Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ডাক্তার নিগ্রহের বিরুদ্ধে এত স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন কেন ভারতের প্রতি কোণ থেকে 
সত্যপ্রিয় দে সরকার

 
ভারতে অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা শুরু হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। ইংরেজ সরকার তার ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকে কখনও ৩০ কোটি ভারতীয়ের চিকিৎসার কথা ভাবেনি। ফোর্ট উইলিয়ামে যেমন প্রশাসন চালানোর জন্য কতিপয় করণিক তৈরির উদ্দেশ্যে ইংরেজি শিক্ষার প্রচলন হয়, তেমন এদেশের রাজকর্মচারী ও কর্মরত ইংরেজদের চিকিৎসা দেবার উদ্দেশ্যে কলকাতা ও তারপর মাদ্রাজ মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হয়। স্বাধীনতার পরে প্রথম ভারতের সব নাগরিককে স্বাস্থ্যপরিষেবা দেবার উদ্দেশ্যে ত্রিস্তরীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রচলন হয়। স্বাধীনতার সময় ৩০ কোটি জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ সাক্ষর ও ৯০ শতাংশ দারিদ্রসীমার নীচে ছিল এবং ৩ শতাংশ মানুষ অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার উপর বিশ্বাস করত। আজ ১২০ কোটি জনসংখ্যার আনুমানিক ৭০-৭৫ শতাংশ মানুষ অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসার উপর বিশ্বাস করেন। রোজকার সচেতনতার ফলে এই অনুপাত আরও বাড়ছে। তার থেকেই একটা অনুমান করা যায় যে, অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসাব্যবস্থার উপর চাপ কী ভয়াবহ পরিমাণে বাড়ছে। ১৯৭৮-এ কাজাঘিস্তানের আলমা আটা শহরে ৬-১২ সেপ্টেম্বর বিশ্বের অধিকাংশ দেশ একযোগে ২০০০ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মানুষকে ন্যূনতম স্বাস্থ্য পরিষেবা দেবার অঙ্গীকার করে ও তাদের জিডিপি’র ন্যূনতম ৩ শতাংশ বাজেট স্বাস্থ্যখাতে দেবার শপথ নেয়। ভারত তার অন্যতম। ১৯৭৮ থেকে ২০১৯ আজ পর্যন্ত কোনও সরকার এই অঙ্গীকার পালন করেনি। গত বছর সরকার পূর্বে ২.১ শতাংশ বা ২.৩ শতাংশ থেকে এই বাজেট কমিয়ে ১.৯ শতাংশ করে দিয়েছে। তাই কেউ ন্যূনতম কথা না-রাখার ফলে রোজ প্রত্যাশা ও চাহিদার তুলনায় দেশের অ্যালোপ্যাথি স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও রুগ্ন হয়ে পড়েছে। এই রাজ্যে ১৯৭৭ থেকে ধীরে ধীরে নীরবে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থার কেন্দ্র থেকে জীবনদায়ী ও আবশ্যিক ওষুধের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া চলেছে। এ মুহূর্তে আনুমানিক ৩ লক্ষ ন্যূনতম ইন্ডোর বেড প্রয়োজন। ৩ লক্ষ ৫০ হাজার হলে তা প্রায় সব বেশি অসুস্থকে জায়গা দিতে পারে, সেখানে সরকারি ব্যবস্থায় ৭৫ হাজার মতো ও সব বেসরকারি ব্যবস্থা মিলিয়ে ৪৫ হাজার মতো শয্যা আছে। এর মধ্যে ৪৫ হাজার বেসরকারি শয্যা আর্থিক কারণে গরিব মানুষের ক্ষমতার বাইরে।
১ লক্ষ ৮০ হাজার কম শয্যা নিয়ে রোজ এ রাজ্যের চিকিৎসকদের বাধ্য করা হয় স্বাস্থ্যপরিষেবা চালাতে। বহির্বিভাগের চিকিৎসকের সংখ্যা প্রয়োজনের ১/৬। সেবিকা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী মিলিয়ে আজ পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ শূন্যস্থান রয়েছে। এই সংখ্যা হিসেবেও গরমিল আছে। ধরুন, কাঁথি হাসপাতালে ১০০টি শয্যা আছে, কিন্তু অতি অসুস্থ রোগী নিয়ে মাটিতে, বারান্দায়, গেটের পাশে আরও ১২৫ জন গড়ে ভর্তি থাকে, কিন্তু এই অতিরিক্ত রোগীদের সংখ্যা ইচ্ছাকৃতভাবে ধরা হয় না, কারণ তাতে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যকর্মীর হিসেব দ্বিগুণ হয়ে পড়বে। এসব তথ্য প্রতিটি সরকার ১৯৪৭ সাল থেকে জানে, কেউ সৎভাবে এই সম্পূর্ণ পরিকাঠামোগত নৈরাজ্যের কথা স্বীকার করে না। প্রতি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কিছু আঞ্চলিক শক্তিশালী মানুষ, সর্বোচ্চ অপরাধী দলের নেতা, শাসক ও বিরোধী দলের নেতা, তাদের স্তাবক ও পরিবারকে প্রথমে চিকিৎসা দিতে হয়, নিয়ম ভেঙে ওষুধ, শয্যা, পরীক্ষা, চিকিৎসা করে দিতে হয়, তার বিনিময়ে ৬ দিন থাকার কথা কর্মীরা ২-৩ দিন, কখনও একদিনও থেকে কর্মস্থল থেকে দূরে তাঁর কাজ করতে পারেন, অলিখিত এই ব্যবস্থা মূলত ৭০-এর দশকের শুরু থেকে হয়ে চলেছে। এক-একটি জেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ৮০-র দশক থেকে দেখেছি এক-একজন অপরাধীকে এক-একটি ওয়ার্ড ইজারা দিয়ে দিতে। এরা ঠিক করত কে ভর্তি হবে, কে বেডে, কে মাটিতে থাকবে, কে বেশি প্রোটিনের খাবার খাবে। নিশ্চয় প্রতিটি নির্দেশ আসত রোগীর মরিয়া পরিবারের থেকে নেওয়া পয়সার বিনিময়ে। এর বিনিময়ে এদের মদ্যপ অপরাধী দল কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা দিত। পুলিস কখনও কিছু করেনি, আজও কিছু করে না। এই সব ‘ইজারাদার’রা আবার শাসকদলকে বিভিন্ন ভোটের দিন ভোট জোগাড়ে সাহায্য করত। কোনও দল এই নিয়ম ভাঙেনি, শুধু লাল থেকে নীল হয়ে গেরুয়ার পথে অপরাধীরা শাসকের কোলে পরিপুষ্ট হয়েছে। এই ধরনের পরিকাঠামোহীন ব্যবস্থার খেসারত দিয়ে চলছে দু’শ্রেণীর মানুষ, সব স্বাস্থ্যকর্মী ও সব রোগী, যাঁরা আর্থিক কারণে বাধ্য হয়ে সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে আসেন। আনুমানিক শুধু পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন শতাধিক রোগীর মৃত্যু হয় যা পরিকাঠামো ন্যূনতম থাকলে হতো না। সেই সময় যখন সরকারি মতে সব কেন্দ্র কাজ করছে পুরোদমে। এই যে কৌশলী হত্যা, এর খতিয়ান কেউ নেয় না। প্রতি বছর বহু হাজার। আজ যাঁরা তথাকথিত বিনা চিকিৎসায় মানুষের মৃত্যুসংবাদ নিয়ে ব্যবসা বা ভোট বাড়ানোর খেলা খেলছেন, ওই সঠিক চিকিৎসাহীনতার মৃত্যু নিয়ে তাঁরা কেন নিশ্চুপ? পাঁচজনের দৃশ্যত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর বিপরীতে কৌশলে, লক্ষ গরিবের পরিকাঠামোর অভাবে মৃত্যু, কোনটা দেশের জন্য প্রয়োজনীয়? প্রয়োজন তিন শতাংশের বেশি সহায়তা, জিডিপি’র বাজেটে জমে থাকা অব্যবস্থাকে সঠিক পথে নিয়ে যাওয়া। Break even অর্থনীতির অঙ্কে কেন সরকার সব ওষুধ তৈরির দায় নেবে না, ওষুধের দাম মানুষের ধরাছোঁয়ার মধ্যে রাখার জন্য? কেন আরও আরও সঠিক সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হবে না? আজও ভারতে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে বছরে ১২ হাজার টাকা পড়ার খরচ; খাওয়া, থাকা, বইয়ের খরচ আলাদা। গড়ে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে খরচ ১-১.৫ কোটি টাকা শুধু পড়ার খরচ। তাই আয়ুষ্মান ভারতের নামে সব দায়িত্ব অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে কী করে স্থায়ীভাবে গরিব নাগরিকের চিকিৎসা হতে পারে? তারপর ওই সামান্য টাকার অংশও শাসকদল ও আমলাদের দিয়ে তবে অনেক পরে ওই টাকা পাওয়া যাবে। ঠিক যেমন সাইকেল বা ঘরপিছু টাকা নেওয়ার লোক ঠিক সময়ে ঘরে পৌঁছে যায়। দেশের প্রতিটি জেলায় মেডিক্যাল কলেজ ও নার্সিং কলেজ তৈরি না-হলে স্বাস্থ্যপরিষেবার বিকেন্দ্রীকরণ অসম্ভব। বিভিন্ন অতি সুদক্ষ চিকিৎসা কেন্দ্রের দামি যন্ত্রের কেনাতে সব আমলা ও শাসক দলের সংশ্লিষ্ট নেতারা উদগ্রীব হয়ে থাকেন, কারণ তার দামের ভাগের অংশ ঠিক জায়গায় পৌঁছে যায়, অথচ তারপর বছরের পর বছর সেই যন্ত্র খোলা হয় না, ব্যবহার হয় না। সামান্য খরাপ হলে চিরদিনের জন্য আর ব্যবহার হয় না। যে সামান্য টাকা দিয়ে বার্ষিক যন্ত্রের দেখাশোনার পদ্ধতি প্রস্তুতকারক সংস্থা ব্যবস্থা করে তার সুযোগও ইচ্ছে করে ব্যবহার করা হয় না, যাতে পরিষেবা দিতে না হয়। এর উদাহরণ এত বেশি যে এ ঘটনা না-ঘটাই ব্যতিক্রম।
এই পরিপ্রেক্ষিতে দাঁড়িয়ে চিকিৎসকদের অসহায়তা ও হতাশার কথা ভাবতে হবে। মেডিকেল কলেজের শুরু হয় শাসক দলের ছাত্র নেতা (অধিকাংশই ছাত্র হিসেবে কলেজের আবর্জনা) হুংকারের মাঝে। হস্টেলের ঘর পাওয়া, খাওয়ার ব্যবস্থা, পড়ার খুঁটিনাটি এরা নিয়ন্ত্রণ করে। এই নেতারা কেউ নির্বাচিত নয়। ১৯৮৬ থেকে ২০১০ পর্যন্ত ধরুন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে কোনও নির্বাচন হয়নি তৎকালীন শাসকদলের ছাত্র ফড়েরা ছাত্র সংসদ চালিয়েছে, ২০১২ থেকে একই ঘটনা নতুন শাসকদলের দালাল ও স্তাবক ছাত্রদের হাতে, শুধু পতাকার বদল। লাইব্রেরি, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে শিক্ষা, নিত্যনতুন শিক্ষাদানের পদ্ধতির প্রয়োগ কিছু নিয়েই এরা আন্দোলন করেন না, শুধুমাত্র বার্ষিক সংসদের উৎসব ও তার থেকে অর্থ আত্মসাৎ করার কাজ হল এদের একমাত্র লক্ষ্য। এমনকী পরীক্ষাও অনেকসময় নিরপেক্ষ হয় না। অভিযোগ, ৩৪ বছর এক শাসকদলের ও ৮ বছর নতুন শাসকদলের কোনও কোনও ছাত্র নেতাকে যেনতেন প্রকারে পাশ করিয়ে দেওয়া হয়, কখনও সিসিটিভি সরিয়ে কখনও প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দিয়ে। এই নীতির! পরিবেশে বেড়ে ওঠে ভবিষ্যতের সেবক চিকিৎসকরা। এরপর শুরু হয় জীবনের জুনিয়র ডাক্তার নামে ইন্টার্ন, হাউস স্টাফ ও পিজিটির জীবন। গড়ে ২০০-২৫০ রোগী, আক্রমণাত্মক, অচেতন, সঠিকভাবে নিজের সমস্যা বলতে অপারগ ও একরাশ অবিশ্বাস নিয়ে আসা যাদের ন্যূনতম সময়ে দেখতে হবে, রোগ নির্ণয় করতে হবে, চিকিৎসা দিতে হবে। এরা উচ্চ চিকিৎসা বা ভুল চিকিৎসা সংশোধনে সিঙ্গাপুর বা হংকং যেতে অপারগ।
এইসব অবস্থার মধ্যে এনআরএস-এ ৮৫ বছরের বৃদ্ধ হয়তো মৃতপ্রায় হয়ে এলেন, এসে মহাপ্রয়াণে গেলেন সন্ধ্যাবেলায়। দুঃখ আবেগ সব মিটে গেল। মধ্যরাতে হঠাৎ ২০০ জন সশস্ত্র মানুষ এল আবেগপ্রবণ (!) হয়ে। পুলিস তাদের যত্ন করে ঢুকতে দিল, পথ দেখাল। তারা মৃত রোগীর চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত নন এমন কর্তব্যর চিকিৎসকদের আক্রমণ করল, একজনের খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকিয়ে সহর্ষে ফিরে গেল। প্রতিবাদের পরে তাদের মাত্র ৫ জনকে ধরা হল, ২০০ জনকে দেখা গেলেও ধরা হল না। এমনভাবে কথা বলা হল যে, তারা যেন দেশ বাঁচাতে কার্গিলে যুদ্ধ করতে এসেছিল। এর প্রতিবাদে সারা দেশ, সারা পৃথিবী একসূত্রে বাঁধা হয়ে গেল। ভবিষ্যতে ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি ছেড়ে পরিকাঠামোতে সঠিক টাকা দিতে হবে। রোগীদের জানাতে হবে আমাদের কী কী সীমাবদ্ধতা, গাফিলতি আছে, তারপর পরস্পরের সাহায্যে যতটা সম্ভব সঠিক পরিষেবা দিতে হবে। দেশের নীতি-নির্ধারক ও রাজনৈতিক দলের দেউলিয়াপনার ফলে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্যপরিষেবার ব্যাপারে স্বচ্ছতা আনতে হবে এবং ২০০ জনকে হত্যার চেষ্টার আইন অনুসারে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে ভোট ব্যাঙ্কের বিপজ্জনক খেলা ভুলে। আশা রাখি পশ্চিমবঙ্গের এনআরএসে প্রতিবাদ সারা দেশের পরিকাঠামোর সমস্যা সবার সামনে আনার ও এর প্রতিকারে সব রাজনৈতিক দল একে যথাযথ গুরুত্ব দেবে।
 লেখক: ভারতীয় অন্ত্রশল্য চিকিৎসক সংস্থার সহ-সভাপতি
 
21st  June, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 পেটে দানাপানি নেই। সঙ্গে দোসর টানা হাঁটার নিদারুণ ক্লান্তি। প্রবল গরমে ফলস্বরূপ রাস্তায় ঘটেছে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা। কিন্তু ঠিক কত পরিযায়ী শ্রমিক এভাবে শয়ে শয়ে ...

 করোনায় আক্রান্ত রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক। আপাতত তিনি উদয়পুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ...

 সরাসরি স্কুল-কলেজে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে ক্লাসের উপর জোর দিয়েছে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ...

আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM