Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বেনোজলের রাজনীতি
তন্ময় মল্লিক

আজ দুনিয়ার সব শক্তির থেকে অনেক বেশি পাওয়ারফুল রাজনীতি। তাই যখন কোনও দুর্বল বিরোধীরও শাসক হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়, তখনই তাকে ঘিরে ভন ভন করে মৌমাছির দল। তবে, রাজনৈতিক মৌমাছির চরিত্রটা সম্পূর্ণ উল্টো। এরা মধু সংগ্রহ করে না, মধুর লোভেই ঘুরে বেড়ায়। ঘুরপাক খায় খাওয়ার লোভে। লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য, এদের কখনও উদর পূর্তি হয় না। কারও কারও নজরে, এরাই রাজনীতির ‘বেনোজল’। আবার বেনোজল জলাশয় বদলাতে বদলাতে সমুদ্রে গিয়ে পড়লেই হয়ে যায় নোনাজল। নোনাজল পেটে গেলে বমি অথবা বদহজম, আর চাষের জমিতে ঢুকলে ফসল নষ্ট। বেনোজল শব্দটার মধ্যে কেমন যেন একটা শ্লেষ লুকিয়ে রয়েছে। শ্লেষ বা ব্যঙ্গ যাই বলা হোক না কেন, বেনোজলের গুরুত্ব অস্বীকার করা খুবই কঠিন। বিশেষ করে যাঁরা রাজনীতি করেন তাঁদের কাছে এই ‘বেনোজল’ অতীব মহার্ঘ। কারণ বেনোজলেই পুকুর, ডোবা, জলাশয় কেমন যেন টইটম্বুর হয়ে যায়। বেশ একটা ভরা ভরা ভাব। অনেকটা ভরাভর্তি সংসারের মতো। তবে এই বেনোজলের স্রোতেই ভেসে আসে বোয়াল, রাঘব বোয়ালের দল। বেনোজলের চাপে পুকুর উপচে গেলে সেই জলের সঙ্গে বেরিয়ে যায় সার, খোল খাইয়ে বড় করা রুই, কাতলার দল। তখন নিজের সম্পদ অন্যের হয়ে যায়। বেনোজল যেমন একদিকে ভরে দেয়, তেমনই অনেক সময় কেড়েও নেয়। তবে, পুকুরপাড় জাল দিয়ে ঘিরে দিতে বোয়ালের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারলে লাভ নিশ্চিত। তা না হলে বোয়াল পুকুরের রুই, কাতলা পেটস্থ করে ফের বেনোজলের স্রোতে ভেসে যায় নতুন ঠিকানায়।
এই মুহূর্তে বঙ্গ রাজনীতিতে বহুল চর্চিত শব্দটি হল ‘বেনোজল’। লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া শিবিরের আশাতীত সাফল্যের পর রাজনীতির কারবারিরা বিজেপির বাজার ধরার চেষ্টায় মরিয়া। তার মধ্যে খুচরো কারবারি যেমন আছে, তেমনই আছে পাইকারি কারবারিও। প্রতিদিন রাজ্যের কোনও না কোনও প্রান্তে তৃণমূল, সিপিএম এবং কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের ঘটনা ঘটেই চলেছে। নেতাদের ওজন অনুযায়ী দিল্লি, কলকাতা ও জেলায় যোগদানের জন্য ম্যারাপ বাঁধা হচ্ছে। তবে দিল্লির ক্রেজটা একটু বেশি।
তবে লাভপুরের তৃণমূল মনিরুল ইসলামের যোগদানের পর বিজেপিতে ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি হওয়ায় বিষয়টা একটু ঘেঁটে গিয়েছে। যাঁরা বাঁচার জন্য পড়ি কি মরি করে ঝাঁপ দেওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গিয়েছিলেন, তাঁরা আপাতত ব্রেক কষেছেন। কারণ এক গোষ্ঠীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলে অন্য গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্ব ‘ভেটো’ দিয়ে দিচ্ছে। ফলে একবুক স্বপ্ন নিয়ে নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর কেউ চাপে পড়ে পদত্যাগ করছেন, কেউ আবার যোগদানের পর নতুন দলে গুরুত্ব না পেয়ে কারও কারও ‘ঘরওয়াপসি’ও হচ্ছে। তাই অনেকেই আরও একটু দেখে নিতে চাইছেন। নিদেনপক্ষে আগামী পুরসভা ভোট পর্যন্ত। কারণ এখনও কী হয়, কী হয় একটা ভাব তাঁদের মনের মধ্যে গুর গুর করছে। তাঁরা ভাবছেন, শেষ মুহূর্তে হাওয়া যদি কোনও কারণে ঘুরে যায় তাহলে ‘জাতও যাবে, পেটও ভরবে না।’
তবে, এসব হওয়ার কারণে যোগদান পর্বে ছেদ পড়েছে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। বেনোজলের স্রোত অব্যাহত। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাটমানি ফিরিয়ে দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছেন তাতে তৃণমূলের বহু চুনোপুঁটি থেকে রাঘব বোয়ালের প্রাণ ওষ্ঠাগত হওয়ার জোগাড়। বিজেপি ও সিপিএমের প্রাক্তনীদের উস্কানিতে চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। আর সেই জনরোষ থেকে বাঁচতে কাটমানিতে উদরপূর্তি করা নেতাদের একটা বড় অংশ নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে গেরুয়া শিবিরকেই বেছে নিতে চাইছে। কারণ তারা ভাবছে, এই মুহূর্তে গেরুয়া পাঞ্জাবি আর গেরুয়া টিপ সব চেয়ে বড় রক্ষাকবচ। আর গেরুয়া শিবির এখন গঙ্গাজলের চেয়েও পবিত্র। একবার গায়ে মেখে নিতে পারলেই ওঁ শান্তি।
প্রশ্ন উঠেছে, দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল নেতাদের বিজেপিতে যোগদানকে ঘিরে। তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি বিপ্লব মিত্র জেলা পরিষদের সভাধিপতি সহ ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ফলে জেলা পরিষদ এখন বিজেপির। তৃণমূলের স্টাইলে নির্বাচনে না জিতেও জেলা পরিষদ দখলের দৌলতে গেরুয়া শিবিরের শ্রীবৃদ্ধি অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু গৌরব বৃদ্ধি হয়নি। দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূলের নেতারা বিজেপিকে এরাজ্যে প্রথম জেলা পরিষদ দখলের সম্মান এনে দিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, কাটমানি ফেরতের কী হবে?
যোগদানের আগে কাটমানি ইস্যুতে দক্ষিণ দিনাজপুরে জেলা পরিষদের সদস্যদের বাড়ির সামনে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল তা থেমে গেল কেন? তাহলে যোগদানের আগে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেটা কি ভুল ছিল? নাকি বিজেপির গঙ্গাজলে সবই পবিত্র হয়ে গেল? বহু জায়গায় পঞ্চায়েত প্রধান সহ তৃণমূলের অধিকাংশ সদস্য বিজেপিতে চলে যাচ্ছেন। সেখানেও কি ‘গঙ্গাজল’ কাজ করছে?
একটা কথা মনে রাখা দরকার, বেনোজলের সঙ্গে মাছ যেমন আসে, তেমনি আসে সাপখোপ, বোয়াল। বোয়াল পুকুরে ঢুকে গেলে রুই, কাতলারাও রেহাই পায় না। বোয়ালের দাঁত ভীষণ ধারালো, খিদেও প্রচুর। তাই বেনোজলের পুকুর ভর্তিতে যাঁরা আহ্লাদিত হচ্ছেন, তাঁদের একবার বোয়ালদের বিপদটাও ভাবা দরকার।
বেনোজল পুকুরে ঢুকে যাওয়ায় স্বচ্ছ জলও ঘোলা হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টা আদিরা মেনে নিতে পারছেন না। ২০১১ সালের পর তৃণমূলে এমনটাই ঘটেছিল। রাজ্যে পরিবর্তনের পর সিপিএম সহ বামেদের স্রোত আছড়ে পড়েছিল। দলকে বড় করার আশায় তৃণমূলের নেতারা শুধু দরজা খুলেই দেননি, অতিথি জ্ঞানে আপ্যায়নও করেছিলেন। লাভপুরে মনিরুল ইসলাম সহ প্রায় গোট ফরওয়ার্ড ব্লকটাই তৃণমূলে ঢুকে গিয়েছিল। একই ঘটনা ঘটেছিল নানুরেও। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে যোগ দেওয়া অভিজিৎ সিংহ ওরফে রাণা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তিনিই হয়ে ওঠেন অনুব্রত মণ্ডলের ছায়াসঙ্গী ও প্রধান পরামর্শদাতা। আর তাতেই অনুব্রতবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে শেখ শাহনওয়াজ, তাঁর ভাই কাজল শেখের মতো তৃণমূলের দুর্দিনের নেতা-কর্মীদের।
এমনকী, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অধ্যাপক মানুষও আত্মসম্মান বজায় রাখার জন্য কুঁকড়ে থাকতেন। এনিয়ে আদি তৃণমূলীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছিল। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে যেখানে জার্সি বদলে বামেরাই হয়ে উঠেছিলেন ঘাসফুল শিবিরের নিয়ন্ত্রক।
‘লাল তৃণমূলে’র দাপটে দমবন্ধ হতে বসা আদি তৃণমূলীরাই বিভিন্ন এলাকায় পঞ্চায়েত ভোটে কোথাও নির্দল দাঁড় করিয়েছিলেন, কোথাও তলে তলে বিজেপিকে সমর্থন করেছিলেন। পঞ্চায়েত ভোটে বিক্ষুব্ধরা যে বীজ রোপন করেছিলেন, লোকসভা ভোটে সেটাই হয়েছে মহীরুহ।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সম্ভবত বিপদটা কিছুটা হলেও উপলব্ধি করেছেন। তাই তিনি বোয়ালদের দলে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পুকুর পাড়ে জাল দেওয়ার একটা চেষ্টা করছেন। কেশপুরের আনন্দপুরে এক জনসভায় তাঁর ভাষণে অন্তত তেমন মনোভাবই প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘দল বাড়াতে হলে তৃণমূলকে ভাঙতে হবে। তাই তৃণমূল থেকে যাঁরা আসছেন তাঁদের নিতে হবে। কিন্তু, টাকাটা মিটিয়ে আসতে হবে।’
গত লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূল কংগ্রেসের এক ধাক্কায় ১২টি আসন কমে গেলেও শতাংশের বিচারে ভোট বেড়েছে। সাধারণত কোনও দলের ভোট বাড়লে ভাঙন হয় না। কিন্তু, লোকসভা ভোটের পর বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের নেতারা বিজেপিতে যাচ্ছেন এবং যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে মূলত দু’ধরনের নেতা কর্মী যাচ্ছেন। একটা অংশ যাঁরা দীর্ঘদিন দলে কোণঠাসা। ‘কাটমানি নেতাদের’ বিরুদ্ধে জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েও কিছু করতে পারছিলেন না, তাঁরা যাচ্ছেন। আর যাচ্ছেন তাঁরাই, যাঁরা কাটমানি ও কমিশনের দৌলতে আজ জমি, বাড়ি, গাড়ির মালিক। তাঁরা বাঁচার তাগিদে বিজেপিতে ভিড়ছেন।
দ্বিতীয় পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বেনোজলে গা ভাসানোর আকাঙ্ক্ষা প্রবল। কারণ রাজনীতিই এঁদের পেশা। ক্ষমতার সঙ্গে না থাকলে সংসার টানাই দায়। বিলাসিতা তো দূর অস্ত। এই সব কাটমানি নেতার একটাই পলিসি, এলো মেলো করে দে মা, লুটেপুটে খাই।
নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিরা কী ভয়ঙ্কর চাপে এবং অশান্তিতে আছে, তা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলেই কিছুটা মালুম হবে। বর্ধমান স্টেশন এলাকায় একদা সিপিএমের অ্যাকশন স্কোয়াডের লিডার বলে পরিচিত খোকন সেন ও তাঁর অনুগামীরা কিছুদিন আগে বিজেপিতে যোগ দেন। তার দু’দিনের মধ্যে বিজেপির যুবমোর্চার জেলা সভাপতি শ্যামল রায়ের সঙ্গে খোকনবাবুর লড়াই লেগে যায়। উভয় গোষ্ঠীর গণ্ডগোল এমন চরমে ওঠে যে, বিজেপি জেলা অফিসে গুলি পর্যন্ত চলে। তার জের হিসেবে শ্যামল রায়ের বাড়িতে হামলা হয়।
জেলায় জেলায় নব্যদের নিয়ে বিজেপির আদিদের ক্ষোভ রয়েছে। আর এই ক্ষোভের অন্যতম কারণ যোগদানকারীদের বেশিরভাগই এক সময় হয় সিপিএমের হার্মাদ বাহিনীর সদস্য ছিলেন, অথবা তৃণমূলের ‘কাটমানি নেতা’। তাই এই সব নেতাকে নিয়ে স্বচ্ছ রাজনীতির স্লোগান মানুষ বিশ্বাস করবে না। উল্টে লোকসভা ভোটে যাঁরা নীরবে সমর্থন করেছিলেন, তাঁরা ফের নিঃশব্দেই মুখ ফিরিয়ে নেবেন।
‘ফ্লোটিং ভোট’ যে মুখ ঘুরিয়ে নিতে পারে, সেটা বিজেপির পোড়খাওয়া নেতারা বুঝতে পারছেন। তাঁরা বলছেন, ভোটের ফল প্রকাশের পর যাঁরা আসছেন তাঁরা কেউই বিজেপির আদর্শের জন্য আসছেন না, আসছেন বাঁচার তাগিদে। কেউ কেউ লুটেপুটে খাওয়ার অভ্যাস বজায় রাখার আশায়। তাই দলের বৃদ্ধির কথা ভেবে লকগেট খুলে দিয়ে অবাধে বেনোজল ঢোকার সুযোগ করে দিলে পরিণতি ভালো নাও হতে পারে। কারণ অতি বৃদ্ধি অনেক সময় ক্যান্সারের লক্ষণ হয়ে থাকে।
13th  July, 2019
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আগেই করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন বালুরঘাট শহরের বাইকের একটি শোরুমের এক কর্মী। এবার সেই শোরুমের আরও এক কর্মী এবং সেখানে আসা এক ক্রেতার করোনা ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত এক বছরে দেশের কম আয়ের শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা দেখভালের দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ইএসআই কর্পোরেশন। এর আয় ৫ ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: গতবারের চেয়ে এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিতে অর্থ কমিশনের টাকা অনেক কম পাঠানো হচ্ছে। কোনও কোনও পঞ্চায়েতে প্রথম কিস্তিতে গত বছরের তুলনায় অর্ধেকেরও কম টাকা পাঠানো হবে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই প্রধানরা সরব হয়েছেন। ...

 কাঠমাণ্ডু: গদি বাঁচাতে শেষপর্যন্ত করোনাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। তবে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তাঁর এই কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দিগ্ধ রাজনৈতিক মহল। জানা গিয়েছে, করোনার মোকাবিলায় দেশে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাব ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পঠন-পাঠনে আগ্রহ বাড়লেও মন চঞ্চল থাকবে। কোনও হিতৈষী দ্বারা উপকৃত হবার সম্ভাবনা। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- ভাষাবিদ মহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্ম,
১৮৯৩- গণিতজ্ঞ কে সি নাগের জন্ম,
১৯৪৯- ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকরের জন্ম,
১৯৫০- গায়িকা পরভীন সুলতানার জন্ম,
১৯৫১- রাজনীতিক রাজনাথ সিংয়ের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.০৪ টাকা ৭৬.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.১৪ টাকা ৯৭.১৪ টাকা
ইউরো ৮২.৯৩ টাকা ৮৭.৪০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫০,০৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,২০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,৭১০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৮১০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী ১৬/৩০ দিবা ১১/৩৯। পূর্বভাদ্রপদ অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/২/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২৷ অমৃতযোগ দিবা ১২/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৮ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/১ গতে ১০/২১ মধ্যে।
২৫ আষাঢ় ১৪২৭, ১০ জুলাই ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী দিবা ১১/২৭। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূযোদয় ৫/২, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ১২/৯ গতে ২/৪৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৩০ মধ্যে ও ১২/৪৬ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ৯/৩ গতে ১০/২৩ মধ্যে।
১৮ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ৭,৮৬২ জন, মোট আক্রান্ত ২,৩৮৬১ 

09:42:28 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ২,৩১৩ জন, মোট আক্রান্ত ৩৩,৪১৮ 

08:09:39 PM

করোনা: রাজ্যে ফের রেকর্ড সংক্রমণ 
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ফের রেকর্ড সংক্রমণ। একদিনে পশ্চিমবঙ্গে করোনা ...বিশদ

07:40:59 PM

করোনায় আক্রান্ত কোয়েল মল্লিক 
করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক, তাঁর স্বামী নিসপাল সিং ...বিশদ

07:29:30 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ৩,৬৮০, মোট আক্রান্ত ১,৩০,২৬১ 

07:17:58 PM

কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা 
কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে এক মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল ভিলেজ পুলিসের বিরুদ্ধে। ...বিশদ

04:00:41 PM