Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

শেষ পর্বের ভোটগ্রহণও হয়ে গেল। ফল বেরতে বাকি আর ক’টা মাত্র দিন। এখন রাজনীতিকদের মধ্যে জোর শলাপরামর্শ চলছে। নানারকম জোটের কথা হাওয়ায় ভাসছে। কংগ্রেস ধরেই নিচ্ছে, কোনও দল গরিষ্ঠতা পাবে না। যেদিন ভোটের ফল বেরবে, সেদিনই সোনিয়া গান্ধী দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির মিটিং ডেকেছেন। তাঁর হয়ে কমলনাথ ও আরও কয়েকজন প্রবীণ নেতা এনডিএ বহির্ভূত দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। আগামী বৃহস্পতিবার বিরোধী নেতাদের অনেকেই কংগ্রেসের ডাকা বৈঠকে হাজির হতে পারেন।
সোনিয়াকে বিদেশিনী আখ্যা দিয়ে যিনি একদা কংগ্রেস ছেড়ে গিয়েছিলেন, সেই শারদ পাওয়ার সম্ভবত সেদিনের মিটিংয়ে থাকছেন। বহুকাল ধরে যিনি বিজেপি’র শরিক ছিলেন, সেই চন্দ্রবাবু নাইডুও আসতে পারেন। তিনি তো নিজেই এবার বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের জন্য জোর উদ্যোগ নিয়েছেন। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড আর যে নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, তাঁদের মধ্যে আছেন ডিএমকে-র এম কে স্ট্যালিন, বিজেডির নবীন পট্টনায়েক, ওয়াইএসআর কংগ্রেসের জগন রেড্ডি, তেলেঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতির কে চন্দ্রশেখর রাও। এছাড়া উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী ও অখিলেশ সিং যাদবকেও কংগ্রেস জোটে পেতে ইচ্ছুক। ভোটের আগে মায়াবতী ও অখিলেশ অবশ্য মহাগঠবন্ধনে কংগ্রেসকে ঠাঁই দেননি। কিন্তু রাহুল গান্ধী সে জন্য মনে অভিমান পুষে রাখতে নারাজ।
এবারের ভোটে প্রচারপর্বে সোনিয়া ছিলেন লো প্রোফাইলে। তাঁকে জনসভায় বা রোড শো-য় দেখা যায়নি। কিন্তু ভোটের পরে তিনিই সবচেয়ে সক্রিয় হবেন মনে হচ্ছে।
কংগ্রেস যখন জোট গড়ার জন্য এত তৎপর, বিজেপি কি চুপ করে বসে থাকতে পারে?
গেরুয়া ব্রিগেডের নেতারা খুব জোর গলায় বলে বেড়াচ্ছেন, গরিষ্ঠতা পাচ্ছেনই। এমন কথাও বলছেন, গতবারের চেয়ে বেশি আসন পাবেন। কেউ বলছেন ৩০০ আসন পাবেন। অন্যদিকে আবার অমিত শাহ শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে বললেন, নতুন কোনও দল যদি এনডিএ-তে যোগ দিতে চায়, তাকে স্বাগত জানাতে তিনি তৈরি। এর আগে কৈলাস বিজয়বর্গীও একবার বলেছিলেন, রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু বলে কিছু হয় না। এই ধরনের মন্তব্যের একটাই মানে হয়, ভোটের আগে যারা শত্রু, ভোট ফুরলে তাদের কেউ বন্ধুও হতে পারে। বিজেপি চায় এনডিএ-তে আরও দল যুক্ত হোক। কেন চায়? তাহলে কি মোদিরাও কংগ্রেসের মতো মনে করছেন, ত্রিশঙ্কু সংসদ হওয়ার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরপ্রদেশে বিজেপি ইতিমধ্যে নতুন বন্ধু খুঁজতে শুরু করেছে। যে রাজ্যটি সবচেয়ে বেশি সংখ্যক এমপিকে নির্বাচিত করে, সেখানে এবার গেরুয়া পার্টির অবস্থা ভালো নয়। শোনা যাচ্ছে, তারা উত্তরপ্রদেশে গতবারের চেয়ে ২০টি আসন কম পেতে পারে। পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে বুঝে বিজেপি নেতারা নাকি যোগাযোগ রাখছেন অজিত সিংয়ের রাষ্ট্রীয় লোকদলের সঙ্গে। অজিত সিং অবশ্য বিএসপি আর এসপির মহাগঠবন্ধনের শরিক। অখিলেশ আর মায়াবতী তাঁকে মোটে তিনটি আসন দিয়েছেন। তিনি চেয়েছিলেন আরও বেশি। প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই তিনি ক্ষুব্ধ। বিজেপির আশা, প্রয়োজনে অজিত সিং তাদের পাশে দাঁড়াবেন। উত্তরপ্রদেশে জাঠদের মধ্যে তাঁর ভালো প্রভাব আছে।
অনেকের ধারণা, এনডিএ যদি সব মিলিয়ে গরিষ্ঠতা না-পায়, বিজেপি নেতারা চন্দ্রশেখর রাও, জগন রেড্ডি বা নবীন পট্টনায়েককেও তাঁদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাতে পারেন। এমনকী ডিএমকে’র স্ট্যালিনকেও জোটে টানার চেষ্টা হতে পারে।
অর্থাৎ ভোটের ফল বেরনোর আগেই নতুন নতুন বন্ধুর খোঁজে নেমে পড়েছে দেশের দুই প্রধান দল বিজেপি ও কংগ্রেস। কার কতজন বন্ধু প্রয়োজন হবে, নির্ভর করবে ভোটের ফলের ওপরে।
ভোটে কেমন ফল হতে পারে?
এই নিয়ে নানা সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে।
একটি সম্ভাবনা হল, বিজেপি একা ২৫০ বা তার চেয়ে কিছু বেশি আসন পাবে। তাহলে আর নতুন বন্ধু প্রয়োজন হবে না। এনডিএ-তে এখন যে ক’জন শরিক আছে, তাদের নিয়েই বিজেপি সরকার গড়ে ফেলতে পারবে। ধরে নিতে হবে, মোদি বালাকোটে বিমান আক্রমণ চালিয়ে দেশবাসীকে খুশি করতে পেরেছেন। কৃষকদের দুর্দশা, বেকারত্ব, নোটবন্দি, জিএসটি-র ফলে দুর্ভোগ, এসব নিয়ে ভোটাররা মাথা ঘামাননি।
সেক্ষেত্রে মোদি ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন। শোনা যাচ্ছে, অমিত শাহ মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ পদ পেতে পারেন। সম্ভবত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদটি তাঁকে দেওয়া হবে। আরএসএস তাই চায়। কিন্তু মন্ত্রী হলে অমিত শাহ কি বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব সামলাতে পারবেন? অবশ্য তিনি যদি ওই পদে থাকতে চান, তাহলে সঙ্ঘের আপত্তি নেই। কিন্তু তাঁর বদলে অপর কে সভাপতি হতে পারেন, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে বিজেপির অন্দরে।
বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে?
এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই।
আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়।
বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়?
তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
কংগ্রেসের দিক থেকে কী কী সম্ভাবনা আছে?
সম্ভাবনা এক: কংগ্রেস একাই ১৫০-এর বেশি আসন পেল। তার মানে ছত্তিশগড়, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের মতো যেসব রাজ্যে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি, সেখানে ভালো ফল করতে হবে রাহুল গান্ধীর দলকে। ধরে নিতে হবে, কংগ্রেস সভাপতি এতদিনে পরিণত রাজনীতিক হয়ে উঠেছেন। বিজেপি বিরোধী কোয়ালিশনে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
সেক্ষেত্রে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন?
এই ব্যাপারটা নিয়ে কিছু বিভ্রান্তি আছে। বিরোধী শিবিরের অনেকেই প্রধানমন্ত্রী হতে চান। কংগ্রেস অবশ্য আগেই বলে রেখেছে, প্রয়োজন হলে তারা প্রধানমন্ত্রীর পদটি অন্য দলকে দিতে রাজি। কিন্তু অন্যান্য দলও সেই উদারতা দেখাবে কি না বলা শক্ত।
সম্ভাবনা দুই: কংগ্রেস ১১০ থেকে ১৩০-এর মধ্যে আসন পেল।
তাহলেও দেশের প্রাচীনতম দলটির আসন সংখ্যা হবে অবিজেপি দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি। তারা তখনও বিজেপি বিরোধী কোয়ালিশনে নেতৃত্ব দেওয়ার দাবি জানাবে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস, মায়াবতীর বিএসপি বা অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি রাহুলের নেতৃত্ব মানতে চাইবে কি না বলা শক্ত। যদিও ডিএমকে, আরজেডি বা ন্যাশনাল কনফারেন্সের মতো দল তখনও কংগ্রেসের পাশে দাঁড়াবে। বামপন্থীরাও হয়তো রাহুলকে সমর্থন করবে।
সম্ভাবনা তিন: কংগ্রেস ৭৫ থেকে ১০০টা আসন পেল।
তখন ধরে নিতে হবে কংগ্রেসের হাল খারাপ। গতবছর তাদের কয়েকটি রাজ্যে ভালো ফল হয়েছিল বটে কিন্তু তা থেকে জাতীয় রাজনীতির গতিপ্রকৃতি আন্দাজ করা যায়নি। বিজেপি হারানো জমি ফিরে পেয়েছে। রাহুল গান্ধী এখনও মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতা নন। রাফায়েল কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রচারে ভোটাররা কান দেননি। সুতরাং রাহুলকে আরও পাঁচটি বছর সংসদে বিরোধী বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করতে হবে।
এমনও হতে পারে, তখন কংগ্রেস হাইকম্যান্ড রাহুলের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে নবাগত প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে। দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার জন্য ইন্দিরা গান্ধীর নাতনির ওপরেই বেশি ভরসা রাখবে।
২০১৯ সালে ভারতের ভোটদাতারা ঠিক কী মতপ্রকাশ করেছেন, তা জানার জন্য বৃহস্পতিবার অবধি অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। আপাতত যতরকম সম্ভাবনার কথা ভাবা গিয়েছে, তার বাইরে অন্য কিছুও হতে পারে।
ভারতের ভোট রাজসূয় যজ্ঞের মতোই বৃহৎ। ভোটারের সংখ্যা ৯০ কোটি। গোটা ইউরোপ মহাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ায় যত লোক বাস করে, এদেশে ভোটারের সংখ্যা তার চেয়ে বেশি। ২০১৪ সালে ভোটের পর নির্বাচন কমিশন হিসাব দিয়েছিল, মোট ৪৬৪টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। প্রার্থী হয়েছেন মোট ৮২৫০ জন। ২০১৯ সালে প্রার্থীর সংখ্যা নিশ্চয় বেড়েছে। এইরকম একটা বিশাল ভোট প্রক্রিয়ার শেষে কী ফলাফল হতে পারে, আগে থেকে অনুমান করা দুঃসাধ্য কাজ। সে জন্য এক্সিট পোল প্রায়ই এদেশে ব্যর্থ হয়। এক্সিট পোলে দেখা যায় একরকম, ভোটের ফলাফল হয় সম্পূর্ণ আলাদা।
একটা ব্যাপার এর মধ্যেই স্পষ্ট। যে-ই ক্ষমতায় আসুক, তাকে খুব কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। গত পাঁচ বছরে কৃষকদের আয় বিশেষ বাড়েনি। তাঁরা চাইবেন নতুন সরকার কিছু সুরাহা করুক। দেশে বেকারত্ব গত কয়েক দশকের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। নোটবন্দিতে ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ওইসব শিল্পেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ কাজ করেন। তাঁদের অনেকে কাজ হারিয়েছেন। নতুন সরকার এলে কর্মহীনরা চাইবেন প্রচুর চাকরির সুযোগ তৈরি হোক।
আরও সমস্যা আছে। দেশের রপ্তানি কমছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে অনাদায়ী ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। মোট জাতীয় উৎপাদনের বৃদ্ধির হারও বিশেষ আশাপ্রদ নয়। মাত্র ৬.৮ শতাংশ। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জিডিপি বৃদ্ধির হারকে সাত শতাংশের উপরে নিয়ে যেতেই হবে। নইলে উন্নয়নের গতি হয়ে পড়বে মন্থর।
এতগুলো চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা পূরণ করা খুব শক্ত কাজ।
আর একটা কথা বলার আছে। ভোটের ফলাফল যা-ই হোক, যেন শান্তি বজায় থাকে। গত এক মাসে রাজ্যের নানা জায়গায় মারপিট, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, এমনকী প্রাণহানিও ঘটেছে।
তার ওপর কিছুদিন আগে কলকাতায় অমিত শাহের রোড শো-কে কেন্দ্র করে যা ঘটে গেল, তা রীতিমতো লজ্জার। বাংলার নবজাগরণের যিনি পুরোধা পুরুষ, সেই বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে হাত দিতে সাহস পেল দুষ্কৃতীরা। সেই সাতের দশকের পরে এমন কলঙ্কিত দিন রাজ্যে আর আসেনি।
পশ্চিমবঙ্গে অতীতেও রাজনৈতিক হানাহানিতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সেই ট্রাডিশন থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতেই হবে।
20th  May, 2019
সাধারণের করের টাকায় নজরদারির শ্রাদ্ধ
শান্তনু দত্তগুপ্ত

প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করেছেন... ভারতের যুব সম্প্রদায়কে যেভাবে ‘মন কি বাত’ আকর্ষণ করছে, তাতে তিনি ভীষণ খুশি। ওলিম্পিকস শুরু হয়েছে। টিভির পর্দায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই এখন একটাই সরকারি স্লোগানে ডুবে, ‘চিয়ার ফর ইন্ডিয়া’... হাত মুঠো করে সামনের দিকে ঘুষি ছুড়তে হবে।
বিশদ

সরকার পক্ষীরাজের পিঠে সওয়ার
পি চিদম্বরম

একজন মন্ত্রী এই মর্মে শপথ নেন যে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে তিনি তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন। মন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনও অশুভ শক্তিকে ভয় পাবেন না কিংবা পছন্দের কারও প্রতি পক্ষপাতিত্ব করবেন না।
বিশদ

26th  July, 2021
 অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে বন্ধ্যাত্বের শাপমুক্তি ঘটছে
ডাঃ গৌতম খাস্তগীর

২৫ জুলাই বিশ্ব নলজাতক দিবস যেন সুপ্রজননবিদ্যার অদৃশ্য জয়ধ্বজা ওড়ানোর দিন। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার ত্যাগ, তিতিক্ষা, ধৈর্য, অসহিষ্ণুতা জয়, পরিশ্রমের নির্যাস এই বিশেষ দিন, যার পোশাকি নাম ওয়ার্ল্ড ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন ডে। আজকেই তো সেইদিন যখন টাইম মেশিনে চড়ে পিছিয়ে যাওয়া কয়েক দশক।
বিশদ

25th  July, 2021
সংবাদপত্রের উপর আবার আঘাত
হিমাংশু সিংহ

‘গঙ্গা ঝুট নেহি বোলতে’। গঙ্গা কখনও মিথ্যে বলে না। দৈনিক ভাস্করের সম্পাদক ওম গৌড়ের এই প্রতিবেদনটি ঝড় তুলেছিল গোটা দেশে। দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতা, গঙ্গায় সারি সারি লাশের ভেসে যাওয়া, অক্সিজেনের সঙ্কট এবং সর্বোপরি একটা বেডের জন্য এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছোটাছুটির জীবন্ত ছবি নিজের কলমে এঁকেছিলেন সম্পাদক ওম গৌড়।
বিশদ

25th  July, 2021
টক্কর নিতে গিয়ে হাসির
খোরাক হচ্ছে বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

প্রতিযোগিতা থাকা ভালো, কিন্তু রেষারেষি মোটেই কাম্য নয়। প্রতিযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যায়, দেয় প্রতিষ্ঠা। রেষারেষিতেও এগনো যায়। তবে, তার মধ্যে থাকে প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা।
বিশদ

24th  July, 2021
এই অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি হবে?
সমৃদ্ধ দত্ত

সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ ছবিতে স্কুল পরিদর্শকের সামনে স্কুলের এক ছাত্র অপূর্ব কুমার রায় ‘কিশলয়’ কবিতাটি  মনোগ্রাহী ভঙ্গিতে আবৃত্তি করে স্কুলের সম্মান রক্ষা করেছিল।
বিশদ

23rd  July, 2021
জনসংখ্যার বিস্ফোরণ, দায় কার?
মৃণালকান্তি দাস

২০২১ সালে দাঁড়িয়ে ভারতের শাসকরা ষাটের দশকের দাঁড়িপাল্লায় হিন্দু এবং মুসলিমের জন্মহার মাপছেন। আসলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণেও লক্ষ্য বিভাজন। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে ধর্মকে জুড়ে ফের মেরুকরণও উস্কে দিচ্ছেন তাঁরা। বিশদ

22nd  July, 2021
একুশে জুলাইয়ের
লড়াই শেষ হয়ে যায়নি
সন্দীপন বিশ্বাস

আজ একুশে জুলাই হয়ে উঠতে পারে একটা অপ্রতিরোধ্য শক্তির ব্যঞ্জনা। রাজ্যে স্বল্প পরিসরের বাইরে বেরিয়ে সারা দেশকে অনুপ্রাণিত করতে পারে একুশে জুলাইয়ের লড়াই। সেই লড়াইয়ের যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারেন একজনই। তিনি হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। সারাদেশে তিনি হয়ে উঠেছেন মোদির অক্ষম শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের জননী।
বিশদ

21st  July, 2021
একনায়কতন্ত্রের নজরদারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 পিকে সদ্য সমাপ্ত বাংলার বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়ের কারিগর। আর অভিষেক নিজেই দলের কার্যত সেকেন্ড ইন কমান্ড। এই দু’জনের ফোন ট্যাপ করলেই মাথা পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া যায়—অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশদ

20th  July, 2021
স্বাধীন ভারতের এক সার্বভৌম
পি চিদম্বরম

১৯৪৭-এ আমরা ইংরেজের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছি। তবু, ভারতে আমাদের একজন ‘সার্বভৌম’ রয়েছে। এই সার্বভৌম হল ভারত সরকার।
বিশদ

19th  July, 2021
সত্যি কি তৃতীয় ঢেউ
আটকাতে চান নরেন্দ্র মোদি!
হিমাংশু সিংহ

কোভিড পর্বে ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ধ্যাষ্টামি কম দেখেনি দেশ। গতবছর ২২ মার্চ থালা-ঘটি-বাটি বাজানো থেকেই সেই চোর-পুলিস খেলার শুরু। 
বিশদ

18th  July, 2021
পার্টি ম্যান দিলীপ, হতে
পারলেন না ‘ইয়েস ম্যান’
তন্ময় মল্লিক

ফের সেই অঙ্ক। গেরো থেকে কিছুতেই বেরনো যাচ্ছে না। তবে এবার অঙ্কটা একটু অন্য রকম। ৩ থেকে বেড়ে ৭৭, নাকি ১২১ থেকে কমে? কোন দিক থেকে ৭৭-এর অঙ্ক কষা হবে, সেটা বিজেপির অন্দরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনেকে বলছেন, এই অঙ্কের উপরেই নাকি দাঁড়িয়ে আছে দিলীপ ঘোষের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ!
বিশদ

17th  July, 2021
একনজরে
পাশবিক। মহিলাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে খুন করাতেই ছিল তার আনন্দ। কুখ্যাতি জুটেছিল ‘ডেটিং গেম কিলার’ নামে। হয়েছিল প্রাণদণ্ড। তবে তার আগেই ক্যালিফোর্নিয়ার জেলে মৃত্যু হল রডনি জেমস আলকালার। ...

২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছিলেন মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ভারত। লক্ষ্য ছিল ২০২২ সালের শেষের দিক। ...

মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের সই জাল করে চাকরির সুপারিশ! তা আবার করা হয়েছে তাঁরই বিধায়ক প্যাড ব্যবহার করে। সোমবার এমনই চাঞ্চল্যকর খবর ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ...

যে বয়সে বাচ্চারা বাবা-মায়ের হাত ধরে স্কুলে যায়, সেই বয়সে মোমিজি নিশিয়ার গলায় ঝুলছে ওলিম্পিকসের সোনা! টোকিও গেমসে সোমবার মহিলাদের স্ট্রিট স্কেটবোর্ডিংয়ে সেই অবিশ্বাস্য কাণ্ড ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঝগড়া এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। শরীর-স্বাস্থ্য বিষয়ে অহেতুক চিন্তা করা নিষ্প্রয়োজন। আজ আশাহত হবেন না কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৪: ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৫৫: অস্ট্রেলিার ক্রিকেটার অ্যালান বর্ডারের জন্ম
১৯৬০: শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৬৯: দক্ষিণ আফ্রিকার জন্টি রোডসের জন্ম
১৯৯২: অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
১৯৯৬: আটলান্টা ওলিম্পিকস চলাকালীন সেন্ট্রাল ওলিম্পিক পার্কে বিস্ফোরণে হত ১ মহিলা, আহত ১১১
২০১৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৬৭ টাকা ৭৫.৩৯ টাকা
পাউন্ড ১০০.৭১ টাকা ১০৪.২৩ টাকা
ইউরো ৮৬.১৯ টাকা ৮৯.৩৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮,৭০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৬,৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৭,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৭,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ শ্রাবণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১। চতুর্থী ৫৩/১৮ রাত্রি ২/২৯। শতভিষা নক্ষত্র ১২/৪০ দিবা ১০/১৪। সূর্যোদয় ৫/৯/৩৯, সূর্যাস্ত ৬/১৬/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৬ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১/২ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৯ গতে ৫/২৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ মধ্যে পুনঃ ৯/১১ গতে ১১/২১ মধ্যে। পুনঃ ১/৩১ গতে ২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৮ গতে ৮/২৬ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ৩/০ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৮ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। 
১০ শ্রাবণ, ১৪২৮, মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১। চতুর্থী শেষরাত্রি ৪/৩৩। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ১২/৫৯। সূর্যোদয় ৫/৮, সূর্যাস্ত ৬/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫০ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৪১ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৫/১৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৫১ মধ্যে ও ৯/৫ গতে ১১/১৯ মধ্যে ও ১/৩৩ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৭ গতে ৮/২৬ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ৩/২ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪১ গতে ৯/২ মধ্যে। 
১৬ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে এবার ধর্মঘটের পথে ট্যাক্সিও
বাস-অ্যাপ ক্যাবের পর এবার ভাড়া বৃদ্ধির দাবিতে সরব ট্যাক্সিও। দ্রুত ...বিশদ

01:47:46 PM

বর্ধমান স্কুলের প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষকের হাতে ইনসাস রাইফেল, চাঞ্চল্য 

01:41:46 PM

হরিশ্চন্দ্রপুরে অনাস্থা আনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গোলমাল 
হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দৌলতনগর পঞ্চায়েতে অনাস্থা আনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই ...বিশদ

01:38:23 PM

খড়্গপুরের হিজলিতে বনদপ্তরের অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ 

01:34:13 PM

ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট, যুব তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি
 

ফের ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট। যুব তৃণমূল নেতা চন্দন দাসকে লক্ষ্য করে ...বিশদ

11:49:02 AM

বিয়ের মাস কয়েক বাদেই গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু ঘোলায়
প্রেম করেই বিয়ে করেছিলেন। জীবন চলছিল স্বাভাবিক ছন্দেই। হঠাৎ ছন্দপতন। ...বিশদ

11:46:43 AM