Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ডাক্তার আন্দোলন: জয় পরাজয় নয়, হাসপাতাল সমস্যা সমাধানই লক্ষ্য হোক
শুভা দত্ত

এত বড় একটা সমস্যার এমন সহজ সাবলীল সমাধান, সপ্তাহব্যাপী অনড় অচলাবস্থার এমন অনায়াস অবসান বোধহয় এ রাজ্যের শাসক-বিরোধী কোনও মহলই ভাবতে পারেননি। রাজ্যের স্বাস্থ্যপরিষেবার উপর ঘনিয়ে ওঠা অমন অতল কালো মেঘ যে এমন এক লহমায় সরে যাবে এবং থমকে থাকা সরকারি হাসপাতাল স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো ফের যে অমন দ্রুততায় স্বাভাবিক কর্মচাঞ্চল্যে ভরে উঠবে, সিনিয়র জুনিয়রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বে রোগীসেবায় তা বিরোধীরা তো বটেই, শাসকশিবিরের অনেকেও হয়তো মন থেকে বিশ্বাস করে উঠতে পারেননি। অথচ, সেটাই ঘটল এবং এবারও সেই অসাধ্য সাধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অবশ্য, এনআরএসে দুষ্কৃতী হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের লাগাতার আন্দোলন থামিয়ে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে আনতে শেষ ভরসা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাই। কারণ, ডাক্তার আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি তখন এমন জটিল আকার নিয়েছে যে, সকলেই বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া কারও পক্ষেই ওই সমস্যা মেটানো সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা রাজ্যপাল উপদেশ দিতে পারেন, নানান জনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন, তবে কার্যক্ষেত্রে সমস্যা মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া মেটা মুশকিল। কিন্তু, অবস্থা যখন চরমে, রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে আন্দোলনের ঢেউ যখন ছড়িয়ে পড়েছে দিল্লি সমেত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, বাস্তব পরিস্থিতি সরজমিনে দেখতে-বুঝতে মূল ঘটনাকেন্দ্র এনআরএসে না গিয়ে পিজিতে যাওয়ায় আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের ক্ষোভ অভিমানের মুখে তখন তিনিও!
তাহলে? কীভাবে মিটবে আন্দোলন! কে মেটাবেন? ডাক্তারের অভাবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে স্বাস্থ্যপরিষেবা তলানিতে। চিকিৎসা না পেয়ে সাধারণ রোগীরা অথৈ জলে। বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠছে। বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা তাঁর সমমনোভাবাপন্নেরা রোগীসেবা চালু রেখে আন্দোলনের অনুরোধ জানাচ্ছেন। তাতে আন্দোলনরত জুনিয়রেরা বা তাঁদের সমর্থনে এগিয়ে আসা সিনিয়রেরা কেউ কর্ণপাত করছেন না। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রাজ্যের শিক্ষাস্বাস্থ্য দপ্তর বা ডাক্তার সংগঠনের কর্তা-নেতাদের বৈঠক করার চেষ্টা দফায় দফায় ব্যর্থ হচ্ছে। উল্টে নির্মল মাজি শান্তনু সেনদের মতো ডাক্তার নেতারা আন্দোলনকারীদের অসন্তোষ ও কঠিন বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন। আন্দোলনে বাড়তি ইন্ধন জোগাতে শুরু করেছে সরকারি হাসপাতালের বড় বড় ডাক্তারবাবুদের গণইস্তফা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন যে শাসক-বিরোধী থেকে আমজনতা—সব মহলেই একরকম অকূল পাথারে! রাজ্যের হাসপাতাল সমস্যা কবে মিটবে, কীভাবে মিটবে, কে মেটাবেন কেউই যেন বুঝেই উঠতে পারছেন না! সঙ্গত কারণেই দুশ্চিন্তা গভীরতর হচ্ছে বাংলার ঘরে ঘরে, বিশেষত, অসহায় সাধারণ রোগী ও তাঁদের আত্মীয় পরিজনেদের মধ্যে। দিল্লির এইমস সমেত দেশের বিভিন্ন নামজাদা হাসপাতালের চিকিৎসকেরা পশ্চিমবঙ্গের জুনিয়র ডাক্তারদের সমর্থনে আন্দোলন প্রতিবাদে নামতে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের সাধারণ মানুষজনের মধ্যে উদ্বেগ অনিবার্যভাবেই আরও বাড়ছিল। অনেককেই বলতে শোনা গেছে—এবার কী হবে? সব কিছু হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে না তো?!
তখনই অবশ্য এই কলমে লেখা হয়েছিল, সমাধান একটা হবেই। হতেই হবে। স্বাস্থ্যপরিষেবার মতো এমন অত্যাবশ্যক গুরুত্বের ক্ষেত্র আন্দোলনের জেরে দিনের পর দিন কিছুতেই বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। হাজার হাজার মরণাপন্ন রোগী কিছুতেই এভাবে সম্পূর্ণ বিনা দোষে পরোক্ষ লাঞ্ছনার শিকার হতে পারেন না। গত রবিবার এই লেখা প্রকাশের পরদিনই সেই ‘চমৎকার’ ঘটল এবং অনিবার্যভাবেই তা ঘটালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিদাওয়ার প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে এবং হাসপাতালের অন্দর-বাহিরের নিরাপত্তা সমেত যাবতীয় সমস্যা সমাধানে সরকারি সক্রিয়তার পূর্ণ আশ্বাস দিয়ে নবান্নে এক মিটিংয়েই বাজিমাত করলেন মমতা। জুনিয়র সিনিয়র নির্বিশেষে সমস্ত চিকিৎসক মুখ্যমন্ত্রী মমতার ভূমিকা ও সদর্থকতায় অভিভূত হয়ে একবাক্যে তুলে নিলেন আন্দোলন। আর তার ফলে দিনের পর দিন অচল হয়ে থাকা রাজ্যের হাসপাতাল স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে রাতারাতি সচল হল পরিষেবা, দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা করাতে আসা শিশু, বৃদ্ধ নারীপুরুষ গরিবগুর্বো হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন, টিভিতে তাঁদের চোখ-মুখই বলে দিচ্ছিল— দুঃখের আঁধার রাত্রি কেটে গেছে।
কিন্তু, মজার ব্যাপার—মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার স্ট্রোকে হাসপাতালের অচলাবস্থা দূর হতেই দেখলাম রাজনীতি ও তৎসংলগ্ন বিভিন্ন মহলে একশ্রেণীর লোক ওই টানাপোড়েনের নিষ্পত্তিতে কার জয় হল, কে ‘নতিস্বীকার’ করল তাই নিয়ে তরজায় মেতেছেন! এবং অনেক ক্ষেত্রেই বলতে শুনলাম, চাপে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী নাকি ‘নতিস্বীকার’ করলেন আর নৈতিক জয় হল জুনিয়র ডাক্তারদের। সিপিএমের মুখপত্র ‘গণশক্তি’ বিরাট বড় টাইপে প্রথম পাতায় লিখল—‘মাথা নোয়ালো নবান্ন’! কেন? না, আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের শর্ত মেনে (মানে মিটিংটার লাইভ টেলিকাস্টের ব্যবস্থা করা, ডাক্তারদের ১২ দফা দাবি মেনে নেওয়া ইত্যাদি!) মুখ্যমন্ত্রীকে সব ব্যবস্থা করতে হল! হাসপাতালের নানান সমস্যার কথা শুনতে হল— আশ্বাস দিতে হল দ্রুত সমাধানের! ভাবুন কাণ্ড! যেন ওদের ওইসব সাধারণ দাবি না মেনে, সমস্যার কথা না শুনে হাজার হাজার অসহায় অসুস্থ মরণাপন্ন মানুষকে আরও অসহায়তার দিকে ঠেলে দিয়ে গোঁ-ধরে বসে থাকলেই মুখ্যমন্ত্রী ভালো করতেন! সেটাই যেন প্রত্যাশা করেছিলেন কেউ কেউ! আহাম্মক আর কাকে বলে! হাজার হাজার রোগীর চরম ভোগান্তি দেখেও মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে
বসে থাকবেন আর ধান্দাবাজেরা আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের শিখণ্ডী করে ঘোলা জলে মাছ ধরে বেড়াবেন, রাজনৈতিক ফায়দা লোটায় মত্ত হবেন! কী মজা!
কিন্তু তাই কি হয়! হতে পারে!? হতে যে পারে না সেটা তো মুখ্যমন্ত্রীর সদিচ্ছা সক্রিয়তা শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করে দিয়েছে। তাতেও নাছোড় আহাম্মকরা। রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থা কতটা বেহাল, ডাক্তার নিরাপত্তা কতটা শিথিল ইত্যাদি প্রভৃতি নানান কিছু ঠারেঠোরে দেশ-রাজ্যের জনতাকে বোঝাবার চেষ্টা করে চলেছেন তাঁরা। অথচ তাঁরা এটা বলছেন না যে, জুনিয়র ডাক্তারেরাও সদিচ্ছার পরিচয় রেখে বৈঠকের স্থান নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছেটা মেনে নিয়েছেন। ডাক্তারেরা তো নবান্নের নাম শুনে প্রথমে অন্য কোনও ‘নিরপেক্ষ’ জায়গার দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু শেষ অবধি নবান্ন তো তাঁরাও মেনেছেন? তাহলে কি এটা সরকারের সামনে তাঁদের ‘নতিস্বীকার’ হল? মাথা নোয়ানো হল, হার হল! নাকি এতদ্বারা প্রমাণিত হল যে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো আন্দোলনরত জুনিয়র সিনিয়র ডাক্তারবাবুদেরও রোগীসেবার স্বার্থে আন্দোলন শেষ করে কাজে নামার একটা তাগিদ ছিল, সদিচ্ছা ছিল। আপনারাই বলুন।
বলতে কী, এ রাজ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন নতুন নয়। রোগীর আত্মীয়পরিজন বা বহিরাগত দুষ্কৃতীদের হাতে ডাক্তার নিগ্রহও নতুন না। এবং তা নিয়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ আন্দোলনও কম দেখেনি এই বাংলা। জ্যোতিবাবুর আমল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানা—জুনিয়র ডাক্তার আন্দোলনের ট্র্যাডিশন যে বহাল আছে সাম্প্রতিক ঘটনা তারই প্রমাণ। সেইসঙ্গে এটাও বলতে হয় অতীতেও আন্দোলন শেষ হয়েছে সমস্যা সমাধানের সরকারি আশ্বাসে কিন্তু কাল ঘুরতেই বোঝা গেছে সেই আশ্বাসে কাজের কাজ খুব কিছু হয়নি। এবারও হবে কি না সেটা সময়ই বলবে। তবে, এবারের বৈঠকের একটা বৈশিষ্ট্য আছে। মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং অন ক্যামেরা এই বৈঠক করেছেন। এমনটা জ্যোতি বসুই হোন কি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য— বাম জমানায় যতদূর মনে পড়ছে একটি ব্যতিক্রম ছাড়া দেখা যায়নি। দ্বিতীয়ত, সিপিএমের আমলে হাসপাতাল পরিষেবার পরিকাঠামো পরিধি, হাসপাতালের সংখ্যা, অত্যাধুনিক চিকিৎসার যন্ত্রপাতির পরিমাণ ও রোগীদের কাছে তার সহজলভ্যতা, বিনামূল্যের চিকিৎসা, ওষুধপত্র ইত্যাদি আজকের মতো এত ছিল কি? বলছি না যে বাম আমলে সরকারি হাসপাতালে মানুষ চিকিৎসা পেতেন না, নিশ্চয়ই পেতেন। কিন্তু, গত সাত-আট বছরে সেই চিকিৎসার সুযোগ যে মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষজনের কাছে অনেক বেশি সহজপ্রাপ্য করে তুলতে পেরেছেন— সেই সত্য অস্বীকার করা যাবে কি?
তার মানে অবশ্যই এই নয় যে, রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোতে তেমন কোনও সমস্যা নেই। সাম্প্রতিকে ডাক্তার নিগ্রহের বেশ কয়েকটি ঘটনা প্রমাণ করেছে— সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যথেষ্ট গলদ আছে। সংশ্লিষ্ট পুলিসের ভূমিকাও অনেক ক্ষেত্রে সন্তোষজনক নয়। পুলিসি নিষ্ক্রিয়তায় কোনও কোনও ক্ষেত্রে হাসপাতাল কার্যত এক শ্রেণীর গুন্ডাপ্রকৃতির মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ। সেইসঙ্গে রোগীর বিপুল চাপ সামলাতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তারের অভাব, ওষুধপত্রের জোগানের অভাব, দালালদের দাদাগিরি রোগী ও তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে হাসপাতালের ডাক্তার কর্মী কর্তাদের একাংশের দুর্ব্যবহার ইত্যাদি হরেক সমস্যা তো আছেই। মুখ্যমন্ত্রী গত সোমবারের বৈঠকে কোনও সমস্যাই কিন্তু এড়িয়ে যাননি। নিরাপত্তা জোরালো করতে তো ইতিমধ্যেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে শুনেছি। বাকিগুলোর সমাধান হতেও দেরি হবে না— অন্তত স্বাস্থ্যশিক্ষা দপ্তরের তথ্যভিজ্ঞরা তেমনই মনে করছেন।
এই অবস্থায় রাজ্যবাসী সাধারণের মতো
আমাদেরও বক্তব্য একটাই, ডাক্তার আন্দোলনে জয় পরাজয়ের হিসেব কষা নয়, রাজনীতি নয়। রাজ্যের হাসপাতাল সমস্যা সমাধানই লক্ষ্য হোক। মানুষ আধুনিক চিকিৎসার যাবতীয় সুযোগ পাক। তাই না?
23rd  June, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

সংবাদদাতা, কালীগঞ্জ: দৌড় প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অংশ নিয়ে কালীগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করতে চায় সুতপা মণ্ডল। পরিবারে অভাবকে হার মানিয়ে ইচ্ছা শক্তির জোরে আগামী দিনে দৌড় প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলায় সফল হতে চায় লাখুরিয়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। বাবা ...

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর, বিএনএ: গত পাঁচ বছরে কৃষ্ণনগরের পকসো আদালতে প্রায় ৫০০ মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে ‘প্রিভেনশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সসেস’ বা পকসো আইন চালু হয়েছে। কৃষ্ণনগরে এই বিশেষ আদালত চালু হয়েছে ২০১৪ সালে। ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM