Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। সেই বাতাবরণ যে এখনও কিছুমাত্র বদলায়নি তা গত কয়েকদিনের ঘটনাবলিই প্রমাণ করেছে। এবং সত্যি বলতে কী, এখন তো মনে হচ্ছে হিংসার সেই বাতাবরণ রাজ্যে ক্রমশ তার পরিধি বাড়াচ্ছে, আর তার অনিবার্য ফলশ্রুতি হিসেবে সাধারণ জনমনে বাড়ছে শঙ্কা আশঙ্কা দুশ্চিন্তার মেঘ! এমনকী বিজেপির চমকপ্রদ ফলে যাঁরা যথেষ্ট আনন্দ বোধ করেছিলেন তাঁদের মধ্যেও এইসব মারামারি, খুনোখুনি ভাঙচুরের ঘটনা একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করছে। তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে অন্তত আমাদের তেমনটাই মনে হয়েছে। শীর্ষ থেকে তৃণমূল স্তর অবধি বিজেপির সংগঠন যে এখনও তেমন দড় নয়— এটা সকলেই জানেন। কিন্তু, বিজেপির মতো একটা রেজিমেন্টেড পার্টি সেই দুর্বলতা সত্ত্বেও পার্টির নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবে—এমন বিশ্বাস তাঁদের ছিল এবং এখনও আছে। জয়ের আনন্দে বেসামাল নেতাকর্মীরা, বিশেষত যারা অন্য দল থেকে পদ্মশিবিরে এসেছে, বিজয় মিছিলের নামে যাতে অনর্থ ঘটিয়ে না ফেলে সেদিকে বিজেপি আরএসএসের কর্মকর্তাদের কড়া নজর থাকবে এমনটাই যে তাঁদের কাছে প্রত্যাশিত ছিল সেটাও তাঁরা স্বীকার করছেন। কিন্তু, নৈহাটি ভাটপাড়া কাঁচরাপাড়ার সন্ত্রাস পরিবেশ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবমাননা ইত্যাদি তাঁদের সেই বিশ্বাসকে প্রথম ধাক্কা দিয়েছে এবং পরবর্তীতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষ, খুনোখুনি, বাড়িঘর ভাঙচুরে গেরুয়া বাহিনীর নাম জড়ানো সেই বিশ্বাসকে যে খানিকটা দুর্বল করেছে তাতেও সন্দেহ নেই।
এই তো দেখুন না, উত্তরবঙ্গের দিনহাটা ও দক্ষিণবঙ্গের নিমতায় খুন হয়ে গেলেন দুই তৃণমূল নেতা। কেবল সন্দেহের বশে, হ্যাঁ কেবল চোর সন্দেহে খোদ কলকাতার বুকে মানিকতলায় একটি ক্লাবঘরের ভিতরে নির্মমভাবে পিটিয়ে মারা হল এক যুবককে! শুধু কি তাই? ভোট পরবর্তী হিংসায় কোচবিহার, বালুরঘাট থেকে বীরভূম, মেদিনীপুর থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং অবশ্যই উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া নৈহাটি কাঁচরাপাড়ার মতো রাজ্যের নানান এলাকা এখনও রক্তাক্ত হচ্ছে, ঘরবাড়ি ভাঙছে, লাঞ্ছিত হচ্ছেন রাজ্যে প্রধান বিবদমান দুই দল বিজেপি তৃণমূলের নেতাকর্মী সমর্থকেরা! বুধবার রাতে বালুরঘাটে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ভাঙচুর চালাল দুষ্কৃতীরা। তার বদলায় তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে হামলা হল। বাড়ির মহিলাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল হামলাকারীদের বিরুদ্ধে! এরই পাশাপাশি সাঁইথিয়ায় বিজেপির বিজয় মিছিল ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধল, আহত হল পাঁচজন। স্থানীয় তৃণমূলের কারও পোলট্রি ফার্মে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে! এর আগে মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে হেনস্তা মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে! আবার মথুরাপুরে বিজেপি কর্মীকে আক্রমণ এবং মারধরে অভিযুক্ত হয়েছে তৃণমূল! এমন একের পর এক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে! কবে যে এই মারামারি শেষ হবে, আদৌ হবে কি না বোঝা যাচ্ছে না! সাধারণ মানুষজনের সঙ্গে কথা বললেই বোঝা যাচ্ছে—পুলিসের একাংশের ভূমিকায় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো তাঁরাও অসন্তুষ্ট। কেউ কেউ তো রীতিমতো ক্ষুব্ধ! স্বাভাবিক। পুলিসের কাজ পুলিস ঠিকমতো করলে তো সমাজবিরোধী দুষ্কৃতীরা এমন অনর্থ ঘটাতে পারে না, রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনাও অনেকটা নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
তবে, তথ্যভিজ্ঞরা বলছেন, এইসব ঝামেলার ঘটনা চলতে থাকলে বিজেপির ক্ষতি শাসকের লাভ। শাসক বলতে পারবে বিজেপি রাজ্যে কটা বাড়তি আসন পেয়েই তাণ্ডবে মেতেছে, রাজ্যের ক্ষমতা পেলে কিনা জানি করবে! আর এমন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে চললে এবং তার বেশিরভাগে পদ্মশিবিরের লোকজনের নাম জড়ালে, যে মানুষজনেরা বিজেপি সমর্থক না হয়েও এবার বিজেপিকে নির্বাচনী সমর্থন জানিয়েছেন, তাঁদের সামনেও আগামী বিধানসভা ভোট অব্দি একটা ভালো জনদরদি ভাবমূর্তি ধরে রাখা বিজেপির পক্ষে কঠিনতর হবে।
বিজেপি শাসক হিসেবে এ রাজ্যে অপরীক্ষিত দল বলেই মানুষ তাদের বিচার করবে বাস্তব পরিস্থিতিতে তাদের কাজকর্ম ও রাজনৈতিক ভূমিকা দেখে। সেখানে যদি তাঁরা দেখেন, গেরুয়াদলের কর্মী নেতাদের একাংশও আর পাঁচদলের মতো বুদ্ধিবলের চেয়ে বাহুবলকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন, ক্ষমতার গন্ধটুকু পেয়েই আগ্রাসী হয়ে উঠেছেন—তবে আমজনতার প্রসন্ন মুখে চিন্তা ও শঙ্কার ছায়া তো নামবেই। আর সেই ছায়া যদি গাঢ় হতে শুরু করে তবে বিজেপির ২০২১ সালের বিধানসভা অভিযানের পথ যে অপেক্ষাকৃত দুর্গম হয়ে উঠবে তা বলাই বাহুল্য। কারণ, বিধানসভা অভিযানে সাফল্য পেতে হলে বিজেপিকে নিজস্ব ১৭ শতাংশ ভোটারের সঙ্গে বাইরের ২২ শতাংশ মানুষকেও পাশে পেতে হবে। বাইরের মানুষ বিরূপ হলে প্রত্যাশিত ফল লাভ যে হবে না সেটা রাজ্য বিজেপি বা আরএসএসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভালোই জানেন। আর জানেন বলেই দলে বেনো জলের ঢুকে পড়াতে রাশ টানতে চাইছেন তাঁরা। কিন্তু, বীরভূমের মনিরুলকে চাপা দিতে দিতেই বেদের মেয়ে চরিত্রাভিনেত্রীর গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে নতুন করে ‘নাগরিকত্ব’ বিতর্ক ছড়িয়ে গেল! তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে তার অবশ্য একটা জুতসই জবাব বিজেপি দিয়েছে। কিন্তু, বিতর্ক তাতেও পুরোপুরি থামেনি!
কেবল সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ নয়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘উন্নয়ন’ও কিন্তু রাজ্য বিধানসভা জয়ের পথে বিজেপির সামনে একটা বড় বাধা। গত সাত সাড়ে সাত বছরে পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম শহরে মমতা উন্নয়নের যে বিপুল উদ্যোগ নিয়েছেন, পানীয় জল রাস্তাঘাট হাসপাতাল স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় সমেত যাবতীয় অত্যাবশ্যক পরিষেবার যে বিস্তার ঘটিয়েছেন, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রীর মতো গরিব সাধারণের অভাব অনটনের সমাধানে আর্থিক অনুদানের যেসব প্রকল্প রূপায়িত করেছেন—তার একটা জোরালো প্রভাব রাজ্যের, বিশেষত গ্রামবাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের মধ্যে এখনও সক্রিয়। একটু ভালোভাবে নজর করলেই তাই বোঝা যায়—বর্তমান শাসকের কাজ নিয়ে মানুষের অভিযোগ তেমন নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা এখনও পাহাড় থেকে সাগর লক্ষ লক্ষ মানুষের নয়নের মণি, তাঁর মা-মাটি-মানুষের প্রতি ভালোবাসায় দায়বদ্ধ উজ্জ্বল ভাবমূর্তি এখনও রাজ্যবাসী অধিকাংশের মনে অম্লান। মানুষের যা কিছু ক্ষোভ রাগ অসন্তোষ স্থানীয় তৃণমূলের কিছু অসংযমী, ধান্দাবাজ, দায়িত্বজ্ঞানহীন, তোলাবাজ সিন্ডিকেটি ফড়ে ফেরেব্বাজের ওপর। দলনেত্রী নানা সভাসমিতি থেকে নানা সময় এদের সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন, দল থেকে বহিষ্কার করার হুমকিও দিয়েছেন। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নিয়েছেন। তাতে কিছু কাজ নিশ্চয়ই হয়েছে। সল্টলেক নিউটাউন রাজারহাটে সিন্ডিকেট রাজের বজ্জাতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। রাজ্যের অন্যত্রও এই শ্রেণীর তৃণমূলীদের দৌরাত্ম্য কিছু কমেছে। সবটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে, তৃণমূলী ওইসব নেতাকর্মী সকলে সাধু হয়ে গেছে এমন বলছি না। তবে, ভোটফল বেরনোর পর তারাও একটা অশনি সংকেত পেয়েছে। কিন্তু, কয়লা বলে কথা। শত ধুলেও ময়লা কি যায়! এদের অনেকে এখন নতুন গুড়ের লোভে রং পাল্টানোর চেষ্টায় নেমেছে বলে খবর।
এদের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভটাই প্রতিফলিত হয়েছে ভোটবাক্সে—এমনটাই অভিমত তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেরই। কিন্তু, বিজেপিতে এদের মুখ দেখলে মানুষের কী প্রতিক্রিয়া হবে তা সহজেই অনুমেয়। সুতরাং এদের আটকানোও এখন গেরুয়া শিবিরের একটা বড় এবং কঠিন কাজ। দ্বিতীয়ত, মমতার উন্নয়নপন্থী ভাবমূর্তির তো কেবল বঙ্গে নয়, দেশ তথা বিশ্বের দরবারেও স্বীকৃতি পেয়েছে। তার একটা আলাদা প্রভাবও আছে বাংলার মানুষজনের মধ্যে। সেখান থেকে মমতাকে সরানোও সহজ কাজ নয়। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব সেটা ভালোই জানে। এমন পরিস্থিতিতে বঙ্গবাসীর মনে বিজেপি সম্পর্কে নতুন ভাবনা জাগাতে হলে যে একটা ন্যায়পরায়ণ শান্ত-সংযত মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং অবশ্যই সহিষ্ণু ভাবমূর্তি গণদরবারে পেশ
করতে হবে—তাও তাঁদের অজানা নয়। কিন্তু,
নৈহাটি ভাটপাড়া সমেত রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চোখ রাঙানো সন্ত্রাসের যে আবহ কায়েম হয়েছে
তা সেই ভাবমূর্তি নির্মাণের পথে পদে পদে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
তার ওপর মমতার মতো নেত্রীর সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়তে পারেন—এমন মুখ এখনও রাজ্য বিজেপি খুঁজে উঠতে পারেনি। লোকসভার লড়াইটা মোদিজির মুখ দেখিয়ে তাঁর কথা শুনিয়ে তাঁকে ১৮ জনসভায় পেশ করে উতরে যাওয়া গেছে। হয়তো, আগামীতেও রাজ্য বিধানসভার প্রচার সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে গেরুয়া ব্রিগেডের হয়ে মঞ্চে দেখা যাবে। কিন্তু, মূল রণক্ষেত্রে মমতার মোকাবিলা তো তিনি করবেন না। করতে হবে অন্য কাউকে। তিনি কে? এখনও জানে না পশ্চিমবঙ্গ। এই সামগ্রিক পরিপ্রেক্ষিত ও প্রতিকূলতার বিচারেই হয়তো বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে একটা কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে। এখন এই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা বিজেপি শেষ অব্দি কীভাবে কতটা করতে পারে সেটাই দেখার—তাই না?
09th  June, 2019
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, কালনা: বেঙ্গালুরুতে নার্সিং পড়তে গিয়ে আটকে পড়া কালনার ২০জন পড়ুয়াকে বাসে বাড়ি ফেরানো হল। তাঁদের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মেডিক্যাল চেক আপের পর ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ফলে স্বস্তিতে পড়ুয়াদের পরিবারের লোকজন।  ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলিতে পাট চাষের বিকল্প হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই তিল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। উম-পুনের জেরে সেই তিল ও বাদাম চাষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ায় চাষিদের মাথায় হাত পড়েছে। সরকারি হিসেবেই জেলার তিল চাষের সবটুকু নষ্ট ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাজারে একসঙ্গে তিনটি গাড়ি আনল স্কোডা অটো ইন্ডিয়া। প্রথমটি ‘র‌্যাপিড ১.০ টিএসআই’, যার দাম ৭.৪৯ লক্ষ টাকা থেকে শুরু (এক্স শোরুম)। পেট্রল ...

নয়াদিল্লি, ২৯ মে: আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে চারবার ট্রফি হাতে তুলেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সাফল্যের নিরিখে অনেকেই তাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকারঃ আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৭৯ টাকা ৮৬.২২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৩ টাকা ৯৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৭৩.৮১ টাকা ৭৭.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৩৭/৩৫ রাত্রি ৭/৫৮। মঘা নক্ষত্র ২/৪৭ প্রাতঃ ৬/৩ পরে পূর্বফল্গুনী ৫৯/২৭ রাত্রি ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৪/৫৮। পূর্ব্বফল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৪ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে ও ৩/৫৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে।
৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু যুবকের
বাঁকুড়ায় একটি ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু হল এক যুবকের। আহত হয়েছেন ...বিশদ

01:27:00 PM

মুর্শিদাবাদের রানিনগর থেকে উদ্ধার ১৩ টি পিস্তল ও ১টি মাস্কেট, ধৃত ৩ 

01:24:00 PM

অন্তর্দেশীয় বিমানে চার দিনেই সফর করলেন লক্ষাধিক
 শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই ৪৯৪টি অন্তর্দেশীয় বিমানে ৩৮ হাজার ৭৮ জন যাত্রী ...বিশদ

01:17:27 PM

ফের পথ দুর্ঘটনার কবলে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা
ফের পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

12:58:35 PM

মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব বম্বে হাইকোর্টের
পরিযায়ী শ্রমিকদের নিজের নিজের ঘরে ফিরিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি নিয়ে মহারাষ্ট্র ...বিশদ

12:36:23 PM

মুর্শিদাবাদে অস্ত্র সহ ধৃত ৩ 
মুর্শিদাবাদের রানিনগরে আগ্নেয়াস্ত্র সহ তিন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। উদ্ধার ...বিশদ

12:10:15 PM