Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঘোষণা ও বাস্তব
সমৃদ্ধ দত্ত

মোট জঞ্জালের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কেজি! একটা বিয়েতেই তো কত কিছু নষ্ট হয়। এখানে আবার দুটো বিয়ে হয়েছে। তাই বিবাহের পরদিন জমে থাকা জঞ্জালের পরিমাণ একটু বেশি হতেই পারে। সেইসব নষ্ট হওয়া এবং ফেলে দেওয়া জঞ্জালের মধ্যে আবার একটা বড় অংশই হল বাটার নান, পরোটা, স্যালাড, ফল এবং আলু। আলু খাওয়া শরীরের পক্ষে ভালো নয়। তাই ধনীরা আলু পছন্দ করেননি। কিন্তু ১৫১ রকম মেনুতে তো আলুর ডিশ রাখতেই হয়। বোধহয় সেরকম কেউ খাননি। তাই ফেলে দিতেই হয়েছে। উত্তরাখণ্ডের হিমালয়ের পাদদেশের এই জায়গাটি পর্যটনপ্রিয় বাঙালি খুব ভালোমতোই চেনেন। আউলি। জুন মাসের শেষ সপ্তাহে পাহাড়ের কোলে এই ছোট্ট জনপদই ছিল বিবাহবাসর। দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত অনাবাসী ভারতীয় শিল্পপতি গুপ্তা ব্রাদার্স নামক পরিচিত দুই ভাইয়েরই পুত্রদের বিবাহ হয়ে গেল। বেশি খরচ হয়নি। ২০০ কোটি টাকা! কে না জানে আজকাল স্ট্যাটাসের নাম ডেস্টিনেশন ওয়েডিং! অর্থাৎ ধনী, সেলেব্রিটি তো বটেই, একটু পয়সাওয়ালা হলেই আজকাল আর কেউ নিজের পাড়ায়, নিজের শহরে ভাড়া বাড়ি করে কিংবা হোটেল বুক করে ছেলেমেয়ের বিয়ে দেয় না। নতুন প্রবণতা হল ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। অর্থাৎ অনেক দূরে কোনও ট্যুরিস্ট স্পটে অন্য শহরের কোনও এক বিখ্যাত প্যালেস কিংবা বিদেশের কোনও শান্ত নির্জন ফার্ম হাউস অথবা লাস ভেগাসের মতো উচ্ছ্বল নগরীতে বিবাহ করে থাকেন ধনীরা। বিরাট কোহলি বিয়ে করেছেন ইতালিতে গিয়ে। প্রিয়াঙ্কা চোপড়া বিয়ে করেছেন যোধপুরে উমেদ ভবন প্যালেসে। ঈশা আম্বানির বিয়ের রিসেপশন হয়েছে উদয়পুরে। এরকমভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকার সবথেকে চর্চিত এবং অন্যতম ধনী শিল্পপতি ভারতীয় বংশোদ্ভূত গুপ্তা ব্রাদার্সদের দুই পুত্রের বিবাহের জন্য তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন শান্ত হিমালয়কে। আউলি! আউলি স্কাই রিসর্টে জুন মাসের ১৯ আর ২০ তারিখ বিয়ে হয়েছে অজয় গুপ্তর পুত্র সূর্যকান্তের। আর ২১ এবং ২২ তারিখ হয়েছে অতুল গুপ্তের পুত্র শশাঙ্কের বিবাহ। বিয়েতে আনন্দ, মজা আর উৎসব করাই নিয়ম। তাই হিমালয়ের ঠিক নীচে আদিগন্ত সবুজ প্রান্তরের বুকে বিবাহের পাঁচদিন ধরে যোগাসনের সেশন হয়েছিল। কে পরিচালনা করলেন সেই যোগাসন? এক্ষেত্রের এক নম্বর মানুষটি। বাবা রামদেব। হিন্দি সিনেমার গানের সঙ্গে একটু নৃত্যানুষ্ঠান থাকবে এবং পরিবারের সদস্যরা অংশ নেবেন, এটাই স্বাভাবিক। সেই অনুষ্ঠানের প্রধান নৃত্যশিল্পী ছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। এসেছিল অসংখ্য হেলিকপ্টার। সেগুলিকে ল্যাণ্ড করতে হয়েছে যোশীমঠে। সেখান থেকে গাড়িতে চেপে আসতে হবে আউলিতে বিবাহবাসরে। ধনীদের বিবাহে এসব হতেই পারে। এটা স্বাভাবিক। সমস্যা হল ওই ৩২ হাজার কেজি জঞ্জাল হিমালয়ের কোলে জমা হওয়া নিয়ে। ওই বিবাহ এবং ৩২ হাজার কেজি জঞ্জাল জমা হওয়ার ঠিক ১৫ দিন পর কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবেশ মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকর দিল্লিতে বাজেট নিয়ে কথা বলার সময় বলেছিলেন, আমাদের বাজেট বুঝিয়ে দিয়েছে যে আমরা বসুন্ধরাকে সবুজ আর আকাশকে নীল রাখতে বদ্ধপরিকর। জানা গেল বাজেটে এবার ৪৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে পরিবেশকে দূষণহীন করতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একদিকে যখন সরকার ঘোষণা করছে তারা দেশের পরিবেশ রক্ষায় কোনও আপস করবে না, তাহলে আউলিতে হওয়া ওরকম বিবাহের আয়োজনের অনুমতি কেন দেওয়া হচ্ছে? ওড়িশার সম্বলপুরের গ্রামে প্রকাশ্য এলাকায় মলত্যাগ করার জন্য দরিদ্র গ্রামবাসীদের স্পট ফাইন করা হচ্ছে। তাঁদের প্রশ্ন করা হয়েছিল সরকারি শৌচালয় থাকা সত্ত্বেও কেন এই খারাপ অভ্যাস তাঁরা ত্যাগ করছেন না? ভয়ে ভয়ে তাঁরা সরকারি বাবুদের বলেছিলেন, সরকারি শৌচালয় খুব সুন্দর, শুধু একটাই সমস্যা। জল নেই। গোটা দেশজুড়ে এটা স্বচ্ছ ভারত অভিযানের অন্যতম সমস্যা এটা আজকাল সামান্য খোঁজ করলেই জানা যায়। অর্থাৎ জলসংকট এমন যে সেখানে শৌচালয়ে জলব্যবস্থা ২৪ ঘণ্টা রাখার মতো অবস্থা নেই বহু গ্রামে। কিন্তু প্রশ্ন হল সরকার যখন পরিবেশ নিয়ে এতটাই কঠোর তখন চরম পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি নিয়েও এই হাই প্রোফাইল বিয়ের অনুমতি দেওয়া হল কেন? পুরসভা সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছে। দেড় লক্ষ টাকা পৃথক জরিমানা। কতটা দূষণ হয়েছে? শুধু আউলির ওই পরিবেশে প্রকাশ্য মলত্যাগের জরিমানা করা হয়েছে ১ লক্ষ টাকা। লেবাররা কোথায় শৌচকার্য করবেন? তাই হিমালয়ের কোলে। কিন্তু জরিমানা করে কী হবে? বরং ওই অনুমতি না দেওয়া হলে অনেক কড়া বার্তা দেওয়া হতো যে সত্যিই আমাদের কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি পরিবেশ নিয়ে ভাবিত। কিংবা মুখে যা বলে, তাই পালন করা হয়। আদতে কিন্তু দেখা যাচ্ছে তা নয়। বরং কাজে ও কথায় বিস্তর গরমিল।
মুম্বইয়ের কাছে পালাঘর জেলার জওহর এলাকার তিনটি গ্রামের মানুষ এবার সকাল থেকে ভোট দেননি। গ্রামবাসীর বেশিকিছু দাবি ছিল না। শুধু বলা হয়েছিল জলের ট্যাঙ্কার যেন সপ্তাহে তিনদিনের পরিবর্তে চারদিন আসে। অন্তত এই গরমের সময়টা। জওহর এলাকার তিনটি গ্রামের জলের সোর্স হল দুটো কুয়ো। তবে দুটোই শুকনো কুয়ো। কুয়োর নিজস্ব জল নেই। সপ্তাহে তিনদিন সরকারি ট্যাঙ্কার এসে সেই কুয়োয় জল ঢেলে যায়। নতুন ভারতে এটা অবশ্য চালু দৃশ্য। আরও ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখা যাবে নাসিকে। রামঘাটে মাঝেমধ্যে গোদাবরী নদীতে ট্যাঙ্কার এসে জল ঢেলে দিয়ে যায়। যাই হোক, যে তিনদিন গ্রামে ট্যাঙ্কার আসে, সেই তিনদিন ভোর সাড়ে চারটেয় ঘুম থেকে উঠে গোটা গ্রামের প্রতিটি পরিবারের প্রতিটি সদস্য খাওয়া দাওয়া করে রেডি হয়ে যায় জল আনতে। দেখা যাবে দলে দলে মিছিলের মতো করে গ্রামবাসী যতরকম পাত্র আছে হাতে, মাথায় নিয়ে ওই কুয়োর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বুথে ভোটকর্মীরা বসে আছেন। ভোটার নেই। এই খবর যেতেই অবশেষে ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার নিজে এলেন। প্রতিশ্রুতি নিয়ে নয়। ট্যাঙ্কার নিয়ে। তাঁর গাড়ির পিছনেই ছিল ট্যাঙ্কার। সেই ট্যাঙ্কার কুয়োয় জল ঢাললো। তারপর গ্রামবাসী ভোট দিতে গেলেন। পালাঘরের জলসংকটের যেখানে এই ভয়ঙ্কর অবস্থা, সেখানে পালাঘর থেকে থানে জেলার এলাকার পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষাকারী ম্যানগ্রোভ অরণ্য কেটে ফেলা হবে বলে স্থির হয়েছে। কারণ বুলেট ট্রেন। মুম্বই থেকে আমেদাবাদ ৫০৮ কিলোমিটার বুলেট ট্রেনের জন্য শুধু মহারাষ্ট্রের এই এলাকাগুলিতে ৫৪ হাজার ম্যানগ্রোভ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুলেট ট্রেনের জন্য গুজরাত আর মহারাষ্ট্রের ১৪০০ হেক্টর জমি লাগবে। ১২টি স্টেশন লাগবে, ৩৫০ কিলোমিটার ঘণ্টায় স্পিড। মুম্বই থেকে আমেদাবাদ যেতে সময় কমে যাবে ২ ঘণ্টা। কোন কোন এলাকা পড়বে এই রুটে? সঞ্জয় গান্ধী ন্যাশনাল পার্ক, যেখানে লেপার্ডের সংখ্যা সবথেকে বেশি, থানে ক্রিক ফ্লেমিঙ্গো স্যাংচুয়ারির যেটা মাইগ্রেটরি বার্ডসের চারণভূমি। গোটা প্রকল্পে প্রায় ৮০ হাজার গাছ কাটা হতে পারে। মহারাষ্ট্রে যেখানে সবথেকে বেশি খরা আর জলসংকট, সেখানে ঠিক সেই জেলাগুলির উপর দিয়েই বুলেট ট্রেন নিয়ে যাওয়ার দরকার পড়ল কেন? যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী সমস্যার কথা উপলব্ধি করে জলসংকট থেকে রক্ষা পেতে এবার বাজেটে সবথেকে জোর দিয়েছেন এবং বিপুল অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, সেখানে কেন এই সিদ্ধান্তগুলি পুনর্বিবেচনা করে দরকার হলে অন্য রুটে বুলেট ট্রেন নিয়ে যাওয়া হবে না? যাতে অন্তত প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা পায়? সরকারের কথায় ও কাজে মিল দেখতে না পেলে দেশবাসী সেই সরকারকে সিরিয়াসলি নেবে কেন?
গুজরাতের ভাদোদরা জেলার চান্দোড়ে ৬০০ জন মাঝি প্রতিদিন নিজেদের নৌকা নিয়ে চোখের সামনে দেখতে পান একটু একটু করে এতদিনের চেনা নর্মদা শুকিয়ে যাচ্ছে। এই মাঝিদের জীবিকা হল মাল্লারাও ঘাট থেকে ত্রিবেণী সঙ্গমে পুণ্যার্থীদের নিয়ে যাওয়া এবং সেই সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুণ্যার্থীরা পিতামাতার অস্থি বিসর্জন করে আবার ফিরে আসে ঘাটে। নর্মদা, ওরসাং এবং গুপ্ত সরস্বতী। এই তিন নদীর মিলনস্থল। তাই সঙ্গম। একটা সময় এখানে নর্মদার বন্যায় আশেপাশের গ্রামে জল ঢুলে পড়ত। আর আজ এই মুহূর্তে অর্থাৎ এই বর্ষাতেও দেখা যায় চান্দোড়ের শুকনো নর্মদায় গাড়ি পার্ক করে পুণ্যার্থীরা কিছুটা হেঁটে হাঁটুজল পেরিয়ে সেই সঙ্গমে চলে যাচ্ছেন। চান্দোড়ের ৬০০ জন মাঝি আর তাঁদের নৌকাগুলি সারাদিন বসে থাকে। সর্দার সরোবর বাঁধ মাঝেমধ্যে যদি জল ছেড়ে দেয় তাহলে নর্মদার এই অংশে জল আবার পূর্ণ হয় কিছুটা। আর নচেৎ সারাবছর শুকনো। এর পরিণাম কী? চান্দোড় ছেড়ে দলে দলে মানুষ চলে যাচ্ছেন অন্যত্র। ফুড মাইগ্রেশন, জব মাইগ্রেশন, ওয়াটার মাইগ্রেশন দেখছে ভারত অবিরত। এখন রিভার মাইগ্রেশন। নদীতে জল নেই। তাই কৃষি ঩নেই। অর্থাৎ কাজ নেই। সুতরাং গ্রামে থেকে লাভ নেই। দেশের সর্বত্র এই চিত্র দেখা যাচ্ছে। গুজরাত সরকার নিজেদের কোটা থেকে মাঝেমধ্যে বাঁধ থেকে জল রিলিজ করলেও সেটা স্থায়ী সমাধান নয়। একমাত্র ট্রাইবুনালকে একটি নির্দিষ্ট ফর্মুলা করতে হবে। সেটাও করা হচ্ছে না। ভারত সরকারের অন্যতম প্রধান একটি প্রকল্পই হল নদী সংযোগ প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন নদীকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হবে। যাতে উদ্বৃত্ত জলসম্পন্ন নদী থেকে বাড়তি জল শুকনো নদীতে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বারংবার এই প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। গোটা প্রকল্প রূপায়ণ করতে অন্তত ১ লক্ষ কোটি টাকা দরকার। এদিকে আবার বুলেট ট্রেন করতেও ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে! আধুনিক রাষ্ট্রে অবশ্যই দুটোই চাই। কিন্তু বাস্তব প্রয়োজনের ভিত্তিতে বিচার করলে? কোনটা বেশি জরুরি?
12th  July, 2019
বিপাকে কেন্দ্র, তাই দেশে গুজরাতি মডেলের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ চালানোর চেষ্টা চলছে
সন্দীপন বিশ্বাস

ইংরেজদের ‘ডিভাইড অ্যাড রুল’ নীতি থেকে জন্ম নিয়েছিল একটা দেশ। তার নাম পাকিস্তান। মাউন্টব্যাটেনদের সেই নীতি সাম্প্রদায়িক ঘৃণার যে পরিবেশ তৈরি করে গিয়েছিল, আজও আমাদের তার থেকে যেন মুক্তি নেই। এই নীতিটা নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।
বিশদ

ভারতের আত্মা বিক্ষত
পি চিদম্বরম

মুখোশ সরে গিয়েছে, বেরিয়ে পড়েছে ধারালো নখের থাবা। হিন্দুরাষ্ট্র নির্মাণের কর্মসূচি গতি পাচ্ছে। এই প্রজেক্টের ইঞ্জিন হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চাকার নাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এটার উপর তীক্ষ্ণ নজর রেখেছে নকশাটা যে তৈরি করেছে বা যে ইঞ্জিনিয়ার, সেই আরএসএস।  
বিশদ

রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে
আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ হোক
হিমাংশু সিংহ

 শনিবার যখন এই লেখা লিখছি তখনও চারদিক থেকে গণ্ডগোল, অবরোধ, আগুন লাগানোর খবর আসছে। নাগরিক বিল নিয়ে এককথায় রাজ্য উত্তাল। কিন্তু এই অশান্তি কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাই মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন মেনে হাঙ্গামায় প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ হোক।
বিশদ

15th  December, 2019
এনআরসি দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

পরিবর্তনই জীবনের বৈশিষ্ট্য। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সবকিছুই। কিন্তু পরিবর্তনের এই ধারায় সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে রাজনীতির অভিমুখ ও উপাদান। একটা সময় রাজনীতিতে সাফল্য লাভের প্রধান উপাদান ছিল উন্নয়ন। এখন রাজনীতিতে সাফল্য লাভের উপাদান জবরদস্ত ইস্যু। ইস্যু তৈরি করতে পারলেই কেল্লা ফতে। 
বিশদ

14th  December, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

13th  December, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
একনজরে
বদাউন, ১৫ ডিসেম্বর: ধুমধাম করে গত সোমবার বিয়ের পর্ব সম্পন্ন হয়েছিল। আর শুক্রবার ভোররাতে টাকা, গয়না নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে চম্পট দিল নববধূ। তাঁর সঙ্গে পলাতক বিয়ের মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তিও। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যবিত্তের ‘নিজের বাড়ির’ স্বপ্ন পূরণে গৃহঋণ মেলার আয়োজন করেছিল ইডেন রিয়েলটি গ্রুপ। সংস্থার সোলারিস সিটি শ্রীরামপুর এবং জোকা প্রকল্পে গত ১৩ থেকে ১৫ ডিসেম্বর এই ‘ফ্লেক্সি হোম লোন মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। ...

নাগরিকত্ব আইন-২০১৯। যা নিয়ে এই মুহূর্তে দেশসহ গোটা রাজ্য উত্তাল। রাজনৈতিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি তো সব সময়ই শোনা যায়। কিন্তু, কী ভাবছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ! সরাসরি তাঁদের মুখেই শোনা যাক। আজ হুগলি জেলার প্রতিক্রিয়া।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলন্ত বাসের মধ্যে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ল দুই স্কুল ছাত্রী। এমনকী দু’জনেই দু’জনকে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। শনিবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানা এলাকার বরফকলের কাছে। দুই ছাত্রীর পরিবারই একে অন্যের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

বাড়তি অর্থ পাওয়ার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭০: জার্মান সুরকার লুদভিগ ভ্যান বেটোভেনের জন্ম
১৯১৭: কল্পবিজ্ঞান লেখক আর্থার সি ক্লার্কের জন্ম
১৯২১: হুগলি নদীর নীচ দিয়ে টানেল তৈরির কাজ শুরু করল সিইএসসি
১৯৭১: বাংলাদেশে ভারতীয় বাহিনীর কাছে পাক সেনার আত্মসমর্পণ। জন্ম স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের
২০১২: দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল দেশ 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৪৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
15th  December, 2019

দিন পঞ্জিকা

২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী ৫৩/৩৭ দিবা ৩/৪০। অশ্লেষা ৫১/২৫ রাত্রি ২/৪৭। সূ উ ৬/১৩/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৯/৩ গতে ১১/১১ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩১ গতে ১১/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ৩/৩৩ মধ্যে, বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫২ মধ্যে পুনঃ ২/১১ গতে ৩/৩১ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫১ গতে ১১/৩১ মধ্যে। 
২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, চতুর্থী ১/২৭/৫৩ প্রাতঃ ৬/৫০/১৯ পরে পঞ্চমী ৫৬/৩৮/৫ শেষরাত্রি ৪/৫৪/২৪। অশ্লেষা ৫৫/৪৫/৩৮ শেষরাত্রি ৪/৩৩/২৫, সূ উ ৬/১৫/১০, অ ৪/৫০/৪০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ মধ্যে ৯/১১ গতে ১১/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৮ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ২/৪৭ গতে ৩/৪০ মধ্যে, কালবেলা ৭/৩৪/৩৬ গতে ৮/৫৪/২ মধ্যে, কালরাত্রি ৯/৫২/২১ গতে ১১/৩২/৫৫ মধ্যে। 
১৮ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে ২৪ ডিসেম্বর উত্তরবঙ্গে মিছিলের ডাক বিজেপির 

04:08:00 PM

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে ২৩ ডিসেম্বর ধর্মতলায় মিছিল বিজেপির, থাকবেন দলের সর্বভারতীয় কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা 

04:07:42 PM

  উন্নাওকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক
উন্নাওকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হলেন প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কূলদীপ সিং সেঙ্গার। ...বিশদ

03:29:47 PM

বিজেপির মিছিল ঘিরে গোলমাল, অবরুদ্ধ সুলেখা মোড়ে 
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে বিজেপির মিছিলে গোলমাল। দক্ষিণ কলকাতার ...বিশদ

03:05:57 PM

 বিজেপির মিছিল ঘিরে গোলমাল, অবরুদ্ধ দঃকলকাতার সুলেখা মোড়
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে বিজেপির মিছিলে গোলমাল। দক্ষিণ কলকাতার ...বিশদ

03:00:00 PM

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিসি হামলার বিরুদ্ধে সন্তোষপুরে প্রতিবাদ মিছিল পড়ুয়াদের 

02:38:24 PM