Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ
হারাধন চৌধুরী

আমাদের স্বাধীনতার বয়স বাহাত্তর বছর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য এই পর্ব-দৈর্ঘ্যটাকে আমরা চারটি ভাগে ভাগ করতে পারি। কংগ্রেস জমানা, যুক্তফ্রন্ট জমানা, বামফ্রন্ট জমানা এবং চলতি তৃণমূল জমানা। অস্থির ও ক্ষণস্থায়ী যুক্তফ্রন্টের স্বল্পকাল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আট বছর বাদ দিলে বাকি সময়টাই সবচেয়ে লম্বা—যেটা শাসন করেছে কংগ্রেস ও বামফ্রন্টের বকলমে সিপিএম। প্রতিটি জমানার রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার একটি ‘কমন’ দিক হল দুর্নীতি। প্রতিটি জমানার শুভসূচনা হয়েছে। কিন্তু, কিছুদিন পরই শাসকরা উপলব্ধি করেছেন, স্বচ্ছতার প্রশ্নে তাঁরা কথা রাখতে পারছেন না। মানুষ আশাহত হচ্ছে। কাদের জন্য দল এবং/অথবা সরকারের সুপ্রিমোর কথার খেলাপ হচ্ছে—তাও অজানা থাকছে না, দলীয় এবং প্রশাসনিক সূত্র মারফত সবই জেনে যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু, দল বা সরকার কিছু করতে পারছে না। ধরে নিচ্ছি, সুপ্রিমো মানুষটি ব্যক্তিগতভাবে সৎ ও স্বচ্ছ। তবু, কিল খেয়ে কিল হজম করার এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি কাটাচ্ছেন তিনি।
একটি বিধানসভার ভোটের মাঝে পুরভোট, পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভার ভোট প্রভৃতি হচ্ছে। সেসব ভোটেও দল এবং সরকারের অস্বচ্ছ ভাবমূর্তির স্পষ্ট প্রভাব পড়ছে। পরবর্তী বিধানসভার ভোটের কথা মাথায় রেখে শাসক দল এবং সরকারের সতর্ক হওয়ার কথা। তবু, দল এবং সরকারের অভ্যন্তরের বেচাল প্রভাবশালীদের কিছু করতে পারছেন না শীর্ষকর্তাটি। দলের একাংশের দুর্নীতির সুযোগ নিয়ে আমলাদের একটি অংশ ব্ল্যাকমেল করেন, যার অর্থ আরও বেশি বেশি দুর্নীতিতে শাসকের ডুব দেওয়া। এই অন্যায়ের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে নেওয়া তো কল্পনাতীত!
ট্রাডিশন ভাঙার সাহস দেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৮ জুন কলকাতায় পুর কাউন্সিলারদের নিয়ে দলের তরফে একটি মিটিং ডাকা হয়েছিল। তৃণমূল সুপ্রিমো কোনও রাখঢাক না-করে সেখানে চাঁচাছোলা ভাষায় নির্দেশ দেন, যাঁরা কমিশন খেয়েছেন অবিলম্বে ফেরত দিন। একইসঙ্গে দলনেত্রীর হুঁশিয়ারি ছিল, এই নির্দেশ অমান্য করলে দোষীদের দল থেকে তাড়িয়ে ছাড়বেন। তাঁর সাফ কথা, দলে চোরেদের কোনোমতেই রাখবেন না। স্মরণকালের মধ্যে এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতির গড্ডলিকা প্রবাহে ভাসলেন না। আর্থিক দুর্নীতির প্রশ্নে তিনি প্রথম আঙুল তুললেন নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে! তিনি কি ভাবলেন না, যা বললেন রাজনীতির মঞ্চে তার গুরুত্ব কতখানি। তাঁর এই কথার ভিতর যে স্বীকারোক্তি আছে সেটাকেই হাতিয়ার করতে এবার মরিয়া হবে বিরোধীরা? ইতিমধ্যেই তৃণমূলের ভিতর থেকে বলা শুরু হয়ে গিয়েছে, দিদি এ কী করলেন! এমনকী দলের এক এমপি এজন্য বেশ ক্ষোভের সঙ্গে প্রকাশ্যে তাঁর আশঙ্কার কথাও শুনিয়েছেন।
এসব কথা যাঁরা বলছেন, তাঁরা হয়তো ভুলে যাচ্ছেন বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনীতিটা সবসময় অন্যরকম। তিনি চ্যালেঞ্জ নিতেই পছন্দ করেন, তবে কোনও ছোটখাটো চ্যালেঞ্জ নেওয়া তাঁর ধাতে সয় না। কংগ্রেসে থাকার সময় হাইকম্যান্ডকে বারবার চ্যালেঞ্জ করেছেন নির্ভয়ে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন। কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছেন। একাধিক ভোটে কংগ্রেস অথবা বিজেপির সঙ্গে জোট করেছেন। সেই জোট ভেঙেওছেন নিজস্ব ভঙ্গিতে। লোকসভায় একেবারে একা, নিঃসঙ্গও হয়েছেন। সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামে অগ্নিবর্ষী আন্দোলন করেছেন। আমরা, সাধারণ মানুষ, প্রতিবারই ভেবে নিয়েছি, তিনি ‘ভুল’ করছেন। দলের অতি ভক্ত সমর্থকদেরও অনেকে তার অতিরিক্ত কিছু ভাবতে পারেননি। কিন্তু বাস্তবটা হল—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার ভিকট্রি স্ট্যান্ডে ফিরে এসেছেন রূপকথার পাখির মতোই!
আসলে, তাঁর আপাত ভুলগুলি সবসময়ই এক-সে-এক মাস্টার স্ট্রোক (এই উপলব্ধির কথা অতীতে একাধিকবার এই স্থানে লিখেছি)। তিনি এবার যে চ্যালেঞ্জটি নিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে তাঁর অতীতের সব চ্যালেঞ্জকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। এবারেরটিও ‘আপাত ভুল’ না কি তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা মিথ্যা করে দিয়ে ‘ব্লান্ডার’ হয়ে উঠবে তা দেখার জন্য আমাদের পরবর্তী বিধানসভার ভোট পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে।
তবে, তাঁর কৌশলী রাজনীতির ধারা বিশ্লেষণ করলে পরিষ্কার হয় যে তিনি মুখ ফসকে এত বড় কথাটি বলেননি—যাতে বিজেপির দ্রুত এগতে সুবিধা হয় কিংবা জীবন্মৃত সিপিএম একটু অক্সিজেন পেয়ে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সচেতনভাবেই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছেন বলে মনে হয়। পুর কাউন্সিলারদের নিয়ে ওই মিটিং ডাকার উপলক্ষ ছিল দলে শুদ্ধকরণের বার্তা দেওয়া। লোকসভার ভোটে এরাজ্যে বিজেপির বিস্ময়কর উত্থানের খবরটিই প্রচারের আলো কেড়ে নিয়েছে। ওইসঙ্গে চাপা পড়ে গিয়েছে আর-একটি সত্য—নির্বাচন কমিশনের কড়াকড়ির মধ্যেও রাজ্যের শাসক দলের ভোট কমেনি, বরং কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু, সেটা গুরুত্বহীন হয়ে গিয়েছে তৃণমূল অনেকগুলি আসন হারানোয়। ভোট-বৃদ্ধি এমপি-বৃদ্ধির নিশ্চয়তা দেয় না। এর পিছনে থাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ জোট-রাজনীতির সত্য।
তবু, তৃণমূল নেত্রী দলের এই আপাত পরাজয়ের গুরুত্ব স্বীকারসহ নিশ্চয় দেখেছেন—বাংলার ২৭টি গ্রামীণ লোকসভা আসনের মধ্যে ১৫টি বিজেপি ছিনিয়ে নিয়েছে। বিজেপি যতগুলি বিধানসভা আসনে এগিয়ে গিয়েছে তার মধ্যে গ্রামীণ আসন শ’খানেক! স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে—কন্যা, ছাত্র, যুব, কৃষক, শ্রমিক, প্রবীণ নাগরিক, প্রতিবন্ধী, বিধবা, বেকার, সংখ্যালঘু প্রভৃতির জন্য এত যে কাজ করা হল, এত যে রাস্তাঘাট, হাসপাতাল তৈরি হল—দল সেসবের ডিভিডেন্ড পেল না কেন? অনুসন্ধান করতে গিয়ে দল জেনেছে, কাজ হয়েছে বটে ওইসঙ্গে আর্থিক দুর্নীতিও হয়েছে বিস্তর। তাতে অভিযুক্তদের একাংশ দলেরই জনপ্রতিনিধি, নেতা প্রভৃতি; আছেন সরকারি কর্মী আধিকারিকদেরও একাংশ। স্বভাবতই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়—গরিবের জন্য বরাদ্দ সরকারি অর্থ নয়ছয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।
তাঁর রাজনীতির ধরন যাঁদের মুখস্থ তাঁরাই জানেন, এমন চ্যালেঞ্জ শুধু তাঁর পক্ষেই নেওয়া সম্ভব। এটাকে যাঁরা ঘোলা জলে মাছ ধরার মওকা ভাবছেন, তাঁরা ভুলই করছেন। মানুষ কিন্তু শুধু তৃণমূলকে আতশকাচের নীচে রাখেনি, একই আতশকাচের নীচে বিজেপি এবং তার বন্ধুদেরও রেখেছে। অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টাকে মানুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইটাকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখতে পারে। জবাব দেওয়ার বেলা মানুষ কতটা নির্মম হতে পারে, তা এই ভোটেই সদ্য দেখেছি আমরা। অতএব, নষ্টামি করার আগে ২০২১ সালের কথাটিও সব দলকে মাথায় রাখতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অঙ্গীকার শুনিয়েছেন, তার আন্তরিকতা কিছুটা প্রমাণ করতে পারলেই বিরাট ব্যাপার। ঘোষণা কার্যকর করার সূচনা যেটা হয়েছে, ফেলনা নয়। অদূর ভবিষ্যতে কিছু রাঘব বোয়ালের সাদা কলারে টান পড়লে অবাক হবেন না।
এতে একদিকে, দলের ভিতরের গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়লরা সমঝে যাবেন। অন্যদিকে, তাঁদেরকে সামনে রেখে যেসব সরকারি কর্মী-আমলা ব্ল্যাকমেল করার কূটনীতি নিয়ে চলেন, তাঁরাও জিভটা ছোট করতে বাধ্য হবেন। সে-খবর বাতাসে ভাসবেই। মানুষের চঞ্চল মন ফের তৃণমূলের দিকে ফিরতে শনি মঙ্গলবার দেখবে বলে মনে হয় না।
মনে রাখতে হবে, এবার লোকসভার ভোটে বিজেপি একজন মান্য নেতা দিতে পেরেছিল। কংগ্রেস এবং তৃতীয় শক্তির মধ্যে সেটারই অভাব ছিল এবং বিরাট। নেতৃত্বের প্রশ্নে বিরোধীদের দিশাহীনতাই চওড়া তফাত গড়ে দিয়েছিল। সেই রাজপথেই নরেন্দ্র মোদির বিজয়রথ ছুটে এসেছে। পশ্চিমবঙ্গে আগামী বিধানসভার ভোটে একই পার্থক্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য আছে একটিমাত্র দলের এবং একজনমাত্র নেতার। বলা বাহুল্য, নাম দু’টি হল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই, তৃণমূল সুপ্রিমো দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াইয়ের চাল দেওয়ার পর বিজেপির পক্ষে যে-কোনও অসতর্ক পদক্ষেপই কিন্তু বিপজ্জনক। সবচেয়ে কাল হতে পারে তৃণমূল ত্যাগীদের বিজেপিতে নির্বিচারে অভ্যর্থনার হিড়িক। একদিকে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে মমতার লড়াই বানচাল করার ষড়যন্ত্র বলে গণ্য হতে পারে। অন্যদিকে, প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে বিজেপির নীতির রাজনীতির বড়াই।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে চেয়েছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। একটি নমুনা। তাঁর খনিমন্ত্রী কে ডি মালব্য দশ হাজার টাকা দাবি করে এক শিল্পপতিকে চিঠি লিখেছিলেন, ভোটে এক দলীয় প্রার্থীর জন্য। খবর পেয়ে নেহরু ডেকে পাঠান মালব্যকে। মালব্য অভিযোগ মেনে নিতেই নেহরু বললেন, ‘‘এবার তো আপনাকে পদত্যাগপত্র দিতে হবে!’’ অগত্যা মালব্য ঘণ্টা কয়েকের ভিতর তাঁর পদত্যাগপত্র লিখে দিয়েছিলেন।
রাজনীতিকে বিস্মৃতির সেই অতল থেকে নীতির সরণিতে তুলে আনতে পারবেন কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? বঙ্গবাসী, এমনকী দেশবাসী আজ সত্যিই তৃষ্ণার্ত!
25th  June, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কালীগঞ্জ: দৌড় প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অংশ নিয়ে কালীগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করতে চায় সুতপা মণ্ডল। পরিবারে অভাবকে হার মানিয়ে ইচ্ছা শক্তির জোরে আগামী দিনে দৌড় প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলায় সফল হতে চায় লাখুরিয়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। বাবা ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

পাটনা, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) সমর্থন না করায় ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছেন জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। তবে তা সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড়ই থাকলেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ওই বিলের মাধ্যমে সরকার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM