Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না। পড়ুয়াকে কিছু কায়দাকানুন শিখতে হয়। এরজন্য নিয়ম করে যেতে হয় কোচিং সেন্টারেও। অনেক ছাত্রছাত্রী তো স্কুল-কলেজে না গিয়ে কোচিংয়ে কোচিংয়ে ছুটে বেড়ান। কোচিংশিল্প এমন স্তরে পৌঁছেছে যে এর উপকারিতা এখন আর কেউ অস্বীকার করতে পারেন না। কোচিং সেন্টারগুলিও এখন এই পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে। বিহারের ছেলে প্রশান্ত কিশোর এ রকমই এক বিশেষ প্যাকেজের কোচিং সেন্টার খুলেছিলেন। তবে রাজনীতিবিদদের জন্য। নাম দিয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’। গুজরাত, বিহার, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ— কোথায় নেই তাঁর ছাত্র। প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমেরেন্দ্র সিং আর হালের চমক অন্ধ্রের জগমোহন রেড্ডি—সবাই তাঁর ছাত্র। এক কথায় প্রশান্ত কিশোর এখন ভারতের ভোটগুরু। রাজনীতির ময়দানে ‘গেম মেকার’ হিসেবেই তাঁর উত্থান।
আফ্রিকায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব ছেড়ে ২০১১ সালে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তারপর নির্বাচন কৌশলী হিসেবে কোচিং সেন্টার খুলে মিডিয়ায় প্রচার শুরু। রত্ন চিনতে ভুল করেননি মোদি। দ্রুত তাঁকে ডেকে পাঠান। তারপরেই তরুণ পেশাদারদের দল তৈরি করে গুজরাতে সুশাসনের প্রচার শুরু করেন। সেই দলের বেশিরভাগই আইআইটি-আইআইএমের স্নাতক। প্রশান্ত মোদিকে শেখান কীভাবে বিরোধীদের মোকাবিলা করতে হয়। কীভাবে হাসিমুখে না রেগে জবাব দিতে হয় অস্বস্তিকর প্রশ্নের। একেবারে ওয়ান টু ওয়ান কোচিং। মোদি ছিলেন খুবই সিরিয়াস অনুগত ছাত্র। ফলও পান হাতে হাতে। ২০১২-তে নরেন্দ্র মোদি যখন তৃতীয়বারের জন্য গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হন, সেই সময়েই লাইমলাইটে আসেন প্রশান্ত। রাজনৈতিক মহলে শোনা যায়, সেই বছর গুজরাতের ক্ষমতায় মোদিকে নিয়ে আসার পিছনে কাণ্ডারী ছিলেন প্রশান্ত কিশোরই। এরপরে প্রশান্তের সেই দল নিয়েই জাতীয় স্তরে প্রচারের কাজ শুরু করে দেন নরেন্দ্র মোদি। ‘চায়ে পে চর্চা’র সাড়া জাগানো প্রচারের ডিজাইন করেছিলেন প্রশান্তের দলের সদস্যরাই। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোরকে সঙ্গে রাখেন মোদি, তবে তাঁর ছায়াসঙ্গীদের বলে দেন প্রশান্ত কিশোর কীভাবে কাজ করেন তার ফটোকপি করে রাখতে। প্রশান্ত যা যা বলেন, তা ছবিসহ অক্ষরে অক্ষরে টুকে রাখতে। বলে দেন, প্রশান্ত কিশোর না থাকলে যেন আমরা তাঁর অভাব অনুভব না করি। অমিত শাহ তাঁর দলবল নিয়ে সেই কাজটা করেন পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তার ফল হাতেনাতে পান মোদি। ঠিক এরপরেই মোদির হাত ছেড়ে দেন প্রশান্ত। বিজেপির এক সূত্রের খবর, প্রশান্ত নিজের আলাদা একটা দপ্তর খুলতে চেয়েছিলেন। এবং তা অনেকটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মতোই। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনাকে বাতিল করে দিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিজেপির সঙ্গে বিরোধের কথা জানার পরে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে নীতীশ কুমার প্রশান্তের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ২০১৫ সালের মার্চে নীতীশের জন্য নির্বাচনী কৌশল তৈরির দায়িত্ব পান প্রশান্ত। জেডিইউয়ের সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বে থাকা নেতারা ক্ষুব্ধ হন। কেউ কেউ দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদির প্রচারের অন্ধ অনুকরণ করছেন প্রশান্ত! প্রথমে ‘পর্চা পে চর্চা’ বা ‘ঘর ঘর দস্তক’ প্রচার করে তৃণমূল স্তরের খবর তুলে আনেন। নীতীশ কুমারের জন্য এলাকাভিত্তিক প্রাধান্য দিয়ে বক্তৃতা তৈরি করে দিয়েছেন। যাতে প্রতিটি মানুষের মনে হয়, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কথাই ভাবছেন। নীতীশের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের জয়ের পথ তৈরিতে সেটা অনেকটাই সাহায্য করেছিল বলে মেনে নেন জেডিইউ নেতারাই। ২০১৫-র বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের রথ থামিয়ে দিয়েছিল জেডিইউ, আরজেডি এবং কংগ্রেসের জোট। সূত্রের খবর, বিহারের মন্ত্রিসভা গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রশান্ত। তাঁকে সেই মন্ত্রিসভাতেও রাখা হয়েছিল। কিন্তু কোনও দপ্তর দেওয়া হয়নি। এরপর থেকে নাকি দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। জেডিইউ-এর এক সূত্রের দাবি, প্রশান্ত একসঙ্গে একাধিক দপ্তর সামলানোর পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরোধিতায় নাকি সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
এরপরে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে নামেন প্রশান্ত কিশোর। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে সফল হননি। তিনি ডাক পান পাঞ্জাব থেকে। পাঞ্জাবের কংগ্রেসপ্রধান অমরেন্দ্র সিং তাঁকে বিহার থেকে নিয়ে যান নির্বাচনী উপদেষ্টা হিসেবে। কোচিং সেন্টার নিয়ে চলে যান প্রশান্ত। তাঁর রণনীতিতে বিপুল জয় পান ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিংহের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। দেশজুড়ে মোদির দাপট এবং পাঞ্জাবে প্রবল প্রতিপক্ষ বিজেপি এবং আম আদমি পার্টিকে রুখে দিয়েছিলেন প্রশান্ত। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১১৭টি আসনের মধ্যে ৭৭টিতে জিতে নেয় কংগ্রেস। অনেক অনেক বছর পর পাঞ্জাবে কংগ্রেস ফের ক্ষমতার মুখ দেখে। এই সময় উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনী রাজনৈতিক কৌশলেরও দায়িত্বে ছিলেন প্রশান্ত। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতারা তাঁর কথা শুনতে রাজি ছিলেন না। প্রিয়াঙ্কাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রজেক্ট করে প্রচার কৌশল তৈরি করতে চেয়েছিলেন প্রশান্ত। তা শুনে রাজ্যের এক কংগ্রেস নেতা নাকি বলেছিলেন, ‘প্রশান্ত কিশোরকে দলের কৌশল নির্ধারণ এবং প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের সংগঠন এবং টিকিট বণ্টনের দায়িত্ব তাঁর নয়।’ কেউ কেউ এ কথাও বলেছিলেন যে, প্রশান্তের কাছ থেকে তাঁকে যদি রাজনীতি শিখতে হয়, তাহলে তিনি রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন। এককথায় মোদি এবং নীতীশের সঙ্গে কাজের সময় প্রশান্ত যে স্বাধীনতা পেয়েছিলেন, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে সেই সুযোগ পাননি। কংগ্রেসও উত্তরপ্রদেশে আর ফিরতে পারেনি। এটাই ছিল প্রশান্ত কিশোরের প্রথম ব্যর্থতা। এর পর বেশ কিছু সময়ের জন্য আড়ালে চলে যান প্রশান্ত। তবে বসে থাকেননি। এরপর ডাক পেয়েছেন দক্ষিণের রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুতে। একের পর এক মাস্টারস্ট্রোকে সেখানেও কাজে সফল হয়েছেন।
মনে রাখবেন, বিজেপির সঙ্গে মিলেমিশে নির্বাচন আবার বিজেপি ছেড়ে লালুকে নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়— সবই প্রশান্তের পরামর্শে আর কৌশলে। সময় নষ্ট করেননি নীতীশ কুমার। প্রশান্তকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে দেন। নীতীশ কুমারের হাত ধরে বিহারের রাজনীতিতে যোগ দেন নির্বাচনী-কৌশলকার। পরে এক সাক্ষাৎকারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার স্বীকার করেছেন, প্রশান্ত কিশোরকে জেডিইউতে নিতে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ তাঁকে দু’বার টেলিফোনে অনুরোধ করেছিলেন। ২০১৮-র অক্টোবরে দলের সহ সভাপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন প্রশান্ত। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। আরএসএস প্রভাবিত ছাত্র সংগঠন এবিভিপিকে দীর্ঘদিন পরে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হারিয়ে ছাত্র সংসদ সভাপতি পদে জেডিইউকে জেতান। এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেতে জেডিইউ। লোকসভা নির্বাচনের বছরে দলের সঙ্গে যুবকদের জুড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি। আর নীতীশ কুমার বলছেন, ‘আমি বলছি শুনুন, প্রশান্তই ভবিষ্যৎ।’ বিহারের মাটি তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা। এই বিহারেই ১৯৭৭ সালে জন্ম। পড়াশোনা বক্সার জেলায়।
প্রশ্ন উঠেছিল, সরাসরি রাজনীতিতে নেমে পড়ায় কি প্রশান্ত কিশোরের কোচিং সেন্টার বন্ধ হতে চলেছে? ভুল ভাঙিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অন্য এক খেলা দেখিয়েছেন প্রশান্ত। সারা দেশ যখন মোদি মোদি করছে, তখন অন্ধ্রপ্রদেশে অন্য ভাও। জগনমোহনের উত্যুঙ্গ সাফল্যের অন্তরালে চাণক্যের ভূমিকায় সেই প্রশান্ত কিশোরই। এরজন্য হয়তো মনে মনে নীতীশ কুমারকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন জগন। কারণ, লোকসভা ভোটের হাওয়া উঠতেই জেডিইউতে প্রশান্তের সঙ্গে শুরু হয়েছিল টানাপোড়েন। নীতীশের দল জেডিইউ বিজেপি তথা এনডিএ জোটে শামিল হওয়া নিয়ে দু’জনের মধ্যে মতবিরোধ কার্যত চরমে উঠেছিল। জোটে শামিল করে বিজেপি যে ধীরে ধীরে জেডিইউকেই গ্রাস করতে চাইছে, এমন মতবাদ নীতীশকে বোঝাতে চেয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু নীতীশ এই মতের সঙ্গে সহমত ছিলেন না। তার জেরে শেষ পর্যন্ত প্রশান্ত কিশোরকেই সরে যেতে হয়। এই সুযোগটাই নিয়েছিলেন অন্ধ্রের জগনমোহন।
প্রশান্তের বুথভিত্তিক সংগঠন তৈরি আর জুতসই স্লোগান দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ার কৌশল হাতে হাতে ফল দিয়েছে। তাঁর প্রশিক্ষণেই অন্ধ্রের ওয়াইএসআর কংগ্রেসের প্রধান জগনমোহন রেড্ডি রাজ্যের ১৭৫টি বিধানসভা আসনের ১৫২টি আসনেই জয় পেয়েছেন। ২৫টি লোকসভা আসনের সব ক’টি তাঁর দখলে। ওয়াইএসআর জগন রেড্ডির সাফল্য নজর কেড়েছে গোটা দেশের। জগন-ঢেউয়ে ভেসে গিয়েছেন জাতীয় রাজনীতিতে উদিত হতে চাওয়া চন্দ্রবাবু নাইডু। গোটা অন্ধ্রপ্রদেশে কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ তেলুগু দেশম পার্টি। দেশে নতুন শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি। মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস রাজশেখর রেড্ডির ছেলে জগনমোহন রেড্ডি।
শুধু অন্ধ্রের এই জয়ই নয়, সংসদেও এখন তৃতীয় বৃহত্তম দল (বিজেপি এবং কংগ্রেসের পরেই) জগনমোহনের ওয়াইএসআরসিপি। এই বিপুল জয়ের পরই প্রশান্ত কিশোর ধন্যবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেছেন, ‘এই জয়ের জন্য অন্ধ্র এবং ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন বা আই-পিএসির (প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা) সহকর্মীদের ধন্যবাদ। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।’ শুনলে অবাক হবেন, অন্ধ্রপ্রদেশে এবার ১৫ মাসের পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিলেন প্রশান্ত-জগন। তাঁদের মূল কৌশল ছিল সরাসরি মানুষ বা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা। প্রচারের স্লোগান ছিল ‘রাভালি জগন, কাভালি জগন’ (আমরা জগনকে চাই, জগনকে জিততেই হবে)। চন্দ্রবাবুকে আর বিশ্বাস নয়, এই দাবিও ছিল প্রচারের সুরে তালে। তাঁর নির্বাচনী থিম সং সংক্রামিত হয় দাবানলের মতো। পেজ ভিউয়ার ছিল ২.২৫ কোটি। আসলে, প্রশান্ত কিশোরের ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিষ্ককে পুরোদমে কাজে লাগান জগন। আর তাতেই বাজিমাত।
রাজনীতির রণকুশলী হিসেবে বিজেপি, কংগ্রেস, জেডিইউ, এসপি-র মতো বেশ কয়েকটি দলের হয়ে কাজ করেছেন প্রশান্ত। ফলে কোন রাজনৈতিক দলের বা রাজনীতিকের শক্তি বা দুর্বলতা কোথায় সবই তাঁর নখদর্পণে! দেশের মূল দলগুলি এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে তাঁদের শক্তি, খামতি— কোনও কিছুই তাঁর অজানা নয়। বিজেপির শক্তিশালী-আধুনিক ‘ব্যাক অফিস’-এর ভাবনা এই প্রশান্তেরই। এখনও যাঁরা প্রশান্ত কিশোরদের ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিষ্ককে পাত্তা দেবেন না, তাঁদের চন্দ্রবাবুর মতোই ভরাডুবি নিশ্চিত!
07th  June, 2019
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
একনজরে
ওয়েলিংটন, ২৩ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবার পরাজয়ের রক্তচক্ষু দেখছে ভারত। বড় কোনও অঘটন না ঘটলে বেসিন রিজার্ভে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে কিউয়িদের ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: দাসপুর থানার ভগবতীপুরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে এক যুবককে খুন করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম সঞ্জয় বর(২৫)।   ...

নয়াদিল্লি ও গোয়া, ২৩ ফেব্রুয়ারি: ফের দুর্ঘটনায় পড়ল মিগ যুদ্ধবিমান। গোয়ায় রবিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ প্রশিক্ষণ চলাকালীন ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌসেনার একটি মিগ-২৯ কে বিমান। তবে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের চালক নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন। ঘটনা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে। সেক্ষেত্রে ছোট শিল্পকে আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার যদি সামরিক বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন সংক্রান্ত একটি নীতি আনে, তাহলে রাজ্য উপকৃত হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি। শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৮ তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার জন্মদিন
১৯৫২ - ভাষা আন্দোলনের স্মরণে ঢাকায় প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়। কয়েক দিন পরেই এটি পুলিস ধ্বংস করে দেয়।
১৯৫৫ – অ্যাপল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের জন্ম
১৯৫৯ কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির জন্মদিন
১৯৬৩ চিত্র পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনসালির জন্মদিন
১৯৭২ অভিনেত্রী পূজা ভাটের জন্মদিন
১৯৮২ - আর্জেন্টাইন ফুটবলার ইমানুয়েল ভিলার জন্ম
১৯৮৩ দাবারু সূর্যশেখর গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্মদিন
১৯৯৩ - ইংরেজ ফুটবলার ববি মুরের মৃত্যু
১৯৯৮ অভিনেত্রী ললিতা পাওয়ারের মৃত্যুদিন
২০১১ কমিক্স বইয়ের জনক অনন্ত পাইয়ের মৃত্যুদিন
২০১৮-দুবাইয়ের হোটেলে মৃত্যু অভিনেত্রী শ্রীদেবীর





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  February, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) প্রতিপদ ৪২/৫২ রাত্রি ১১/১৫। শতভিষা ২৫/৩৫ অপঃ ৪/২১। সূ উ ৬/৬/৩৯, অ ৫/৩৩/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ১০/৪২ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/২৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/২৫ গতে ২/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩২ গতে ৮/৫৮ মধ্যে পুনঃ ২/৪২ গতে ৪/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ৩৯/১১/১ রাত্রি ৯/৫০/৮। শতভিষা ২৩/১০/৫০ দিবা ৩/২৬/৪। সূ উ ৬/৯/৪৪, অ ৫/৩২/৩২। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৬ মধ্যে ও ১০/৩৫ গতে ১২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১১/২১ গতে ২/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৫/৫ গতে ৯/০/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৬/২৯ গতে ১১/৫১/৮ মধ্যে। 
 ২৯ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হলদিয়ায় ২ মহিলার আধপোড়া দেহ উদ্ধারের ঘটনার কিনারা
হলদিয়ায় নদীর চরে আধপোড়া দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যে ...বিশদ

23-02-2020 - 08:38:14 PM

হলদিয়ায় দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত ২ 
হলদিয়ায় নদীর চরে আধপোড়া দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শনিবার ...বিশদ

23-02-2020 - 04:13:53 PM

দঃ দিনাজপুরে বিরোধী শিবির থেকে তৃণমূলে নাম লেখাল ৫০০০ নেতা-কর্মী 
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপিতে বড়সড় ধস। বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের জেলা ...বিশদ

23-02-2020 - 03:59:00 PM

পুরসভা ভোট নিয়ে দিনহাটায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী 

23-02-2020 - 03:48:00 PM

তৃণমূলে যোগ দিলেন আব্দুল মান্নানের ভাই 
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নানের ভাই যোগ ...বিশদ

23-02-2020 - 03:24:38 PM

কড়েয়ায় খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১ 

23-02-2020 - 03:17:00 PM