Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জলের জন্য হাহাকার আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে!
শুভা দত্ত

আমাদের এখনও তেমন অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ, কলকাতা মহানগরীতে এখনও পানীয় হোক কি সাধারণ কাজকর্ম সারার জলের অভাব ঘটেনি। ঘটেনি কারণ আমাদের জল জোগান যে মা গঙ্গা, তিনি এখনও বহমান এবং তাঁর বুকের ঘোলা জলে এখনও নিয়ম করে বান ডাকে, জোয়ার-ভাটা খেলে। মা গঙ্গার সেই জলই উত্তরে পলতা এবং দক্ষিণে গার্ডেনরিচ শোধনাগার হয়ে মহানগরবাসীর ঘরে ঘরে পানীয় হিসেবে একেবারে নিয়ম করে ঘড়িঘণ্টা মিলিয়ে প্রতিদিন পৌঁছে যাচ্ছে। টালা ট্যাঙ্ক বা মাটির নীচের জল সরবরাহকারী পাইপ কোথাও গড়বড় না করলে মহানগরবাসীর জল নিয়ে চিন্তার কোনও অবকাশই তাই ঘটে না। পরন্তু যদি-বা কালেভদ্রে সারাই মেরামতির জন্য এই সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয় তাতেও কলকাতাবাসীর বিশেষ অসুবিধে হয় না; তার কারণ জল বন্ধের চেতাবনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই সংবাদপত্র ও অন্য মিডিয়াতে প্রচার করেন এবং অনেক সময় জল বন্ধ করার আগে অতিরিক্ত সরবরাহের ব্যবস্থাও হয়। ফলে, মানুষ প্রয়োজনীয় জল যথাসম্ভব মজুদ করে নিতে পারেন এবং কয়েক ঘণ্টা জল বন্ধ থাকলেও তখন সমস্যা হয় না।
স্বাভাবিকভাবেই এমন পর্যাপ্ত-জল যাপনে অভ্যস্ত বাঙালির তাই আপাতত জল নিয়ে বাড়তি চিন্তার প্রয়োজন আপাতদৃষ্টিতে নেই। বরং, জল যখন অঢেল তখন ফেলে ছড়িয়ে গড়িয়ে ঢেলে আরাম আয়াসে খাও পিও জিও, কল খোলা থাকল কি বন্ধ, জল অনর্থক নষ্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না, কলের মুখে চাবি আছে কি নেই, গাড়ি ঘরদোর ধোয়ায় কি ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্নানে গ্যালন গ্যালন জল বেফালতু খরচা হচ্ছে কি হচ্ছে না—দরকার কী সেসব নিয়ে আলোচনার! ওই বাতিকগ্রস্ত কিছু লোক আছে, চিরকালই ছিল—ওরা জল নিয়ে লাফাচ্ছে জলের অপচয় রুখতে হাঁকপাক করছে করুক, করতে দাও। জলের সাপ্লাই তো ঠিক আছে। কবে দশ-বিশ বছর পর কী হবে তাই ভেবে এখন বুক শুকনোর মানে হয়! ডরপোক, সব ডরপোক, ভিতুর ডিম! জল পাওয়া যাবে না— তাই কখনও হয়! অত্ত বড় গঙ্গাটা রয়েছে কী করতে? তাছাড়া কর্পোরেশন আছে, কর্পোরেশনের কল আছে—জল পাব না মানে! ট্যাক্স দিচ্ছি, জল দেবে না! হয় নাকি? জল কি কারও পৈতৃক সম্পত্তি যে দেবে না! সব মেপেজুকে চলতে পারে, জল অত মেপে খরচ করতে পারব না বাপু, সে যে যাই বলুক আর যত ভয়ই দেখাক। হ্যাঁ, আমাদের একটা বড় অংশের ভাবনাটা মোটের উপর এই রকমই। অন্তত, এই কিছুদিন আগে অবধিও এই রকমই ছিল! কিন্তু, এবার গরম পড়ার পর থেকে যখন গ্রীষ্মদিনের তাপমাত্রা দেশের নানাপ্রান্তে ৪০/৪৫ ডিগ্রি ছাপিয়ে গেল, শীতপ্রধান ইউরোপ থেকে খবর এল যে সেখানেও তাপমাত্রা ৪৫ ছুঁইছুঁই এবং স্পেনে সেটা ৫০ পার হয়ে কেড়ে নিয়েছে একাধিক মানুষের প্রাণ এবং শোনা যাচ্ছে এমন চলতে থাকলে আগামী পাঁচ-দশ বছরের মধ্যে কেবল এই ভারতবর্ষ নয়, গোটা পৃথিবীর একটা বড় অংশ খরতাপে পুড়ে খাক হবে এবং মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে পানীয় জলের অভাব—তখন আমাদের বুঝি কিছু জনার একটু হলেও টনক নড়েছে! নড়ারই কথা। কারণ, সাম্প্রতিকে খবরের কাগজপত্রে জল আর খামখেয়ালি প্রকৃতির কাণ্ডকারখানা নিয়ে লেখালেখির বহর বেড়ে গেছে, টিভির চ্যানেলে চ্যানেলে, নানান সোশ্যাল মিডিয়াতেও এ বিষয়ে চলছে জোর আলোচনা বিতর্ক, উঠে আসছে নিকট ভবিষ্যতের আতঙ্ক জাগানো সব পরিসংখ্যান— টনক তো নড়বেই। এই তো কদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা গেল মেরুপ্রদেশের হিমবাহে বিশাল ধস নেমেছে। শত সহস্র লক্ষ বছরের পুরনো বরফ চাঁই হয়ে গলে খসে পড়ছে!
বহুদিন যাবৎ-ই অবশ্য মেরুঅঞ্চলে বরফ সাম্রাজ্যে ফাটলের সূচনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে সতর্ক করে চলেছেন মানবসমাজকে, বলছেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে নিঃশব্দে বছর বছর বেড়ে চলেছে— তাতে মেরুপ্রদেশের বরফ গলন অদূর ভবিষ্যতে আরও গতি পাবে, সেখানকার জীব-বৈচিত্র্য তছনছ হবে এবং সেই বরফগলা জলে পৃথিবীর সমুদ্রগুলির জলস্তর বাড়বে এবং সেই বাড়তি জলের বিশাল তোড়ে তলিয়ে যাবে উপকূলবর্তী বহু নগর, মহানগর! আমাদের দেশের মুম্বই কি সুন্দরবন, এমনকী কলকাতা অবধিও নেমে আসতে পারে এই অভিশাপ! শুধু তাই নয়, দুই মেরুর বরফ মাত্রা কমে গেলে পৃথিবীর তাপ আরও দ্রুত বাড়বে এবং তা সরাসরি আঘাত করবে মানুষের জীবনযাত্রায়। পানীয় জলের হাহাকার উঠবে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর সেই জলের অভাবেই চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়বে মানুষ। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এমন চলতে থাকলে কেবল পানীয় জলের অভাবেই এই শতাব্দীতেই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে! এই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়ে গেছে বৈঠক আলাপ আলোচনা, ব্যাপক বনসৃজন, এসি মেশিন, ডিজেল-পেট্রল গাড়ি বাস ও অন্য যানবাহন ইত্যাদি দূষণ সৃষ্টিকারী যন্ত্রের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং মেপে জল খরচের ঐকান্তিক চেষ্টা। তার চেয়েও বড় কথা এই প্রয়াসে পরিবেশ কর্মী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে শামিল হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ইউরোপ আমেরিকা থেকে শুরু করে আমাদের পাশের ভুটান, সর্বত্রই আজ পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠার এই চেষ্টা দৃশ্যমান।
কিন্তু, আমরা? পরিবেশের দুর্দশা, আগামী সম্পর্কে ওইসব ভয় জাগানো বার্তা কি জলের জন্য হাহাকার, আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে! চেন্নাইতে কুড়ি টাকার এক বোতল পানীয় জল চারশো টাকায় বিকিয়েছে শুনে কি আমাদের একবারের জন্যও বুক কেঁপেছে! মিডিয়ায় কাগজে ফেসবুক হোয়াটস অ্যাপে এসব নিয়ে অনেক কথা, ছবিপত্তর ঘুরছে ঠিকই, কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে কি তার কোনও প্রভাব পড়ছে? পড়লে কতটুকু? কলকাতা মহানগরীর কত কলে সারাদিন জল পড়ে যায় সামান্য একটা স্টপ-ককের অভাবে! আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম, মহানগরীর উত্তরে এখনও এমন বাড়ি আছে যেখানে দু’জনের জন্য দিনে আড়াই তিন হাজার লিটারেরও বেশি জল লাগে! রোজ কেবল ঘর ধোয়াতেই তারা নাকি হাজার দেড় হাজার লিটার জল ঢেলে নষ্ট করে! বাদবাকি লাগে স্নান আর কাচাকাচিতে! এমন বাড়ি কলকাতা মহানগরীর নানা প্রান্তে একটা নয় অজস্র আছে এখনও—এমনই দাবি ওই পরিবেশ সচেতন বন্ধুটির।
তার চেয়েও বড় কথা, জলের এই ব্যাপক অপচয় বন্ধে সাহায্য চেয়ে আমার বন্ধুটি বেশ কিছুদিন আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এবং মহামতি কাউন্সিলারের উত্তর শুনে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়েছিলেন। পুরপিতা তাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, কে কতটা জল খরচা করবে সেটা তার ব্যাপার। এটা নিয়ন্ত্রণের কোনও আইন তো নেই—তাই তিনি এক্ষেত্রে কিছুই করতে পারেন না! তাজ্জব কাণ্ড বটে! বন্ধুটির কাছেই শুনলাম, হাতিবাগানের মতো যানবহুল ব্যস্ত এলাকায় ফুটের দোকান রাস্তার উপর তিন/চার ফুট নেমে এসেছে জানানোয় নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তা তাঁকে বলেছিলেন, গরিব মানুষ একটু করে খাচ্ছে, আপত্তি করা যায়! বাসযাত্রী স্থানীয় এক প্রৌঢ় নাকি এমনটাই বলছিলেন!
অতএব, বোঝাই যাচ্ছে আমাদের সচেতনতার লেভেলটা কোন পর্যায়ে। কিন্তু, তাই বলে তো আর গা-ছাড়া দিয়ে থাকলে চলবে না। পৃথিবী জুড়ে আজ যে বিপদ ঘনিয়ে উঠছে চোখ বন্ধ করে থাকলেও তা আমাদের তো ছেড়ে কথা বলবে না। এর মধ্যেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশকর্মী সংগঠন কাজে নেমেছে। তবে, তাতে সাধারণ মানুষ যতক্ষণ না শামিল হচ্ছে কাজ কতটা এগবে বলা মুশকিল। আসলে, একটা ব্যাপার বুঝে নিতে হবে, আমরা কলকাতাবাসী হয়তো আপাতত গঙ্গার জল দিয়ে চালিয়ে নিতে পারব কিন্তু বাদবাকি বঙ্গ যেখানে মাটির নীচের জল ভরসা সেখানে কিন্তু সংকট ঘোরালো হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেরও সর্বত্রই প্রায় মাটির নীচের জলস্তর ফুরিয়ে এসেছে। বৃষ্টির অভাবে মাটির নীচের জলের ভাঁড়ারের দশা আরও খারাপ হচ্ছে। মাটির নীচের জল যত কমছে তাতে বিপজ্জনক ক্ষেত্রবিশেষে আর্সেনিকের বিষ তত বাড়ছে। অতঃ কিম্‌? কী হবে তাহলে?
উপায় একটাই, জল ব্যবহারে সচেতনতা আর সবুজ বাড়ানোর উদ্যোগে আন্তরিকতা। দুটোর কোনওটাই যে আজও আমাদের মধ্যে বিশেষ সাড়া জাগায়নি সেটা বোঝাই যায়। না হলে এখনও বিশাল বিশাল গাছ কাটা চলে? জলের অমন অপচয় চলে! পুকুর বুজিয়ে বাড়ি তোলা বা পথের ধারের নয়ানজুলি বুজিয়ে হাইরাইজ রাস্তা বানানোতে হয়তো মানুষের আবাসন ও যাতায়াতের সমস্যা কিছু মিটেছে, কিন্তু সেই মানুষের ভবিষ্যতের বিপদ যে কতটা চেপে ধরেছে তা আজ হাড়ে হাড়ে মালুম পড়ছে! ভরা বর্ষায় বৃষ্টি নেই। ইলিশ নেই। বর্ষার আকাশে শরৎকালের মতো সাদা মেঘ। ক্বচিৎ কদাচিৎ যদি-বা কালো বর্ষার মেঘ দেখা দিচ্ছে, বর্ষণের আশা জাগাচ্ছে—দু-এক পশলাতেই সাফ হয়ে যাচ্ছে তা। তাতে পথঘাট বাড়িঘর ভিজছে বটে কিন্তু মন ভরছে না। কারণ, পশলা শেষেই জাঁকিয়ে উঠছে চড়া রোদ, প্রবল তাপ আর ঘেমো অস্বস্তি। অথচ, মুম্বইতে এমন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে যে, বন্যা হয় হয়। বৃষ্টি জলের তোড়ে পাঁচিল ধসে কতকগুলো প্রাণও চলে গেল! আর পুবের বাংলা, বিশেষত দক্ষিণবঙ্গ এখনও প্রায় বৃষ্টিশূন্য! কিন্তু কালবৈশাখীর কালে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সে কী ঝাপট! ফণীর দাপটে তছনছ হয়ে গেল বাঙালির পুরী! আমাদের ভাগ্য ভালো, আয়লার মতো ফণীর তাণ্ডব দেখতে হয়নি। কিন্তু, এমন সবুজ নিধন, পুকুর ভরাট আর জলের অপচয় চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে যে ফণীর চেয়েও মারাত্মক কিছু দেখতে হবে—এমন অশনিবার্তাই কিন্তু পরিবেশবিদেরা প্রায় সকলেই দিচ্ছেন। দিয়েই চলেছেন। আমরা কি শুনছি, শুনব?
07th  July, 2019
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
একনজরে
অধিনায়ক হিসেবে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অদ্ভুত এক তত্ত্ব মেনে চলেন রোহিত শর্মা। ‘হিটম্যান’ জানিয়েছেন, নেতৃত্বভার কাঁধে থাকলে ড্রেসিং রুমে নিজেকেই সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলে ...

ভিসা ও অন্যান্য নথির মেয়াদ ফুরনোয় সৌদি আরবে এখন জেলবন্দি রয়েছেন প্রায় ৪৫০ জন ভারতীয়। তার মধ্যে অনেকেই এই বাংলার আদি বাসিন্দা। ...

তুফানগঞ্জ পুরসভা তহবিলের অভাবে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ করতে পারছে না। করোনা পরিস্থিতিতে মার্চ মাসের শেষসপ্তাহে লকডাউন শুরু হতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।  ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

হিরোশিমা দিবস
১৮৬৫ - চার্লি চ্যাপলিনের মা তথা ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী হান্নাহ চ্যাপলিনের জন্ম
১৮৮১- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক ফ্লেমিংয়ের জন্ম
১৯০৫- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রকাশ করলেন বন্দে মাতরম পত্রিকা
১৯০৬ - বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় বন্দে মাতরম্ (সংবাদপত্র) প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৪ - কলকাতা থেকে দৈনিক বসুমতী প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২৫ - বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫-হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলল আমেরিকা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪৬ টাকা ৯৯.৮৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া ৪৭/৩৪ রাত্রি ১২/১৫। শতভিষানক্ষত্র ১৫/১১ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৫/১৩/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪৮ গতে ৩/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ১১/২। শতভিষানক্ষত্র দিবা ১১/২১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ১০/২৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৯ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/৬ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৬১৯ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬১৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:12 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত ৬১ জন
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৮১৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:08 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১০,৩০৯ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:35:32 PM

নয়াদিল্লিতে আজ করোনায় আক্রান্ত আরও ১০৭৬  
নয়াদিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০৭৬ জন করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 07:03:13 PM

করোনা:কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১৯৫ 
কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১৯৫ জনের শরীরে ...বিশদ

05-08-2020 - 06:56:34 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05-08-2020 - 03:36:02 PM