Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়। নিজের চেষ্টায় কিছু কাল বেঁচে থাক, তারপর অসীম অনন্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাও। তবু প্রশ্ন আসে, উত্তর খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টায় কিছুটা সময় কাটে। তারপরে সেই বিখ্যাত এক কবি ও নাট্যকার শেক্সপিয়রের কথায়—‘It is a tale told by an idiot, full of sound and fury signifying nothing.’
প্রবীণ হয়েছি, অতীতের অনেকটাই দেখার সুযোগ হয়েছে। মস্তিষ্কের একটি কুঠুরীতে সে সব সঞ্চিত আছে। প্রশ্নও আছে অনেক। প্রথম প্রশ্ন— ভারতবর্ষের মতো ঐতিহ্যপূর্ণ, ইতিহাস সমৃদ্ধ এই বিশাল দেশটিকে কোন অবাঞ্চিত শক্তি টুকরো টুকরো করে দিয়ে গেল? আর সেটা মেনে নেওয়া হল কেন? আবার বলা হল, ভারতবর্ষ এই পৃথিবীর একটি বৃহৎ ‘গণতন্ত্র’। তন্ত্র শব্দটি তো বোঝা গেল, কিন্তু গণ বা জনগণেশের এই তন্ত্রে কতটা অধিকার বা সচেতন ভূমিকা স্বীকৃত?
আর এক বিখ্যাত কবি কোলরিজ জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে দাবা খেলেছিলেন। সে যেন শকুনির পাশা খেলা। ১৯৪০ সালে কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মৌলনা আবুল কালাম আজাদ একটি বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘It was India’s historic destiny that many human races and cultures and religions should flow to her, finding a home in her hospitable soil, and that many a caravan should find rest here...’ তিনি এগারোশো বছরের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, আমাদের ভাষা, কবিতা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, আমাদের ফ্যাশান, সাজপোশাক, আমাদের চালচলন এবং প্রথা—সবই কিন্তু বহন করছে ঐক্যের সুর। আমরা একসঙ্গে বেঁচে আছি এবং বেঁচে থাকার ধরন-ধারণ, আমাদের জাতীয়তা বোধ—সবকিছুকেই একটা ছাঁচে ঢালাই করে ফেলেছি। কোনও ভাবেই এই ঐক্যকে ভাঙা সম্ভব নয়। এ যেন সেই কবির কথা—‘শক-হুন-দল পাঠান-মোগল এক দেহে হল লীন।’
একই সময়ে (১৯৪০ সাল) মুসলিম লিগের প্রেসিডেন্ট জিন্নাহ বললেন, ‘it is a dream that the Hindus and Muslims can ever evolve a common nationality; and this misconception of one Indian nation has gone far beyond the limits and is the cause of more of our troubles and will lead India to destruction if we fail to revise our notions in time. The Hindus and Muslims belong to two different religious philosophies, social customs, and literature. They neither intermarry nor interdine together, and indeed they belong to two different civilisations which are based mainly on conflicting ideas and conceptions. Their aspects on life, and of life, are different.’
তাহলে দেখা যাচ্ছে প্রথম থেকেই দুই শিবিরের পরস্পর বিরোধী দুটি ধারণার সংঘাত। জিন্নাহ সাহেব তাঁর সম্প্রদায়কে সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিভাজনে রাখার স্বপক্ষে যুক্তি খাড়া করছেন। হিন্দুর জীবন ও সংস্কৃতি এবং মুসলিমদের জীবন ও সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। দুটি জাতির দুই মেরুতে অবস্থান। ‘জাগে নব ভারতের জনতা/ এক জাতি এক প্রাণ একতা। এটি সঙ্গীতেই থাক। বাস্তব জীবনে এই একতা আসেনি, আসবেও না।
এই বিভাজনের অস্ত্রটি বিদেশি শাসকরা খুব সুচারুভাবে ব্যবহার করে প্রতিশোধ নিয়েছিলেন। তারই ফল চর্তুদিকে ফলছে। প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে সংঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। প্রকৃত সমস্যাকে আড়াল করে দাঁড়াচ্ছে। ‘রোটি , কাপড়া অউর মকান’—এই যে চাহিদা যা ধর্ম, জাতি, ভাষা, বর্ণ—কোনও কিছুই মানে না। সবার ঊর্ধ্বে জনজীবনের বিকাশের যে ইস্যুটি বারেবারে হারিয়ে যায়, তা হারায় এই বিভাজনের ঘোলা জলে।
কারও মাথাতেই আসে না আসল সমস্যাটা কী? তৈরি করা সমস্যার মেঘের আড়ালে দাঁড়িয়ে কয়েকটি কথার বাণ ছুঁড়ে যাঁরা হিরো হতে চান তাঁদের বরাতে সব শেষে জোটে একটি সুন্দর ‘জিরো’। এই খেলাটিকে রপ্ত করার নামই কি রাজনীতি! কল্যাণ শব্দটির বিস্তার পরিধি কতটা। আদৌই কি আমরা কল্যাণ চাই? উত্তেজনা শূন্য শান্ত জীবন চাই, সুখী পরিবার চাই, সুন্দর নিরাপদ একটা দেশ চাই! সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমাদের ধর্মের কোনও সঠিক রূপ আমরা তৈরি করতে পেরেছি কি?
আজকের বাঁচাটা কালকের বেঁচে থাকাকে উদ্বুদ্ধ করবে কি? সাধারণ মানুষের অতি সাধারণ কিছু প্রশ্নের উত্তর কেউ কি দেবেন। কিছু দান, কিছু তোষণ, কিছু পিঠ চাপড়ানো, কিছু আলিঙ্গন ইত্যাদি যেসব দৃশ্য সংবাদ মাধ্যমে ভেসে ওঠে তার পেছনে কোনও জনদরদি স্থায়ী পরিকল্পনা আছে কি? গলা ফাটিয়ে চিৎকার করলেই কি নেতা হওয়া যায়? চড় মেরে চুমু খেয়ে কে কবে কার মন জয় করতে পেরেছে! একটি গানের একটি লাইন চিরসমাদৃত হবে—কয়েকটি শব্দ—প্রেমিক লোকের স্বভাব স্বতন্ত্রর। গৌতম বুদ্ধ থেকে স্বামী বিবেকানন্দ, খ্রিস্ট হতে শ্রীচৈতন্য, কোরান থেকে বাইবেল, বেদান্ত থেকে বৈষ্ণব—একটি কথাই তো পতাকার মতো তুলে রেখেছেন—সবার ওপরে মানুষ সত্য। সেবাই তো ধর্ম।
সবশেষে একটি প্রশ্ন—তাহলে?
03rd  June, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...

  নয়াদিল্লি, ৩০ মে: ইসলাম ভীতি ও বিদ্বেষের অজুহাতে ভারতকে কলঙ্কিত করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত বিরোধী দল পাকানোর তালে ছিল ইসলামাবাদ। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: কোন রাজ্যে কত আক্রান্ত? 
ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ...বিশদ

12:12:51 PM

ছাড় মিললেও মনে রাখতে হবে, আমরা যেন বেপরোয়া না হয়ে যাই, সতর্কতা বজায় রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী 

11:34:46 AM

করোনা ভাইরাসের জেরে সর্বাধিক প্রভাবিত দেশের গরিব ও শ্রমিকরা: প্রধানমন্ত্রী 

11:31:06 AM

ওড়িশায় করোনা পজিটিভ আরও ১২৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৪৮ 

10:49:25 AM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত?
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

10:42:00 AM

নয়াদিল্লি সেনা ক্যান্টিনে আগুন
নয়াদিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনা ক্যান্টিনে আগুন লাগল। ঘটনাস্থলে দমকলের ৮টি ...বিশদ

10:19:15 AM