Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন!
শুভা দত্ত

ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যের বেশ কিছু এলাকায় যেন একটা হিংসার বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। এ ওকে মারছে, সে তাকে মারছে, পার্টি অফিস দখল করে নিচ্ছে, না হয় ভেঙেচুরে তছনছ করে দিচ্ছে, দল বেঁধে বাড়িতে বাড়িতে চড়াও হয়ে হুমকি দিচ্ছে, আসবাবপত্র, টাকাকড়ি, গয়নাগাটি লুটে নিয়ে যাচ্ছে, ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ ঘরসংসার ফেলে আত্মরক্ষার তাগিদে অন্যত্র পালাতে বাধ্য হচ্ছেন, আবার কোথাও কোথাও তো রক্ত ঝরছে, খুনখারাপির ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে! এতে সব মিলিয়ে নৈহাটি বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মতো বেশ কিছু জায়গায় একটা রীতিমতো ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়ে গেছে। আর তার জেরে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত, মানুষের কাজকাম চৌপাট হওয়ার জোগাড়। পুলিস প্রশাসন অবস্থা আয়ত্তে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু যে কোনও কারণেই হোক সর্বত্র অবস্থা পুরোপুরি আয়ত্তে আসছে না! নানান অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেই চলেছে। ফলে, অভিযোগের আঙুল উঠছে পুলিসের একাংশের দিকে। অনেকেই বলছেন, পুলিসের ওই অংশ একটু যেন গা-ছাড়া গয়ংগচ্ছ ভাব দেখাচ্ছে। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর যতটা ক্ষিপ্র ও সক্রিয় হওয়া উচিত, ততটা হচ্ছে না!
ফলে উত্তর-দক্ষিণ পূর্ব-পশ্চিম—বাংলার নানা জায়গায় একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। এমনকী, দুষ্কৃতী তাণ্ডবে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক কর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। পুলিসের একাংশের এই ভূমিকায় বৃহস্পতিবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিসমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং! ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরাতে এবং দখল হওয়া পার্টি অফিস পুনরুদ্ধারে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়াতে মমতা বৃহস্পতিবার নৈহাটিতে সভা করেন। সেখানে নানান অনভিপ্রেত ঘটনা ও সেইসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে পুলিসি ব্যর্থতার অভিযোগ এনে তিনি কার্যত বাহিনীর সংশ্লিষ্ট অংশকে হুঁশিয়ারি দেন। নিজের মন্ত্রকের কাজ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতার ক্ষোভ জানানো দেখে মমতা-বিরোধীরা কেউ কেউ হয়তো মজা পেয়েছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় টীকা-টিপ্পনীও কেটেছেন। কাটুন।
কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথে ওইভাবে স্লোগান দেওয়া বা ভিড়জটলা কি পুলিসি নিরাপত্তার একটা চরম গাফিলতি নয়—আপনারাই বলুন? কে জয় শ্রীরাম বলবে, কে জয় হিন্দ বন্দেমাতরম্‌ বলবে সেটা নিশ্চয়ই ব্যক্তিগত অভিরুচির ব্যাপার। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের চারপাশে অপরিচিত জনতার ভিড়, হুড়োহুড়ি কি স্বাভাবিক? সেখানে পুলিসের নিরাপত্তা বেষ্টনী থাকবে না, গোয়েন্দা পুলিসের কাছে আগাম খবর থাকবে না যে তাঁর যাওয়ার পথে এমন অনভিপ্রেত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে!? এবং সেই আগাম খবরের ভিত্তিতে মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রাপথের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে না!? বিশেষ করে ভোটের পর যখন পরিস্থিতি মোটেই স্বাভাবিক নয়, মারামারি ভাঙাভাঙি খুনোখুনি চলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে তার দু’পাশের এলাকাতেই চলছে—তখন তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে এমন হালকা মনোভাব, এমন গা-ছাড়া আচরণ কেন! মানেটা কী? বৃহস্পতিবার ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা যখন গাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে এসেছিলেন তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ছাড়া খুব বেশি কাউকে, মানে পুলিসের কর্তা-কর্মীদের কাউকে তো আশপাশে দেখা যায়নি! বরং, স্থানীয় লোকজনের অনেককেই মোবাইলে ছবি তুলতে তুলতে মুখ্যমন্ত্রীর যথেষ্ট কাছে চলে এসেছে, তাদের কেউ বাধা তো দিলেন না! শুধু তাই নয়, আশপাশে জড়ো হওয়া জনতাকে সরানোর ব্যাপারেও তো স্থানীয় পুলিস বাহিনীকে তেমন সক্রিয় হতে দেখা গেল না!
কেন গেল না, কেন দেখা যায়নি—তার পিছনে কোন রাজনীতির কী খেলা আছে সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না— কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতার ওই ঢিলেঢালা নিরাপত্তার ফাঁক দিয়ে সেদিন বড় কোনও ঘটনা যদি ঘটে যেত— কী হতো! কে দায় নিতেন? শুধু মুখ্যমন্ত্রীর কথা বলছি না, যে কোনও মন্ত্রী বা ভিআইপি’র জন্যই তো এমন ঢিলেঢালা নিরাপত্তা বিপজ্জনক। ভোটের সময় দেখা গেল জেড ক্যাটাগরি নিরাপত্তা পাওয়া বাবুল সুপ্রিয়’র গাড়ি অবলীলায় ভেঙে চলে গেল কিছু দুষ্কৃতী! কী করে পারল? বিশেষ নিরাপত্তার সেই আঁটোসাটো বেষ্টনী সেখানেই বা কোথায় ছিল! ভগবানের অশেষ করুণা যে, দুষ্কৃতীরা গাড়ি ভেঙেই ক্ষান্ত দিয়েছে। বাবুলকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার পথে যায়নি। কিন্তু, যেতেই পারত। সেদিন নিরাপত্তাকর্মী কেন্দ্রীয় বাহিনীর যা হাবভাব দেখা গিয়েছিল তাতে দুষ্কৃতীরা অনায়াসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে হেনস্তা করে যে যার ঘরে ফিরে যেতে পারত বলেই মনে করছেন তথ্যভিজ্ঞজনেদের অনেকেই। এবং তাঁদের এই আশঙ্কা যে একেবারেই অমূলক, টিভিতে সেই দৃশ্য দেখার পর এমনটা জোর দিয়ে বলা যাবে কি? কী ভয়ানক ভাবুন! আমাদের সৌভাগ্য সেই ভয়ানকের পুরো চেহারাটা শেষ অবধি আমাদের দেখতে হয়নি।
এ তো গেল একদিক। অন্যদিকে এই প্রশ্নটাও তো উঠছে যে—ভোটফল প্রকাশের পর রাজ্যে এত হিংসা কেন! কী হয়েছে যে হঠাৎ করে হিংসার এমন বাড়াবাড়ি? সন্দেহ নেই এবার ভোটের হাওয়া প্রথম থেকেই বেশ গরম ছিল। বিজেপি এ রাজ্যের ওপর বিশেষ নজর দেওয়ায় লোকসভা ভোটকে কেন্দ্র করে একটা জোরালো রাজনৈতিক লড়াইয়ের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর প্রধান সেনাপতি অমিত শাহ দফায় দফায় এ রাজ্যে এসেছেন, প্রচার করেছেন এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক তরজায় উত্তপ্ত বাগযুদ্ধে তাঁদের টক্করও চলেছে প্রায় সমানে সমানে। ভোটের ফলেও তার আভাস ভালোই মিলেছে। বিজেপি’র আসন একলাফে ২ থেকে ১৮-তে উঠে গেছে। হ্যাঁ, সেই ২০০৯ সালের পর এই প্রথম মমতার একচ্ছত্র আধিপত্যের বাংলায় তাঁর দল তৃণমূল আসন সংখ্যার বিচারে হয়তো একটু ধাক্কা খেয়েছে। তাতেই বা হয়েছেটা কী? খেলার মতো রাজনৈতিক লড়াইতে এমনটা তো হতেই পারে। তবে, আসন কমলেও মোট ভোটের শতাংশে তো মমতার তৃণমূল এগিয়েছে ৪ শতাংশ!
মানেটা কী দাঁড়ায়? কংগ্রেস, সিপিএমের শক্তিহীনতার পথ ধরে বিজেপি এ রাজ্যে শাসক তৃণমূলের প্রধান বিরোধী হিসেবে যেমন আত্মপ্রকাশ করেছে, আসন বাড়িয়েছে, ঠিক তেমনি কিছু আসন কমলেও তৃণমূল একলপ্তে ৪ শতাংশ ভোট বাড়িয়েছে। হ্যাঁ, লোকসভা ভোটযুদ্ধের এই ফলাফল থেকে এটুকু বলা যায় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম রাজ্য রাজনীতিতে খানিকটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। সেটা তো ইতিবাচকই বলতে হবে। সিপিএমের মতো ভয়ঙ্কর শক্তির সঙ্গে জীবন পণ করে লাগাতার যুদ্ধের মধ্য দিয়েই তো মমতা ক্ষমতার শিখরে এসেছেন। তিনি নতুন প্রতিপক্ষের সঙ্গে আজ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিচলিত হবেন কেন? ভোটফলেই তো দেখা যাচ্ছে জনসমর্থনের নিরিখে আগামী লড়াইয়ের জন্য শক্তির বাড়তি রসদও তিনি জোগাড় করে নিয়েছেন। বরং, রাজ্যে কোনও বিরোধী নেই তাই মমতার এত বাড়বাড়ন্ত বলে যাঁরা (পড়ুন সিপিএম কংগ্রেস) এতদিন হাহুতাশ করছিলেন, ভোটফলের এই চেহারা তাদেরকে কিছু স্বস্তি শান্তি দেবে। তাহলে, মোটের ওপর সকলেরই এই ভোটফলে সন্তুষ্ট হওয়ার কথা। কিন্তু, বাস্তব পরিস্থিতি তো তা বলছে না। চারদিকে গোলমাল হই-হাঙ্গামা মারপিট পার্টি অফিস দখল ইত্যাদি চলেই চলেছে! এবং অভিযোগের তির বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছুটছে রাজ্যের নতুন বিরোধী শক্তি হিসেবে জেগে ওঠা বিজেপি’র দিকে! শাসক তৃণমূলের নামও যে তিরের ফলায় উঠে আসছে না এমন নয়—তবে পরিমাণে তা কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি, বিজেপি’র চেয়ে অনেক কম! তাই নয় কি?
অস্বীকার করার উপায় নেই—বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহিষ্ণুতা সংযম সৌজন্যের স্থান আজ রীতিমতো দুর্বল সংকুচিত। এই দুর্বলতার সূত্রপাত সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম আমলের শেষপর্বে কয়েকজন নেতার সৌজন্যে। পরবর্তীতে উগ্র মমতা বিরোধিতার পথে কয়েকজন নেতানেত্রী তো রাজনৈতিক পরিসরে সহিষ্ণুতার প্রায় গঙ্গাযাত্রা করিয়ে ছেড়েছেন। আজ তারই নিদারুণ ফলভোগ করছেন নৈহাটি-কাঁচরাপাড়া, বারাকপুর থেকে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া— এমনকী এই কলকাতা মহানগরীও! ভোটফল প্রকাশের পর যেসব হাঙ্গামা হচ্ছে তাতে কতটা রাজনৈতিক বিদ্বেষ বা দখলদারি মানসিকতা ক্রিয়াশীল আর কতটা ব্যক্তিগত রাগ মেটানোর সুযোগ ইন্ধন হিসেবে কাজ করছে তা নিয়ে গবেষণা চলতে পারে, কিন্তু একটা ব্যাপার পরিষ্কার— মানুষ এই ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হিংসায় আতঙ্কিত বিরক্ত এবং একই সঙ্গে হতাশ। এই হতাশা আসন্ন ভোটগুলিতে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারে। অন্তত তেমনটাই মনে করছে রাজ্যের রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ মহলের একাংশ। তাঁরা খুব ভুল মনে করছেন— এমন বলা যাচ্ছে কি? সুতরাং, সাধু সাবধান। 
02nd  June, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ৩০ মে: রাষ্ট্রসঙ্ঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে ভারতের অবদান বিশ্বের যেকোনও দেশের তুলনায় বেশি। আর সেই অবদান এবং বলিদানের কারণেই ভারত অনেক শান্তিরক্ষককে হারিয়েছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ৮ জুন থেকে রাজ্য সরকারি অফিসে ৭০ শতাংশ কর্মী নিয়ে কাজ শুরু করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করছেন। ...

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আলিপুরদুয়ারে করোনা সংক্রমণ ঝড়ের গতিতে এগোচ্ছে কি না, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের একটি সূত্র জানিয়েছে, এবার মাদারিহাট ব্লকের পাঁচ জনের ফালাকাটা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ট্রুন্যাট মেশিনে করা সোয়াব টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ বলে সন্দেহ ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছাড় মিললেও মনে রাখতে হবে, আমরা যেন বেপরোয়া না হয়ে যাই, সতর্কতা বজায় রাখতে হবে: প্রধানমন্ত্রী 

11:34:46 AM

করোনা ভাইরাসের জেরে সর্বাধিক প্রভাবিত দেশের গরিব ও শ্রমিকরা: প্রধানমন্ত্রী 

11:31:06 AM

ওড়িশায় করোনা পজিটিভ আরও ১২৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,৯৪৮ 

10:49:25 AM

নয়াদিল্লি সেনা ক্যান্টিনে আগুন
নয়াদিল্লির ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সেনা ক্যান্টিনে আগুন লাগল। ঘটনাস্থলে দমকলের ৮টি ...বিশদ

10:19:15 AM

একদিনে দেশে করোনায় আক্রান্ত ৮,৩৮০ 
গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আরও ৮ হাজার ৩৮০ ...বিশদ

09:50:07 AM

পাঁচিল চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধার নাকতলায়
পাঁচিল চাপা একটি মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ কলকাতার ...বিশদ

09:43:49 AM