকার করা খুবই কঠিন। বিশেষ করে যাঁরা রাজনীতি করেন তাঁদের কাছে এই ‘বেনোজল’ অতীব মহার্ঘ। কারণ বেনোজলেই পুকুর, ডোবা, জলাশয় কেমন যেন টইটম্বুর হয়ে যায়। বেশ একটা ভরা ভরা ভাব। অনেকটা ভরাভর্তি সংসারের মতো। তবে এই বেনোজলের স্রোতেই ভেসে আসে বোয়াল, রাঘব বোয়ালের দল। বেনোজলের চাপে পুকুর উপচে গেলে সেই জলের সঙ্গে বেরিয়ে যায় সার, খোল খাইয়ে বড় করা রুই, কাতলার দল। তখন নিজের সম্পদ অন্যের হয়ে যায়। বেনোজল যেমন একদিকে ভরে দেয়, তেমনই অনেক সময় কেড়েও নেয়। তবে, পুকুরপাড় জাল দিয়ে ঘিরে দিতে বোয়ালের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারলে লাভ নিশ্চিত। তা না হলে বোয়াল পুকুরের রুই, কাতলা পেটস্থ করে ফের বেনোজলের স্রোতে ভেসে যায় নতুন ঠিকানায়।
এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতিতে বহুল চর্চিত শব্দটি হল ‘বেনোজল’। লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের আশাতীত সাফল্যের পর রাজনীতির কারবারিরা বিজেপির বাজার ধরার চেষ্টায় মরিয়া। তার মধ্যে খুচরো কারবারি যেমন আছে, তেমনই আছে পাইকারি কারবারিও। প্রতিদিন রাজ্যের কোনও না কোনও প্রান্তে তৃণমূল, সিপিএম এবং কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঘটনা ঘটেই চলেছে। নেতাদের ওজন অনুযায়ী দিল্লি, কলকাতা ও জেলায় যোগদানের জন্য ম্যারাপ বাঁধা হচ্ছে। তবে দিল্লির ক্রেজটা একটু বেশি।
তবে লাভপুরের তৃণমূল মনিরুল ইসলামের যোগদানের পর বিজেপিতে ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি হওয়ায় বিষয়টা একটু ঘেঁটে গিয়েছে। যাঁরা বাঁচার জন্য পড়ি কি মরি করে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা আপাতত ব্রেক কষেছেন। কারণ এক গোষ্ঠীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলে অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্ব ‘ভেটো’ দিয়ে দিচ্ছে। ফলে একবুক স্বপ্ন নিয়ে নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর কেউ চাপে পড়ে পদত্যাগ করছেন, কেউ আবার যোগদানের পর নতুন দলে গুরুত্ব না পেয়ে কারও কারও ‘ঘরওয়াপসি’ও হচ্ছে। তাই অনেকেই আরও একটু দেখে নিতে চাইছেন। নিদেনপক্ষে আগামী পুরসভা ভোট পর্যন্ত। কারণ এখনও কী হয়, কী হয় একটা ভাব তাঁদের মনের মধ্যে গুর গুর করছে। তাঁরা ভাবছেন, শেষ মুহূর্তে হাওয়া যদি কোনও কারণে ঘুরে যায় তাহলে ‘জাতও যাবে, পেটও ভরবে না।’
তবে, এসব হওয়ার কারণে যোগদান পর্বে ছেদ পড়েছে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। বেনোজলের স্রোত অব্যাহত। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানি ফিরিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছেন তাতে তৃণমূলের বহু চুনোপুঁটি থেকে রাঘব বোয়ালের প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগাড়। বিজেপি ও সিপিএমের প্রাক্তনীদের উস্কানিতে চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। আর সেই জনরোষ থেকে বাঁচতে কাটমানিতে উদরপূর্তি করা নেতাদের একটা বড় অংশ নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে গেরুয়া শিবিরকেই বেছে নিতে চাইছে। কারণ তারা ভাবছে, এই মুহূর্তে গেরুয়া পাঞ্জাবি আর গেরুয়া টিপ সব চেয়ে বড় রক্ষাকবচ। আর গেরুয়া শিবির এখন গঙ্গাজলের চেয়েও পবিত্র। একবার গায়ে মেখে নিতে পারলেই ওঁ শান্তি।
প্রশ্ন উঠেছে, দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল নেতাদের বিজেপিতে যোগদানকে ঘিরে। তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে জেলা পরিষদ এখন বিজেপির। তৃণমূলের স্টাইলে নির্বাচনে না জিতেও জেলা পরিষদ দখলের দৌলতে গেরুয়া শিবিরের শ্রীবৃদ্ধি অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু গৌরব বৃদ্ধি হয়নি। দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূলের নেতারা বিজেপিকে এরাজ্যে প্রথম জেলা পরিষদ দখলের সম্মান এনে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কাটমানি ফেরতের কী হবে?
যোগদানের আগে কাটমানি ইস্যুতে দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলা পরিষদের সদস্যদের বাড়ির সামনে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল তা থেমে গেল কেন? তাহলে যোগদানের আগে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেটা কি ভুল ছিল? নাকি বিজেপির গঙ্গাজলে সবই পবিত্র হয়ে গেল? বহু জায়গায় পঞ্চায়েত প্রধান সহ তৃণমূলের অধিকাংশ সদস্য বিজেপিতে চলে যাচ্ছেন। সেখানেও কি ‘গঙ্গাজল’ কাজ করছে?
একটা কথা মনে রাখা দরকার, বেনোজলের সঙ্গে মাছ যেমন আসে, তেমনি আসে সাপখোপ, বোয়াল। বোয়াল পুকুরে ঢুকে গেলে রুই, কাতলারাও রেহাই পায় না। বোয়ালের দাঁত ভীষণ ধারালো, খিদেও প্রচুর। তাই বেনোজলের পুকুর ভর্তিতে যাঁরা আহ্লাদিত হচ্ছেন, তাঁদের একবার বোয়ালদের বিপদটাও ভাবা দরকার।
বেনোজল পুকুরে ঢুকে যাওয়ায় স্বচ্ছ জলও ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা আদিরা মেনে নিতে পারছেন না। ২০১১ সালের পর তৃণমূলে এমনটাই ঘটেছিল। রাজ্যে পরিবর্তনের পর সিপিএম সহ বামেদের স্রোত আছড়ে পড়েছিল। দলকে বড় করার আশায় তৃণমূলের নেতারা শুধু দরজা খুলেই দেননি, অতিথি জ্ঞানে আপ্যায়নও করেছিলেন। লাভপুরে মনিরুল ইসলাম সহ প্রায় গোট ফরওয়ার্ড ব্লকটাই তৃণমূলে ঢুকে গিয়েছিল। একই ঘটনা ঘটেছিল নানুরেও। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে যোগ দেওয়া অভিজিৎ সিংহ ওরফে রাণা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তিনিই হয়ে ওঠেন অনুব্রত মণ্ডলের ছায়াসঙ্গী ও প্রধান পরামর্শদাতা। আর তাতেই অনুব্রতবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে শেখ শাহনওয়াজ, তাঁর ভাই কাজল শেখের মতো তৃণমূলের দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের।
এমনকী, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অধ্যাপক মানুষও আত্মসম্মান বজায় রাখার জন্য কুঁকড়ে থাকতেন। এনিয়ে আদি তৃণমূলীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছিল। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে যেখানে জার্সি বদলে বামেরাই হয়ে উঠেছিলেন ঘাসফুল শিবিরের নিয়ন্ত্রক।
‘লাল তৃণমূলে’র দাপটে দমবন্ধ হতে বসা আদি তৃণমূলীরাই বিভিন্ন এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটে কোথাও নির্দল দাঁড় করিয়েছিলেন, কোথাও তলে তলে বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন। পঞ্চায়েত ভোটে বিক্ষুব্ধরা যে বীজ রোপন করেছিলেন, লোকসভা ভোটে সেটাই হয়েছে মহীরুহ।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সম্ভবত বিপদটা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করেছেন। তাই তিনি বোয়ালদের দলে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পুকুর পাড়ে জাল দেওয়ার একটা চেষ্টা করছেন। কেশপুরের আনন্দপুরে এক জনসভায় তাঁর ভাষণে অন্তত তেমন মনোভাবই প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘দল বাড়াতে হলে তৃণমূলকে ভাঙতে হবে। তাই তৃণমূল থেকে যাঁরা আসছেন তাঁদের নিতে হবে। কিন্তু, টাকাটা মিটিয়ে আসতে হবে।’
গত লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ধাক্কায় ১২টি আসন কমে গেলেও শতাংশের বিচারে ভোট বেড়েছে। সাধারণত কোনও দলের ভোট বাড়লে ভাঙন হয় না। কিন্তু, লোকসভা ভোটের পর বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের নেতারা বিজেপিতে যাচ্ছেন এবং যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে মূলত দু’ধরনের নেতা কর্মী যাচ্ছেন। একটা অংশ যাঁরা দীর্ঘদিন দলে কোণঠাসা। ‘কাটমানি নেতাদের’ বিরুদ্ধে জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েও কিছু করতে পারছিলেন না, তাঁরা যাচ্ছেন। আর যাচ্ছেন তাঁরাই, যাঁরা কাটমানি ও কমিশনের দৌলতে আজ জমি, বাড়ি, গাড়ির মালিক। তাঁরা বাঁচার তাগিদে বিজেপিতে ভিড়ছেন।
দ্বিতীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বেনোজলে গা ভাসানোর আকাঙ্ক্ষা প্রবল। কারণ রাজনীতিই এঁদের পেশা। ক্ষমতার সঙ্গে না থাকলে সংসার টানাই দায়। বিলাসিতা তো দূর অস্ত। এই সব কাটমানি নেতার একটাই পলিসি, এলো মেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই।
নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিরা কী ভয়ঙ্কর চাপে এবং অশান্তিতে আছে, তা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলেই কিছুটা মালুম হবে। বর্ধমান স্টেশন এলাকায় একদা সিপিএমের অ্যাকশন স্কোয়াডের লিডার বলে পরিচিত খোকন সেন ও তাঁর অনুগামীরা কিছুদিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন। তার দু’দিনের মধ্যে বিজেপির যুবমোর্চার জেলা সভাপতি শ্যামল রায়ের সঙ্গে খোকনবাবুর লড়াই লেগে যায়। উভয় গোষ্ঠীর গণ্ডগোল এমন চরমে ওঠে যে, বিজেপি জেলা অফিসে গুলি পর্যন্ত চলে। তার জের হিসেবে শ্যামল রায়ের বাড়িতে হামলা হয়।
জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।
‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়। তাই দলের বৃদ্ধির কথা ভেবে লকগেট খুলে দিয়ে অবাধে বেনোজল ঢোকার সুযোগ করে দিলে পরিণতি ভালো নাও হতে পারে। কারণ অতি বৃদ্ধি অনেক সময় ক্যান্সারের লক্ষণ হয়ে থাকে।
13th  July, 2019
অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 হাসপাতাল চত্বরে চলাচলের রাস্তার ধারেই করোনা পরীক্ষার যাবতীয় বর্জ্য সহ পিপিই কিট পড়ে থাকতে দেখা গেল। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার চাঞ্চল্য ছড়াল দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। ...

 গ্রাম বাংলায় বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের কাজে সহায়ক হিসেবে নিযুক্ত ২৫ হাজার গ্রামীণ সম্পদ কর্মী বা ভিলেজ রিসোর্স পার্সন (ভিআরপি) ফের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ...

দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, প্রয়োজনীয় নির্দেশ—সবটা নিয়ন্ত্রিত হবে এক জায়গা থেকে। তার জন্য অত্যাধুনিক মোবাইল ভ্যান আনল কলকাতা বিমানবন্দর। ...

 রেওয়াজি খাসির মাংস কিংবা পদ্মার ইলিশ নয়। করোনা পরিস্থিতিতে এখন সব্জি ভাত খেতে গিয়েই হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

হঠাৎ মাথা গরমের প্রবণতার ফলে মানসিক অস্থিরতা দেখা দেবে। বিদ্যায় প্রতিকূলতার মধ্যেও সাফল্য আসবে। ব্যবসায়ীদের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
১৭৬৫—ইস্ট ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে রবার্ট ক্লাইভ দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশায় দেওয়ানি স্বত্ত্ব লাভ করেন।
১৮৭৭: বহুভাষাবিদ তথা কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরির (জাতীয় গ্রন্থাগারের) প্রথম গ্রন্থাগারিক হরিনাথ দের জন্ম।
১৮৯৫: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরীর জন্ম।
• ১৯১৯: পদার্থবিজ্ঞানী বিক্রম আম্বালাল সারাভাইয়ের জন্ম
১৯৬০ - সঙ্গীতশিল্পী, লেখক, অনুবাদক ও ঠাকুরবাডীর প্রগতিশীল বিদুষী মহিলা ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীর মৃত্যু  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.০৫ টাকা ৭৫.৭৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৩৮ টাকা ৯৯.৭৪ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৫ টাকা ৮৯.৫৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,১৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৩,২৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
11th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী ১৫/২ দিবা ১১/১৭। কৃত্তিকানক্ষত্র ৫৫/২৬ রাত্রি ৩/২৬। সূর্যোদয় ৫/১৬/৫, সূর্যাস্ত ৬/৭/৯। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৩ গতে ১১/১৫ ম঩ধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫২ গতে ৯/৬ মধ্যে পুনঃ ১/৩৩ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৯ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ রাত্রি ৯/৬ গতে ১০/৩৫ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২৭ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২০, অষ্টমী দিবা ৮/১৯। কৃত্তিকানক্ষত্র রাত্রি ১/৩৮। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে এবং ১/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৯ গতে ১০/৬ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫২ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ...বিশদ

11-08-2020 - 08:48:00 PM

করোনা আক্রান্ত রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ 

11-08-2020 - 08:05:09 PM

প্রণব মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই
প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সঙ্কটজনকই। হাসপাতালের ভেন্টিলেশনেই ...বিশদ

11-08-2020 - 07:11:07 PM

রাশিয়ায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৯৪৫ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৯৪৫ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:49:29 PM

রবীন্দ্রসদনের কাছে বহুতলে আগুন

 রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগল। স্থানীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ...বিশদ

11-08-2020 - 06:40:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫,৮৩৪ জন। মৃত্যু ...বিশদ

11-08-2020 - 06:30:20 PM