Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সরকারের ভিতরে সরকার 
পি চিদম্বরম

যখন কোনও সরকার একটা মারাত্মক সমস্যার মুখোমুখি হয় তখনই তাকে দেখে অবাক লাগে। কারও দোষত্রুটি ধরা পড়লে কেউই তার দায় নেবে না। দোষারোপের পালা শেষমেশ সরকারের শীর্ষকর্তা—মুখ্যমন্ত্রী অথবা প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে গিয়ে থামে। যাই হোক, বিশদ তদন্তে দেখা যাবে যে দায় বর্তাবার পক্ষে সরকারের শীষর্কতাটিকেই সবার আগে রাখা উচিত নয়, কিন্তু সংসদীয় ব্যবস্থার সরকার ঘুরিয়ে তাঁকেই দায়ী করে থাকে।
নির্দয় মৃত্যু
এনসেফেলাইটিসের মহামারী বিহারে মুজফ্‌ফরপুরে জেলায় এখনও পর্যন্ত ১১৭টি প্রাণ নিয়েছে, এই প্রসঙ্গে একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম অনুসারে, ওই জেলার ১০৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সবগুলি এবং একমাত্র কমিউনিটি হেলথ সেন্টারটির রেটিং ছিল পাঁচের (৫) মধ্যে শূন্য (০)—কারণ, মূল্যায়নের জন্য যে দিকগুলির পূরণ বাধ্যতামূলক ছিল সেগুলি তারা পূরণ করেনি—যেমন মেডিক্যাল অফিসার, নার্স/মিডওয়াইফ প্রভৃতি। অসুস্থ শিশুগুলিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মুজফ্‌ফরপুরের শ্রীকৃষ্ণ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পিডিয়াট্রিক ইউনিটে, সেটি পিডিয়াট্রিক আইসিইউ হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য যেসব শর্তপূরণ হওয়া দরকার ছিল তা পূরণ করা হয়নি। এই ঘটনার দায় কে নেবেন? কেউ নেবেন না, সুতরাং আমরা দুষব ছোট সাদা সুস্বাদু ফল লিচুটাকে! ডাক্তাররা বলেছেন যেসব বাচ্চা রাতের খাবার খাবার খায়নি, লিচু খেয়ে কেবল তারাই অসুস্থ হয়েছে! এবং দয়া করে বলুন, ওই বাচ্চারা রাতের খাবার কী কারণে খায়নি? কারণ তারা গরিব এবং খাবার পায়নি। এর থেকে বড় বিপর্যয় এবং বেদনা আর কী হতে পারে? (২০০৮ থকে ২০১৪ সালের মধ্যে এনসেফেলাইটিসে মৃতের সংখ্যা ৬০০০।)
গুজরাতের ভদোদরার নিকটবর্তী এলাকার ঘটনা। দিন কয়েক আগে, একটি হোটেলের সেফটিক ট্যাঙ্ক সাফাই করতে নেমে সাতজন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। এই ধরনের হৃদয়বিদারক ঘটনা এই যে প্রথম ঘটল এমন নয়, এবং পরিতাপের বিষয় যে, এটাই শেষ ঘটনা হল বলেও আশা করতে পারি না। সেফটিক ট্যাঙ্ক সাফাই কোনও রকেট সায়েন্স নয়: এই কাজের জন্য অনেক মেশিন পাওয়া যায় এবং কেরলের একটি নতুন সংস্থা এই কাজের উপযোগী একটি ইন্ডিয়ার ভার্সন মেশিনও (বন্দিকুট) বার করেছে। যখন মানুষকে দিয়ে সেফটিক ট্যাঙ্ক এবং স্যুয়ারেজ সিস্টেম সাফাই করা ছাড়া উপায় থাকে না, সেখানে বিশেষ ধরনের পোশাক, মুখোশ এবং অক্সিজেন সিলিন্ডার দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই জরুরি সরঞ্জামগুলি দুষ্প্রাপ্য নয় এবং গুজরাতের অন্যতম ধনী জেলা ভদোদরা প্রশাসনের আর্থিক সামর্থ্যের বাইরেও নয়—তবু, সাতজন গরিব মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে দেওয়া হল। (২০১১-২০১৮ সালের ভিতরে ভারতের সব রাজ্যে এইরকম মৃত্যুর যতগুলি খবর নথিভুক্ত হয়েছে, তা থেকে সর্বমোট ১১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।)
হৃদয়বিদারক অবহেলা
আর-একটি অবিশ্বাস্য হৃদয়বিদারক পরিসংখ্যান হল: দিল্লিতে পথদুর্ঘটনায় রোজ গড়ে চারজনের মৃত্যু হয়। আপনি ধরে নিতে পারেন, আগামীকালও জনা-চারেক লোকের এইভাবে মৃত্যু ঘটবে। তার পরের দিন আরও চারজন মরবে। মৃত্যুর গড়পড়তা হিসেবটা এইরকমই চলতেই থাকবে। শুধু এক দিল্লিতেই এই অবস্থা। অথচ, সারা পৃথিবীতে সারা বছরে বিমানদুর্ঘটনায় মোট মৃত্যু যা ঘটে তা এর সামান্য এক ভগ্নাংশমাত্র! তা’হলে আমরা কেন বিমানভ্রমণে নিয়মের কড়াকড়ি করে সড়কপথে ভ্রমণে যত ছাড় দিয়ে বসে আছি? (২০১১-২০১৭ সালের ভিতরে দিল্লিতে পথদুর্ঘটনায় ১২,৭২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।)
আপনি কি কখনও দিল্লির বারাপুলা ফ্লাইওভারের উপর দিয়ে গিয়েছেন—এটি দিল্লি সরকারের পূর্ত বিভাগের একটি ‘গর্ব’ এবং এটি নির্মাণ করতে অনেক বছর সময়ও নেওয়া হয়েছিল? ফ্লাইওভারটা গড়পড়তা—ডিজাইন এবং এর উপর দিয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা মিলিয়ে গড়পড়তাই—কিন্তু নির্মাণের গুণমান যদি বলেন তো জঘন্য। শুধু ফ্লাইওভারের দু’ধারের প্যারাপেটের (কিনারা বরাবর নিচু পাঁচিল) দিকে তাকান দেখবেন কী পরিমাণ ফাটল, ভেঙেচুরেও পড়ছে কোথাও কোথাও, উচ্চতাও সব জায়গায় সমান নয়, স্ল্যাবগুলি সব জায়গায় ঠিকমতো জোড় খায়নি, প্লাস্টার এবং রং যা হয়েছে সেও ভয়ানক খারাপ এবং, সব মিলিয়ে কুচ্ছিত। তার পরেও এই ফ্লাইওভার সমস্ত প্রকার কোয়ালিটি টেস্টে পাশ করেছে, ঠিকাদারকে তাঁর প্রাপ্য টাকা মেটানো হয়েছে (এবং ধরে নেওয়া যায় যে তিনি আপ্যায়িতও হয়েছেন) এবং সেটির উদ্বোধন হয়েছে ২০১০ সালে। মেরামতির জন্য এটা যে বন্ধ করে রাখতে হবে সে আর বেশিদিন নেই।
সংকল্প ও রূপায়ণ
উপরের এই ঘটনাগুলির একটিতেও—আপনি না অন্যদের কথা ভাবতে পারবেন—না বলতে পারবেন যে কোথাও নীতিগত ব্যর্থতা ছিল। প্রত্যেকটি সরকারের পলিসি হল—হাসপাতাল নির্মাণ করা, তার স্বাস্থ্যবিষয়ক সমস্ত দিক সাজিয়েগুছিয়ে তোলা; মানুষকে দিয়ে সাফাই (ম্যানুয়াল স্কাভেনজিং) চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া; ট্রাফিক সংক্রান্ত নিয়মকানুন বলবৎ করবে এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে; শহর নগর প্রভৃতিকে উচ্চমানের পরিকাঠামোসহ সৌন্দর্যায়ন ঘটাবে; এবং এই যুগে আরও যা যা দরকার তারা করবে।
আইনসভা অথবা এক্সিকিউটিভ (অর্থাৎ মন্ত্রীরা) নীতিপ্রণয়ন করেন এবং, স্বভাবতই, তাঁরা চান যে সেই নীতি যথাযথভাবে রূপায়িতও হবে। কিন্তু সংকল্প এবং রূপায়ণের মধ্যে ব্যবধান যেটা সে দুস্তর। কেন? এটা আমাদের বলতে সঙ্কোচ হয়, কিন্তু অবশ্য করে বলাই দরকার: সরকারের (the Government with a capital G—আমরা এখানে ‘বড়’ সরকার বলব) ভিতর আর একটি সরকার (the Government with a small g—আমরা এখানে ‘ছোট’ সরকার বলব) আছে। এখানে ‘ছোট’ সরকারটি ‘বড়’ সরকারটিকে, একইসঙ্গে জনগণকে ব্যর্থ করে দিয়েছে, অনন্ত ভারতের ক্ষেত্রে কথাটি খাটে।
দু’টি বিপরীত দৃষ্টান্তের মাধ্যমে এটা বোঝাতে পারি। ডিমনিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণ ছিল পলিসিগত দিক থেকে এক বিরাট ভুল (পলিসি ব্লান্ডার); এমন পলিসি নিতে যেসব মন্ত্রী প্ররোচনা দিয়েছিলেন এবং তা ‘বড়’ সরকারকে দিয়ে কার্যকর করিয়েছিলেন, তার দায়টাও তাঁদের অবশ্যই নিতে হবে। অন্যদিকে, পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটি দারুণ পলিসি। এই জিএসটি যদি বিমুদ্রাকরণের মতোই দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তবে তার দায়টা ‘ছোট’ সরকারটির উপরেই বর্তায়।
‘স্বচ্ছ ভারত’ একটি দারুণ পলিসি, কিন্তু রাজ্যের এবং গ্রামের খোলা স্থানে শৌচকর্ম (ওডিএফ) সম্পর্কে স্টেটাস রিপোর্টে যে মিথ্যে পরিসংখ্যান প্রদান সেটা হল ‘ছোট’ সরকারের জোচ্চুরি। ‘উজ্জ্বলা’ও একটি ভালো পলিসি, কিন্তু বছরে তিনটি করে রিপ্লেসমেন্ট সিলিন্ডার দেওয়ার যে ব্যবস্থা সেটা হল ‘ছোট’ সরকারের একটি ব্যর্থতা।
আমরা কিন্তু ভোটটা দিই ‘বড়’ সরকারের কথা মাথায় রেখে। তার ভিতরে এই যে ‘ছোট’ সরকারটি তার উপরে মানুষের কোনও নিয়ন্ত্রণই নেই। তাকে বাছাই করা ও নিয়োগ করা, তার প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন, পোস্টিং, অ্যাপ্রাইজাল অথবা প্রমোশন প্রভৃতি কোনও ব্যাপারেই আমাদের করণীয় কিছু থাকে না। এইভাবে আমরা চলতে পারি না। এই ‘ছোট’ সরকারটাকে আমরা অবশ্য করে আমূল বদলে ফেলব। ঠিক যেভাবে আমরা ‘বড়’ সরকারটাকে এবং তার ভোগদখলদারদেরকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পুরস্কৃত করে অথবা শাস্তি দিয়ে থাকি, আমাদের অবশ্যই একটি উপায় বার করতে হবে যাতে একইভাবে পাঁচ বছর অন্তর অথবা তারও আগে ‘ছোট’ সরকারকে এবং তার ভোগদখলদারদেরকে পুরস্কৃত করতে অথবা শাস্তি দিতে পারি।
আজ আমরা যে প্রধান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছি সেটা পলিসি তৈরি সংক্রান্ত নয়। চ্যালেঞ্জটা একেবারেই হল—দক্ষতার সঙ্গে, অর্থনৈতিক সাশ্রয়ের সঙ্গে এবং সুচারুরূপে পলিসির রূপায়ণ। 
24th  June, 2019
আম আদমির বাজেট প্রত্যাশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কর্পোরেট কর ২৫ শতাংশ, আর ব্যক্তিগত আয়কর ৩০ শতাংশ... এটা তো হতে পারে না! কাজেই আসন্ন বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের দিক থেকে সাধারণ চাকরিজীবীরা লাভবান হতে পারেন। তাও বিষয়টা সম্ভাবনা আকারেই আছে। তার কারণ, লোকসভা নির্বাচন সদ্য শেষ হয়েছে। আগামী চার বছর তো মোদি সরকার নিশ্চিন্ত! এখনই আয়করে বড় ছাড়ের মতো ঘোষণা করে দিলে ভোটের আগে কী হবে?এই প্রশ্ন আপাতত শনিবার পর্যন্ত সিন্দুকে তোলা থাক।
বিশদ

সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর। ২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮।  বিশদ

26th  January, 2020
সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। 
বিশদ

26th  January, 2020
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

25th  January, 2020
মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

25th  January, 2020
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
একনজরে
গোয়ালিয়র, ২৭ জানুয়ারি (পিটিআই): মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র সেন্ট্রাল জেলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করল এক বন্দি। নাম নরোত্তম রাওয়াত। গত ২৩ জানুয়ারি থেকে জেলে ছিল সে। রবিবার রাতে জেল চত্বরের একটি গাছ থেকে নরোত্তমের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।  ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট প্রশ্নে ফ্রন্টের বড় শরিক সিপিএমের সঙ্গে আর কোনও তিক্ততা নয়। তাই আসন্ন আলিপুরদুয়ার পুরভোটে বামফ্রন্টের সঙ্গে কংগ্রেস থাকলেও শরিক আরএসপি’র কোনও অসুবিধা নেই।   ...

বিএনএ, বারাসত: রবিবার ভোর রাতে বসিরহাটের সংগ্রামপুরে ট্রাক চাপা পড়ে এক পুলিস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম দিলীপ বিশ্বাস (৫২)। তাঁর বাড়ি গাইঘাটা থানা এলাকায়। ঘাতক লরির চালক ইন্দাদুল শেখ ও খালাসি আতিউল রহমানকে পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। তাদের বাড়ি মুর্শিদাবাদ ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর আই লিগে শেষ ছ’টি ম্যাচের একটিতেও হারেনি ট্রাউ এফসি। তবুও গড়াপেটার অভিযোগে কোচ দিমিত্রিস দিমিত্রিউকে বরখাস্ত করল মণিপুরের ক্লাবটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাউয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘দিমিত্রিসকে কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শিক্ষার জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন। প্রেম-প্রণয়ে নতুন যোগাযোগ হবে। বিবাহের কথাবার্তাও পাকা হতে পারে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৫৬:দ্বিতীয় মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যু
১৮৬৫: স্বাধীনতা সংগ্রামী পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রাইয়ের জন্ম
১৮৯৮: ভারতের মাটিতে পা রাখলেন ভগিনী নিবেদিতা
১৯২৫: বিজ্ঞানী রাজা রামান্নার জন্ম
১৯৩০: গায়ক যশরাজের জন্ম
১৯৩৭: গায়িকা সুমন কল্যাণপুরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৩২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৭৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) তৃতীয়া ৫/৩ দিবা ৮/২২। শতভিষা ৭/৩৪ দিবা ৯/২৩। সূ উ ৬/২১/২১, অ ৫/১৭/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৬ গতে ১১/২২ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৬ গতে ৮/৩৪ মধ্যে।
১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ০/৪৫/৪৫ প্রাতঃ ৬/৪২/৩৩। শতভিষা ৪/৩৯/৩৪ দিবা ৮/১৬/৫। সূ উ ৬/২৪/১৫, অ ৫/১৬/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালবেলা ১/১১/৫৩ গতে ২/৩৩/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৪/৫৬ গতে ৮/৩৩/২৫ মধ্যে।
২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 চন্দননগরে সরস্বতী প্রতিমা কিনে এনে আত্মঘাতী সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র
বুধবার সরস্বতী পুজো। মঙ্গলবার বাবার সঙ্গে গিয়ে আনন্দ করেই সরস্বতী ...বিশদ

03:59:00 PM

ট্যুইটে আক্ষেপ রাজ্যপালের
সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় আমার মনে সম্মানের বিষয়টিই ...বিশদ

02:32:28 PM

এবার ক্যানভাসে সিএএ-র প্রতিবাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

02:16:00 PM

এই প্রথম বারুইপুর আদালতে ফাঁসির নির্দেশ
এই প্রথম ফাঁসির নির্দেশ দিল বারুইপুর আদালত। আজ এই আদালতে ...বিশদ

01:56:00 PM

 শিক্ষকদের জন্য সুখবর মমতার
শিক্ষকদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা রাজ্যের। ট্যু ইট করে সেই ...বিশদ

01:51:21 PM

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরেই গেলেন রাজ্যপাল 
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ না দিয়ে ফিরে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। ...বিশদ

01:42:00 PM