Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কেন তেরোজন অর্থনীতিবিদ অখুশি হবেন?
পি চিদম্বরম

প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন পাঁচ বছর আগে তাঁর প্রথম অর্থনৈতিক সমীক্ষা (ইকনমিক সার্ভে ২০১৪-১৫) পেশ করে বলেছিলেন, ‘‘ভারত একটা সুন্দর জায়গায় (সুইট স্পট) পৌঁছে গিয়েছে—জাতির ইতিহাসে এটা বিরল—এইভাবে শেষমেশ দুই সংখ্যার মধ্যমেয়াদি বৃদ্ধির কৌশলে ভর করে এগনো যাবে।’’ ওই প্রতিজ্ঞা রক্ষায় সরকার যে ব্যর্থ হয়েছিল সেটা মেনে নেওয়ার জন্য প্রথম মোদি সরকারের পুরো মেয়াদ ওই দায়িত্বে তিনি থাকেননি। তাঁর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল ড. কৃষ্ণমূর্তি সুব্রামনিয়নের উপর। ড. কৃষ্ণমূর্তিকে স্বীকার করে নিতে হয়েছে প্রথম মোদি সরকার তার পাঁচ বছরে গড় জিডিপি বৃদ্ধি অর্জন করেছিল মাত্র ৭.৫ শতাংশ।
৭.৫ শতাংশ বৃদ্ধির হার সন্তোষজনক, কিন্তু দুই সংখ্যার বৃদ্ধির লক্ষ্যের ধারেকাছেও যে পৌঁছানো গেল না। পাশাপাশি এটাও দেখতে হবে গত পাঁচ বছরের বিকাশ-পথরেখাটা ছিল এইরকম—বৃদ্ধির হার ৭.৪, ৮.০, ৮.২, ৭.২ এবং ৬.৮ শতাংশ। প্রথম তিন বছরে ৭.৪ থেকে ৮.২ শতাংশে উন্নীত হওয়ার ঘটনায় ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন নিশ্চয় প্রীত হয়ে থাকবেন, কিন্তু আমার সন্দেহ হয় যে, ২০১৬-র নভেম্বরে ডিমনিটাইজেশনের আঘাতটা দেশের উপর এসে পড়াতেই সেটা নিশ্চিতরূপে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। তারপর থেকেই অর্থনীতির বিকাশ-পথরেখাটি ৮.২ থকে ৭.২ এবং সেখান থেকে ৬.৮ শতাংশে নেমে গিয়েছে।
অর্থনৈতিক অবনমনটা যখন আরও বেশি তখনই দ্বিতীয় মোদি সরকার দায়িত্বভার নিয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হারের ত্রৈমাসিক হিসেবটা ছিল এইরকম: ৮.০,৭.০, ৬.৬ এবং ৫.৮ শতাংশ। আজকের শোচনীয় পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় মোদি সরকারের জন্য নতুন প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা নিম্নরূপ লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছেন:
‘‘২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের ভিতর ভারত ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতি রূপে বিকাশলাভের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে, যে লক্ষ্য ভারতকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি করে তুলবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের জন্য মনিটারি পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে ৪ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতি সরকার নির্দিষ্ট করে দিয়েছে, এর জন্য প্রয়োজন জিডিপির ৮ শতাংশ প্রকৃত বার্ষিক বৃদ্ধির হার।’’
এটা একটা ঠিকঠাক লক্ষ্য। কিন্তু আমাদের সামনে যে প্রশ্নটা এসে পড়ছে, তা হল, অর্থনৈতিক সমীক্ষা যে লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছে নির্মলা সীতারামনের প্রথম বাজেট সেটাকে কতটা এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হবে?
আমরা প্রত্যেকে কয়েকটি বক্সের তালিকা বানিয়ে ফেলতে পারি এবং নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারি, বাজেট বিবৃতির ভিত্তিতে, অর্থমন্ত্রী ক’টা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়েছেন।
২০১৮-র অক্টোবরে আন্তর্জা঩তিক খ্যাতিসম্পন্ন তেরোজন অর্থনীতিবিদ, তাঁদের কেউ ভারতীয় অথবা ভারত-বংশোদ্ভব, তাঁদের লেখা ১৪টি নিবন্ধ ২০১৯-এ ‘অর্থনীতি এখন কী চায়’ (হোয়াট দ্য ইকনমি নিডস নাও) শিরোনামের একটি বইতে ছাপা হয়েছে। ড. অভিজিত ব্যানার্জি এবং ড. রঘুরাম রাজন বেশকিছু আইডিয়া বের করেছেন এবং তারপর ‘ভারত যে আটটি মস্ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি’ নামে একটি সংযোজন তালিকা দিয়েছেন। সবগুলোই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে অর্থনীতি নিয়ে ভাবিত। ওই বই থেকে ধার করা পাঁচটি আইডিয়া নিয়ে আমি আমার বক্সগুলির তালিকা তৈরি করেছি।
নীচে বক্সগুলোতে দেখুন কেন ‘টিক’ অথবা ‘ক্রস’ চিহ্ন দিলাম:
ý ফিসকাল ঘাটতি শাসন: ফিসকাল ঘাটতি শাসনে মোদি সরকারের রেকর্ড মোটে ভালো না। প্রথম পাঁচ বছরের ভিতর এই সরকার ফিসকাল ঘাটতি ৪.৫ শতাংশ থেকে ৩.৪ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছিল। সত্যি বলতে কী, ফিসকাল ঘাটতিটা বছর চারেক ৩.৪ থেকে ৩.৫ শতাংশের ভিতর আটকে ছিল এবং ২০১৯-২০ সালের বাজেট সেটাকে ৩.৩ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ২০১৮-১৯ সালের সংখ্যাটি সন্দেহজনক, কেননা, ওই বছরে রাজস্বের যে ক্ষতি হয়েছিল
এবং বাজেটবহির্ভূত ঋণ নেওয়া হয়েছিল তার পরিমাণটা বিপুল।
ý চাপে যেসব ক্ষেত্র (কৃষি, বিদ্যুৎ, ব্যাঙ্ক): কৃষিক্ষেত্রের উদ্বেগ কমানোর কোনও সূত্র দিশা বাজেট ভাষণে পাওয়া গেল না। বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে তিনি স্রেফ চালু কর্মসূচির কথারই পুনরাবৃত্তি করে গেলেন, ‘উদয়’, এটার লক্ষ্য হল বণ্টন সংস্থাগুলির আর্থিক এবং চালনা সংক্রান্ত দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া। এটাতে যোগ করেছে ‘পুরনো এবং অদক্ষ প্ল্যান্টগুলোর অবসর’ এবং ‘প্রাকৃতিক গ্যাসসঙ্কটের কারণে গ্যাস প্ল্যান্টগুলির ক্ষমতার চেয়ে কম ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হয়েছে’। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রে কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে নতুন করে মূলধন জোগানোর (রিক্যাপিটালাইজেশন) জন্য ৭০ হাজার কোটি টাকার ব্যবস্থা করা হবে, মনে রাখতে হবে যে অঙ্কটা একেবারেই যথেষ্ট নয় এবং আর্থিক দিক থেকে ভালো অবস্থায় আছে এমন নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানিগুলির (এনবিএফসি) ‘পুলড অ্যাসেটস’ কিনে নেওয়ার জন্য কিছু ব্যাঙ্ককে ‘এককালীন ছয় মাসের জন্য আংশিক ক্রেডিট গ্যারান্টি’ দেওয়া হবে—লিকুইডিটির অপ্রতুলতার বিষয়টি কিন্তু পুরোপুরি ভুলে যাওয়া হয়েছে।
ý আরও উন্নত বাণিজ্য পরিবেশ: বাণিজ্য পরিবেশ (বিজনেস এনভায়রনমেন্ট) আরও উন্নত বা ‘বেটার’ করার জন্য সামনে অনেকগুলি আইডিয়া ছিল। কোন ভালোটা হবে যদি ব্যবসা একই ধরনে একই কাজটিই করে এবং শুধু সেটা ‘করা’ মানেই ব্যবসা বাণিজ্য বেশি সহজ সরল হয়ে গেল? বিশেষ শিল্পাঞ্চলগুলোতে (এসআইজেড) অবধারিতরূপে রপ্তানিতে লক্ষ্য স্থির করা নয়; শ্রম আইন পাল্টে ফেলা, স্রেফ বিধিবদ্ধ করা নয়; স্টার্ট-আপ’দের শুরু করতে দেওয়া এবং তিন বছরের জন্য ব্যবসাটা তাদের করতে দেওয়া অনুমতি বা লাইসেন্স নেওয়ার জোরাজুরি ছাড়াই; এই আইডিয়াগুলো গ্রহণ করা যেতেই পারত।
ý কম পীড়াদায়ক নিয়মকানুন: সর্বোত্তম সমাধান হল ব্যাপক বিকেন্দ্রীকরণ। শুরু করতে হলে স্কুলশিক্ষাটাকে অবশ্যই রাজ্যগুলির হাতে ছেড়ে দিতে হবে—যেহেতু মূল সংবিধানে এমনই সংস্থান ছিল—এরপর যুগ্ম তালিকা থেকে আরও কিছু বিষয় রাজ্য তালিকায় হস্তান্তর করা জরুরি। উল্টোদিকে, অর্থমন্ত্রী কেন্দ্রের তরফে স্কুল এবং কলেজ শিক্ষার জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণের কথা শুনিয়েছেন! আরবিআই, সেবি, কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া, সিবিডিটি, সিবিআইসি প্রভৃতি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে এবং নিয়ন্ত্রণ বেড়ে গিয়েছে, হ্রাসের পরিবর্তে, যা বোঝাস্বরূপ।
þ আরও নগদ হস্তান্তর (ক্যাশ ট্রান্সফার): ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার আরও প্রসারের লক্ষ্যে সরকার বেশি উৎসাহ দিচ্ছে এবং মোটা অঙ্কের নগদ অর্থ তোলার (লার্জ ক্যাশ উইথড্রালস) অভ্যাসটাকে নিরুৎসাহিত করছে। এটাই স্বাভাবিক যে আরও বেশি ভর্তুকি এবং নগদ প্রাপ্য (ক্যাশ বেনিফিট) সরাসরি হস্তান্তর ব্যবস্থার মাধ্যমে (ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার রুট) প্রকৃত প্রাপকদের হাতে পৌঁছাবে। যদিও এই ‘সংস্কার’টি সাত বছরের পুরনো, তবুও আমি এই বক্সটাতে টিক চিহ্নই দিলাম। ১৯৯১-৯৬ পর্বে যে-ধরনের আমূল সংস্কারের (র‌্যাডিক্যাল রিফর্মস) পথ গ্রহণ করা হয়েছিল আজকের অর্থনীতির জন্য সেটাই দরকার। সরকারের এই ধরনের সংস্কার চালিয়ে যাওয়ারই নির্দেশ ছিল। সেখানে কোনও যুক্তি ছাড়াই সরকার কেবল ‘ইন্টারনাল রিফর্মস’-এর পথ বেছে নিয়েছে। এতে তেরোজন অর্থনীতিবিদ—যাঁরা সকলেই ভারতীয় অথবা ভারত-বংশোদ্ভব—হতাশ হবেন। সুতরাং হতাশ হবেন আমূল সংস্কারপন্থী অন্য অনেকেও।
08th  July, 2019
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিশেষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। আগামী দিনে এই প্ল্যাটফর্মের তথ্যকে বিভিন্ন বিষয়ে কাজে লাগিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি জাতীয় নীতি তৈরি করার পথে এগচ্ছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক। ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: উম-পুনের তাণ্ডবে উড়ে গিয়েছে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই। দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে শান্তিপুর ব্লকের বহু পরিবারের। অনেকের অভিযোগ, ত্রাণের সামান্য ত্রিপলও তাঁরা পাননি।  ...

সংবাদদাতা, গাজোল: লকডাউনের মধ্যে অনেক দিন আগেই বেকারির দোকানগুলিতে অত্যাশবশ্যা কীয় পণ্য হিসাবে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে শুধুমাত্র পাউরুটি ও বিস্কুট বিক্রি করার অনুমতি মিলেছে।   ...

চণ্ডীগড়, ২৬ মে: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল তিনবারের ওলিম্পিক সোনাজয়ী ভারতীয় হকির কিংবদন্তি বলবীর সিং সিনিয়রের। তাঁর প্রয়াণের শোক এখনও রয়েছে ভারতীয় ক্রীড়ামহলে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তি রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। আত্মসমীক্ষার প্রয়োজনিয়তা রয়েছে। দাম্পত্যে মধুরতা বৃদ্ধি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হটিয়ে প্রেম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৭৮ টাকা ৭৭.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯০.০২ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮০.৪৬ টাকা ৮৪.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী ৪৯/০ রাত্রি ১২/৩২। পুনর্বসু নক্ষত্র ৬/১৯ দিবা ৭/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৯, সূর্যাস্ত ৬/১১/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৬ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৪ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ১০/২১। পুনর্ব্বসুনক্ষত্র দিবা ৬/২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৫ মধ্যে ও ১১/৩৫ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
৩ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

06:43:33 PM

উম-পুন: যাঁদের বাড়ি ভেঙে পড়েছে তাঁদের ২০ হাজার টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

06:08:55 PM