Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জলের জন্য হাহাকার আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে!
শুভা দত্ত

আমাদের এখনও তেমন অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ, কলকাতা মহানগরীতে এখনও পানীয় হোক কি সাধারণ কাজকর্ম সারার জলের অভাব ঘটেনি। ঘটেনি কারণ আমাদের জল জোগান যে মা গঙ্গা, তিনি এখনও বহমান এবং তাঁর বুকের ঘোলা জলে এখনও নিয়ম করে বান ডাকে, জোয়ার-ভাটা খেলে। মা গঙ্গার সেই জলই উত্তরে পলতা এবং দক্ষিণে গার্ডেনরিচ শোধনাগার হয়ে মহানগরবাসীর ঘরে ঘরে পানীয় হিসেবে একেবারে নিয়ম করে ঘড়িঘণ্টা মিলিয়ে প্রতিদিন পৌঁছে যাচ্ছে। টালা ট্যাঙ্ক বা মাটির নীচের জল সরবরাহকারী পাইপ কোথাও গড়বড় না করলে মহানগরবাসীর জল নিয়ে চিন্তার কোনও অবকাশই তাই ঘটে না। পরন্তু যদি-বা কালেভদ্রে সারাই মেরামতির জন্য এই সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয় তাতেও কলকাতাবাসীর বিশেষ অসুবিধে হয় না; তার কারণ জল বন্ধের চেতাবনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই সংবাদপত্র ও অন্য মিডিয়াতে প্রচার করেন এবং অনেক সময় জল বন্ধ করার আগে অতিরিক্ত সরবরাহের ব্যবস্থাও হয়। ফলে, মানুষ প্রয়োজনীয় জল যথাসম্ভব মজুদ করে নিতে পারেন এবং কয়েক ঘণ্টা জল বন্ধ থাকলেও তখন সমস্যা হয় না।
স্বাভাবিকভাবেই এমন পর্যাপ্ত-জল যাপনে অভ্যস্ত বাঙালির তাই আপাতত জল নিয়ে বাড়তি চিন্তার প্রয়োজন আপাতদৃষ্টিতে নেই। বরং, জল যখন অঢেল তখন ফেলে ছড়িয়ে গড়িয়ে ঢেলে আরাম আয়াসে খাও পিও জিও, কল খোলা থাকল কি বন্ধ, জল অনর্থক নষ্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না, কলের মুখে চাবি আছে কি নেই, গাড়ি ঘরদোর ধোয়ায় কি ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্নানে গ্যালন গ্যালন জল বেফালতু খরচা হচ্ছে কি হচ্ছে না—দরকার কী সেসব নিয়ে আলোচনার! ওই বাতিকগ্রস্ত কিছু লোক আছে, চিরকালই ছিল—ওরা জল নিয়ে লাফাচ্ছে জলের অপচয় রুখতে হাঁকপাক করছে করুক, করতে দাও। জলের সাপ্লাই তো ঠিক আছে। কবে দশ-বিশ বছর পর কী হবে তাই ভেবে এখন বুক শুকনোর মানে হয়! ডরপোক, সব ডরপোক, ভিতুর ডিম! জল পাওয়া যাবে না— তাই কখনও হয়! অত্ত বড় গঙ্গাটা রয়েছে কী করতে? তাছাড়া কর্পোরেশন আছে, কর্পোরেশনের কল আছে—জল পাব না মানে! ট্যাক্স দিচ্ছি, জল দেবে না! হয় নাকি? জল কি কারও পৈতৃক সম্পত্তি যে দেবে না! সব মেপেজুকে চলতে পারে, জল অত মেপে খরচ করতে পারব না বাপু, সে যে যাই বলুক আর যত ভয়ই দেখাক। হ্যাঁ, আমাদের একটা বড় অংশের ভাবনাটা মোটের উপর এই রকমই। অন্তত, এই কিছুদিন আগে অবধিও এই রকমই ছিল! কিন্তু, এবার গরম পড়ার পর থেকে যখন গ্রীষ্মদিনের তাপমাত্রা দেশের নানাপ্রান্তে ৪০/৪৫ ডিগ্রি ছাপিয়ে গেল, শীতপ্রধান ইউরোপ থেকে খবর এল যে সেখানেও তাপমাত্রা ৪৫ ছুঁইছুঁই এবং স্পেনে সেটা ৫০ পার হয়ে কেড়ে নিয়েছে একাধিক মানুষের প্রাণ এবং শোনা যাচ্ছে এমন চলতে থাকলে আগামী পাঁচ-দশ বছরের মধ্যে কেবল এই ভারতবর্ষ নয়, গোটা পৃথিবীর একটা বড় অংশ খরতাপে পুড়ে খাক হবে এবং মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে পানীয় জলের অভাব—তখন আমাদের বুঝি কিছু জনার একটু হলেও টনক নড়েছে! নড়ারই কথা। কারণ, সাম্প্রতিকে খবরের কাগজপত্রে জল আর খামখেয়ালি প্রকৃতির কাণ্ডকারখানা নিয়ে লেখালেখির বহর বেড়ে গেছে, টিভির চ্যানেলে চ্যানেলে, নানান সোশ্যাল মিডিয়াতেও এ বিষয়ে চলছে জোর আলোচনা বিতর্ক, উঠে আসছে নিকট ভবিষ্যতের আতঙ্ক জাগানো সব পরিসংখ্যান— টনক তো নড়বেই। এই তো কদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা গেল মেরুপ্রদেশের হিমবাহে বিশাল ধস নেমেছে। শত সহস্র লক্ষ বছরের পুরনো বরফ চাঁই হয়ে গলে খসে পড়ছে!
বহুদিন যাবৎ-ই অবশ্য মেরুঅঞ্চলে বরফ সাম্রাজ্যে ফাটলের সূচনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে সতর্ক করে চলেছেন মানবসমাজকে, বলছেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে নিঃশব্দে বছর বছর বেড়ে চলেছে— তাতে মেরুপ্রদেশের বরফ গলন অদূর ভবিষ্যতে আরও গতি পাবে, সেখানকার জীব-বৈচিত্র্য তছনছ হবে এবং সেই বরফগলা জলে পৃথিবীর সমুদ্রগুলির জলস্তর বাড়বে এবং সেই বাড়তি জলের বিশাল তোড়ে তলিয়ে যাবে উপকূলবর্তী বহু নগর, মহানগর! আমাদের দেশের মুম্বই কি সুন্দরবন, এমনকী কলকাতা অবধিও নেমে আসতে পারে এই অভিশাপ! শুধু তাই নয়, দুই মেরুর বরফ মাত্রা কমে গেলে পৃথিবীর তাপ আরও দ্রুত বাড়বে এবং তা সরাসরি আঘাত করবে মানুষের জীবনযাত্রায়। পানীয় জলের হাহাকার উঠবে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর সেই জলের অভাবেই চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়বে মানুষ। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এমন চলতে থাকলে কেবল পানীয় জলের অভাবেই এই শতাব্দীতেই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে! এই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়ে গেছে বৈঠক আলাপ আলোচনা, ব্যাপক বনসৃজন, এসি মেশিন, ডিজেল-পেট্রল গাড়ি বাস ও অন্য যানবাহন ইত্যাদি দূষণ সৃষ্টিকারী যন্ত্রের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং মেপে জল খরচের ঐকান্তিক চেষ্টা। তার চেয়েও বড় কথা এই প্রয়াসে পরিবেশ কর্মী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে শামিল হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ইউরোপ আমেরিকা থেকে শুরু করে আমাদের পাশের ভুটান, সর্বত্রই আজ পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠার এই চেষ্টা দৃশ্যমান।
কিন্তু, আমরা? পরিবেশের দুর্দশা, আগামী সম্পর্কে ওইসব ভয় জাগানো বার্তা কি জলের জন্য হাহাকার, আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে! চেন্নাইতে কুড়ি টাকার এক বোতল পানীয় জল চারশো টাকায় বিকিয়েছে শুনে কি আমাদের একবারের জন্যও বুক কেঁপেছে! মিডিয়ায় কাগজে ফেসবুক হোয়াটস অ্যাপে এসব নিয়ে অনেক কথা, ছবিপত্তর ঘুরছে ঠিকই, কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে কি তার কোনও প্রভাব পড়ছে? পড়লে কতটুকু? কলকাতা মহানগরীর কত কলে সারাদিন জল পড়ে যায় সামান্য একটা স্টপ-ককের অভাবে! আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম, মহানগরীর উত্তরে এখনও এমন বাড়ি আছে যেখানে দু’জনের জন্য দিনে আড়াই তিন হাজার লিটারেরও বেশি জল লাগে! রোজ কেবল ঘর ধোয়াতেই তারা নাকি হাজার দেড় হাজার লিটার জল ঢেলে নষ্ট করে! বাদবাকি লাগে স্নান আর কাচাকাচিতে! এমন বাড়ি কলকাতা মহানগরীর নানা প্রান্তে একটা নয় অজস্র আছে এখনও—এমনই দাবি ওই পরিবেশ সচেতন বন্ধুটির।
তার চেয়েও বড় কথা, জলের এই ব্যাপক অপচয় বন্ধে সাহায্য চেয়ে আমার বন্ধুটি বেশ কিছুদিন আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এবং মহামতি কাউন্সিলারের উত্তর শুনে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়েছিলেন। পুরপিতা তাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, কে কতটা জল খরচা করবে সেটা তার ব্যাপার। এটা নিয়ন্ত্রণের কোনও আইন তো নেই—তাই তিনি এক্ষেত্রে কিছুই করতে পারেন না! তাজ্জব কাণ্ড বটে! বন্ধুটির কাছেই শুনলাম, হাতিবাগানের মতো যানবহুল ব্যস্ত এলাকায় ফুটের দোকান রাস্তার উপর তিন/চার ফুট নেমে এসেছে জানানোয় নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তা তাঁকে বলেছিলেন, গরিব মানুষ একটু করে খাচ্ছে, আপত্তি করা যায়! বাসযাত্রী স্থানীয় এক প্রৌঢ় নাকি এমনটাই বলছিলেন!
অতএব, বোঝাই যাচ্ছে আমাদের সচেতনতার লেভেলটা কোন পর্যায়ে। কিন্তু, তাই বলে তো আর গা-ছাড়া দিয়ে থাকলে চলবে না। পৃথিবী জুড়ে আজ যে বিপদ ঘনিয়ে উঠছে চোখ বন্ধ করে থাকলেও তা আমাদের তো ছেড়ে কথা বলবে না। এর মধ্যেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশকর্মী সংগঠন কাজে নেমেছে। তবে, তাতে সাধারণ মানুষ যতক্ষণ না শামিল হচ্ছে কাজ কতটা এগবে বলা মুশকিল। আসলে, একটা ব্যাপার বুঝে নিতে হবে, আমরা কলকাতাবাসী হয়তো আপাতত গঙ্গার জল দিয়ে চালিয়ে নিতে পারব কিন্তু বাদবাকি বঙ্গ যেখানে মাটির নীচের জল ভরসা সেখানে কিন্তু সংকট ঘোরালো হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেরও সর্বত্রই প্রায় মাটির নীচের জলস্তর ফুরিয়ে এসেছে। বৃষ্টির অভাবে মাটির নীচের জলের ভাঁড়ারের দশা আরও খারাপ হচ্ছে। মাটির নীচের জল যত কমছে তাতে বিপজ্জনক ক্ষেত্রবিশেষে আর্সেনিকের বিষ তত বাড়ছে। অতঃ কিম্‌? কী হবে তাহলে?
উপায় একটাই, জল ব্যবহারে সচেতনতা আর সবুজ বাড়ানোর উদ্যোগে আন্তরিকতা। দুটোর কোনওটাই যে আজও আমাদের মধ্যে বিশেষ সাড়া জাগায়নি সেটা বোঝাই যায়। না হলে এখনও বিশাল বিশাল গাছ কাটা চলে? জলের অমন অপচয় চলে! পুকুর বুজিয়ে বাড়ি তোলা বা পথের ধারের নয়ানজুলি বুজিয়ে হাইরাইজ রাস্তা বানানোতে হয়তো মানুষের আবাসন ও যাতায়াতের সমস্যা কিছু মিটেছে, কিন্তু সেই মানুষের ভবিষ্যতের বিপদ যে কতটা চেপে ধরেছে তা আজ হাড়ে হাড়ে মালুম পড়ছে! ভরা বর্ষায় বৃষ্টি নেই। ইলিশ নেই। বর্ষার আকাশে শরৎকালের মতো সাদা মেঘ। ক্বচিৎ কদাচিৎ যদি-বা কালো বর্ষার মেঘ দেখা দিচ্ছে, বর্ষণের আশা জাগাচ্ছে—দু-এক পশলাতেই সাফ হয়ে যাচ্ছে তা। তাতে পথঘাট বাড়িঘর ভিজছে বটে কিন্তু মন ভরছে না। কারণ, পশলা শেষেই জাঁকিয়ে উঠছে চড়া রোদ, প্রবল তাপ আর ঘেমো অস্বস্তি। অথচ, মুম্বইতে এমন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে যে, বন্যা হয় হয়। বৃষ্টি জলের তোড়ে পাঁচিল ধসে কতকগুলো প্রাণও চলে গেল! আর পুবের বাংলা, বিশেষত দক্ষিণবঙ্গ এখনও প্রায় বৃষ্টিশূন্য! কিন্তু কালবৈশাখীর কালে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সে কী ঝাপট! ফণীর দাপটে তছনছ হয়ে গেল বাঙালির পুরী! আমাদের ভাগ্য ভালো, আয়লার মতো ফণীর তাণ্ডব দেখতে হয়নি। কিন্তু, এমন সবুজ নিধন, পুকুর ভরাট আর জলের অপচয় চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে যে ফণীর চেয়েও মারাত্মক কিছু দেখতে হবে—এমন অশনিবার্তাই কিন্তু পরিবেশবিদেরা প্রায় সকলেই দিচ্ছেন। দিয়েই চলেছেন। আমরা কি শুনছি, শুনব?
07th  July, 2019
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য এমবিবিএস, বিডিএস, আয়ুষ, নার্সিং সহ বিভিন্ন চিকিৎসা পাঠ্যক্রমের বহু ছাত্রছাত্রীর পরবর্তী বছরে প্রোমোশন হয়নি। মার্কশিটও পাননি। ফলে বৃত্তিও আটকে গিয়েছে।   ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM