Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সরকারের ভিতরে সরকার 
পি চিদম্বরম

যখন কোনও সরকার একটা মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হয় তখনই তাকে দেখে অবাক লাগে। কারও দোষত্রুটি ধরা পড়লে কেউই তার দায় নেবে না। দোষারোপের পালা শেষমেশ সরকারের শীর্ষকর্তা—মুখ্যমন্ত্রী অথবা প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে গিয়ে থামে। যাই হোক, বিশদ তদন্তে দেখা যাবে যে দায় বর্তাবার পক্ষে সরকারের শীষর্কতাটিকেই সবার আগে রাখা উচিত নয়, কিন্তু সংসদীয় ব্যবস্থার সরকার ঘুরিয়ে তাঁকেই দায়ী করে থাকে।
নির্দয় মৃত্যু
এনসেফেলাইটিসের মহামারী বিহারে মুজফ্‌ফরপুরে জেলায় এখনও পর্যন্ত ১১৭টি প্রাণ নিয়েছে, এই প্রসঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম অনুসারে, ওই জেলার ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সবগুলি এবং একমাত্র কমিউনিটি হেলথ সেন্টারটির রেটিং ছিল পাঁচের (৫) মধ্যে শূন্য (০)—কারণ, মূল্যায়নের জন্য যে দিকগুলির পূরণ বাধ্যতামূলক ছিল সেগুলি তারা পূরণ করেনি—যেমন মেডিক্যাল অফিসার, নার্স/মিডওয়াইফ প্রভৃতি। অসুস্থ শিশুগুলিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মুজফ্‌ফরপুরের শ্রীকৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পিডিয়াট্রিক ইউনিটে, সেটি পিডিয়াট্রিক আইসিইউ হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য যেসব শর্তপূরণ হওয়া দরকার ছিল তা পূরণ করা হয়নি। এই ঘটনার দায় কে নেবেন? কেউ নেবেন না, সুতরাং আমরা দুষব ছোট সাদা সুস্বাদু ফল লিচুটাকে! ডাক্তাররা বলেছেন যেসব বাচ্চা রাতের খাবার খাবার খায়নি, লিচু খেয়ে কেবল তারাই অসুস্থ হয়েছে! এবং দয়া করে বলুন, ওই বাচ্চারা রাতের খাবার কী কারণে খায়নি? কারণ তারা গরিব এবং খাবার পায়নি। এর থেকে বড় বিপর্যয় এবং বেদনা আর কী হতে পারে? (২০০৮ থকে ২০১৪ সালের মধ্যে এনসেফেলাইটিসে মৃতের সংখ্যা ৬০০০।)
গুজরাতের ভদোদরার নিকটবর্তী এলাকার ঘটনা। দিন কয়েক আগে, একটি হোটেলের সেফটিক ট্যাঙ্ক সাফাই করতে নেমে সাতজন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই ধরনের হৃদয়বিদারক ঘটনা এই যে প্রথম ঘটল এমন নয়, এবং পরিতাপের বিষয় যে, এটাই শেষ ঘটনা হল বলেও আশা করতে পারি না। সেফটিক ট্যাঙ্ক সাফাই কোনও রকেট সায়েন্স নয়: এই কাজের জন্য অনেক মেশিন পাওয়া যায় এবং কেরলের একটি নতুন সংস্থা এই কাজের উপযোগী একটি ইন্ডিয়ার ভার্সন মেশিনও (বন্দিকুট) বার করেছে। যখন মানুষকে দিয়ে সেফটিক ট্যাঙ্ক এবং স্যুয়ারেজ সিস্টেম সাফাই করা ছাড়া উপায় থাকে না, সেখানে বিশেষ ধরনের পোশাক, মুখোশ এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই জরুরি সরঞ্জামগুলি দুষ্প্রাপ্য নয় এবং গুজরাতের অন্যতম ধনী জেলা ভদোদরা প্রশাসনের আর্থিক সামর্থ্যের বাইরেও নয়—তবু, সাতজন গরিব মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে দেওয়া হল। (২০১১-২০১৮ সালের ভিতরে ভারতের সব রাজ্যে এইরকম মৃত্যুর যতগুলি খবর নথিভুক্ত হয়েছে, তা থেকে সর্বমোট ১১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।)
হৃদয়বিদারক অবহেলা
আর-একটি অবিশ্বাস্য হৃদয়বিদারক পরিসংখ্যান হল: দিল্লিতে পথদুর্ঘটনায় রোজ গড়ে চারজনের মৃত্যু হয়। আপনি ধরে নিতে পারেন, আগামীকালও জনা-চারেক লোকের এইভাবে মৃত্যু ঘটবে। তার পরের দিন আরও চারজন মরবে। মৃত্যুর গড়পড়তা হিসেবটা এইরকমই চলতেই থাকবে। শুধু এক দিল্লিতেই এই অবস্থা। অথচ, সারা পৃথিবীতে সারা বছরে বিমানদুর্ঘটনায় মোট মৃত্যু যা ঘটে তা এর সামান্য এক ভগ্নাংশমাত্র! তা’হলে আমরা কেন বিমানভ্রমণে নিয়মের কড়াকড়ি করে সড়কপথে ভ্রমণে যত ছাড় দিয়ে বসে আছি? (২০১১-২০১৭ সালের ভিতরে দিল্লিতে পথদুর্ঘটনায় ১২,৭২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।)
আপনি কি কখনও দিল্লির বারাপুলা ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে গিয়েছেন—এটি দিল্লি সরকারের পূর্ত বিভাগের একটি ‘গর্ব’ এবং এটি নির্মাণ করতে অনেক বছর সময়ও নেওয়া হয়েছিল? ফ্লাইওভারটা গড়পড়তা—ডিজাইন এবং এর উপর দিয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা মিলিয়ে গড়পড়তাই—কিন্তু নির্মাণের গুণমান যদি বলেন তো জঘন্য। শুধু ফ্লাইওভারের দু’ধারের প্যারাপেটের (কিনারা বরাবর নিচু পাঁচিল) দিকে তাকান দেখবেন কী পরিমাণ ফাটল, ভেঙেচুরেও পড়ছে কোথাও কোথাও, উচ্চতাও সব জায়গায় সমান নয়, স্ল্যাবগুলি সব জায়গায় ঠিকমতো জোড় খায়নি, প্লাস্টার এবং রং যা হয়েছে সেও ভয়ানক খারাপ এবং, সব মিলিয়ে কুচ্ছিত। তার পরেও এই ফ্লাইওভার সমস্ত প্রকার কোয়ালিটি টেস্টে পাশ করেছে, ঠিকাদারকে তাঁর প্রাপ্য টাকা মেটানো হয়েছে (এবং ধরে নেওয়া যায় যে তিনি আপ্যায়িতও হয়েছেন) এবং সেটির উদ্বোধন হয়েছে ২০১০ সালে। মেরামতির জন্য এটা যে বন্ধ করে রাখতে হবে সে আর বেশিদিন নেই।
সংকল্প ও রূপায়ণ
উপরের এই ঘটনাগুলির একটিতেও—আপনি না অন্যদের কথা ভাবতে পারবেন—না বলতে পারবেন যে কোথাও নীতিগত ব্যর্থতা ছিল। প্রত্যেকটি সরকারের পলিসি হল—হাসপাতাল নির্মাণ করা, তার স্বাস্থ্যবিষয়ক সমস্ত দিক সাজিয়েগুছিয়ে তোলা; মানুষকে দিয়ে সাফাই (ম্যানুয়াল স্কাভেনজিং) চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া; ট্রাফিক সংক্রান্ত নিয়মকানুন বলবৎ করবে এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে; শহর নগর প্রভৃতিকে উচ্চমানের পরিকাঠামোসহ সৌন্দর্যায়ন ঘটাবে; এবং এই যুগে আরও যা যা দরকার তারা করবে।
আইনসভা অথবা এক্সিকিউটিভ (অর্থাৎ মন্ত্রীরা) নীতিপ্রণয়ন করেন এবং, স্বভাবতই, তাঁরা চান যে সেই নীতি যথাযথভাবে রূপায়িতও হবে। কিন্তু সংকল্প এবং রূপায়ণের মধ্যে ব্যবধান যেটা সে দুস্তর। কেন? এটা আমাদের বলতে সঙ্কোচ হয়, কিন্তু অবশ্য করে বলাই দরকার: সরকারের (the Government with a capital G—আমরা এখানে ‘বড়’ সরকার বলব) ভিতর আর একটি সরকার (the Government with a small g—আমরা এখানে ‘ছোট’ সরকার বলব) আছে। এখানে ‘ছোট’ সরকারটি ‘বড়’ সরকারটিকে, একইসঙ্গে জনগণকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, অনন্ত ভারতের ক্ষেত্রে কথাটি খাটে।
দু’টি বিপরীত দৃষ্টান্তের মাধ্যমে এটা বোঝাতে পারি। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণ ছিল পলিসিগত দিক থেকে এক বিরাট ভুল (পলিসি ব্লান্ডার); এমন পলিসি নিতে যেসব মন্ত্রী প্ররোচনা দিয়েছিলেন এবং তা ‘বড়’ সরকারকে দিয়ে কার্যকর করিয়েছিলেন, তার দায়টাও তাঁদের অবশ্যই নিতে হবে। অন্যদিকে, পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটি দারুণ পলিসি। এই জিএসটি যদি বিমুদ্রাকরণের মতোই দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তবে তার দায়টা ‘ছোট’ সরকারটির উপরেই বর্তায়।
‘স্বচ্ছ ভারত’ একটি দারুণ পলিসি, কিন্তু রাজ্যের এবং গ্রামের খোলা স্থানে শৌচকর্ম (ওডিএফ) সম্পর্কে স্টেটাস রিপোর্টে যে মিথ্যে পরিসংখ্যান প্রদান সেটা হল ‘ছোট’ সরকারের জোচ্চুরি। ‘উজ্জ্বলা’ও একটি ভালো পলিসি, কিন্তু বছরে তিনটি করে রিপ্লেসমেন্ট সিলিন্ডার দেওয়ার যে ব্যবস্থা সেটা হল ‘ছোট’ সরকারের একটি ব্যর্থতা।
আমরা কিন্তু ভোটটা দিই ‘বড়’ সরকারের কথা মাথায় রেখে। তার ভিতরে এই যে ‘ছোট’ সরকারটি তার উপরে মানুষের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। তাকে বাছাই করা ও নিয়োগ করা, তার প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন, পোস্টিং, অ্যাপ্রাইজাল অথবা প্রমোশন প্রভৃতি কোনও ব্যাপারেই আমাদের করণীয় কিছু থাকে না। এইভাবে আমরা চলতে পারি না। এই ‘ছোট’ সরকারটাকে আমরা অবশ্য করে আমূল বদলে ফেলব। ঠিক যেভাবে আমরা ‘বড়’ সরকারটাকে এবং তার ভোগদখলদারদেরকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তি দিয়ে থাকি, আমাদের অবশ্যই একটি উপায় বার করতে হবে যাতে একইভাবে পাঁচ বছর অন্তর অথবা তারও আগে ‘ছোট’ সরকারকে এবং তার ভোগদখলদারদেরকে পুরস্কৃত করতে অথবা শাস্তি দিতে পারি।
আজ আমরা যে প্রধান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছি সেটা পলিসি তৈরি সংক্রান্ত নয়। চ্যালেঞ্জটা একেবারেই হল—দক্ষতার সঙ্গে, অর্থনৈতিক সাশ্রয়ের সঙ্গে এবং সুচারুরূপে পলিসির রূপায়ণ। 
24th  June, 2019
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুর আকতৈল গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুক্রবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা দেহটি দেখতে পান। তাঁদের দাবি, ওই ব্যক্তিকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM