Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না। কোনও প্রয়োজন থাকে না এতগুলো নির্বাচনের। কিন্তু যদি পরপর খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন নির্বাচনে মানুষের মতের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়, তখন তাকে জোর করে যুক্তিজালে ব্যাখ্যা করা শক্ত। বিশ্লেষণ তখন ফল জানার অব্যবহিত পরে গোঁজামিল দিয়ে অঙ্ক মেলানোর মতো। গত ৩০ মে কর্ণাটকের যে বিভিন্ন শহরকেন্দ্রিক পুরসভাগুলোতে নির্বাচন হয়েছে তাতে আবার বেশ কিছুটা পিছিয়ে গেছে বিজেপি। ভাবুন একবার ১৮ আর ২৩ এপ্রিল দু’-পর্বে হওয়া কর্ণাটকে লোকসভা নির্বাচনের কথা। সেখানে ২৮-টার মধ্যে ২৫টা আসন পেয়েছে বিজেপি আর কংগ্রেস মাত্র একটি। আর এবারের পুরসভা নির্বাচনে সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ১৩০০ মতো পুরপিতা বা পুরমাতা আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩৬৬, কংগ্রেস ৫০৯, জেডিএস ১৭৪ এবং নির্দল আর অন্যান্যরা ১৬০। অর্থাৎ ২৩ মে বিজেপির বিপুল জয় এবং তারপর মোদি সরকার গঠনের বিপুল উৎফুল্লতার মধ্যেও মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিল। মনে রাখতে হবে এবার আলাদা লড়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএস। লোকসভায় কিন্তু তেমনটা ঘটে নি, সেখানে তারা জোট বেঁধেছিল। গতবছরেও এরকম অন্য কয়েকটি আরবান লোকাল বডির নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৯২৯টি আসন, কংগ্রেস ৯৮২টি এবং জেডিএস ৩৭৫। অর্থাৎ মোটের ওপর বিভিন্ন দলেরই গুরুত্ব ছিল এবং আছে পৌরসভা নির্বাচনগুলোতে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেই বিষয়টা সম্পূর্ণ অন্যরকম।
ঘটনা যখন ঘটেছে তখন তার স্বপক্ষের অতিপরিচিত যুক্তিগুলো পেশ করে ফেলা যাক। নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা, বিজেপির স্থায়ী সরকারের ডাক, প্রথম ইনিংসের কিছু সাফল্য, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উগ্র জাতীয়তাবাদ, আরএসএস-এর বিপুল অবদান, বিরোধীদের জোট বাঁধার ব্যর্থতা, এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, এই সমস্ত কারণ আগেই এসেছে। এরকম আরও একশো একটা বিষয় অল্প মাটি খুঁড়লেই খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোটযন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিভিপ্যাট মিলে গেছে সাফল্যের সঙ্গে। ফলে সেখানে সাদা চোখে খুব জটিল কিছু অনুসিদ্ধান্ত আবিষ্কার করা শক্ত। আর এটা তো সত্যি যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সাংবাদিক ভোট পূর্ববর্তী খোঁজখবরে বারবার লক্ষ করেছেন বিজেপির অগ্রগতি। বিভিন্ন বাধ্যবাধকতায় হয়তো নির্বাচনের আগে তাঁরা সে আলোচনা করেছেন চুপিসারে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও খুব পরিণত সাংবাদিকরা (এঁরা অনেকেই বিজেপির সমর্থক নন, সমালোচক) অনেকবার বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে দ্বিতীয়বার। দেশের সার্বিক উন্নয়ন অবশ্যই জনগণের সমর্থন অর্জন করার সবথেকে স্বাভাবিক উপায়। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এই সোজা কারণটা মোটেও পুরোপুরি সত্য নয়। বিজেপির রাজত্বে উন্নতি হয়তো কিছু হয়েছে, কিন্তু তা তেমন কিছু চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো নয়। অর্থাৎ বাজপেয়ির বিজেপি বা মনমোহনের কংগ্রেস রাজত্বগুলোর থেকে খুব আলাদা কিছু নয় বর্তমান বিজেপির সাফল্য। তা সত্ত্বেও এই বিপুল জনমত। সেই জন্যেই মেনে নেওয়া দরকার নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের সঠিক কারণ খোঁজায় সমাজবিজ্ঞানের অসম্পূর্ণতা। যে দীর্ঘ সমীক্ষা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজেপি দ্বিতীয়বার সরকারে আসার আসল কারণ খুঁজে বার করা সম্ভব হতে পারত, তার পেছনে সময় এবং অর্থ খরচ হবে প্রচুর পরিমাণে। কোনও স্বাধীন, স্বশাসিত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার ভোট মিটে যাওয়ার পর তাতে একগাদা টাকা ঢালার সম্ভাবনা কম। ভোটের আগে হয়তো সে সমীক্ষা করেছে বিজেপি নিজেই। সম্ভবত তাদের জানা আছে উন্নয়নের গল্প ছাড়াও বিশেষ কোন সূত্রগুলো নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার মূল কারণ, যাকে কিনা ইংরিজিতে বলে রুট কঅস অ্যানালিসিস। কিন্তু সে খবর আমজনতা জানে না। ভোটে জিততে ঠিক কীভাবে কোন পথ নিতে হয় তা নিয়ে অবশ্যই প্রচুর গবেষণা করেছে বিজেপি, তাদের চিন্তনদল এবং সর্বোপরি আরএসএস। তবে সে বিজনেস সিক্রেট জনগণেশের সামনে প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ নেই।
বিজেপি বিপুলভাবে জিতলেও, দেশের উন্নয়ন সংক্রান্ত সব খবর কিন্তু ইতিবাচক নয়। এর মধ্যেই সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় উঠে আসছে রেকর্ড বেকারত্বের তথ্য। শেষ পাঁচ বছরের হিসেবে দেশের আর্থিক উন্নয়নের হার নেমে এসেছে তলানিতে। সাধারণ হিসেব বলে ডানপন্থী অর্থনীতিতে এই অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু সংস্কারমূলক নীতি নির্ধারণ করা উচিত সরকারের। কিন্তু এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আবার ঘোষণা করেছেন পনেরো কোটি কৃষকের কাছে বছরে ৬ হাজার টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার কথা। এই নব্বই হাজার কোটি টাকা অবশ্যই দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের কাজে লাগবে। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। সব থেকে বড় কথা, বিজেপির যে বেসরকারিকরণ সংক্রান্ত ডানপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তার সঙ্গে এই কৃষকদের খুশি করার আলগা বামপন্থী তত্ত্ব মেলে না। আর এই ঘোষণা তো নির্বাচনের আগেই হয়েছিল। সত্যি কথা বলতে কী, এপ্রিল মাসেই (আর্থিক বছরের শুরুতে) তো একদফা দুহাজার পৌঁছে যাওয়ার কথা। সে টাকা বণ্টিত হয়েছে কি? সেই বণ্টনের সাফল্য কতটা? নির্বাচনের জন্যে সে বণ্টন আটকে থাকলেও তা কবে শুরু হবে? সেই সমস্ত পরিসংখ্যান যাঁরা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন তাঁরা পাবেন কীভাবে? আর এই নব্বই হাজার কোটি টাকা দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে চাঙ্গা করবে সেটাও খুব পরিষ্কার নয়। একদিকে পেট্রল ডিজেলের দামের ওপর কোনও সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না, দাম বদলাবে যখন তখন; বিএসএনএল-এর মত রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা বেসরকারিকরণের দিকে এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্যে প্রচুর টাকা বিলোবে সরকার। এই ধরনের পাঁচমেশালি খিচুড়ি (মিশ্র ?) অর্থনীতিতে দেশ কতটা চাঙ্গা হবে তা বলবে ভবিষ্যৎ।
অর্থাৎ দেশের অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের মতই আপাতত বিজেপি চলছে চেনা পথে। বিশেষ নতুন কোনও খবর এখনও কানে আসে নি। তবে সবেতো দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হল। তাই অপরিচিত পিচে মোদি-শাহ জুটি শুরুতে একটু দেখেই খেলবেন। কিন্তু বারবার যে প্রশ্ন কুরে কুরে খাবে তা হল কর্ণাটকে এত তাড়াতাড়ি বিজেপি বিরোধীরা আবার জেগে উঠলেন কীভাবে? তাহলে কি বেঁচে গেল কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডিএসের জোট সরকার? তবে অন্য ধারার প্রশ্নকেও অস্বীকার করা শক্ত। কর্ণাটকের কংগ্রেস-জেডিএসের থেকেও বেশি পশ্চিমবঙ্গে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার, কিন্তু লোকসভা ভোটে ফল ভিন্ন। তাহলে কি রাজ্য এবং কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ফল ভিন্ন হবে? সংসদীয় গণতন্ত্রে এর থেকে বড় বিপদ কিন্তু আর কিছু নেই। নির্বাচনী ফলের কারণ খোঁজার জন্যে সেক্ষেত্রে আর শব্দ খরচ না করলেও চলে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
04th  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়।
বিশদ

03rd  June, 2019
সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

 বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন।
বিশদ

03rd  June, 2019
ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে!
বিশদ

02nd  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইনিংস: ভারতের
বিদেশ নীতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ভাবনা
গৌরীশংকর নাগ

 অবশেষে মাসাধিক কালব্যাপী প্রতীক্ষার অবসান। নির্বাচন অতিক্রান্ত ও ফল ঘোষণার পর মোদির দ্বিতীয় ইনিংসে চমকের প্রত্যাশায় জল্পনা তুঙ্গে। আর সেই ভাবনা থেকেই আশা-আশঙ্কার দোলাচলে ভারতীয় বিদেশনীতি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে যে কথাটি এসে পড়ে তা হল পপুলিজম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
বিশদ

01st  June, 2019
ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না।
বিশদ

31st  May, 2019
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...

  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...

 লাহোর, ১১ জুন (পিটিআই): ভারতের আবেদনে সাড়া দিল পাকিস্তান। কিরঘিজস্তানে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) শীর্ষ বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার করতে পারবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান। ‘নৈতিক দিকটি’ মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানাল ইমরান খানের ...

গ্রেম স্মিথ : অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান অস্ত্র পেস বোলিং। ওভালে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর, ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অজিদের এই অস্ত্র কাজ করেনি। অন্য ম্যাচে ভয়ঙ্কর মূর্তিতে আবির্ভূত হলেও মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সের মতো বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর বিন্দুমাত্র ত্রাসের সঞ্চার করতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM