Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না। পড়ুয়াকে কিছু কায়দাকানুন শিখতে হয়। এরজন্য নিয়ম করে যেতে হয় কোচিং সেন্টারেও। অনেক ছাত্রছাত্রী তো স্কুল-কলেজে না গিয়ে কোচিংয়ে কোচিংয়ে ছুটে বেড়ান। কোচিংশিল্প এমন স্তরে পৌঁছেছে যে এর উপকারিতা এখন আর কেউ অস্বীকার করতে পারেন না। কোচিং সেন্টারগুলিও এখন এই পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে। বিহারের ছেলে প্রশান্ত কিশোর এ রকমই এক বিশেষ প্যাকেজের কোচিং সেন্টার খুলেছিলেন। তবে রাজনীতিবিদদের জন্য। নাম দিয়েছিলেন ‘ইন্ডিয়া পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি’। গুজরাত, বিহার, পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ— কোথায় নেই তাঁর ছাত্র। প্রধানমন্ত্রী মোদি, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, কংগ্রেস প্রধান রাহুল গান্ধী, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমেরেন্দ্র সিং আর হালের চমক অন্ধ্রের জগমোহন রেড্ডি—সবাই তাঁর ছাত্র। এক কথায় প্রশান্ত কিশোর এখন ভারতের ভোটগুরু। রাজনীতির ময়দানে ‘গেম মেকার’ হিসেবেই তাঁর উত্থান।
আফ্রিকায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের দায়িত্ব ছেড়ে ২০১১ সালে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তারপর নির্বাচন কৌশলী হিসেবে কোচিং সেন্টার খুলে মিডিয়ায় প্রচার শুরু। রত্ন চিনতে ভুল করেননি মোদি। দ্রুত তাঁকে ডেকে পাঠান। তারপরেই তরুণ পেশাদারদের দল তৈরি করে গুজরাতে সুশাসনের প্রচার শুরু করেন। সেই দলের বেশিরভাগই আইআইটি-আইআইএমের স্নাতক। প্রশান্ত মোদিকে শেখান কীভাবে বিরোধীদের মোকাবিলা করতে হয়। কীভাবে হাসিমুখে না রেগে জবাব দিতে হয় অস্বস্তিকর প্রশ্নের। একেবারে ওয়ান টু ওয়ান কোচিং। মোদি ছিলেন খুবই সিরিয়াস অনুগত ছাত্র। ফলও পান হাতে হাতে। ২০১২-তে নরেন্দ্র মোদি যখন তৃতীয়বারের জন্য গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হন, সেই সময়েই লাইমলাইটে আসেন প্রশান্ত। রাজনৈতিক মহলে শোনা যায়, সেই বছর গুজরাতের ক্ষমতায় মোদিকে নিয়ে আসার পিছনে কাণ্ডারী ছিলেন প্রশান্ত কিশোরই। এরপরে প্রশান্তের সেই দল নিয়েই জাতীয় স্তরে প্রচারের কাজ শুরু করে দেন নরেন্দ্র মোদি। ‘চায়ে পে চর্চা’র সাড়া জাগানো প্রচারের ডিজাইন করেছিলেন প্রশান্তের দলের সদস্যরাই। ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোরকে সঙ্গে রাখেন মোদি, তবে তাঁর ছায়াসঙ্গীদের বলে দেন প্রশান্ত কিশোর কীভাবে কাজ করেন তার ফটোকপি করে রাখতে। প্রশান্ত যা যা বলেন, তা ছবিসহ অক্ষরে অক্ষরে টুকে রাখতে। বলে দেন, প্রশান্ত কিশোর না থাকলে যেন আমরা তাঁর অভাব অনুভব না করি। অমিত শাহ তাঁর দলবল নিয়ে সেই কাজটা করেন পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তার ফল হাতেনাতে পান মোদি। ঠিক এরপরেই মোদির হাত ছেড়ে দেন প্রশান্ত। বিজেপির এক সূত্রের খবর, প্রশান্ত নিজের আলাদা একটা দপ্তর খুলতে চেয়েছিলেন। এবং তা অনেকটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মতোই। কিন্তু তাঁর সেই পরিকল্পনাকে বাতিল করে দিয়েছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।
বিজেপির সঙ্গে বিরোধের কথা জানার পরে ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে নীতীশ কুমার প্রশান্তের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ২০১৫ সালের মার্চে নীতীশের জন্য নির্বাচনী কৌশল তৈরির দায়িত্ব পান প্রশান্ত। জেডিইউয়ের সংবাদমাধ্যমের দায়িত্বে থাকা নেতারা ক্ষুব্ধ হন। কেউ কেউ দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদির প্রচারের অন্ধ অনুকরণ করছেন প্রশান্ত! প্রথমে ‘পর্চা পে চর্চা’ বা ‘ঘর ঘর দস্তক’ প্রচার করে তৃণমূল স্তরের খবর তুলে আনেন। নীতীশ কুমারের জন্য এলাকাভিত্তিক প্রাধান্য দিয়ে বক্তৃতা তৈরি করে দিয়েছেন। যাতে প্রতিটি মানুষের মনে হয়, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের কথাই ভাবছেন। নীতীশের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের জয়ের পথ তৈরিতে সেটা অনেকটাই সাহায্য করেছিল বলে মেনে নেন জেডিইউ নেতারাই। ২০১৫-র বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের রথ থামিয়ে দিয়েছিল জেডিইউ, আরজেডি এবং কংগ্রেসের জোট। সূত্রের খবর, বিহারের মন্ত্রিসভা গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রশান্ত। তাঁকে সেই মন্ত্রিসভাতেও রাখা হয়েছিল। কিন্তু কোনও দপ্তর দেওয়া হয়নি। এরপর থেকে নাকি দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে শুরু করে। জেডিইউ-এর এক সূত্রের দাবি, প্রশান্ত একসঙ্গে একাধিক দপ্তর সামলানোর পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু দলের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতৃত্বের বিরোধিতায় নাকি সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।
এরপরে পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনে কংগ্রেসের হয়ে নামেন প্রশান্ত কিশোর। উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে সফল হননি। তিনি ডাক পান পাঞ্জাব থেকে। পাঞ্জাবের কংগ্রেসপ্রধান অমরেন্দ্র সিং তাঁকে বিহার থেকে নিয়ে যান নির্বাচনী উপদেষ্টা হিসেবে। কোচিং সেন্টার নিয়ে চলে যান প্রশান্ত। তাঁর রণনীতিতে বিপুল জয় পান ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিংহের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস। দেশজুড়ে মোদির দাপট এবং পাঞ্জাবে প্রবল প্রতিপক্ষ বিজেপি এবং আম আদমি পার্টিকে রুখে দিয়েছিলেন প্রশান্ত। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ১১৭টি আসনের মধ্যে ৭৭টিতে জিতে নেয় কংগ্রেস। অনেক অনেক বছর পর পাঞ্জাবে কংগ্রেস ফের ক্ষমতার মুখ দেখে। এই সময় উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনী রাজনৈতিক কৌশলেরও দায়িত্বে ছিলেন প্রশান্ত। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস নেতারা তাঁর কথা শুনতে রাজি ছিলেন না। প্রিয়াঙ্কাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রজেক্ট করে প্রচার কৌশল তৈরি করতে চেয়েছিলেন প্রশান্ত। তা শুনে রাজ্যের এক কংগ্রেস নেতা নাকি বলেছিলেন, ‘প্রশান্ত কিশোরকে দলের কৌশল নির্ধারণ এবং প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলের সংগঠন এবং টিকিট বণ্টনের দায়িত্ব তাঁর নয়।’ কেউ কেউ এ কথাও বলেছিলেন যে, প্রশান্তের কাছ থেকে তাঁকে যদি রাজনীতি শিখতে হয়, তাহলে তিনি রাজনীতিই ছেড়ে দেবেন। এককথায় মোদি এবং নীতীশের সঙ্গে কাজের সময় প্রশান্ত যে স্বাধীনতা পেয়েছিলেন, উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে সেই সুযোগ পাননি। কংগ্রেসও উত্তরপ্রদেশে আর ফিরতে পারেনি। এটাই ছিল প্রশান্ত কিশোরের প্রথম ব্যর্থতা। এর পর বেশ কিছু সময়ের জন্য আড়ালে চলে যান প্রশান্ত। তবে বসে থাকেননি। এরপর ডাক পেয়েছেন দক্ষিণের রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তামিলনাড়ুতে। একের পর এক মাস্টারস্ট্রোকে সেখানেও কাজে সফল হয়েছেন।
মনে রাখবেন, বিজেপির সঙ্গে মিলেমিশে নির্বাচন আবার বিজেপি ছেড়ে লালুকে নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয়— সবই প্রশান্তের পরামর্শে আর কৌশলে। সময় নষ্ট করেননি নীতীশ কুমার। প্রশান্তকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়ে দেন। নীতীশ কুমারের হাত ধরে বিহারের রাজনীতিতে যোগ দেন নির্বাচনী-কৌশলকার। পরে এক সাক্ষাৎকারে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার স্বীকার করেছেন, প্রশান্ত কিশোরকে জেডিইউতে নিতে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ তাঁকে দু’বার টেলিফোনে অনুরোধ করেছিলেন। ২০১৮-র অক্টোবরে দলের সহ সভাপতি হিসেবে কাজ শুরু করেন প্রশান্ত। পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। আরএসএস প্রভাবিত ছাত্র সংগঠন এবিভিপিকে দীর্ঘদিন পরে পাটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে হারিয়ে ছাত্র সংসদ সভাপতি পদে জেডিইউকে জেতান। এই প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে জেতে জেডিইউ। লোকসভা নির্বাচনের বছরে দলের সঙ্গে যুবকদের জুড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি। আর নীতীশ কুমার বলছেন, ‘আমি বলছি শুনুন, প্রশান্তই ভবিষ্যৎ।’ বিহারের মাটি তাঁর হাতের তালুর মতো চেনা। এই বিহারেই ১৯৭৭ সালে জন্ম। পড়াশোনা বক্সার জেলায়।
প্রশ্ন উঠেছিল, সরাসরি রাজনীতিতে নেমে পড়ায় কি প্রশান্ত কিশোরের কোচিং সেন্টার বন্ধ হতে চলেছে? ভুল ভাঙিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে অন্য এক খেলা দেখিয়েছেন প্রশান্ত। সারা দেশ যখন মোদি মোদি করছে, তখন অন্ধ্রপ্রদেশে অন্য ভাও। জগনমোহনের উত্যুঙ্গ সাফল্যের অন্তরালে চাণক্যের ভূমিকায় সেই প্রশান্ত কিশোরই। এরজন্য হয়তো মনে মনে নীতীশ কুমারকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন জগন। কারণ, লোকসভা ভোটের হাওয়া উঠতেই জেডিইউতে প্রশান্তের সঙ্গে শুরু হয়েছিল টানাপোড়েন। নীতীশের দল জেডিইউ বিজেপি তথা এনডিএ জোটে শামিল হওয়া নিয়ে দু’জনের মধ্যে মতবিরোধ কার্যত চরমে উঠেছিল। জোটে শামিল করে বিজেপি যে ধীরে ধীরে জেডিইউকেই গ্রাস করতে চাইছে, এমন মতবাদ নীতীশকে বোঝাতে চেয়েছিলেন প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু নীতীশ এই মতের সঙ্গে সহমত ছিলেন না। তার জেরে শেষ পর্যন্ত প্রশান্ত কিশোরকেই সরে যেতে হয়। এই সুযোগটাই নিয়েছিলেন অন্ধ্রের জগনমোহন।
প্রশান্তের বুথভিত্তিক সংগঠন তৈরি আর জুতসই স্লোগান দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নেওয়ার কৌশল হাতে হাতে ফল দিয়েছে। তাঁর প্রশিক্ষণেই অন্ধ্রের ওয়াইএসআর কংগ্রেসের প্রধান জগনমোহন রেড্ডি রাজ্যের ১৭৫টি বিধানসভা আসনের ১৫২টি আসনেই জয় পেয়েছেন। ২৫টি লোকসভা আসনের সব ক’টি তাঁর দখলে। ওয়াইএসআর জগন রেড্ডির সাফল্য নজর কেড়েছে গোটা দেশের। জগন-ঢেউয়ে ভেসে গিয়েছেন জাতীয় রাজনীতিতে উদিত হতে চাওয়া চন্দ্রবাবু নাইডু। গোটা অন্ধ্রপ্রদেশে কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ তেলুগু দেশম পার্টি। দেশে নতুন শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি। মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস রাজশেখর রেড্ডির ছেলে জগনমোহন রেড্ডি।
শুধু অন্ধ্রের এই জয়ই নয়, সংসদেও এখন তৃতীয় বৃহত্তম দল (বিজেপি এবং কংগ্রেসের পরেই) জগনমোহনের ওয়াইএসআরসিপি। এই বিপুল জয়ের পরই প্রশান্ত কিশোর ধন্যবাদ জানিয়ে ট্যুইট করেছেন, ‘এই জয়ের জন্য অন্ধ্র এবং ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন বা আই-পিএসির (প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা) সহকর্মীদের ধন্যবাদ। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।’ শুনলে অবাক হবেন, অন্ধ্রপ্রদেশে এবার ১৫ মাসের পরিকল্পনা নিয়ে নেমেছিলেন প্রশান্ত-জগন। তাঁদের মূল কৌশল ছিল সরাসরি মানুষ বা ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা। প্রচারের স্লোগান ছিল ‘রাভালি জগন, কাভালি জগন’ (আমরা জগনকে চাই, জগনকে জিততেই হবে)। চন্দ্রবাবুকে আর বিশ্বাস নয়, এই দাবিও ছিল প্রচারের সুরে তালে। তাঁর নির্বাচনী থিম সং সংক্রামিত হয় দাবানলের মতো। পেজ ভিউয়ার ছিল ২.২৫ কোটি। আসলে, প্রশান্ত কিশোরের ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিষ্ককে পুরোদমে কাজে লাগান জগন। আর তাতেই বাজিমাত।
রাজনীতির রণকুশলী হিসেবে বিজেপি, কংগ্রেস, জেডিইউ, এসপি-র মতো বেশ কয়েকটি দলের হয়ে কাজ করেছেন প্রশান্ত। ফলে কোন রাজনৈতিক দলের বা রাজনীতিকের শক্তি বা দুর্বলতা কোথায় সবই তাঁর নখদর্পণে! দেশের মূল দলগুলি এবং তাদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে তাঁদের শক্তি, খামতি— কোনও কিছুই তাঁর অজানা নয়। বিজেপির শক্তিশালী-আধুনিক ‘ব্যাক অফিস’-এর ভাবনা এই প্রশান্তেরই। এখনও যাঁরা প্রশান্ত কিশোরদের ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিষ্ককে পাত্তা দেবেন না, তাঁদের চন্দ্রবাবুর মতোই ভরাডুবি নিশ্চিত!
07th  June, 2019
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গুসকরা: শনিবার রাতে আউশগ্রামের বড়াচৌমাথার কাছে জাতীয় সড়কে ডাকাত সন্দেহে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। একটি মারুতি গাড়িও আটক করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতদের নাম খোকন মাল ও অনিমেষ সমাদ্দার।   ...

নয়াদিল্লি (পিটিআই): একদিকে পাকিস্তান, অন্যদিকে চীন। জোড়া শত্রুর ষড়যন্ত্র সামলাতে হচ্ছে ভারতকে। এই অবস্থায় সীমান্তের পরিকাঠামো মজবুত করতে একসঙ্গে অনেকগুলি হাইওয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে।  ...

জোহানেসবার্গ: দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন কুইন্টন ডি’কক। করোনা ভাইরাসের জেরে এবছর এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM