Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। এমনকী মেয়েরা বেশ নিয়ম করেই বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার শীর্ষস্থানগুলি দখল করছে বলে নারীশক্তির জয়গান করাও আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষা-সংক্রান্ত সে সকল বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে বরং পরে কখনও আলোচনা করা যাবে। আপাতত পরীক্ষায় শীর্ষস্থানাধিকারিণী একটি মেয়ের কিছু কথা যে চমকে দিয়েছে আমাকে, এবং আমার মতোই অনেককে, তা নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে চাই। এবং তা যেন ভ্যাপসা গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতই স্বস্তির।
সিবিএসই-র মত বড় পরীক্ষায় (যুগ্মভাবে) প্রথম হবার পরে স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ মাধ্যমের সম্মুখীন হয় উত্তর প্রদেশের মুজফ্‌ফরনগরের করিশমা আরোরা। এবং অবশ্যাম্ভাবী ভাবেই একটা প্রশ্ন ধেয়ে আসে করিশমার দিকে—“ভবিষ্যতে কি হতে চাও তুমি?” এমন ঝকঝকে ফল করা মেয়েটি বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রী হলে তার উত্তর ‘ডাক্তার’ কিংবা ‘ইঞ্জিনিয়ার’-এর মধ্যে ঘুরপাক খাবার সম্ভাবনাই ছিল চোদ্দ আনা। আইআইটি-র মত শীর্ষমানের প্রযুক্তির শিক্ষাকেন্দ্রে কিংবা এইমস-এর মতো চিকিৎসা-বিদ্যা শিক্ষার তাবড় প্রতিষ্ঠানে পড়বার সুযোগ পাবার জন্যে অনেকসময় বাঁধন-ছাড়া পাগলামি দেখে অভ্যস্ত আমাদের সমাজ-জীবন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পরীক্ষা-সফল ছাত্রদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের কোনও বিষয়ে গবেষণা বা পড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশের মত উত্তরও আসে বটে। ক্বচিৎ কখনও উচ্চ-পদাধিকারী সরকা঩রি প্রশাসক (আইএএস/আইপিএস/আইএফএস) হবার ইচ্ছেও প্রকাশ করে ফেলে ছাত্রটি। আর আর্টসের ছাত্র হলে উত্তরগুলি সাধারণত গবেষক, শিক্ষক, বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি হবার ইচ্ছার মধ্যে ঘুরতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এটাই দস্তুর।
যেমন, একই সঙ্গে প্রথম হওয়া অন্য ছাত্রীটি যেমন যোগ দিতে চেয়েছে ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসে। প্রশাসনের উচ্চপদে আকর্ষণীয় জীবন হাতছানি দেয় নিশ্চয়ই। তবু, করিশমা আরোরা কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানায়, সে হতে চায় কত্থক ডান্সার। নৃত্যশিল্পী।
পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করা এই ছাত্রগুলি তো মেধাবী, সপ্রতিভ। পৃথিবীটা এদের হাতের মুঠোয়। তারা যেখানে হাত দেবে, সোনা ফলা উচিত সেখানেই। অন্তত সেই প্রত্যয়টা তাদের মধ্যে না জাগলে তো তাদের শিক্ষাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। গতানুগতিকতার ঊর্দ্ধে উঠে জীবনকে দেখা তো এদেরই মানায়। তবু প্রতি বছর যে সমস্ত মেধাবী ছেলেমেয়ে ভালো ফল করে চলে বিভিন্ন কঠিন পরীক্ষায়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কিংবা প্রশাসক হওয়াটাই কি তাদের জীবনের ইচ্ছে আর উদ্দেশ্য? এতটা বুড়োটে ইচ্ছে হতে পারে বাচ্চা বাচ্চা স্কুলের ছেলেমেয়েগুলোর? একটা বছর আঠারোর স্কুলের ছেলে বা মেয়ে কতটা জানে ইঞ্জিনিয়ারের দৈনন্দিন কাজের প্রকরণ? কতটা বোঝে একজন শীর্ষ-প্রশাসকের কাজের চাপ আর দায়বদ্ধতা? কতটা উপলব্ধি করে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজের দায়ভার? এই সমস্ত ভারী ভারী ইচ্ছেগুলি তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া নয়তো? অভিভাবকের প্রত্যাশার রাঙতার মোড়কে নিজেদের ইচ্ছেগুলিকে কি মুড়িয়ে রাখছে এরা? কোথায় যায় এদের পাখি হয়ে গান গাইবার স্বপ্ন, কিংবা ফড়িং হয়ে নাচবার আকাঙ্ক্ষা? যাচ্ছেতাই এই ইচ্ছেগুলি কি আর এদের তাড়িয়ে ফেরে না? কবি হবার স্বপ্ন কি আর দেখে না আজকের ঝকঝকে কৈশোর? মঞ্চের আলো-আঁধারিতে হাজার দর্শকের সামনে অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে না এদের কারও? এদের কেউ চাঁদের পাহাড়ে যেতে চায় না শঙ্করের মত? আঠেরো বছর বয়স মানেই যে মায়াবী স্বপ্ন, অটল প্রত্যয়, আর দুর্দমনীয় ইচ্ছা ভেসে ওঠে চোখের সামনে, সেগুলি কি বিশ্ব-সংসার থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে? ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশ হয়ে রহস্য সমাধানের ইচ্ছেগুলি কি শুকিয়ে গিয়েছে আজকের সমাজে?
আর দেশের অগণিত অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে বইকি। বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম-দ্বিতীয় না হলেও। তাদের কেউ মাস্টার, কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল হতে চায়। এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কোনও এক অমলকান্তি আবার হতে চায় একফালি রোদ্দুর। তাই সাধারণ মানের কোনও কোনও ছাত্রেরও যে এমন বেয়াড়া রকমের ইচ্ছে হবে না, তেমনটা তো নয়। তাদের কারও ছেলেবেলাতেও এমনই স্বপ্ন উঁকি মারে জোনাকি হয়ে। ইচ্ছে-ডানা উড়ে চলে সুদূর-প্রসারিত দিগন্তে। কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় ভালো চাকরি, সচ্ছল রোজগারের সুযোগ বড় অল্প এই দেশে। গড়পড়তা ছেলেমেয়েদের তাই দাঁতে দাঁত চেপে সেই সীমিত সংখ্যক সুযোগের কোনও একটাকে আঁকড়ে ধরবার কৌশল আয়ত্ত্ব করবার অনুশীলন করে যেতে হয়। জীবন-ধারণের বেয়াড়া প্রয়োজনে এবং পারিপার্শ্বিকের প্রয়োজনে-প্রত্যাশায় তাদের অনেকেরই স্বপ্নগুলি ঝিমিয়ে পড়ে। হয়ে পড়ে মুমূর্ষু। মারা পড়ে তাদের কৈশোরের উচ্ছ্বলতা। স্বপ্ন নিয়ে বিলাসিতা করার স্পর্ধা দেখানো কঠিন হয়ে পড়ে তাদের।
কিন্তু মেধাবী, কৈশোরের সীমান্তেই প্রায় দুনিয়া জয় করে ফেলা ছেলেমেয়েগুলোও যে কেন তাদের স্বপ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করে না, সেটাই ভাবি। তারাও যেন স্থবির সমাজের ততোধিক স্থবির মানসিকতার শরিক হয়ে পড়ে। তারই মাঝে এমন একটি মেয়ে—এক ব্যতিক্রমী মেয়ে—কতটা ধাক্কা মারতে পারে স্থবির মানসিকতার সেই প্রাচীন বন্ধ দুয়ারে? এই ব্যতিক্রমটাই কেন যে নিয়ম হয়ে ওঠে না! কত্থক নাচের তালে দুনিয়া জয় করতে চেয়েছে মেয়েটি। সেটা হল আর নাই হল, তার জীবনে ডানা-মেলা গাঙচিল হয়ে আনন্দ-আশ্চর্যের সমুদ্রে অবগাহন কে আটকায়?
এরই মাঝে আমি অবশ্য স্বপ্ন দেখি এক উজ্জ্বল সমাজের। সমাজের পরিকাঠামো আর মানসিকতার যুগ্ম উত্তরণ। কেবলমাত্র পরীক্ষা-সফল ছেলেমেয়েরাই নয়, সাধারণ মানের ছাত্র-ছাত্রীরাও সেখানে নিঃসঙ্কোচে উড়তে পারবে নিজেদের ইচ্ছে-ডানায় ভর করে। জীবিকা তাদেরকে টেনে ধরবে না। জীবন বেঁধে রাখবে না শিকল দিয়ে। প্রতিযোগিতার ইঁদুর-দৌড়ে তাদের ক্ষত-বিক্ষত হতে হবে না প্রতিনিয়ত। আর এই ওড়াটাও কিন্তু তাদের প্রতিভা সেখানে লুকিয়ে আছে বলে নয়। ডানা মেলে ওড়াতেই তাদের মুক্তি বলে। সেই ওড়াতে এক বিন্দু প্রতিভা না থাকলেও। কোনও এক স্বপ্ন-জোনাকির মোহময় আবেশে তারাও তখন হয়ে উঠবে অসাধারণ। অমলকান্তিরা যখন হবে ক্ষান্তবর্ষণ কাক-ডাকা বিকেলের লাজুক একফালি রোদ্দুর।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
08th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়।
বিশদ

03rd  June, 2019
সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

 বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন।
বিশদ

03rd  June, 2019
ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে!
বিশদ

02nd  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইনিংস: ভারতের
বিদেশ নীতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ভাবনা
গৌরীশংকর নাগ

 অবশেষে মাসাধিক কালব্যাপী প্রতীক্ষার অবসান। নির্বাচন অতিক্রান্ত ও ফল ঘোষণার পর মোদির দ্বিতীয় ইনিংসে চমকের প্রত্যাশায় জল্পনা তুঙ্গে। আর সেই ভাবনা থেকেই আশা-আশঙ্কার দোলাচলে ভারতীয় বিদেশনীতি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে যে কথাটি এসে পড়ে তা হল পপুলিজম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
বিশদ

01st  June, 2019
ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না।
বিশদ

31st  May, 2019
একনজরে
  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...

গ্রেম স্মিথ : অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান অস্ত্র পেস বোলিং। ওভালে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর, ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অজিদের এই অস্ত্র কাজ করেনি। অন্য ম্যাচে ভয়ঙ্কর মূর্তিতে আবির্ভূত হলেও মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সের মতো বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর বিন্দুমাত্র ত্রাসের সঞ্চার করতে ...

বিএনএ, বাঁকুড়া: এনআরএসের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল থেকে কর্মবিরতি শুরু করলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন সকাল থেকে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM