Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোবাইল সেট নিয়েও যুদ্ধ?
বিশ্ব অর্থনীতির নয়া রণক্ষেত্র
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সোশ্যাল মিডিয়া ‘ওয়েইবো’তে এই মুহূর্তে কী ঘটছে, তা কলকাতার মাটিতে বসে আঁচ পাওয়া অসম্ভব। ঘটনা হল, আমেরিকা-বিরোধী উত্তেজনায় ওয়েইবো এখন রীতিমতো রণক্ষেত্র। কিছুদিন আগে ভারতে চীনের পণ্য বয়কট আন্দোলন নিয়ে ওয়েইবোতে হাসাহাসি হলেও এখন তারাই মার্কিন পণ্য বয়কটের ডাক দিচ্ছে। চীনের প্রযুক্তি কোম্পানি হুয়েই-র বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিধিনিষেধ আরোপ করায় জোর খেপেছে চীনের নাগরিকরা। তারা বয়কট করতে চাইছে আমেরিকান কোম্পানি অ্যাপলকে। ওয়েইবোতে নিজস্ব আইডিতে অনেকে অ্যাপলের আইফোন ভেঙে ফেলার ভিডিও আপলোড করছে। কোনও ভিডিওতে দেখানো হচ্ছে, বিভিন্ন সংস্থায় কর্তারা কর্মচারীদের ডেকে বলছেন, আইফোনের বদলে হুয়েই-র ফোন ব্যবহার করলে বোনাস দেওয়া হবে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতেই পারে, আমেরিকা-চীনের মধ্যে এক ‘ফোন-যুদ্ধ’ চলছে। এ আসলে বাজার দখলের লড়াই। এই দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যে মহাসংঘাত যে বিশ্ব ইতিহাসের অতীতের সব যুদ্ধের চেয়ে প্রযুক্তিগত ও উপাদানে ভিন্ন কিছু হবে, তারই বহিঃপ্রকাশ হল অ্যাপল বনাম হুয়েই-র সম্প্রতি প্রতীকী লড়াই। একসময় যে লড়াইয়ের আঁচ এসে পড়বে এই ভারতেও।
হুয়েই চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি নয়। যদিও আমেরিকার কাছে তারা চীনের ‘উত্থানের প্রতীক’। এটা হয়তো শুধু এই কারণে নয় যে, কোম্পানিটির এখনকার সিইও রেন ঝেংফেই একসময় পিপলস লিবারেশন আর্মিতে কাজ করতেন। কে না জানে, হুয়েই-র বিরোধিতা আসলে বিশ্ববাজারে টিকে থাকার জন্য আমেরিকার প্রতিদিনের সংগ্রামেরই নতুন অধ্যায় মাত্র। খ্যাতনামা ফোন ব্রান্ড হলেও হুয়েই-র শুধু স্মার্টফোন বানায় না। যোগাযোগপ্রযুক্তির নানা যন্ত্রপাতি তৈরিতে তারা অন্যতম বিশ্বসেরা। অ্যাপল থেকে গুগল—চীনের মক্কেলদের তালিকায় কেউ বাদ নেই। বড় বড় এই প্রতিষ্ঠানের কাছে চীন জনপ্রিয় সস্তা শ্রমের জন্য। ফোন ব্যবসায় যদিও হুয়েই এখনও স্যামসাংয়ের থেকে পিছিয়ে। কিন্তু ইতিমধ্যে তারাই আমেরিকার চক্ষুশূল হয়ে গিয়েছে। তার কারণ একটাই, গত বছর অ্যাপলকে পিছনে ফেলে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে চলে যাওয়া। আমেরিকার এখনকার নীতিনির্ধারকরা হুয়েইকে নিজেদের ‘নিরাপত্তার জন্য বিপদ’ মনে করছেন। তাদের সঙ্গে ব্যবসা না করার জন্য নিজেদের দেশের কোম্পানিগুলোকে বলছেন।
সরাসরি নাম না করেই গত ১৫ মে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি ব্যবসায় একরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। একে ‘জরুরি অবস্থা’র সঙ্গে তুলনা করেছেন ট্রাম্প নিজেই। ফলে, হুয়েই-র মতো চীনের প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো আমেরিকা থেকে চিপসহ কোনও প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার আমদানি করতে পারবে না। সমস্যায় পড়বে সফটওয়্যার নিয়েও। শুধু তাই-ই নয়, আমেরিকার শীর্ষ মহল থেকে প্রচার চালানো হচ্ছে যে, হুয়েই-র প্রযুক্তির মাধ্যমে মার্কিন নাগরিকদের উপর গোয়েন্দা নজরদারি চালাচ্ছে চীন। যদিও এখনও তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। তবুও, চীনের নজরদারি কথা বলে সাধারণ নাগরিকদেরও এই যুদ্ধে জড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে হুয়েই-র মোবাইল সেটগুলো স্রেফ খেলনায় পরিণত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন হুমকির জেরে যে তাদের বিক্রি বড় ধাক্কা খেয়েছে তা স্বীকার করেছে চীনা টেলিকম সংস্থা হুয়েই। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও রেন ঝেংফেই জানিয়েছেন, উৎপাদন কমানো ছাড়া আর কোনও পথ নেই।
সোভিয়েত ইউনয়ন ভেঙে পড়ার ৩০ বছর পর এভাবেই বিশ্ববাজারে নিজের এতদিনের একচেটিয়া সাম্রাজ্য রক্ষায় নতুন এক রেষারেষিতে নেমেছে ওয়াশিংটন। অথচ, এই আমেরিকাই বহুকাল থেকে মুক্তবাণিজ্যের কথা বলে এসেছে। আর নিজের ক্রেতাদের পছন্দের স্বাধীনতাই সর্বাগ্রে হরণ করেছে। এটা অবশ্য মোটেই অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ‘প্রেম এবং যুদ্ধে যেকোনও কৌশলই গ্রহণযোগ্য!’ চীনের অর্থনৈতিক উত্থান থামাতেই যে এসব পদক্ষেপ, সেটা গোপন নেই আর। অভিযোগ উঠেছে, মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মেধাস্বত্ব চুরি করছে চীন। আমেরিকার প্রযুক্তি স্থানান্তর করছে তারা। রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত কোম্পানিগুলোর সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছে না। নিজের দেশের মুদ্রা নিয়ে ষড়যন্ত্র করে বাণিজ্যিক সুবিধা নেওয়ার মতো কাজগুলো করছে চীন। মার্কিন নীতির তোয়াক্কা না করে চীনের বেড়ে ওঠার বিষয়টিতে প্রক্রিয়াগত চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করেছেন ট্রাম্প। অন্য কোনও মার্কিন রাজনীতিবিদ এতদিন তা বুঝতেই পারেননি। ট্রাম্পের তত্ত্ব হচ্ছে, মার্কিন মজবুত অর্থনীতি চীনকে মাথা নোয়াতে বাধ্য করবে। তিনি ট্যুইট করেছেন, ‘তারা হারছে এবং হারবে।’
গত বছরের এপ্রিলে চীনের হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান জেডটিই-এর উপর প্রথম আঘাত হেনেছিল আমেরিকা। ওই সময় নিষেধাজ্ঞার চোট সামলাতে না পেরে প্রায় ধ্বংসের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল জেডটিই। পরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, আমেরিকার মূল উদ্দেশ্য হল বাজার ও অর্থনীতির উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণের জানান দেওয়া এবং চীনকে দাবিয়ে রাখা। তবে জেডটিইর ক্ষেত্রে যে কৌশল কাজে দিয়েছিল, সেটি হুয়েই-র ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই। আমেরিকার লক্ষ্য শুধু হুয়েই-র মোবাইল সেট নয়। সারা বিশ্বে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক বিস্তারের ক্ষেত্রে মূল যন্ত্রাংশ সরবরাহের কাজে এগিয়ে রয়েছে হুয়েই। ফাইভ-জি মোবাইল নেটওয়ার্কের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট আছে হুয়েই-র দখলে। এই জায়গাতেও নিয়ন্ত্রণ নিতে চায় আমেরিকা।
আমেরিকার অঙ্গুলিহেলনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাদের ফাইভ-জি নেটওয়ার্ককে হুয়েই ও জেডটিইমুক্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিসেম্বরে কানাডায় হুয়েইর বড় এক কর্তার আটক হওয়াও আমেরিকার চীনবিরোধী বাণিজ্যযুদ্ধেরই বহিঃপ্রকাশ ছিল। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক সংস্থা হুয়েই-এর বিরুদ্ধে এক গুচ্ছ ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ এনেছে আমেরিকা। মোট ২৬টি অভিযোগের মধ্যে আছে, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ব্যাঙ্ক দুর্নীতি এবং নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার মতো বিষয়গুলি। যদিও সব ক’টি অভিযোগই অস্বীকার করেছে চীনা সংস্থা হুয়েই। এই মুহূর্তে কানাডায় নজরবন্দি এই সংস্থার চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) মেং ওয়াংজু।
আমেরিকা কানাডাকে বাধ্য করেছিল ওই মেং ওয়াংজুকে আটক করতে। এই মুহূর্তে পায়ে একটি ডিজিটাল যন্ত্র লাগিয়ে তাঁকে আক্ষরিক অর্থেই নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। এখন হুয়েই-র কর্তা মেং ওয়াংজুকে নিজের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। ট্রাম্পের চাপে হুয়েই-র অ্যান্ড্রয়েড লাইসেন্সও টেনে ধরেছে গুগল। মাইক্রোসফট উইনডোজ লাইসেন্স নিয়ে নেয় কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা-কল্পনা। আমেরিকা তার ঘনিষ্ঠ সব মিত্রকে বলছে চীনের কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে। রাজনৈতিক স্বার্থে চীনের পণ্য সম্পর্কে নগ্নভাবেই ভীতি ছড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন, এমন অভিযোগ তুলেছে বেজিং। তাঁদের দাবি, চীনা কোম্পানিদের উপর এই মার্কিন জুলুম বন্ধ হোক। তবে শুধু হুয়েই কালো তালিকার একমাত্র প্রতিষ্ঠান নয়। নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, এই তালিকা আরও লম্বা হবে। এতে যুক্ত হবে হাইকেভিশন। চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি চালানোর কাজে জি জিনপিংয়ের সরকারকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে হাইকেভিশন।
মার্কিন বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের আগের প্রেসিডেন্টরা যা পারেননি, ট্রাম্প সেটাই করে দেখিয়েছেন। চীনকে বশে আনতে টুঁটি চেপে ধরেছেন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়েই-র। ট্রাম্প–সমর্থকরা বলছেন, তাঁর নীতিতেই বশ মানবে চীন। বাণিজ্য চুক্তি থেকে লাভবান হবে আমেরিকা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করে বিদেশি শত্রুদের তৈরি যন্ত্রাংশ আমেরিকায় ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আমেরিকা বাণিজ্য দপ্তর তাঁর নির্দেশ অনুসরণ করে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়েইসহ কয়েক ডজন প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এসব প্রতিষ্ঠান আমেরিকায় যন্ত্রাংশ কেনাবেচা করা ও কোনও পরিষেবা দিতে পারবে না। এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী। ট্রাম্পের সমর্থকরা প্রচার করছেন যে, ট্রাম্পই চীনের উপর এতটা কঠোর হতে পারেন এবং পেরেছেন। রোনাল্ড রেগ্যান যেভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে কঠোর হতে পেরেছিলেন, ট্রাম্পকে এখন তাঁর সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে যে নীতিতে অগ্রসর হচ্ছে, একে তাঁর ‘বিজয়’ বলা যায়। চীনকে ভাতে মারার কৌশল নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
কিন্তু, তা সত্ত্বেও অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করছেন, চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে বিপদে পড়বে আমেরিকা নিজেও। ‘ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড ইনোভেশন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক সম্প্রতি জানিয়েছে, রপ্তানির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কারণে আগামী পাঁচ বছরে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রি বিপুল পরিমাণে কমে যেতে পারে। অঙ্কের হিসাবে যা প্রায় ৫৬ বিলিয়ন ডলার। আরও এক হিসেবে দেখা গিয়েছে, চীনা প্রতিষ্ঠানের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় আমেরিকার প্রতিষ্ঠানগুলো বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার হারাতে পারে। চিপ ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশের লাইসেন্স ফি বাবদ চীনা কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করত মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলো। সারা বিশ্বের অসংখ্য হার্ডওয়্যার প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদনের জন্য চীনের উপর নির্ভরশীল। এই বিশাল বাজারের আর্থিক মূল্য প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ডলার।
উদাহরণ হিসেবে অ্যাপলের কথা বলা যায়। এই মার্কিন প্রতিষ্ঠানটির লাভের এক-পঞ্চমাংশ আসে চীন থেকে। ট্রাম্পের প্রযুক্তি যুদ্ধে অ্যাপলের লাভের অঙ্ক তাই তরতর করে নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, সবচেয়ে বড় বিপদে পড়তে চলেছে এশিয়ার অনেক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। মার্কিন প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয় বলে ট্রাম্পের দেশের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। আমেরিকা এখন তাদের বলছে যে চীনকে বয়কট করতে হবে। ওদিকে এসব প্রতিষ্ঠানের অন্যতম বড় মক্কেল হল চীন। যেমন- তাইওয়ানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টিসিএমসি ও ফক্সকন পড়েছে শাঁখের করাতে। আমেরিকা ও চীন—এই দুই দেশেই তাদের মক্কেল আছে। একই অবস্থায় আছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। চীনকে ছেড়ে দিলে তাদের গুনতে হবে বিশাল অঙ্কের লোকসান, আর চীনকে ধরে রাখলে ভ্রু কোঁচকাচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। স্মার্টফোন থেকে মেডিক্যাল ডিভাইস, সব সামগ্রীর খুচরো যন্ত্রাংশেরও ক্ষেত্রেই একই অবস্থা। অন্য দেশের অনেক ব্রান্ডই কার্যত চীন থেকে খুচরো যন্ত্রাংশ নেয়। ইলেকট্রনিকস সামগ্রীর পুরো সাপ্লাই চেনের অনেকখানি চীনের নিয়ন্ত্রণে। অর্থাৎ বিশ্বের অর্থনৈতিক সাপ্লাই চেনেই একটি বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে চলেছে।
প্রশ্ন হল, এর জবাবে কী করবে চীন? ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকৃতিতে পাওয়া বিরল ধাতুর উৎপাদনে অন্য সকলের চেয়ে এগিয়ে চীন। স্মার্টফোন, ব্যাটারি, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য প্রযুক্তিপণ্য তৈরিতে প্রয়োজন হয় এই সব বিরল ধাতু। এগুলোর উৎপাদনের ৯০ শতাংশই চীনের অবদান। আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার জবাবে বিরল ধাতুর সরবরাহে রাশ টানতে পারে চীন। সে ক্ষেত্রে পুরো প্রযুক্তি খাত ও সামরিক উৎপাদনেই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাছাড়া চীন এখন চুপিচুপি তার বিকল্প বাজার তৈরিতে ব্যস্ত। তবে চীনের ক্ষোভও গোপন নেই। তাদের এক কূটনীতিবিদ ঝাও লিজিয়ান ট্যুইটারে এও বলে ফেলেছেন, আমেরিকার উচিত হুয়েই-র লোগো ভালো করে দেখা। অ্যাপলকে ঠিক এভাবেই টুকরো টুকরো করা হবে। কাকতালীয় হলেও সত্য, হুয়েইর লোগোকে মনে হয় অ্যাপলের লেগোর কয়েকটি খণ্ডাংশ। আদতে প্রযুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে আমেরিকা, তাতে করে চীনের আত্মনির্ভরশীল হওয়া ছাড়া অন্য কোনও বিকল্প নেই। ট্রাম্প হয়তো ভাবছেন, এভাবেই বিশ্বে আধিপত্য ধরে রাখা যাবে। কিন্তু এই ধাক্কায় যদি সত্যিই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পথে দৌড়ানো শুরু করে চীন? তখন বিশ্ব বাজারে আমেরিকার আরও বিপদ বাড়বে। শক্তি দেখাতে গিয়ে না আবার আছাড় খেতে হয় ট্রাম্পকে! ফোর্বস ম্যাগাজিন তো বলেই ফেলেছে, ’এসব ট্রাম্পের পাগলামি ছাড়া কিছু নয়।’
22nd  June, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
বিজেপির অহঙ্কারের পতন
হিমাংশু সিংহ

সবকিছুর একটা সীমা আছে। সেই সীমা অতিক্রম করলে অহঙ্কার আর দম্ভের পতন অনিবার্য। সভ্যতার ইতিহাস বারবার এই শিক্ষাই দিয়ে এসেছে। আজও দিচ্ছে। তবু ক্ষমতার চূড়ায় বসে অধিকাংশ শাসক ও তার সাঙ্গপাঙ্গ এই আপ্তবাক্যটা প্রায়শই ভুলে যায়।  বিশদ

01st  December, 2019
উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ।
বিশদ

30th  November, 2019
ওভার কনফিডেন্স
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহের সব থেকে প্রিয় হবি হল পরিবর্তন। তাঁরা স্থিতাবস্থায় বিশ্বাস করেন না। তাঁরা বদলের বন্দনাকারী। পরিবর্তন কি খারাপ জিনিস? মোটেই নয়। বরং পরিবর্তনই তো সভ্যতার স্থাণু হয়ে না থেকে এগিয়ে চলার প্রতীক।   বিশদ

29th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: লালগোলা ব্লকের বিলবোরা কোপরা গ্রাম পঞ্চায়েতের চিন্তামণি এবং বয়রা গ্রামে পদ্মা নদীর পাড় মেরামতির কাজ শুরুর আগে শনিবার সকালে নারকেল ফাটিয়ে পুজো দিলেন রাজ্যের শ্রম দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন।  ...

  মেলবোর্ন, ৭ ডিসেম্বর: বিপজ্জনক আচরণ করছিল পিচ। আর সেই কারণে খেলা বন্ধ হয়ে গেল ঐতিহ্যশালী মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার। শেফিল্ড শিল্ডের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভিক্টোরিয়া এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া। টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভিক্টোরিয়া। ...

 দোহা, ৭ ডিসেম্বর (এএফপি): আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে তালিবানদের সঙ্গে ফের আলোচনা শুরু করল আমেরিকা। শনিবার, কাতারে দু’পক্ষের মধ্যে এক দফা আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। মাস তিনেক আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাত্ করেই তালিবানদের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছিলেন। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: শনিবার দুপুরে চাকুলিয়া থানার শিকারপুরে পাটবোঝাই একটি চলন্ত ট্রাক্টরে হঠাৎ আগুন লেগে প্রায় তিন লক্ষ টাকার পাট ভস্মীভূত হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, চাকুলিয়া হাট থেকে এক ব্যবসায়ী পাট কিনে ট্রাক্টরে চাপিয়ে নিয়ে বিহারের কিষাণগঞ্জে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্ত শত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩৫- অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর জন্ম
১৯৭১- ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় করাচি বন্দরে হানা দিল ভারতীয় নৌবাহিনী
১৯৭৪- গণভোটের মাধ্যমে গ্রিসে রাজতন্ত্রের অবসান
১৯৮০- নিউইয়র্কে এক মানসিক প্রতিবন্ধী ভক্তের হাতে খুন হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ পপ গায়ক জন লেনন
১৯৯১- রাশিয়া, বেলারুশ এবং ইউক্রেনের রাষ্ট্রনেতারা সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হলেন এবং স্বাধীন রাষ্ট্রগুলিকে নিয়ে কমনওয়েলথ গঠন করলেন
২০০৯- বাগদাদে বোমা হামলায় নিহত ১২৭ এবং আহত ৪৪৮ জন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৯ টাকা ৭২.১৯ টাকা
পাউন্ড ৯২.২০ টাকা ৯৫.৫৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৫ টাকা ৮০.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
07th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯৬৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, একাদশী ৫/৫৩ দিবা ৮/৩০। অশ্বিনী ৫৩/২৫ রাত্রি ৩/৩০। সূ উ ৬/৮/১৩, অ ৪/৪৮/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫১ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ মধ্যে পুনঃ ২/৪০ গতে ২/৪০ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/৪২ মধ্যে পুনঃ ২/৩৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/৮ গতে ১২/৪৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৮ গতে ২/৪৮ মধ্যে।
২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, একাদশী ৩/১৫/৫২ দিবা ৭/২৭/৫৯। অশ্বিনী ৫৩/১০/৩০ রাত্রি ৩/২৫/৫০, সূ উ ৬/৯/৩৮, অ ৪/৪৮/৪৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৮ মধ্যে ও ১১/৫৬ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৩ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১২/২ গতে ১/৫০ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৬/১০ মধ্যে, কালবেলা ১১/২৯/১৪ গতে ১২/৪৯/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/৯/২০ গতে ২/৪৯/২৭ মধ্যে।
১০ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উঃ দিনাজপুরের গোয়ালপোখরে কৌটো বোমা ফেটে জখম ২ 
উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর এলাকার মান্নাবস্তিতে কৌটো বোমা ফেটে জখম হলেন ...বিশদ

02:31:00 PM

অগ্নিকাণ্ডে জখমদের দেখতে হাসপাতালে গেলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল 

02:26:41 PM

ইটাহারে আদিবাসী বৃদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে 
ইটাহারের গ্রামে এক আদিবাসী বৃদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের ...বিশদ

02:10:00 PM

উলুবেড়িয়ায় কারখানা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস হওয়ায় অসুস্থ এলাকাবাসীরা, ক্ষোভ 
তেলের কারখানা থেকে দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস বের হওয়ার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ ...বিশদ

02:09:22 PM

ভদোদরায় নাবালিকা ধর্ষণকাণ্ডে ২জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিস 

01:28:41 PM

অসমের ডিব্রুগড়ে লাইনচ্যুত মালগাড়ির ৭টি কামরা

12:03:49 PM