Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ। খবর নিতে বলে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিন্তা একটা রয়েই গেল। তার আগের বছর, মানে ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছিলেন কেশুভাই প্যাটেলের থেকে... আর বিধায়ক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন এই পরশু দিন... ২৫ ফেব্রুয়ারি। ঝড়ের বেগে খবর আসতে শুরু করল বিধানসভায় পৌঁছনোর পর। সবরমতী এক্সপ্রেস... করসেবক... গণহত্যা... আগুন... মহিলা... শিশু। তখনই বুঝেছিলেন দিনটা বড্ড দীর্ঘ হতে চলেছে। কিন্তু ওই একটা ২৭ ফেব্রুয়ারির অভিশাপ কবলিত দিন যে মাস, বছর, দশক পেরিয়েও নিষ্কৃতি দেবে না, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। হিংসার মেঘের আড়াল থেকে যখন একটু আলো দেখা গেল, ততক্ষণে এক হাজারের উপর মানুষ ধর্মের নামে উস্কানির শিকার হয়ে গিয়েছেন। সবরমতী কাণ্ডের পরই চেষ্টা করেছিলেন, পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায়। প্রতিবেশী রাজ্যগুলির থেকে পুলিসি সাহায্য পাননি... কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কাছে সেনার জন্যে দরবার করেও লাভ হয়নি। বলা হয়েছিল, সংসদ হামলার পর সীমান্তে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রবল টানাপোড়েন চলছে... ওখান থেকে সেনা সরানো যাবে না। দূরদর্শনের পর্দায় হাতজোড় করে আবেদন রেখেছিলেন... সরকারকে সাহায্য করুন, অশান্তি ছড়াবেন না... কাজ হয়নি। রাজ্যের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে... দায়টাও তো নিতে হবে! তাই ওই ঘটনার পর থেকে নরেন্দ্র মোদি খুনি, মওত কা সওদাগর, হিন্দুত্বের নামে দাঙ্গা ছড়ানোর কারিগর। ১২ বছর পর যখন তিনি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার, তখনও পিছু ছাড়েনি গোধরার ভূত। কেউ তখন বলেনি, গুজরাতে গত এক দশকে তো কোনও দাঙ্গা হয়নি! উন্নয়নের রূপকার বা ভালো প্রশাসক নয়, প্রচার হয়েছিল তাঁর হিন্দু মেরুকরণ নিয়ে। মানুষ কিন্তু অন্য কিছু ভেবেছিল। তাই তিন দশক পর একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছিল বিজেপি... নরেন্দ্র মোদি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, এভাবেও ফিরে আসা যায়। পাঁচ বছর পরও প্রমাণ করলেন তিনি... আরও একবার।
আসলে আমরা যারা নিজেদের দারুণ পণ্ডিত বলে মনে করি, তারা একটা ঘটনা বা একজন ব্যক্তির সামনেটা শুধু দেখি। তাকেই বাস্তব ভেবে সেটাকে কাটাছেঁড়া করে নিজের মনের মতো একটা চেহারা খাড়া করে ফেলি। না দেখা বা না বোঝা অনেক কিছুই আড়ালে থেকে যায়। মোদির ক্ষেত্রেও কিন্তু বারবার এমনটাই হয়েছে। আর তাই বিরোধী বা মিডিয়ার প্রচার যে সুরেই বাঁধা থাক না কেন, জনমত পাশে থেকেছে নরেন্দ্র মোদির। এই লোকসভা নির্বাচনেও। এবার প্রশ্ন হল, নানাবিধ মিসাইল মার্কা বিরোধী আক্রমণ সত্ত্বেও অধিকাংশ ভোটার নরেন্দ্র মোদির উপরই কেন আস্থা রাখলেন?
প্রথমে দেখা যাক, বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদি কেন এত ভোট পেলেন। এই লোকসভা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এমন মেরুকরণের ভোট স্বাধীনতার পর ভারত আর দেখেনি। ধর্মীয় মেরুকরণ, সামাজিক মেরুকরণ, ব্যক্তি মেরুকরণ... এবং মোদি তথা বিজেপি তাতে অবিশ্বাস্যভাবে সফল। গত এক বছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি যে ভয়ানক কৌশলে প্রচার চালিয়ে গিয়েছে, তা সমাজের সব স্তরে প্রভাব ফেলেছে। সঙ্গে রয়েছে বেনিফিশিয়ারি ভোট। উত্তরপ্রদেশ বা বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামের যে মহিলাকে এতদিন রাত থাকতে ঘুমচোখে মাঠেঘাটে ছুটতে হতো... তাঁকে আর প্রাণ এবং সম্মান হাতে নিয়ে বেরতে হয় না। ‘টয়লেট’-এর জন্য মোদি সরকার যে কী আশীর্বাদ কুড়িয়েছে, তা শহরের মানুষের ধারণার বাইরে। কাঠ পুড়িয়ে আগুনে দগ্ধ হয়ে যাঁরা এতদিন রান্না করে এসেছেন, তাঁদের ঘরে পৌঁছেছে উজালা প্রকল্পের রান্নার গ্যাস।
এছাড়া রয়েছে তিন তালাক ইস্যু। বলা হয়েছিল, উত্তরপ্রদেশে এবার বিজেপি ধুয়েমুছে সাফ হয়ে যাবে। মহাজোটের জয় হবে। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বিশাল ফ্যাক্টর হয়ে বিজেপির ভোট কেটে নেবেন। সোনিয়া গান্ধী নিজে শুধু রায়বেরিলি কেন্দ্রে টিমটিম করে জ্বলছেন। আর সমাজবাদী পার্টি ও বহুজন সমাজ পার্টি মিলেজুলেও ২০ ছুঁতে পারল না। মাঝখান থেকে এই মহাজোটের ভোট কেটে নিয়ে প্রিয়াঙ্কা আসনের ডালি তুলে দিলেন মোদির হাতে। সব হিসেব উল্টে দিয়ে একাই ৬০ পেরিয়ে গেল বিজেপি। এবং দেখার মতো বিষয় হল, যে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশে গত বিধানসভা ভোটে বিজেপি লেজেগোবরে হয়েছিল, সেই তিন রাজ্যই এবার জয়টীকা পরিয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে। অর্থাৎ, গোটা দেশ মোদির বিরোধিতায় যা যা প্রচার চালিয়েছিল, তার সবগুলোই ফ্লপ। মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছে মোদির। বিশেষ করে ৪৫ কোটি তরুণ প্রজন্ম।
১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সি ভোটাররা এখনও মনে করে, নরেন্দ্র মোদির হাতেই দেশ নিরাপদ। পাকিস্তান একটা মারলে মোদি ওদের ঘরে ঢুকে পাল্টা মেরে আসবে। একটা জঙ্গি হানা পাকিস্তানি জঙ্গিরা করলে, মোদি সরকার সার্জিকাল স্ট্রাইক করবে। আবার বালাকোট হবে। এটা ঠিক, পাঁচ বছর আগে কিন্তু বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, প্রতি বছর ২ কোটি কর্মসংস্থানের। মোদি আরও বলেছিলেন, বিদেশ থেকে সব কালো টাকা এনে সাধারণ মানুষের প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ভরে দেবেন। এর কোনওটাই পূরণ হয়নি। তা সত্ত্বেও তরুণ ভোটাররা ঢেলে সমর্থন দিয়েছেন মোদিকে। কারণ এই প্রজন্ম বিলক্ষণ জানে, বিরোধী যে দলগুলি মোদির বিরুদ্ধে লড়ছে, তারা কেউ দেশে একটা স্থিতিশীল সরকার দেওয়ার মতো জায়গায় নেই। তাই জনমত একজনের পক্ষেই যেতে পারে, নরেন্দ্র মোদি।
এবার বিরোধীরা কেন হালে পানি পেল না, তার সম্ভাব্য কারণ। সবার আগে রাহুল গান্ধী। রাফাল দুর্নীতি নিয়ে দিনের পর দিন নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করে গিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি। ভোটের এই পরীক্ষায় প্রথম দিকে সাধারণ মানুষের থেকে কিছুটা নম্বরও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দিন যত গড়িয়েছে, ততই পিছনের সারিতে চলে গিয়েছেন রাহুল। মানুষ ভেবে নিয়েছে, রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী মেটেরিয়াল নন। বরং মোদি বিরোধিতায় গোটা দেশে তখন দেখা গিয়েছিল একটাই মুখ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের ৪২টি আসন সম্বল করেও প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছোঁড়ার ক্ষমতা দেখিয়েছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন আঞ্চলিক দলগুলিকে একজোট করে মোদিকে হটিয়ে দেবেন। তিনি বুঝেছিলেন, মোদিকে যদি হারাতে হয়, তাহলে হাতের পাঁচটা আঙুল আলাদা থাকলে কাজের কাজ কিছু হবে না। বরং প্রয়োজন মুষ্টিবদ্ধ হাতের। একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী—এই ছিল তাঁর ফর্মুলা। কিন্তু ভোটের আগে তাঁর সেই উদ্যোগে বাকি আঞ্চলিক দলগুলি কার্যত জলই ঢেলে দিল। প্রাক-নির্বাচন জোট হল না। প্রত্যেকটি আঞ্চলিক দল নিজের নিজের এজেন্ডায় ব্যস্ত।
ইভিএমের বোতামে প্রথম চাপ পড়ার আগেই মায়াবতীর মতো নেত্রীরা লাফাতে শুরু করলেন, প্রধানমন্ত্রী হতে তাঁর আপত্তি নেই। একজন ভোটার কখনও এই প্রবণতাকে ভালোভাবে নেয়নি, নিতে পারে না। পরিস্থিতি অনুকূল হলে এমন দাবিদার যে আরও তৈরি হবে, সে নিয়ে রাস্তার মোড়ে মোড়ে চর্চা হয়েছে। তার উপর কংগ্রেসের নামে বহু আঞ্চলিক দলের অ্যালার্জি। এও একটা বড় কারণ। কংগ্রেস বা কোনও বড় জাতীয় দলের সঙ্গ ছাড়া যে মহাজোট সম্ভব হতে পারে, তা দেশের ভোটাররা এখনও বিশ্বাস করে না। এই এতগুলো সমীকরণ ইউপিএ এবং প্রস্তাবিত মহাজোটের বিপক্ষে গিয়েছে। দিনের শেষে লাভ হয়েছে শুধুই মোদির। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এমন উত্থান। প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট দখল করে এই রাজ্যে প্রধান বিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল গেরুয়া শিবির। সেই অর্থে কোনও মুখ না থাকা সত্ত্বেও। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে মাত্র দু’টি আসনকে ১৮টিতে নিয়ে যাওয়া কম কথা নয়! এর নেপথ্য কারণ নিয়ে এখন প্রচুর কাটাছেঁড়া চলবে। বিশ্লেষণও হবে। কিন্তু দু’বছর পর বাংলার বিধানসভা নির্বাচন যে তৃণমূলের কাছে খুব সহজ হবে না, তা এখন দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।
এবং সর্বোপরি বৃহস্পতিবার প্রমাণ হয়ে গেল, এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদিই দেশের যোগ্যতম প্রধানমন্ত্রী। এক্সিট পোলের অনুমান অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে তিনিই ফিরছেন... আবার। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে। অন্তরায় তো অনেক কিছুই ছিল... নোট বাতিল, জিএসটি, ধর্মের মেরুকরণ...। তা সত্ত্বেও মানুষের রায় গেল মোদিরই পক্ষে। ফল ঘোষণার দিন দুয়েক আগে এক দোকানদার বলছিলেন, ‘মোদি আবার এলে কিন্তু ভালো হবে না দাদা... র‌্যাঁদা দিয়ে যেভাবে কাঠের টুকরো অল্প অল্প করে চেঁছে তোলে, ঠিক সেই অবস্থা হবে দেশের।’ এটাও একটা মত। কিন্তু গোটা দেশের নয়। আর একটি ঘটনা... লাঠি হাতে হেঁটে যাওয়া ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের প্রায় গা ঘেঁষে এগিয়ে গেল একটি রিকশ। বৃদ্ধ মানুষটি ভয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন।
তারপর লাঠি উঁচিয়ে বললেন, ‘২৩ তারিখ মোদি আসছে... তারপর তোদের দেখে নেব।’ এ তাহলে কোন মেরুকরণ? সামাজিক, ধর্মীয়, নাকি ব্যক্তি? হয়তো কোনওটাই নয়। নরেন্দ্র মোদি মানুষের মধ্যে একটা সাহস ঢুকিয়ে দিতে পেরেছেন। কোনও কিছুর ভয় বা স্বার্থের জন্য চুপ থাকার দিন শেষ। ছোবল না দিলেও ফোঁসটা করতেই হবে। আর একটা সমীকরণও আছে। যে পরিমাণ ভোট দেশজুড়ে বিজেপি এবারও পেয়েছে, তাতে আর বলা যাবে না ‘ওরা’ সাম্প্রদায়িক দল। প্রচুর মুসলিম ভোট এবার নির্ণায়ক শক্তি হয়ে মোদিকে দিল্লির কুর্সির দিকে আরও একবার ঠেলে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘু প্রভাবিত বেশ কিছু আসনও তার বড় প্রমাণ।
মওত কা সওদাগর, দাঙ্গাবাজ, মুসলিম বিরোধী... প্রচার যাই হোক না কেন, ভারত কিন্তু দেখিয়ে দিল, এসবের কোনও ভিত্তি নেই। তাই আবার মোদি সরকার... ভারতীয় জনতা পার্টি নয়, মোদি জনতা পার্টি। এমজেপি... এভাবেই ফিরে আসতে হয়। ‘অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে?’ 
24th  May, 2019
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর নিরিখে দেশের মধ্যে শীর্ষে থাকা মহারাষ্ট্র সহ পাঁচ রাজ্য থেকে ২০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে বৃহস্পতিবার ফিরল ১৬টি স্পেশাল ট্রেন। এর মধ্যে ন’টি ট্রেনে চেপে ১০ হাজারের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক ফিরলেন মহারাষ্ট্র ...

  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১৬ জুন খুলছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির 

09:55:50 PM

নিয়ামতপুরে অস্ত্র কারখানার হদিশ 

09:38:06 PM

১ জুন খুলছে না বেলুড় মঠ 
করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে থাকায় ১ জুন থেকে খুলছে না ...বিশদ

09:23:02 PM

দিল্লিতে ভূমিকম্প অনুভূত, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬

09:16:00 PM

রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক মুখ্যসচিবের 
রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি, উম-পুন পরবর্তী অবস্থা ও পরিযায়ী শ্রমিক ইস্যু ...বিশদ

08:55:00 PM

তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৮৭৪, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ২০,২৪৬ 

07:55:48 PM