Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে গতকাল ভোটগ্রহণের শেষদিন অবধি মোট দশটি সপ্তাহ কাটল—দীর্ঘ, বিরক্তিকর এবং কখনও মনে হচ্ছিল বিষণ্ণ। আমরা অনেক কিছুই দেখলাম, কেবল কর্মপন্থা (পলিসি) বিষয়ে বিতর্ক ছাড়া। প্রাচুর্য দেখা গেল—রাজনৈতিক দলের, প্রার্থীর, র‌্যালি ও রোড শোয়ের, টাকা খরচের, কুকথা বর্ষণের, হিংসার, বহুকীর্তিত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের অকর্মণ্যতার, এবং নির্বাচন কমিশনের ((ইসি) ক্লিন চিটের। তবুও, দিনের শেষে একটি বিপুলায়তন গণতান্ত্রিক অনুশীলনের পরিসমাপ্তি ঘটল।
রিপোর্ট কার্ডে নির্বাচন কমিশনের প্রাপ্তি স্রেফ ‘গড়পড়তা’। আমাকে যেটা অবাক করেছে তা হল—বিভিন্ন রাজ্যের জন্য বিভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড’ ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলব—তামিলনাড়ুতে রোড শো, গাড়ির কনভয় এবং হোর্ডিংয়ের অনুমতি ছিল না; শহর ও নগরগুলিতে পোস্টার এবং দেওয়াল লিখন নিষিদ্ধ ছিল; ব্যয়-বিষয়ক পর্যবেক্ষকরা ছিলেন খামখেয়ালি; ধারণাগত ব্যয় (নোশনাল এক্সপেনডিচার) ব্যাপারটিকে একটি হাস্যকর পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, দিল্লিতে এবং উত্তর, পশ্চিম এবং পূর্ব ভারতের নির্বাচনী কেন্দ্রগুলি বস্তুত হোর্ডিং ও পোস্টারে ছয়লাপ ছিল। রোড শো এবং সুদীর্ঘ কনভয় বের করাটাই নিয়ম ছিল। অকল্পনীয় বিপুল খরচ-খরচার বহর নজরে পড়লেও সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষকদের টিকি দেখা যায়নি। আমি অবাক হচ্ছি, নিয়মকানুন প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই যে ব্যাপক বৈষম্য—নির্বাচন কমিশন এটাকে ‘জাস্টিফাই’ করবে কীভাবে?
মিডিয়া: কোনটি?
প্রিন্ট এবং ভিস্যুয়াল মিডিয়া পক্ষ নিয়েছিল। বেশিরভাগ সরকারের পক্ষ নিয়েছিল ভয়ে অথবা ভক্তিতে—ভয়টাই মূল। কেউ কেউ বিজেপির সহযাত্রীতে পরিণত হয়েছিল। মনে হচ্ছিল, কেউ মনে রাখেনি যে লোকসভার জাতীয় নির্বাচনটা হল সরকারের পাঁচ বছরের সাফল্য-ব্যর্থতার একটি পরীক্ষা। খুবই সামান্য সংখ্যক খবর কাগজ এবং চ্যানেল বিজেপি সরকারের সমালোচনা করার বা তাদের ‘রেকর্ড’ জনসমক্ষে তুলে ধরার সাহস দেখিয়েছে। ধন্যবাদ অনলাইন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়াকে—দেশজুড়ে অসাধারণ বিতর্কের পরিবেশটা তারাই তৈরি করেছিল। চনমনে বিতর্কের এটাই প্রভাব যে—আবছাভাবে যেটাকে ‘আন্ডারকারেন্ট’ বলা যায়—এটাই এই নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করে দেবে।
সমস্ত ইস্তাহারই উপেক্ষিত হয়েছিল—এমনকী সেসবের রচয়িতারাও সেটা করেছেন; ব্যতিক্রম একটি। বিজেপির ইস্তাহারের ভিত্তিতে প্রচারে অনীহা ছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর। রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতিগুলির কথা বারংবার প্রচারে এনেছেন, বিশেষত ‘ন্যায়’, কৃষকদের বিষয়গুলি এবং চাকরির কথা প্রতিটি জনসভায় বলেছেন।
নিরুদ্দিষ্ট ছিল অর্থনীতি
বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি। পুলওয়ামার ঘটনাটি হল একটি বিরাট গোয়েন্দা ব্যর্থতা ((ইন্টেলিজেন্স ফেলিয়োর)। আর, বালাকোট হল একটি রহস্যে মোড়া ব্যাপার। মোদিজির ‘জাতীয়তাবাদ’-এর যুক্তি দেশকে দু’ভাগ করেছে—‘‘আপনি কি আমার পক্ষে অথবা আপনি কি আমার বিরুদ্ধে?’’ এবং, আপনি যদি মোদিজির নীতির বিরোধী হয়ে থাকেন তবে আপনি একজন ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ মানুষ। এই মাপকাঠিতে, ২০১৯-এ যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তাঁরা ‘জাতীয়তা-বিরোধী’ বলেই গণ্য হবেন এবং আমরা হয়ে উঠতে পারি মুখ্যত জাতীয়তা-বিরোধী একটি জাতি!
অর্থনীতি বিস্মৃত হয়ে গিয়েছিল। কাঁপুনি ধরে গিয়েছিল—মান্য রিপোর্টগুলি এবং অফিসিয়াল তথ্য-পরিসংখ্যান হাজির হতেই, কেননা তাতে সরকারের মিথ্যের ঝুলি ফুটিফাটা হয়ে গিয়েছিল। যখন প্রধানমন্ত্রী প্রচার করছেন এবং অর্থমন্ত্রী ব্লগ লিখছেন তখন দেশের অর্থনীতি ডুবছে (দ্রষ্টব্য: ‘‘অর্থনীতি ‘ডেঞ্জার জোন’-এ প্রবেশ করেছে’’ শিরোনামে আমার লেখা বিশেষ নিবন্ধ/ ১৩ মে ‘বর্তমান’)। গত সপ্তাহে আরও দুঃসংবাদ ছিল। ফেব্রুয়ারি ২০১৯-এ ম্যানুফ্যাকচারিং গ্রোথ ছিল নেগেটিভ এবং পরের মাসেও তা ইতিবাচক হয়নি। বাজারের সূচকে সেনসেক্স এবং নিফটি টানা ন’দিন পতন রেকর্ড করেছে। ডলার-টাকার বিনিময় হার ৭০.২৬ টাকা ছুঁয়েছে। স্বচ্ছ ভারত, উজ্জ্বলা এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (পিএমওয়াই) থেকে মানুষের প্রাপ্তির বিষয়ে খবর-কাগজগুলি যে প্রতিবেদন ছেপেছে তা মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে টাইট দেওয়ার পর ভারত তেলসংকটে পড়ে গিয়েছে, এমনকী দামও বেড়ে গিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের ভিতর শুল্কযুদ্ধ তীব্র হয়েছে—তার ফলে ভারতের বহির্বাণিজ্য ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জনসভায় ভাষণের মান পরিষ্কার নেমে গিয়েছে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে নেটজুড়ে এলোপাথাড়ি কুভাষা এবং অভিধা নিক্ষিপ্ত হচ্ছে, যেসব বক্রোক্তি বা পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হচ্ছে তাও অসংসদীয়! ‘গণতন্ত্রের চপেটাঘাত’ আক্ষরিক অর্থে প্রধানমন্ত্রীকে চপেটাঘাতের হুমকি ছিল। একটি মহাভারতীয় চরিত্র সম্পর্কে যে পরোক্ষ ইঙ্গিত করা হয়েছিল ব্যাখ্যা করলে গালাগালি দাঁড়ায়। নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে যা যা বলা হয়েছে সবই তিনি অপরাধ হিসেবে নিয়েছেন এবং ভিকটিমদের নিয়ে শিকারক্রীড়া খেলেছেন, কিন্তু বাস্তবটাকে মানেননি যে তাঁরই কারণে ভিকটিমদের এক দীর্ঘ ধ্বংসরেখা আঁকা হয়েছে।
মোদিজির নানা দিক
প্রচারের অন্তিম লগ্নে, মধ্য গ্রীষ্মে অপ্রত্যাশিতরকম মেঘ ফেটে পড়ার মতো, অপরিকল্পিত হাস্যরসবর্ষণ হল। এজন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঋণ স্বীকার করি। প্রচারের তিক্ততা কাটিয়ে দিয়েছিল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে তাঁর বিস্ময়কর প্রতীতিগুলি। প্রথমটা ছিল বালাকোটে আঘাত হানা নিয়ে। মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘খারাপ আবহাওয়ার কারণে এক্সপার্টরা এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলেন, কিন্তু আমি বললাম যে ব্যাপক মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ এবং বৃষ্টি আমাদের পক্ষে ভালো হতে পারে, আমাদের কার্যকলাপ ওদের র‌্যাডারে ধরা পড়বে না। এটা আমার কাঁচা জ্ঞান। তখন আমি বললাম, পুরো মেঘাচ্ছন্ন, অতএব এগিয়ে যান আপনারা।’’
লালকৃষ্ণ আদবানির সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মোদিজি বলেছিলেন, ‘‘আমি প্রথম ডিজিটাল ক্যামেরা ব্যবহার করি ১৯৮৭-৮৮ নাগাদ ... আমি আদবানিজির একটি ছবি তুলেছিলাম এবং দিল্লিতে পাঠিয়েছিলাম (ট্রান্সমিটেড)। আদবানিজি তো অবাক! এবং, জিগ্যেস করেছিলেন, ‘আজ আমার রঙিন ছবি কীভাবে পাওয়া গেল?’’’
বিজ্ঞান বিষয়ে মোদিজির পরাবস্তুবাদী (সুররিয়াল) অভিজ্ঞতাগুলি নিঃসন্দেহে ঈশ্বরের কৃপা। ২০১৪ সালে মোদিজি কথিত আরও একটি কাহিনী আমাকে মনে করিয়ে দেওয়া হল—‘‘ভগবান আমাকে কালার মিক্সিং ও ম্যাচিংয়ের ‘সেন্স’ দিয়েছেন। যেহেতু আমি ‘গড-গিফটেড’, তাই আমি সবকিছুর ভিতর ‘ফিট’ করে যাই।’’
ভারতের নির্বাচনের উপর ভগবান নজর রেখেছেন।
20th  May, 2019
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
একনজরে
নয়াদিল্লি, ২৬ মে: বিশাখাপত্তনমের এলজি পলিমারস কারখানার ৩০ জন কর্মী-আধিকারিককে ভিতরে ঢোকার অনুমতি দিল সুপ্রিম কোর্ট। সিল করে দেওয়া ওই কারখানার ভিতরে কারা কারা ঢুকবেন, সেই নামের তালিকা সংস্থার কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত।  ...

চণ্ডীগড়, ২৬ মে: পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষকৃত্য সম্পন্ন হল তিনবারের ওলিম্পিক সোনাজয়ী ভারতীয় হকির কিংবদন্তি বলবীর সিং সিনিয়রের। তাঁর প্রয়াণের শোক এখনও রয়েছে ভারতীয় ক্রীড়ামহলে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার সমস্যা দূর করতে কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিশেষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। আগামী দিনে এই প্ল্যাটফর্মের তথ্যকে বিভিন্ন বিষয়ে কাজে লাগিয়ে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য একটি জাতীয় নীতি তৈরি করার পথে এগচ্ছে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রক। ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: উম-পুনের তাণ্ডবে উড়ে গিয়েছে মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই। দুশ্চিন্তায় ঘুম উড়েছে শান্তিপুর ব্লকের বহু পরিবারের। অনেকের অভিযোগ, ত্রাণের সামান্য ত্রিপলও তাঁরা পাননি।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তি রক্ষায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন। আত্মসমীক্ষার প্রয়োজনিয়তা রয়েছে। দাম্পত্যে মধুরতা বৃদ্ধি। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হটিয়ে প্রেম ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৬৪: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর মৃত্যু
১৯৬২: ভারতীয় ক্রিকেটার রবি শাস্ত্রীর জন্ম
১৯৭৭: শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার মাহেলা জয়বর্ধনের জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৭৮ টাকা ৭৭.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯০.০২ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮০.৪৬ টাকা ৮৪.৭৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী ৪৯/০ রাত্রি ১২/৩২। পুনর্বসু নক্ষত্র ৬/১৯ দিবা ৭/২৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/২৯, সূর্যাস্ত ৬/১১/১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/৭ মধ্যে পুনঃ ১/৪৬ গতে ৫/১৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ১/২১ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৩৪ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৭ মে ২০২০, বুধবার, পঞ্চমী রাত্রি ১০/২১। পুনর্ব্বসুনক্ষত্র দিবা ৬/২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৫/২৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫০ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ১/২৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/১৫ গতে ৯/৫৫ মধ্যে ও ১১/৩৫ গতে ১/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ২/১৫ গতে ৩/৩৬ মধ্যে। 
৩ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আগামীকালের রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক বাতিল 
ঘূর্ণিঝড় উম-পুন পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় মন্ত্রীরা ছড়িয়ে রয়েছেন জেলায় জেলায়। ...বিশদ

01:48:44 PM

আপনার জেলায় কতজন করোনায় আক্রান্ত, জানুন 
রাজ্যে এ পর্যন্ত আরও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,০০৯। ...বিশদ

12:32:03 PM

আজ দুপুরে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক মমতার 
আজ দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিডিও কনফারেন্সে ...বিশদ

12:30:36 PM

করোনা: ঝাড়খণ্ডে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪০৮ জন 

11:52:49 AM

৩১ মে-র পরই কর্ণাটকে খুলে দেওয়া হবে ধর্মীয় স্থানগুলি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা

11:51:17 AM

করোনা: অসমে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৪ জন, মোট আক্রান্ত ৬৮৬ 

11:46:56 AM