Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

চিকিৎসক পাঁচ অক্ষর?
শুভময় মৈত্র

খণ্ড-ত কে আধখানা না হিসেব করে গোটা ব্যাঞ্জনবর্ণ ধরবেন? তাহলে ‘চিকিৎসক’-এ পাঁচটা ব্যঞ্জনবর্ণ, অর্থাৎ পাঁচ অক্ষর। চিকিৎসকদের চটকানো গত কয়েকদিন ধরে যেরকম চলছিল, তাতে শব্দ নিয়ে ভাবার থেকে অক্ষরের সংখ্যা গোনাই ভালো। সেখানে স্বরবর্ণ বাদ, অক্ষর যেভাবে হিসেব করা হয়, সে তিনই হোক, কিংবা চার অথবা পাঁচ। ছোটবেলায় ভালোভাবে পড়াশোনা করে, বহু কষ্টে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অসাধারণ ফল করার পর, পাঁচ বছর মোটা মোটা বইয়ের ভার বহন করে অসংখ্য ওষুধের নাম যাদের ঠোঁটের ডগায়, সেই মানুষগুলোর কথা শুনতেই পাচ্ছেন না রাজনীতির জনগণমন অধিনায়করা। যারা রোগীর খুলি খুলে স্নায়ুতন্ত্রে হাত বোলান, সেই মানুষগুলোর খুলি ফাটাচ্ছেন উত্তেজিত আত্মীয়রা।
এই পরিস্থিতিতে কোন দিকে যাবে সরকার? বহু মানুষের হৃদয়ে সঠিক সময়ে রক্ত পরিবহণের দায়িত্ব নেওয়া পরিবহ-রা যদি নিজের খুলি সামলাতে ব্যস্ত থাকেন তাহলে এ দেশে প্রায় ভেঙে পড়া অতি অপ্রতুল সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার দায়িত্ব নেবেন কে? অবশ্য এক দলের বড় নেতা ভুলেই যাচ্ছেন পরিবহ-র নাম, আর তাঁর দল থেকে পাল্টে যাওয়া নেতারা সেই নাম মুখস্থ করে বার বার আওড়াচ্ছেন। সঙ্গে খবরে ততটা প্রচার না পেলেও পাঁজরে ব্যাপক চোট লেগেছে যশ-এর। বর্ধমানেও আহত হয়েছেন এক নবীন চিকিৎসক। কেউ জেদ দেখিয়ে দেরি করেছেন যশ কিংবা পরিবহকে দেখতে যেতে, কেউ বা লোক দেখিয়ে ভিড় জমিয়েছেন মল্লিকবাজারের মোড়ে, মস্তিষ্ক প্রক্ষালনের হাসপাতালে। কেউ বলেছেন ভালো আছেন পরিবহ, কেউ বলছেন তাঁর একটা চোখ আর হয়তো ভালোভাবে দেখতে পাবে না এই রাজ্যের একচোখা রাজনীতি। সত্যি মিথ্যে জানতে চাইলে কোন নিরপেক্ষ সংবাদ খুঁজে পাওয়া শক্ত। সবেতেই মিশে আছে মনের মাধুরী। জনমানসে দু’অক্ষরের ‘চোখ’ দু অক্ষরের ‘আলো’ দেখবে এই আশা কম, অপ্রয়োজনীয় স্বর-বিহীন-বর্ণ গুলোকে এবঙ্গের তিন ‘আঁধারে’ মুছে দিয়ে। আর আমরা বাকি সবাই চার অক্ষরের ‘নাগরিক’। পাঁচ অক্ষরের ‘চিকিৎসক’দের পদত্যাগের গল্প শুনেছি টেলিভিশনের সাদা পর্দায়, সংবাদমাধ্যমের কালো অক্ষরে।
মিছিলে পথ হাঁটতে হাঁটতে গৌরচন্দ্রিকা ভুলে বিনায়ক সেন আসল কথাটা বলে দিয়েছেন। অন্য আরও অনেক কিছু পরিষেবার মতই স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও ধনী ব্যবসায়ীদের দখলদারি অব্যাহত। সমাজের সঙ্গে যেভাবে রাজনীতি আসে, তার একটা বিশেষ অংশে আলোচিত হয় চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে অর্থনীতি এবং রাজনীতির সম্পর্ক। এই পুরো বিষয়টাতে দুটো দিক আছে। এক হল নিম্নবিত্ত মানুষের জন্যে পরিষেবা। যার ব্যয়ভার বহন করার জন্যে গৌরী সরকার সেন ছাড়া আর কেউ নেই। এবার ধরা যাক সরকারি হাসপাতালের অবস্থা বিপর্যস্ত। সেটা সামলাতে না পেরে সরকার সাধারণ মানুষের জন্যে স্বাস্থ্য বিমার বন্দোবস্ত করে দিল। বেসরকারি হাসপাতাল অনেক বেশি পরিষ্কার, কিন্তু চিকিৎসার স্বচ্ছতা সেখানে শুধু লেখা থাকে ঝকঝকে দেওয়ালে। ভেতরে পুরোটা ঘোলা। এই বিমা সঙ্গে নিয়ে সুচিকিৎসার কথা শুনতে খুব ভালো। সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ধনতন্ত্রের এ এক অসাধারণ উদাহরণ। হয়তো অনেক বেশি প্রচার পায় রাফাল যুদ্ধবিমান নিয়ে সরকার এবং আম্বানিদের যোগাযোগের আলোচনা। কিন্তু যে মুহূর্তে সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্য বিমা নিয়ে যাবেন বেসরকারি হাসপাতালে, তখন অবশ্যই তার থেকে মুনাফা লুটবেন স্বাস্থ্য ব্যবসায়ীরা। মুনাফা মানেই যে দুর্নীতি এমন নয়। সমাজ সৃষ্টির মূলে তো আর সরকার ছিল না, তখন বিনিময়ের মাধ্যম ছিল বিভিন্ন পরিষেবা কিংবা সম্পদ। তারপর মুদ্রা এল, এল সরকার, দু’হাত আকাশে তুলে মাটিতে পা রাখল সংসদীয় গণতন্ত্র। সরকার যে সাধারণ দুঃখী মানুষকে উন্নত পরিষেবা দেবে এরকম সাম্যবাদী তত্ত্ব খাতায় কলমে লেখা হল। অবশেষে সরকার জনস্বার্থে বেশ কিছু মানুষের স্বাস্থ্যবিমা বানিয়ে ফেলল। হাতে যদি থাকে নিজের ছবি সাঁটা স্মার্টকার্ড, তাহলে মানুষ প্রথম ছোটে বেসরকারি হাসপাতালে। আর জনগণের টাকা হাতবদল হয় সরকার থেকে বেসরকারি ক্ষেত্রে। প্রজাতান্ত্রিক ভারতেও এই ক্রোনি ক্যাপিটালিজম বিদ্যমান। এতে দুর্নীতি কিংবা সম্পদশালীদের দোষ খুঁজতে যাওয়া বৃথা। কারণ যারা সচ্ছল, আইনের সুরক্ষা তাদেরই থাকে। আর স্বাস্থ্যবিমার আওতার বাইরে আরও বহুকোটি মানুষ চমকে যাওয়া পিত্ত কিংবা ফেঁপে ওঠা বৃক্ক নিয়ে ভ্যাপসা গরমে শুয়ে থাকেন সরকারি হাসপাতালের লোহা-বাঁধানো সিংহ দুয়ারের আশেপাশে।
সরকারি ব্যবস্থা যাতে ঠিকভাবে না চলে সেটা অবশ্যই নজর রাখেন সমাজের উচ্চবিত্ত এবং ক্ষমতাশালী মানুষ। সে শিক্ষাক্ষেত্রেই হোক, কিংবা স্বাস্থ্যে। বাসস্থানে হোক, কিংবা বিদ্যুতে। শুধুমাত্র নিম্নবিত্ত মানুষদের যদি সরকারি পরিষেবা নিতে বাধ্য করা যায়, তাহলে তার বাইরে থাকা বিশাল একটা অংশ বেসরকারি ক্ষেত্রে ছুটতে বাধ্য। তাইতো এত বেসরকারি স্কুল, কলেজ। সবাই জানেন সরকারি জায়গায় শিক্ষকেরা ভালো, চিকিৎসকেরাও ভালো। কিন্তু তা সত্ত্বেও সরকারি জায়গাগুলোকে যদি এমন খারাপভাবে সাজানো যায় যাতে আর্থিক কারণে বাধ্য না-হলে মানুষ সেখানে না যান, তাহলে একটা বড় অংশের মানুষ ছুটবেন তুলনায় বেসরকারি ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র ঝকঝকে পরিষেবার স্বার্থে। এ দেশে একশো তিরিশ কোটির মধ্যে যে-কোনও সময়ে দশ বা কুড়ি কোটি মানুষ সচ্ছল। এই বিপুল বাজারকে ধরতে চায় বেসরকারি উদ্যোগ, আর তাতে বন্ধুত্বপূর্ণ সহায়তা দেয় কল্যাণকামী রাষ্ট্র, তার নেতা, নেত্রী, মন্ত্রীরা—দলমত নির্বিশেষে। কিন্তু অন্যদিকে এই সরকারি ক্ষেত্রগুলোই তৈরি করে অসংখ্য উচ্চমানের চিকিৎসক। আমাদের দেশে যত মেডিকেল কলেজ আছে তার বেশিরভাগই সরকারি আর সেখানে অনেক ভালোভাবে চিকিৎসাশাস্ত্র শেখেন পড়ুয়ারা। বেসরকারি কলেজে চিকিৎসক হতে খরচ কোটি টাকার বেশি, সেখানে সরকারি জায়গায় তা হয়তো লাখেও পৌঁছায় না। তাই আবার সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রতিযোগিতায় অসংখ্য বেসরকারি উদ্যোগ। কেন্দ্রীয় ‘নিট’ পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্যে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করেন পড়ুয়ার অভিভাবকেরা, এবং সেই অর্থ যায় বেসরকারি ক্ষেত্রে। চার অক্ষরের সরকারি ক্ষেত্রকে পাঁচ অক্ষরের বেসরকারির তুলনায় সঠিক গুণমানে পেশ করা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু সে সৎ উদ্দেশ্য একেবারে অনুপস্থিত।
সোমবার সন্ধ্যাবেলার মুখ্যমন্ত্রী-পড়ুয়া বৈঠক যদি আর ক’দিন আগে করা যেত তাহলে প্রায় এক সপ্তাহ এত কষ্ট ভোগ করতে হতো না সরকারি চিকিৎসার আশায় ঘুরে বেড়ানো বহিরাগত মানুষদের। সরকার একটু ভাবুন। লড়াইয়ের বর্ণমালায়, রাজনীতির অক্ষরে সব সমস্যার সমাধান হয় না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজ আবার এতগুলো ছাত্রছাত্রীর দিদি হতে পারলেন। তার কতটা রাজনীতি আর কতটা স্বতঃস্ফূর্ততা, কতটা ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা আর কতটা মানুষের মঙ্গল করা, কতটা অবস্থা সামলানোর কৌশল আর কতটা মানুষের প্রতি মমত্ববোধ তা বোঝা যাবে আরও বেশ কিছিদিন পরে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টেলিভিশনের পর্দায় আলোচনার টেবিলে দেখে ভালো লাগল অনেক বেশি। কয়েকদিন আগে হাসপাতালে তিনি কেনই-বা গেলেন, আর কেনই-বা তরুণ চিকিৎসকদের স্লোগানে উত্তেজিত হলেন, কেনই-বা মাইকে ধমকালেন, সব উত্তরই অজানা। যাই হোক, সমস্যা মিটল আপাতত। দু-অক্ষরের ‘শান্তি’ এলে তবেই যুক্তাক্ষরে বাঁচবেন এই রাজ্যের মানুষ, মিলেমিশে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
21st  June, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...

পাটনা, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) সমর্থন না করায় ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছেন জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। তবে তা সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড়ই থাকলেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ওই বিলের মাধ্যমে সরকার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

12-12-2019 - 08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

12-12-2019 - 04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

12-12-2019 - 04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

12-12-2019 - 04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

12-12-2019 - 04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

12-12-2019 - 04:00:00 PM