Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না। কোনও প্রয়োজন থাকে না এতগুলো নির্বাচনের। কিন্তু যদি পরপর খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে বিভিন্ন নির্বাচনে মানুষের মতের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়, তখন তাকে জোর করে যুক্তিজালে ব্যাখ্যা করা শক্ত। বিশ্লেষণ তখন ফল জানার অব্যবহিত পরে গোঁজামিল দিয়ে অঙ্ক মেলানোর মতো। গত ৩০ মে কর্ণাটকের যে বিভিন্ন শহরকেন্দ্রিক পুরসভাগুলোতে নির্বাচন হয়েছে তাতে আবার বেশ কিছুটা পিছিয়ে গেছে বিজেপি। ভাবুন একবার ১৮ আর ২৩ এপ্রিল দু’-পর্বে হওয়া কর্ণাটকে লোকসভা নির্বাচনের কথা। সেখানে ২৮-টার মধ্যে ২৫টা আসন পেয়েছে বিজেপি আর কংগ্রেস মাত্র একটি। আর এবারের পুরসভা নির্বাচনে সর্বশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ১৩০০ মতো পুরপিতা বা পুরমাতা আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩৬৬, কংগ্রেস ৫০৯, জেডিএস ১৭৪ এবং নির্দল আর অন্যান্যরা ১৬০। অর্থাৎ ২৩ মে বিজেপির বিপুল জয় এবং তারপর মোদি সরকার গঠনের বিপুল উৎফুল্লতার মধ্যেও মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিল। মনে রাখতে হবে এবার আলাদা লড়েছে কংগ্রেস এবং জেডিএস। লোকসভায় কিন্তু তেমনটা ঘটে নি, সেখানে তারা জোট বেঁধেছিল। গতবছরেও এরকম অন্য কয়েকটি আরবান লোকাল বডির নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৯২৯টি আসন, কংগ্রেস ৯৮২টি এবং জেডিএস ৩৭৫। অর্থাৎ মোটের ওপর বিভিন্ন দলেরই গুরুত্ব ছিল এবং আছে পৌরসভা নির্বাচনগুলোতে। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রেই বিষয়টা সম্পূর্ণ অন্যরকম।
ঘটনা যখন ঘটেছে তখন তার স্বপক্ষের অতিপরিচিত যুক্তিগুলো পেশ করে ফেলা যাক। নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ক্যারিশমা, বিজেপির স্থায়ী সরকারের ডাক, প্রথম ইনিংসের কিছু সাফল্য, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উগ্র জাতীয়তাবাদ, আরএসএস-এর বিপুল অবদান, বিরোধীদের জোট বাঁধার ব্যর্থতা, এবং বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব, এই সমস্ত কারণ আগেই এসেছে। এরকম আরও একশো একটা বিষয় অল্প মাটি খুঁড়লেই খুঁজে পাওয়া যাবে। ভোটযন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিভিপ্যাট মিলে গেছে সাফল্যের সঙ্গে। ফলে সেখানে সাদা চোখে খুব জটিল কিছু অনুসিদ্ধান্ত আবিষ্কার করা শক্ত। আর এটা তো সত্যি যে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সাংবাদিক ভোট পূর্ববর্তী খোঁজখবরে বারবার লক্ষ করেছেন বিজেপির অগ্রগতি। বিভিন্ন বাধ্যবাধকতায় হয়তো নির্বাচনের আগে তাঁরা সে আলোচনা করেছেন চুপিসারে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমেও খুব পরিণত সাংবাদিকরা (এঁরা অনেকেই বিজেপির সমর্থক নন, সমালোচক) অনেকবার বলেছেন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে দ্বিতীয়বার। দেশের সার্বিক উন্নয়ন অবশ্যই জনগণের সমর্থন অর্জন করার সবথেকে স্বাভাবিক উপায়। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে এই সোজা কারণটা মোটেও পুরোপুরি সত্য নয়। বিজেপির রাজত্বে উন্নতি হয়তো কিছু হয়েছে, কিন্তু তা তেমন কিছু চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো নয়। অর্থাৎ বাজপেয়ির বিজেপি বা মনমোহনের কংগ্রেস রাজত্বগুলোর থেকে খুব আলাদা কিছু নয় বর্তমান বিজেপির সাফল্য। তা সত্ত্বেও এই বিপুল জনমত। সেই জন্যেই মেনে নেওয়া দরকার নির্বাচনী জয়-পরাজয়ের সঠিক কারণ খোঁজায় সমাজবিজ্ঞানের অসম্পূর্ণতা। যে দীর্ঘ সমীক্ষা এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজেপি দ্বিতীয়বার সরকারে আসার আসল কারণ খুঁজে বার করা সম্ভব হতে পারত, তার পেছনে সময় এবং অর্থ খরচ হবে প্রচুর পরিমাণে। কোনও স্বাধীন, স্বশাসিত এবং নিরপেক্ষ সংস্থার ভোট মিটে যাওয়ার পর তাতে একগাদা টাকা ঢালার সম্ভাবনা কম। ভোটের আগে হয়তো সে সমীক্ষা করেছে বিজেপি নিজেই। সম্ভবত তাদের জানা আছে উন্নয়নের গল্প ছাড়াও বিশেষ কোন সূত্রগুলো নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার মূল কারণ, যাকে কিনা ইংরিজিতে বলে রুট কঅস অ্যানালিসিস। কিন্তু সে খবর আমজনতা জানে না। ভোটে জিততে ঠিক কীভাবে কোন পথ নিতে হয় তা নিয়ে অবশ্যই প্রচুর গবেষণা করেছে বিজেপি, তাদের চিন্তনদল এবং সর্বোপরি আরএসএস। তবে সে বিজনেস সিক্রেট জনগণেশের সামনে প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ নেই।
বিজেপি বিপুলভাবে জিতলেও, দেশের উন্নয়ন সংক্রান্ত সব খবর কিন্তু ইতিবাচক নয়। এর মধ্যেই সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় উঠে আসছে রেকর্ড বেকারত্বের তথ্য। শেষ পাঁচ বছরের হিসেবে দেশের আর্থিক উন্নয়নের হার নেমে এসেছে তলানিতে। সাধারণ হিসেব বলে ডানপন্থী অর্থনীতিতে এই অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু সংস্কারমূলক নীতি নির্ধারণ করা উচিত সরকারের। কিন্তু এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আবার ঘোষণা করেছেন পনেরো কোটি কৃষকের কাছে বছরে ৬ হাজার টাকা করে পৌঁছে দেওয়ার কথা। এই নব্বই হাজার কোটি টাকা অবশ্যই দেশের নিম্নবিত্ত মানুষের কাজে লাগবে। কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। সব থেকে বড় কথা, বিজেপির যে বেসরকারিকরণ সংক্রান্ত ডানপন্থী অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তার সঙ্গে এই কৃষকদের খুশি করার আলগা বামপন্থী তত্ত্ব মেলে না। আর এই ঘোষণা তো নির্বাচনের আগেই হয়েছিল। সত্যি কথা বলতে কী, এপ্রিল মাসেই (আর্থিক বছরের শুরুতে) তো একদফা দুহাজার পৌঁছে যাওয়ার কথা। সে টাকা বণ্টিত হয়েছে কি? সেই বণ্টনের সাফল্য কতটা? নির্বাচনের জন্যে সে বণ্টন আটকে থাকলেও তা কবে শুরু হবে? সেই সমস্ত পরিসংখ্যান যাঁরা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন তাঁরা পাবেন কীভাবে? আর এই নব্বই হাজার কোটি টাকা দেশের অর্থনীতিকে কীভাবে চাঙ্গা করবে সেটাও খুব পরিষ্কার নয়। একদিকে পেট্রল ডিজেলের দামের ওপর কোনও সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না, দাম বদলাবে যখন তখন; বিএসএনএল-এর মত রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা বেসরকারিকরণের দিকে এগিয়ে যাবে। অন্যদিকে দেশের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্যে প্রচুর টাকা বিলোবে সরকার। এই ধরনের পাঁচমেশালি খিচুড়ি (মিশ্র ?) অর্থনীতিতে দেশ কতটা চাঙ্গা হবে তা বলবে ভবিষ্যৎ।
অর্থাৎ দেশের অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলের মতই আপাতত বিজেপি চলছে চেনা পথে। বিশেষ নতুন কোনও খবর এখনও কানে আসে নি। তবে সবেতো দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হল। তাই অপরিচিত পিচে মোদি-শাহ জুটি শুরুতে একটু দেখেই খেলবেন। কিন্তু বারবার যে প্রশ্ন কুরে কুরে খাবে তা হল কর্ণাটকে এত তাড়াতাড়ি বিজেপি বিরোধীরা আবার জেগে উঠলেন কীভাবে? তাহলে কি বেঁচে গেল কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডিএসের জোট সরকার? তবে অন্য ধারার প্রশ্নকেও অস্বীকার করা শক্ত। কর্ণাটকের কংগ্রেস-জেডিএসের থেকেও বেশি পশ্চিমবঙ্গে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার, কিন্তু লোকসভা ভোটে ফল ভিন্ন। তাহলে কি রাজ্য এবং কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় ভোটপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ফল ভিন্ন হবে? সংসদীয় গণতন্ত্রে এর থেকে বড় বিপদ কিন্তু আর কিছু নেই। নির্বাচনী ফলের কারণ খোঁজার জন্যে সেক্ষেত্রে আর শব্দ খরচ না করলেও চলে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
04th  June, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রাজ্য সরকার সোমবার থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে ছাড় দিলেও এখনই খুলছে না তারাপীঠ মন্দির। শনিবার বৈঠকে বসে বেড়ে চলা করোনা আক্রান্তের কথা ভেবে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারি অফিসে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করছেন। ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন রাজ্যে কত আক্রান্ত? 
ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ...বিশদ

12:12:51 PM

ছাড় মিললেও মনে রাখতে হবে, আমরা যেন বেপরোয়া না হয়ে যাই, সতর্কতা বজায় রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী 

11:34:46 AM

করোনা ভাইরাসের জেরে সর্বাধিক প্রভাবিত দেশের গরিব ও শ্রমিকরা: প্রধানমন্ত্রী 

11:31:06 AM

ওড়িশায় করোনা পজিটিভ আরও ১২৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৪৮ 

10:49:25 AM

নয়াদিল্লি সেনা ক্যান্টিনে আগুন
নয়াদিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনা ক্যান্টিনে আগুন লাগল। ঘটনাস্থলে দমকলের ৮টি ...বিশদ

10:19:15 AM

একদিনে দেশে করোনায় আক্রান্ত ৮,৩৮০ 
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আরও ৮ হাজার ৩৮০ ...বিশদ

09:50:07 AM