Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সবকা বিকাশ কীভাবে হতে পারে
পি চিদম্বরম

বিপুল জনসমর্থন সবসময় আশীর্বাদ হয় না, একটি দুর্বলতর বিরোধী শাসনকার্যকে আরও দুঃসহ করে তোলে এবং উপর্যুপরি দু’দফায় ক্ষমতালাভ শাসকের অজুহাত খাড়া করার সুযোগ কেড়ে নেয়। আমি নিশ্চিত যে মানুষের বিরাট প্রত্যাশা আর তাঁর মন্ত্রিসভার উপর কতখানি বোঝা চাপল সেই কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি খুব ভালো করেই জানেন। তাঁর প্রথম দফার শাসন পরিচালনা দেখার অভিজ্ঞতা থেকে আমি নিশ্চিত যে তিনি প্রতিটি পদক্ষেপ করবেন চ্যালেঞ্জ-সহকারে এগনোর লক্ষ্যে।
এই পন্থার সমস্যা দুটি। সমস্যার প্রথমটা হল, ভারতে কাজকর্ম হয়ে থাকে প্রচলিত বা পরম্পরাগত ধারায়। সমস্যার দ্বিতীয়টা হল সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর প্রতিযোগিতামূলক দাবি। তার মধ্যে অনড়ভাবে থাকবে দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষের কণ্ঠ। এই সরকারের প্রথম দফা শেষ হওয়ার অভিজ্ঞতা এই যে—(১) প্রচলিত ধারার কর্মপদ্ধতি আরও বিলম্বিত হয়েছে এবং (২) দরিদ্রতম, দুর্বলতম, সবচেয়ে বঞ্চিত এবং শোষিত মানুষ রয়ে গিয়েছে দরিদ্র, দুর্বল, বঞ্চিত ও শোষিত।
পরীক্ষিত ও ব্যর্থ
দ্বিতীয় দফা মোদিজি অবশ্যই প্রচলিত পথ ভেঙে যাত্রা শুরু করবেন। মোদিজির মিত্র অরবিন্দ পানাগড়িয়া এবং বেঙ্কটেশ কুমার নিম্নোক্ত পথ বাতলে দিয়েছেন:
‘তাঁর (মোদিজির) শাসনপদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান (কি এলিমেন্ট) হল—তিনি কয়েকটি গ্রুপে সচিবদের নিয়োগ করে থাকেন, প্রতিটি গ্রুপকে প্রজেক্ট, প্রোগ্রাম এবং পলিসির প্রেজেন্টেশন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়, পরবর্তী বছরে অর্থনীতির প্রধান ক্ষেত্রগুলিতে সেগুলি রূপায়ণের জন্য। এটা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর প্রেজেন্টেশনগুলোই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোর রোড ম্যাপ হয়ে ওঠে।’
এরপর লেখকদের হুঁশিয়ারি:
‘কিন্তু যখন এটা আমূল সংস্কারে (র‌্যাডিকাল রিফর্মস) গিয়ে দাঁড়ায় তখন এই পদ্ধতির একটি নেতিবাচক দিক ধরা পড়ে। প্রকৃতিগতভাবে, আমলারা সতর্ক হয়ে থাকেন এবং তাঁদের ঝোঁকটা অতি মাত্রায় থাকে প্রজেক্ট ও প্রোগ্রাম মুখী। এমনকী, তাঁরা যখন পলিসি পরিবর্তনের প্রস্তাব দেন, তখন তাঁরা ধাপে ধাপে করেন এবং ক্বচিৎ জোড়াতাপ্পির বাইরে যান।’
আমি এবিষয়ে একমত কিন্তু, তাঁদের বিকল্প পদ্ধতির সঙ্গে একমত হতে পারি না। খুব কাছ থেকে নিরীক্ষণ করে বুঝেছি, এটাতে কোনও তফাত হয় না। বিকল্প মডেলে মন্ত্রীর জায়গা নেবেন মিশন হেড, সচিবের জায়গা নেবেন উপদেষ্টা এবং আধুনিক পেশাদারদরা আসবেন যুগ্মসচিব এবং তাঁর টিমের জায়গায়!  
‘ডিসরাপশন’টাই মূল
স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বলা-তে যা প্রাপ্তি হয়েছে তার থেকে পৃথক কিছু ফললাভ ঘটবে না। স্বচ্ছ ভারত প্রকল্পের ক্ষেত্রে তিক্ত সত্যটি হল—গুজরাত ভিন্ন কোনও বড় রাজ্যকে ‘খোলা স্থানে মলত্যাগ মুক্ত (ওডিএফ)’ হিসেবে ঘোষণা করেনি। তৈরি হওয়া শৌচাগারের কত শতাংশ অব্যবহৃত বা ব্যবহারের অযোগ্য রয়ে গিয়েছে? উজ্জ্বলা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সাফল্য অথবা ব্যর্থতার মাপকাঠি হল একজন উপকৃত ব্যক্তি (বেনিফিসিয়ারি) বছরে গড়ে ক’টি পরিবর্ত সিলিন্ডার কিনে থাকেন: এটা হতাশ হওয়ার মতো ৩ অথবা সর্বাধিক ৮ কি? আমি যতটা জানি আপনারাও জানেন ততটাই।
আমূল সংস্কার র‌্যাডিক্যাল পলিসি এবং ‘ডিসরাপশন’-এর মাধ্যমেই কার্যকরী হতে পারে মাত্র। ১৯৯১-৯৬ পর্বে আমরা ‘রেড বুক’-এর বহ্ন্যুৎসব করেছিলাম এবং বৈদেশিক বাণিজ্যে আমূল পরিবর্তন ঘটে গিয়েছিল। আমরা পুরনো বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন (ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট) পাল্টে ফেলেছিলাম এবং তার ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার (ফরেন এক্সচেঞ্জ রিজার্ভ) হু হু করে বেড়েছিল। শিল্প লাইসেন্স ব্যবস্থা বাতিল করে দিয়েছিলাম এবং তার ফলে নতুন প্রজন্মের শিল্পোদ্যোগীদের দেখা পাওয়া গিয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, এবং গ্রামীণ সড়ক ও পরিবহণ ক্ষেত্রে মোদিজি অবশ্যই তেমন কিছু একটা করার চেষ্টা করবেন। স্কুলশিক্ষার ক্ষেত্রে তিনি কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তাহার থেকে আইডিয়া ধার নিয়ে স্কুলশিক্ষাকে রাজ্য তালিকার অন্তর্ভুক্ত করে দিতে পারেন, রাজ্যগুলিকে টাকা দিতে পারেন, যাতে করে তারা স্বাধীনভাবে উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বিকশিত হতে পারে। মানুষ তার রাজ্য সরকারের কাছে ‘রেজাল্ট’ দাবি করবে এবং, একটা সময়ে তারা সেটা পাবেও।
মূল আইডিয়া—যেটা হবে সবচেয়ে ‘ডিসরাপটিভ’—বিকেন্দ্রীকরণ। স্বল্পমেয়াদি রেজাল্ট অসন্তোষজনক হবে হয়তো কিন্তু মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে সুশাসিত রাজ্যগুলি এখনকার থেকে অনেক ভালো করবে এবং এটাই রাজ্যস্তরে সুশাসনের চাহিদা বাড়িয়ে দেবে মানুষের মনে। বিকেন্দ্রীকরণের সুফল যেসব ক্ষেত্রে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে পৌঁছবে সেগুলি হল—প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্য পরিষেবা, পানীয় জল, শৌচাগার (স্যানিটেশন), পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি (রিনিউয়েবল এনার্জি), বিদ্যুৎ বণ্টন প্রভৃতি।
ড. সুব্রামনিয়ন শরণ
দ্বিতীয় মারাত্মক চ্যালেঞ্জটি হল ‘দরিদ্রের মধ্যে দরিদ্রতম’। তারা সবচেয়ে গরিব বলে সাক্ষরতায়, স্বাস্থ্যসূচকে, গৃহ ও শৌচাগার, খাদ্য ও জল, সরকারি পণ্য এবং পরিষেবা গ্রহণেও তাদের অবস্থান সবার নীচে। একটি গ্রামে আপনি তাদের দেখতে পাবেন সেই গ্রামটিরই প্রান্তিক এলাকাগুলিতে। অপেক্ষাকৃত গরিব রাজ্যগুলিতে দেখবেন গ্রামগুলি গরিব মানুষেই পরিপূর্ণ। এটাই মেনে নেওয়া যাক যে, উপর্যুপরি সরকারের অধীনে উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলে ভারতের সবচেয়ে গরিব যে ২০ শতাংশ মানুষ তাঁদেরকে এড়িয়ে। মন্ত্রীরা এবং সরকারি কর্তাব্যক্তিরা গ্রাম ও সরকারি কর্মসূচির পরিদর্শনে গিয়ে হয় বড় রাস্তাতেই থেমে যান অথবা তাঁদের সেখানেই থামিয়ে দেওয়া হয়।
দরিদ্রতম মানুষের কাছে পৌঁছনোর একমাত্র উপায় হল তাদের স্বনির্ভর করে তুলতে সাহায্য করা: আকাঙ্ক্ষাপূরণে ব্যাকুল হওয়ার আগুন জ্বালিয়ে দিতে হবে তাদের মনে, সেটা তাদের হৃদয় বিদীর্ণ করে ঘরে ঢুকে যাবে, দারিদ্রের শৃঙ্খল থেকে তাদের বেরতে দিতে হবে এবং নিজেদেরকেই উঁচুতে তুলে ধরতে হবে নিজেদেরকে। পিএম-কিসান তাদের কোনও সাহায্য করবে না, কারণ খুব কম মানুষেরই একখণ্ড জমি আছে, বেশিরভাগই কৃষিশ্রমিক অথবা অন্য কোথাও শ্রমিকের কাজ করেন এবং ভীষণ গরিব মানুষের একটা বড় অংশই থাকেন শহরে, মহানগরে। ডিসরাপটিভ পলিসি পরিবর্তনটা হবে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার করার মাধ্যমে একটি ‘বেসিক ইনকাম’। মোদিজি এই আইডিয়াটার জন্য ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়নকে কৃতিত্ব দিতে পারেন এবং তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের শীর্ষপদে বসিয়ে এই স্কিমটার রূপরেখা তৈরি ও রূপায়ণ করে নিতে পারেন।
যদি আমরা ৬-৭ শতাংশ হারে বার্ষিক বৃদ্ধির চিরাচরিত ক্লান্ত-মন্থর পথটিই আঁকড়ে থাকি তবে আমাদের বিশেষ পরিবর্তন হবে না। কোনও পরিবর্তনই দেখতে পাব না যদি আমরা বর্তমান পলিসিগুলো নিয়ে রগড়ারগড়ি করতে থাকি অথবা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থাটার মেরামতির পথটাই নিই। সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অস্বাভাবিক ক্ষমতা বাড়িয়ে দিলে অথবা মানুষকে অভিযুক্ত করার কিংবা জেলে ভরে দেওয়ার হুমকি দিলে আরও ক্ষতি হবে। রূপান্তর গোছের পরিবর্তনের সবচেয়ে কার্যকরী একক উপায়টি হল মানুষের ক্ষমতায়ন এবং তাদের জ্ঞান, শিল্প ও কর্মদক্ষতার উপর আস্থা স্থাপন।
03rd  June, 2019
বারুদের স্তূপের উপর পশ্চিমবঙ্গ
হিমাংশু সিংহ

সংসদীয় রাজনীতিতে কিছুই চিরস্থায়ী নয়। কারও মৌরসিপাট্টাই গণতন্ত্রে বেশিদিন টেকে না। সব সাজানো বাগানই একদিন শুকিয়ে যায় কালের নিয়মে। ইতিহাস কয়েক বছর অন্তর ফিরে ফিরে আসে আর ধুরন্ধর শাসককে চরম শিক্ষা দিয়ে তাঁকে, তাঁর ক্ষমতাকে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে আবার ফকির করে দিয়ে যায়। সব ক্ষমতা এক ভোটে বিলীন। ধূলিসাৎ। আর এখানেই মহান গণতন্ত্রের জিত আর চমৎকারিত্ব। আর সেই দিক দিয়ে ২৩ মে-র ফল এই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকেও আবার এক মহান সন্ধিক্ষণের দিকেই যেন ঠেলে দিয়েছে। ‘বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ’ হয়নি, ‘২০১৯ বিজেপি ফিনিশ’—তাও হয়নি। উল্টে সারাদেশে বিজেপি থ্রি-নট-থ্রি (অর্থাৎ ৩০৩টি) আসন জিতে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ভোট-পণ্ডিতদের।
বিশদ

11th  June, 2019
মোদিজি কি ‘সবকা বিশ্বাস’ অর্জন করতে পারবেন?
পি চিদম্বরম

 নরেন্দ্র মোদি এবার যে জনাদেশ পেয়েছেন তা অনস্বীকার্যভাবে বিপুল। যদিও, অতীতে লোকসভা নির্বাচনে একটি পার্টি ৩০৩-এর বেশি আসন জেতার একাধিক দৃষ্টান্ত আছে। যেমন ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ৩৫৩ এবং ১৯৮৪ সালে রাজীব গান্ধী ৪১৫ পেয়েছিলেন।
বিশদ

10th  June, 2019
 বিজেপি এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটকে
কঠিন চ্যালেঞ্জ মনে করছে কেন?
শুভা দত্ত

 কয়েকদিনের মধ্যে বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটে গেল রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে। তাই আজও একই প্রসঙ্গ দিয়ে এই নিবন্ধ শুরু করতে হচ্ছে। গত সপ্তাহেই লিখেছিলাম, ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।
বিশদ

09th  June, 2019
ইচ্ছে-ডানায় নাচের তালে
অতনু বিশ্বাস

এ বছরের সিবিএসই পরীক্ষার ফল বেরতে দেখা গেল, প্রথম হয়েছে দু’টি মেয়ে। একসঙ্গে। ৫০০-র মধ্যে তারা পেয়েছে ৪৯৯ করে। দু’জনেই আবার আর্টসের ছাত্রী। না, পরীক্ষায় আজকাল এত এত নম্বর উঠছে, কিংবা আর্টস বিষয় নিয়েও প্রচুর নম্বর তুলে বোর্ডের পরীক্ষায় র‍্যাঙ্ক করা যায় আজকাল—এগুলোর কোনওটাই আমার আলোচনার বিষয়বস্তু নয়।
বিশদ

08th  June, 2019
ভারতের রাজনীতিতে ‘গেম মেকার’
মৃণালকান্তি দাস

মেধাবী হলেই যে পড়ুয়ার জন্য মোটা বেতনের চাকরি নিশ্চিত, তার কোনও গ্যারান্টি নেই। শুধু প্রতিভা থাকলে আর পরিশ্রমী হলেই হবে না, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ঠিকঠাক ‘গাইড’ না পাওয়ায় পড়ুয়ারা আজ আর সরকারি চাকরির লক্ষ্যভেদ করতে পারেন না।
বিশদ

07th  June, 2019
অবিজেপি ভোটে বাজিমাত
বিজেপির, এবং তারপর...
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আলোড়ন! নিঃসন্দেহে একটা জবরদস্ত আলোড়ন উঠেছে। লোকসভা ভোটফল প্রকাশ হওয়া ইস্তক সেই আলোড়নের দাপটে রাজ্য-রাজনীতি থেকে সাধারণের অন্দরমহল জল্পনা-কল্পনা, বিবাদ-বিতর্ক, আশা-আশঙ্কায় যাকে বলে রীতিমতো সরগরম! পথেঘাটে আকাশে বাতাসে যেখানে সেখানে ছিটকে উঠছে উৎকণ্ঠা নানান জিজ্ঞাসা।
বিশদ

06th  June, 2019
কর্ণাটক পুরনির্বাচন: আবার উল্টালো ভোটফল
শুভময় মৈত্র 

নির্বাচনে ভোটফল নিয়ে কখন যে কী ঘটছে তার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না মোটেই। মানুষ অবশ্যই মত বদলাবেন। সে স্বাধীনতা তাঁদের আছে। সে জন্যেই তো ভোটফল বদলায়। নাহলে সংসদীয় গণতন্ত্রের কোনও অর্থই থাকে না।  
বিশদ

04th  June, 2019
বাংলায় রামবোকামির মরশুম
হারাধন চৌধুরী 

আমার মামার বাড়ি ভারত-বাংলাদেশের একটি সীমান্ত গ্রামে। বলা বাহুল্য, আমার মায়ের জন্ম দেশভাগের অনেক আগে। স্বভাবতই তাঁর স্মৃতির অনেকখানি জুড়ে ছিল অখণ্ড ভারতীয় গ্রামদেশ ও তার সংস্কৃতি। ১৯৪৭-এ মায়ের শৈশবের গ্রামের উপর দিয়েই ভাগ হয়ে গিয়ে ভারতের ভূগোল এবং ইতিহাস খুলেছিল এক নতুন অধ্যায়। 
বিশদ

04th  June, 2019
বিভাজনের ঘোলা জলে হারিয়ে যাচ্ছে বিকাশ
সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

এক জার্মান দার্শনিক হিটলারের আমলে আমাদের সচেতন করেছিলেন এই বলে—তোমরা সবাই ছোট মানুষ (লিটল ম্যান) তোমাদের কোনও প্রশ্নের অধিকার আছে কি? বৃহৎ রাষ্ট্রযন্ত্রে তোমাদের অস্তিত্বটা কোথায়! তা কী অনুধাবন করতে পেরেছ? নাটবল্টুদের কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়।
বিশদ

03rd  June, 2019
ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে!
বিশদ

02nd  June, 2019
নরেন্দ্র মোদির দ্বিতীয় ইনিংস: ভারতের
বিদেশ নীতি নিয়ে প্রয়োজনীয় ভাবনা
গৌরীশংকর নাগ

 অবশেষে মাসাধিক কালব্যাপী প্রতীক্ষার অবসান। নির্বাচন অতিক্রান্ত ও ফল ঘোষণার পর মোদির দ্বিতীয় ইনিংসে চমকের প্রত্যাশায় জল্পনা তুঙ্গে। আর সেই ভাবনা থেকেই আশা-আশঙ্কার দোলাচলে ভারতীয় বিদেশনীতি সম্পর্কে প্রাথমিকভাবে যে কথাটি এসে পড়ে তা হল পপুলিজম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
বিশদ

01st  June, 2019
ইমেজ বদল
সমৃদ্ধ দত্ত

কিছু কিছু ফলাফল বড় গোলমেলে হয়। এই যেমন এবার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন বহু আসনে এভাবে হেরে গেলেন সেটা নিয়ে বিস্তর ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ, ময়নাতদন্ত চলছে। হওয়াই সঙ্গত। এইসব ব্যাখ্যা থেকে যেটা স্পষ্ট বোঝা গেল যে মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। মানুষ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চাইছে না।
বিশদ

31st  May, 2019
একনজরে
বিএনএ, বাঁকুড়া: এনআরএসের ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেল থেকে কর্মবিরতি শুরু করলেন বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন সকাল থেকে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক থাকলেও ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত হয়েছেন শীলা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন এমেরিটাস শীলা গৌতম। গত ৮ জুন তিনি পরলোক গমন করেন। ১৯৭১ সালে তিনি শীলা ফোম তৈরি করেন, যা ক্রমশ সফল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক। ...

গ্রেম স্মিথ : অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান অস্ত্র পেস বোলিং। ওভালে ভারতের বিরুদ্ধে মন্থর, ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে অজিদের এই অস্ত্র কাজ করেনি। অন্য ম্যাচে ভয়ঙ্কর মূর্তিতে আবির্ভূত হলেও মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্সের মতো বোলাররা ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের উপর বিন্দুমাত্র ত্রাসের সঞ্চার করতে ...

  নয়াদিল্লি, ১১ জুন (পিটিআই): নিজের কেন্দ্রে ‘জল সঙ্কট’ নিয়ে সরব বিজেপি এমপি মীনাক্ষী লেখি। মঙ্গলবার দিল্লির জল বোর্ডের বাইরে রীতিমতো ধর্নায় বসেন তিনি। যদিও দিল্লি সরকারের আওতায় থাকা জল বোর্ডের দাবি, ক্ষমতা অনুযায়ী জল সরবরাহ করা হচ্ছে। বিজেপি মানুষকে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। যোগাযোগ রক্ষা করে চললে কর্মলাভের সম্ভাবনা। ব্যবসা শুরু করলে ভালোই হবে। উচ্চতর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব শিশু শ্রমিক বিরোধী দিবস,
১৯২৯- লেখিকা অ্যান ফ্রাঙ্কের জন্ম,
১৯৫৭- পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিঁয়াদাদের জন্ম,
২০০৩- মার্কিন অভিনেতা গ্রেগরি পেকের মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৯ টাকা ৭০.৩৮ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৫৮ টাকা ৮৯.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.২১ টাকা ৮০.১৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২,৯১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১,২৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১,৭০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৩/৫০ সন্ধ্যা ৬/২৭। হস্তা ১৭/১৯ দিবা ১১/৫১। সূ উ ৪/৫৫/২০, অ ৬/১৭/৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে পুনঃ ১/৪৯ গতে ৫/২৩ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৭ গতে ১/১২ মধ্যে, বারবেলা ৮/১৬ গতে ৯/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৬ গতে ১/১৬ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১২ জুন ২০১৯, বুধবার, দশমী ৩৫/৫৪/৩৯ রাত্রি ৭/১৭/২৫। হস্তানক্ষত্র ২০/৪৩/৩৩ দিবা ১/১২/৫৮, সূ উ ৪/৫৫/৩৩, অ ৬/১৮/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৮ গতে ১১/১৩ মধ্যে ও ১/৫৪ গতে ৫/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৪ মধ্যে ও ১২/১ গতে ১/২৫ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩৭/১২ গতে ১/১৭/৩৭ মধ্যে, কালবেলা ৮/১৬/২২ গতে ৯/৫৬/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ২/১৬/২৩ গতে ৩/৩৫/৫৭ মধ্যে। 
৮ শওয়াল 
এই মুহূর্তে
বিশ্বকাপ: ৪১ রানে পাকিস্তানকে হারাল অস্ট্রেলিয়া 

10:35:44 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ২৩০/৭(৪০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮) 

10:03:16 PM

 বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১৬০/৬(৩০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

09:20:41 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ১১০/২(২০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

08:34:26 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তান ৫১/১(১০ ওভার)(টার্গেট ৩০৮)

07:52:25 PM

বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে ৩০৮ রানের টার্গেট দিল অস্ট্রেলিয়া 

06:45:03 PM