Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়। এমনকী মেয়েরা বেশ নিয়ম করেই বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষার শীর্ষস্থানগুলি দখল করছে বলে নারীশক্তির জয়গান করাও আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। শিক্ষা-সংক্রান্ত সে সকল বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ, সে নিয়ে বরং পরে কখনও আলোচনা করা যাবে। আপাতত পরীক্ষায় শীর্ষস্থানাধিকারিণী একটি মেয়ের কিছু কথা যে চমকে দিয়েছে আমাকে, এবং আমার মতোই অনেককে, তা নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে চাই। এবং তা যেন ভ্যাপসা গরমে এক পশলা বৃষ্টির মতই স্বস্তির।
সিবিএসই-র মত বড় পরীক্ষায় (যুগ্মভাবে) প্রথম হবার পরে স্বাভাবিক ভাবেই সংবাদ মাধ্যমের সম্মুখীন হয় উত্তর প্রদেশের মুজফ্‌ফরনগরের করিশমা আরোরা। এবং অবশ্যাম্ভাবী ভাবেই একটা প্রশ্ন ধেয়ে আসে করিশমার দিকে—“ভবিষ্যতে কি হতে চাও তুমি?” এমন ঝকঝকে ফল করা মেয়েটি বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রী হলে তার উত্তর ‘ডাক্তার’ কিংবা ‘ইঞ্জিনিয়ার’-এর মধ্যে ঘুরপাক খাবার সম্ভাবনাই ছিল চোদ্দ আনা। আইআইটি-র মত শীর্ষমানের প্রযুক্তির শিক্ষাকেন্দ্রে কিংবা এইমস-এর মতো চিকিৎসা-বিদ্যা শিক্ষার তাবড় প্রতিষ্ঠানে পড়বার সুযোগ পাবার জন্যে অনেকসময় বাঁধন-ছাড়া পাগলামি দেখে অভ্যস্ত আমাদের সমাজ-জীবন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে পরীক্ষা-সফল ছাত্রদের কাছ থেকে বিজ্ঞানের কোনও বিষয়ে গবেষণা বা পড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশের মত উত্তরও আসে বটে। ক্বচিৎ কখনও উচ্চ-পদাধিকারী সরকা঩রি প্রশাসক (আইএএস/আইপিএস/আইএফএস) হবার ইচ্ছেও প্রকাশ করে ফেলে ছাত্রটি। আর আর্টসের ছাত্র হলে উত্তরগুলি সাধারণত গবেষক, শিক্ষক, বা প্রশাসনের কর্তাব্যক্তি হবার ইচ্ছার মধ্যে ঘুরতে থাকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। এটাই দস্তুর।
যেমন, একই সঙ্গে প্রথম হওয়া অন্য ছাত্রীটি যেমন যোগ দিতে চেয়েছে ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিসে। প্রশাসনের উচ্চপদে আকর্ষণীয় জীবন হাতছানি দেয় নিশ্চয়ই। তবু, করিশমা আরোরা কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে জানায়, সে হতে চায় কত্থক ডান্সার। নৃত্যশিল্পী।
পরীক্ষায় দুর্দান্ত ফল করা এই ছাত্রগুলি তো মেধাবী, সপ্রতিভ। পৃথিবীটা এদের হাতের মুঠোয়। তারা যেখানে হাত দেবে, সোনা ফলা উচিত সেখানেই। অন্তত সেই প্রত্যয়টা তাদের মধ্যে না জাগলে তো তাদের শিক্ষাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। গতানুগতিকতার ঊর্দ্ধে উঠে জীবনকে দেখা তো এদেরই মানায়। তবু প্রতি বছর যে সমস্ত মেধাবী ছেলেমেয়ে ভালো ফল করে চলে বিভিন্ন কঠিন পরীক্ষায়, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কিংবা প্রশাসক হওয়াটাই কি তাদের জীবনের ইচ্ছে আর উদ্দেশ্য? এতটা বুড়োটে ইচ্ছে হতে পারে বাচ্চা বাচ্চা স্কুলের ছেলেমেয়েগুলোর? একটা বছর আঠারোর স্কুলের ছেলে বা মেয়ে কতটা জানে ইঞ্জিনিয়ারের দৈনন্দিন কাজের প্রকরণ? কতটা বোঝে একজন শীর্ষ-প্রশাসকের কাজের চাপ আর দায়বদ্ধতা? কতটা উপলব্ধি করে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের কাজের দায়ভার? এই সমস্ত ভারী ভারী ইচ্ছেগুলি তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া নয়তো? অভিভাবকের প্রত্যাশার রাঙতার মোড়কে নিজেদের ইচ্ছেগুলিকে কি মুড়িয়ে রাখছে এরা? কোথায় যায় এদের পাখি হয়ে গান গাইবার স্বপ্ন, কিংবা ফড়িং হয়ে নাচবার আকাঙ্ক্ষা? যাচ্ছেতাই এই ইচ্ছেগুলি কি আর এদের তাড়িয়ে ফেরে না? কবি হবার স্বপ্ন কি আর দেখে না আজকের ঝকঝকে কৈশোর? মঞ্চের আলো-আঁধারিতে হাজার দর্শকের সামনে অভিনয়ের আকাঙ্ক্ষা থাকে না এদের কারও? এদের কেউ চাঁদের পাহাড়ে যেতে চায় না শঙ্করের মত? আঠেরো বছর বয়স মানেই যে মায়াবী স্বপ্ন, অটল প্রত্যয়, আর দুর্দমনীয় ইচ্ছা ভেসে ওঠে চোখের সামনে, সেগুলি কি বিশ্ব-সংসার থেকে বিলুপ্ত হতে বসেছে? ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশ হয়ে রহস্য সমাধানের ইচ্ছেগুলি কি শুকিয়ে গিয়েছে আজকের সমাজে?
আর দেশের অগণিত অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীরাও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে বইকি। বোর্ডের পরীক্ষায় প্রথম-দ্বিতীয় না হলেও। তাদের কেউ মাস্টার, কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল হতে চায়। এর মধ্যে ব্যতিক্রমী কোনও এক অমলকান্তি আবার হতে চায় একফালি রোদ্দুর। তাই সাধারণ মানের কোনও কোনও ছাত্রেরও যে এমন বেয়াড়া রকমের ইচ্ছে হবে না, তেমনটা তো নয়। তাদের কারও ছেলেবেলাতেও এমনই স্বপ্ন উঁকি মারে জোনাকি হয়ে। ইচ্ছে-ডানা উড়ে চলে সুদূর-প্রসারিত দিগন্তে। কিন্তু বিপুল জনসংখ্যার তুলনায় ভালো চাকরি, সচ্ছল রোজগারের সুযোগ বড় অল্প এই দেশে। গড়পড়তা ছেলেমেয়েদের তাই দাঁতে দাঁত চেপে সেই সীমিত সংখ্যক সুযোগের কোনও একটাকে আঁকড়ে ধরবার কৌশল আয়ত্ত্ব করবার অনুশীলন করে যেতে হয়। জীবন-ধারণের বেয়াড়া প্রয়োজনে এবং পারিপার্শ্বিকের প্রয়োজনে-প্রত্যাশায় তাদের অনেকেরই স্বপ্নগুলি ঝিমিয়ে পড়ে। হয়ে পড়ে মুমূর্ষু। মারা পড়ে তাদের কৈশোরের উচ্ছ্বলতা। স্বপ্ন নিয়ে বিলাসিতা করার স্পর্ধা দেখানো কঠিন হয়ে পড়ে তাদের।
কিন্তু মেধাবী, কৈশোরের সীমান্তেই প্রায় দুনিয়া জয় করে ফেলা ছেলেমেয়েগুলোও যে কেন তাদের স্বপ্ন নিয়ে নাড়াচাড়া করে না, সেটাই ভাবি। তারাও যেন স্থবির সমাজের ততোধিক স্থবির মানসিকতার শরিক হয়ে পড়ে। তারই মাঝে এমন একটি মেয়ে—এক ব্যতিক্রমী মেয়ে—কতটা ধাক্কা মারতে পারে স্থবির মানসিকতার সেই প্রাচীন বন্ধ দুয়ারে? এই ব্যতিক্রমটাই কেন যে নিয়ম হয়ে ওঠে না! কত্থক নাচের তালে দুনিয়া জয় করতে চেয়েছে মেয়েটি। সেটা হল আর নাই হল, তার জীবনে ডানা-মেলা গাঙচিল হয়ে আনন্দ-আশ্চর্যের সমুদ্রে অবগাহন কে আটকায়?
এরই মাঝে আমি অবশ্য স্বপ্ন দেখি এক উজ্জ্বল সমাজের। সমাজের পরিকাঠামো আর মানসিকতার যুগ্ম উত্তরণ। কেবলমাত্র পরীক্ষা-সফল ছেলেমেয়েরাই নয়, সাধারণ মানের ছাত্র-ছাত্রীরাও সেখানে নিঃসঙ্কোচে উড়তে পারবে নিজেদের ইচ্ছে-ডানায় ভর করে। জীবিকা তাদেরকে টেনে ধরবে না। জীবন বেঁধে রাখবে না শিকল দিয়ে। প্রতিযোগিতার ইঁদুর-দৌড়ে তাদের ক্ষত-বিক্ষত হতে হবে না প্রতিনিয়ত। আর এই ওড়াটাও কিন্তু তাদের প্রতিভা সেখানে লুকিয়ে আছে বলে নয়। ডানা মেলে ওড়াতেই তাদের মুক্তি বলে। সেই ওড়াতে এক বিন্দু প্রতিভা না থাকলেও। কোনও এক স্বপ্ন-জোনাকির মোহময় আবেশে তারাও তখন হয়ে উঠবে অসাধারণ। অমলকান্তিরা যখন হবে ক্ষান্তবর্ষণ কাক-ডাকা বিকেলের লাজুক একফালি রোদ্দুর।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
08th  June, 2019
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল। আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।  
বিশদ

13th  January, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের জাহাজ মন্ত্রকের সাগরমালা প্রকল্পের আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পণ্য পরিবহণ বছরে ৩৩ কোটি ৭০ লক্ষ টনে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কোথাও নিত্য যানজট আবার কোথাও ফুটপাত দখল করে সার দিয়ে দোকান আর হকারদের পসরা। সেসব এড়িয়ে শিয়ালদহ স্টেশনে ঢুকতে প্রতিদিন ভোগান্তিতে পড়তে ...

  বালিয়া (উত্তরপ্রদেশ), ১৯ জানুয়ারি (পিটিআই): নজিরবিহীনভাবে দাদা মুলায়ম সিং যাদবকে নিশানা করে তোপ দাগলেন ভাই শিবপাল। ইদানীং ছেলে অখিলেশের সঙ্গেই বেশি দেখা যাচ্ছে সপার প্রতিষ্ঠাতাকে। ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: চাকা ফেটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চায়ের দোকানে লরি ঢুকে তিনজনের মৃত্যুর জেরে এবার অতিরিক্ত বালিবোঝাই গাড়ি আটকে আন্দোলনে নামলেন ময়ূরেশ্বরের বাসিন্দারা। এই আন্দোলনে কোনও ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণযোগ রয়েছে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮১৭: হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) যাত্রা শুরু
১৯৩৪ - আলোকচিত্র এবং ইলেকট্রনিকস্ কোম্পানী হিসেবে ফুজিফিল্ম কোম্পানীর যাত্রা শুরু
১৯৭২: নতুন রাজ্য হল অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়
১৯৯৩: মার্কিন অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৭ টাকা ৭১.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯১.২২ টাকা ৯৪.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৬১ টাকা ৮০.৫৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
18th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৫০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
19th  January, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৪৯/১৮ রাত্রি ২/৬। অনুরাধা ৪২/৪৯ রাত্রি ১১/৩০। সূ উ ৬/২২/৫৪, অ ৫/১২/০, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে. রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে। 
৫ মাঘ ১৪২৬, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার, একাদশী ৫৩/২৯/৩৫ রাত্রি ৩/৪৯/৪৭। অনুরাধা ৪৯/৪৭/৫৬ রাত্রি ১/৩৩/৭। সূ উ ৬/২৫/৫৭, অ ৫/১০/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ১১/২৪ গতে ২/৫১ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬/৩২ গতে ৯/৭/৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/৫১ গতে ১১/৪৮/১৭ মধ্যে। 
২৪ জমাদিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বনদপ্তরের খাঁচায় চিতা, এবার আলিপুরদুয়ার
জলপাইগুড়ির পর এবার আলিপুরদুয়ার। বনদপ্তরের পাতা ফাঁদে খাঁচাবন্দি চিতা। ঘটনাটি ...বিশদ

11:23:00 AM

 ২৫০ কেজি ওজনের আইএস মৌলবি গ্রেপ্তার, আনা হল ট্রাকে
ইরাকের বিশেষ বাহিনী (সোয়াট)’র হাতে সম্প্রতি ধরা পড়েছে আইএসের মৌলবি ...বিশদ

11:11:26 AM

অবশেষে ময়নাগুড়িতে ধরা পড়ল ঘাতক বানরটি
অবশেষে ধরা পড়ল ময়নাগুড়ির সেই ঘাতক বানরটি। সোমবার সকালে জলপাইগুড়ির ...বিশদ

10:54:00 AM

কলেজের অস্থায়ী শিক্ষাকর্মীরা এবার আন্দোলনে নামছেন
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে কলেজের অস্থায়ী ...বিশদ

10:33:29 AM

আব্দুল গফফর খানের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি মমতার
‘সীমান্ত গান্ধী’ আব্দুল গফফর খানের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ...বিশদ

10:27:00 AM

কর্ণাটকে ক্রিকেট বেটিং চক্রের হদিশ, আটক ১১ 
কর্ণাটকে হদিশ মিলল ক্রিকেট বেটিং চক্রের। আটক করা হয়েছে ১১জনকে। ...বিশদ

10:27:00 AM