Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। এমনকী মেয়েরা বেশ নিয়ম করেই বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার শীর্ষস্থানগুলি দখল করছে বলে নারীশক্তির জয়গান করাও আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষা-সংক্রান্ত সে সকল বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে বরং পরে কখনও আলোচনা করা যাবে। আপাতত পরীক্ষায় শীর্ষস্থানাধিকারিণী একটি মেয়ের কিছু কথা যে চমকে দিয়েছে আমাকে, এবং আমার মতোই অনেককে, তা নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে চাই। এবং তা যেন ভ্যাপসা গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতই স্বস্তির।
সিবিএসই-র মত বড় পরীক্ষায় (যুগ্মভাবে) প্রথম হবার পরে স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ মাধ্যমের সম্মুখীন হয় উত্তর প্রদেশের মুজফ্‌ফরনগরের করিশমা আরোরা। এবং অবশ্যাম্ভাবী ভাবেই একটা প্রশ্ন ধেয়ে আসে করিশমার দিকে—“ভবিষ্যতে কি হতে চাও তুমি?” এমন ঝকঝকে ফল করা মেয়েটি বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রী হলে তার উত্তর ‘ডাক্তার’ কিংবা ‘ইঞ্জিনিয়ার’-এর মধ্যে ঘুরপাক খাবার সম্ভাবনাই ছিল চোদ্দ আনা। আইআইটি-র মত শীর্ষমানের প্রযুক্তির শিক্ষাকেন্দ্রে কিংবা এইমস-এর মতো চিকিৎসা-বিদ্যা শিক্ষার তাবড় প্রতিষ্ঠানে পড়বার সুযোগ পাবার জন্যে অনেকসময় বাঁধন-ছাড়া পাগলামি দেখে অভ্যস্ত আমাদের সমাজ-জীবন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পরীক্ষা-সফল ছাত্রদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের কোনও বিষয়ে গবেষণা বা পড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশের মত উত্তরও আসে বটে। ক্বচিৎ কখনও উচ্চ-পদাধিকারী সরকা঩রি প্রশাসক (আইএএস/আইপিএস/আইএফএস) হবার ইচ্ছেও প্রকাশ করে ফেলে ছাত্রটি। আর আর্টসের ছাত্র হলে উত্তরগুলি সাধারণত গবেষক, শিক্ষক, বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি হবার ইচ্ছার মধ্যে ঘুরতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এটাই দস্তুর।
যেমন, একই সঙ্গে প্রথম হওয়া অন্য ছাত্রীটি যেমন যোগ দিতে চেয়েছে ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসে। প্রশাসনের উচ্চপদে আকর্ষণীয় জীবন হাতছানি দেয় নিশ্চয়ই। তবু, করিশমা আরোরা কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানায়, সে হতে চায় কত্থক ডান্সার। নৃত্যশিল্পী।
পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করা এই ছাত্রগুলি তো মেধাবী, সপ্রতিভ। পৃথিবীটা এদের হাতের মুঠোয়। তারা যেখানে হাত দেবে, সোনা ফলা উচিত সেখানেই। অন্তত সেই প্রত্যয়টা তাদের মধ্যে না জাগলে তো তাদের শিক্ষাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। গতানুগতিকতার ঊর্দ্ধে উঠে জীবনকে দেখা তো এদেরই মানায়। তবু প্রতি বছর যে সমস্ত মেধাবী ছেলেমেয়ে ভালো ফল করে চলে বিভিন্ন কঠিন পরীক্ষায়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কিংবা প্রশাসক হওয়াটাই কি তাদের জীবনের ইচ্ছে আর উদ্দেশ্য? এতটা বুড়োটে ইচ্ছে হতে পারে বাচ্চা বাচ্চা স্কুলের ছেলেমেয়েগুলোর? একটা বছর আঠারোর স্কুলের ছেলে বা মেয়ে কতটা জানে ইঞ্জিনিয়ারের দৈনন্দিন কাজের প্রকরণ? কতটা বোঝে একজন শীর্ষ-প্রশাসকের কাজের চাপ আর দায়বদ্ধতা? কতটা উপলব্ধি করে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজের দায়ভার? এই সমস্ত ভারী ভারী ইচ্ছেগুলি তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া নয়তো? অভিভাবকের প্রত্যাশার রাঙতার মোড়কে নিজেদের ইচ্ছেগুলিকে কি মুড়িয়ে রাখছে এরা? কোথায় যায় এদের পাখি হয়ে গান গাইবার স্বপ্ন, কিংবা ফড়িং হয়ে নাচবার আকাঙ্ক্ষা? যাচ্ছেতাই এই ইচ্ছেগুলি কি আর এদের তাড়িয়ে ফেরে না? কবি হবার স্বপ্ন কি আর দেখে না আজকের ঝকঝকে কৈশোর? মঞ্চের আলো-আঁধারিতে হাজার দর্শকের সামনে অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে না এদের কারও? এদের কেউ চাঁদের পাহাড়ে যেতে চায় না শঙ্করের মত? আঠেরো বছর বয়স মানেই যে মায়াবী স্বপ্ন, অটল প্রত্যয়, আর দুর্দমনীয় ইচ্ছা ভেসে ওঠে চোখের সামনে, সেগুলি কি বিশ্ব-সংসার থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে? ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশ হয়ে রহস্য সমাধানের ইচ্ছেগুলি কি শুকিয়ে গিয়েছে আজকের সমাজে?
আর দেশের অগণিত অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে বইকি। বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম-দ্বিতীয় না হলেও। তাদের কেউ মাস্টার, কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল হতে চায়। এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কোনও এক অমলকান্তি আবার হতে চায় একফালি রোদ্দুর। তাই সাধারণ মানের কোনও কোনও ছাত্রেরও যে এমন বেয়াড়া রকমের ইচ্ছে হবে না, তেমনটা তো নয়। তাদের কারও ছেলেবেলাতেও এমনই স্বপ্ন উঁকি মারে জোনাকি হয়ে। ইচ্ছে-ডানা উড়ে চলে সুদূর-প্রসারিত দিগন্তে। কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় ভালো চাকরি, সচ্ছল রোজগারের সুযোগ বড় অল্প এই দেশে। গড়পড়তা ছেলেমেয়েদের তাই দাঁতে দাঁত চেপে সেই সীমিত সংখ্যক সুযোগের কোনও একটাকে আঁকড়ে ধরবার কৌশল আয়ত্ত্ব করবার অনুশীলন করে যেতে হয়। জীবন-ধারণের বেয়াড়া প্রয়োজনে এবং পারিপার্শ্বিকের প্রয়োজনে-প্রত্যাশায় তাদের অনেকেরই স্বপ্নগুলি ঝিমিয়ে পড়ে। হয়ে পড়ে মুমূর্ষু। মারা পড়ে তাদের কৈশোরের উচ্ছ্বলতা। স্বপ্ন নিয়ে বিলাসিতা করার স্পর্ধা দেখানো কঠিন হয়ে পড়ে তাদের।
কিন্তু মেধাবী, কৈশোরের সীমান্তেই প্রায় দুনিয়া জয় করে ফেলা ছেলেমেয়েগুলোও যে কেন তাদের স্বপ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করে না, সেটাই ভাবি। তারাও যেন স্থবির সমাজের ততোধিক স্থবির মানসিকতার শরিক হয়ে পড়ে। তারই মাঝে এমন একটি মেয়ে—এক ব্যতিক্রমী মেয়ে—কতটা ধাক্কা মারতে পারে স্থবির মানসিকতার সেই প্রাচীন বন্ধ দুয়ারে? এই ব্যতিক্রমটাই কেন যে নিয়ম হয়ে ওঠে না! কত্থক নাচের তালে দুনিয়া জয় করতে চেয়েছে মেয়েটি। সেটা হল আর নাই হল, তার জীবনে ডানা-মেলা গাঙচিল হয়ে আনন্দ-আশ্চর্যের সমুদ্রে অবগাহন কে আটকায়?
এরই মাঝে আমি অবশ্য স্বপ্ন দেখি এক উজ্জ্বল সমাজের। সমাজের পরিকাঠামো আর মানসিকতার যুগ্ম উত্তরণ। কেবলমাত্র পরীক্ষা-সফল ছেলেমেয়েরাই নয়, সাধারণ মানের ছাত্র-ছাত্রীরাও সেখানে নিঃসঙ্কোচে উড়তে পারবে নিজেদের ইচ্ছে-ডানায় ভর করে। জীবিকা তাদেরকে টেনে ধরবে না। জীবন বেঁধে রাখবে না শিকল দিয়ে। প্রতিযোগিতার ইঁদুর-দৌড়ে তাদের ক্ষত-বিক্ষত হতে হবে না প্রতিনিয়ত। আর এই ওড়াটাও কিন্তু তাদের প্রতিভা সেখানে লুকিয়ে আছে বলে নয়। ডানা মেলে ওড়াতেই তাদের মুক্তি বলে। সেই ওড়াতে এক বিন্দু প্রতিভা না থাকলেও। কোনও এক স্বপ্ন-জোনাকির মোহময় আবেশে তারাও তখন হয়ে উঠবে অসাধারণ। অমলকান্তিরা যখন হবে ক্ষান্তবর্ষণ কাক-ডাকা বিকেলের লাজুক একফালি রোদ্দুর।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
08th  June, 2019
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত বুধবার বিকেলের কালবৈশাখীতে দক্ষিণবঙ্গের বহু জায়গায় ফের গাছ পড়ে বিদ্যুৎহীন হয়ে যায় বিভিন্ন এলাকা। সে সব মেরামতি করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ...

নয়াদিল্লি, ২৯ মে: আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক হিসেবে চারবার ট্রফি হাতে তুলেছেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সাফল্যের নিরিখে অনেকেই তাঁকে মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে তুলনা করেন। কারণ ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: দিল্লি থেকে রওনা দেওয়া শ্রমিক ট্রেনে মৃত মহিলার নিথর দেহ এল কালিম্পংয়ে। মৃতের নাম কিপা শেরপা(৫১)। শুক্রবার বিকালে সড়ক পথে তাঁর মৃতদেহ কালিম্পংয়ে আনা হয়।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাজারে একসঙ্গে তিনটি গাড়ি আনল স্কোডা অটো ইন্ডিয়া। প্রথমটি ‘র‌্যাপিড ১.০ টিএসআই’, যার দাম ৭.৪৯ লক্ষ টাকা থেকে শুরু (এক্স শোরুম)। পেট্রল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সাফল্যলাভ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যে অবনতি। কর্মে সাফল্য। ব্যবসায় মন্দাবৃদ্ধি।প্রতিকারঃ আজ হলুদ রঙের পোশাক ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৪৪: ইংরেজ লেখক আলেক্সজান্ডার পোপের মৃত্যু
১৭৭৮: ফ্রান্সের লেখক এবং দার্শনিক ভলতেয়ারের মৃত্যু
১৯১২: বিমান আবিষ্কারক উইলবার রাইটের মৃত্যু
১৯১৯: জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নাইট’ উপাধি ত্যাগ
১৯৪০: জগমোহন ডালমিয়ার জন্ম
১৯৪৫: অভিনেতা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা পরেশ রাওয়ালের জন্ম
১৯৮৭: ভারতের ২৫তম রাজ্যের স্বীকৃতি পেল গোয়া
২০১৩: চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৮১.৭৯ টাকা ৮৬.২২ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৩ টাকা ৯৫.৮৩ টাকা
ইউরো ৭৩.৮১ টাকা ৭৭.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী ৩৭/৩৫ রাত্রি ৭/৫৮। মঘা নক্ষত্র ২/৪৭ প্রাতঃ ৬/৩ পরে পূর্বফল্গুনী ৫৯/২৭ রাত্রি ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৫৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১১/১২ গতে ১/২১ মধ্যে পুনঃ ২/৪৭ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১/১৩ গতে ২/৫৩ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৬ গতে উদয়াবধি।
১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০, শনিবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৪/৫৮। পূর্ব্বফল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ২/১৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৩/৩৮ গতে ৬/১৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৭/৪৬ মধ্যে ও ১১/১৬ গতে ১/২২ মধ্যে ও ২/৪৮ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৪ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ মধ্যে ও ৩/৫৬ গতে ৪/৫৬ মধ্যে।
৬ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মেক্সিকোয় করোনা আক্রান্ত আরও ৩,২২৭
গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোয় নতুন করে আরও ৩ হাজার ২২৭ ...বিশদ

01:50:46 PM

করোনা:রাশিয়ায় আক্রান্ত আরও ৮,৯৫২
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৮ হাজার ৯৫২ ...বিশদ

01:44:56 PM

বাঁকুড়ায় ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু যুবকের
বাঁকুড়ায় একটি ট্রাক্টর উল্টে মৃত্যু হল এক যুবকের। আহত হয়েছেন ...বিশদ

01:27:00 PM

মুর্শিদাবাদের রানিনগর থেকে উদ্ধার ১৩ টি পিস্তল ও ১টি মাস্কেট, ধৃত ৩ 

01:24:00 PM

অন্তর্দেশীয় বিমানে চার দিনেই সফর করলেন লক্ষাধিক
 শুধুমাত্র বৃহস্পতিবারই ৪৯৪টি অন্তর্দেশীয় বিমানে ৩৮ হাজার ৭৮ জন যাত্রী ...বিশদ

01:17:27 PM

ফের পথ দুর্ঘটনার কবলে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা
ফের পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়লেন বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

12:58:35 PM