Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এক জাতি, এক নির্বাচন, অনেক ভীতি
পি চিদম্বরম

প্রধানমন্ত্রীকে আপনার বাহবা দিতে হবে যে সাধারণ মানুষের চিত্তবিক্ষেপ ঘটিয়ে দেওয়ার মতো ইস্যুগুলো তিনি খাড়া করে দিতে পারেন। তিনি এই বিষয়ে বাজি ধরেন যে বিরোধীরা বহু কণ্ঠে প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং সেগুলি সবসময় অকাট্য বা যুক্তিনির্ভর হবে না।
পুলওয়ামা ছিল একটি মোক্ষম দৃষ্টান্ত। সবদিক থেকে গোয়েন্দা ব্যর্থতা (ইন্টেলিজেন্স ফেলিয়োর) ছিল। ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যপাল যতটা সম্ভব স্বীকার করে নেন এই কথা বলে যে, ‘‘বিস্ফোরক বোঝাই গাড়ি রাজপথ ধরে যাওয়ার সময় আমরা শনাক্ত করতে কিংবা আটকাতে পারিনি ...। ঘটনা হল আমরা জানতে পারিনি যে তাদের (স্থানীয় বিদ্রোহীদের) মধ্যে একজন ফিদায়েঁও ছিল, এটা গোয়েন্দা ব্যর্থতার একটা অংশ।’’
এই ধরনের হামলার পর কোনও সরকারই মৌন থাকতে পারত না। জবাব ছিল বালাকোট, পাকিস্তান বায়ুসেনা ছিল আধা-প্রস্তুত, ভারতীয় বায়ুসেনা লক্ষ্যে আঘাত হেনেছিল, এবং পাকিস্তান ভারতীয় বায়ুসেনার একটি বিমানকে গুলি করে নামিয়েছিল। এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে কোনও সংশয় নেই, প্রশ্ন যেটা উঠেছে সে হল হতাহতের সংখ্যা নিয়ে। সুতরাং, আমাদের কী বলার আছে?—পুলওয়ামায় উদ্বেগজনক ব্যর্থতা আর বালাকোটে তাৎপর্যপূর্ণ সাফল্য।
মনোযাগ বিক্ষিপ্ত করে দাও
নরেন্দ্র মোদি সাফল্যের সঙ্গে পুলওয়ামা আর বালাকোটকে মিশিয়ে দিয়েছেন। কেউ যদি পুলওয়ামায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা (৪০টি তাজা প্রাণ হারানোর বিষাদময় ঘটনা) নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তবে অনৈতিকভাবে তার ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে তিনি বালাকোটে বায়ুসেনার সাফল্যকে খাটো করেছেন, এবং তাঁকে জাতীয়তা-বিরোধী হিসেবে দেগেও দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা, বিশেষত হিন্দিভাষী রাজ্যগুলির বিরোধীরা এই চতুর নির্বাচনী কৌশল মোকাবিলার মতো প্রতিক্রিয়া জানাতে পারেনি এবং মানুষকে বোঝাতে পারেনি পুলওয়ামায় ব্যর্থতা আর বালাকোটে সাফল্যের তফাতটা কী। মানুষের দৃষ্টিকে মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকদের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা, গণপ্রহারে মৃত্যু প্রভৃতির দিক থেকে মোদিজি তাঁর নির্বাচনী ভাষণে সাফল্যের সঙ্গে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছেন।
লোকসভার নির্বাচনের পর দৃষ্টিটা মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকদের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা, গণপ্রহারে মৃত্যু প্রভৃতির দিকে ফিরিয়ে আনা উচিত। রাষ্ট্রপতির ভাষণে এসবের উপরেই গুরুত্ব আরোপ করা উচিত ছিল; সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জবাবটিও হওয়া উচিত ছিল এসব কেন্দ্র করে; প্রাক বাজেট বিতর্কের থিমও হওয়া উচিত এটা। হায়, সে হওয়ার নয়, মানুষের চিন্তায় ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে মোদিজির নতুন স্লোগান ‘এক জাতি এক নির্বাচন’। চিত্তবিক্ষেপের নতুন এক কৌল।
অসাংবিধানিক
ফেডারেল কাঠামোর সংসদীয় গণতন্ত্রে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা যথাক্রমে লোকসভার প্রতি [অনুচ্ছেদ ৭৫(৩)] এবং বিধানসভার প্রতি [অনুচ্ছেদ ১৬৪(২)] যৌথভাবে দায়বদ্ধ থাকবে। আইনসভার প্রতি ‘দায়বদ্ধতা’র অর্থ হল মন্ত্রিসভা প্রতিটি দিন এবং প্রতিটি ঘণ্টায় অবশ্যই আইনসভার সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থাভাজন থাকবে। যে-মুহূর্তে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন হারিয়ে যায় সেই মুহূর্তে সরকারটির ক্ষমতা ত্যাগ করা উচিত। ধারণা এইরকম যে সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন নিয়ে পরবর্তী মন্ত্রিসভা দায়িত্বভার গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত এই ধরনের সংখ্যালঘু মন্ত্রিসভাও কাজ চালিয়ে যেতে পারে, কিন্তু এটা সংসদীয় গণতন্ত্রের মূল নীতির বিরোধী ব্যাপার। ধরা যাক, একটা সরকার ভোটাভুটিতে পরাস্ত হয়ে গেল, কিন্তু আইনসভার ভিতরে এমন কোনও সদস্যকে পাওয়া গেল না যিনি সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থন জোগাড় করতে সমর্থ হলেন, তখন কি সেই পরাজিত প্রধানমন্ত্রী অথবা মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পদে বহাল থাকবেন? সেটা হবে সংসদকে অপবিত্র করার শামিল। তখন এক এবং একমাত্র ন্যায়সংগত সমাধান হল অন্তর্বর্তী বা মধ্যবর্তী নির্বাচন।
সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে আরও দুটি বিষয় সমানভাবে ‘অ্যান্টিথেটিক্যাল’ হল—নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেও কোনও একটি সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধি করার কিংবা নির্দিষ্ট মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সেটা কমিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দান। মানুষ প্রার্থীদের একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচন করে পাঠায়: সেই মেয়াদ বাড়িয়ে অথবা ছেঁটে দেওয়ার অর্থ হবে নির্বাচকদের অপমান করা।
এটা স্পষ্ট যে, বর্তমান সংবিধান অনুসারে অসাংবিধানিক এটা সম্পূর্ণ জেনে বুঝেও ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ ক্যাম্পেনটা চালানো হচ্ছে। যদিও সমর্থক প্রবক্তারা এটা আদৌ স্বীকার করবেন না যে তাঁদের আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে সংবিধান সংশোধন করা। তাঁদের সংশোধনের দিগ্‌঩নির্দেশটা খুব স্পষ্ট: একক (ইউনিটারি), যুক্তরাষ্ট্রীয় (ফেডারেল) নয়; অধিক ক্ষমতাধর প্রধান (এগজিকিউটিভ), দুর্বল আইনসভা; একরূপতা (ইউনিফর্মিটি), বৈচিত্র নয়; সাধারণ পরিচয় (কমন আইডেন্টিটি), বিবিধ সংস্কৃতি নয়; এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের আধিপত্য, সহমতের ভিত্তিতে নয় (মেজরিটারিয়ান, নট কনসেনস্যুয়াল)। নির্দেশটা রাষ্ট্রপতি-প্রধান সরকারের ব্যবস্থার (প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেম অফ গভর্নমেন্ট) দিকেই।
পরিবর্তন সম্পর্কে সর্তক হওয়ার পরামর্শ
একমাত্র ভারতের সংবিধানের ব্যাপক সংশোধনের মাধ্যমেই, উপরে যেসব আশঙ্কার কথা বলা হল, সেগুলি অর্জন করা সম্ভব। সংবিধানের আমূল সংশোধনের ধারণাটিতে বিজেপির অমত নেই বলে মনে হয়, কারণ তারা বিশ্বাস করে, যেহেতু কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেব্লিতে (গণপরিষদ বা সংবিধান রচনার জন্য ভারপ্রাপ্ত নির্বাচিত প্রতিনিধিসভা) আরএসএসের প্রতিনিধিত্ব ছিল না, সুতরাং বর্তমান সংবিধানের মালিকানার ভারগ্রহণে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নয়। এটা জলের মতো পরিষ্কার যে আরএসএস এবং বিজেপি তাদের পছন্দের সংবিধান চায় এবং ‘এক জাতি, এক নির্বাচন’ প্রচারটা হল সেইমতো সংবিধান পরিবর্তনের পূর্বলক্ষণ।
ফেডারেল সিস্টেম সরকারের এমন কোনও দেশ নেই যার সঙ্গে আমরা তুলনা করে নিতে পারি যেখানে একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ এবং রাজ্য বা প্রাদেশিক আইনসভার ভোট নেওয়া হয়ে থাকে—উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং জার্মানির নাম নেওয়া যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেমের সরকার, অতএব ওই দেশের সঙ্গে আমাদের তুলনা চলে না। পাশাপাশি এটাও দেখতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যুগপৎ এবং অযুগপৎ—দুই ধরনেরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে (একটা হয় চার বছর অন্তর আর-একটা হয় দু’বছর অন্তর)। একটি দেশে একটিমাত্র নির্বাচন ব্যবস্থা চির-প্রযোজ্য হতে পারে না গোছের বিতর্কটাও অন্তঃসারশূন্য: যদি কতকগুলি রাজ্যে একইসঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় উপস্থিত হয় তো সমস্যাটা কীসের? যদি কোনও দেশ তথাকথিত চির-প্রযোজ্য নির্বাচন ব্যবস্থার (পারপিচুয়াল ইলেকশন মোড) মধ্যে দিয়ে চলে, সেটা হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেখানে প্রতিনিধিসভার (হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস) নির্বাচনটা হয় নিয়ম করে দু’বছর অন্তর! এর জন্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও ক্ষতি হয়েছে বলে তো মনে হয় না।
বিজেপির উচিত তাদের মতলবটা পরিষ্কার করে দেওয়া। দলটা যদি প্রেসিডেন্সিয়াল সিস্টেম অফ গভর্নমেন্ট বা রাষ্ট্রপতিতান্ত্রিক ব্যবস্থার সরকার চায় তবে সেটা তারা খোলাখুলি বলে দিক। তখন দেশবাসীকেই সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া হোক দেশের সামনে এই পরিস্থিতিতে অগ্রাধিকার কোনটি—মন্থরগতির অর্থনীতি, বেকারত্ব, কৃষকের দুর্দশা, সাম্প্রদায়িক ঘৃণা এবং গণপ্রহারে মৃত্যু অথবা বসানো প্রথম এগজিকিউটিভ প্রেসিডেন্ট, অধীন বা অনুগত মন্ত্রিসভা এবং ক্ষমতাহীন সংসদ।
01st  July, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন 

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন।  বিশদ

তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে।   বিশদ

পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের শততম জন্মদিবসে তাঁর স্মরণ অনুষ্ঠানে বিধানসভার অধ্যক্ষ ও কংগ্রেসের প্রতিনিধি ছাড়া সবাই গরহাজির। রবিবার ছুটির দিনে বিধানসভার অলিন্দে ...

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: দীপাবলির আলোর উৎসবের মাঝে যাতে কোনও ধরনের অশান্তির সৃষ্টি কিংবা শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয় সেজন্য ময়নাগুড়ি থানার পুলিস বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।  ...

বিড, ২০ অক্টোবর (পিটিআই): নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে তুতো বোন তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী পঙ্কজা মুণ্ডের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করে ইতিমধ্যে বিতর্কে জড়িয়েছেন এনসিপি নেতা ধনঞ্জয় মুণ্ডে। এবার ধনঞ্জয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল পুলিস। যদিও এনসিপি নেতা দাবি করেন, তাঁর মন্তব্য ‘বিকৃত’ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতাই যে নিষিদ্ধ মাদক কারবারিদের মূল টার্গেট, একের পর এক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধারের ঘটনায় তার আভাস মিলতে শুরু করেছে। শনিবারই ময়দান এলাকা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা শুভ ফল লাভ করবে। মাঝে মাঝে হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ক্ষতি হতে পারে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
নানুরে বিজেপি সমর্থকের মাকে গুলি করে খুন 
বীরভূমের নানুরে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে প্রাণ গেল বিজেপি সমর্থকের মায়ের। গুলিবিদ্ধ ...বিশদ

04:55:03 PM

মোবাইল ফোন হারিয়ে ফেলায় বকুনি, নদীয়ার ভীমপুরে আত্মঘাতী কিশোরী 

04:39:00 PM

কোচবিহারে পাতলাখাওয়ায় মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিজনদের সঙ্গে দেখা করলেন সুব্রত বক্সি 

04:34:00 PM

শান্তিপুরে বাড়িতে ভূতের অপবাদ দিয়ে মারধর 
বাড়িতে ভূত রয়েছে এমন অপবাদ দিয়ে বেশ কয়েকটি পরিবারের উপর ...বিশদ

04:29:00 PM

সম্পাদক শুভা দত্ত প্রয়াত 
প্রয়াত বর্তমান সংবাদপত্রের সম্পাদক শুভা দত্ত। সোমবার, ২১ অক্টোবর সকাল ...বিশদ

01:39:53 PM

বিধানসভা নির্বাচন: মুম্বইতে স্ত্রী ও পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিলেন শচীন তেন্ডুলকর 

12:26:00 PM