Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ। আংশিকভাবে হলেও ভিভি প্যাট গণনার জন্য নতুন লোকসভার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে হয়তো গড়িয়ে যাবে বৃহস্পতিবার রাত, হয়তো জয়ের আনন্দ পুরোমাত্রায় উদ্‌যাপনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে শুক্রবারের সকাল অবধি—কিন্তু তাতে দেশ জুড়ে আবেগ-উত্তেজনা, উদ্বেগ-উন্মাদনার বিস্ফোরণে কোনও খামতি থাকবে বলে মনে হয় না। কারণ, আমাদের দেশে ভোটফলের প্রত্যাশায় মুখর উন্মুখ দিনগুলিতে শহর-গ্রাম, নগর-মহানগরের সামগ্রিক পরিবেশ পরিস্থিতিটা চিরকাল এমনই থাকে—আনন্দ-বিষাদের আলোছায়া মাখা একটা উৎসবের আমেজ, তর্ক-বিতর্কে উচ্ছল একটা প্রাণখোলা হাসি উল্লাসের আবহে টলোমলো। এই আবহ ধীর লয়ের ব্যালট গণনার দিনেও ছিল, আজ চটজলদি ইভিএমের দিনেও তার ব্যতিক্রম খুব একটা হয়নি। বলতে কি, ভোটফলের দিনে স্বাধীনতার পর থেকে এমন দৃশ্যই দেখে এসেছে আসমুদ্রহিমাচল এই ভারতবর্ষ, আজও দেখছে।
অবশ্য তফাৎ যে একেবারেই হয়নি এমন বলছি না। হয়েছে, নিশ্চয়ই হয়েছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু বদলায়, তো ভোটফলের দিনের পরিবেশ বদলাবে না—তাই কখনও হয়! স্বাধীনতার পর যত দিন গিয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহে রেষারেষির উগ্রতা অসহিষ্ণুতা যত বেড়েছে ততই যে তার নেতিবাচক প্রভাবে ভোট উৎসবের আবহে লেগেছে হিংসা-দ্বেষ, সংশয়-বিস্ময়, আশঙ্কা-উদ্বেগের ছোঁয়া, তাতে সন্দেহ কী! ভোটের দিন ফলাফল প্রকাশের সময় ততটা না হলেও তারপর বহুক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে হিংসার বাতাবরণে ঢেকে যাচ্ছে অনেক এলাকা— আর তার জেরে ‘ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস’ বলে একটা কথা এখন দৈনন্দিন রাজনীতি থেকে সাধারণের মহল, মিডিয়া সর্বত্রই চালু হয়ে গেছে। তবে, তার আঁচ এখনও সব জায়গা সবকিছুকে গ্রাস করতে পারেনি—এই রক্ষে! সাধারণভাবে আমজনতাই বলুন, কি রাজনৈতিক শিবিরের সহিষ্ণু নেতাকর্মী—সকলেই এখনও ভোটফলের দিনটাকে আবেগ উত্তেজনায় ঠাসা একটা রাজনৈতিক উৎসবের দিন হিসেবেই দেখতে চান, দেখেনও। তার মধ্যে কাঁকিনাড়া, ভাটপাড়ার চূড়ান্ত অপ্রীতিকর ঘটনা নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম—অন্তত আমরা তো তাই বলতে চাই। বলতে চাই এই কারণেই যে, এখনও বাংলার রাজনীতি-সচেতন মানুষ প্রতিদিনের জীবনে শান্তি সংহতিকেই অগ্রাধিকার দেন, ভোটের সময় বা ভোটফলের দিনে অনিবার্য বাড়তি উত্তাপ-উত্তেজনা সত্ত্বেও প্রত্যাশা করেন শান্তি আমন সৌহার্দ সম্প্রীতি। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে এমন কিছুতেই বলা যাবে না। মঙ্গলবার রাতেও মহানগরীর পথে সাধারণজনের মুখে শুনেছি—ভোটফলে যাই হোক, ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক ভাই, উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে গোটা বাংলায়। এবং আমি বলছি, এই প্রত্যাশা কেবল সাধারণ মানুষের নয়, এ রাজ্যের শাসক-বিরোধী উভয় দলের অনেক নেতাকর্মী সমর্থকেরও। তার প্রমাণও মিলছে।
বঙ্গবাসীর এই প্রত্যাশা শেষ অবধি কতটা পূরণ হবে জানি না। তবে অশান্তির ইন্ধন ছড়ানোর একটা চেষ্টা যে কিছু এলাকায় চলছে তার খবর বাতাসে ভালোমতোই উড়ছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও নানান বিপজ্জনক উস্কানি উড়ে বেড়াচ্ছে। অবশ্য, আমাদের বিশ্বাস নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিস প্রশাসনের যৌথ সক্রিয়তা ও কঠোর নজরদারিতে ওই অশুভ শক্তি আজকের ভোট উৎসবে বিশেষ বিঘ্ন ঘটাতে পারবে না। তবে সাবধানের মার নেই যেমন সত্যি, তেমনি মারেরও কি সাবধান আছে? বাংলার সাধারণ গেরস্ত ঘরের চিন্তাটা সেখানেই। কারণ, সকলেই বলছেন, এবারের ভোটটার রকমসকম বড় আলাদা। বড় কড়া তারে বাঁধা। দেশের ক্ষেত্রে তো বটেই, বাংলার ক্ষেত্রেও এবারের ভোটের সুর চলনবলন মোদি-মমতার ধারালো তরজায় নজিরবিহীনভাবে চড়া, মারমুখী। বাংলার ভোটের সেই চড়া সুরকে আরও চড়িয়ে দিয়েছে ভোট শেষের জনসমীক্ষার ফলগুলি। সব সমীক্ষার এক রা—মোদিজি ফিরছেন। টেনেটুনেই হোক, কি আরামসে দ্বিতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। সেই সঙ্গে আর একটা ব্যাপারেও একমত সব পোল—বাংলাতেও বাড়ছেন মোদিজি। লক্ষণীয়ভাবে বাড়ছেন। অর্থাৎ বিজেপি’র আসনগত বলবৃদ্ধি ঘটতে যাচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই এই জনসমীক্ষার ফলগুলি জাতীয় রাজনীতির বিরোধী শিবিরগুলিতে যেমন, তেমনি বাংলার শাসক তৃণমূল শিবিরেও রীতিমতো উত্তেজনার সঞ্চার করেছে। কার জন্য, কী জন্য, কার দোষে এমন সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তা নিয়ে কাটাছেঁড়াও শুরু হয়ে গেছে বিস্তর! সমীক্ষাগুলো যে নিতান্তই সম্ভাবনার কথা বলেছে এবং অতীতে বহুক্ষেত্রেই যে এই সম্ভাবনা বাস্তবের সঙ্গে মেলেনি— সেই সত্যটি অনেকেই যেন বিস্মৃত হয়েছেন! অথচ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে মোদি-বিরোধী জাতীয় শিবিরের অনেক নেতাই ফুৎকারে ওই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, ওগুলো সব বানানো। জোটবদ্ধ বিরোধীদের মনোবল ভেঙে দেওয়ার কৌশল। এবং সেজন্যই সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কেসিআরের মতো খানিকটা বিগড়ে যাওয়া নেতাদের বাগে আনার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ আর তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মধ্যমণি করে দিল্লিতে বৈঠক করে জোটের একতাবদ্ধতা জোরালো করায় জোর দিয়েছেন এমনকী রাহুল গান্ধীও! অন্যদিকে, অবশ্য ওইসব সমীক্ষার ফলকে ধ্রুব এবং বাস্তব ধরে নিয়ে মঙ্গলবারই বিজেপি শিবির কার্যত একদফা বিজয়োৎসব করে নিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সংবর্ধনা দিলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব, আবার প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলের মন্ত্রীদের সংবর্ধনা দিলেন, এনডিএ শরিক নীতীশ কুমার, রামবিলাস বা উদ্ধব ঠাকরেও সে সংবর্ধনা থেকে বাদ গেলেন না। শুধু তাই নয়, বৈঠক করে আগামী পাঁচ বছরের কর্মসূচিও ঘোষণা করে দিলেন মোদিজি। তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে রাজনাথ সিং তথ্য পরিসংখ্যান ও বিপুল অর্থ ব্যয়ের আগাম তালিকা পেশ করে জানিয়ে দিলেন, এবার অসম্ভবও সম্ভব হবে! দেশে প্রগতির গতি আরও বাড়বে।
মঙ্গলবার মোদি শিবিরের নেতামন্ত্রীদের হাবভাবে স্পষ্ট তাঁরা ধরেই নিয়েছেন—ফিরছেন। এখন এই দাবি কতটা শেষপর্যন্ত বাস্তবের সঙ্গে মিলবে তা বোঝা যাবে আজ। এই পশ্চিমবঙ্গেই বা বিজেপি ঠিক কতটা এগল ৮ থেকে ২৩-এর স্কেলে কোথায় গিয়ে দাঁড়াল তাও চূড়ান্ত হয়ে যাবে আজ। কিন্তু, কথা হল—এই শেষ বেলার মমতাকে সামনে রেখে কংগ্রেস সমেত বিরোধীরা যে তৎপরতা দেখাচ্ছেন তা শুরু থেকে দেখালে কি আজ পদ্মশিবির এমন হালকা মেজাজে আগাম জয়োৎসব মানাতে পারত? কে জিতত কে হারত সে প্রসঙ্গে যাচ্ছি না কিন্তু ছিন্নবিচ্ছিন্নভাবে লড়া বিরোধীরা যদি একজোট হয়ে (আজ যেমন ২২ দলে এককাট্টা হয়ে কমিশনে নালিশ জানাতে যাচ্ছেন) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাহুল গান্ধীকে সামনে রেখে ভোট মহাযুদ্ধে নামতেন তবে কি পরিস্থিতি মোদি শিবিরের কাছে এমন অনুকূল মনে হতো? তখনও হয়তো সমীক্ষার যাবতীয় বিচারে মোদিজি এগিয়ে থাকতেন কিন্তু তাঁর শিবির এত নিশ্চিন্ত থাকতে পারত কি না তা নিয়ে অন্তত আমার যথেষ্ট সংশয় আছে। তার কারণ, একদিকে যখন মোদি-অমিত শাহের মতো দুই জবরদস্ত সেনাপতি, জোটবদ্ধ এনডিএ সেনা তখন জনতার সামনে লড়াইয়ের ময়দানে ছিল সেনাপতিহীন টুকরো টুকরো একটা সেনাপতি মুখহীন বিরোধী বাহিনী, একটা ‘ফেসলেস অপোজিশন’। দেশের মানুষ তো চরণ সিং (১৭০ দিন) চন্দ্রশেখর (২২৩ দিন) ভিপি সিং (৩৪৩ দিন) মোরারজি দেশাইয়ের (২ বছর ১২৬ দিন) মতো নেতাদের প্রধানমন্ত্রিত্ব দেখেছেন, অভিজ্ঞতায় হাড়ে হাড়ে বুঝেছেন, কেন্দ্রে স্থিতিশীল সরকার না থাকলে কী হয়? দুর্বল বিবদমান দল ক্ষমতায় গেলে কী হয়?
অথচ, আজ মোদি-বিরোধী শিবিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো এমন ক্যারিশমাওয়ালা জননেত্রী ছিলেন, রাহুল গান্ধীর মতো তরুণতুর্কি ছিলেন। তবে, রাহুলের থেকে অনেকেই বলছেন অনেক বেশি কার্যকরী হতেন মমতা, তাঁর একরোখা লড়াকু ইমেজ, হার না মানা উন্নয়নকামী ভাবমূর্তি দেশের মানুষের কাছে অনেক বেশি মান্যতা পেত। শুধু তাই নয়, গুজরাত উন্নয়নের ‘মিথ’ যদি মোদিজিকে অমন অবলীলায় অমন অকাতর জনসমর্থনে ভাসিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতক পৌঁছে দিতে পারে, তবে আঞ্চলিক থেকে আন্তর্জাতিক স্তরে বাংলার উন্নয়নের সাফল্যখচিত উজ্জ্বল বিজ্ঞাপনগুলি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও অনেকের চেয়ে অনেক এগিয়ে দিত না—কে বলতে পারে? কিন্তু, মহামতি বিরোধীরা সে সুযোগের সদ্ব্যবহার দূরে থাক সম্ভাবনাটা মূলেই খারিজ করে দিয়েছিলেন। ভোটফল বেরলে সেনাপতি (পড়ুন প্রধানমন্ত্রী) ঠিক করার আশ্চর্য প্রস্তাব শুনে সেদিন যাঁরা কংগ্রেস সভাপতি রাহুলের রাজনৈতিক উদারতার উদ্বাহু প্রশংসায় আকুল হয়েছিলেন আজ ফল প্রকাশের পর তাঁদের হাত কামড়াতে দেখলে অবাক হবেন ক’জন? তবে, বাংলায় কিন্তু লড়াইটা হয়েছে মুখের সঙ্গে মুখের, মোদি-মমতার। মিডিয়া কাগজে লোকমুখে তাই বিজেপি তৃণমূল নয় প্রাধান্য পেয়েছেন—মোদি-মমতা। ফলাফল যা-ই হোক, এখানে অন্তত মোদি-বিরোধী শিবিরে একজন সেনাপতি ছিলেন এবং তিনি বুক চিতিয়ে লড়েছেন শুরু থেকে শেষ অবধি। এটা মানতেই হবে।
তবে সে যা-ই হোক, এখন সব ভুলে প্রসঙ্গ এক ও অভিন্ন—ভোটফল ২০১৯। ভোটফলের জন্য দেশ জুড়ে প্রহর গণনা শুরু হয়ে গেছে। দশদিক জুড়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রকৃতিও যেন বাড়িয়ে চলেছে তার আগুনে তাপ! এ রাজ্যও তার ব্যতিক্রম নয়। বরং, মমতার ঘাসফুলের একাধিপত্যের এই পশ্চিমবাংলায় পদ্ম কতটা পাপড়ি মেলতে পারে তা দেখার জন্য বাড়তি রোমাঞ্চ এখন সর্বব্যাপ্ত। টানটান উত্তেজনা। এমন পরিস্থিতিতে ঘুরে-ফিরে আমাদের প্রত্যাশা সেই একটাই—শান্তি। ভোটের উৎসব যেন শান্তিতে শেষ হয়। ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে। কাঁকিনাড়া, ভাটপাড়া যেন একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হয়েই থাকে। তার আঁচ যেন আর
কোথাও না ছড়ায়। তাই না?
23rd  May, 2019
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানে চাই
দেশজুড়ে নানা ধরনের শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ
হারাধন চৌধুরী

 প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বলেছেন, আগামী দিনে পৃথিবী চিহ্নিত হবে ‘করোনা-পূর্ব’ এবং ‘করোনা-পরবর্তী’ হিসেবে। দেশের প্রেক্ষাপটে তিনি যেটা বলেননি তা হল ‘করোনা-মধ্যবর্তী ভারত’। দেশবাসীর মনে সবচেয়ে বড় যে ক্ষতটা রয়ে যাবে, সেটাই চিহ্নিত হবে ওই নামে।
বিশদ

14th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী মাস থেকেই বিধানসভার বিভিন্ন স্থায়ী কমিটির বৈঠক ধাপে ধাপে শুরু করার কথা চিন্তা করছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে করোনা আবহে সরকারি বিধিনিষেধ তাঁকে ভাবনায় ফেলেছে।  ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: ঘাটাল মহকুমার পাঁচটি পুরসভারই মেয়াদ চলতি সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে। করোনা-পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন হয়নি। তাই অন্যান্য জায়গার মতো পুরসভায় দু’জনের একটি করে কমিটি করে নতুন চেয়ারপার্সন নিয়োগ করা হবে। প্রত্যেক পুরসভাতেই এই মর্মে যুগ্ম সচিবের চিঠি চলে এসেছে। ...

সংবাদদাতা, ইটাহার: ২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে রায়গঞ্জ শহরে বাস-বে বানাচ্ছে রায়গঞ্জ পুরসভা। জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জের মোহনবাটি বাজার এলাকায় নেতাজি সুভাষ রোডের পাশে বাজারে ঢোকার মুখে ওই নতুন বাস-বে বা লেন তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।   ...

রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২৪ মে (পিটিআই): সুপার সাইক্লোন উম-পুনে ভারত এবং বাংলাদেশের ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

প্রণয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকবে। কারও কথায় মর্মাহত হতে হবে। ব্যবসায় শুরু করা যেতে পারে। কর্মে সুনাম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব থাইরয়েড দিবস
১৮৮৬: বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর জন্ম
১৮৯৯: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম
১৯০৬ - বিখ্যাত ভাস্কর রামকিঙ্কর বেইজের জন্ম
১৯২৪ - শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭২: পরিচালক করণ জোহরের জন্ম
২০০৫: অভিনেতা সুনীল দত্তের মৃত্যু
২০০৯: পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় আইলা আঘাত করল
২০১৮ - শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: মণিপুরে আক্রান্ত আরও ২, মোট আক্রান্ত ৩৪ 

12:24:40 PM

বন্দেভারত মিশন: এয়ার ইন্ডিয়ায় যাত্রীদের মাঝের সিট ফাঁকা রাখতে হবে, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের 

12:22:52 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম তপনের বিডিওর মৃত্যু, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 
মৃত্যু হল পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনের ...বিশদ

12:19:52 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের কুলগামে সেনার গুলিতে হত ২ জঙ্গি 

12:08:23 PM

পথ দুর্ঘটনায় জখম তপনের বিডিওর মৃত্যু, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর 
মৃত্যু হল পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপনের ...বিশদ

12:07:24 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত ৪৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২,৬৭১ 

12:00:19 PM