Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে। আর নজিরবিহীন গেরুয়া ঝড়ে কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারিকা ভেসে গেল ভারত! স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতে লোকসভার ভোট মহাযুদ্ধে এত বড় জয় এর আগে যতদূর মনে পড়ছে একবারই দেখেছে এই উপমহাদেশ। ১৯৮৪ সালের লোকসভায় রাজীব গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস চারশো আসন পার করেছিল। তবে সে ছিল প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরার প্রতি দেশবাসীর শ্রদ্ধা ও আবেগের ফল। নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ জুটি আবার তেমনই এক স্মরণীয় জয় উপহার দিলেন এবং দেশের সংসদীয় ইতিহাসে যোগ করলেন নির্বাচনী সাফল্যের আর এক নতুন অধ্যায়। দেশের সঙ্গে এই বাংলাতেও গেরুয়া ঝড়ের ঝাপট ভালোই লাগল, দুই থেকে এক ঝটকায় বিজেপির আসন উঠে গেল ১৮-তে এবং তৃণমূলের আসন ৩৪ থেকে নেমে দাঁড়াল ২২-এ! ভোট শতাংশের হিসেবেও তৃণমূলের প্রায় ঘাড়ের কাছে এসে পড়ল বিজেপি!
পশ্চিমবঙ্গের এই ফলে রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞদের কেউ কেউ অবাক হয়েছেন ঠিকই, তবে ভোট পরবর্তী সমীক্ষার কয়েকটিতে কিন্তু এমন পূর্বাভাস ছিল। পূর্বাভাসগুলো দেখে বোঝাই যাচ্ছিল এবারের লোকসভায় বাম-কংগ্রেসের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিজেপি এ রাজ্যে বাড়বে। কিন্তু এক লাফে এতদূর বাড়বে এটা অন্তত এ রাজ্যে প্রায় কেউই বিশ্বাস করেননি। ভোটের সময় যাঁদের সঙ্গেই কথা বলেছি তা সে তিনি মমতার অন্ধ ভক্তই হোন কি কট্টর সমালোচক—প্রত্যেকেই বিজেপির বাড়টি ৮ থেকে ১০-এর মধ্যেই ধরে রেখেছেন। তার বেশি মানে ১০ ছাড়িয়ে ২২/২৩ অব্দি বিজেপি উঠতে পারে তা পদ্মশিবিরের নেতানেত্রীরা অনেকে দাবি করলেও সাধারণ মানুষজনের কেউই খুব বিশ্বাস করে উঠতে পারছিলেন না। তার কারণ ছিল একটাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যাপক উন্নয়নের এই রাজ্যে যে এমন ছন্দপতন হতে পারে সেটা হয়তো ছিল তাঁদের কল্পনার বাইরে। তাছাড়া এবারের লোকসভা যুদ্ধে মোদিজি যে এমন বেনজির কাণ্ড করে বসবেন, তাঁর বিরোধীদের এমন হতশ্রী দশায় ঠেলে দেবেন—বেশ কয়েকটি জনসমীক্ষার ফলে তেমন আভাস থাকলেও এ রাজ্যের রাজনীতি সচেতন মানুষ তাতে প্রাথমিকভাবে খুব একটা আমল দিতে চাননি। বরং, রাজনৈতিক তথ্যভিজ্ঞ থেকে অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের অনেকেই হিসেবপত্তর করে হাং পার্লামেন্টের সম্ভাবনাকেই পরিস্থিতি পরিবেশের নিরিখে অধিক বাস্তবসম্মত বলে দাবি করছিলেন! আজ বোঝাই যাচ্ছে—কালের লিখন পড়তে তাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন।
মোদি-শাহ জুটি পদ্মশিবিরের জন্য জনদরবার থেকে এমন এক জয় জিতে এনেছেন যার সামনে অমন ঐতিহ্যশালী কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী বা অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডু, দিল্লির কেজরিওয়ালের মতো দাপুটে মোদি-বিরোধী নেতাদেরও কার্যত লিলিপুটের মতো দেখাচ্ছে! চন্দ্রবাবু তো বলতে গেলে মোদি সুনামির দাপটে অন্ধ্রে প্রায় সর্বস্ব খুইয়েছেন। দিল্লিতে কেজরিওয়ালের দশাও হয়েছে তেমনই। কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী গত ২০১৪ লোকসভার তুলনায় তাঁর ইউপিএ জোটের জন্য গোটা পঁচিশেক আসন বাড়াতে পারলেও দেশজোড়া কংগ্রেসি জনতার বিরাট প্রত্যাশার তুলনায় তাকে নগণ্যই বলতে হবে। বেশ কিছু রাজ্যে তো ভোটফলে পশ্চিমবাংলার সিপিএমের মতো কংগ্রেসও একেবারে নিশ্চিহ্নই হয়ে গেছে। এবং সে জন্যই আসন বৃদ্ধি সত্ত্বেও রাহুল দলের তথা জোটের এই ফলকে বিপর্যয় হিসেবেই দেখছেন আর তার দায় নিয়ে কংগ্রেস সভাপতির পদত্যাগের ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। বিপর্যয়ের পর্যালোচনা করতে শনিবারই সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির জরুরি বৈঠকও ডেকেছিলেন।
বরং, সেদিক থেকে এই অভাবিত গেরুয়া সুনামির সামনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সবুজ তৃণমূলকে অনেক লড়াকু মনে হয়েছে। ঠিকই, মমতার সর্বব্যাপ্ত প্রভাব প্রতিপত্তির রাজ্যেও ওই সুনামিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছু কম হয়নি। তবু এখনও তুল্যমূল্য বিচারে এ রাজ্যের ভোটফলে এগিয়ে মমতাই। ভোট শতাংশের হারেও। পাহাড় জঙ্গলমহল থেকে গ্রামবাংলায় তৃণমূলের ফল আশানুরূপ কেন হল না তার অজস্র কারণ টেনে বার করতে শুরু করেছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকই। তাঁদের অনেকের বক্তব্য শুনলে মনে হচ্ছে তাঁরা এমনটা ঘটতে পারে জানতেন, ঘটার কারণটাও অবগত ছিলেন! যদি তাই হয়, তাহলে এই বোদ্ধারা সেই আশঙ্কার কথা আগেই প্রকাশ করে দিলেন না কেন! নাকি চোর পালাবার পরই বুদ্ধিটা চাগাড় দিল! জানি, নরেন্দ্র মোদির এই চমকপ্রদ জয়ে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার পর এখন অনেকেই অনেক কিছু বলবেন, ‘আমি তো জানতাম’ গোছের ভাবও দেখা যাবে কারও কারও বচনে, কেউ কেউ মমতার খুঁত খামতি গালতেও উঠেপড়ে লাগবেন—কিন্তু একবার ভাববেন কি যে এখন সবচেয়ে জরুরি হল রাজ্য জুড়ে শান্তিরক্ষা। এমন ভোটফলের পর রাজ্যে সর্বস্তরে শান্তি রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ।
সত্যি বলতে কী, ভোট রাজনীতিতে এমন বিপর্যয় কোনও নতুন কথা নয়। এমন ধাক্কা অতীতে জাতীয়স্তরে ইন্দিরা গান্ধী রাজীব গান্ধী থেকে শুরু করে রা‌জ্যস্তরের ভোটে কংগ্রেস সিপিএম সকলকেই কখনও না কখনও সইতে হয়েছে। ২০১১ সালে সিপিএমের ওই অত বড় মহাপতন হয়েছে, তার ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানো দূরে থাক, তারপর থেকে সিপিএম সমেত বামেরা তো কেবল ক্ষয়েই চলেছে। তার ওপর এবারের ভোটে অন্তত আসন সংখ্যার বিচারে তারা তো একেবারে শূন্যই হয়ে গেল! কী ভাবছেন, এবার সিপিএম বা তাদের শরিকেরা রাজনীতি ছেড়ে পাততাড়ি সন্ন্যাস নেবে? মোটেই না। রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। আর তাই এমন শূন্যতার মধ্যেই কীভাবে শূন্য থেকে ফের উঠে দাঁড়ানো যায় তার চেষ্টা চালাবে সিপিএম সমেত বামেরা। তো তৃণমূলের ক্ষেত্রেই বা তার ব্যতিক্রম হবে কেন? তৃণমূলও এবারের ভোটে না হয় কয়েকটা আসনে ধাক্কা খেয়েছে, কেন্দ্রে মোদিজিকে চেয়েছিলেন যাঁরা তাঁরা বিজেপির বাক্সে ভোট দিয়েছেন। তাতে সব গেল গেল ভাবার কী আছে! বছরের পর বছর খেলে যাবে অথচ একটাও গোল খাবে না তাই কি হয়? ২০১১ সালের পর থেকে গত প্রায় আট বছর গোল খায়নি তো কী? এবার খেয়েছে। গেরুয়া দলের সঙ্গে সমানে সমানে টক্করে এবার গোল খেয়েছে। কিন্তু এটুকুতেই তৃণমূলের একেবারে সাড়ে সর্বনাশ হয়ে গেল এমন বলা কি যুক্তিসঙ্গত? হ্যাঁ, তৃণমূল গোটা ১২ আসন হারিয়েছে। কিন্তু এ রাজ্যের সিপিএম তো শূন্য হয়ে গেছে! কংগ্রেসের হালও তথৈবচ, ঝড়ের দাপট সামলে কোনওক্রমে তারা দুটি আসন রক্ষা করতে পেরেছে! সে তুলনায় তৃণমূল এখনও চালকের আসনেই— সন্দেহ কি? তো?
তাছাড়া, এই ফলাফলকে যাঁরা মুখ্যমন্ত্রী মমতার প্রতি রাজ্যবাসীর অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ বলে চালাতে চাইছেন তাঁরাও কি ঠিক করছেন? মোদি-বিরোধী জোট যদি মমতাকে প্রধান মুখ হিসেবে প্রজেক্ট করে ভোটে নামত এবং মমতা যদি সেই জোটের হয়ে লড়ে এই ফল করতেন তখন এমন কথা বললে তবু মানার একটা গ্রাউন্ড খুঁজে পাওয়া যেত। মমতা তো তৃণমূল নেত্রী হিসেবে তাঁর রাজ্যের ৪২ আসন রক্ষায় মোদির সঙ্গে যুদ্ধে নেমেছিলেন। মোদিজির জাতীয় মহাজোট এনডিএ-র বিরুদ্ধে লড়াইটা ছিল মমতার তৃণমূলের। মোদিজির নেতৃত্বাধীন বহুদলীয় শক্তির সঙ্গে কার্যত একা মমতার লড়াই। সেখানে যে কোনও কারণেই হোক অনেকে মনে করেছেন মমতার তৃণমূলের চেয়ে বিজেপিকে, মানে মোদিজিকে ভোট দিলে সুবিধে হবে। কেন্দ্রে তাঁর নেতৃত্বে সরকার হলে দেশের দশের আরও ভালো হবে। দিয়েছেন। কিন্তু, রাজ্যের ক্ষেত্রে তাঁরা যে এখনই মমতার বিকল্প চাইছেন—লোকসভার এই ভোটফল থেকে কীভাবে তা সাব্যস্ত হয়!?
তার চেয়েও বড় কথা, ভোটের ফল যা হওয়ার তা তো হয়েই গিয়েছে। এখন সেই ফলাফলকে নিয়ে বিভিন্ন শিবিরে কাটাছেঁড়া চলছে, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি প্যাঁচপয়জার নিয়ে ভাবনাচিন্তা হচ্ছে। কিন্তু ঠিক তার সঙ্গেই যেন তাল মিলিয়ে সেই ফলাফল কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মারদাঙ্গা অফিস বাড়িঘর ভাঙচুর জ্বালানো পোড়ানোর মতো অপ্রীতিকর হিংসা প্রতিহিংসার ঘটনা ঘটছে। ভাটপাড়ায় অশান্তির আগুন ছড়িয়েছে। উত্তরবঙ্গের তুফানগঞ্জ শীতলকুচি, বাঁকুড়া পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড় থেকে যাদবপুর নরেন্দ্রপুরের মতো কলকাতা সংলগ্ন এলাকাতে অব্দি সে অশান্তির আগুন তাপ ছড়াচ্ছে। আর বলা বাহুল্য তার প্রধান কারণ তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক সংঘাত সংঘর্ষ, এবং যাতে কোথাও কোথাও বাম-কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকেরাও জড়িয়ে পড়ছেন— সমস্যা ঘোরালো হয়ে উঠছে আরও। অবিলম্বে এই অশান্তির আগুন নেভানোটাই আমরা মনে করি বিজেপি তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের প্রধান কাজ হওয়া উচিত। এত বিশাল জয়ের পরও বিজেপি অধিনায়ক স্বয়ং নরেন্দ্র মোদি যখন নম্রতার সঙ্গে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন সাফল্যের জন্য বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাজ্যে শান্তি ও সুস্থিতি বজায় রাখার অনুরোধ করছেন, তখন এত অশান্তি হবে কেন!? দলীয় আনুগত্য মানলে, মোদিজি বা মমতার প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি ভালোবাসা থাকলে কেউ কি তাঁদের পরামর্শ উপেক্ষা করে মারামারি ভাঙচুরের রাজনীতিতে জড়াতে পারেন? তাছাড়া, এই বাংলার আমজনতাও যে ওসব একেবারেই পছন্দ করেন না—এখনও কি ওই মারদাঙ্গাবাজ নেতাকর্মী সমর্থকেরা বুঝতে পারেননি! আশ্চর্য!
26th  May, 2019
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনের দানবীয় তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় নদীবাঁধ ভেঙে নোনা জলে প্লাবিত হয়েছে কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি। ওইসব জমিতে ফের কবে চাষ শুরু করা যাবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রাতের ঘুম উবেছে বিভিন্ন ব্লকের ভুক্তভোগী কৃষকদের।   ...

সংবাদদাতা, ইটাহার: ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রায়গঞ্জ শহরে বাস-বে বানাচ্ছে রায়গঞ্জ পুরসভা। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজার এলাকায় নেতাজি সুভাষ রোডের পাশে বাজারে ঢোকার মুখে ওই নতুন বাস-বে বা লেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২৪ মে (পিটিআই): সুপার সাইক্লোন উম-পুনে ভারত এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।   ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: মণিপুরে আক্রান্ত আরও ২, মোট আক্রান্ত ৩৪ 

12:29:40 PM

বন্দেভারত মিশন: এয়ার ইন্ডিয়ায় যাত্রীদের মাঝের সিট ফাঁকা রাখতে হবে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের 

12:22:52 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামে সেনার গুলিতে হত ২ জঙ্গি 

12:08:23 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম তপনের বিডিওর মৃত্যু, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 
মৃত্যু হল পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনের ...বিশদ

12:07:24 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত ৪৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২,৬৭১ 

12:00:19 PM

ওড়িশায় করোনা পজিটিভ ১০৩ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১,৪৩৮ 

11:47:55 AM