Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জলের জন্য হাহাকার আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে!
শুভা দত্ত

আমাদের এখনও তেমন অসুবিধে হচ্ছে না। কারণ, কলকাতা মহানগরীতে এখনও পানীয় হোক কি সাধারণ কাজকর্ম সারার জলের অভাব ঘটেনি। ঘটেনি কারণ আমাদের জল জোগান যে মা গঙ্গা, তিনি এখনও বহমান এবং তাঁর বুকের ঘোলা জলে এখনও নিয়ম করে বান ডাকে, জোয়ার-ভাটা খেলে। মা গঙ্গার সেই জলই উত্তরে পলতা এবং দক্ষিণে গার্ডেনরিচ শোধনাগার হয়ে মহানগরবাসীর ঘরে ঘরে পানীয় হিসেবে একেবারে নিয়ম করে ঘড়িঘণ্টা মিলিয়ে প্রতিদিন পৌঁছে যাচ্ছে। টালা ট্যাঙ্ক বা মাটির নীচের জল সরবরাহকারী পাইপ কোথাও গড়বড় না করলে মহানগরবাসীর জল নিয়ে চিন্তার কোনও অবকাশই তাই ঘটে না। পরন্তু যদি-বা কালেভদ্রে সারাই মেরামতির জন্য এই সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ হয় তাতেও কলকাতাবাসীর বিশেষ অসুবিধে হয় না; তার কারণ জল বন্ধের চেতাবনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই সংবাদপত্র ও অন্য মিডিয়াতে প্রচার করেন এবং অনেক সময় জল বন্ধ করার আগে অতিরিক্ত সরবরাহের ব্যবস্থাও হয়। ফলে, মানুষ প্রয়োজনীয় জল যথাসম্ভব মজুদ করে নিতে পারেন এবং কয়েক ঘণ্টা জল বন্ধ থাকলেও তখন সমস্যা হয় না।
স্বাভাবিকভাবেই এমন পর্যাপ্ত-জল যাপনে অভ্যস্ত বাঙালির তাই আপাতত জল নিয়ে বাড়তি চিন্তার প্রয়োজন আপাতদৃষ্টিতে নেই। বরং, জল যখন অঢেল তখন ফেলে ছড়িয়ে গড়িয়ে ঢেলে আরাম আয়াসে খাও পিও জিও, কল খোলা থাকল কি বন্ধ, জল অনর্থক নষ্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না, কলের মুখে চাবি আছে কি নেই, গাড়ি ঘরদোর ধোয়ায় কি ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্নানে গ্যালন গ্যালন জল বেফালতু খরচা হচ্ছে কি হচ্ছে না—দরকার কী সেসব নিয়ে আলোচনার! ওই বাতিকগ্রস্ত কিছু লোক আছে, চিরকালই ছিল—ওরা জল নিয়ে লাফাচ্ছে জলের অপচয় রুখতে হাঁকপাক করছে করুক, করতে দাও। জলের সাপ্লাই তো ঠিক আছে। কবে দশ-বিশ বছর পর কী হবে তাই ভেবে এখন বুক শুকনোর মানে হয়! ডরপোক, সব ডরপোক, ভিতুর ডিম! জল পাওয়া যাবে না— তাই কখনও হয়! অত্ত বড় গঙ্গাটা রয়েছে কী করতে? তাছাড়া কর্পোরেশন আছে, কর্পোরেশনের কল আছে—জল পাব না মানে! ট্যাক্স দিচ্ছি, জল দেবে না! হয় নাকি? জল কি কারও পৈতৃক সম্পত্তি যে দেবে না! সব মেপেজুকে চলতে পারে, জল অত মেপে খরচ করতে পারব না বাপু, সে যে যাই বলুক আর যত ভয়ই দেখাক। হ্যাঁ, আমাদের একটা বড় অংশের ভাবনাটা মোটের উপর এই রকমই। অন্তত, এই কিছুদিন আগে অবধিও এই রকমই ছিল! কিন্তু, এবার গরম পড়ার পর থেকে যখন গ্রীষ্মদিনের তাপমাত্রা দেশের নানাপ্রান্তে ৪০/৪৫ ডিগ্রি ছাপিয়ে গেল, শীতপ্রধান ইউরোপ থেকে খবর এল যে সেখানেও তাপমাত্রা ৪৫ ছুঁইছুঁই এবং স্পেনে সেটা ৫০ পার হয়ে কেড়ে নিয়েছে একাধিক মানুষের প্রাণ এবং শোনা যাচ্ছে এমন চলতে থাকলে আগামী পাঁচ-দশ বছরের মধ্যে কেবল এই ভারতবর্ষ নয়, গোটা পৃথিবীর একটা বড় অংশ খরতাপে পুড়ে খাক হবে এবং মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে পানীয় জলের অভাব—তখন আমাদের বুঝি কিছু জনার একটু হলেও টনক নড়েছে! নড়ারই কথা। কারণ, সাম্প্রতিকে খবরের কাগজপত্রে জল আর খামখেয়ালি প্রকৃতির কাণ্ডকারখানা নিয়ে লেখালেখির বহর বেড়ে গেছে, টিভির চ্যানেলে চ্যানেলে, নানান সোশ্যাল মিডিয়াতেও এ বিষয়ে চলছে জোর আলোচনা বিতর্ক, উঠে আসছে নিকট ভবিষ্যতের আতঙ্ক জাগানো সব পরিসংখ্যান— টনক তো নড়বেই। এই তো কদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা গেল মেরুপ্রদেশের হিমবাহে বিশাল ধস নেমেছে। শত সহস্র লক্ষ বছরের পুরনো বরফ চাঁই হয়ে গলে খসে পড়ছে!
বহুদিন যাবৎ-ই অবশ্য মেরুঅঞ্চলে বরফ সাম্রাজ্যে ফাটলের সূচনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে সতর্ক করে চলেছেন মানবসমাজকে, বলছেন, পৃথিবীর তাপমাত্রা যেভাবে নিঃশব্দে বছর বছর বেড়ে চলেছে— তাতে মেরুপ্রদেশের বরফ গলন অদূর ভবিষ্যতে আরও গতি পাবে, সেখানকার জীব-বৈচিত্র্য তছনছ হবে এবং সেই বরফগলা জলে পৃথিবীর সমুদ্রগুলির জলস্তর বাড়বে এবং সেই বাড়তি জলের বিশাল তোড়ে তলিয়ে যাবে উপকূলবর্তী বহু নগর, মহানগর! আমাদের দেশের মুম্বই কি সুন্দরবন, এমনকী কলকাতা অবধিও নেমে আসতে পারে এই অভিশাপ! শুধু তাই নয়, দুই মেরুর বরফ মাত্রা কমে গেলে পৃথিবীর তাপ আরও দ্রুত বাড়বে এবং তা সরাসরি আঘাত করবে মানুষের জীবনযাত্রায়। পানীয় জলের হাহাকার উঠবে গোটা পৃথিবী জুড়ে আর সেই জলের অভাবেই চরম অস্তিত্ব সংকটে পড়বে মানুষ। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এমন চলতে থাকলে কেবল পানীয় জলের অভাবেই এই শতাব্দীতেই পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে! এই বিপর্যয়ের মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়ে গেছে বৈঠক আলাপ আলোচনা, ব্যাপক বনসৃজন, এসি মেশিন, ডিজেল-পেট্রল গাড়ি বাস ও অন্য যানবাহন ইত্যাদি দূষণ সৃষ্টিকারী যন্ত্রের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার এবং মেপে জল খরচের ঐকান্তিক চেষ্টা। তার চেয়েও বড় কথা এই প্রয়াসে পরিবেশ কর্মী সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির সঙ্গে শামিল হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ইউরোপ আমেরিকা থেকে শুরু করে আমাদের পাশের ভুটান, সর্বত্রই আজ পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠার এই চেষ্টা দৃশ্যমান।
কিন্তু, আমরা? পরিবেশের দুর্দশা, আগামী সম্পর্কে ওইসব ভয় জাগানো বার্তা কি জলের জন্য হাহাকার, আমাদের কি একটুও ভাবাচ্ছে! চেন্নাইতে কুড়ি টাকার এক বোতল পানীয় জল চারশো টাকায় বিকিয়েছে শুনে কি আমাদের একবারের জন্যও বুক কেঁপেছে! মিডিয়ায় কাগজে ফেসবুক হোয়াটস অ্যাপে এসব নিয়ে অনেক কথা, ছবিপত্তর ঘুরছে ঠিকই, কিন্তু প্রতিদিনের জীবনে কি তার কোনও প্রভাব পড়ছে? পড়লে কতটুকু? কলকাতা মহানগরীর কত কলে সারাদিন জল পড়ে যায় সামান্য একটা স্টপ-ককের অভাবে! আমার এক বন্ধুর কাছে শুনলাম, মহানগরীর উত্তরে এখনও এমন বাড়ি আছে যেখানে দু’জনের জন্য দিনে আড়াই তিন হাজার লিটারেরও বেশি জল লাগে! রোজ কেবল ঘর ধোয়াতেই তারা নাকি হাজার দেড় হাজার লিটার জল ঢেলে নষ্ট করে! বাদবাকি লাগে স্নান আর কাচাকাচিতে! এমন বাড়ি কলকাতা মহানগরীর নানা প্রান্তে একটা নয় অজস্র আছে এখনও—এমনই দাবি ওই পরিবেশ সচেতন বন্ধুটির।
তার চেয়েও বড় কথা, জলের এই ব্যাপক অপচয় বন্ধে সাহায্য চেয়ে আমার বন্ধুটি বেশ কিছুদিন আগে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এবং মহামতি কাউন্সিলারের উত্তর শুনে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়েছিলেন। পুরপিতা তাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, কে কতটা জল খরচা করবে সেটা তার ব্যাপার। এটা নিয়ন্ত্রণের কোনও আইন তো নেই—তাই তিনি এক্ষেত্রে কিছুই করতে পারেন না! তাজ্জব কাণ্ড বটে! বন্ধুটির কাছেই শুনলাম, হাতিবাগানের মতো যানবহুল ব্যস্ত এলাকায় ফুটের দোকান রাস্তার উপর তিন/চার ফুট নেমে এসেছে জানানোয় নাকি সংশ্লিষ্ট কর্তা তাঁকে বলেছিলেন, গরিব মানুষ একটু করে খাচ্ছে, আপত্তি করা যায়! বাসযাত্রী স্থানীয় এক প্রৌঢ় নাকি এমনটাই বলছিলেন!
অতএব, বোঝাই যাচ্ছে আমাদের সচেতনতার লেভেলটা কোন পর্যায়ে। কিন্তু, তাই বলে তো আর গা-ছাড়া দিয়ে থাকলে চলবে না। পৃথিবী জুড়ে আজ যে বিপদ ঘনিয়ে উঠছে চোখ বন্ধ করে থাকলেও তা আমাদের তো ছেড়ে কথা বলবে না। এর মধ্যেই বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী পরিবেশকর্মী সংগঠন কাজে নেমেছে। তবে, তাতে সাধারণ মানুষ যতক্ষণ না শামিল হচ্ছে কাজ কতটা এগবে বলা মুশকিল। আসলে, একটা ব্যাপার বুঝে নিতে হবে, আমরা কলকাতাবাসী হয়তো আপাতত গঙ্গার জল দিয়ে চালিয়ে নিতে পারব কিন্তু বাদবাকি বঙ্গ যেখানে মাটির নীচের জল ভরসা সেখানে কিন্তু সংকট ঘোরালো হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের আর পাঁচটা রাজ্যের মতো পশ্চিমবঙ্গেরও সর্বত্রই প্রায় মাটির নীচের জলস্তর ফুরিয়ে এসেছে। বৃষ্টির অভাবে মাটির নীচের জলের ভাঁড়ারের দশা আরও খারাপ হচ্ছে। মাটির নীচের জল যত কমছে তাতে বিপজ্জনক ক্ষেত্রবিশেষে আর্সেনিকের বিষ তত বাড়ছে। অতঃ কিম্‌? কী হবে তাহলে?
উপায় একটাই, জল ব্যবহারে সচেতনতা আর সবুজ বাড়ানোর উদ্যোগে আন্তরিকতা। দুটোর কোনওটাই যে আজও আমাদের মধ্যে বিশেষ সাড়া জাগায়নি সেটা বোঝাই যায়। না হলে এখনও বিশাল বিশাল গাছ কাটা চলে? জলের অমন অপচয় চলে! পুকুর বুজিয়ে বাড়ি তোলা বা পথের ধারের নয়ানজুলি বুজিয়ে হাইরাইজ রাস্তা বানানোতে হয়তো মানুষের আবাসন ও যাতায়াতের সমস্যা কিছু মিটেছে, কিন্তু সেই মানুষের ভবিষ্যতের বিপদ যে কতটা চেপে ধরেছে তা আজ হাড়ে হাড়ে মালুম পড়ছে! ভরা বর্ষায় বৃষ্টি নেই। ইলিশ নেই। বর্ষার আকাশে শরৎকালের মতো সাদা মেঘ। ক্বচিৎ কদাচিৎ যদি-বা কালো বর্ষার মেঘ দেখা দিচ্ছে, বর্ষণের আশা জাগাচ্ছে—দু-এক পশলাতেই সাফ হয়ে যাচ্ছে তা। তাতে পথঘাট বাড়িঘর ভিজছে বটে কিন্তু মন ভরছে না। কারণ, পশলা শেষেই জাঁকিয়ে উঠছে চড়া রোদ, প্রবল তাপ আর ঘেমো অস্বস্তি। অথচ, মুম্বইতে এমন প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে যে, বন্যা হয় হয়। বৃষ্টি জলের তোড়ে পাঁচিল ধসে কতকগুলো প্রাণও চলে গেল! আর পুবের বাংলা, বিশেষত দক্ষিণবঙ্গ এখনও প্রায় বৃষ্টিশূন্য! কিন্তু কালবৈশাখীর কালে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সে কী ঝাপট! ফণীর দাপটে তছনছ হয়ে গেল বাঙালির পুরী! আমাদের ভাগ্য ভালো, আয়লার মতো ফণীর তাণ্ডব দেখতে হয়নি। কিন্তু, এমন সবুজ নিধন, পুকুর ভরাট আর জলের অপচয় চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে যে ফণীর চেয়েও মারাত্মক কিছু দেখতে হবে—এমন অশনিবার্তাই কিন্তু পরিবেশবিদেরা প্রায় সকলেই দিচ্ছেন। দিয়েই চলেছেন। আমরা কি শুনছি, শুনব?
07th  July, 2019
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৬ মে: বিশাখাপত্তনমের এলজি পলিমারস কারখানার ৩০ জন কর্মী-আধিকারিককে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। সিল করে দেওয়া ওই কারখানার ভিতরে কারা কারা ঢুকবেন, সেই নামের তালিকা সংস্থার কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিশেষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। আগামী দিনে এই প্ল্যাটফর্মের তথ্যকে বিভিন্ন বিষয়ে কাজে লাগিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি জাতীয় নীতি তৈরি করার পথে এগচ্ছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক। ...

সংবাদদাতা, গাজোল: লকডাউনের মধ্যে অনেক দিন আগেই বেকারির দোকানগুলিতে অত্যাশবশ্যা কীয় পণ্য হিসাবে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে শুধুমাত্র পাউরুটি ও বিস্কুট বিক্রি করার অনুমতি মিলেছে।   ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: উম-পুনের তাণ্ডবে উড়ে গিয়েছে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই। দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে শান্তিপুর ব্লকের বহু পরিবারের। অনেকের অভিযোগ, ত্রাণের সামান্য ত্রিপলও তাঁরা পাননি।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তি রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। আত্মসমীক্ষার প্রয়োজনিয়তা রয়েছে। দাম্পত্যে মধুরতা বৃদ্ধি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হটিয়ে প্রেম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৭৮ টাকা ৭৭.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯০.০২ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮০.৪৬ টাকা ৮৪.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী ৪৯/০ রাত্রি ১২/৩২। পুনর্বসু নক্ষত্র ৬/১৯ দিবা ৭/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৯, সূর্যাস্ত ৬/১১/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৬ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৪ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ১০/২১। পুনর্ব্বসুনক্ষত্র দিবা ৬/২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৫ মধ্যে ও ১১/৩৫ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
৩ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,১৯০ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৫৬,৯৪৮ 

09:09:17 PM

 কলকাতার উপর দিয়ে ঝড় বইল ঘণ্টায় ৯৬ কিমি বেগে

07:45:15 PM

বাংলায় করোনায় আক্রান্ত আরও ১৮৩ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৮৩ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:08:26 PM

অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৬০
অসমে নতুন করে আরও ৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। ...বিশদ

06:56:31 PM

একদিনে তামিলনাড়ুতে করোনা আক্রান্ত ৮১৭
একদিনে তামিলনাড়ুতে ৮১৭ জনের শরীরে মিলেছে করোনার জীবাণু। মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

06:50:00 PM

শুরু হল বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়-বৃষ্টি 
কলকাতা সহ জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়বৃষ্টি। যদিও আবহাওয়া ...বিশদ

06:43:33 PM