Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় বা রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পুতিনের পক্ষে রায়ে যেমন ওই দেশের মানুষের শক্তিশালী নেতার পক্ষে জনমত প্রতিফলিত হয়েছিল, তেমনি আমাদের দেশে নরেন্দ্র মোদির এই বিপুল জয় ভোটারদের মজবুত সরকার এবং শক্তিশালী নেতার পক্ষে রায় বলা যায়।
অন্যদিকে দীর্ঘ বাম-কংগ্রেস রাজনীতি এবং পরবর্তী পর্যায়ে তৃণমূল বনাম বাম-কংগ্রেস রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে স্পষ্ট উঠে এল তৃণমূল বনাম বিজেপির রাজনীতি। বামেদের অপ্রাসঙ্গিক করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপি তৃণমূলের বিকল্প শক্তি হিসেবে এই লোকসভা নির্বাচন নিজেদের প্রতিষ্ঠা করল বলা যায়। বামেদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথমে কংগ্রেস এবং পরে তৃণমূল কংগ্রেস মূলত শহরে তাদের অবস্থান জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু বিজেপির রাজনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে মূলত গ্রামকে কেন্দ্র করে। রাজ্যে যে ফল প্রকাশিত হয়েছে তাতে স্পষ্ট মূলত গ্রামীণ এলাকায় বিজেপি তৃণমূলকে পর্যুদস্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
বিজেপি যে সমস্ত আসনে জয়ী হয়েছে তা মূলত কৃষিপ্রধান গ্রামীণ আসন। ২৭টি গ্রামীণ লোকসভার মধ্যে ১৫টি লোকসভা কেন্দ্রে তারা জয়ী হয়েছে। বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফল থেকে দেখা যাচ্ছে বিজেপি যে ১৩৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে তার মধ্যে প্রায় ১০০টি গ্রামীণ বিধানসভা কেন্দ্র। গ্রামবাংলায় এত উন্নয়নের পরেও গ্রামের সাধারণ মানুষের রায় কিন্তু তৃণমূলের পক্ষে যথেষ্ট দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে রইল। বহুসংখ্যক মানুষ এই লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদান করে প্রমাণ করলেন যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে গণতন্ত্রের যে পরিসর সংকুচিত হয়েছিল, তারই স্পষ্ট প্রতিফলন এবারের নির্বাচনে পরিলক্ষিত হয়েছে। তৃণমূল সরকারের উপভোক্তারাও গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নটিকে যে গুরুত্ব দিয়েছেন, ফলেই প্রকাশিত।
আবার আশা যাক দেশের ফলাফলের দিকে। লোকসভা নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে ঘটে যাওয়া পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল মোদি-অমিত শাহর ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং রাজস্থানে বিজেপির পরাজয় মোদি-অমিত শাহকে যথেষ্ট চাপে রেখেছিল। পাশাপাশি ২০১৪-২০১৮ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনুষ্ঠিত ৩০টি লোকসভা উপনির্বাচনের ফলাফলও বিজেপির পক্ষে সহায়ক ছিল না। এর মধ্যে ৮টিতে বিজেপি হেরেছিল। নোটবন্দি এবং জিএসটি নিয়ে সাধারণ মানুষ থেকে ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট ছিল না। ২০১৪-র দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলির মধ্যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্নীতি দমনে মোদি কার্যত পিছিয়েছিল। উপরন্তু, আরবিআই থেকে সিবিআই-এর মতন বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অপব্যবহারের অভিযোগ করছিল বিরোধীরা। রাজ্যে রাজ্যে বিরোধীরা জোটের উদ্যোগ নিলেও উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক ও মহারাষ্ট্র বাদে কোথাও তা সফল হয়নি। এইরূপ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদির সামনে উঠে এল পুলওয়ামার ঘটনা এবং তাকে কেন্দ্র করে বালাকোটে ভারতীয় বিমান বাহিনীর হামলা। শত বিভাজিত বিরোধী পক্ষের তুলনায় মোদির হাতে দেশ সুরক্ষিত—শেষ বিচারে ভোটারদের কাছে জাতীয় নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছিল। যাকে মোকাবিলা করা রাহুল গান্ধী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর পক্ষে সম্ভব ছিল না। মানুষ সুস্থির সরকার, মজবুত সরকার এবং দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে একজন শক্তিশালী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি অর্জনকারী ব্যক্তিকেই সামনে রেখে তাদের রায় দিয়েছিল।
শত বিভক্ত বিরোধীদের একত্রিত করবার চেষ্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করেছিলেন বটে, কিন্তু প্রত্যেকেরই অন্তরে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অভিলাষ বারবার প্রতিফলিত হয়েছে। মায়াবতী থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নাইডু থেকে শরদ পাওয়ার প্রত্যেকে নানাভাবে বুঝিয়েছেন দিল্লির নেতৃত্বের প্রশ্নে তাঁদের সুপ্ত বাসনা। আবার বৃহৎ দল হিসাবে কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধীকেও তাঁরা নির্বাচনের আগে মেনে নিতে চাননি। প্রধানমন্ত্রী কে হবেন? এই প্রশ্ন কখনও বিরোধী নেতারা এড়িয়ে গেছেন, কখনও বা চালাকি করে এড়িয়ে গেছেন সবাই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন এই বলে। অথচ মানুষ কিন্তু চেয়েছিল স্পষ্টভাবে একজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে তুলে ধরে বিরোধীরা ভোটে যাক। সমস্ত বিরোধীরা কেবলমাত্র মোদির বিরোধিতা করেছেন অথচ নিজেরা একজনকে নেতা হিসাবে তুলে ধরতে পারেননি। আর যত মোদি বিরোধিতা করেছেন ততই নির্বাচনটা মোদি-কেন্দ্রিক হয়ে উঠেছিল।
পাশাপাশি বিরোধী দলগুলি ব্যর্থ হয়েছিল ভোটারদের সামনে একটি সাধারণ কর্মসূচি প্রস্তুত করে তা তুলে ধরতে। পূর্বে যে কয়টি পাঁচমেশালি সরকার কেন্দ্রে তৈরি হয়েছিল তার অভিজ্ঞতা কিন্তু ভোটারদের কাছে একেবারেই সুখকর ছিল না। বিভিন্ন আঞ্চলিক দলগুলো নানা বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ায়, অতীতের একাধিক জোট সরকারের কোনও নির্দিষ্ট দিশা ছিল না। বিশ্বনাথপ্রতাপ সিং থেকে দেবেগৌড়া সরকারের অভিজ্ঞতা মানুষের কাছে থাকায় নির্দিষ্ট কর্মসূচিহীন বিরোধীদের কখনওই বিকল্প হিসাবে ভোটাররা মেনে নেননি। শেষ বিচারে তাই দেশের মানুষ স্থায়ী সরকার এবং শক্তিশালী নেতার পক্ষেই রায় দিয়েছেন।
আবার ফেরা যাক রাজ্যের ফলে। বাম-কংগ্রেস বনাম তৃণমূলের রাজনীতির মধ্যে বিজেপি ঢুকে পড়ল কী করে? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে তৃণমূলের বিরোধীশূন্য রাজনীতির ভাবনার মধ্যে। বাম এবং কংগ্রেসকে রাজ্য থেকে মুছে ফেলার উদ্যোগ তৃণমূল কংগ্রেস নিয়েছিল। তারই ফলশ্রুতি ছিল একের পর এক পুরসভা, পঞ্চায়েত জোরপূর্বক দখল, এমনকী বিরোধী দলের জেতা এমএলএ-দেরকেও তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের সভায় হাজির করিয়ে তৃণমূল নেত্রী দলের বিজয় হিসাবে দেখেছিলেন। দলের একাধিক নেতাকে কাজে লাগিয়ে, প্রশাসন ব্যবহার করে কংগ্রেসের শেষ দুর্গ মালদা, মুর্শিদাবাদ যেমন দখল নিয়েছিল শাসকদল, তেমনি জলপাইগুড়ির মতন বামেদের দখলে থাকা জেলাপরিষদেরও দখল নেয় তৃণমূল। রাজ্যে বিরোধীশূন্য রাজনীতির পরিসর তৈরি হলে মোদি-অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়েন বাংলা দখলের জন্য। একের পর এক কর্মসূচি পালন করে বিজেপি তৃণমূল ভোটারদের মধ্যে এই আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করতে সক্ষম হয় যে কেন্দ্রে সরকারে থাকা বিজেপি দলই একমাত্র তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম। তৃণমূল সরকারের ইমাম ভাতার উদ্যোগ এবং তিন তালাকের প্রশ্নে তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের ভূমিকার পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি ঘটনা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মধ্যে তৃণমূলের সংখ্যালঘু তোষণ নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
শেষে ২০১৮-র রক্তক্ষয়ী পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলে গ্রামের বিপুল সংখ্যক মানুষের ক্ষোভ তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৈরি হয়। উপরন্তু তৃণমূল নেত্রীর মোদি-কেন্দ্রিক নির্বাচনী প্রচারও রাজ্য-রাজনীতিকে বিজেপিকে আরও প্রাসঙ্গিক করে তোলে। প্রকৃতপক্ষে বিগত এক বছর ধরেই রাজ্যের সভাসমিতি আয়োজনের অনুমতি পাওয়াকে কেন্দ্র করে মোদি-অমিত শাহ বনাম মমতার দ্বন্দ্ব রাজ্যের ভোটারদের দ্বিমেরুকৃত করতে সাহায্য করেছিল। যে রাজ্য সরকার ৯০ শতাংশের বেশি মানুষের কাছে কোনও না কোনও পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে, সেই সরকারি দলকে এত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে পড়তে হল মূলত গণতান্ত্রিক পরিসর সংকোচনের ইস্যুকে কেন্দ্র করেই।
 লেখক রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক
25th  May, 2019
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

 কোচি, ২৮ মে: দেশের নামী ক্রীড়াবিদদের সন্তানরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন, এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। কিন্তু ‘ট্র্যাক কুইন’ পিটি ঊষার পুত্র ভিগনেশ উজ্জ্বলও হতে পারতেন অ্যাথলিট। কিন্তু ...

  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 
লকডাউন এর মধ্যেই কুলটি থানার নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ পেল ...বিশদ

09:38:00 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM